Tag: Pensioners

  • DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারের এমনই নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ এক এক (DA Arrears Credited) করে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। এবার পূরণ হচ্ছে বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ও। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA News) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল নবান্ন। শুক্রবার থেকেই যোগ্য প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমাও পড়তে শুরু করেছে।

    কারা পাবেন বকেয়া ডিএ (DA News)

    নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত এই সুবিধা সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী পাবেন না। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা অবসর নিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র তাঁদেরই দেওয়া হচ্ছে টাকা। আপাতত এই টাকা পাবেন না এই সময়সীমার আগে-পরে অবসর নেওয়া সরকারি কর্মীরা। ১ জুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে সরকারি কর্মীদের সংগঠনগুলির। সেই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে কর্মীরা। কারণ, যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁরা কবে থেকে বকেয়া ডিএ পাবেন, সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হতে পারে ওই বৈঠকেই। প্রসঙ্গত, ডিএ নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কত দূর এগিয়েছে, বুধবার শুনানির সময় তা জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্য সরকারের তরফে কিছুটা সময় চাওয়া হয়। বাকি সংগঠনগুলিও জানায়, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের দিন ঠিক করেছেন। তাই এই মামলায় আরও সময় প্রয়োজন। সব পক্ষের সওয়াল শোনার পর শুনানি পিছিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের হবে শুনানি। তার আগে রাজ্যকে ডিএ মামলার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ

    বকেয়া ডিএ নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ ছিল। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। কলকাতা হাইকোর্ট ঘুরে সেই মামলা গিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়নি। রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফেব্রুয়ারি মাসে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে বিচার চলছে সেই (DA News) মামলার।

    কর্মচারী সংগঠনের বক্তব্য

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয় মমতার সরকার। ক্ষমতায় আসে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পদ্ম সরকার। তার পরেই শুরু হয় বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া। একাধিক কর্মচারী সংগঠনের দাবি, ঠিক কত শতাংশ হারে ডিএ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট সরকারি নির্দেশিকা এখনও পর্যন্ত জারি করা হয়নি। তাই কীসের ভিত্তিতে ডিএ (DA Arrears Credited) দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তার। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “শুনছি, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা অবসরপ্রাপ্তদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। যদিও আমরা শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং অন্য গ্রান্ট-ইন এইডের কর্মীরা এখনও এক টাকাও পাইনি!’’ সিপিএম সমর্থিত কর্মচারী সংগঠনের কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিত গুপ্ত চৌধুরী বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই (DA News)।”

     

  • Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্র (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর (Central Govt Employees)।

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত (Cabinet Approves DA)

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বছরে দু’বার—সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে—সংশোধন করা হয়। এটি শিল্প শ্রমিকদের জন্য ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই-আইডব্লিউ) অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, যা শ্রমমন্ত্রকের অধীন লেবার ব্যুরো প্রতি মাসে প্রকাশ করে। তবে এবার ঘোষণায় খানিক দেরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও শ্রমিকদের কনফেডারেশন (সিসিজিইডব্লিউ) উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয় এবং অক্টোবরের শুরুতে বকেয়া অর্থ দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন না করায় বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “বিলটির পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধীরা বড় ভুল করেছে। এজন্য ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হবে।”

    দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে

    প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিরোধীদের এই অবস্থান মহিলাদের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতার প্রতিফলন এবং এই বার্তা দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছনো উচিত।” তিনি বলেন, “বিলের বিরোধিতা করার পর এখন বিরোধী দলগুলি নিজেদের অবস্থানকে সমর্থন করার চেষ্টা করছে এবং কার্যত তারা দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে (Cabinet Approves DA)।” এছাড়াও, মন্ত্রিসভা ১৩,০০০ কোটি টাকার একটি সার্বভৌম সামুদ্রিক তহবিল গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। এই তহবিলের লক্ষ্য ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এবং ভারতগামী ও ভারত থেকে চলাচলকারী জাহাজগুলির জন্য স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বীমার সুবিধা দেওয়া (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (পিএমজিএসওয়াই)-এর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত (Central Govt Employees) বাড়ানোর অনুমোদনও দিয়েছে, বরাদ্দ করেছে অতিরিক্ত ৩,০০০ কোটি টাকা।

LinkedIn
Share