Tag: Peshawar

Peshawar

  • Dilip kumar-Raj Kapoor: মিউজিয়াম হচ্ছে পেশোয়ারে দিলীপ কুমার-রাজ কাপুরের পৈতৃক ভিটে-বাড়ি

    Dilip kumar-Raj Kapoor: মিউজিয়াম হচ্ছে পেশোয়ারে দিলীপ কুমার-রাজ কাপুরের পৈতৃক ভিটে-বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশোয়ারে দিলীপ কুমারের (Dilip kumar-Raj Kapoor) পৈতৃক বাড়ি হচ্ছে মিউজিয়াম। একইভাবে, রাজ কাপুরের বাস্তুভিটেও পরিণত হবে যাদুঘরে। দেশ ভাগের আগে এই দুই তারকা থাকতেন বর্তমান পাকিস্তানের পেশোয়ারে। পরবর্তী সময়ে ভারতে চলে আসেন তাঁরা। এবার এই দুই তারকার বাড়িকে পুনরুদ্ধারের কাজ করা হচ্ছে। দিলীপের স্ত্রী সায়রা বানু ২০২১ সালের একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, “দিলীপ নিজের পৈতৃক বাড়ি নিয়ে খুব আবেগপ্রবণ ছিলেন। বাল্য এবং শৈশবের একটা সময় কাটিয়েছেন ওই বাড়িতে। আমি চাই সরকার বাড়িকে সংরক্ষিত করুক।”

    তহবিল গঠনের পর শুরু হবে কাজ (Dilip kumar-Raj Kapoor)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, দিলীপ কুমারের (Dilip kumar-Raj Kapoor) বাড়ি ছিল এই শহরের কিসসা খাওয়ানি বাজারে। এই বাড়িটি বর্তমানে খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের মালিকাধীনে রয়েছে। এখন বাড়িটির সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। বাড়িটিতে বর্তমানে সেখানকার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কাজ করছে। তবে বাড়িটিকে যাদুঘরে পরিণত করতে গেলে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এই কাজের জন্য আর্থিক তহবিল গঠন করার কাজ শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে একটি নতুন সরকার গঠনের পর এই তহবিল গঠনের কাজ সম্পূর্ণ হবে। অপর দিকে, রাজ কাপুরের পৈতৃক ভিটেও সরকারের মালিকানায় রয়েছে। এটিও যাদুঘরে পরিণত হবে।

    খাইবার পাখতুখাওয়া পুরাতত্ত্ব বিভাগের বক্তব্য

    খাইবার পাখতুখাওয়া পুরাতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ডাক্তার আব্দুস সমদ খান এই বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে বলেছেন, “দেশ ভাগের আগে থেকেই ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের দুই তারকা রাজ কাপুর (Dilip kumar-Raj Kapoor) এবং দিলীপ কুমার এই বাড়িগুলিতে থাকতেন। জীবনের একটা বিশেষ সময় তাঁরা কাটিয়েছেন তাঁদের বাড়িতে। রাজ কাপুরের পৈতৃক বাড়ির নাম ছিল কাপুর হেভেলি। তাঁর বাবা দিওয়ান বিশ্বেম্বরনাথ কাপুর এই বাড়িটি তৈরি করে ছিলেন। আনুমানিক ১৯১৮ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল। এখানেই তাঁর কাকা তিলক কাপুরের জন্ম হয়েছিল।”

    দিলীপের বাড়ি সম্পর্কে পুরাতত্ত্ব বিভাগের বক্তব্য

    পুরাতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ডাক্তার আব্দুস সমদ খান দিলীপের বাড়ি সম্পর্কে বলেন, “দিলীপ কুমারের (Dilip kumar-Raj Kapoor) বাড়িটি পাকিস্তানের জাতীয় হেরিটেজ। এখানে ১৯২২ সালে জন্ম হয় দিলীপ কুমারের। ১৯৩২ সালে এই বাড়ি ত্যাগ করে ভারতে চলে আসেন দিলীপ। ২০১৪ সালের ১৩ জুলাই তাঁর এই বাড়িকে পাকিস্তান সরকার জাতীয় হেরিটেজ ঘোষণা করে ছিলেন। দেশভাগের পর দিলীপ কুমার একবার এই বাড়িতে এসেছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Peshawar: পেশোয়ারের মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু

    Peshawar: পেশোয়ারের মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে মসজিদে প্রার্থনার সময় ‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণে অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত ১৫০ জন। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মসজিদের একাংশ ভেঙে পড়েছে বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। ওই ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকেই চাপা পড়েছেন। যদিও কত জন ওই ধ্বংসস্তূপের নীচে রয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে তা জানা যায়নি।

    নামাজের সময় হামলা

    সোমবার দুপুরে পেশোয়ারের পুলিশ লাইন এলাকায় একটি মসজিদে ১টা ৪০ মিনিটে প্রার্থনার সময় ওই বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, এক আত্মঘাতী হামলাকারী আচমকা মসজিদে ঢুকে বিস্ফোরণে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। সেই সময় মসজিদে নামাজপাঠ চলছিল। তাই মসজিদে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আহতদের অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় বহু মানুষকে উদ্ধার করতে দেখা যাচ্ছে। পেশাওয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হতাহতদের। সিকন্দর খান নামে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘বিস্ফোরণের জেরে মসজিদের একাংশ ভেঙে পড়েছে। তার নীচে অনেকেই চাপা পড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।’’ বিস্ফোরণের পর ওই মসজিদের আশপাশের গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ।

    ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পাক নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর সদসরা। পুরো এলাকাটিকে ঘিরে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সূত্রের খবর, নামাজের আগে উপালকদের মধ্যেই মিশে ছিল হামলাকারী। নামাজপাঠ শুরু হওয়ার পরই, সে তার গায়ে বাঁধা বিস্ফোরক ভরা জ্যাকেটে বিস্ফোরণ ঘটায়। এখনও কোনও ব্যক্তি বা সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

    আরও পড়ুন: আসন্ন পাকিস্তানের উপনির্বাচন, ৩৩ আসনেই লড়বেন ইমরান খান

    গত কয়েক মাসে পাকিস্তানে বারংবার হামলা চালিয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি জঙ্গি সংগঠন। এমনকি চলতি মাসের শুরুতেই পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে আফগান সীমান্তবর্তী গিলগিট, বালটিস্তান, পাক পঞ্জাব প্রদেশ-সহ এক বিরাট এলাকাকে তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করেছিল তালিবান। এমনকি, প্রতিরক্ষা, বিচার, তথ্য, রাজনীতি বিষয়ক, অর্থনীতি বিষয়ক, শিক্ষা, ফতোয়া, গোয়েন্দা এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক মন্ত্রক ও বিভাগ ঘোষণা করেছিল তারা। এই হামলার পিছনে তারা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  আহতদের উদ্ধার করার পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে কী প্রকৃতি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা চলছে। সরকারিভাবে হতাহতের কোনও সংখ্যা প্রকাশ না করা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Peshawar: পেশোয়ারে মসজিদে হামলায় মৃত বেড়ে ৯০! দায় নিল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান

    Peshawar: পেশোয়ারে মসজিদে হামলায় মৃত বেড়ে ৯০! দায় নিল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পেশোয়ারে মসজিদে আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি। সোমবার মসজিদে প্রার্থনার সময় হামলা চালান টিটিপির বোমারু জঙ্গি। সেই ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৯০ জন। আহত দুই শতাধিক। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান। নিহতদের মধ্যে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাও রয়েছেন। 

    টিটিপি-র হামলা

    মসজিদে হামলার পর পরই তার দায় স্বীকার করে টিটিপি জঙ্গি সংগঠন। একই সঙ্গে তারা বার্তা দেয়, এই হামলা হল উমর খালিদ খুরাসানির মৃত্যুর বদলা। ২০২২-এর আগস্টে পাকিস্তান সেনার গুলিতে নিহত হন টিটিপির কমান্ডার খুরাসানি। পাকিস্তানের স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দাদার মৃত্যুর বদলা নেওয়ার জন্য তলে তলে হামলার প্রস্তুতি চালাচ্ছিলেন তাঁর ভাই মুকর্রম। সোমবার মসজিদে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁরই। একজনের মৃত্যুর বদলা নিতে ৯০ জন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করল টিটিপি। এর আগে ২০১৬ সালে গুলশন-ই-ইকবাল বিনোদন পার্কে হামলা চালায় এই সংগঠন। যে ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৭০ জনেরও বেশি মানুষের। 

    আরও পড়ুন: পেশোয়ারের মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু

    জঙ্গি দমনে সক্রিয়তা

    এই হামলার পর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশ-সহ পাকিস্তানের  অন্যান্য মসজিদ গুলিতেও করা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তান  যে পরিমান অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন তাতে এই ঘটনা আরও গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ সরকার জঙ্গি দমনে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় খেসারত দিতে হচ্ছে। এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন,পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী  শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেছেন, বিস্ফোরণে জড়িতদের কঠোর সাজা দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে আহতদের দ্রুত চিকিৎসারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। তিনি লিখেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলায় দেশের গোয়েন্দা, নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী করার সময় এসেছে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sikh Killing in Pakistan: পেশোয়ারে জঙ্গির গুলিতে মৃত দুই শিখ, নিন্দা পাক প্রধানমন্ত্রীর

    Sikh Killing in Pakistan: পেশোয়ারে জঙ্গির গুলিতে মৃত দুই শিখ, নিন্দা পাক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি হামলার বলি হলেন দুই শিখ (Sikh) ব্যবসায়ী। ঘটনাটি ঘটেছে আফগানিস্তানের সীমান্ত ঘেঁষা পেশোয়ারে (Peshawar)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দুই ব্যক্তির নাম কুলজিৎ সিং(৩৮) এবং রঞ্জিত সিং (৪২)। মশলার ব্যবসা ছিল তাঁদের। রবিবার সরবন্দ অঞ্চলের বট্টাতাল চকে নিজেদের দোকানে বসে বিকিকিনিতে ব্যস্ত ছিলেন ওই দু’জন। সেই সময়ই তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বাইকে চড়ে আসা দুই আততায়ী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলিবিদ্ধ হন দু’জন। ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই ব্যক্তি। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইসিস (ISIS)। ঘটনার পরপরই আইসিসের খোরাসান (Khorasan) ইউনিটের তরফে জানানো হয়, পেশোয়ারে দুই শিখকে হত্যা করেছে তারা। 

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ভারতের পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, আমি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে অনুরোধ করছি, তিনি যেন পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সেদেশে বসবাসকারী হিন্দু ও শিখদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

    [tw]


    [/tw]

     

    এই ঘটনার নিন্দা করে পাকিস্তান সরকারকে নিশানা করেছে শিখ নেতৃত্ব। এই ঘটনার নিন্দা করেছে শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি (SGPC)। শিখদের বিভিন্ন উপাসনালয়ের দেখভাল করে এই কমিটি। তাঁদের তরফে বলা হয়েছে, “এই ধরনের হত্যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পাকিস্তান সরকারের উচিৎ অবিলম্বে আততায়ীদের গ্রেফতার করা। নিজেদের কর্তব্য যেন ভুলে না যায় পাকিস্তান।” সংখ্যালঘুদের হত্যার বিষয়টি সারা পৃথিবীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

    [tw]


    [/tw]

     

    এই হত্যার নিন্দা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। ট্যুইট করে তিনি লিখেছেন, “খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে আমাদের শিখ নাগরিকদের হত্যার (Terrorist Attack) ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। ঘটনার তদন্ত করতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সহানুভূতি জানাচ্ছি।” 

    [tw]


    [/tw]

    হত্যার নিন্দা করে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত সিং মান জানান, এই ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। গত সেপ্টেম্বরেও পেশোয়ারেই এক শিখ ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই হামলার নেপথ্যেও ছিল আইসিস জঙ্গিরা। রবিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান পাকিস্তানের শিখরা। পেশোয়ারে শিখরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানায় স্থানীয় বাসিন্দারা। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে মিছিল করেছেন সেখানকার শিখরা। 

     

LinkedIn
Share