Tag: petrol

petrol

  • Petrol Diesel Prices: রান্নার গ্যাসের পর এবার সস্তা পেট্রল-ডিজেলও, কী বলছে জনতা?

    Petrol Diesel Prices: রান্নার গ্যাসের পর এবার সস্তা পেট্রল-ডিজেলও, কী বলছে জনতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রান্নার গ্যাসের দাম কমানো হয়েছিল আগেই। এবার এক ধাক্কায় দাম কমে গেল পেট্রল ও ডিজেলের (Petrol Diesel Prices)। এই দুই জ্বালানির দাম লিটার পিছু ২ করে কমিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, আজ ১৫ মার্চ, শুক্রবার সকাল ছ’টা থেকেই প্রযোজ্য গিয়েছে পেট্রল ডিজেলের নয়া দাম। জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় খুশি আমজনতা।

    সস্তা হল জ্বালানি

    বৃহস্পতিবার কলকাতায় পেট্রলের দাম ছিল লিটার প্রতি ১০৬.৩ পয়সা। ডিজেলের দাম ছিল ৯২.৭৬ টাকা। কেন্দ্র দুই জ্বালানিরই দাম কমিয়ে দেওয়ায় শুক্রবার থেকে পেট্রল বিক্রি হচ্ছে লিটার পিছু ১০৪.০৩ টাকায়। ডিজেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ৯০.৭৬ টাকায়। পেট্রল-ডিজেলের দাম কমানো (Petrol Diesel Prices) নিয়ে এদিন ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “পেট্রল ও ডিজেলের দাম ২ টাকা কমিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও একবার প্রমাণ করেছেন যে, কোটি কোটি ভারতীয় পরিবারের কল্যাণ ও তাঁদের সর্বোত্তম সুবিধা দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য।”

    কী বলছে সরকার?

    ট্যুইট করা হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফেও। লেখা হয়েছে, “কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ডিজেল চালিত ৫৮ লাখের বেশি ভারী গাড়ি, ৬ কোটি চার চাকা গাড়ি ও ২৭ কোটি দু চাকার মালিকদের খরচ অনেকটা কমিয়ে দেবে। এর ফলে লাভবান হবে একাধিক সেক্টর।” প্রসঙ্গত, শেষবার পেট্রল ডিজেলের দাম কমেছিল ২০২২ সালের ২২ মে। এর ঠিক ৬২২ দিন পরে ফের কমল এই দুই জ্বালানির দাম। জ্বালানির দরের ওপর থেকে কেন্দ্র শুল্ক কমিয়ে নেওয়ায় সস্তা হল পেট্রল-ডিজেল।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির দুয়ারে সন্দেশখালি! নির্যাতনের করুণ কাহিনি শোনালেন ১১ জন

    নিত্য প্রয়োজনীয় এই দুই জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় খুশি আমজনতা। ছাত্তারপুরের পেট্রল পাম্পের এক কর্মী বলেন, “জ্বালানির দাম কমানোয় মোদি সরকারকে ধন্যবাদ। জ্বালানির দাম কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে একটা উত্তেজনা দেখা গিয়েছে। মানুষ ভিড় করছেন পেট্রল পাম্পগুলিতে।” দিল্লির এক বাইক চালক বলেন, “সরকার জ্বালানির দাম (Petrol Diesel Prices) কমানোয় খুব খুশি হয়েছি। মানুষ এতে উপকৃত হবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ethanol: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো পেট্রোলের সরবরাহ ১১টি রাজ্যে

    Ethanol: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো পেট্রোলের সরবরাহ ১১টি রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়া এনার্জি উইকের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর সঙ্গেই ২০ শতাংশ ইথানল যুক্ত পেট্রোল (ফুয়েল E20) চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। নির্ধারিত সময়ের দুই মাস আগেই ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল দেশের ১১ টি রাজ্যে ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে ইথানল মিশ্রণে বড় সাফল্য অর্জন করেছে ভারত। ঠিক ছিল, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে ২০ শতাংশ করে ইথানল মেশানো হবে পেট্রোলে। কিন্তু তার আগেই ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে এই উদ্যোগ শুরু করা হল। 

    ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৩

    কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৩ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনের সময় মোদির সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও রাজ্যপাল ঠাওয়ার চাঁদ গেহলট। সোমবার এই এনার্জি উইকের সূচনা হয়। দু’দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। আর এই দিনেই ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রোলের সরবরাহের কথা বলা হয়। প্রসঙ্গত, বর্তমানে, পেট্রোলে ১০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত হয় (১০শতাংশ ইথানল, ৯০ শতাংশ পেট্রোল) এবং সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে এই পরিমাণ দ্বিগুণ করতে চাইছে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমরা পেট্রোলে ইথানলের মিশ্রণ ১.৫ শতাংশ (২০১৪ সালে) থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করেছি এবং এখন ২০ শতাংশ মিশ্রণের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।” আরও জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে, ১৫টি শহরকে কভার করা হবে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে এটি সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে।

    ইথানল মিশ্রিত পেট্রোলে কী কী সুবিধা হবে?

    প্রথমত, এতে কার্বন নিঃসরণ কমবে, যা পরিবেশের পক্ষে ভালো। গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব কমবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। ভারতের কৃষকদেরও খুবই উপকার হবে। এর ফলে ভারতের কৃষকদের ৪০ হাজার ৬০০ কোটি টাকার উপকার হবে। পেট্রোলের দাম বৃদ্ধিতে রাশ টানতেও কার্যকর হতে পারে ইথানলের মিশ্রণ৷ পেট্রোলের সঙ্গে ইথানল মিশ্রণের ফলে ক্রুড অয়েল আমদানির ওপর ভারত যে আরব ডলার খরচ করে, তা অনেকটাই বেঁচে যাবে। কারণ প্রতি বছর ভারত অনেক টাকার ক্রুড অয়েল আমদানি করে বিভিন্ন দেশের থেকে।

    প্রসঙ্গত, ২০১৯-২০ সালে ৫% ইথানল মিশ্রিত করা হয়েছিল পেট্রোলে। অন্যদিকে, ২০১৩-১৪ সালে ভারতে পেট্রোলে মাত্র ১.৫৩ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত করা হয়েছিল। বর্তমানে ভারত সরকার পেট্রলে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। এর ফলে প্রায় ১০০০ কোটি লিটার ইথানলের প্রয়োজন হবে। ইথানলের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁচা তেল আমদানি করার প্রক্রিয়া কম হয়ে যাবে।

  • Petrol Diesel Under GST: জিএসটির আওতায় আসছে পেট্রোল-ডিজেল? কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Petrol Diesel Under GST: জিএসটির আওতায় আসছে পেট্রোল-ডিজেল? কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি পেট্রোল ও ডিজেলও চলে আসবে জিএসটির আওতায় (Petrol Diesel Under GST)? সোমবার বিকেল থেকে এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এর কারণ কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর একটি মন্তব্য। সোমবার তিনি বলেন, পেট্রোল (Petrol) ও ডিজেলকে (Diesel) জিএসটির (GST) আওতায় আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র। একই সঙ্গে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, রাজ্যগুলি কেন্দ্রের এই প্রস্তাবে রাজি না-ও হতে পারে। কারণ মদ ও তেলের থেকে তাদের রাজস্বের একটি বড় অংশ আদায় হয়। মন্ত্রী বলেন, তবে যদি রাজ্য রাজি হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত।

    মন্ত্রী বলেন…

    পেট্রোল ডিজেলকে জিএসটির আওতায় (Petrol Diesel Under GST) নিয়ে আসা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, পেট্রোল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসতে গেলে রাজ্যগুলিকে রাজি হতে হবে। তিনি বলেন, যদি রাজ্য পদক্ষেপ করে, তাহলে আমরা প্রস্তুত। মন্ত্রী বলেন, আমরা বরাবরই প্রস্তুত রয়েছি। অন্তত আমি এমনটাই বুঝেছি। তবে কীভাবে এটি লাগু করা হবে, তা অন্য বিষয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত।

    হরদীপ সিং পুরী বলেন, এটা বোঝা কঠিন নয় যে তারা (রাজ্যগুলি) এ থেকে রাজস্ব আদায় করে। যে রাজস্ব পাচ্ছে, সে কেন সেটা ছাড়বে? তিনি বলেন, মদ ও জ্বালানি দুটি ক্ষেত্র যেখান থেকে তারা রাজস্ব আদায় করে। মন্ত্রী বলেন, এটা একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার যে মুদ্রাস্ফীতি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ভারতের অনেক প্রতিবেশী দেশেই জ্বালানির দাম অত্যন্ত চড়া। তবে ভারতের প্রান্তিক এলাকায়ও জ্বালানি সহজলভ্য। তাঁর মতে, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের কারণেই এটা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অক্টোবরের জিএসটি সংগ্রহ প্রায় ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা, এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ

    ভারতে যে পেট্রোল ডিজেলের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মন্ত্রী। বলেন, গত এক বছরে উত্তর আমেরিকায় জ্বালানির দর বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। আর ভারতে এই বৃদ্ধির হার মাত্র ২ শতাংশ। তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও যদি কোনও উজ্জ্বল আলো দেখা যায়, তাহলে তা রয়েছে ভারতেই। এটা আমি বলছি না, বলছেন মর্গান স্ট্যানলি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Centre plans: ২ লক্ষ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়! মুদ্রাস্ফীতি রুখতে দাওয়াই কেন্দ্রের

    Centre plans: ২ লক্ষ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়! মুদ্রাস্ফীতি রুখতে দাওয়াই কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) রুখতে আগামী এক বছরে অতিরিক্ত দু’লক্ষ কোটি টাকা খরচ করার কথা ভাবছে কেন্দ্র (Modi govt)। দুই সরকারি আধিকারিকের কথায়, কেন্দ্র সরকার ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে এই অতিরিক্ত ব্যয়ের কথা ভাবছে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করা যাবে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

    সূত্রের খবর, সে জন্যই জ্বালানির উপর থেকে শুল্ক কমানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Union Finance Minister Nirmala Sitharaman)। যার ফলে পেট্রলে আট টাকা ও ডিজেলে ছয় টাকা শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তাতে পেট্রোলের দাম কমবে লিটার পিছু সাড়ে নয় টাকা। আর ডিজেলের দাম কমবে লিটার পিছু সাত টাকা। পাশাপাশি উজ্জ্বলা (Ujjwala scheme) গ্যাস সিলিন্ডারে (domestic LPG) ২০০ টাকা করে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে বছরের ১২টি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে। এর ফলে ৯ কোটি গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    নির্মলা ট্যুইটে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক পেট্রলের ক্ষেত্রে কমানো হচ্ছে ৮ টাকা প্রতি লিটার এবং ডিজেলে ৬ টাকা প্রতি লিটার। এর ফলে দেশে পেট্রলের দাম কমবে লিটারপ্রতি সাড়ে ৯ টাকা এবং ডিজেলের দাম কমবে লিটারে ৭ টাকা। এর ফলে বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা কোষাগার থেকে দেবে কেন্দ্র।

    করোনা (Covid-19) এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine Russia war) জেরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামবৃদ্ধি (price rise) এমনিতেই সাধারণ মানুষের পকেটে চাপ বৃদ্ধি করছে। গত এপ্রিল মাসে ভারতের খুচরো মুদ্রাস্ফীতি (retail inflation) আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি, অন্যদিকে পাইকারি বাজারে মুদ্রাস্ফীতি (wholesale inflation) অন্তত ১৭ বছরে সর্বোচ্চে, যা আগামী দিনে বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচনের আগে সরকারের জন্য একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    রাশিয়া-ইউক্রেন (Ukraine) যুদ্ধের ফলে তেলের দাম আরও বাড়লে সরকার আরও ভর্তুকি দেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানান ওই দুই আধিকারিক। কৃষিক্ষেত্রেও ভর্তুকি দেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারকে ঋণ নিতে হলেও সাধারণ মানুষের কথা ভেবে সে ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত কেন্দ্র এমনই দাবি করেছেন আধিকারিকেরা।

LinkedIn
Share