Tag: Petrol Shortage League

  • PSL 2026: ‘পিএসএল খেলতে এলে বিপদ হবে’! বিদেশি ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা পাক জঙ্গিদের, কী করবেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা?

    PSL 2026: ‘পিএসএল খেলতে এলে বিপদ হবে’! বিদেশি ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা পাক জঙ্গিদের, কী করবেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে পাকিস্তান সুপার লিগ (PSL 2026)। এবার পিএসএল-এ এল জঙ্গি হামলার হুমকি। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর তরফ থেকে বিদেশি ক্রিকেটারদের উদ্দেশে বার্তা তারা যেন এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেন। তাদের দাবি, বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দুর্বল এবং এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই হুমকির ফলে শুধু খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই নয়, গোটা টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি

    ‘তেহরিক ই তালিবান পাকিস্তান’-এর নেতা জামাত উল আহরার ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’-কে বলেছেন, “আমরা বিশ্বের বাকি সব ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করে দিতে চাই। দয়া করে আপনাদের দেশের ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগ খেলতে পাঠাবেন না। যদি কারও সঙ্গে কিছু হয়, তা হলে আমাদের কোনও দায় থাকবে না। খেলতে এলে বিপদ হবে।” আহরার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কিছুতেই যাতে পাকিস্তান সুপার লিগ না হয়, সেটা নিশ্চিত করবেন তাঁরা। আহরার বলেন, “যাতে পাকিস্তান সুপার লিগ না হয়, তার সব চেষ্টা আমরা করব। সেই কারণে ক্রিকেটারদেরও সতর্ক করা হচ্ছে। কেউ খেলতে আসবেন না।”

    ওয়ার্নার ও স্মিথের মতো তারকারা কী আসবেন?

    পাকিস্তান সুপার লিগে এবার খেলা বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের মতো তারকা রয়েছেন। ওয়ার্নার করাচি কিংসের অধিনায়ক। স্মিথ রয়েছেন মুলতান সুলতানসে। তা ছাড়া মার্নাস লাবুশেন, মইন আলি, ডেভন কনওয়ে, অ্যাডাম জাম্পার মতো ক্রিকেটারও রয়েছেন এবারের লিগে। তাঁদের প্রত্যেককে সতর্ক করেছেন আহরার। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা পাকিস্তান সুপার লিগ। ফাইনাল ৩ মে। পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট দেখা গিয়েছে। ফলে প্রতিযোগিতা ছয় শহরের বদলে দুই শহরে হবে। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে খেলা। তার মাঝেই এ বার আর এক সমস্যায় পাকিস্তানের লিগ।

    ক্রিকেটের বিরোধিতা নয়

    টিটিপি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে তারা ক্রিকেটের বিরোধিতা করছে না। বরং তাদের বক্তব্য, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন স্থিতিশীল নয়, তখন এত বড় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। এই যুক্তি সামনে রেখেই তারা বিদেশি খেলোয়াড়দের সতর্ক করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তান সুপার লিগে প্রতিবছরই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নামী ক্রিকেটাররা অংশ নেন, যা টুর্নামেন্টের আকর্ষণ বাড়ায়। কিন্তু এ ধরনের হুমকিতে ক্রিকেটাররা আশঙ্কিত। অনেকেই নিরাপত্তার বিষয়টি ভেবে অংশগ্রহণ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।

    পিএসএল-এ অনিশ্চয়তার আবহ

    অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বরাবরই দাবি করে আসছে যে, আন্তর্জাতিক মানের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। অতীতেও নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সফলভাবে পিএসএল (PSL 2026) সম্পন্ন হয়েছে। ফলে এবারও তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে কতটা সক্ষম হয়, সেটাই এখন দেখার। সব মিলিয়ে, টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও, এই হুমকির জেরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। শেষ পর্যন্ত পিএসএল নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে কি না, বিদেশি ক্রিকেটাররা অংশ নেবেন কি না,এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে আগামী কয়েক দিনের পরিস্থিতির ওপর।

    বাংলাদেশের দ্বিচারিতা!

    নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। শেষপর্যন্ত প্রতিযোগিতা বয়কট করে তারা। সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান সুপার লিগও। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে লিগে। বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি দিয়েছে একটি জঙ্গি সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে সেখানে তাদের ক্রিকেটারদের পাঠানো হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পিএসএল। সেখানে ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। একটি বিবৃতিতে সে দেশের বোর্ড বলেছে, “বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সুপার লিগে ক্রিকেটারদের যোগ দেওয়ার বিষয়ে দেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রক এবং বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে গেলে নিরাপত্তার কোনও সমস্যা হবে না। ইসলামাবাদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তেই ক্ষোভ ফেটে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। নিরাপদ ভারতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করলেও জঙ্গি হুমকির মাঝেই পাকিস্তানে ক্রিকেটারদের পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।

    পিএসএল নিয়ে উদ্বেগ, আইপিএল নিয়ে নো-টেনশন

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক বা রাজনৈতিক মঞ্চ, ভারত বনাম পাকিস্তানের লড়াইটা সর্বত্রই। সেই লড়াইটা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও প্রকাশ পায়। প্রায়শই পিএসএল না আইপিএল, কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ সেরা, সেই নিয়ে সমর্থকরা তর্ক, বিতর্কে জড়ান। এমনকী এবারে তো আইপিএল এবং পিএসএল ফের একবার একদম একই সময়ে আয়োজিত হবে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহগুলির দিকে তাকালে বোঝাই যায় যে কোন দলের মান, কদর ঠিক কতটা। বিদেশি ক্রিকেটাররাও  আইপিএল-এ দল না পেয়ে পিএসএল-এ যোগ দেন। আবার আইপিএল-এ যোগ দেওয়ার সুযোগ এলেই পিএসএল ছেড়ে দেন। অতীতে কর্বিন বশ পিএসএলের চুক্তি ছেড়ে আইপিএলে যোগ দিয়েছিলেন। এ বছরে ইতিমধ্যেই ব্লেসিং মুজারাবানি, শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকাও এমনটা করেছেন।

  • PSL 2026: ‘পেট্রল শর্টেজ লিগ’! জ্বালানি সঙ্কটের কোপ পিএসএলে, জারি একাধিক নিষেধাজ্ঞা, সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    PSL 2026: ‘পেট্রল শর্টেজ লিগ’! জ্বালানি সঙ্কটের কোপ পিএসএলে, জারি একাধিক নিষেধাজ্ঞা, সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট পাকিস্তানে। সমস্যায় পাকিস্তান ক্রিকেট লিগ। ছয় শহরের বদলে দুই শহরে লিগ আয়োজন করার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দর্শকশূন্য মাঠে হবে খেলা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের লিগকে খোঁচা দিয়েছে আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। এক্স হ্যান্ডলে আইসল্যান্ড বোর্ড লিখেছে, “পিএসএল এগিয়ে আসছে। লক্ষ লক্ষ ক্রিকেট ভক্তেরা মুখিয়ে রয়েছেন। আমরা বরাবর ভাবতাম, পিএসএল কথার অর্থ কী। এ বার বুঝেছি। পিএসএল মানে পেট্রল শর্টেজ লিগ।” আইসল্যান্ড বোর্ডের এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। বেশির ভাগই এই পোস্টকে মজার ছলে দেখছেন।

    ফাঁকা গ্যালারি, দুই শহরে খেলা

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) ঘোষণা করেছে, এবারের পিএসএল দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। ভেন্যু স্রেফ লাহোর ও করাচি। ২৬ মার্চ থেকে টুর্নামেন্ট শুরুর কথা থাকলেও, পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে পরিকল্পনা। মূল কারণ জ্বালানি সঙ্কট। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে একাধিক দেশে প্রভাব পড়েছে। পাকিস্তান সরকারও নাগরিকদের চলাচল কমাতে বলেছে। স্কুল বন্ধ, ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু, ছুটি বাড়ানো—এই আবহে ক্রিকেট আয়োজন। শুধু তাই নয়, অনেকের সওয়াল—আসল ‘ভিলেন’ জ্বালানি সঙ্কট? নাকি আঞ্চলিক সংঘাত? অর্থাৎ, তলে তলে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি বিগড়ে দিয়েছে? কারণ যাই হোক না কেন, মোদ্দা বিষয়, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ইমেজের প্রশ্নে ধাক্কা খেয়েছে পিএসএল।

    প্রাইভেট স্টেডিয়াম লিগ

    শুধু পেট্রল শর্টেজ লিগ নয় অনেকে আবার বলেছেন “পিএসএল নয়, এবার এটা ‘প্রাইভেট স্টেডিয়াম লিগ’ হয়ে গেল।” কেউ আবার লেখেন, ‘খেলা হবে, কিন্তু দেখবে কে? টিভিই একমাত্র ভরসা!’ আরও এক ইউজার বলছেন, ‘জ্বালানি নেই, তাই দর্শক নেই। এমন অজুহাত আগে শুনিনি!’ অন্য এক পোস্টে শ্লেষ, ‘যুদ্ধ চলছে ঠিকই। কিন্তু ট্রোলিংয়ে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন!’ নেটভুবনে এইসব মন্তব্যে স্পষ্ট, পরিস্থিতি যতই গুরুতর হোক, রসিকতায় ভাটা পড়েনি একটুও।

    পিএসএল ছেড়ে আইপিএল-এ

    এরই মধ্যে আরেক বিপত্তি। বিদেশি ক্রিকেটাররা মাঝপথে দল ছাড়ছেন। লক্ষ্য—আইপিএল (IPL 2026)। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার দাসুন শনকা (Dasun Shanaka) লাহোর কালান্দার্স ছেড়ে যোগ দিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসে। এর আগে ব্লেসিং মুজারাবানি (Blessing Muzarabani) কলকাতা নাইট রাইডার্সে সই করেন। অর্থাৎ, লিগ পাল্টানোর খেলা থামার নাম নেই। একই ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। এই নিয়ে তড়িঘড়ি কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নকভি। স্পষ্ট বার্তা, ‘যারা নিয়ম ভেঙে সরে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগেও হয়েছে, এবারও হবে!’

LinkedIn
Share