Tag: pfi ban

pfi ban

  • PFI: পিএফআই-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তই বহাল রাখল কর্নাটক হাইকোর্ট

    PFI: পিএফআই-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তই বহাল রাখল কর্নাটক হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়াকে (PFI) ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল কর্নাটক হাইকোর্ট। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সম্প্রতি কর্নাটক হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন পিএফআই-এর কর্নাটক শাখার সভাপতি নাসির পাশা। বুধবার সেই আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্নর বেঞ্চ জানিয়েছে, আবেদনকারীরা এমন কোনও তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে পারেননি, যাতে এই মামলাটি চলতে পারে।

    বুধবার আদালতে মামলার শুনানি চলাকালীন পিএফআই-এর (PFI) আইনজীবী দাবি করেন, এই গোষ্ঠীর উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোর সিদ্ধান্তের পক্ষে কোনও যুক্তি দিতে পারেনি কেন্দ্র। তাই এই নিষেধাজ্ঞা অন্যায্য। বিভিন্ন অপরাধের ঘটনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের যে মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা সেই অধিকারকে লঙ্ঘন করে। কিন্তু এই কোনও যুক্তিকেই মান্যতা দেয়নি উচ্চ আদালত।

    কী অভিযোগ এই সংগঠনের বিরুদ্ধে?

    গত সেপ্টেম্বর মাসে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ইউএপিএ-র আওতায় পিএফআই (PFI) গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। তার আগে দেশজুড়ে পিএফআই-এর বিভিন্ন কার্যালয় এবং নসদস্যের বাড়িতে হানা দিয়েছিল রাজ্য পুলিশ, অপরাধ দমন শাখা এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থার বিভিন্ন দল। প্রায় ৩০০ জনেরও বেশি পিএফআই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল সেই সময়। তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে, গোটা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু ,সন্ত্রাসবাদী কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই গোষ্ঠী। পিএফআই সদস্যদের বিরুদ্ধে ১৪০০টিরও বেশি ফৌজদারী মামলাও রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের খুনের অভিযোগ রয়েছে এই সংগঠনের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: তাপ বাড়ছে শহরের, ডিসেম্বরের শুরুতেও অধরাই শীত   

    গোয়েন্দাদের আরও দাবি, বিভিন্ন নিষিদ্ধ গোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও যোগ ছিল পিএফআই (PFI) নেতাদের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া বা সিমি, জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবি, এমনকী, ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গেও যোগ ছিল পিএফআই সদস্যদের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশ-বিদেশ থেকে হাওয়ালা এবং অনুদানের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করত পিএফআই।

    সেপ্টেম্বর মাসে নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বলেছিল, “বাইরে থেকে তহবিল এবং নীতিগত সমর্থনের জোরে, দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সংগঠন (PFI)।” বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, পিএফআই-এর অন্তত ২০ জন সদস্য ইসলামিক স্টেট জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দাবি করে, এই গোষ্ঠী সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশকে চরমপন্থী করার গোপন পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশের সংবিধানকেও অশ্রদ্ধা করে এই সংগঠন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

      
     

  • PFI: পিএফআইকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা জরিমানার নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের

    PFI: পিএফআইকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা জরিমানার নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য নিষিদ্ধ ইসলামিক সংগঠন (Islamic Organization) পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (Popular Front of India) ৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিল কেরল হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেয় আদালত। বনধের দিন হিংসায় রাজ্যে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করতেই ওই নির্দেশ দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, পিএফআইয়ের (PFI) ডাকে বনধ পালিত হয় কেরলে। ক্ষতি করা হয় সরকারি সম্পত্তির। তার জেরেই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ।

    কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে পিএফআই ও তার সহযোগী সংস্থাকে। তার পরেই শুরু হয় দ্বিতীয় দফার ধরপাকড়। ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন রাজ্যে বনধ পালন করে এই নিষিদ্ধ ইসলামিক সংগঠন। কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি একে জয়শঙ্করণ নাম্বিয়ার ও সিপি মহম্মদ নিয়াসের ডিভিশন বেঞ্চ ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতকে অভিযুক্তদের জামিন না দেওয়ার নির্দেশও দেন। ধর্মঘটের দিন হিংসা ও ভাঙচুর সম্পর্কিত দায়ের হওয়া সবকটি মামলায় পিএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক এ আবদুল সাত্তারকে অভিযুক্ত করারও নির্দেশও কেরল সরকারকে দেয় আদালত। আদালত জানায়, নাগরিকদের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া যায় না। বার্তা পরিষ্কার। যদি কেউ এটা করে, তাহলে এটা তার ফল। আপনি সংগঠন করতেই পারেন। নির্দেশও দিতে পারেন। সংবিধান এর অনুমতিও দেয়। কিন্তু হরতাল করতে পারেন না।

    আরও পড়ুন : নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে আদালত জানিয়েছিল, হরতাল ডাকতে হলে অন্তত সাতদিন আগে নোটিস দিতে হবে। হঠাৎ করে বনধ অবৈধ এবং অসাংবিধানিক। শুক্রবার পিএফআইয়ের বনধ ডাকা হয় আচামকাই। হয় হিংসাও। তার জেরেই ব্যবস্থা নিল আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ এও জানিয়েছে, ক্ষতিপূরণের টাকা না দিলে প্রয়োজনে ওই সংগঠনের সম্পত্তি অ্যাটাচ করতে হবে। কেরল স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন আগেই আদালতকে জানিয়েছিল, বনধের দিন হিংসার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের ৫৮টি বাস। জখম হয়েছিলেন ২০ জন কর্মী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI: পিএফআইয়ের মাথা কারা? চিনে নিন চাঁইদের

    PFI: পিএফআইয়ের মাথা কারা? চিনে নিন চাঁইদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদে যুক্ত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করা হয়েছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India) ও তাদের সহযোগী একাধিক সংস্থাকে। একাধিক হিন্দু (Hindu) নেতাকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে সদ্য নিষিদ্ধ এই সংগঠনের বিরুদ্ধে। হাওয়ালার কারবারও করত এই সংগঠন। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বুনত হিংসার বীজ। আন্তর্জাতিক কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও পিএফআইয়ের (PFI) যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। আসুন, এই সংগঠনের কয়েকজন মাথার পরিচয় জেনে নিই।

    ওএমএ সালমান: পিএফআইয়ের চেয়ারম্যান ওএমএ সালমান কেরল স্টেট ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের কর্মী। বতর্মানে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। রেহাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও যুক্ত তিনি।

    আনিশ আহমেদ: পিএফআইয়ের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেঙ্গালুরুতে পড়াশোনা। গ্লোবাল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিতে কাজ করতেন। সম্প্রতি সাসপেন্ড করা হয়েছিল তাঁকে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নিউজ চ্যানেলে তিনি অতিসক্রিয় ছিলেন। সরকারি নানা নীতির কট্টর সমালোচক ছিলেন আনিশ।

    পি কোয়া: জাতীয় কার্যকরী কাউন্সিলের সদস্য। নিষিদ্ধ সিমির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। কেরলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার ছিলেন। ইসলামিক ইয়ুথ সেন্টারের ডায়েরেক্টর হিসেবে কাজ করেছিলেন। ইসলামিক আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করতেন তিনি।

    আরও পড়ুন : নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    ইএম আবদুর রহমান: জাতীয় ভাইস চেয়ারম্যান। কোচিন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির অবসরপ্রাপ্ত লাইব্রেরিয়ান। সিমির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট।

    আফসার পাশা: জাতীয় সম্পাদক। পেশায় ব্যবসায়ী। পিএফআইয়ের সক্রিয় সদস্য।

    আবদুল ওয়াহিত সেইট: জাতীয় কার্যকরী কাউন্সিলের সদস্য। র‌্যাডিক্যাল ইসলামিক অর্গানাইজেশনের ফাউন্ডিং সদস্য।

    মহম্মদ শাকিব এলিয়াস শাকিফ: জাতীয় সম্পাদক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশানস)। পিএফআইয়ের ফাউন্ডিং মেম্বার। রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করেন।

    মিনারুল শেখ: প্রসিডেন্ট, পিএফআই, ওয়েস্টবেঙ্গল। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি। কোচিং ক্লাস চালান। করেন গবেষণামূলক কাজকর্ম।

    মহম্মদ আশিফ: প্রেসিডেন্ট, রাজস্তান পিএফআই। তিনি প্রথমে সিএফআইয়ে যোগ দিয়েছিলেন। পরে হয়েছিলেন পিএফআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট। সংগঠন বাড়ানোর ব্যাপারে তিনি খুব সক্রিয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • PFI: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    PFI: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS) এবং বিজেপি (BJP) নেতাদের টার্গেট করেছিল সদ্য নিষিদ্ধ ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India)। অন্তত মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের (ATS) তদন্তে উঠে এসেছে এই তথ্য। সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে পিএফআইকে। দেশজুড়ে পিএফআই এবং তার সহযোগী সংস্থার ডেরায় হানা দিয়েছে এনআইএ। দেশের ১০টি রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে একশোরও বেশি পিএফআই সদস্যকে। তার পরে ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে  পিএফআইয়ের একের পর এক গোপন ছক!

    নাগপুরে রয়েছে আরএসএসের সদর দফতর। জানা গিয়েছে, এই দফতর এবং বিজেপির শীর্ষস্তরের নেতারা ছিলেন পিএফআইয়ের রাডারে। আসন্ন দশেরা উৎসবে যেসব আরএসএস নেতা যোগ দেবেন, তাঁদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জোগাড়ের পরিকল্পনাও করেছিল পিএফআই। গোয়েন্দা নোটে বলা হয়েছে, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনা করেছিল পিএফআই। সংগঠনের প্রবীণ নেতারা দিল্লির তিহার জেলে বন্দি থাকায় তারা আপসেট হয়ে পড়েছিল। ওই নোটে এও বলা হয়েছে, পিএফআই বেশ কয়েকজন আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল। এই আত্মঘাতী জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এনআইএ, ইডি এবং সরকারি আধিকারিকদের টার্গেট করতে। কারণ পিএফআই বিশ্বাস করে এই সংস্থাগুলি তাদের লক্ষ্য পূরণে প্রধান বাধা। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও নেতাদের আক্রমণ করার দায়িত্বও বর্তেছিল আত্মঘাতী ওই জঙ্গিদের ওপর।

    উত্তর প্রদেশেও সংগঠন বাড়াচ্ছিল পিএফআই। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সম্প্রতি এই নিষিদ্ধ সংগঠন সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নেমেছিল। এই সদস্যদের কাজ ছিল আরও বেশি করে হিন্দু মেয়েদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করা। যাঁরা ধর্মান্তরিত হবেন, তাঁদের বাড়ি, টাকাপয়সা এবং চাকরির প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছিল। পিএফআই লখনউ-বারাবাঁকি সীমান্তের কাকোরির কুর্সি গ্রামে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরও চালাত। এই শিবিরেই কীভাবে হিন্দু মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে, তা শেখানো হত।

    আরও পড়ুন : টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    কেরলে আরএসএস এবং বিজেপির অফিস এবং তাদের সদস্যদের সম্পত্তিতে পেট্রো-বম্ব হামলা চালানো হয়েছিল। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল পিএফআইয়ের। গোটা রাজ্যে এরকম প্রায় ২০টি হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ গ্রেফতার করেছে ১৫ জনকে। এর মধ্যে দুজন এসডিপিআই সদস্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    PFI: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল সদ্য নিষিদ্ধ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India) ও তার অনুমোদিত বিভিন্ন সংস্থা। সম্প্রতি দেশজুড়ে পিএফআইয়ের (PFI) বিভিন্ন ডেরায় হানা দিয়েছে এনআইএ (NIA)। গ্রেফতার করা হয়েছে প্রচুর পিএফআই সদস্যকে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআইকে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানতে পেরেছে, পিএফআই একটি হিংসাত্মক সংগঠনে পরিণত হয়েছিল। এই সংগঠন জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দিত, হাওয়ালায় টাকা ঢালত, দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণার পরিবেশও সৃষ্টি করত এই নিষিদ্ধ সংগঠন। তদন্তকারীরা এও জেনেছেন, পিএফআই বেশ কয়েকজন হিন্দু নেতাকেও হত্যা করেছ।

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রক বিশ্বাস করে পিএফআই এমন একটি সংগঠন যার সদস্যরা দেশে বিভিন্ন হিংসামূলক এবং অবৈধ কাজকর্মে লিপ্ত। সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও যুক্ত এই সংগঠনের সদস্যরা। দেশের ১৭টি রাজ্যে পিএফআই ও তাদের অনুমোদিত সংগঠনের উপস্থিতির কথাও প্রকাশ্যে এসেছে। ডশিয়ারে বলা হয়েছে, পিএফআই তার ক্যাডারদের শান্তি এবং দেশের ঐক্য বিনষ্ট করে এমন কাজকর্ম করতে উৎসাহ জোগাত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে এমন কাজ করতেও উৎসাহ জোগাত। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র নষ্ট করার চেষ্টাও করত এই সংগঠন। সেই কারণেই ইউএপিএতে ব্যান করা হয়েছে এই সংগঠনকে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি। এর মধ্যে এর ক্যাডার এবং সহযোগী সংগঠনগুলিও রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্য পুলিশ এবং এনআইএ এই মামলা করেছে। এই মামলাগুলির মধ্যে কিছু মামলা করা হয়েছে ইউএপিএর অধীনে। বিস্ফোরক পদার্থ আইন, অস্ত্র আইন এবং আরও কয়েকটি ধারায়ও মামলা দায়ের হয়েছে। সদ্য নিষিদ্ধ এই সংগঠনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্রের খোঁজও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ডশিয়ারে বলা হয়েছে, পিএফআইয়ের কিছু কাজ বিশেষত কেরালায়, আইএসআইএসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে করা হয়েছে। সিরিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ কাজকর্মেও তারা যুক্ত ছিল। যুদ্ধে ভারতীয় আইএসআইএস জঙ্গি নিহতও হয়েছে। এনআইএ আইএসআইএসের সঙ্গে পিএফআই সদস্যদের কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে বিভিন্ন রাজ্যে। বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদান সঙ্গেও পিএফআইয়ের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP reaction on PFI Ban:  ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP reaction on PFI Ban: ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। দেশজুড়ে বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সব সহযোগী সংস্থা এবং ওই সংগঠন অনুমোদিত সংস্থাগুলির ওপরও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কেন্দ্রের পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতারা।

    বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বুধবার বলেন, দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, যখন রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল, আমরা বলেছিলাম পিএফআই যুক্ত ছিল। কর্নাটকে যখন সিদ্ধারামাইয়া ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ২৩ জনেরও বেশি খুন হয়েছিলেন। দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে পিএফআই ব্যান (PFI Ban) জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশবাসী এটা চাইছিলেন। সিপিআই, সিপিএম এবং কংগ্রেস সহ সব রাজনৈতিক দলও এটাই চাইছিলেন। পিএফআই (Popular Front of India) সিমি এবং কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটির অবতার। তারা দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার ঘটনায় যুক্ত।

    পিএফআই ব্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যারা দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত, সরকার তাদের কড়া হাতে দমন করবে। ভারতে  এখন মোদি যুগ চলছে। তিনি লেখেন, আসাম সরকার ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা পিএফআই ও সিএফআইয়ের অফিস সিল করেছি। গ্রেফতার করা হয় পিএফআইয়ের কিছু সদস্যকে। আরও গ্রেফতার করা হবে। 

    পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেও। ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। ট্যুইটে তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্রে অশান্তি পাকাতে চেয়েছিল পিএফআই। সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও করছিল। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, পিএফআই পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল। দেশে থেকে এ স্লোগান দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। কেন্দ্র সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এটা দেশপ্রেমিকদের দেশ। 

    পিএফআই (Popular Front of India) ব্যানের  সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যও। ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যারা এর বিরোধিতা করছে, ভারত তা মেনে নেবে না। উত্তর দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP reaction on PFI Ban:  ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP reaction on PFI Ban: ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। দেশজুড়ে বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সব সহযোগী সংস্থা এবং ওই সংগঠন অনুমোদিত সংস্থাগুলির ওপরও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কেন্দ্রের পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতারা।

    বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বুধবার বলেন, দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, যখন রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল, আমরা বলেছিলাম পিএফআই যুক্ত ছিল। কর্নাটকে যখন সিদ্ধারামাইয়া ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ২৩ জনেরও বেশি খুন হয়েছিলেন। দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে পিএফআই ব্যান (PFI Ban) জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশবাসী এটা চাইছিলেন। সিপিআই, সিপিএম এবং কংগ্রেস সহ সব রাজনৈতিক দলও এটাই চাইছিলেন। পিএফআই (Popular Front of India) সিমি এবং কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটির অবতার। তারা দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার ঘটনায় যুক্ত।

    পিএফআই ব্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যারা দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত, সরকার তাদের কড়া হাতে দমন করবে। ভারতে  এখন মোদি যুগ চলছে। তিনি লেখেন, আসাম সরকার ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা পিএফআই ও সিএফআইয়ের অফিস সিল করেছি। গ্রেফতার করা হয় পিএফআইয়ের কিছু সদস্যকে। আরও গ্রেফতার করা হবে। 

    পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেও। ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। ট্যুইটে তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্রে অশান্তি পাকাতে চেয়েছিল পিএফআই। সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও করছিল। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, পিএফআই পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল। দেশে থেকে এ স্লোগান দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। কেন্দ্র সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এটা দেশপ্রেমিকদের দেশ। 

    পিএফআই (Popular Front of India) ব্যানের  সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যও। ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যারা এর বিরোধিতা করছে, ভারত তা মেনে নেবে না। উত্তর দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI Ban: পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    PFI Ban: পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    মাধ্যম নিজজ ডেস্ক: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআইয়ের সহযোগী সংস্থাগুলিকেও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। কেবল বিজেপি নয়, সুফি (Sufi) এবং বারেলভি (Barelvi) ধর্মগুরুরাও বুধবার স্বাগত জানিয়েছে মোদি (PM Modi) সরকারের এই সিদ্ধান্তকে। অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানাসিন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিবৃতি জারি করে জানান জঙ্গিবাদ দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রত্যেকের ধৈর্য ধরা উচিত।

    ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানাসিন কাউন্সিল বিশ্বাস করে আইনের স্বার্থে যদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে প্রত্যেকের ধৈর্য ধরে কাজ করা উচিত। সরকার ও তদন্তকারী সংস্থাগুলির পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো উচিত।

    সুফিরা আবার প্রতিষ্ঠান এবং তার মতবাদের চেয়ে জাতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্য অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানসিন কাউন্সিল দেশের ঐক্য, সার্বভৌমিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বদা সচেষ্ট। ভবিষ্যতেও দেশ বিরোধী যে কোনও শক্তি মাথাচাড়া দিলে আমরা সুর চড়াব। অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের প্রেসিডেন্ট মওলানা সাহাবউদ্দিন রাজভি বারেলভি এক ভিডিও বার্তায় জানান জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের এই সিদ্ধান্ত সঠিক।

    আরও পড়ুন : ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে ব্যান করার দাবি অনেক আগেই জানিয়েছিল বারেলভি উলেমা। মওলানা সাহাবউদ্দিন রাজভি স্বাগত জানিয়েছিলেন দেশজুড়ে পিএফআই সদস্যদের ধরতে চালানো অভিযানকে। তিনি বলেছিলেন, এতেই পরিষ্কার এই সংগঠন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জড়িত। মওলানা রাজভি বলেন, এই জাতীয় সংগঠনকে ব্যান করা দরকার। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতি রয়েছে আমাদের পূর্ণ সমর্থন। আজমেঢ় দরগার প্রধান জইনুল আবেদন আলিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।

    তিনি বলেন, যদি দেশ নিরাপদ থাকে, তবে আমরাও নিরাপদে থাকব। দেশ যে কোনও প্রতিষ্ঠান কিংবা মতবাদের চেয়ে বড়। কেউ যদি দেশকে ভাঙতে চায়, দেশের ঐক্য বিনষ্ট করতে চায়, দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করতে চায়, দেশের শান্তি নষ্ট হবে এমন কথা বলতে চায়, তাদের এদেশে থাকার কোনও অধিকারই নেই। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সুফি সেন্ট খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির দেওয়ানও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI Ban: লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    PFI Ban: লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) বড়সড় অশান্তি পাকানোর ছক কষেছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। অন্তত দিল্লি পুলিশের দাবি এমনই। আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআই ও তার অনুমোদিত বিভিন্ন সংস্থাকে। তার পরেই শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার ধরপাকড়। তার পরেই দিল্লি পুলিশ ফাঁস করেছে সদ্য নিষিদ্ধ ওই সংগঠনের পরিকল্পনা।

    জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া দিল্লির শাহিনবাগ আন্দোলনের মতো একটি আন্দোলন সংগঠিত করার পরিকল্পনা করেছিল। দেশে দাঙ্গা এবং সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টির ছকও কষেছিল ওই ইসলামিক সংগঠন।

    জেলায় জেলায় গোয়েন্দাও নিয়োগ করেছিল পিএফআই। সূত্রের খবর, পিএফআই জেলাস্তরে গোয়েন্দা বিভাগ খুলেওছিল। এই গোয়েন্দারা তথ্য সংগ্রহ করতেন। সেগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হত পিএফআইয়ের ক্যাডারদের কাছে। পিএফআইয়ের হিটলিস্টে যাঁরা ছিলেন, মূলত তাঁদের সম্পর্কেই তথ্য সংগ্রহ করতেন গোয়েন্দারা। অন্য একটি সাংবাদ মাধ্যম সূত্রেও জানা গিয়েছে, এই সংগঠন ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব ভারতে হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার মতো ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিল।

    আরও পড়ুন : পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি কুড়োতে পিএফআইয়ের একটি গোষ্ঠী গণআন্দোলনও সংঘটিত করেছিল। এই গোষ্ঠী বোধহয় রাজনৈতিক, তবে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাদের যোগ ছিল। পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার মতো ঘটনাও ঘটাতে চেয়েছিল তারা।

    এদিকে, পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলন হতে পারে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। এমন আশঙ্কা করে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জামিয়া নগর এলাকা, যেখানে এই বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত, সেখানে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে দিল্লিতে যে হিন্দু বিরোধী দাঙ্গা হয়েছিল, তা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লির শাহিনবাগে শুরু হয়েছিল সিএএ বিরোধী আন্দোলন। এটা তারই জের।

    এদিকে, ২৭ সেপ্টেম্বর এনআইএ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় ধরপাকড় শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এই দফায় আটটি রাজ্যে চলেছে অভিযান। আটক করা হয়েছে পিএফআইয়ের ১৭০ জন সদস্যকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উগ্রপন্থা এবং নাশকতার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে পিএফআই (PFI Banned) ও তাদের বেশ কয়েকটি শাখা সংগঠন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি জারির পর বিভিন্ন রাজ্য পদক্ষেপও করেছে। এমনকি কেরল (Kerala) সরকারও কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে সে রাজ্যে ব্যাপক ধরপাকড় এবং পিএফআইয়ের (Popular Front of India) কার্যকলাপ বন্ধে নেমেছে। ব্যতিক্রম শুধু পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata) পিএফআই নিয়ে কোনও সক্রিয়তা চান না। ফলে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ কিংবা সিআইডি পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় পিএফআই শাখাগুলোর কাজকর্ম বন্ধ করতে কোনও কিছুই করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কলকাতা (Kolkata) শহরে বেনিয়াপুকুর এবং কড়েয়া থানা এলাকায় পিএফআই সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। দলীয় অফিস রয়েছে তিলজলাতে। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে নেপথ্যে আসল শক্তি ছিল পিএফআই। সংগঠনের মূল কর্মকাণ্ড অবশ্য মুর্শিদাবাদ জেলাকে কেন্দ্র করেই চলছে। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক থেকে পদাধিকারীদের অধিকাংশই মুর্শিদাবাদ, মালদহ, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলার। এই সব জেলাগুলিতেই ১৭টি শাখা খুলে গত পাঁচ-ছয় বছরে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে সংগঠনটি। বেশ কয়েকটি জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তের আইনি সহায়তা দিচ্ছে পিএফআই। বাংলাদেশ এবং নেপাল সীমান্তে পিএফআই নেতাদের গতিবিধিও চিন্তাজনক। এনআইএ এবং ইডি পিএফআইকে রাষ্ট্রবিরোধী সংস্থা হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    আরও পড়ুন: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন মুসলিমদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে। এক শীর্ষ কর্তার কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও এজেন্সি ব্যবস্থা নিলে আমরা সাহায্য করব। কিন্তু পিএফআই নেতাদের রাজ্য পুলিশ আগ বাড়িয়ে গ্রেফতার করবে না, তাদের দফতরে তল্লাশি চালাতে যাবে না।

    কেন? পুলিশ কর্তারা জানাচ্ছেন, এনআইএ (NIA) এবং ইডির (ED) কাছে পিএফআইয়ের বিষয়ে যাবতীয় নথি রয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এ সবে জড়াবে না। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, প্রতিটি রাজ্যের সঙ্গে গোয়েন্দাদের সমন্বয় বৈঠকে পিএফআই (PFI) সংক্রান্ত সমস্ত নথি বিনিময় করা হয়েছে। দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার আগেও রাজ্যের মতামত নেওয়া হয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার পিএফআই নিয়ে নরম মনোভাব নিলে তা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না।

    আরও পড়ুন: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন বিজেপি (BJP) কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করবেন। তাঁর ভাইপো বিজেপি কর্মীদের কপাল লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন। জাতীয়তাবাদী শক্তি দমনে পুলিশ এরাজ্যে সক্রিয়। কিন্তু নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বয়ানের জেরে বিক্ষোভের সময় ১৪ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হলেও মমতার পুলিশ চুপ থাকে। পিএফআইয়ের মতো নাশকতা চালানো শক্তি জানে মমতা প্রশাসন তাদের বন্ধু। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে এমন শক্তির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।

LinkedIn
Share