Tag: PFI

PFI

  • BJP reaction on PFI Ban:  ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP reaction on PFI Ban: ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। দেশজুড়ে বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সব সহযোগী সংস্থা এবং ওই সংগঠন অনুমোদিত সংস্থাগুলির ওপরও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কেন্দ্রের পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতারা।

    বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বুধবার বলেন, দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, যখন রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল, আমরা বলেছিলাম পিএফআই যুক্ত ছিল। কর্নাটকে যখন সিদ্ধারামাইয়া ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ২৩ জনেরও বেশি খুন হয়েছিলেন। দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে পিএফআই ব্যান (PFI Ban) জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশবাসী এটা চাইছিলেন। সিপিআই, সিপিএম এবং কংগ্রেস সহ সব রাজনৈতিক দলও এটাই চাইছিলেন। পিএফআই (Popular Front of India) সিমি এবং কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটির অবতার। তারা দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার ঘটনায় যুক্ত।

    পিএফআই ব্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যারা দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত, সরকার তাদের কড়া হাতে দমন করবে। ভারতে  এখন মোদি যুগ চলছে। তিনি লেখেন, আসাম সরকার ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা পিএফআই ও সিএফআইয়ের অফিস সিল করেছি। গ্রেফতার করা হয় পিএফআইয়ের কিছু সদস্যকে। আরও গ্রেফতার করা হবে। 

    পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেও। ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। ট্যুইটে তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্রে অশান্তি পাকাতে চেয়েছিল পিএফআই। সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও করছিল। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, পিএফআই পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল। দেশে থেকে এ স্লোগান দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। কেন্দ্র সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এটা দেশপ্রেমিকদের দেশ। 

    পিএফআই (Popular Front of India) ব্যানের  সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যও। ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যারা এর বিরোধিতা করছে, ভারত তা মেনে নেবে না। উত্তর দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP reaction on PFI Ban:  ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP reaction on PFI Ban: ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। দেশজুড়ে বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সব সহযোগী সংস্থা এবং ওই সংগঠন অনুমোদিত সংস্থাগুলির ওপরও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কেন্দ্রের পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতারা।

    বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বুধবার বলেন, দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, যখন রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল, আমরা বলেছিলাম পিএফআই যুক্ত ছিল। কর্নাটকে যখন সিদ্ধারামাইয়া ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ২৩ জনেরও বেশি খুন হয়েছিলেন। দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে পিএফআই ব্যান (PFI Ban) জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশবাসী এটা চাইছিলেন। সিপিআই, সিপিএম এবং কংগ্রেস সহ সব রাজনৈতিক দলও এটাই চাইছিলেন। পিএফআই (Popular Front of India) সিমি এবং কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটির অবতার। তারা দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার ঘটনায় যুক্ত।

    পিএফআই ব্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যারা দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত, সরকার তাদের কড়া হাতে দমন করবে। ভারতে  এখন মোদি যুগ চলছে। তিনি লেখেন, আসাম সরকার ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা পিএফআই ও সিএফআইয়ের অফিস সিল করেছি। গ্রেফতার করা হয় পিএফআইয়ের কিছু সদস্যকে। আরও গ্রেফতার করা হবে। 

    পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেও। ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। ট্যুইটে তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্রে অশান্তি পাকাতে চেয়েছিল পিএফআই। সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও করছিল। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, পিএফআই পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল। দেশে থেকে এ স্লোগান দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। কেন্দ্র সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এটা দেশপ্রেমিকদের দেশ। 

    পিএফআই (Popular Front of India) ব্যানের  সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যও। ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যারা এর বিরোধিতা করছে, ভারত তা মেনে নেবে না। উত্তর দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI Ban: পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    PFI Ban: পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    মাধ্যম নিজজ ডেস্ক: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআইয়ের সহযোগী সংস্থাগুলিকেও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। কেবল বিজেপি নয়, সুফি (Sufi) এবং বারেলভি (Barelvi) ধর্মগুরুরাও বুধবার স্বাগত জানিয়েছে মোদি (PM Modi) সরকারের এই সিদ্ধান্তকে। অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানাসিন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিবৃতি জারি করে জানান জঙ্গিবাদ দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রত্যেকের ধৈর্য ধরা উচিত।

    ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানাসিন কাউন্সিল বিশ্বাস করে আইনের স্বার্থে যদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে প্রত্যেকের ধৈর্য ধরে কাজ করা উচিত। সরকার ও তদন্তকারী সংস্থাগুলির পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো উচিত।

    সুফিরা আবার প্রতিষ্ঠান এবং তার মতবাদের চেয়ে জাতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্য অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানসিন কাউন্সিল দেশের ঐক্য, সার্বভৌমিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বদা সচেষ্ট। ভবিষ্যতেও দেশ বিরোধী যে কোনও শক্তি মাথাচাড়া দিলে আমরা সুর চড়াব। অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের প্রেসিডেন্ট মওলানা সাহাবউদ্দিন রাজভি বারেলভি এক ভিডিও বার্তায় জানান জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের এই সিদ্ধান্ত সঠিক।

    আরও পড়ুন : ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে ব্যান করার দাবি অনেক আগেই জানিয়েছিল বারেলভি উলেমা। মওলানা সাহাবউদ্দিন রাজভি স্বাগত জানিয়েছিলেন দেশজুড়ে পিএফআই সদস্যদের ধরতে চালানো অভিযানকে। তিনি বলেছিলেন, এতেই পরিষ্কার এই সংগঠন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জড়িত। মওলানা রাজভি বলেন, এই জাতীয় সংগঠনকে ব্যান করা দরকার। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতি রয়েছে আমাদের পূর্ণ সমর্থন। আজমেঢ় দরগার প্রধান জইনুল আবেদন আলিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।

    তিনি বলেন, যদি দেশ নিরাপদ থাকে, তবে আমরাও নিরাপদে থাকব। দেশ যে কোনও প্রতিষ্ঠান কিংবা মতবাদের চেয়ে বড়। কেউ যদি দেশকে ভাঙতে চায়, দেশের ঐক্য বিনষ্ট করতে চায়, দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করতে চায়, দেশের শান্তি নষ্ট হবে এমন কথা বলতে চায়, তাদের এদেশে থাকার কোনও অধিকারই নেই। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সুফি সেন্ট খাজা মইনুদ্দিন চিস্তির দেওয়ানও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI on RSS: টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    PFI on RSS: টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে প্রাণপাত করছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) নেতারা। উন্নততর ভারত গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন তাঁরাও। সেই তাঁদেরই ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, সংক্ষেপে পিএফআই (PFI) নামে একটি মুসলিম সংগঠনের গুপ্তচররা। বৃহস্পতিবার দিনভর দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালান গোয়েন্দারা। গ্রেফতার করা হয় প্রায় দুশো পিআইএফ নেতাকর্মীকে। ধৃতদের জেরা করেন গোয়েন্দারা। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে তৈরি করা হয় পিএফআই। ২০০৬ সালে কেরলে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী কালে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ তিনটি সংগঠন মিলিত হয়ে তৈরি হয় পিএফআই। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখাও রয়েছে। বৃহস্পতিবার এনআইএ এবং ইডি উত্তরপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, আসাম, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং মধ্যপ্রদেশে অভিযান চালায়। গ্রেফতার করা হয় ১৯৬ জনকে। এদের মধ্যে ৪৫ জন নেতাও রয়েছেন।

    জানা গিয়েছে, আরএসএস নেতাদের ওপর নজরদারি চালানোর জন্য বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএফআইয়ের গুপ্তচর শাখা তাহলিলকে। তারাই আরএসএসের নেতা, বাড়ির লোকজন, গাড়ির চালক মায় পরিচারকদের গতিবিধির ওপরও নজরদারি চালাত। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আরএসএসের যত শাখা রয়েছে, সেগুলি সম্পর্কেও বিস্তারিত খোঁজখবর রাখত তাহলিল।  

    আরও পড়ুন : খুন, বিস্ফোরক রাখা, সন্ত্রাসবাদে মদত— কী কী অভিযোগ পিএফআই-এর বিরুদ্ধে?

    সূত্রের খবর, আরএসএসের নেতাদের অফিস ও বাড়িতে রেকিও করেছে পিআইএফের গোয়েন্দারা। এই তাহলিলের সঙ্গে লস্কর-ই-তৈইবার যোগাযোগ ছিল। আরএসএস নেতাদের সম্পর্কে অনেক তথ্যই তাহলিল দিয়েছে লস্কর-ই-তৈইবাকে। পিএফআইয়ের মতে, আরএসএস নেতাদের সম্পর্কে জোগাড় করা তথ্য ফাইনাল রোডম্যাপের ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কেবল তাই নয়, তাহলিলের আরও একটি কাজ হল সমাজে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে কৌশলে বিভেদ ঘটানো। যাতে করে জনমানসে আরএসএস সম্পর্কে নঞর্থক ধারণা তৈরি হয়।

    সম্প্রতি দিল্লিতে মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তার পরের দিনই তাঁকে রাষ্ট্রপিতা অভিধায় ভূষিত করেছে ভারতীয় ইমাম সংগঠন। জাতি গঠনে এই আরএসএস প্রধানের ভূমিকাও স্বীকার করেছে তারা। এহেন আবহে পিএফআইয়ের এমন তথ্য সামনে আসায় শঙ্কিত দেশবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI: খুন, বিস্ফোরক রাখা, সন্ত্রাসবাদে মদত— কী কী অভিযোগ পিএফআই-এর বিরুদ্ধে?

    PFI: খুন, বিস্ফোরক রাখা, সন্ত্রাসবাদে মদত— কী কী অভিযোগ পিএফআই-এর বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক বছরে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শতাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে হিংসাত্বক ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। 

    কী কী অভিযোগ রয়েছে পিএফআই-এর বিরুদ্ধে—

    • অধ্যাপকের হাত কেটে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই চরমপন্থী সংগঠনের বিরুদ্ধে। 
    • অন্য ধর্মের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের খুন করার অভিযোগ রয়েছে। 
    • অস্ত্র এবং বিস্ফোরক মজুত রাখার অভিযোগ রয়েছে এই সংগঠনের বিরুদ্ধে। 
    • নাগরিকদের ভয় দেখানো থেকে সরকারি সম্পত্তির ধ্বংস এই ইসলামিক সংগঠনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। 
    • সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপে আর্থিক সাহায্য করা, সন্ত্রাসবাদীদের জন্য ট্রেনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা এবং সাধারণ মানুষদের এই সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য মগজ ধোলাই করার মতো অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: এনআইএ হানার প্রতিবাদ, কেরলে পাথর- পেট্রল বোমা ছুড়ে প্রতিবাদ পিএফআই সমর্থকদের

    বৃহস্পতিবার এনআইএ (NIA) এবং ইডি উত্তরপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, অসম, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশে অভিযান চালায়। এখনও পর্যন্ত ১৯৬ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। ৫টি মামলায় মোট ১০৬ জন পিএফআই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে ৪৫ জন নেতা। তল্লাশিতে প্রচুর টাকা, অস্ত্র এবং বিপুল ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।

    এনআইএ-এর অভিযানের প্রতিবাদে কেরল এবং কর্নাটকের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন পিএফআই সদস্যরা। শুক্রবার কেরলে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাকও দিয়েছিল সংগঠন। দেশজুড়ে এই ইসলামিক সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জোড়াল হচ্ছে। বিভিন্ন অসামাজিক ও দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে ২০০৬ সালে গঠিত, এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে পিএফআই। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার খুব শীঘ্রই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (পিএফআই) নিষিদ্ধ করতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে এই দলটিকে বেআইনি ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে, বলে খবর। 

    আরও পড়ুন: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক    

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে এই সংগঠন তৈরি করা হয়। ২০০৬ সালে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী সময়ে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ একাধিক সংগঠন মিলিত হয়ে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া তৈরি করে। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখা রয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • PFI Protests in Kerala: এনআইএ হানার প্রতিবাদ, কেরলে পাথর- পেট্রল বোমা ছুড়ে প্রতিবাদ পিএফআই সমর্থকদের

    PFI Protests in Kerala: এনআইএ হানার প্রতিবাদ, কেরলে পাথর- পেট্রল বোমা ছুড়ে প্রতিবাদ পিএফআই সমর্থকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দেশের ১৫টি রাজ্যে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) ৯৩টি কার্যালয়ে অতর্কিতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ (NIA)। এনআইএ হানার প্রতিবাদে এর প্রতিবাদে (protest) আজ কেরলে বনধের ডাক দিয়েছে পিএফআই। বনধকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছে রাজ্য। রাজধানীর তিরুবনন্তপুরম সহ বেশ কিছু জায়গায় বাস ভাঙচুর, পথ অবরোধ, পাথর-পেট্রল বোমা ছোড়া, পুলিশের ওপর হামলাবাজি, সরকারি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।  

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    পুলিশ সূত্রে খবর, বনধ এবং অবরোধের কারণে আহ কেরল ও কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। সব জেলাতেই কমবেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের বহু জায়গায় সরকারি বাসে হামলা চালানো হয়েছে। কোঝিকড়ে বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ আছে। পুলিশ জানিয়েছে, কোল্লামে মোটরসাইকেল আরোহী পিএফআই কর্মীরা দুই পুলিশ কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছে।

    আরও পড়ুন: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

     


      
       
    সারা দেশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও মূলত পিএফআই- এর দূর্গ কেরল।  দক্ষিণের এই রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই রয়েছে এই সংগঠনের অফিস। বৃহস্পতিবার এনআইএ এবং ইডি উত্তরপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, অসম, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশে অভিযান চালায়। এখনও পর্যন্ত ১৯৬ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। দেশজুড়ে এই ইসলামিক সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জোড়াল হচ্ছে। বিভিন্ন অসামাজিক ও দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে ২০০৬ সালে গঠিত, এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ , সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে পিএফআই। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার খুব শীঘ্রই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (পিএফআই) নিষিদ্ধ করতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে এই দলটিকে বেআইনি ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে, বলে খবর।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • PFI Ban: লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    PFI Ban: লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) বড়সড় অশান্তি পাকানোর ছক কষেছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। অন্তত দিল্লি পুলিশের দাবি এমনই। আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআই ও তার অনুমোদিত বিভিন্ন সংস্থাকে। তার পরেই শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার ধরপাকড়। তার পরেই দিল্লি পুলিশ ফাঁস করেছে সদ্য নিষিদ্ধ ওই সংগঠনের পরিকল্পনা।

    জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া দিল্লির শাহিনবাগ আন্দোলনের মতো একটি আন্দোলন সংগঠিত করার পরিকল্পনা করেছিল। দেশে দাঙ্গা এবং সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টির ছকও কষেছিল ওই ইসলামিক সংগঠন।

    জেলায় জেলায় গোয়েন্দাও নিয়োগ করেছিল পিএফআই। সূত্রের খবর, পিএফআই জেলাস্তরে গোয়েন্দা বিভাগ খুলেওছিল। এই গোয়েন্দারা তথ্য সংগ্রহ করতেন। সেগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হত পিএফআইয়ের ক্যাডারদের কাছে। পিএফআইয়ের হিটলিস্টে যাঁরা ছিলেন, মূলত তাঁদের সম্পর্কেই তথ্য সংগ্রহ করতেন গোয়েন্দারা। অন্য একটি সাংবাদ মাধ্যম সূত্রেও জানা গিয়েছে, এই সংগঠন ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব ভারতে হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার মতো ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিল।

    আরও পড়ুন : পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি কুড়োতে পিএফআইয়ের একটি গোষ্ঠী গণআন্দোলনও সংঘটিত করেছিল। এই গোষ্ঠী বোধহয় রাজনৈতিক, তবে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাদের যোগ ছিল। পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার মতো ঘটনাও ঘটাতে চেয়েছিল তারা।

    এদিকে, পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলন হতে পারে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। এমন আশঙ্কা করে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জামিয়া নগর এলাকা, যেখানে এই বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত, সেখানে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে দিল্লিতে যে হিন্দু বিরোধী দাঙ্গা হয়েছিল, তা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লির শাহিনবাগে শুরু হয়েছিল সিএএ বিরোধী আন্দোলন। এটা তারই জের।

    এদিকে, ২৭ সেপ্টেম্বর এনআইএ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় ধরপাকড় শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এই দফায় আটটি রাজ্যে চলেছে অভিযান। আটক করা হয়েছে পিএফআইয়ের ১৭০ জন সদস্যকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    PFI: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front Of India)-র বিরুদ্ধে যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে অভিযান। রাজ্য পুলিশের সহযোগিতায় দুই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা উত্তরপ্রদেশ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্নাটক এবং তামিলনাড়ু সহ দশটি রাজ্যে একযোগে অভিযানে নেমেছে।

    এখন অবধি ১০০ জনেরও বেশি শীর্ষস্থানীয় পিএফআই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত এমন ব্যক্তিদেরই গ্রেফতার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি, অভিযুক্তরা সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপে আর্থিক সাহায্য করা, সন্ত্রাসবাদীদের জন্য ট্রেনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা এবং সাধারণ মানুষদের এই নিষিদ্ধ সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য মগজ ধোলাই করার মতো অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।  কলকাতাতেও চলছে এনআইএ ও ইডি-র তল্লাশি অভিযান। গতকাল গভীর রাতে পার্ক সার্কাসে পিএফআই নেতা শেখ মোক্তারের বাড়িতে হানা দেয় এনআইএ। চলছে তল্লাশি। 

    আরও পড়ুন: অবশেষে এনআইএ-এর জালে মাওবাদী নেতা সম্রাট চক্রবর্তী, জানেন কীভাবে?  

    পিএফআই-র বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থ সাহায্য, প্রশিক্ষণ শিবির চালানো এবং এই নিষিদ্ধ সংগঠনে যোগদানের জন্য মৌলবাদী ধারণায় অন্যদের উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত পিএফআই-র বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন বলে দাবি করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।      

    এদিন সকাল থেকেই তিলজলার অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছেন এনআইএ গোয়েন্দারা। এর আগে ওই অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই অফিস থেকে কীভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানো হত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২০২০ সালে বেঙ্গালুরুর সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে পিএফআইয়ের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উত্তরপ্রদেশে হিংসায় উস্কানি ও মদত দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে দক্ষিণের দুই রাজ্যে ৩৮ জায়গায় তল্লাশি এনএইএ-র 

    পিএফআই এক বিবৃতিতে বলেছে, “পিএফআই-র জাতীয়, রাজ্য এবং স্থানীয় নেতাদের বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে। রাজ্য কমিটির অফিসেও অভিযান চালানো হচ্ছে। ভিন্নমতের কণ্ঠকে স্তব্ধ করার জন্য এজেন্সিগুলিকে ব্যবহার করার জন্য ফ্যাসিবাদী শাসনের পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা।”

    কেরলের মঞ্জেরিতে পিএফআই চেয়ারম্যান ও এম এ সালেমের (OMA Salam) বাড়িতেও সকাল থেকে অভিযান চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর কেরালাতেই ৫০-এর বেশি জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে। 

    এর আগে অন্ধ্রপ্রদেশে এবং তেলাঙ্গানার প্রায় ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। গ্রেফতার করা হয় পিএফআই-এর চার নেতাকে। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবারের গ্রেফতারির পরেই বৃহস্পতিবারের দেশজোড়া অভিযান।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    WB Govt Soft on PFI: নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেবে না মমতা প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উগ্রপন্থা এবং নাশকতার কাজে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে পিএফআই (PFI Banned) ও তাদের বেশ কয়েকটি শাখা সংগঠন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি জারির পর বিভিন্ন রাজ্য পদক্ষেপও করেছে। এমনকি কেরল (Kerala) সরকারও কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে সে রাজ্যে ব্যাপক ধরপাকড় এবং পিএফআইয়ের (Popular Front of India) কার্যকলাপ বন্ধে নেমেছে। ব্যতিক্রম শুধু পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata) পিএফআই নিয়ে কোনও সক্রিয়তা চান না। ফলে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ কিংবা সিআইডি পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় পিএফআই শাখাগুলোর কাজকর্ম বন্ধ করতে কোনও কিছুই করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কলকাতা (Kolkata) শহরে বেনিয়াপুকুর এবং কড়েয়া থানা এলাকায় পিএফআই সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। দলীয় অফিস রয়েছে তিলজলাতে। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে নেপথ্যে আসল শক্তি ছিল পিএফআই। সংগঠনের মূল কর্মকাণ্ড অবশ্য মুর্শিদাবাদ জেলাকে কেন্দ্র করেই চলছে। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক থেকে পদাধিকারীদের অধিকাংশই মুর্শিদাবাদ, মালদহ, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনা এবং হাওড়া জেলার। এই সব জেলাগুলিতেই ১৭টি শাখা খুলে গত পাঁচ-ছয় বছরে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে সংগঠনটি। বেশ কয়েকটি জঙ্গি কার্যকলাপে অভিযুক্তের আইনি সহায়তা দিচ্ছে পিএফআই। বাংলাদেশ এবং নেপাল সীমান্তে পিএফআই নেতাদের গতিবিধিও চিন্তাজনক। এনআইএ এবং ইডি পিএফআইকে রাষ্ট্রবিরোধী সংস্থা হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    আরও পড়ুন: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন মুসলিমদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে। এক শীর্ষ কর্তার কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও এজেন্সি ব্যবস্থা নিলে আমরা সাহায্য করব। কিন্তু পিএফআই নেতাদের রাজ্য পুলিশ আগ বাড়িয়ে গ্রেফতার করবে না, তাদের দফতরে তল্লাশি চালাতে যাবে না।

    কেন? পুলিশ কর্তারা জানাচ্ছেন, এনআইএ (NIA) এবং ইডির (ED) কাছে পিএফআইয়ের বিষয়ে যাবতীয় নথি রয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এ সবে জড়াবে না। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, প্রতিটি রাজ্যের সঙ্গে গোয়েন্দাদের সমন্বয় বৈঠকে পিএফআই (PFI) সংক্রান্ত সমস্ত নথি বিনিময় করা হয়েছে। দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার আগেও রাজ্যের মতামত নেওয়া হয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার পিএফআই নিয়ে নরম মনোভাব নিলে তা জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না।

    আরও পড়ুন: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন বিজেপি (BJP) কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করবেন। তাঁর ভাইপো বিজেপি কর্মীদের কপাল লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন। জাতীয়তাবাদী শক্তি দমনে পুলিশ এরাজ্যে সক্রিয়। কিন্তু নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বয়ানের জেরে বিক্ষোভের সময় ১৪ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হলেও মমতার পুলিশ চুপ থাকে। পিএফআইয়ের মতো নাশকতা চালানো শক্তি জানে মমতা প্রশাসন তাদের বন্ধু। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে এমন শক্তির বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।

  • PFI: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    PFI: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৬ বছর। ইতিমধ্যেই কেবল ভারত (India) নয়, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে জাল বিস্তার করেছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। বৃহস্পতিবারই দেশজুড়ে পিএফআই নেতা-কর্মীদের বাড়ি ও অফিসে চালানো হয়েছে তল্লাশি অভিযান। বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রচুর নথিপত্র এবং নগদ টাকা। তার পরেই উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। গোয়েন্দাদের দাবি, ভারত ছাড়াও একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রে জাল বিস্তার করেছে পিএফআই।

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে তৈরি করা হয় পিএফআই। ২০০৬ সালে কেরলে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী কালে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ তিনটি সংগঠন মিলিত হয়ে তৈরি হয় পিএফআই। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার গোটা দেশের ১৩টি রাজ্যে পিএফআইয়ের অফিসগুলিতে তল্লাশি চালায় এনআইএ (NIA) এবং ইডি (ED)। এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করেছে বিভিন্ন রাজ্য পুলিশও। পিএফআইয়ের ৪৫ জন নেতা সহ গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় দুশোজনকে। সূত্রের খবর, উপসাগরীয় দেশগুলিতে পিএফআই তিনটি নামে সংগঠন চালায়। এগুলি হল ইন্ডিয়া ফ্র্যাটারনিটি ফোরাম (IFF), ইন্ডিয়ান সোশ্যাল ফোরাম (ISF) এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়ান ফাউন্ডেশন (RIF)। বিদেশে ভারত বিরোধী নানা কাজে লিপ্ত এই সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুন : টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া ফ্র্যাটারনিটি ফোরাম এবং ইন্ডিয়ান সোশ্যাল ফোরাম মধ্য প্রাচ্যে পোক্ত সংগঠন গড়ে তুলেছে। দেশবিরোধী কার্যকলাপ চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। জামাত-ই-ইসলামির ধর্মীয় কয়েকজন নেতা এবং পিআইএফ নেতারা প্রায়ই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পরিদর্শন করেন। কেবল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি নয়, ওমান, কাতার, কুয়েত, তুরস্ক, পাকিস্তান মায় বাংলাদেশেও জাল বিছিয়েছে পিএফআই। বাহরিন, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপেও পা রেখেছে এই সংগঠন। পিএফআইয়ের এক ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয় লখনউ থেকে। তখনই জানা যায় বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ ভারতে বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share