Tag: PIB

PIB

  • Jan Aushadhi Kendras: জন ঔষধি প্রকল্পে এক যুগে ওষুধের খরচে বেঁচেছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা, কেন্দ্রের সংখ্যা ছাড়াল ২০ হাজার

    Jan Aushadhi Kendras: জন ঔষধি প্রকল্পে এক যুগে ওষুধের খরচে বেঁচেছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা, কেন্দ্রের সংখ্যা ছাড়াল ২০ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্পের (Jan Aushadhi Kendras) মাধ্যমে দেশের মানুষের ওষুধ কেনার খরচে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। লোকসভায় লিখিত জবাবে এই তথ্য জানান (India) কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সারমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। তিনি জানান, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে জন ঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ১৪৯। দেশের ৭৮৪টি জেলার মধ্যে ৭৭৬টিতে ইতিমধ্যেই এই কেন্দ্রগুলির পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে। ২০০৮ সালে স্বল্পমূল্যে মান-নিয়ন্ত্রিত জেনেরিক ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পের সূচনা হলেও, প্রথম দিকে এর অগ্রগতি ছিল ধীর। পরে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্প হিসেবে নতুনভাবে চালু হওয়ার পর দ্রুত সম্প্রসারণ শুরু হয়। ২০২১ সালের জুন মাসে কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৩৬। ২০২৪ সালে তা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়। একই বছরে বার্ষিক ওষুধ বিক্রি এক হাজার কোটি টাকার গণ্ডিও অতিক্রম করে। ২০২৫ সালের জুনে কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার, ৯১২ এবং তখন পর্যন্ত নাগরিকদের মোট সাশ্রয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এক বছরেরও কম সময়ে আরও তিন হাজারের বেশি নতুন কেন্দ্র চালু হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা ২০ হাজার পেরিয়েছে এবং মোট সাশ্রয়ের পরিমাণ পৌঁছেছে ৪৫ হাজার কোটি টাকায়।

    সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ে বড় স্বস্তি (Jan Aushadhi Kendras)

    সরকারের দাবি, জন ঔষধি কেন্দ্রগুলিতে বিক্রি হওয়া ওষুধের দাম বাজারে প্রচলিত ব্র্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। কিছু ক্ষেত্রে এই ব্যবধান আরও বেশি। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ-সহ নানা রোগের চিকিৎসায় মানুষের ব্যক্তিগত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিশেষ করে ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে ব্র্যান্ডেড ওষুধের দোকান তুলনামূলক কম এবং চিকিৎসার খরচ পারিবারিক বাজেটের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করে, সেখানে এই প্রকল্প উল্লেখযোগ্য স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে দাবি সরকারের (Jan Aushadhi Kendras)।

    ওষুধের পাশাপাশি দাম কম অস্ত্রোপচার সামগ্রীরও

    বর্তমানে জন ঔষধি প্রকল্পে ২ হাজার ১১০ ধরনের ওষুধ এবং ৩১৫ ধরনের অস্ত্রোপচার-সরঞ্জাম, চিকিৎসা উপকরণ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাওয়া যায়। হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, সংক্রমণ, অ্যালার্জি, পরিপাকতন্ত্রের রোগ থেকে শুরু করে পুষ্টি-সম্পূরক—প্রায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় জেনেরিক ওষুধই এখন এই প্রকল্পের আওতায় মেলে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় পরিচালকদের ২০০টি সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন ওষুধ সবসময় মজুত রাখার জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদানও চালু করেছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে প্রকল্পের ১০০টি সর্বাধিক বিক্রিত ও বাজারে সর্বাধিক ব্যবহৃত আরও ১০০টি ওষুধও।

    মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি

    কম দামের ওষুধের গুণগত মান নিয়ে মানুষের মধ্যে যে (India) সংশয় রয়েছে, তা দূর করতে সরকার একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রকল্পের আওতায় শুধুমাত্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উত্তম উৎপাদন পদ্ধতির শংসাপত্রপ্রাপ্ত সংস্থার কাছ থেকেই ওষুধ সংগ্রহ করা হয়। প্রতিটি ব্যাচ বাজারে আসার আগে জাতীয় পরীক্ষাগার স্বীকৃতি বোর্ড অনুমোদিত পরীক্ষাগারে মান যাচাই করা হয়। প্রকল্প পরিচালনাকারী ভারতীয় ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যুরো নিয়মিতভাবে কেন্দ্রগুলির কার্যকারিতা, সরবরাহ ব্যবস্থা ও গুণমান পর্যবেক্ষণ করে এবং কোথাও ঘাটতি ধরা পড়লে দ্রুত সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় (Jan Aushadhi Kendras)।

    নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ

    জন ঔষধি কেন্দ্রগুলি সরাসরি সরকার পরিচালনা করে না। ব্যক্তি উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, সমিতি, ট্রাস্ট এবং বেসরকারি সংস্থাগুলি অনলাইনে আবেদন করে এই কেন্দ্র পরিচালনার সুযোগ পায়। কেন্দ্রীয় পরিচালকরা বিক্রির ওপর নির্ধারিত কমিশনের পাশাপাশি কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে মাসিক প্রণোদনাও পান। উত্তর-পূর্বাঞ্চল, হিমালয় অঞ্চল, দ্বীপাঞ্চল, প্রাক্তন সেনাকর্মী, মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতির উদ্যোক্তাদের জন্য আসবাবপত্র ও কম্পিউটার কেনার উদ্দেশ্যে এককালীন ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমবায় সমিতির সঙ্গেও এই প্রকল্প যুক্ত হয়েছে। ফলে গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান ও আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে (Jan Aushadhi Kendras)। এ ছাড়া, মাত্র ১ টাকা দামে বিক্রি হওয়া জন ঔষধি সুবিধা স্যানিটারি ন্যাপকিন ইতিমধ্যেই ১০০ কোটিরও বেশি বিক্রি হয়েছে। এতে একদিকে যেমন মহিলাদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধির সামগ্রী সহজলভ্য হয়েছে, অন্যদিকে ওষুধ বিক্রির কেন্দ্রগুলির আয়ও বেড়েছে।

    সরবরাহ ব্যবস্থা ও প্রযুক্তির উন্নয়ন

    দেশের প্রতিটি প্রান্তে ওষুধ পৌঁছে দিতে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। একটি কেন্দ্রীয় গুদাম এবং চারটি আঞ্চলিক গুদাম থেকে দেশের বিভিন্ন পরিবেশকের মাধ্যমে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। প্রায় ৪০০টি সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন ওষুধের মজুত নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। চাহিদার পূর্বাভাস নির্ধারণেও এখন ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য চালু হয়েছে জন ঔষধি সুগম মোবাইল অ্যাপ। ৩৮ লাখেরও বেশি মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করছেন। এর মাধ্যমে নিকটতম কেন্দ্রের অবস্থান, ব্র্যান্ডেড ও জেনেরিক ওষুধের দামের তুলনা এবং ওষুধের তাৎক্ষণিক প্রাপ্যতার খবর জানা যায় (Jan Aushadhi Kendras)।

    সচেতনতা বাড়াতে দেশজুড়ে প্রচার

    শুধু ওষুধ বিক্রিই নয়, জেনেরিক ওষুধ সম্পর্কে মানুষের আস্থা বাড়াতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো, মাইগভ এবং মাই ভারত-এর সহযোগিতায় সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতার, সামাজিক মাধ্যম, প্রচারফলক ও বিভিন্ন জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে (India)। এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবট এবং টেলিফোনের মাধ্যমেও নাগরিকদের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। প্রতি বছর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ ‘জন ঔষধি সপ্তাহ’ হিসেবে পালন করা হয়। এই উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিবির, সচেতনতা র‍্যালি, ফার্মেসি কলেজে সেমিনার এবং বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ৭ মার্চ পালিত হয় ‘জন ঔষধি দিবস’।

    রাজ্যভিত্তিক বিস্তার

    জন ঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, যেখানে ২ হাজার ৬০০-রও বেশি কেন্দ্র রয়েছে। এর পরে রয়েছে বিহার, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অরুণাচল প্রদেশ এবং লাদাখের মতো প্রত্যন্ত এলাকায়ও এখন জন ঔষধি কেন্দ্র চালু হয়েছে। ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায়ও মানুষ এখন ক্রমশ অনিয়ন্ত্রিত উৎসের পরিবর্তে এই কেন্দ্রগুলির ওপর নির্ভর করছেন। সরকারের লক্ষ্য, ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে দেশে ২৫ হাজার জন ঔষধি কেন্দ্র চালু করা। বর্তমানে মাত্র আটটি জেলায় এখনও কেন্দ্র খোলা বাকি রয়েছে। সেখানেও সরকারি হাসপাতালগুলিতে জায়গা চিহ্নিত করে দ্রুত কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (Jan Aushadhi Kendras)। কেন্দ্রের মতে, গত এক দশকেরও বেশি সময়ে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি প্রকল্প একটি সীমিত পরিসরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ স্বল্পমূল্যের ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন ওষুধ মানুষের হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই (India) দাবি সরকারের।

     

  • India Pakistan War: পাকিস্তানের ‘ফেক নিউজ ড্রোন’ আক্রমণের জবাবে ভারতের ‘ফ্যাক্ট-চেক মিসাইল’! কী বলছে পিআইবি?

    India Pakistan War: পাকিস্তানের ‘ফেক নিউজ ড্রোন’ আক্রমণের জবাবে ভারতের ‘ফ্যাক্ট-চেক মিসাইল’! কী বলছে পিআইবি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (India Pakistan War) পরিস্থিতিতে পাক নেটনাগরিকরা সমাজমাধ্যমজুড়ে একাধিক ভুয়ো খবর ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। ভারতীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। এ নিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশে বার্তা দিল প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো (PIB)। ভারত-পাক অশান্তির আবহে পুরনো এবং অন্য জায়গার গন্ডগোল, বিস্ফোরণ এবং হতাহতের ছবি দিয়ে বলা হচ্ছে সেগুলো এখনকার। তা দিয়ে লেখালিখিও হচ্ছে বিস্তর। এই প্রেক্ষিতে পিআইবি ফ্যাক্ট চেক-এ রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

    মহিলা পাইলট শিবানী সিং বন্দি নন

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পাক নাগরিক একটি পোস্টে লেখেন, ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার শিবানী সিং পাক সেনার হাতে বন্দি হয়েছেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘যুদ্ধবিমান থেকে লাফিয়ে নামার সময়ে ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার শিবানী পাকিস্তানি সেনাদের হাতে বন্দি হয়েছেন।’ মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিও। সেই পোস্ট দেখে উদ্বেগ তৈরি হয় ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে। কিন্তু সেই পোস্ট যে একেবারে ভুয়ো তা শনিবার এক্স হ্যান্ডলে জানাল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB)-এর ফ্যাক্ট-চেকিং ইউনিট। পিআইবি জানিয়েছে, ওই ভিডিও ২০১৪ সালের। যখন মহারাষ্ট্রের পুণে-আহমেদনগর হাইওয়ের কাছে কুলওয়াড়ি গ্রামে ভারতীয় বিমান বাহিনীর সুখোই যুদ্ধবিমান এসইউ-৩০এমকেআই ভেঙে পড়ে। এক্সে একটি পোস্টে তারা জানিয়েছে, ‘ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা পাইলটকে আটক করা হয়নি।’

    জেট ভেঙে পড়ার মিথ্যা প্রচার

    ভারতের আকাশে একের পর হানা পাকিস্তানের। ভারতও প্রত্যাঘাত হেনেছে কিন্তু এর মাঝেই ভুয়ো খবর ছড়াতে শুরু করেছে পাকিস্তান এবং চিন। এমনই একটি খবরের পর্দাফাঁস করল পিআইবি (PIB)। চিনের অন্যতম প্রধান সংবাদ সংস্থা চায়না ডেইলির একটি প্রতিবেদন অনুসারে বলা হয়েছিল জম্মু কাশ্মীরে ভারতের তিনটি যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এই খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে ‘ফ্যাক্ট চেকে’ প্রমাণ করে পিআইবি। এক্ষেত্রে আল জাজিরার ইংরাজি সংস্করণের ২০১৯ সালের একটি প্রতিবেদন সামনে আনা হয়। সেখানেই জানানো হয় কীভাবে পাকিস্তান এবং চিন দুই পক্ষই একসঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভুয়ো খবর প্রচার করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পিআইবি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখে, “চায়না ডেইলি মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে ভারতের তিনটি জেট কাশ্মীরে ভেঙে পড়েছে। এই ছবি ২০১৯ সালের।”

    ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি

    শ্রীনগর বিমানবন্দরের কাছে ১০টি বিস্ফোরণের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অস্বীকার করেছে পিআইবি (PIB)। জয়পুর বিমানবন্দরের কাছে বিস্ফোরণের খবরও মিথ্যা। বিমানবন্দর সচল রয়েছে। দিল্লি-মুম্বাই এয়ার রুট বন্ধ। এই খবরের কোনও যৌক্তিকতা নেই। বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নানকানা সাহিবে ড্রোন হামলা এই খবরও মিথ্যা। গুরু নানকের জন্মস্থান এই গুরুদ্বারে কোনও হামলা হয়নি। পাকিস্তানের সাইবার হামলায় ভারতের পাওয়ার গ্রিড ধ্বংস। বিদ্যুৎ মন্ত্রক নিশ্চিত করেছে, পাওয়ার গ্রিড পুরোপুরি সচল।

    ভুয়ো ভিডিও প্রমাণিত

    পিআইবি (PIB) জানিয়েছে একটি ভিডিওয় জলন্ধরে পাকিস্তানের ড্রোন অ্যাটাকের কথা বলা হচ্ছে।  কিন্তু পিআইবি এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে দেখেছে যে, এটি ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কহীন। নিছক একটি ‘ফার্ম ফায়ার’ ভিডিও। আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দাবি করা হয়, পাকিস্তানি সেনারা ভারতের একটি ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। পিআইবি এই ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়ো বলে জানিয়েছে। বস্তুত, ভারতীয় সেনায় ‘২০ রাজ ব্যাটেলিয়ন’ নামে কোনও ঘাঁটি বা ইউনিট নেই। ওই ভিডিওটি ভারতীয়দের আতঙ্কিত করার জন্য প্রচার করা হয় বলে জানিয়েছে পিআইবি। আর একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়, তাতে দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ভারতের উপরে প্রতিশোধ নিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে। পিআইবি এই ভিডিওটিকেও ভুয়ো বলে চিহ্নিত করেছে। জানানো হয়েছে, যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে তা আদপে বেইরুট, লেবাননে ২০২০ সালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফুটেজ। আবার এমনই একটি পোস্টে দাবি করা হয়, ভারতীয় সেনা অম্বলা বিমানঘাঁটিকে হাতিয়ার করে অমৃতসর এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের উপরেই হামলা চালিয়েছে! পিআইবি তথ্য যাচাই করে দেখেছে যে, ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্যই প্রচার করা হয়েছে।

    ভুয়ো তথ্য যাচাই করতে নির্দেশ

    ভারত-পাক যুদ্ধের (India Pakistan War) আবহে ভারতীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে বলেই জানিয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো। তাদর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বেশ কয়েকটি ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে যা প্রতিটিই সম্পূর্ণ মিথ্যে। এই ভুয়ো ভিডিও, ভুয়ো তথ্যের শিকার হওয়া থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে পিআইবি। মিডিয়া চ্যানেলগুলি কোনও কিছু যাচাই না করে যাতে কোনও তথ্য প্রচার না করে সেই ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ভারতীয় সেনার স্বার্থে তথা দেশের জন্য ভুয়ো তথ্য এবং অপপ্রচার ঠেকাতে হলে, কোনও ভিডিও বা ছবি যাচাই করার জন্য হোয়াট্‌সঅ্যাপ করুন ৮৭৯৯৭১১৫৯ এই নম্বরে। এ ছাড়া Socialmedia@pib.gov.in-এ ইমেল করা যাবে।

    মন্ত্রকের সতর্কবার্তা ও জনগণের প্রতি আহ্বান

    ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক নাগরিকদের উদ্দেশে সাইবার সতর্কতা জারি করেছে। তারা বলেছে, “অনলাইনে সতর্ক থাকুন, গুজবের ফাঁদে পা দেবেন না। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।” পিআইবি জনগণকে অনুরোধ করেছে যে, তারা যেন শুধুমাত্র সরকারি ও বিশ্বস্ত সোর্স থেকে খবর গ্রহণ করে এবং যাচাই না করে কোনও তথ্য শেয়ার না করে। এমন ভুয়ো তথ্য জাতীয় নিরাপত্তা ও জনসাধারণের মানসিক স্থিতি বিঘ্নিত করতে পারে।

  • Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো খবরের রমরমা থামাতে এবং ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং জনমানসে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধিনস্থ প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র  নিজস্ব ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (এফসিইউ)-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক সংস্থা (Fact Check Unit) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করল মোদি সরকার। এই মর্মে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে। 

    বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Fact Check Unit)

    ২০ মার্চ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের তথ্য প্রযুক্তি (মধ্যস্থতা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল) এর নিয়ম ৩ এর উপ-ধারা (১)-এর উপ-ধারা (৫) এর বিধানের অধীনে পিআইবি এফসিইউ-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক ইউনিট হিসেবে কার্যকর করা হয়েছে। ভুয়ো খবর প্রতিরোধের লক্ষ্যে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণভাবেই সমন্বয় রেখে যৌথভাবে কাজ করে চলেছে তথ্য প্রযুক্তি ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। 

    এফসিইউ কীভবে কাজ করে?

    ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পিআইবি অধীনস্থ ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (Fact Check Unit)। ভুয়ো খবর, ভুল তথ্যের সৃষ্টিকর্তা এবং প্রচারকারীদের নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য এই সংস্থার। ভারত সরকারকে নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সন্দেহজনক এবং ভুয়ো তথ্য সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য পরিষেবা প্রদান করে থাকে। সরকারী নীতি, উদ্যোগ এবং প্রকল্প সম্পর্কিত কোনও ভুয়ো তথ্য থেকে থাকলে, তার বিরুদ্ধে যাতে সরকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা যায় বা সেই বিষয়ে যাতে সরকারের গোচরে আনা যায়, সেই মঞ্চ প্রদান করে ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। একইভাবে, এফসিইউ সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ, শনাক্ত করে এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচার প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করে দেয় যে, সরকার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দ্রুততার সঙ্গে সংশোধন করা হয়েছে।

    বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে চেক করে এফসিইউ (Fact Check Unit)

    নাগরিকরা হোয়াটসঅ্যাপ (+918799711259), ইমেল (pibfactcheck@gmail.com), Twitter (@PIBFactCheck) এবং PIB-এর ওয়েবসাইট (https://factcheck) সহ বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে পিবিআই ফ্যাক্ট চেক ইউনিটের (Fact Check Unit) সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • new railway line: ১১৬ কিমি বিস্তৃত নয়া রেললাইন! যুক্ত করবে দুটি রাজ্য, তিনটি ধর্মীয় স্থানকে

    new railway line: ১১৬ কিমি বিস্তৃত নয়া রেললাইন! যুক্ত করবে দুটি রাজ্য, তিনটি ধর্মীয় স্থানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেরঙ্গা হিল-অম্বাজি-আবু রোড নতুন রেললাইন চালু করতে চলেছে কেন্দ্র।  ১১৬ কিমি বিস্তৃত এই রেললাইন তৈরি করতে সময় লাগবে প্রায় চার বছর। খরচ পড়বে আনুমানিক দুই হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। নতুন এই প্রকল্পের কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    অনুরাগ জানান, নরেন্দ্র মোদি সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার জন্য এই নতুন রেললাইনের অনুমোদন দিয়েছে। তিনি বলেন,“এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ পড়বে ২৭৯৮.১৬ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যেই এই নয়া রেলপথের কাজ সম্পন্ন হবে। নতুন রেললাইন দুটি রাজ্য, তিনটি ধর্মীয় স্থানকে যুক্ত করবে। এই নয়া লাইনের ফলে মূল রেল লাইনে চাপ অনেকটা কমে যাবে।” 

    [tw]


    [/tw]

    গুজরাটের মেহসানা জেলায় অবস্থিত তেরঙ্গা একটি তিন-চূড়া পাহাড়। এটি বৌদ্ধ এবং জৈন দুই সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেই তাৎপর্যপূর্ণ। গুজরাট পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইট অনুসারে, এখানে অবস্থিত প্রাচীনতম জৈন মন্দিরটি ১২ শতকে নির্মিত হয়েছিল। এই পাহাড়ের নানা জায়গায় বৌদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভগুলি চতুর্থ শতাব্দীর।

    মন্দির শহর অম্বাজি গুজরাটের বানাসকান্থা জেলায় অবস্থিত। এটি দেবী আরাসুরি অম্বার প্রধান মন্দির। যা প্রাক-বৈদিক যুগ থেকে পূজিত হয়ে আসছে। আবু রোড হল রাজস্থানের সিরোহিত জেলার একটি শহর। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বহু পর্যটন-প্রেমী মানুষ এখানে আসেন। 

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে! ইডির সমন বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ককেও

    বহুদিন ধরে রাজস্থান-গুজরাট দুই রাজ্যের মানুষ আমদাবাদ-আবু রোড বিকল্প এই রেললাইনের দাবি জানিয়ে আসছেন। কেন্দ্রের অভিমত, এই নতুন প্রকল্প মানুষের মধ্যে সংযোগ বাড়াবে। কম সময়ে অনেকটা পথ অতিক্রম করা যাবে। এই রেললাইনের মধ্য দিয়ে কৃষি ও স্থানীয় পণ্য দ্রুত আমদানি-রফতানি করা যাবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও হবে। প্রকল্পটি রূপায়নের সময় আনুমানিক ৪০ লক্ষ মানুষ কাজ পাবেন। 

     

  • Free Covid Booster Dose: প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ! বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    Free Covid Booster Dose: প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ! বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ (free booster doses of the coronavirus) দেবে সরকার। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) জানান, ১৫ জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় সরকার আগামী ৭৫ দিনের জন্য আঠারোর্ধ্বদের বিনামূল্যে কোভিড ভ্যাকসিন বুস্টার ডোজ সরবরাহ করবে। সরকারি টিকা কেন্দ্রে এই সুবিধা মিলবে। দেশে প্রতিদিন ঊর্ধ্বমূখী করোনার গ্রাফ। এই সময়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত প্রাসঙ্গিক বলে অভিমত স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

    এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর হিসেবে Azadi ka Amrit Kaal পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আর এই উপলক্ষ্যেই ১৫ জুলাই থেকে পরবর্তী ৭৫ দিন ১৮ ঊর্ধ্বদের বিনামূল্যে দেওয়া হবে কোভিড বুস্টার ডোজ।” আপাতত শুধুমাত্র প্রথমসারির করোনাভাইরাস যোদ্ধা এবং ষাটোর্ধ্বদের বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ প্রদান করা হচ্ছে। বাকিদের টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে বুস্টার ডোজ। আগামী শুক্রবার থেকে সব প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকই বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ পাবেন। 

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে নয় মাস থেকে ছয় মাস করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল থেকে দেশে ‘সুরক্ষামূলক কোভিড টিকা ডোজ’ (বুস্টার ডোজ) দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরকার। একটি নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ১৮ ঊর্ধ্বরা বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। কিন্তু, করোনা টিকার প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজের মতো বুস্টার ডোজ বিনামূল্য পাওয়া যাবে না। বিভিন্ন অনুমোদন প্রাপ্ত ক্লিনিক থেকে অর্থ ব্যায় করে নিতে হবে বুস্টার ডোজ। কিন্তু, পরিসংখ্যান বলছিল, বুস্টার ডোজ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যাচ্ছিল বহু মানুষের মধ্যেই। এদিকে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের

    এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে তেরঙ্গা হিল-অম্বাজি-আবু রোড নতুন রেললাইন চালুর কথা জানান অনুরাগ। ১১৬ কিমি বিস্তৃত এই রেললাইন তৈরি করতে সময় লাগবে প্রায় চার বছর। খরচ পড়বে আনুমানিক দুই হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। এছাড়াও গুজরাতের ভদোদরায় গতিশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথাও এদিন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

LinkedIn
Share