Tag: pilgrimage

pilgrimage

  • International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ৮ মার্চ, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day) উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এবার শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম (Kashi Vishwanath Dham) মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মন্দির প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দর্শনের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, যাঁরা বাবা বিশ্বনাথকে প্রণাম করতে মন্দিরে আসবেন সেই মহিলা ভক্তদের জন্য একটি সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল বারাণসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলা ভক্তরা যেন বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ভিড়ের ঝামেলা ছাড়াই মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

    বিশেষ ব্যবস্থা (International Womens Day)

    বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মন্দিরে আগত মহিলা ভক্তরা কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নির্দিষ্ট প্রবেশপথটি মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে যাতায়াতকে আরও সহজ করতে এবং ব্যস্ত সময়ে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সুবিধা শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অন্যান্য জেলা, রাজ্য মায় বিদেশ থেকেও আসা মহিলা ভক্তরাও এই সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে তাঁরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়ভাবে মন্দিরের পবিত্রতা অনুভব করতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উন্নয়নের মাধ্যমে মন্দির এলাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে, যা ভক্তদের সুবিধা অনেক বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ ব্যবস্থা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ, যার লক্ষ্য তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও সুসংগঠিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের অগ্রাধিকার

    এই উদ্যোগের সবচেয়ে সহানুভূতিশীল দিকগুলির একটি হল শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের জন্য অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা করা। তীর্থস্থানগুলিতে সাধারণত প্রচুর (Kashi Vishwanath Dham) ভিড় হয় এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা ছোট শিশু সঙ্গে নিয়ে আসা মহিলাদের সব চেয়ে করুণ অবস্থা হয় (International Womens Day)। এই বিষয়টি বিবেচনা করে মন্দির প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শিশু নিয়ে আসা মায়েরা দর্শনের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার পাবেন। মায়েরা যদি শিশু কোলে নিয়ে আসেন, সে ছেলেই হোক বা মেয়ে, তাদের খুব কম সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই ব্যবস্থা মায়েদের যেন লাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সহজে প্রার্থনা করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেবে। এই ধরনের ব্যবস্থা পরিবার ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা

    এই বিশেষ প্রবেশপথ ব্যবহার করতে মহিলা ভক্তদের (Kashi Vishwanath Dham) কোনও টিকিট বা ফি দিতে হবে না। এটি ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে (International Womens Day)। যদিও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দর্শনার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তবুও মন্দির প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে বারাণসীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। স্থানীয় ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা এবং সন্ধ্যা ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত দর্শনের সময় শুধুমাত্র কাশীর স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সময়ে স্থানীয় ভক্তদের জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ীই দর্শন চলবে।

    গেট নম্বর ৪-বি

    এই নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে মহিলা ভক্তরা সহজেই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ দিনে সম্ভাব্য বিপুল ভিড় সামলানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা হবে (International Womens Day)। প্রসঙ্গত, এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,  এর গভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে ভারতীয় পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় অনুশীলন সংরক্ষণ ও লালন-পালনে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন (Kashi Vishwanath Dham)। দৈনন্দিন পূজা, উৎসব উদযাপন থেকে শুরু করে পারিবারিক তীর্থযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ মূলত নারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানাতে চেয়েছে। এই উদ্যোগ প্রতীকীভাবে সেইসব মা, মেয়ে ও বোনদের ভক্তি ও অবদানকে সম্মান জানায়, যাঁরা পরিবার ও সমাজে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখেন।

    পবিত্র কাশীর পরিবেশে, যেখানে গঙ্গা শান্তভাবে প্রাচীন ঘাটের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়, সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ আরও গভীর অর্থ বহন করে (Kashi Vishwanath Dham)। মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ দেখায় যে আমরা যেমন ঐতিহ্যকে সম্মান করি, তেমনি উপাসনালয়ের মতো জনসমাগমস্থলে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করি। ৮ মার্চ যখন মহিলা ভক্তরা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের করিডর দিয়ে এগোবেন, তখন তাঁদের এই যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি হবে তাঁদের বিশ্বাস, গর্ব এবং ‘নারী শক্তি’র উদযাপনের প্রতীক (International Womens Day)।

     

  • Amaranth Yatra: অমরনাথ যাত্রা শুরু ২৯ জুন, জানুন যাত্রার খুঁটিনাটি

    Amaranth Yatra: অমরনাথ যাত্রা শুরু ২৯ জুন, জানুন যাত্রার খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৯ জুন শুরু হবে এ বছরের অমরনাথ যাত্রা (Amaranth Yatra)। শেষ হবে ১৯ অগাস্ট। হিমালয়ের বুকে একটি পাহাড়ে গুহায় তুষারবিন্দু জমে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় শিবলিঙ্গ। পবিত্র সেই লিঙ্গ দর্শনেই ফি বছর যান দেশ-বিদেশের লাখ লাখ পুণ্যার্থী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অমরনাথের উচ্চতা ৩ হাজার ৮৮৮ মিটার।

    পথের ক্লান্তি ভুলে (Amaranth Yatra)

    অমরনাথ যাত্রার বেসক্যাম্প জম্মুতে। যদিও দেবদর্শনে যেতে হবে কাশ্মীরে। পহেলগাঁও থেকে শুরু হয় আসল ট্রেক (Amaranth Yatra)। পাহাড়ি এই পথের প্রতিটি বাঁকে ওত পেতে রয়েছে বিপদ। সেই বিপদ উপেক্ষা করেই প্রায় ৪৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন ভক্তরা। এই পথেই পুণ্যার্থীদের বিশ্রামের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে জায়গায় জায়গায়। চন্দনওয়াড়ি, শেষনাগ এবং পঞ্চতরণীর শোভা ভুলিয়ে দেয় পথের ক্লান্তি।

    পৌরাণিক আখ্যান

    একটি বড় লিঙ্গের পাশাপাশি গুহায় রয়েছে তুষারে তৈরি দুটি ছোট লিঙ্গও। ভক্তদের বিশ্বাস, এই দুটির একটি দেবী পার্বতীর, অন্যটি গণেশের। পুরাণ মতে, সৃষ্টি রহস্য ব্যাখ্যা করতে শিব পার্বতীকে নিয়ে যান অমরনাথ গুহায়। বাহন নন্দীকে তিনি রেখে আসেন পহেলগাঁওতে। চন্দনওয়াড়িতে শিব জটামুক্ত করেন চন্দ্রকে। শেষনাগে রাখেন তাঁর মাথায় থাকা সাপকে। পঞ্চতরণীতে ছেড়ে দেন ক্ষিত্যাদি পঞ্চভূতকে। গুহায় প্রবেশের আগে বাইরে রেখে আসেন পুত্র গণেশকে।

    আরও পড়ুন: তুমি কি রকম লোক গা! যুধিষ্ঠির কেবল নরকদর্শনই মনে রেখেছ?

    অমরনাথ গুহায় পৌঁছানো যায় দুই পথে। একটি পহেলগাঁও দিয়ে। অন্যটি শর্টকাট রুটে, বালতাল হয়ে। এই পথে গুহার দূরত্ব মাত্র ১৪ কিলোমিটার। বালতাল রুটটি তুলনামূলকভাবে খাড়াই পথ। তাই এই পথে অমরনাথ যাত্রা অনেক বেশি কষ্টকর। তবে পুণ্যার্থীরা যাতে নিরুপদ্রবে গুহায় পৌঁছতে পারেন, সেজন্য স্থানীয়দের পাশাপাশি তৎপর নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজনও। অমরনাথ যাত্রার যাবতীয় ব্যবস্থা করেন অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ড। ২০০০ সালে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় আইন করে এই বোর্ড গঠন করা হয়। এই বোর্ডের চেয়ারম্যান জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল।

    অমরনাথ যাত্রায় অংশ নিতে গেলে প্রয়োজন হয় পুণ্যার্থীর নিজের রাজ্যের হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসকের দেওয়া মেডিক্যাল সার্টিফিকেট। ওয়ান এমবি-র বেশি হবে না এমন একটি ছবি। পিডিএফ ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট। ১৩ থেকে ১৭ বছরের ছেলেমেয়েরা এই যাত্রায় অংশ নিতে পারবে না। গর্ভকাল ছমাস হয়ে গেলেও কোনও গর্ভবতী মহিলা এই যাত্রায় অংশ নিতে পারবেন না। যাত্রার সময় সঙ্গে রাখতে হবে অরিজিনাল ফোটো আইডি এবং মেডিক্যাল সার্টিফিকেট (Amaranth Yatra)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Madhya Pradesh: নিখরচায় বিমানে করে প্রবীণদের তীর্থযাত্রায় পাঠাল মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সরকার

    Madhya Pradesh: নিখরচায় বিমানে করে প্রবীণদের তীর্থযাত্রায় পাঠাল মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমানে করে প্রবীণদের নিয়ে তীর্থযাত্রার আয়োজন করল মধ্যপ্রদেশ সরকার। দেশের মধ্যে মধ্যপ্রদেশই (Madhya Pradesh) প্রথম রাজ্য যারা এভাবে প্রবীণদের ইচ্ছেপূরণ করেছে। রবিবার রাজধানী ভোপাল থেকে ৩২ জন তীর্থযাত্রীকে নিয়ে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে উড়ে যায় বিমানটি। মুখ্যমন্ত্রীর তীর্থ দর্শন যোজনা প্রকল্পে তাঁদের প্রয়াগরাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) প্রবীণদের নিয়ে তীর্থযাত্রা

    রবিবার সকালে ভোপালের রাজা ভোজ বিমানবন্দর থেকে ৩২ জন প্রবীণ তীর্থযাত্রীকে নিয়ে উড়ে যায় বিমানটি। যাত্রার সূচনা করেন মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এদিন যে ৩২ জনের দলটি তীর্থযাত্রায় গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ২৪ জন পুরুষ, ৮ জন মহিলা। যে তীর্থ দর্শন যোজনার সূচনা হল এদিন, তা চলবে চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত। এই যোজনার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন কেবল প্রবীণ তীর্যযাত্রীরা। রাজ্যের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে একাধিক দলে ভাগ করে তীর্থ দর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁদের।

    খুশি প্রবীণরা

    সূচনা (Madhya Pradesh) পর্বের তীর্থযাত্রায় সুযোগ পেয়েছেন বছর বাহাত্তরের রাম সিং কুশওয়া। তিনি বলেন, আকাশ পথে ভ্রমণের স্বপ্ন সবারই থাকে। জীবনে অন্তত একবার বিমানে চড়ার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে চায় সবাই। আমদের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। জীবনে প্রথমবারের জন্য রাজ্যের বাইরে পা রেখেছেন রামদাস। তাঁর ভাগ্যেও প্রয়াগরাজে তীর্থযাত্রার শিকে ছিঁড়েছে। দৃশ্যতই খুশি তিনি। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ চৌহান বলেন, আজ (রবিবার) একটা প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পেরে ভাল লাগছে। একটা স্বপ্ন সত্যি হল। আমার বাবার মতো বয়স্ক মানুষদের বিমানে করে তীর্থযাত্রায় পাঠাতে পেরে আমার ভাল লাগছে।

    প্রসঙ্গত, বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে ২০১২ সালেই তীর্থ দর্শন যোজনা চালু করে পদ্ম-শাসক। ২০১২ সালে চালু হয় ওই যোজনা। নিখরচায় স্পেশাল ট্রেনে করে তীর্থযাত্রায় যেতে পারেন পুণ্যার্থীরা। এই প্রথম তাঁদের উড়ানে ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়া হল। সরকারি সূত্রে খরব, এ পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের ৭.৮২ লক্ষ প্রবীণ নাগরিক এই যোজনায় সুযোগ পেয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: মোদির অটোগ্রাফ চেয়ে বসলেন বাইডেন! কেন জানেন?

    জানা গিয়েছে, মে মাসের (Madhya Pradesh) ২৩ তারিখে আগর মালওয়া থেকে প্রবীণ তীর্থযাত্রী নিয়ে বিমান যাবে সিরডি। ২৫ মে ভোপাল থেকে বিমান যাবে বৃন্দাবন, ২৬ মে দেওয়াস থেকে যাবে সিরডি, জুনের ৩ তারিখে খান্ডওয়া থেকে বিমান যাবে গঙ্গাসাগর, ৪ জুন হর্দা থেকে বিমান যাবে প্রয়াগরাজ। ৬ জুন মান্ডসাউর থেকে বিমান যাবে সিরডি। ৮ জুন নর্মদাপূরম থেকে বিমান যাবে মথুরা-বৃন্দাবন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share