Tag: pink eyes

pink eyes

  • Conjunctivitis: বর্ষাকালে চোখে সংক্রমণ! জানুন কনজাঙ্কটিভাইটিস প্রতিরোধে ঘরোয়া পদ্ধতি

    Conjunctivitis: বর্ষাকালে চোখে সংক্রমণ! জানুন কনজাঙ্কটিভাইটিস প্রতিরোধে ঘরোয়া পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষাকালে চোখে সংক্রমণের সমস্যা কয়েকগুণে বেড়ে যায়। এই সময় কনজাঙ্কটিভাইটিসের (Conjunctivitis) সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। প্রথমে একটি চোখে কনজাঙ্কটিভাইটিস (Pink Eyes) হয়, তারপর দ্বিতীয় চোখেও সেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক সঙ্গে দুটি চোখই সংক্রমিত হয়ে পড়ে। এই সমস্যা বাড়লে জ্বরও হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, বর্ষাকালে আর্দ্রতা বৃদ্ধির কারণে এই সংক্রমণ হয়।

    কেন হয় কনজাঙ্কটিভাইটিস (Conjunctivitis) 

    ধুলো, ধুঁয়ো, ফুলের পরাগ রেণু, কার্বনের কণা অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে কসমেটিকসের কারণে অ্যালার্জিক কনজাঙ্কটিভাইটিস হয়ে থাকে। অনেক সময় বর্ষাকালে স্টেফায়লোকোকস, নিউমোকোকাস, হিমোকোকাস ইনফ্লুয়েঞ্জার ইত্যাদি জীবাণুর কারণে এই সংক্রমণ হয়ে থাকে, একে ব্যাক্টিরিয়াল কনজাঙ্কটিভাইটিস (Conjunctivitis) বলা হয়। বর্ষার জলে ছড়িয়ে থাকা এডিনোভাইরাসের কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। ভাইরাল কনজাঙ্কটিভাইটিস হলে কানের গোড়া ফুলে যেতে পারে। কর্নিয়ায় সূক্ষ্ম ক্ষত দেখা যায়। যার ফলে রোগী চোখে কম দেখতে পায় এবং চোখ লাল হয়ে যায়। সঠিক সময় চিকিৎসা না-করলে ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি চিরকালের জন্য অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে।

    কনজাঙ্কটিভাইটিসের লক্ষণ (Conjunctivitis) 

    চোখ লাল হয়ে যাওয়া। চোখ থেকে জল পড়া।
    সকালে উঠলে চোখের পাতা পরস্পরের সঙ্গে আটকে থাকা বা চোখ খুলতে সমস্যা হওয়া।
    চোখ চুলকানো, জ্বালা ও অবসাদ।

    আরও পড়ুন: আজ রাশিয়া যাচ্ছেন মোদি, ‘‘ওরা হিংসায় জ্বলছে’’, পশ্চিমকে কটাক্ষ ক্রেমলিনের

    কীভাবে সারাবেন সংক্রমণ

    এই রোগ অত্যন্ত ছোঁয়াচে। সুস্থ হতেও বেশ অনেকটা সময় লেগে যায়। কনজাঙ্কটিভাইটিস (Conjunctivitis) হলে চোখে ঘন ঘন হাত দেওয়া ঠিক নয়। ওষুধ কিংবা ড্রপ দেওয়ার পর হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। ওই হাত অন্য কোথাও স্পর্শ করলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। রোগীর জামাকাপড়, তোয়ালে, চশমা, বালিশ, বিছানার চাদর অন্য কেউ ব্যবহার না করাই ভালো। এগুলির মাধ্যমে অন্য কারও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। সময়ে বেশি টিভি, ফোন না দেখাই ভালো। টিভি, ফোনের আলোয় চোখে অস্বস্তি বাড়তে পারে। কনজাঙ্কটিভাইটিস হলে যতক্ষণ চোখ বন্ধ করে থাকা যায়, ততই ভালো।

    প্রতিরোধের উপায়

    কনজাঙ্কটিভাইটিস বা গোলাপী চোখ (Pink Eyes) হওয়ার আগেই সাবধান হোন। আপনার দৃষ্টিশক্তি ও চোখ ভালো রাখতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চলুন। 

    প্রাণায়ম: প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে প্রাণায়ম করলে আপনার দৃষ্টি শক্তি বাড়বে। অনুলোম-বিলোম ও ভ্রামরি দিনে অন্তত ৭বার করুন। 

    মহা ত্রিফলা ঘৃত: দিনে ২বার খাওয়ার পর এক চা-চামচ মহা ত্রিফলা-ঘৃত দুধে  মিশিয়ে খেয়ে নিন। চোখ ভালো থাকবে। এছাড়াও আমলকীর রস, গোলাপ জল ও ত্রিফলার জল চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Conjunctivitis: দাপট বাড়াচ্ছে ‘গোলাপি চোখ’! কনজাঙ্কটিভাইটিস রুখতে কী করবেন? 

    Conjunctivitis: দাপট বাড়াচ্ছে ‘গোলাপি চোখ’! কনজাঙ্কটিভাইটিস রুখতে কী করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুমে বাড়ছে ভোগান্তির তালিকা। একে সর্দি-কাশিতে নাজেহাল অনেকেই। বিশেষত শিশু আর বয়স্কদের বাড়ছে ভোগান্তি। আর তার সঙ্গে বাড়ছে আরেক সমস্যা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় বাড়ছে কনজাঙ্কটিভাইটিস। যার আরেক নাম ‘পিঙ্ক আই’!

    কনজাঙ্কটিভাইটিস কী? 

    কনজাঙ্কটিভাইটিস হল চোখে এক ধরনের অ্যালার্জি। ভাইরাসঘটিত এই অ্যালার্জি মূলত চোখের সাদা অংশে হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই রোগ খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়। আক্রান্তের চোখের দিকে তাকালেও আরেক জন এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি বছর ১০ মিলিয়নের বেশি ভারতীয় কনজাঙ্কটিভাইটিসে আক্রান্ত হন।

    কাদের ভোগান্তির ঝুঁকি বেশি? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ঠান্ডা লাগলেই এই কনজাঙ্কটিভাইটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই যাঁরা সর্দি-কাশিতে বেশি ভোগেন, তাঁদের এই রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাছাড়া, শিশুদের ভোগান্তির ঝুঁকি বেশি। স্কুল থেকে বহু শিশুই এই রোগে সংক্রমিত হয়। পরিবারের যে কোনও একজনের এই রোগ হলে, বাকি সদস্যদের হওয়ার আশঙ্কা থাকে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই রোগে সংক্রমণের ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই দরকার বাড়তি সতর্কতা।

    কনজাঙ্কটিভাইটিসের উপসর্গ কী? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কনজাঙ্কটিভাইটিস হলে চোখ লাল হয়ে যায়। চোখে এক ধরনের চুলকানি হয়। দেখতেও অসুবিধা হয়। ঘুম থেকে উঠে চোখ ফুলে যায়। চোখ খুলতে অসুবিধা হয়। বারবার চোখে অস্বস্তি বোধ হলে, চুলকানি অনুভব হলে এবং চোখ লাল হলেই সতর্ক হতে হবে।

    কনজাঙ্কটিভাইটিস রুখতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, কনজাঙ্কটিভাইটিসের প্রথম উপসর্গ থেকেই সতর্ক হলে ভোগান্তি কম হবে। পাশপাশি পরিবারের অন্যদের মধ্যেও রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। চোখে সামান্য লাল ভাব কিংবা চোখে চুলকানি হলে একেবারেই চোখে হাত দেওয়া যাবে না। বারবার হাত পরিষ্কার রাখতে হবে। কারণ, হাতের মধ্যেই এই জীবাণু দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া, চোখ বারবার জল দিয়ে ধুতে হবে। পরিষ্কার জলে বারবার চোখ ধুয়ে ফেললে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। প্রয়োজনে গরম জলে পরিষ্কার তুলো ভিজিয়ে চোখের পাতা পরিষ্কার করতে হবে। এতে দেখার সমস্যা কমে, আবার সংক্রমণের তীব্রতাও কমে। এমনই পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। তবে, এই রোগে আক্রান্ত হলে আলাদা ঘরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যাতে এই রোগ পরিবারের অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত না হয়, তাই কালো চশমা পরে থাকারও পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
LinkedIn
Share