Tag: Pipeline

Pipeline

  • Balurghat Road: বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তা ভেঙে খান খান, ক্ষোভ শহরজুড়ে

    Balurghat Road: বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তা ভেঙে খান খান, ক্ষোভ শহরজুড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই রাস্তা খারাপ। তার উপর সেই রাস্তা খুঁড়েই দেওয়া হচ্ছে জলের সংযোগ। এইভাবে জল দেওয়া হলেও পরে আর রাস্তার সেই ভাঙা অংশের সংস্কার হচ্ছে না। যার ফলে বালুরঘাট শহরের বহু রাস্তাই (Balurghat Road) ভাঙাচোরা। গর্তের মধ্য দিয়েই চলছে যানবাহন। যা নিয়ে কার্যত গোদের উপর বিষফোঁড়ার দশা বালুরঘাটে। অভিযোগ, শহরের অনেক জায়গায় রাস্তার খোয়া উঠে গিয়েছে। শহরের মূল রাস্তাগুলি দিয়ে চলাচল করা গেলেও অলিগলির রাস্তা একেবারেই বেহাল। ওইসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চরম সমস্যায় পড়ছে মানুষ। যা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। 

    কীভাবে হল এই পরিস্থিতি, কী বলছেন বাসিন্দারা?

    জানা গিয়েছে, মাস দুয়েক হল বালুরঘাট শহরে বন্ধ থাকা জলের কানেকশন দেওয়া চালু হয়েছে। তা করতে গিয়ে বহু রাস্তা (Balurghat Road) ফাটিয়ে পাইপগুলি বাড়িতে পৌঁছনো হচ্ছে। কিন্তু রাস্তার ভাঙা অংশ আর সংস্কার করা হচ্ছে না। কোনওরকমে মাটি দিয়ে বোজানো হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সেই মাটি বেরিয়ে রাস্তার এক হাত পর পর বিশাল গর্ত দেখা যাচ্ছে। যার ফলে সাইকেল, মোটরসাইকেল, টোটো ও রিক্সার চাকা অনেক সময় আটকে পড়ছে কিংবা তীব্র ঝাঁকুনি খেয়ে ঝুঁকি নিয়েই ছুটছে মানুষ। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন আগে থেকেই শহরের এ কে গোপালন কলোনি, চৌরঙ্গি, শিবতলা, রঘুনাথপুর, সত্যজিৎ মঞ্চ থেকে হাসপাতাল মোড় সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার অনেক অংশ বেহাল। সেই বেহাল গর্তের রাস্তায় জল জমে থাকে। এমনকী অনেক রাস্তায় গর্ত রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা অলিগলির রাস্তা। শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের নানা জায়গায় রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। এদিকে পুরবোর্ড গঠনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও রাস্তা সংস্কার হয়নি। তাই পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। এবিষয়ে বালুরঘাট শহরের এক বাসিন্দা পিকু দাস বলেন, বহু রাস্তার অনেক জায়গায় গর্ত। ভাঙাচোরা হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও আবার পিচ নেই। এরপর মাঝে আবার রাস্তাগুলি খুঁড়ে জলের পাইপলাইন বসানো হচ্ছে। সেই রাস্তা আর বোজানো হচ্ছে না। যার ফলে রাস্তা দিয়ে একেবারেই চলতে পারছি না। বাইক, সাইকেল নিয়ে চলাচল করাই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে৷ 

    এরা একই কাজ একবারে করতে চায় না, তোপ বিরোধীদের

    এব্যাপারে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। ডিওয়াইএফআই শহর লোকাল কমিটির সম্পাদক ধীরাজ বসু বলেন, এই বোর্ড এমনিতেই শহরের উন্নয়ন করতে পারছে না। যে রাস্তাগুলি খোঁড়া হচ্ছে, তা মাটি দিয়েও ঠিকমতো বন্ধ করা হচ্ছে না। এরা মানুষের সমস্যা বোঝে না। নিজেদের পদ টিকিয়ে রাখার লড়াই চলছে। তাই শহরবাসীর উন্নয়ন, সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে ভাবার সময় নেই।বিজেপির টাউন মন্ডল কমিটির সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত বলেন, জলের কানেকশন দিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই সেই রাস্তার (Balurghat Road) ভাঙা অংশগুলি সংস্কার করা যায়। কিন্তু এরা একই কাজ একবারে করতে চায় না। কারণ দুবারে করলে দুবার টেন্ডার করা যাবে। তাই শহরের ভোগান্তি নজরে আসে না। দীর্ঘদিন ধরেই শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে মূল রাস্তা বেহাল। অথচ এসব এই তৃণমূল পুরবোর্ডের নজরে আসছে না। 

    দ্রুত সংস্কার হবে, আশ্বাস চেয়ারম্যানের

    এবিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, জলের কানেকশন দেওয়ার পরে ওই পাইপলাইনের উপরে আগেই ঢালাই দেওয়া যায় না। পরবর্তীতে জল যেতে সমস্যাও হতে পারে। তাই কিছুদিন পাইপলাইনের উপরে মাটি দিয়ে বুজিয়ে রাখা হয়। পরে সমস্যা না হলে তা স্থায়ীভাবে ঢালাই দিয়ে দেওয়া হবে। শহরের যে রাস্তাগুলি খারাপ, সেগুলি দ্রুত সংস্কার করা হবে৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: কল আছে, জল নেই! অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ

    Drinking Water: কল আছে, জল নেই! অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল আছে, জল নেই। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল (Drinking Water) প্রকল্পে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খিদিরপুর এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ করতে বাড়ি বাড়ি পাইপলাইন পৌঁছে গিয়েছে। প্রতি বাড়িতে একটি করে ট্যাপও লাগানো হয়েছে। কিন্তু ট্যাপকল থাকলেও, জলের দেখা নেই। প্রথম প্রথম জল এলেও দীর্ঘদিন ধরে ট্যাপে জল আসে না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। 

    সমস্যা নিয়ে কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত থেকে প্রতিটি বাড়িতে ট্যাপ লাগানো হয়েছে। ট্যাপ লাগানোর পর কিছুদিন জল (Drinking Water) আসত। কিন্তু তারপর দীর্ঘদিন ধরে আর জল আসে না। পঞ্চায়েতকে জানালে পঞ্চায়েত বলে, আমাদের হাতে এটা নেই, এটাপিএইচই-র হাতে। এলাকাবাসী পিএইচই দফতরে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, ট্যাপে জল না আসায়, পঞ্চায়েতে জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরেও (পি এইচ ই) এলাকার বাসিন্দারা মাস পিটিশন দিয়েছেন। তবুও কোন সুরাহা হয়নি।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপির যুব সভাপতি শুভ চক্রবর্তী জানান, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাপ দিলেও, জল আসে না। এই দাবদাহে মানুষকে প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি পঞ্চায়েত সমিতি এবং পিএইচইকে জানানো হয়েছে। একে অন্যের অপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা তো জানি এটা পঞ্চেয়েতেরই কাজ।

    তৃণমূলের কী বক্তব্য?

    এলাকার তৃণমূল সদস্য দীপা উপাধ্যায় জানান, জলস্তর কমে যাওয়ায় জল (Drinking Water) আসছে না। বিষয়টি পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পিএইচই দফতরে জানানো হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, এই সমস্যা তাঁর নিজের বাড়িতেও। এলাকার মানুষের ক্ষোভের ব্যাপারে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষে তো সব সমস্যা মেটানো সম্ভব হয় না। পঞ্চায়েত ভোট মিটে গেলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GAIL: ক্ষতিপূরণ নিয়ে বচসা, কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্যাসের পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দিলেন জমিদাতারা

    GAIL: ক্ষতিপূরণ নিয়ে বচসা, কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্যাসের পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দিলেন জমিদাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে থমকে গেল কেন্দ্রীয় সংস্থার (GAIL) গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ। হলদিয়া থেকে পানাগড় শিল্পতালুক পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে বেসরকারি কারখানাগুলির জ্বালানির জন্য গ্যাস সরবরাহ করার পরিকল্পনা নিয়েছে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু জমি নিয়ে সেই আন্দোলনের জেরে আপাতত প্রকল্পটি অথই জলে পড়ে গেল। গেইল বা গ্যাস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড হল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারা মাটির নিচ দিয়ে হলদিয়া থেকে পানাগড় শিল্পতালুক পর্যন্ত গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু করেছে।

    কীভাবে বন্ধ হয়ে গেল কাজ?

    বৃহস্পতিবার সকালে সংস্থার কর্মীরা যন্ত্রপাতি এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে বুদবুদের খান্ডারি গ্রামে মাটির তলা দিয়ে পাইপলাইন (GAIL) বসানোর কাজ শুরু করতেই প্ল্যাকার্ড এবং পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ ও জমির মালিকরা। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর দুপুর নাগাদ হঠাৎই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রথমে বচসা ও পরে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় সংস্থার কর্মীদের। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বুদবুদ থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে বন্ধ রাখা হয় কাজ।

    কী দাবি এলাকার বাসিন্দাদের?

    এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, প্রতি শতকে তাঁদের ৮০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা। সেই ক্ষতিপূরণ না দিলে তাঁরা কোনওভাবেই কাজ শুরু করতে দেবেন না। যদিও এদিন ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি (GAIL) প্রশাসনিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেয়। তারপরই বিক্ষোভ উঠিয়ে নেন গ্রামবাসীরা।

    কী বলছে বিজেপি নেতৃত্ব?

    পূর্ব বর্ধমান জেলার বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, এটা (GAIL) স্থানীয় প্রশাসনের বিষয়। স্থানীয় প্রশাসনেরই তো হিয়ারিং করার কথা। জানিনা আদৌ হিয়ারিং হয়েছে কিনা। তৃণমূলের নেতারা হয়তো  মাঝখানে এসে নিজেদের পকেটে টাকা ঢুকিয়ে নিয়েছে। এটা তদন্তের বিষয়। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রেই পাইপলাইনের কাজ চলছে। পাইপ লাইনের কাজ তো হবেই। কিন্তু যাদের জমির উপর দিয়ে কাজটা হবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করাটা তো স্থানীয় প্রশাসনেরই দায়িত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share