Tag: Plastic Ban

Plastic Ban

  • Kolkata New Civic Rules: থুতু ১০০, প্রস্রাব ২০০,..! রাস্তায় এই ৫ ভুল করলেই গুনতে হবে জরিমানা, চালু হল নতুন নিয়ম, বদলে ফেলুন অভ্যাস

    Kolkata New Civic Rules: থুতু ১০০, প্রস্রাব ২০০,..! রাস্তায় এই ৫ ভুল করলেই গুনতে হবে জরিমানা, চালু হল নতুন নিয়ম, বদলে ফেলুন অভ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের শহরাঞ্চলকে আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার নাগরিকদের অভ্যাস বদলের উপর জোর দিল রাজ্য সরকার। রাস্তায় যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলা, প্রকাশ্যে থুতু ফেলা কিংবা মল-মূত্র ত্যাগের মতো ঘটনায় এবার আর শুধু সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গুনতে হবে জরিমানা। পাশাপাশি নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের ব্যবহার এবং বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপের বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ১ সেপ্টেম্বর থেকে বদলাবে অভ্যাস, বদলাবে কলকাতা’—এই বার্তাকে সামনে রেখেই শুরু হয়েছে পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত নতুন উদ্যোগ। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের উদ্যোগে শহর ও নগরাঞ্চলে নিয়ম মেনে চলার বিষয়ে নাগরিকদের সচেতন করার পাশাপাশি নিয়ম ভাঙলে আর্থিক জরিমানার ব্যবস্থাও কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে।

    কোন কোন কাজে জরিমানা?

    রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় একাধিক নাগরিক আচরণকে জরিমানার আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

    • প্রকাশ্যে থুতু ফেলা: রাস্তায় বা জনসমক্ষে থুতু ফেললে ১০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
    • প্রকাশ্যে প্রস্রাব বা মলত্যাগ: যত্রতত্র প্রস্রাব বা মলত্যাগ করে পরিবেশ নোংরা করলে ২০০ টাকা জরিমানা করা হবে।
    • যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা: রাস্তায় বা নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া অন্যত্র আবর্জনা ফেললেও জরিমানার মুখে পড়তে হবে। আবর্জনা ফেলার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
    • নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের ব্যবহার: নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার করলেও ২০০ টাকা জরিমানা দিতে হতে পারে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ।

    এছাড়াও নির্দিষ্ট পার্কিং জোন ছাড়া যেখানে-সেখানে গাড়ি দাঁড় করানো বা বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধেও জরিমানার ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে।

    কোথায় কার্যকর হচ্ছে নতুন নিয়ম?

    ১ সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্যের পুরসভা, পুরনিগম এবং নোটিফায়েড এরিয়া-গুলিতে এই নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের কাছে নির্দেশিকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।শহরাঞ্চলের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন করতে প্রচার চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ শুধুমাত্র জরিমানা করাই নয়, কোন কোন কাজ করলে জরিমানা হতে পারে, তা সাধারণ মানুষকে জানানোও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

    কোথায় নজরদারি বেশি?

    সরকারের নজরদারির আওতায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে জনসমাগম বেশি হয় এমন এলাকা। এর মধ্যে রয়েছে বাজার, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, ধর্মীয় স্থান এবং সরকারি অফিসের আশপাশের রাস্তা ও নর্দমা। এই এলাকাগুলিতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

    নগদে নয়, অনলাইনে জমা দিতে হবে জরিমানা

    নতুন ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, জরিমানার টাকা নগদে নেওয়া হবে না। নির্ধারিত নিয়ম মেনে অনলাইনে জরিমানা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    শুধু প্রশাসন নয়, দায়িত্ব নাগরিকদেরও

    পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তুলতে শুধু পুরসভা বা প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রচারে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পরিষ্কার শহর শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, প্রত্যেক নাগরিকেরও দায়িত্ব। রাস্তা পরিষ্কার রাখা, নির্দিষ্ট জায়গায় আবর্জনা ফেলা, নিষিদ্ধ প্লাস্টিক এড়িয়ে চলা এবং প্রকাশ্যে থুতু বা মল-মূত্র ত্যাগ না করার মতো দৈনন্দিন অভ্যাস বদলের উপরই জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের আশা, নিয়মের পাশাপাশি সচেতনতা বাড়লে কলকাতা-সহ রাজ্যের শহরাঞ্চল আরও পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে।

    নাগরিক সমস্যায় টোল-ফ্রি হেল্পলাইন

    এদিকে নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৮০০-৩৪৫-০৯৩৮ চালুর কথাও জানানো হয়েছে। আপাতত সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই পরিষেবা চালু থাকার কথা। পরবর্তী সময়ে পরিষেবাটি ২৪ ঘণ্টা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই নম্বরে ফোন করে নাগরিক সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।

    সব মিলিয়ে ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে একদিকে যেমন শহর ও নগরাঞ্চলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়মকানুন আরও কড়া করা হচ্ছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে বাইরে বেরিয়ে দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাস বদলানোই এখন নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বড় বার্তা।

  • Plastic Ban: ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিক! নতুন নিয়ম জানেন তো?

    Plastic Ban: ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিক! নতুন নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে’ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিকের (Single Use Plastic) ব্যবহার, কড়া নির্দেশ জারি করল কেন্দ্রের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (Central Pollution Control Board)। এর আগে, চলতি বছরের শুরুতেই প্লাস্টিক প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে সতর্ক করেছিল পর্ষদ। এবার জারি করা হল নিষেধাজ্ঞা।

    নতুন নির্দেশিকার পর এবার প্লাস্টিকের তৈরি ব্যাগের পাশাপাশি, প্লাস্টিকের তৈরি ব্যানার, লজেন্স এবং আইসক্রিমে ব্যবহৃত হওয়া প্লাস্টিকের কাঠি, প্লাস্টিকের কাপ, গ্লাস এবং অন্যান্য বাসন, পাতলা প্লাস্টিকের বোতল, এমনই বিভিন্ন নিত্যদিনের ব্যবহৃত জিনিস নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত হতে চলেছে। যেহেতু এইসব জিনিস তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় অত্যন্ত পাতলা প্লাস্টিক, যার ঘনত্ব ১০০ মাইক্রনের চেয়ে কম ও তা ফের ব্যবহার করা যায় না। প্লাস্টিকগুলি পুনর্ব্যবহার করা যায় না বলেই এই ধরনের প্লাস্টিক দেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: বায়ুদূষণের ফলে ভারতীয়দের আয়ু কমবে ৫ বছর! দাবি গবেষণায়

    কেন্দ্রের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে যে, প্লাস্টিক ব্যাগের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে বিভিন্ন কাপড়ের ব্যাগ। কারণ এটি অনেকবার ব্যবহার করা যায় ও কাপড়ের ব্যাগ ইকো-ফ্রেন্ডলি। এছাড়াও প্লাস্টিকের তৈরি জিনিসের জায়গায় বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

    এবারে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশ জারি তো করেছেই, এর সঙ্গে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারকারীদের জন্য ফাইন হতে পারে ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। ব্যক্তির জন্য ৫০০ টাকা এবং যে সংস্থা প্লাস্টিক ব্যাগ বানাবে বা সরবরাহ করবে তার জন্য ৫০০০ টাকা ফাইন দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি।

    আরও পড়ুন: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    প্লাস্টিক বর্জ্যের (Plastic wastes) পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকলেও প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার না কমিয়ে, অনেক সংস্থা এই নির্দেশে অসম্মতি জানিয়েছে ও কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছে যাতে বিভিন্ন ড্রিঙ্কস, জুস ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হওয়া প্লাস্টিকের স্ট্র ব্যবহার করতে দেয় সরকার।

    প্লাস্টিকের ব্যবহারের (Plastic Use) ফলে দূষণ বেড়েই চলেছে। কারণ প্লাস্টিক প্রাকৃতিক উপায়ে মাটিতে মেশে না (Bio-nondegradable)। ফলে বাড়তে থাকে পরিবেশ দূষণের (Environmental Pollution) হার। ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে, তাই এই পরিস্থিতিতে দূষণ রোধে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

LinkedIn
Share