Tag: PM Awas Yojana

PM Awas Yojana

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • PM Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    PM Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে এবার হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য সরকার। ঘটনাটি ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকার জন্য আবেদন করেন ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিরাজুল মণ্ডল-সহ পাঁচ বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, এখনও সেই টাকা পাননি তাঁরা। টাকা পেতে হাইকোর্টে মামলা করেন ওই ৫ জন। মামলাকারী ৫ জনের টাকাই ভুল অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানায় রাজ্য। এরপরই আদালতের (Calcutta High Court) ক্ষোভের মুখে পড়ে সরকার। 

    ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি

    এই ঘটনা ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি, বলে এদিন মত প্রকাশ করেন বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর। বিডিও এবং পঞ্চায়েত প্রধানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর তলব করেন বিচারপতি। অবিলম্বে সরকারকে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পদক্ষেপের নির্দেশও দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘদিন টাকা না আসায় পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন আবাসের টাকা থেকে বঞ্চিত পাঁচজন। অভিযোগ, তখন পঞ্চায়েত থেকে বলা হয় টাকা আসেনি। পরে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তাঁরা টাকা পাওয়ার জন্য যোগ্য ব্যক্তি নন। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে আদালতে মামলা করা হলে স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। সে ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর। 

    আরও পড়ুন: সরকারের দেওয়া ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা গায়েব! একের পর এক স্কুলে একই ঘটনা কীভাবে?

    কাঠগড়ায় রাজ্য সরকার

    উল্লেখ্য, প্রায়ই জেলায় জেলায় আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় গরমিলের অভিযোগ সামনে আসছে। কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলই। কোথাও বিডিও অফিসের দরজা বন্ধ করে বিক্ষোভ। সম্প্রতি হুগলির গোঘাটে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার তালিকায় স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ তুলে বীরভূমের রামপুরহাটেও বিক্ষোভ দেখিয়েছিন স্থানীয় তিলডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। বিরোধীরা বারবার যে দুর্নীতির কথা বলছেন, এবার তা মেনে নিল রাজ্যও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • BJP: দুয়ারে উপনির্বাচন, রাজ্যের পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধের আর্জি বিজেপির

    BJP: দুয়ারে উপনির্বাচন, রাজ্যের পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধের আর্জি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে উপনির্বাচন। রাজ্যের পাঁচ জেলার ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে হবে নির্বাচন। তার ঠিক আগে আগেই আবাস যোজনার (Awas Yojana) সমীক্ষার শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সমীক্ষার কাজ হওয়ার কথা ২১ অক্টোবর, চলবে এ মাসেরই ৩০ তারিখ পর্যন্ত। এহেন পরিস্থিতিতে যে পাঁচ জেলায় নির্বাচন, সেই জেলাগুলিতে আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধ রাখার আর্জি জানিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিল বিজেপি (BJP )।

    দুয়ারে উপনির্বাচন (BJP)

    প্রকল্পের নাম প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। অভিযোগ, সেই প্রকল্পেরই নাম বদলে বাংলা আবাস যোজনা করেছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। সোমবার, ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে এই যোজনায় সমীক্ষার কাজ। রাজ্যের প্রতিটি জেলায়ই সমীক্ষা করবেন সমীক্ষকরা। অথচ ১৩ নভেম্বর উপনির্বাচন রয়েছে রাজ্যের পাঁচ জেলার ছটি বিধানসভা কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রগুলি হল নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর, তালডাংরা, মাদারিহাট এবং সিতাই। এই ছয় কেন্দ্র যে জেলাগুলির মধ্যে পড়ে সেগুলি হল, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার।

    অকাল নির্বাচন

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ছয় কেন্দ্রের বিধায়কই লোকসভায় প্রার্থী হন এবং জয়ী হয়ে সাংসদ হন। সেই কারণেই অকাল নির্বাচনের আয়োজন। লোকসভা নির্বাচনের পর এতদিন হাত গুটিয়ে বসে থাকলেও, উপনির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়তেই রাজ্য সরকার আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ শুরু করছে বলে অভিযোগ (BJP)। ওই পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ আপাতত বন্ধ রাখার আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। পদ্ম পার্টির সাফ কথা, এই সমীক্ষার সময় বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সরাসরি ভোটারদের প্রলোভিত করা যাবে। ভোটাররাও প্রলোভিত হবেন। তাই নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে এই সমীক্ষা বন্ধ রাখতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিক কমিশন।    

    আরও পড়ুন: ১৪৪ বছর পরে মহাকুম্ভ মেলা, প্রয়াগরাজে আঁটসাঁট নিরাপত্তা ব্যবস্থা যোগী সরকারের

    কী বলছেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    সমীক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশনামা এবং বিজেপির দাবি সম্বলিত চিঠি ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। পাল্টা চিঠি দিয়েছে রাজ্য সরকারও। তাদের আর্জি, ওই পাঁচ জেলায় সমীক্ষার কাজ নির্বাচনী বিধি থেকে ছাড় দেওয়া হোক। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ওই পাঁচ জেলায় সমীক্ষার কাজ আপাতত বন্ধ রাখতে চিঠি দেওয়া হয়েছে কমিশনে। এটি সরাসরি মডেল কোড অফ কন্ডাক্টকে ভায়োলেট করছে। লক্ষাধিক টাকার বাড়ি দেব এই মর্মে সার্ভে (Awas Yojana) করা মানে ভোটারদের প্রভাবিত করা (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Awas Yojana: পিএম আবাস যোজনায় আরও ৩ কোটি বাড়ি, সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার

    PM Awas Yojana: পিএম আবাস যোজনায় আরও ৩ কোটি বাড়ি, সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সন্ধেয় নিয়েছিলেন শপথ। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই সোমবার প্রথম সাউথ ব্লকে অফিসে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি প্রথম পিএম কিষান যোজনার ফাইলে সই করেন। এদিনই অনুমোদন করেন পিএম আবাস যোজনার (PM Awas Yojana)। এদিনই বসেছিল নয়া মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। সেখানেই তিন কোটি গ্রামীণ ও শহুরে বাড়ি নির্মাণের জন্য সরকারি সহায়তা অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    কী বলছেন সরকারি আধিকারিক? (PM Awas Yojana)

    এই তিন কোটি বাড়ির মধ্যে দু’কোটি তৈরি করা হবে গ্রামে, আর বাকি এক কোটি বাড়ি নির্মাণ করা হবে শহরে। বৈঠক শেষে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে তিন কোটি অতিরিক্ত গ্রামীণ ও শহুরে পরিবারকে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত আবাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত।” এদিন ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসেছিলেন মন্ত্রীরা। সেখানেই আরও অনেক কিছুর সঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় পিএম আবাস যোজনা (PM Awas Yojana) নিয়ে। প্রসঙ্গত, রবিবারই রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শপথ নেন আরও ৭২ জন মন্ত্রীও। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে বিজেপির পাশাপাশি এনডিএর ১১টি শরিক দলের।

    প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে বিজেপি

    সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, পিএম আবাস যোজনায় দেশে ৩০ মিলিয়ন নতুন বাড়ি তৈরি করা হবে। এদিন শুরু হল সেই প্রতিশ্রুতি পূরণই। কেবল নির্বাচনী প্রচারই নয়, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে যে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ, সেখানেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন পিএম আবাস যোজনার ক্ষেত্র প্রসারিত করা হবে।

    আর পড়ুন: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    বাজেট বক্তৃতায় সীতারামণ বলেছিলেন, “এই প্রকল্পে (পিএম আবাস যোজনা গ্রামীণ) আরও দু’কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই। পরিবারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতেই বাড়ির প্রয়োজন বাড়ছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।” তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতেও পিএম আবাস যোজনা-জি-তে চলছে গৃহ নির্মাণের কাজ। এবং সরকার তিন কোটি বাড়ি তৈরির লক্ষ্যের কাছে পৌঁচ্ছছে (PM Awas Yojana)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Awas Yojana: আবাস যোজনার রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    PM Awas Yojana: আবাস যোজনার রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) উপভোক্তাদের নাম নথিভুক্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় দলের (central team) সুপারিশ কতটা কার্যকর হয়েছে সে ব্যাপারে ৬ মার্চ অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পেশ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই রিপোর্ট কতটা সঠিক, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের আসছে কেন্দ্রীয় দল। ওই দলের সদস্যরা ঘুরে দেখবেন রাজ্যের দশ জেলা। এবার তাঁদের গাইড করবেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকরা। দশ জেলার জন্য একজন করে অতিরিক্ত সচিব এবং যুগ্ম সচিব পদ মর্যাদার আধিকারিক দায়িত্বে থাকবেন।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PM Awas Yojana)…

    জেলাশাসকের সঙ্গে পরিদর্শনকালে কেন্দ্রীয় দলের সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরাই। সম্প্রতি পঞ্চায়েত দফতর জেলাগুলিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) উপভোক্তাদের নাম নির্বাচন নিয়ে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আগেও রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় দল। জেলাশাসক বা জেলা প্রশাসনের কর্তারাই তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। ওই দলের সদস্যরা কিছু সুপারিশ করেছেন রাজ্যের কাছে। তা কার্যকরের পর তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছিল। সেই মতো ৬ মার্চ অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পাঠায় রাজ্য।

    আরও পড়ুুন: ‘মানিকের জুতোয় পা গলাবেন না’, পর্ষদ সভাপতিকে বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, এই দফায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঘুরে দেখবেন মুর্শিদাবাদ, দুই মেদিনীপুর, আলিপুরদুয়ার, মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলা। পক্ষকালের মধ্যে তাঁদের রিপোর্ট দিতে হবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে। রাজ্যের পঞ্চায়েত সচিবকে লেখা চিঠিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, উপভোক্তা তালিকা নিয়ে অভিযোগের (PM Awas Yojana) ভিত্তিতে ন্যাশনাল লেভেল মনিটারিং দল কয়েকটি ক্ষেত্রে ত্রুটি নিয়ে রাজ্যকে কিছু সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছিল। যার ভিত্তিতে গত ৬ মার্চ রাজ্য পঞ্চায়েত দফতর অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পাঠায়। এই রিপোর্ট কতটা সঠিক, তা দেখতেই কেন্দ্রীয় দলের এই সফর। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই এই কেন্দ্রীয় দলের আধিকারিকরা যাবেন ওই দশ জেলায়।

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চলতি আর্থিক বছরে ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৮৮টি বাড়ি তৈরির জন্য ৮২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। রাজ্যের দাবি, উপভোক্তা তালিকা নিয়ে নানা অভিযোগের অছিলায় বারংবার কেন্দ্রীয় দল পাঠিয়ে বরাদ্দ টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Awas Yojana: ৯০ দিনে বানাতে হবে সাড়ে ১১ লক্ষ বাড়ি! কেন্দ্রের চাপে আবাস-নির্দেশ রাজ্যের

    PM Awas Yojana: ৯০ দিনে বানাতে হবে সাড়ে ১১ লক্ষ বাড়ি! কেন্দ্রের চাপে আবাস-নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন আসতেই আবাস যোজনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল রাজ্য। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। আর এরই মাঝে আবাস যোজনা নিয়ে আজ বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। অন্যদিকে কেন্দ্রের চাপ তো রয়েছেই। ফলে আজই ঘোষণা করা হল, ৯০ দিনের মধ্যেই আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবাস যোজনা নিয়ে সরকার সবথেকে বেশি যে গুরুত্ব দিতে চলেছে, তা সোমবার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করে স্পষ্টভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্য সচিব। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে আবাস যোজনায় প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ পাকা বাড়ি তৈরি হবে বাংলায়।

    আবাস যোজনা নিয়ে বৈঠক রাজ্যের মুখ্য সচিবের

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘিরে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক গণ্ডগোল। আর এই আবাস যোজনা নিয়ে এবার কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী (Harikrishna Dwivedi)। নবান্ন সূত্রে খবর, এদিন প্রায় দু’ঘণ্টা বিভিন্ন জেলাশাসক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন মুখ্য সচিব। এই বৈঠকেই জানানো হয়, আগামী তিন মাসের মধ্যেই সব বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করে ফেলতে হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিল নবান্ন। মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩১ মার্চ তথা বর্তমান আর্থিক বছরের মধ্যেই ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার বাড়ি বানানোর কাজ সেরে ফেলতে হবে। যদিও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ১০ লক্ষ ১৯ হাজার জনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর এই ৮৯% এরও বেশি বাড়ি অনুমোদন করার জন্য বিভিন্ন জেলাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্য সচিব।

    গতকাল বৈঠকে জানানো হয়েছে, প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার ৪০ দিনের মধ্যে বাড়ির জানলা পর্যন্ত নির্মাণ করতে হবে। পরবর্তী কিস্তির ৩৫ দিনের মধ্যে কাজ হবে ‘লিন্টেল’ বা জানলার উপরিভাগ পর্যন্ত। তার পরের কিস্তির ১৫ দিনের মধ্যে ঢালাই-সহ বাড়ি তৈরির সামগ্রিক কাজ শেষ করতেই হবে।

    এবার কেন্দ্রের চাপেই আবাস যোজনা নিয়ে তৎপর রাজ্য। কারণ, কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে উপভোক্তা বাড়ি না-বানালে শেষ পর্যন্ত সমস্যায় পড়তে হতে পারে রাজ্যকেই। কেন্দ্রের থেকেও টাকা আসতেও হতে পারে সমস্যা। এছাড়াও সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, ফলে রাজ্য তার আগেই আবাস যোজনা নিয়ে সতর্ক হয়ে পড়ছে। 

    আবার এদিন কোন কোন জেলার কেমন পারফরম্যান্স সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও জেলাশাসকদের সামনে তুলে দেন মুখ্য সচিব। সেই তথ্য অনুসারে, ৮০ শতাংশের নীচে অনুমোদন হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে অনুমোদন হয়েছে কোচবিহার, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, আলিপুরদুয়ার, মালদা, পূর্ব মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। ৯১ থেকে ১০০ শতাংশের মধ্যে অনুমোদন হয়েছে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায়। সর্বাধিক আবাস যোজনার অধীনে বাড়ি অনুমোদন করা হয়েছে হাওড়ায়।

    কী কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

    প্রতিটি ব্লকে কন্ট্রোল রুম রাখতে হবে। আবাস যোজনার উপভোক্তাদের সহায়তার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসে একটি হেল্পলাইনের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিমাসে ‘আবাস সপ্তাহ’ আয়োজন করতে হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ব্লকের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ খরচের টার্গেট দিতে হবে ও সেগুলো ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত কিছু পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। পাশাপাশি স্টেক হোল্ডারদের ই-প্রশিক্ষণ, ইট প্রস্তুতকারক এবং যারা সরবরাহ করবেন, তাদের সঙ্গেও দিনকয়েকের মধ্যে বৈঠক করে রূপরেখা সাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে। আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে প্রত্যেক মুহূর্তের আপডেট নবান্ন কে দিতে হবে বলেও এদিনের বৈঠকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলিকে। 

  • PM Awas Yojana: রাজ্য জুড়ে আবাস তালিকায় দুর্নীতি! বিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল পুরুলিয়া-বাঁকুড়া

    PM Awas Yojana: রাজ্য জুড়ে আবাস তালিকায় দুর্নীতি! বিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল পুরুলিয়া-বাঁকুড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় দুর্নীতির অভিযোগে দিকে দিকে প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি।  জেলায় জেলায় আবাস প্রকল্পের তালিকা নিয়ে অভিযোগ উঠে আসছে, আর এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তেই এবার পথে নামল বিজেপির কর্মীরা। গতকাল পুরুলিয়ার বেলকুঁড়ি এলাকায় এই বিক্ষোভে নেমে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপির কর্মীদের। শুধুমাত্র পুরুলিয়া নয়, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা সহ আরও অনেক জেলায় আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। এমনকি অভিযোগ উঠেছে, ঝাঁ চকচকে বাড়ি রয়েছে, এমন তৃণমূল নেতারও নাম রয়েছে আবাস যোজনার তালিকায়। আর এর ফলেই সাধারণ মানুষ সহ বিজেপির নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন।

    পুরুলিয়ায় বিক্ষোভ

    পুরুলিয়া ১ নম্বর ব্লকের লাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলকুঁড়ি ও চাকড়া গ্রামের বহু মানুষকে চক্রান্ত করে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে তৃণমূল পরিচালিত লাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শান্তবালা মাহাতোকে বেশ কিছুক্ষণ ঘেরাও করে রাখেন বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভ দেখানো হয় বিডিও অফিসেও। এদিন বিডিও-র কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচি নেয় বিজেপি। আর তা দিতে গিয়েই পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। এরপর বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গরীব মানুষদের তালিকা থেকে সরানো হয়েছে ও তার জায়গায় তৃণমূল নেতাদের নাম দেওয়া হয়েছে তালিকায়।

    বাঁকুড়ায় বিক্ষোভ

    বাঁকুড়াতেও সেই একই অভিযোগ। ফলে গতকাল বাঁকুড়ার রানিবাঁধের বিডিও অফিসে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি প্রকাশিত আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় ব্যাপক গরমিল রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, রানিবাঁধ ব্লকের পুড্ডি, বারিকুল, রাজাকাটা, রুদড়া, রাওতড়া-সহ মোট আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রতিটি গ্রামে প্রকৃত গৃহহীনদের নাম বাদ দিয়ে পাকা বাড়ির মালিকদের নাম তালিকায় রয়েছে। বিজেপি নেতার বক্তব্য, “যাদের তিন তলা, চার তলা বাড়ি রয়েছে, বাইক রয়েছে, তারাই বাড়ি পাচ্ছে। আসলে যাঁদের প্রয়োজন, তাঁরা পাচ্ছেন না।” ফলে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ বর্ধমানেও

    পূর্ব বর্ধমানের মেমারী ১ নম্বর ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা। সেখানে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতার ঝাঁ চকচকে দোতলা বাড়ি। অথচ আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় রয়েছে তাঁর মায়ের নাম। স্থানীয় তৃণমূল নেতা অভিজিৎ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে স্বজন-পোষণের অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। তাঁরা বলেন, পরিকল্পিতভাবে আবাস যোজনার তালিকা থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অভিযোগ

    এখানেও একই অভিযোগ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় ফের স্বজন-পোষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। প্রতাপনগরের গাড়াল অঞ্চলের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্জয় নস্করের স্ত্রীর নাম রয়েছে আবাস-তালিকায়। অন্যদিকে তাঁর টাইলস বসানো দোতলা বাড়ি থাকলেও কী করে তাঁর নাম আবাস যোজনায় আসে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে গ্রামবাসীরা।

    মুর্শিদাবাদে অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) সমীক্ষায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার সুলতানপুরে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, ওই ICDS কর্মী প্রকৃত প্রাপকদের নাম কেটে দিয়ে পাকা বাড়ির মালিকদের নাম আবাস-তালিকায় রেখেছেন।

    মালদাতেও একই কাণ্ড

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় নাম রয়েছে তৃণমূল প্রধানের স্বামী ও শাশুড়ির। অভিযোগ এদের ঝাঁ চকচকে পাকা বাড়ি, তবুও নাম রয়েছে আবাস যোজনার তালিকায়। মালদার চাঁচল ২ নম্বর ব্লকের জালালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। অভিযোগ, প্রকৃত প্রাপকদের বঞ্চিত করে আবাস তালিকায় স্বামী ও শাশুড়ির নাম ঢুকিয়েছেন তৃণমূল প্রধান মাস্তারা খাতুন।

    আর এত সব অভিযোগ ওঠার পরে শাসকদলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন বিজেপির কর্মীরা। তাঁরা মানবাজার ১ বিডিওকে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার পথে বিজেপির মিছিল থেকে আবাস যোজনাতে কারচুপি করা হচ্ছে, তৃণমূল সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত — এই সব স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখায়। তাঁদের দাবি, তালিকা (PM Awas Yojana) সংশোধন করে শুধু যোগ্যদের নামই রাখতে হবে। বিজেপির নেতৃত্বে এই কর্মসূচিতে ছিলেন দলের শাঁকা ও নতুনডি পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান, সদস্য ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য।

     

  • PM Awas Plus: আমতায় আবাস যোজনার বাড়ি সমীক্ষায় যাওয়া মহিলা আধিকারিককে ‘বেধড়ক মার’!

    PM Awas Plus: আমতায় আবাস যোজনার বাড়ি সমীক্ষায় যাওয়া মহিলা আধিকারিককে ‘বেধড়ক মার’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Plus) আওতায় হওয়া বাড়ির সমীক্ষার কাজে গিয়ে স্থানীয় বাধার সম্মুখীন হয়ে চলেছেন সরকারি আধিকারিক-কর্মীরা। বিগত কয়েকদিন ধরেই এমন ঘটনা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে। সাম্প্রতিকতম ঘটনাটি ঘটে গেছে বৃহস্পতিবার, হাওড়ার আমতায়। যেখানে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় হওয়া বাড়ির যাচাই করতে যাওয়া সরকারি মহিলা আধিকারিককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিক, তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। এই মর্মে, গোটা ঘটনার সম্পর্কে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছেও।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সরকারি সমীক্ষাকারী (PM Awas Plus) দলের এক সদস্য জানান, উদাং-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তাঁরা বাড়ি সমীক্ষার কাজ করছিলেন। সেই সময় স্থানীয় শঙ্করী কাওলের বাড়িতে যাচাইয়ের কাজে গেলে তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূ আধিকারিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। সরকারি দলের অভিযোগ, বাড়ির লোকরা তাঁদের মোবাইল ও সরকারি নথি ছিনিয়ে নেন। দলের মহিলা সদস্য তথা আমতা-১ ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক সোমদত্তা দাশগুপ্তকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ছিনিয়ে নেওয়া হয় গলায় থাকা সোনার চেন। আরও দাবি, দলের অন্য সদস্যদেরও মারধর করে জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এমনকি, গলা টিপে ধরা হয় বলেও অভিযোগ। ওই সরকারি টিমের দাবি, তাঁদের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ ও বিডিও গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় আমতা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন (PM Awas Plus) সমীক্ষক টিমের সদস্যরা। ঘটনার কথা লিখিতভাবে জানানো হয়েছে মৎস্য দফতরের অধিকর্তা ও জেলাশাসককেও।

    আরও পড়ুন: ‘বেচাল দেখলেই ইমেল করুন’, কেন লিখলেন শুভেন্দু ?

    এই প্রথম নয়…

    বিগত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি সমীক্ষা দলকে (PM Awas Plus) এভাবেই বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে বলে খবর। তথ্য যাচাইয়ে গেলে সরকারি দলকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে, সমীক্ষা করতে গিয়ে আশা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। অভিযোগ এসেছে গতকালই, আবাস যোজনা প্রকল্পে সমীক্ষা করার কাজ করতে গিয়ে সমীক্ষকরা বাধা প্রাপ্ত হয় পুরুলিয়া জেলার পুরুলিয়া ১, পুঞ্চা, বরাবাজার প্রভৃতি ব্লকে। পুরুলিয়ার বরাবাজারের সিন্দ্রী গ্রাম পঞ্চায়েতে তালা খুলতে বাধা দেন গ্রামবাসীরা। পুরুলিয়া ১ এর চাকলতোড় গ্রাম পঞ্চায়েতে সার্ভের কাজ বন্ধ করে দেন গ্রামবাসীরা।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম পাল্টে ‘আবাস প্লাস’! ফের মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    সরকারি হুঁশিয়ারিই সার

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Plus) ২০১৮ এর তালিকা যাচাইয়ের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, এমনকি হুমকির মুখেও পড়তে হচ্ছে তাঁদের। যে কারণে, গতকাল সমীক্ষার কাজ থেকে অব্যাহতি চাইলেন এই কাজে নিযুক্ত আশাকর্মী ও আইসিডিএসের কয়েকশো কর্মী। গ্রামীণ আবাস যোজনার (PM Awas Plus) অধীনে প্রাপকদের তালিকায় সমীক্ষা করতে গিয়ে কোনওরকম বাধা সৃষ্টি করা যাবে না বলে বুধবার জেলাশাসকদের নিয়ে বিশেষ ভার্চুয়াল বৈঠকে নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব। পাশাপাশি কেউ যদি বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে চরম পদক্ষেপ করা হবে বলে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবের তরফে৷ কিন্তু, হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও যে হুঁশ ফেরেনি, তা এই ঘটনাতেই প্রমাণিত।

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম পাল্টে ‘আবাস প্লাস’! ফের মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম পাল্টে ‘আবাস প্লাস’! ফের মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আসার পরেও ৮ মাস পর প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) রাজ্যকে ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্র। কিন্তু এরপরও ফের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে নাম বদলের অভিযোগ আনলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর আগেও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এই প্রকল্পের ফের নাম পরিবর্তনের বিস্ফোরক দাবি করে এবারে সোশ্যাল মিডিয়া ট্যুইটারে সরব হলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    আবাস যোজনা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ শুভেন্দুর…

    তিনি (Suvendu Adhikari) এক পোস্টার শেয়ার করেছেন, যেখান দেখা যাচ্ছে, প্রকল্পের নতুন নামকরণ করা হয়েছে – “আবাস প্লাস প্রকল্প”। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, এবারে প্রকল্পে “প্রধানমন্ত্রী” আর “বাংলা” দুই শব্দই বাদ। আর সেখানে যাচ্ছে লেখা আবাস প্লাস প্রকল্প। সঙ্গে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ছবিও। শুধু এখানেই থেমে নেই তিনি, তিনি এই পোস্টারের সঙ্গে একাধিক শর্তের কথা উল্লেখ করে লিখেছেন,

    “ মাননীয় যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজির স্বপ্নের প্রকল্প – প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক উদ্যত হন একটাই মহৎ উদ্দেশ্যে; যাতে গ্রামীণ এলাকায় বসবাসকারী সব গরীব ও প্রান্তিক মানুষের মাথার ওপর পাকা ছাদের ব্যবস্থা করে দেওয়া যায়।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৪ সালের মার্চ মাস অবধি সারা দেশে এই প্রকল্পে মোট ২ কোটি ৯৫ লক্ষ বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন। উক্ত প্রকল্পের অধীনে ইতিপূর্বে রাজ্য সরকারকে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুমোদন করা হয়নি কারণ এই প্রকল্প  রূপায়ণের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন অভিযোগ ও অসন্তোষজনক তথ্য জমা পড়ে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রকল্পের নাম বদলে “বাংলা আবাস যোজনা” করা হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রককে আশ্বস্ত করেছেন যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রালয়ের নির্দেশাবলী ও পরামর্শ অনুযায়ী রাজ্য জুড়ে প্রকল্পের সরকারি নাম তথা “প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ)” ও লোগো প্রদর্শিত হবে। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক তাই পশ্চিমবঙ্গকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য ১১,৩৬,৪৮৮ টি বাড়ি নির্মাণ করার অনুমোদন প্রদান করেছেন ও এই জন্যে ৮২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন।

    তবে বেশ কয়েকটি নিয়ম ও শর্ত মেনে চলতে হবে রাজ্য সরকারকে-

    ১) সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য হল প্রকল্পের নাম ও লোগো। তাই প্রকল্পের আসল নাম; “প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ)” ও লোগো, জনগণকে অবগত করানোর জন্য প্রকল্পের তথ্য সহ সাইনবোর্ডে প্রদর্শন করতে হবে। কেন্দ্রীয় গাইডলাইন অনুসারে এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মিত প্রতিটি বাড়িতেই তা লাগাতে হবে। অন্য কোনো নাম, লোগো বা ব্রান্ডিং এই সকল বাড়িতে লাগানো যাবে না।

    ২) রাজ্য সরকার সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের যেন নির্দেশ জারি করেন, যে শুধুমাত্র সরকারি নিয়ম মেনে “প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ)” প্রকল্পের যথাযথ রূপায়ণ করতে হবে এবং পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্ট এর মধ্যে থেকেই উপভোক্তাদের নাম নির্বাচন/চয়ন করতে হবে। গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের ভবনগুলোতে পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টে থাকা উপভোক্তাদের নামের তালিকা টাঙানো থাকবে, কোনোরকম কোন বিচ্যুতি ঘটলে তা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। শুধুমাত্র গরীব ও দুঃস্থদের জন্য এই প্রকল্প। চার চাকা গাড়ির মালিক অথবা বাড়িতে ‘এয়ার কন্ডিশনার’ মেশিন রয়েছে তাদের জন্য এই প্রকল্প নয়। অথবা আগে থেকেই পাকা বাড়ি রয়েছে কিন্তু বাড়তি জমি খালি পড়ে রয়েছে, তাই সখ করে বানিয়ে ফেলবো, তারাও যেনো এই প্রকল্পের উপভক্তাদের তালিকায় না আসে।

    ৩) প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী হল যে এই প্রকল্পের অন্ততপক্ষে ৬০% উপভক্তা যেন তপশীলি জাতি ও উপজাতি জনগোষ্ঠীর ব্যক্তিরা হন।

    ৪) যেহেতু ২০২৪ সালের মার্চের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে, তাই ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে উপভোক্তাদের বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব প্রথম কিস্তির টাকা উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে।

    ৫) বাড়ির অনুমোদন এবং বাড়ি বানানোর জন্য অর্থ প্রদান করা, নির্দিষ্ট সময় মেনে করতে হবে। যদি রাজ্য সরকার উপভোক্তাদের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাড়ির অনুমোদন দিতে এবং প্রথম কিস্তির টাকা ছাড়তে ব্যর্থ হয়, কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা প্রত্যাহার করে নেবে।

    ৬)”প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ)” প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত “সিঙ্গেল নোডাল অ্যাকাউন্ট” এ কেন্দ্র ও রাজ্যের আনুপাতিক হারের অর্থ যথাযথ সময়মতো একসাথে ট্রেজারি থেকে জমা দিতে হবে।

    ৭) কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের গাইড লাইন অনুযায়ী Area Officers Mobile অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন আধিকারিকদের দিয়ে যথাযথ ভাবে পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করাতে হবে।

    ৮) কোনোরকম দুর্নীতি বা আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারে যেনো রাজ্যে, “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করে। সমস্ত জেলার সিনিয়ার অফিসার ও ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে ‘স্পেশাল টিম’ গঠন করতে হবে, যাতে এই ধরনের অভিযোগ উঠলে তা যথাযথ ভাবে যাচাই করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

    ৯) প্রতিটি ব্লক/গ্রাম পঞ্চায়েতের উপভোক্তাদের, তাঁদের অধিকার সম্বন্ধে সচেতন করাতে “উপভোক্তা সচেতনতা শিবির” অনুষ্ঠিত করতে হবে।

    ১০) রাজ্য সরকার যেন নির্দেশ জারি করে যে, অন্তত পক্ষে ১৫% নির্মিত বাড়ি ব্লক ও পঞ্চায়েত স্তরের আধিকারিকদের দিয়ে এবং নূন্যতম ২% বাড়ি জেলা শাসক এর দফতরের সিনিয়র আধিকারিকদের দিয়ে যথাযথ পরিদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। এর থেকে সুনিশ্চিত করা যাবে যে বাড়ি গুলো নিয়ম মেনে তৈরি হচ্ছে।

    ১১) প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) -এর বাস্তবায়নের জন্য যে কাঠামো কেন্দ্রীয় সরকার তৈরি করেছেন তা রাজ্য সরকারকে বিচক্ষণতার সাথে মেনে চলতে হবে ও সঠিক সময়ে নির্মিত বাড়ি গুলির সামাজিক নিরীক্ষণ করতে হবে।

    ১২) রাজ্যের সমস্ত জেলা, ব্লক ও গ্রাম পঞ্চয়েত গুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী জারি করতে হবে যাতে AwasSoft এর ব্যবহার বিধি অনুসারে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে যত জলদি সম্ভব এই বাড়ি গুলি অনুমোদন করতে হবে এবং সময়মত বাড়িগুলোর নির্মাণ কার্য শেষ করতে হবে অর্থাৎ ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে। ত্রৈমাসিক সময়কালীন লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কর্ম পরিকল্পনা বানিয়ে বাড়িগুলোর নির্মাণ কার্য শেষ করতে যাতে ১০০% লক্ষ্য পূরণ করা যায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে।

    আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে এই রাজ্য সরকার, বিশেষ করে নিচুতলার আধিকারিক ও গ্রাম স্তরের তৃণমূলের নেতারা এত নিয়মের বেড়া জালের মধ্যে আটকে থাকবেন না, কারণ এরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠ করতে সিদ্ধহস্ত ও অভ্যস্ত।

    ইতিমধ্যেই আমার এই আশঙ্কার প্রতিফলন চোখে পড়ছে। নিম্ন প্রকাশিত পোস্টারটি শাসকদলের নিযুক্ত একটি কর্পোরেট সংস্থার মাধ্যমে বিতরণ ও প্রচার করানো হচ্ছে, যেখানে প্রকল্পের নতুন নামকরণ করা হয়েছে – “আবাস প্লাস প্রকল্প” !!!

    তাই আমি সকল সচেতন নাগরিক ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) প্রকল্পের উপভোক্তাদের আহ্বান জানাই যে নিজেরাই সতর্ক থাকুন। কোনওরকম বেচাল অথবা নিয়ম বহির্ভূত কাজ চোখে পড়লে তথ্য প্রমাণ (যতটা জোগাড় করতে পারেন) সহ কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের এই ইমেল আইডিগুলিতে অভিযোগগুলো ইমেল মারফত পাঠান:-min-mopr@gov.inofficeministerahdf@gmail.comআপনারা আমার ইমেল আইডি তেও ইমেল পাঠাতে পারেন। আমার ইমেল আইডি হলো :-adhikarisuvenduwb1@gmail.com আপনাদের পাঠানো অভিযোগ সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমার রইল।”

LinkedIn
Share