Tag: PM Modi narendra modi

  • PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং এই বিশেষ দিনটিতে আইনসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বাস্তবায়নের (Women In legislative Bodies) পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতে, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইনসভাগুলোতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো অপরিহার্য।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) একটি চিঠির মাধ্যমে বলেন, “১৪ এপ্রিল ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। জাতি গঠনে বাবাসাহেব আম্বেদকরের অসামান্য অবদান এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের (Women In legislative Bodies) প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও দেশকে পথ দেখাচ্ছে।

    নারী শক্তির জয়গান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, সিনেমা, এমনকি স্টার্টআপ এবং বিজ্ঞানের জগতেও মহিলারা আজ নেতৃত্বের ভূমিকায় রয়েছেন।

    খেলাধুলায় বিপ্লব

    মোদী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদরা রেকর্ড ভাঙছেন এবং পুরনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তাঁদের এই সাফল্য কোটি কোটি তরুণীকে অনুপ্রাণিত করছে।

    আইনসভায় সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, মহিলারা যখন সব ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন, তখন আইনসভাগুলোতেও তাঁদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জরুরি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১০০ বছর আগে আমেদাবাদ মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি থাকাকালীন সরদার প্যাটেল মহিলাদের (Women In legislative Bodies) জন্য আসন সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছিলেন।

    নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম

    আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনগুলো যেন মহিলা সংরক্ষণ মেনেই অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, “ভারতের কন্যারা (Women In legislative Bodies) তাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আর অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে স্বপ্ন দেশ দেখছে, তা অর্জনে দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা অর্থাৎ মহিলাদের নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মহিলারা যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পর্যায়ে থাকবেন, তখনই গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত হবে।

    সব দলের প্রতি আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে এই বিল বাস্তবায়নে সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি দেশের মহিলাদের প্রতিও অনুরোধ করেছেন যাতে তাঁরা তাঁদের স্থানীয় সাংসদদের চিঠি লিখে এই ঐতিহাসিক সংসদীয় অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আগামী উৎসবের মরসুমের জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • India: ভারত-জাপান মানব সম্পদ বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত, দক্ষ পেশাদাররা কাজের সুযোগ পাবেন সূর্যোদয়ের দেশে

    India: ভারত-জাপান মানব সম্পদ বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত, দক্ষ পেশাদাররা কাজের সুযোগ পাবেন সূর্যোদয়ের দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) ও জাপান (Japan) দুই দেশের মধ্যে দিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখেরও বেশি মানুষের বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ভারত-জাপান শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, ভারত থেকে প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ পেশাদার জাপানে কাজের সুযোগ পাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি স্তরে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি, যৌথ উদ্ভাবনী প্রকল্প ও গবেষণামূলক কাজ আরও গতিশীল হবে। ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের জাপানে যাওয়ার সুযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি জাপানি কর্পোরেট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও ভারত সফরে আসবেন। এছাড়া ভারতীয় শিক্ষকরা জাপানের জনপ্রিয় জেট (Japan Exchange and Teaching) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগও পাবেন।

    প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও ভাষা শিক্ষার প্রসারে জোর

    এই যৌথ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হল ভারত ও জাপানের মধ্যে ছাত্র ও গবেষকদের আদান-প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষাগত সম্পর্ক জোরদার করা। ভারতের (India) জন্য জাপানের (Japan) টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (TITP) এবং স্কিলড ওয়ার্কার ভিসা প্রোগ্রাম দুটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের দ্বার খুলে দিচ্ছে। এর জন্য সারা ভারত জুড়ে পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যাতে আরও বেশি দক্ষ কর্মী এই প্রক্রায় অংশ নিতে পারেন। ভারত (India) “ইন্ডিয়া-নিপ্পন প্রোগ্রাম ফর অ্যাপ্লাইড কম্পিটেন্সি ট্রেনিং” চালু করবে, যেখানে ভারত ও জাপানের যৌথ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে জাপানি শিল্পদক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয়ুর্বেদ, যোগা এবং অন্যান্য সুস্থতা-কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান জাপানে স্থাপন করা হবে।

    দুই দেশের বিদেশমন্ত্রক যৌথভাবে এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন তদারকি করবে

    এই চুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ভাষা শিক্ষার প্রসার। জাপান ফাউন্ডেশন ভারতজুড়ে (India) আরও বেশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স এবং ভাষা কেন্দ্র চালু করবে। পাশাপাশি, ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ও জাপানের বিদেশ মন্ত্রক যৌথভাবে এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন তদারকি করবে এবং প্রতিবছর একটি অগ্রগতি রিপোর্ট প্রকাশ করবে। সব মিলিয়ে, শিক্ষা, দক্ষতা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভারত-জাপানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত খুলে যাচ্ছে।

  • Daruma Doll: ‘দারুমা’ পুতুল উপহার পেলেন মোদি, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক মনে করেন জাপানিরা

    Daruma Doll: ‘দারুমা’ পুতুল উপহার পেলেন মোদি, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক মনে করেন জাপানিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের জাপান সফরে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সফরের সময় তাঁকে উপহার হিসেবে একটি বিশেষ পুতুল দেওয়া হয়, যাকে “দারুমা পুতুল” বলা হয়। স্থানীয় জাপানি ভাষায় এ নামেই পরিচিত এই পুতুলটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পুতুলের মধ্যেই জাপানের ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন প্রতিফলিত হয়। জানা যাচ্ছে, এই দারুমা পুতুলটি উপহার দেন তাকাসাকির শোরিনজান দারুমা-জি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, রেভারেন্ড সেইশি হিরোস। এটি শুধু একটি খেলনা নয়—জাপানের ঐতিহ্যের একটি প্রতীকও বটে।

    দারুমা (Daruma Doll) পুতুলের বৈশিষ্ট্য

    দারুমা (Daruma Doll) পুতুল সাধারণত একটি গোলাকার মূর্তি, যার মধ্যে জাপানের ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকে। অনেকেই একে “ধর্ম পুতুল” হিসেবেও আখ্যা দেন। মূলত এটি বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত, এবং সাধারণভাবে বৌদ্ধ পুতুল হিসেবেই বিবেচিত হয়। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহীন এই পুতুল সাধারণত লাল রঙের হয়ে থাকে, পুতুলটির মুখে এক ধরনের কঠোরতা থাকে এবং চোখ দুটি সম্পূর্ণ সাদা। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল—নিচের অংশ ভারী হওয়ার কারণে এটি পড়ে গেলেও নিজে থেকেই আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। এই গুণের ভিত্তিতে জাপানি প্রবাদে বলা হয়: “নানাকোরোবি ইয়াওকি”, অর্থাৎ ‘সাতবার পড়লেও, আটবার উঠে দাঁড়াও।’

    জাপানের দোকান, রেস্তোরাঁ, বাড়ি সর্বত্র দেখা যায় এই পুতুল

    জাপানের দোকান, রেস্তোরাঁ, বাড়ি—প্রায় সর্বত্রই এই পুতুলের দেখা মেলে। জাপানিরা বিশ্বাস করেন, এটি সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি ও অধ্যবসায়ের প্রতীক। দারুমা (Daruma Doll) নামে পরিচিত এই পুতুলটির ইতিহাস ভারতবর্ষের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। এর নামকরণ ও অনুপ্রেরণা এসেছে বোধিধর্ম (বা বোধি ধর্ম) নামক এক ভারতীয় সাধকের জীবন থেকে। বোধিধর্ম ছিলেন তামিলনাড়ুর কাঞ্চিপুরমে জন্মগ্রহণকারী একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। ধারণা করা হয়, তিনি ৪৪০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং পঞ্চম-ষষ্ঠ শতাব্দীতে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে চিন হয়ে জাপানে পৌঁছান। বৌদ্ধ ধ্যানচর্চার একাগ্রতাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে তিনি একটানা ৯ বছর ধ্যানস্থ ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় ধ্যানমগ্ন থাকার ফলে তাঁর হাত-পা অসাড় হয়ে যায়। আরও জানা যায়, ধ্যানের সময় যাতে ঘুম না আসে, সেজন্য তিনি নিজের চোখের পাতা নিজেই উপড়ে ফেলেন। সেই কারণেই দারুমা পুতুলে চোখ বড় বড় এবং চওড়া।

    জাপানে নতুন বছরের শুরুতে সবাই দারুমা কেনেন

    ধারণা করা হয়, অতীতে গুটিবসন্ত মহামারির সময়, এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার আশায় দারুমাকে লাল রঙে রাঙানো হতো। সেই প্রথা থেকেই দারুমা সাধারণত লাল রঙের হয়ে থাকে। তবে এর বিভিন্ন রঙের পেছনেও রয়েছে আলাদা প্রতীকী মানে—হলুদ দারুমা সুরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রতীক, সাদা দারুমা প্রেম ও একতার প্রতীক। প্রতিটি দারুমা পুতুলের মুখের নিচে সোনালি অক্ষরে লেখা থাকে “ফুকু ইরি”, যার অর্থ—‘সৌভাগ্য বহনকারী’। জাপানে নতুন বছরের শুরুতে মানুষ একটি দারুমা কেনেন এবং কোনো ইচ্ছা থাকলে তার একটি চোখে রং দিয়ে “প্রাণ প্রতিষ্ঠা” করেন। যদি বছরের মধ্যে সেই ইচ্ছা পূরণ হয়, তবে অন্য চোখেও রং পূরণ করা হয়। আর যদি ইচ্ছেপূরণ না হয়, তবে সেই দারুমাকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে “দারুমা কুইও” নামের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে পূজা দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

LinkedIn
Share