Tag: pm modi us visit

pm modi us visit

  • PM Modi US Visit: ভারত থেকে চুরি যাওয়া দুষ্প্রাপ্য ১০০টি জিনিস ফেরাবে আমেরিকা

    PM Modi US Visit: ভারত থেকে চুরি যাওয়া দুষ্প্রাপ্য ১০০টি জিনিস ফেরাবে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত থেকে চুরি যাওয়া ১০০টিরও বেশি দুষ্প্রাপ্য বস্তু (Antiques) ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সরকার। সফরের শেষ দিনে একথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার মার্কিন সফরের শেষদিনে অনাবাসী ভারতীয়দের (Indian Diaspora) সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। সেখানেই তিনি এই ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা করতেই হাততালিতে মুখরিত হয় সভাকক্ষ।

    দুষ্প্রাপ্য বস্তুগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত

    তিনদিনের মার্কিন সফরের শেষ দিনে মোদি ওয়াশিংটনের রোনাল্ড রিগান সেন্টারে অনাবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit) বলেন, “মার্কিন সরকার ১০০টিরও বেশি দুষ্প্রাপ্য বস্তু ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা একসময়ে আমাদের কাছ থেকেই চুরি হয়ে গিয়েছিল। এই সমস্ত দুষ্প্রাপ্য বস্তু আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তে আমি খুব খুশি। মার্কিন সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এই সিদ্ধান্তের জন্য।” তিনি জানান, “ভারতের এই দুষ্প্রাপ্য় বস্তুগুলি সোজা বা ভুল পথে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছেছিল। কিন্তু মার্কিন সরকারের ভারতকে এই দুষ্প্রাপ্য বস্তুগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে যে আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, তাই প্রকাশ করেছে।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

    ভারত থেকে চুরি যাওয়া বহু দুষ্প্রাপ্য় প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তুর মধ্যে ২৫১টি বস্তু ইতিমধ্য়েই ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যার মধ্য়ে ২৩৮টি বস্তুই ২০১৪ সালের পর দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।  ২০২২ সালেও মার্কিন প্রশাসন ৩০৭টি চুরি যাওয়া দুষ্প্রাপ্য বস্তু ভারতকে ফিরিয়ে দেয়। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, “বহু দশক ধরে বহুমূল্য দুষ্প্রাপ্য প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তু, যার অধিকাংশেরই গভীর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে, তা চুরি হয়ে গিয়েছে এবং বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। ভারত সরকারের তরফে এই সমস্ত ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তু দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: ভারতে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের

    PM Modi US Visit: ভারতে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকা গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। ফিরছেন ঝুলি ভরে। সে ঝুলি যেমন উপচে পড়ছে সম্মানে, তেমনি ঝুলি ভর্তি রয়েছে মার্কিন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও। ভারতে টেসলার কারখানা তৈরির কথা জানিয়েছিনে সংস্থার সিইও তথা ট্যুইটারের মালিক ইলন মাস্ক। এবার গুজরাটে ডিজিটাইজশনের জন্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের কথা জানালেন গুগলের সিইও তথা খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উপস্থিতিতেই একথা জানান পিচাই। তিনি জানান, শীঘ্রই গুজরাটের গান্ধীনগরে ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্স টেক সিটিতে হবে গুগলের ফিনটেক অপারেশন সেন্টারও।

    হোয়াইট হাউসে বৈঠকে মোদি

    শুক্রবার আমেরিকায় একাধিক তথ্য ও প্রযুক্তি সংস্থার কর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল হোয়াইট হাউসেই। উপস্থিত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনও। পিচাই ছাড়াও ওই বৈঠকে ছিলেন মাইক্রোসফ্টের সিইও সত্য নাদেলা, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ড্রু জ্যাসি প্রমুখ। বৈঠকে পিচাই জানান, ভারতে এক হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে গুগল। ভারতের অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষা নিয়েও কাজ করার কথা ভাবছে গুগল।

    সুন্দর পিচাইয়ের আশ্বাস 

    খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী বলেন, আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আরও উন্নত করব যাতে ১০০-রও বেশি ভারতীয় ভাষা ব্যবহার করা যায়। বিশ্বের সব চেয়ে বেশি যে ভাষায় কথা বলা হয়, তাকেও অনলাইনে নিয়ে আসব। ভারতবাসী যাতে তাঁদের নিজেদের ভাষায় তথ্য এবং জ্ঞান অর্জন করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করব। তিনি বলেন, ডিজিটাল ভারত নিয়ে ভাবনায় সময়ের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। অন্যান্য দেশের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ভারত।

    ভারতে লগ্নির (PM Modi US Visit) কথা জানিয়েছেন অ্যামাজন সিইও অ্যান্ড্রু জ্যাসিও। তিনি বলেন, আমরা ভারতে আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে চাই। ভারতের আরও বেশি সংস্থা যাতে গোটা বিশ্বে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করতে চাই।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ভারতে ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে অ্যামাজন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা হয়েছে আরও ১৫০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের কথা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi US Visit: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

    PM Modi US Visit: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঞ্চে যিনি দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের প্রতিভূ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। মঞ্চে সেই সময় জন-গণ-মন গাইছেন হলিউড খ্যাত গায়িকা বছর আটত্রিশের মেরি মিলবেন (Mary Millben)। গান শেষে সমবেত করতালির শব্দে কান ফেটে যাওয়ার জোগাড়। এহেন আবহে ধীর পায়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে এগিয়ে গেলেন আফ্রিকান-আমেরিকান গায়ক মিলিবেন। পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন প্রধানমন্ত্রীর। চাইলেন আশীর্বাদও। তার জেরে আরও একবার প্রেক্ষাগৃহে ঝড় উঠল করতালির। দৃশ্যতই আপ্লুত ১৪০ কোটি ভারতীয়ের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    মোদির সম্মান

    তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকা গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। সেখানে তাঁর সম্মানে হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং মার্কিন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। পরের দিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আয়োজন করেছিলেন মধ্যাহ্নভোজের। মার্কিন কংগ্রেসের যৌধ অধিবেশনে ভাষণও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরে যান প্রবাসী ভারতীয়দের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে। সেখানেই গান গাইছিলেন মিলবেন।

    মোদিকে প্রণাম মিলবেনের

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীতও গান। তার পরেই পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন প্রধানমন্ত্রীকে। কেবল জন-গণ-মন-ই নয়, মিলবেন এদিন গান ওম জয় জগদীশ হরে-ও। অনুষ্ঠান শেষে মিলবেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্মানে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পেরে আমি ভীষণভাবে সম্মানিত। তিনি বলেন, আমি চারজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্মানে জাতীয় সঙ্গীত ও দেশাত্মবোধক গান গেয়েছি। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে তাঁরই দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পেরে আমি ভীষণভাবে সম্মানিত। ভারতবর্ষ এবং ভারতবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞ। এটি আমি সারাজীবন মনে রাখব। হলিউড খ্যাত এই গায়িকা বলেন, আমেরিকা ও ভারত দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীতই গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার আদর্শের কথা বলে। এবং এটাই ইন্দো-মার্কিন সম্পর্কের নির্যাস। একটি দেশকে তখনই মুক্ত বলা যাবে, যখন তার নাগরিকরা স্বাধীন।

    মাসখানেক আগে পাপুয়া নিউ গিনি গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। স্থানীয় সময় রাত ১০টার পরে পা রাখেন সে দেশের রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে। সেদিনও প্রথা ভেঙে রাতেই বিমানবন্দরে গিয়ে মোদিকে স্বাগত জানান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপের। পরে ভারতীয় প্রথা মেনে মোদির পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন মারাপের। সেই ভিডিও-ও ভাইরাল হয়েছিল ব্যাপকভাবে।

    আরও পড়ুুন: দল ছাড়লেন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের মালদা জেলার চেয়ারম্যান, কেন জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi US Visit: মোদির উক্তি ছাপানো বিশেষ টি-শার্ট মোদিকে উপহার জো বাইডেনের!

    PM Modi US Visit: মোদির উক্তি ছাপানো বিশেষ টি-শার্ট মোদিকে উপহার জো বাইডেনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে আমেরিকা থেকে মিশরের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। তার আগে, শুক্রবার সকালে (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউসে সিলিকন ভ্যালির বেশ কয়েকটি বড় সংস্থার সিইওদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠকে ছিলেন, অ্যালফাবেটের (গুগল) প্রধান সুন্দর পিচাই, মাইক্রোফসট প্রধান সত্য নাডেলা, মহিন্দ্রা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান আনন্দ মহিন্দ্রা, রিলায়েন্স চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি, অ্যাপল প্রধান টিম কুক, জেরোধা প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাত, নাসার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস।

    সিলিকন ভ্যালি-র হুজ-হু’দের সঙ্গে বৈঠক

    সেই বৈঠকে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (কৃত্রিম মেধা), উন্নত উত্পাদন এবং ভারতে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রধান। বৈঠকে ইন্দো-মার্কিন হাই-টেক সম্পর্ককে আরও কীভাবে দৃঢ় করা যায় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর সুন্দর পিচাই বলেন, ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহাসিক সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করাটা সম্মানের বিষয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি যে ভারতের ডিজিটাইজেশন ফান্ডে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে গুগল। আমরা গুজরাটের গিফট সিটিতে আমাদের গ্লোবাল ফিনটেক অপারেশন সেন্টার খোলার ঘোষণা করছি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল। আমি এখন এটিকে একটি ব্লু-প্রিন্ট হিসাবে দেখছি। অন্যান্য দেশগুলিও তা করতে চাইছে।’’

    বিপুল জনপ্রিয় মোদির ‘এআই’ উক্তি!

    ওই বৈঠকেই একটি টি-শার্ট উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদির হাতে তুলে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগের দিন মার্কিন কংগ্রেসে মোদি (PM Modi US Visit) যা বলেছেন, তার একটি উক্তিই টিশার্টে লেখা ছিল। প্রথম লাইন ছিল – ‘দ্য ফিউচার ইজ এআই’। আর টি শার্টের দ্বিতীয় লাইনে ‘এআই- অর্থ হল আমেরিকা ও ইন্ডিয়া’। প্রসঙ্গত, ২২ জুন মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ অধিবেশনে দ্বিতীয়বারের জন্য বক্তব্য পেশ করেন মোদি। সেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক বছরে একটি ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি ঘটেছে। সেটি হল এআই-এর ক্ষেত্র। অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। ঠিক একই সময়ে, আরেকটি এআই-এর ক্ষেত্রেও প্রভূত উন্নতি ঘটেছে। এই এআই-এর অর্থ হল- আমেরিকা ও ইন্ডিয়া।’’ 

    ১৫ বার স্ট্যান্ডিং ওভেশন, ৭৯ বার করতালি

    মোদির (PM Modi US Visit) এই ভাষণের পর মুখরিত হয়েছিল মার্কিন কংগ্রেসের সভাঘর। সকলে দাঁড়িয়ে উঠে করতালিতে ভরিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই বক্তব্য মার্কিন মুলুকে রাতারাতি এতটাই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে যে মোদির ভাষণের এই উক্তিই টিশার্টে লিখে মোদিকে উপহার দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন কংগ্রেসে মোদির ভাষণকালে মোট ১৫ বার মার্কিন আইন প্রণেতারা দাঁড়িয়ে উঠে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোট ৭৯ বার অধিবেশন কক্ষ ভরে ওঠে করতালির আওয়াজে। মোদির ভাষণ শেষে বহু কংগ্রেস সদস্যই তাঁর সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য এগিয়ে আসেন। অনেকে আবার নিজের মোবাইল বের করে মোদির সঙ্গে সেলফিও তোলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit:  মোদি বন্দনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা! হ্যারিসের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর মুখেও 

    PM Modi US Visit:  মোদি বন্দনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা! হ্যারিসের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর মুখেও 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহু রাজনীতিবিদ-সহ অনেকেরই রয়েছে ভারতীয় যোগ। তাঁদের পূর্বসূরীদের সঙ্গে ভারতের নাড়ির টানের কথা উত্থাপন করে সকলের মন জিতে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। উঠল করতালির ঝড়। মোদি উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris)। মোদির জন্য হোয়াইট হাউজে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেছিলেন কমলা হ্যারিস ও আমেরিকার বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। মার্কিন বিদেশ দফতরের অফিসেই সেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানেই মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা।

    কমলা হ্যারিসের প্রশংসা

    মোদি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক লক্ষ নাগরিক রয়েছেন যাঁদের সঙ্গে ভারতের যোগ রয়েছে। তাঁদের কয়েকজন এই চেম্বারেও রয়েছেন।” এরপরই মোদি কমলা হ্যারিসকে দেখিয়ে বলেন, “আমার ঠিক পিছনে যিনি রয়েছেন, তিনি ইতিহাস গড়েছেন।” উল্লেখ্য, কমলা হ্যারিসের মা শ্যামলা গোপালন হ্যারিসের জন্ম ভারতে। চেন্নাই থেকে তিনি ষাটের দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানেই তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ডোনাল্ড জে হ্যারিসের সঙ্গে। ডোনাল্ডের জন্ম জামাইকায়।

    সামোসা ককাস কী

    এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi US Visit) বলেন, “এই হাউসে সামোসা ককাসের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারলাম। আশা করি, এই আবহ আরও বিকশিত হবে।” এরপরই ‘সামোসা ককাস’সম্পর্কে জানতে নেট দুনিয়ায় ঝড় ওঠে। ‘সামোসা ককাস’ নামটি দিয়েছেন রাজা কৃষ্ণমূর্তি। মার্কিন কংগ্রেসে ইন্দো-আমেরিকান জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যা বাড়াতে এই নামকরণ। কমলা হ্যারিস ছাড়াও এতে রয়েছেন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ড. অমি বেরা, রো খান্না, রাজা কৃষ্ণমূর্তি ও প্রমিলা জয়পাল। সকলেই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে পূর্বপুরুষদের যোগ থাকা যাঁরা মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন তাঁদের বোঝাতেই ভারতের জনপ্রিয় খাবারের নামে এই নামকরণ। 

    মোদি বন্দনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

    মার্কিন মুলুকে শৈশব কাটলেও ভারতে কাটানো সময়গুলো আজও তাঁর কাছে যেন ছবির মতো স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi US Visit) মার্কিন সফরকালে সেই স্মৃতিচারণ করলেন হ্যারিস (Kamala Harris)। ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তিনি বলেন, ‘ভারতের ইতিহাস আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। শুধু আমাকে নয়, গোটা বিশ্বকেই প্রভাবিত করেছে এটা।’ মোদির নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে কমলা বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীতে ভারতকে বিশ্ব নেতা হিসেবে আবির্ভূত হতে সাহায্য করার জন্য আপনার ভূমিকা এবং নেতৃত্বের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই৷’

    আরও পড়ুন: ‘‘এই সম্মান ১৪০ কোটি ভারতবাসীর’’, মার্কিন কংগ্রেসে বললেন মোদি

    কমলা হ্যারিস বলেন, ‘ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়েছি আমি। সেখানে গিয়ে আমি দেখেছি যে ভারতের বৈশ্বিক প্রভাব কীভাবে বিস্তারিত হয়েছে। ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন জীবন বাঁচিয়েছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মানুষদের। ভারতের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব আফ্রিকা মহাদেশকে সমৃদ্ধ করে তুলেছে এবং সেখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। ইন্দো-প্যাসিফিকে একটি মুক্ত অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করছে ভারত।’

    ভারতের প্রশংসায় মার্কিন বিদেশ সচিব 

    ভারতের প্রশংসা শোনা যায় মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিনকেনের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ভারত। আমরা সামোসা খেতে খেতে ঝুম্পা লাহিড়ীর উপন্যাস উপভোগ করি। আমরা মিন্ডি কালিং-এর কমেডি দেখে হাসি। আমরা কোচেল্লায় দিলজিতের তালে নাচছি। আমরা যোগব্যায়াম করে নিজেদের কমবেশি ফিট এবং সুস্থ রাখছি।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Artemis Accord: ২০২৪ সালেই নাসা-ইসরো যৌথ মহাকাশ অভিযান! ‘আর্টেমিস অ্যাকর্ডস’ স্বাক্ষর ভারতের

    Artemis Accord: ২০২৪ সালেই নাসা-ইসরো যৌথ মহাকাশ অভিযান! ‘আর্টেমিস অ্যাকর্ডস’ স্বাক্ষর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে চন্দ্রাভিযান করতে চলেছে? হ্যাঁ, ঠিক তেমনটাই প্রত্যক্ষ করতে চলেছে বিশ্ববাসী। মহাকাশ অভিযানে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত ও আমেরিকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের মধ্যেই অতি-গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করল দুদেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এদিন ‘আর্টেমিস অ্যাকর্ডস’ (Artemis Accord) স্বাক্ষর করেন ভারতের ইসরো ও মার্কিন সংস্থা নাসার কর্তারা। অর্থাৎ, ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানেও হাত মেলালো ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

    চুক্তির ফলে ভারতের লাভ

    এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা যৌথভাবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর মিশনে কাজ করবে। পরের বছর অর্থাৎ, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (সংক্ষেপে আইএসএস) একটি যৌথ অভিযান করবে নাসা এবং ইসরো (ISRO-NASA Joint Space Mission)। আর তা নিয়ে হোয়াইট হাউসের তরফে একটি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে। যেখানে দুই মহাকাশ সংস্থার মধ্যে এই চুক্তিকে (Artemis Accord)  ঐতিহাসিক বলেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক পদস্ত কর্তা বলেছেন, “মহাকাশ অভিযান যাতে সমস্ত মানবজাতির কল্যাণে লাগে সেই লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল আর্টেমিস অ্যাকর্ডস। ভারত এই অ্যাকর্ডস স্বাক্ষর করতে চলেছে।” 

    আরও পড়ুন: মোদির সফরেই মউ স্বাক্ষর! ভারতেই তৈরি হবে ‘তেজস’-এর উন্নত ইঞ্জিন

    বাড়ছে ইসরোর গুরুত্ব

    সাম্প্রতিককালে, মহাকাশ গবেষণায় অন্যতম বড় নাম হিসেবে দ্রুত উঠে এসেছে ইসরো। মহাকাশ গবেষণায় ইসরোর মুকুটে একের পর এক সাফল্য জুড়েছে। চন্দ্রাভিযান থেকে মঙ্গলাভিযান— স্পর্ধা দেখিয়েছে ইসরো। এখন দীর্ঘদিন ধরেই মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরো। গগনযান অভিযানের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্বে। মহাকাশে একটি নিজস্ব স্পেস স্টেশন স্থাপন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ইসরো। পাশাপাশি, নাসার পক্ষ থেকে নতুন করে চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। 

    কী এই ‘আর্টেমিস অ্যাকর্ডস’?

    মহাকাশ অভিযান এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাতে সকল দেশ সমানভাবে উপকৃত হয়, সেই বিষয়ে ২০২০ সালে আমেরিকা এবং আরও ৭টি দেশ, নাসার তৈরি এই অ্যাকর্ডস-এ স্বাক্ষর করেছিল। ১৯৬৭ সালের রাষ্ট্রসংঘের মহাকাশ চুক্তির ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয় আর্টেমিস চুক্তি (Artemis Accord)। ২০২৫ সালের মধ্যেই মানুষকে চাঁদে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় আমেরিকা। আর এই লক্ষ্যেই নাসা শুরু করেছে ‘আর্টেমিস প্রোগ্রাম’। পরবর্তীকালে, মঙ্গল ও শুক্র অভিযানের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাত্রা আরও বাড়তে পারে। এই চুক্তির আওতায় এখনও পর্যন্ত ২৫টি দেশ রয়েছে। এবার ভারত সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: “বিশ্বশান্তির জন্য ভারত আমেরিকা অঙ্গীকারবদ্ধ,” হোয়াইট হাউসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi US Visit: “বিশ্বশান্তির জন্য ভারত আমেরিকা অঙ্গীকারবদ্ধ,” হোয়াইট হাউসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে (White House ) রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi US Visit)। বৃহস্পতিবার ১৯টি গান স্যালুটে স্বাগত জানানো হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। বাজানো হয় দুই দেশেরই জাতীয় সঙ্গীত। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, “আমরা এক সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছি। যখন আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম, সেই সময় থেকে। আমি যখন প্রেসিডেন্ট হলাম, তখন বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা সম্পর্ক তৈরি করলাম। বর্তমান বিশ্বের প্রয়োজনেই ভারত-আমেরিকার এক সঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।”

    “ভারত-আমেরিকা দারিদ্র দূরীকরণে সচেষ্ট”

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত-আমেরিকা দারিদ্র দূরীকরণে সদা সচেষ্ট। খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং সুস্বাস্থ্যের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি আমরা। এসবই করা হচ্ছে আমেরিকার জন্য, ভারতের জন্য এবং তামাম বিশ্বের ভালর জন্য। বিশ্ব বদলাচ্ছে প্রযুক্তিগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিক দিয়ে। আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তার সুফল ফলবে ভবিষ্যতে।”

    ‘উই দ্য পিপল’

    ভারত-আমেরিকার কাছাকাছি আসা যে বিশ্বের কল্যাণেই, এদিন ফের একবার তা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে ভারত-আমেরিকা গাঁটছড়া বেঁধেছে। দুই দেশেরই সংবিধান শুরু হয়েছে ‘উই দ্য পিপল’ শব্দবন্ধ দিয়ে। দুই দেশই বৈচিত্র নিয়ে গর্ব বোধ করে। কোভিড-উত্তর কালে বিশ্ব নয়া আকার নিচ্ছে। বিশ্বের কল্যাণ, শান্তি এবং স্থায়ীত্বের জন্য আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।” এদিন সকালে হোয়াইট হাউসে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi US Visit) স্বাগত জানানোর পর শুরু হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠক শেষে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে যোগ দেবেন নৈশভোজে।

    আরও পড়ুুন: “বিদেশে বসেই মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন কীভাবে?” কমিশনকে প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত, তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই সেখানে স্বাক্ষরিত হয়েছে হ্যাল-জিই মউ। সূত্রের খবর, ভারতে তৈরি প্রথম যুদ্ধবিমান ‘তেজস’-এর মার্ক ২ ভ্যারিয়েন্টের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন তৈরি করবে মার্কিন সংস্থা জিই। তেজস যুদ্ধবিমানের প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (সংক্ষেপে হ্যাল) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে ওই জেট ইঞ্জিন। এদিন এই মর্মে মউ স্বাক্ষর করেন দুই সংস্থার কর্তারা। এদিনও ফের মেক ইন ইন্ডিয়ায় জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য, বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি কমিয়ে দেশে উৎপাদন করার। কেন্দ্রের এই নীতির স্বপক্ষে ভারতে এখন বহু পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা হত। সেই তালিকায় জড়ল আরও একটি নাম। এবার দেশেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক ফাইটার জেট ইঞ্জিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tejas Mk2 Engine: মোদির সফরেই মউ স্বাক্ষর! ভারতেই তৈরি হবে ‘তেজস’-এর উন্নত ইঞ্জিন

    Tejas Mk2 Engine: মোদির সফরেই মউ স্বাক্ষর! ভারতেই তৈরি হবে ‘তেজস’-এর উন্নত ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তাঁর স্ত্রী ফার্স্ট লেডি জিল। তার আগেই, গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি (HAL-GE Jet Engine Deal) সারলেন দুই দেশের কর্তারা। 

    হ্যাল-জিই মউ স্বাক্ষর

    সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, ভারতে তৈরি প্রথম যুদ্ধবিমান ‘তেজস’-এর মার্ক ২ (Tejas Mk2 Engine) ভেরিয়েন্টের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন তৈরি করবে মার্কিন সংস্থা জিই। তেজস যুদ্ধবিমানের প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (সংক্ষেপে হ্যাল) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে ওই জেট ইঞ্জিন। এদিন এই মর্মে মউ স্বাক্ষর (HAL-GE Jet Engine Deal) করেন দুই সংস্থার কর্তারা। প্রধানমন্ত্রীর সফরেই এই চুক্তি হওয়ায় তার তাৎপর্য অনেকটাই বেড়ে গেল।

    মেক ইন ইন্ডিয়া-এ জোর

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি কমিয়ে দেশে উৎপাদন কর। কেন্দ্রের এই নীতির স্বপক্ষে ভারতে এখন বহু পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা হতো। সেই তালিকায় আরও একটি নাম জুড়ল। এবার দেশে তৈরি হবে অত্যাধুনিক ফাইটার জেট ইঞ্জিন (HAL-GE Jet Engine Deal)।

    শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ

    বস্তুত, বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট ‘তেজস মার্ক ১’ যুদ্ধবিমানের জন্য এই জিই সংস্থার ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়। সেটিও এদেশেই তৈরি হয়। কিন্তু, পূর্বসূরীর তুলনায় ভারী তথা আরও ক্ষমতাশালী পরবর্তী প্রজন্মের বিমান হতে চলেছে ‘তেজস মার্ক ২’ (Tejas Mk2 Engine)। এটি সম্ভবত হতে চলেছে মিডিয়াম কমব্যাট ক্যাটেগরির। এটি আরও আধুনিক ও বেশি অস্ত্রবহনে সক্ষম। ফলত, ‘এফ-৪০৪’ ইঞ্জিন যথেষ্ট নয়। দীর্ঘদিন ধরেই শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ করছিল ভারত। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মার্ক ২ সংস্করণের জন্য ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন বাছাই করা হয়। 

    সুবিধা হবে অ্যামকা নির্মাণেও

    শুধু তেজস মার্ক ২ (Tejas Mk2 Engine) নয়, এই চুক্তির ফলে, ভারত যে পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার যুদ্ধবিমান তৈরি করছে, সেই অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট বা ‘অ্যামকা’-র প্রথম সংস্করণে এই ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। ফলে, সেই দিক থেকে এবার ভারতের থমকে থাকা অ্যামকা প্রকল্পটিও জেট-ইঞ্জিনের গতি পাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    আরও পড়ুন: মোদির হাত ধরে বাংলার শিল্প এবার হোয়াইট হাউজে

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi US Visit: মোদির সফরের মধ্যেই এইচ-১বি ভিসা নীতিতে বদল আনছে বাইডেন প্রশাসন?

    PM Modi US Visit: মোদির সফরের মধ্যেই এইচ-১বি ভিসা নীতিতে বদল আনছে বাইডেন প্রশাসন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi US Visit) সফরের প্রাক্কালে গ্রিনকার্ডের নিয়ম শিথিল করেছিল বাইডেন প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী পরে ফের আরও এক সুখবর মিলল আমেরিকা (America) যেতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য। সেটি হল, যেসব ভারতীয় কর্মসূত্রে আমেরিকায় যাচ্ছেন, সে দেশে তাঁরা যাতে বসবাস করতে পারেন, সে জন্যই এবার বদল আনা হচ্ছে মার্কিন ভিসা নীতিতে। বর্তমানে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সম্মানে আজ, বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং মার্কিন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। এমন সময় আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এইচ-১বি ভিসা

    কোভিড পরিস্থিতিতে এইচ-১বি ভিসা নীতি বদলের প্রস্তাব দিয়েছিল আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লটারি নীতি (PM Modi US Visit) বাতিলের কথা ঘোষণা করেছিলেন। যুক্তি ছিল, কর্পোরেট সংস্থাগুলি কম বেতনে বিদেশ থেকে লোক নিয়োগ করায় মার্কিন নাগরিকরা কর্মক্ষেত্রে যথেষ্ট সুযোগ পাচ্ছেন না। তাই বিদেশ থেকে লোক নিয়োগ করার সময় এবার থেকে দক্ষতা ও বেতন কাঠামোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ট্রাম্পকে হারিয়ে হোয়াইট হাউসের বাসিন্দা হয়েই ট্রাম্পের আমলের ওই সিদ্ধান্ত বদলের কথা ঘোষণা করেন বাইডেন। প্রসঙ্গত, প্রতি বছর আমেরিকায় এইচ-১বি ভিসা প্রাপকদের মধ্যে থাকেন ৭০ শতাংশেরও বেশি ভারতীয়।

    বাইডেনের জমানায়ই ফের বদল

    সেই বাইডেনের জমানায়ই ফের বদল আসতে চলেছে এইচ-১বি ভিসা নীতিতে (PM Modi US Visit)। দক্ষ ভিনদেশিরা যাতে নির্ঝঞ্ঝাটে আমেরিকায় থাকতে পারেন, সেজন্যই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তবে অল্প সংখ্যক ভারতীয় ও অন্য দেশের নাগরিকরা যাঁরা বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করছেন বা কর্মসূত্রে আমেরিকায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের এই সুযোগ দেওয়া হবে প্রথমে। এদিন নৈশভোজের অনুষ্ঠানেই এ ব্যাপারে ঘোষণা করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বয়ং। জানা গিয়েছে, আপাতত অস্থায়ীভাবে এই ভিসা দেওয়া হবে। পরে দু বছরের মধ্যে নতুন ভিসা নীতি পুরোদমে চালু করা হবে। তবে পুরানো ভিসা নীতিতে কী কী পরিবর্তন আনা হবে, তা জানা যায়নি।

    আরও পড়ুুন: তত্ত্বাবধানে খোদ মার্কিন ফার্স্ট লেডি! আজ মোদির সম্মানে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ

    প্রসঙ্গত, এইচ-১বি সহ আরও কয়েকটি ভিসার সাহায্যেই দক্ষ বিদেশি কর্মীদের আমেরিকায় (PM Modi US Visit) নিয়ে যায় মার্কিন সংস্থাগুলি। ভারত এবং চিন থেকে দক্ষ কর্মীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির একমাত্র ভরসা এই এইচ-১বি ভিসা। এই ভিসাগুলির সঙ্গে অবশ্য অভিবাসনের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া ব্যক্তিগত নৈশভোজের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউসে মোদি

    PM Modi US Visit: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া ব্যক্তিগত নৈশভোজের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউসে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নরেন্দ্র মোদির (PM Modi US Visit) সম্মানে হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল। তার আগে বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করলেন বাইডেন-দম্পতি।

    তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকায় মোদি

    ২০ তারিখ তিনদিনের সফরে মার্কিন মুলুকে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। এর আগে আরও ২ বার তিনি আমেরিকা গেলেও, এই প্রথমবার তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন। তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছে হোয়াইট হাউস। বুধবার, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরের লনে বিশেষ যোগাসনের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের নবম সংস্করণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছন ওয়াশিংটনে। সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও মার্কিন এনএসএ জেক সালিভান।

    আরও পড়ুন: “যোগের কোনও কপিরাইট নেই, নেই পেটেন্ট, রয়্যাল্টিও”, যোগ দিবসে বললেন মোদি

    দুয়ারে এসে মোদিকে স্বাগত বাইডেন দম্পতির

    প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পর ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় ওয়াশিংটনের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে। বিকেলে তিনি পৌঁছন হোয়াইট হাউসে। সেখানে রাষ্ট্রীয় অতিথিকে (PM Modi US Visit) স্বাগত জানাতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল। মোদির মোটরকেড এসে থামতেই সৌজন্য বিনিময় করেন বাইডেন। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের রসায়ন ছিল চোখে পড়ার মতো। দুজনকেই দেখা যায় উষ্ণ অভ্যর্থনায় একে অপরকে ভরিয়ে দিচ্ছেন। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট লেডি। মাার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাপ করিয়ে দিলেন। এরপর, সেখানে তিনজন একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন। তার পর হোয়াইট হাউসের অন্দরে প্রবেশ করেন।

    ফার্স্ট লেডিকে হিরে উপহার প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে বিশেষ উপহার দেন মোদি। মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে একটি সাড়ে ৭ ক্যারেটের সবুজ হিরে উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তা প্রাকৃতিক হিরে নয়। এই হিরে হল ল্যাবরেটরিতে তৈরি। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যে উপহার দিয়েছেন মোদি (PM Modi US Visit), সেই তালিকায় রয়েছে বাইডেনের প্রিয় আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটসেরর লেখা কবিতার বই। কবিতার বইয়ের প্রথম সংস্করণের মুদ্রণের একটি অনুলিপি উপহার দেন। পাশাপাশি, চন্দন কাঠের বাক্সে রাখা রুপোর ভগবান গণেশের মূর্তি ও প্রদীপ উপহার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। অন্যদিকে, জো বাইডেন ও তাঁর স্ত্রী মোদিকে একটি ভিনটেজ আমেরিকান ক্যামেরা উপহার দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share