Tag: PM Modi

PM Modi

  • Mission ‘Drishti’: ভারতের ‘দৃষ্টি’ এড়াতে পারবে না প্রতিবেশী শত্রু দেশ! দেশের অপ্টোএসএআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

    Mission ‘Drishti’: ভারতের ‘দৃষ্টি’ এড়াতে পারবে না প্রতিবেশী শত্রু দেশ! দেশের অপ্টোএসএআর উপগ্রহ উৎক্ষেপণের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ অভিযানে নতুন মাইলফলক। ‘মিশন দৃষ্টি’-র (Mission ‘Drishti’) সফল উৎক্ষেপণের জন্য ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ‘গ্যালাক্সিআই’-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই উৎক্ষেপণকে ভারতের মহাকাশ যাত্রার একটি ‘প্রধান মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। এই অর্জনকে দেশের উদ্ভাবনী পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবেও প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই অভিযানে রয়েছে বিশ্বের প্রথম অপ্টোএসএআর উপগ্রহ ( OptoSAR Satellite)। এটি ভারতে কোনও বেসরকারি সংস্থার তৈরি বৃহত্তম উপগ্রহ।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্টআপ ‘গ্যালাক্সিআই’ (GalaxEye)-এর তৈরি বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট ‘মিশন দৃষ্টি’ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হল। রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে স্পেসএক্স (SpaceX)-এর ফালকন-৯ (Falcon 9) রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় এই স্যাটেলাইটটি। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স-হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গ্যালাক্সআই-এর ‘মিশন দৃষ্টি’ আমাদের মহাকাশ যাত্রায় একটি বড় সাফল্য। বিশ্বের প্রথম অপ্টোএসএআর উপগ্রহ এবং ভারতে বেসরকারি ভাবে নির্মিত বৃহত্তম উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণ উদ্ভাবন ও দেশ গড়ার প্রতি আমাদের তরুণদের আবেগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গ্যালাক্সিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং পুরো দলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।’

    কী বিশেষত্ব এই স্যাটেলাইটে?

    ‘মিশন দৃষ্টি’ বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট, যেখানে একসঙ্গে ইলেক্ট্রো অপটিকাল (Electro-Optical) ও সিন্থেটিক অ্যাপারেটর রেডার (Synthetic Aperture Radar বা SAR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ইলেক্ট্রো অপটিকাল সেন্সর পরিষ্কার আকাশে ও দিনের আলোতে উচ্চমানের ছবি তোলে। এসএআর প্রযুক্তি মেঘ, বৃষ্টি বা অন্ধকার—সব পরিস্থিতিতেই নিরবচ্ছিন্ন ছবি দিতে সক্ষম। ফলে, এই স্যাটেলাইট থেকে ২৪ ঘণ্টা, সব আবহাওয়ায় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে। দাবি করা হচ্ছে, ১৯০ কেজি ওজনের ‘দৃষ্টি’ই হল ভারতে বেসরকারি ভাবে নির্মিত সবচেয়ে বড় ভূ-পর্যবেক্ষণ (আর্থ অবজার্ভেশন) কৃত্রিম উপগ্রহ।

    কী কাজে লাগবে?

    আমেরিকার ক্যালিফর্নিয়ার একটি উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে ভারতীয় সংস্থার তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠানো হয়। ভারতীয় সময় রবিবার দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে ‘দৃষ্টি’ সফল ভাবে উৎক্ষেপিত হয়। বেসরকারি পরিসরে মহাকাশ গবেষণা এবং অভিযানের ক্ষেত্রে ‘দৃষ্টি’র মহাকাশযাত্রা এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ‘গ্যালাক্সি আই’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এত দিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করতে এ বার সাহায্য করবে এই উপগ্রহটি। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশগত পরিস্থিতিতে আরও ধারাবাহিক এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতেও সাহায্য করবে। সংস্থার আরও দাবি, ভূ-পর্যবেক্ষণের এই কৃত্রিম উপগ্রহটি কৃষি, দুর্যোগ মোকাবিলা, সমুদ্রে নজরদারির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে দেশকে। এছাড়াও, এটি ভারতের বিদ্যমান আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    ‘গ্যালাক্সিআই’-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সুয়াশ সিং জানান, স্যাটেলাইটটি এখন সফলভাবে কক্ষপথে রয়েছে। শীঘ্রই এর কমিশনিং সম্পন্ন করা হবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে এর ডেটার ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমাদের কাছে দৃষ্টি কথার মানে হল যে কোনও কিছুকে ভিতর থেকে দেখা। সেই ভাবনা থেকেই কৃত্রিম উপগ্রহটির নাম রাখা হয়েছে ‘দৃষ্টি’। এর বিশেষত্ব হল, একই কৃত্রিম উপগ্রহতে একটি মাল্টিস্পেকট্রাল ক্যামেরা এবং একটি সিন্থেটিক অ্যাপারচার র‌েডার ইমেজার রয়েছে। এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার এই প্রথম।” ইন্ডিয়ান স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Space Association) ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল একে ভাট বলেন, “একটি প্ল্যাটফর্মে অপটিক্যাল ও এসএআর প্রযুক্তি একত্রিত করা বড় সাফল্য—যা কেবল কয়েকটি দেশই করতে পেরেছে।” ‘অপ্টোএসএআর’ হল এক ধরনের হাইব্রিড প্রযুক্তি, যেখানে দুই ধরনের প্রযুক্তিগত সুবিধা একটিই প্লাটফর্ম থেকে পাওয়া যায়।

    সীমান্তে সদা নজরদারি

    ভারতের মতো উষ্ণ মণ্ডলীয় দেশে অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে। ফলে সাধারণ অপটিক্যাল স্যাটেলাইট দিয়ে স্পষ্ট ছবি পাওয়া কঠিন হয়। ‘দৃষ্টি’ সেই সমস্যার সমাধান করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে বা খারাপ আবহাওয়াতেও নজরদারি চালাতে সক্ষম হওয়ার জন্য সীমান্ত রক্ষায় এই উপগ্রহ কাজে লাগবে। তাই প্রতিবেশী শত্রু দেশের জন্য চিন্তার করাণ ভারতের তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহ। প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-ও এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “এই উৎক্ষেপণ বিশ্বমঞ্চে ভারতের সক্ষমতাকে আরও উজ্জ্বল করবে।” এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) বলেন, এটি ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পৃথিবীর পৃথিবীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যেকোনো সময়েই মেঘে ঢাকা থাকে, যা নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য এই ধরনের হাইব্রিড সিস্টেমকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। দ্বৈত-সেন্সর ক্ষমতা নিরবচ্ছিন্ন পৃথিবী পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করে, যা কৌশলগত এবং অসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই ধরনের ব্যবস্থা বিদেশি স্যাটেলাইট তথ্যের উপর নির্ভরতা কমায়, বিশেষ করে সংঘাত বা সংকটের সময় যখন এর নাগাল পাওয়া সীমিত থাকতে পারে। ‘গ্যালাক্সিআই’ ২০৩০ সালের মধ্যে ‘মিশন দৃষ্টি’-কে কেন্দ্র করে ১০টি স্যাটেলাইটের একটি কনস্টেলেশন গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে ভারত একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর আর্থ অবজারভেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। ‘মিশন দৃষ্টি’ শুধু একটি স্যাটেলাইট নয়—এটি ভারতের বেসরকারি মহাকাশ প্রযুক্তির শক্তি ও ভবিষ্যতের ইঙ্গিত।

     

  • Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য ও ডিউটি রস্টার ফাঁসের অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ৪ মে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ভোট গণনা। তার ঠিক আগে গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন বিধানসভার বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, “গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য এবং তাঁদের ডিউটি রস্টার আগেই ফাঁস হয়ে গিয়েছে, যা আদতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন। গণনাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হবে।”

    শুভেন্দুর মূল অভিযোগ (West Bengal Election 2026)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দুর দাবি, গণনা কর্মীদের তালিকা ও তাঁদের কর্মস্থলের তথ্য নির্দিষ্ট মহলের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর মতে, এটি ‘ইলেকশন প্রোটোকল’ বা নির্বাচনী শিষ্টাচারের গুরুতর অবমাননা। তাই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমার নজরে এসেছে যে, গণনার দিনের (Counting Day) দায়িত্বে থাকা বেশ কিছু আধিকারিক তাঁদের নির্দিষ্ট ডিউটির বিবরণ, স্থান এবং পদমর্যাদার তথ্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সংস্থা ও সংগঠনগুলিকে জানিয়ে দিয়েছেন। আমি তথ্য পেয়েছি যে, কিছু স্প্রেডশিট এবং তালিকা প্রচার করা হচ্ছে যেখানে আধিকারিকরা স্বেচ্ছায় বা চাপের মুখে তাঁদের ‘নির্বাচন ডিউটি সংক্রান্ত তথ্য’ এবং গণনা প্রক্রিয়ায় তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে, তা পূরণ করছেন। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার ফলে গণনার (West Bengal Election 2026) দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে, যা নিরপেক্ষ ফল ঘোষণায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

    কমিশনের কাছে দাবি

    নির্বাচনী (West Bengal Election 2026) গণনাকেন্দ্রে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, যেভাবে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনওভাবেই যেন গণনা প্রভাবিত না হয়। সর্বোপরি, যেসব আধিকারিক বা কর্মীরা এই তথ্য ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অযাচিত প্রভাবের ঝুঁকি

    যখন কোনও আধিকারিকের নির্দিষ্ট নিয়োগের তথ্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত কোনও সংগঠন বা ইউনিয়নের কাছে জানাজানি হয়ে যায়, তখন তা অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রভাব এবং হুমকির পথ প্রশস্ত করে।

    নিরপেক্ষতার সঙ্কট 

    গণনা প্রক্রিয়ার পবিত্রতা নির্ভর করে কর্মীদের নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার ওপর। এই গোপনীয়তা ভঙ্গ হলে তা সরাসরি ফলের নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করে।

    চাপ সৃষ্টির কৌশল

    সংগঠনগুলির দ্বারা এই ধরণের ‘তথ্য সংগ্রহ’ করার বিষয়টি অনেক সময় আধিকারিকদের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা মাত্র, যাতে গণনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁরা শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেন।

    অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারির দাবি

    ভোট পরবর্তী হিংসা এবং স্ট্রংরুম পাহারা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন অভিযোগ আগামিকালের গণনা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। শুভেন্দু বলেন, “আমি ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে জোরালো আবেদন জানাচ্ছি। কোনও আধিকারিক যাতে কোনও সংস্থা বা সংগঠনের কাছে তাঁদের নির্ধারিত গণনা ডিউটির তথ্য প্রকাশ না করেন, সেই মর্মে অবিলম্বে কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হোক। এছাড়া, যে সমস্ত সংগঠন এই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।”

    বিজেপি শিবিরের দাবি, শাসক দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণনায় কারচুপি করার চেষ্টা করছে। যদিও শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং ‘হারার আগে অজুহাত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী গণনা (West Bengal Election 2026) বিষয়ে বিরোধী দলনেতার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শেষ মুহূর্তে কোনো বড় পদক্ষেপ নেয় কি না।

  • Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। ভারতের তৈরি শক্তিশালী ‘ব্রহ্মোস’ (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কেনার লক্ষ্যে ৫,৮০০ কোটি টাকার ($700 Million) একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভিয়েতনাম। এই লক্ষ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত মিশনে ভারত সফরে আসছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম (To Lam)।

    উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Brahmos)

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে তা হবে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম মাইলফলক। এর আগে ফিলিপিন্স ভারতের থেকে ব্রহ্মোস কেনার চুক্তি করলেও, ভিয়েতনামের এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য এবং কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। মূলত সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই ভিয়েতনাম (To Lam) ভারতের এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির (Brahmos) ওপর আস্থা রাখছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    কৌশলগত ভারসাম্য: দক্ষিণ চিন সাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত ও ভিয়েতনামের এই ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা (Brahmos)  সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া: ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস (Brahmos)  ক্ষেপণাস্ত্রের বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের ‘প্রতিরক্ষা রফতানি লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হবে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: প্রেসিডেন্ট তো লামের এই সফরে কেবল প্রতিরক্ষা নয়, বরং মহাকাশ গবেষণা, সাইবার নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক আদান-প্রদান নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলির (Brahmos) মধ্যে অন্যতম। এটি জল, স্থল এবং আকাশ—তিনটি মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়, যা ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করে তুলবে।

    প্রেসিডেন্ট তো লামের এই ভারত সফরকে ঘিরে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫,৮০০ কোটি টাকার চুক্তি কেবল অস্ত্রের লেনদেন নয়, বরং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Indo-Pacific Region) শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের একজোট হওয়ার একটি জোরালো বার্তা। ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্বদেশী অস্ত্র বিদেশের বাজারে বিরাট চাহিদা সৃষ্টি করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এই রফতানি প্রতিরক্ষা দফতরের  বড় সাফল্য।

  • India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর আবারও সম্পর্কের উন্নতির পথে হাঁটছে ভারত ও বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation)। মহম্মদ ইউনূসের পরবর্তী জমানায় ঢাকায় নতুন সরকারের গঠন ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দুই দেশ ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থে সব ধরনের ভিসা পুনরায় চালু করেছে। অন্যদিকে, ভারত সরকারও ধাপে ধাপে তাদের ভিসা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

    বাংলাদেশে ভারতীয়দের জন্য ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি চালু

    বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে। নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের ভিসা সেন্টারগুলো এখন পুরোপুরি কার্যকর। বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ (Riaz Hamidullah) জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর মাসে যে পরিষেবাগুলি বন্ধ হয়েছিল, সেগুলি ফেব্রুয়ারি থেকেই ধাপে ধাপে চালু হয়েছে। গত দুই মাসেই ১৩ হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিককে পর্যটন, ব্যবসা, চিকিৎসা এবং পারিবারিক কারণে ভিসা দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকেরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। ভিসা ও দূতাবাস সংক্রান্ত (কনস্যুলার) অন্যান্য সুযোগসুবিধা ভারতীয়দের জন্য ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা।

    ভেবেচিন্তে এগোচ্ছে ভারতও

    বাংলাদেশ দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও ভারত এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ বর্তমানে আগের তুলনায় মাত্র ১৫–২০ শতাংশ হারে চলছে। জরুরি ও চিকিৎসাজনিত আবেদনগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের সফরে এসে ভিসা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান (Khalilur Rahman)। এর কিছুদিন পরই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri) ঢাকায় যান। তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সূত্রের খবর, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এছাড়া নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীর (Dinesh Trivedi) নিয়োগ এই প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে নানাবিধ অশান্তির প্রেক্ষাপটে ভারত সরকার বাংলাদেশিদের ভিসা পরিষেবায় কড়াকড়ি করেছিল। কেবল চিকিৎসার প্রয়োজন এবং ‘ডবল-এন্ট্রি’ ছাড়া বাকি সব ধরনের ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল অনির্দিষ্ট কালের জন্য। তবে এ বার সেই পরিষেবাও চালু হচ্ছে। সে দেশে অবস্থিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছেন, ভিসা পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

    ফের পর্যটনে সাড়া

    বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অন্যতম বড় বিদেশি পর্যটক উৎস। ২০২৩ সালে প্রায় ২১.২ লক্ষ বাংলাদেশি ভারতে এসেছিলেন, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়ায় ১৭.৫ লক্ষে। তবে ২০২৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংখ্যা তীব্রভাবে নেমে আসে প্রায় ৪.৭ লক্ষে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো শহরে ভারতীয় মিশনের সামনে বিক্ষোভের জেরে পরিষেবা কমানো হয়েছিল। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভিসা পরিষেবা সহজ করা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রথম ধাপ। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে দুই দেশ। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সময় বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে, নয়াদিল্লি ও ঢাকা—দুই পক্ষই সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

  • PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    PM Modi: তীব্র গরমে পুড়ছে ভারতের একাধিক শহর, প্রধানমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলছেন বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও মে মাস শুরুই হয়নি। তার আগেই তীব্র গরমে পুড়ছে (Heatwave) ভারতের বেশ কয়েকটি শহর। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশ-সহ ১১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। বিরোধী শিবির ও তাদের সমর্থকরা দেখাতে চাইছে, এই ঘটনা শুধু ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ (PM Modi)। যদিও একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। এই চরম আবহাওয়ার পেছনে মানবসৃষ্ট কিছু কারণ থাকলেও, বেশি করে রয়েছে প্রাকৃতিক কারণ।

    সুপার এল নিনো (PM Modi)

    পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে সুপার এল নিনোর কারণে। এটি সমুদ্র থেকে অতিরিক্ত তাপ সংগ্রহ করে বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করছেন। এই ঘটনাবলী আগামী বছরে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়াতে পারে এবং নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করতে পারে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বর্তমানে ভারতের সমতলভূমিকে গ্রাস করা তীব্র গরম বৃহত্তর এক আবহাওয়াগত ধাঁচের অংশ, যা ছ’সপ্তাহ আগে উত্তর এশিয়া ও সাইবেরিয়ায় শুরু হয়েছিল।

    তাপমাত্রা মোকাবিলায় পদক্ষেপ

    এদিকে, এপ্রিলের শুরুতে বিভিন্ন অংশীদার একজোট হয়ে গ্লোবাল হিট হেল্থ ইনফর্মেশান নেটওয়ার্ক (GHHIN)-এর সাউথ এশিয়া হাব (South Asia Hub) গঠন করেছে। এর কারণ হল ভারত-সহ গোটা উপমহাদেশে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা মোকাবিলায় সহযোগিতা ও উদ্ভাবন বাড়ানো যায়। এটি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজি (IITM) এবং ইন্ডিয়া মেটিওরোলজি (India Meteorological Department)-এর সঙ্গে কাজ করবে। লক্ষ্য, জলবায়ু তথ্যকে স্বাস্থ্যসেবামূলক পদক্ষেপে রূপান্তরের জন্য একটি অভিন্ন আঞ্চলিক পরিকাঠামো তৈরি করা। বিশ্ব এই পরিবর্তনের সঙ্গে লড়ছে এবং সমাধান খুঁজছে। অন্যদিকে, ভারতীয় বিরোধী দল ও বাম-উদারপন্থীরা অযৌক্তিক যুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকারকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত।

    মোদি সরকারকে দোষারোপ

    সমালোচকেরা নানা অদ্ভুত অজুহাত খাড়া করে মোদি সরকারকে দোষ দিচ্ছেন। ‘এপিক ম্যাপস’ ভারতের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার একটি মানচিত্র প্রকাশ করে এটিকে কেবল ভারতের অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখায়, অথচ পাকিস্তান, ইয়েমেন, থাইল্যান্ড, মায়ানমার-সহ আশপাশের দেশগুলির তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি গোপন রাখে (Heatwave)। কংগ্রেস নেতা শ্রীনিবাস বিভি এই অসম্পূর্ণ তথ্যকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেন। দিয়া মির্জা একটি পোস্ট শেয়ার করেন। তাতে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ফরেস্ট কনজারভেশন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (Forest Conservation Amendment Act)-এর মাধ্যমে বন ধ্বংস ত্বরান্বিত হয়েছে। কারবারি আনসারির অভিযোগ, মোদি শুধু হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি করে ভোট কুড়োতে চান, জলবায়ু পরিবর্তন বা গরম নিয়ে তিনি উদাসীন।

    নিট-জিরো এমিশন

    যদিও বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ঘন বনভূমি বৃদ্ধি, ২০৭০ সালের মধ্যে নিট-জিরো এমিশন (net-zero emission) অর্জনের অঙ্গীকার করেছে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে (PM Modi)। তা সত্ত্বেও বিরোধীরা তথ্যের চেয়ে রাজনৈতিক প্রচারেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। এআইসিসির সম্পাদক গৌরব পান্ধির দাবি, কংগ্রেস আমলে পরিস্থিতি ভালো ছিল, বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়েছে। দীনেশ ওয়াদেরা বলেন, “পরিকাঠামোর উন্নয়নের ‘কংক্রিট উদ্যোগ’ই সমস্যার কারণ।” সুধীর যাদবের অভিযোগ, আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত জমি ও বন ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেওয়ায় কাটা হয়েছে লাখ লাখ গাছ।

    “হিট ডোম”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে গরমের প্রকৃত কারণ বহুস্তরীয়। কম বাতাস, উচ্চচাপ বলয় এবং মেঘের অভাবের কারণে তাপ ভূমির কাছাকাছি আটকে থাকে। ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন্স (Indo-Gangetic plains) ও পূর্ব ভারতের ওপর তৈরি হওয়া “হিট ডোম” একটি বড় কারণ। এ বছর পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও দুর্বল হয়েছে। তাই কম বৃষ্টি হয়েছে (Heatwave)। বাম-উদারপন্থীরা দাবি করলেও, ভারত বিশ্বের তুলনায় দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে, এ কথা পুরোপুরি ঠিক নয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাটা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারতের গড় পৃষ্ঠতাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় বেড়েছে ধীরে (PM Modi)।

    ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেন

    দূষণ থেকে উৎপন্ন এরোসলস (aerosols) সূর্যালোক ছড়িয়ে দেয়, কমিয়ে দেয় ভূমির ওপর সৌর বিকিরণ। এগুলি দক্ষিণ এশিয়ার ওপর এক ধরনের প্রতিফলক আবরণ তৈরি করে। এছাড়া, ইন্দো-গ্যাঞ্জেটিক প্লেনে (Indo-Gangetic plain) ব্যাপক সেচ বাষ্পীভবন বাড়িয়ে প্রাকৃতিক শীতলতা তৈরি করে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের ইআরএ৫ ডেটাসেট অনুযায়ী, নয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে ইউরোপ প্রতি দশকে প্রায় ০.৫৩°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হয়েছে, যা একে পরিণত করেছে দ্রুততম উষ্ণ হওয়া মহাদেশে। আর্কটিক আরও দ্রুত, প্রতি দশকে প্রায় ০.৬৯°সেলসিয়াস হারে উষ্ণ হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় উপমহাদেশের বড় অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল, প্রতি দশকে ০ থেকে ০.২°সেলসিয়াস।

    বস্তুত, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও তাপপ্রবাহ একটি বাস্তব ও গুরুতর সমস্যা। এর সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি ও আন্তরিক প্রচেষ্টা দরকার। কিন্তু বিরোধী দল ও তাদের সমর্থকেরা বাস্তব সমাধানের বদলে রাজনৈতিক আক্রমণে বেশি (Heatwave) মনোযোগী। সরকার বদলালেই বিশ্বের জলবায়ুগত বাস্তবতা বদলে যাবে না (PM Modi)।

     

  • Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হল। আজ, ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্বোধন করলেন রাজ্যের উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ‘গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’র (Ganga Expressway)। প্রায় ৩৬,২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মিরাটকে পূর্বের প্রয়াগরাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।

    অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব (Ganga Expressway)

    উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে। এটি কেবল একটি রাস্তা নয়,এটি একটি শিল্প করিডর হিসেবেও কাজ করবে। রাস্তার দুপাশে বড় বড় লজিস্টিক পার্ক এবং শিল্পাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য এটি একটি বড় আশীর্বাদ হয়ে আসবে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে চাষিরা তাদের ফসল কম সময়ে এবং কম খরচে বড় বাজারে পৌঁছে দিতে পারবেন। প্রয়াগরাজে তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।”

    এক নজরে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে

    দ্রুত যাত্রা

    আগে মিরাট থেকে প্রয়াগরাজে পৌঁছতে যেখানে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন এই এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) মাধ্যমে সেই দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়।

    ১২টি জেলা সরাসরি যুক্ত

    নয়া এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) মিরাট থেকে শুরু হয়ে হাপুড়, বুলন্দশহর, আমরোহা, সম্ভল, বদায়ু, শাহজাহানপুর, হারদোই, উন্নাও, রায়বেরেলি এবং প্রতাপগড় হয়ে প্রয়াগরাজে গিয়ে শেষ হয়েছে। এর ফলে উপকৃত হবে ৫১৯টিরও বেশি গ্রাম।

    যুদ্ধবিমানের রানওয়ে

    শাহজাহানপুরে একটি ৩.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জরুরি বিমান অবতরণ কেন্দ্র (Air Strip) তৈরি করা হয়েছে। জরুরি অবস্থায় বা যুদ্ধের সময় এখানে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেট অনায়াসেই ওঠানামা করতে পারবে।

    অত্যাধুনিক নিরাপত্তা

    এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) নিরাপত্তার জন্য প্রতি কিলোমিটারে সোলার-চালিত হাই-ডেফিনিশন এআই (AI) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মাল্টি-লেন ফ্রি-ফ্লো টোল সিস্টেমের কারণে যানবাহনকে টোল দেওয়ার জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) উদ্বোধনের ফলে ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের প্রায় ৬০ শতাংশই এখন উত্তরপ্রদেশের দখলে, যা রাজ্যটিকে দেশের অন্যতম আধুনিক পরিকাঠামো সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করেছে। উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন এখন দেশজুড়ে পরিণত হয়েছে বিশেষ মডেলে।

  • Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র বনাম কাজের নিরিখে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার প্রবেশ করল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এর নিজস্ব এআই চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর (Grok) একটি উত্তর বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তুলনামূলক এক প্রশ্নের উত্তরে মোদিকেই এগিয়ে রেখেছে গ্রকের তথ্য ভিত্তি।

    ঘটনাটি ঠিক কী (Grok)?

    সম্প্রতি একজন ব্যবহারকারী গ্রক-এর (Grok) কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ভারতের প্রগতি এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদি এবং রাহুল গান্ধীর মধ্যে কার অবদান বা গ্রহণযোগ্যতা বেশি? এর উত্তরে গ্রক (Grok) কোনও ব্যক্তিগত মতামত না দিয়ে বিভিন্ন ডেটা বা তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।

    Grok-এর বিশ্লেষণে যা উঠে এসেছে

    উন্নয়ন ও অর্থনীতি

    গ্রক (Grok) তার উত্তরে উল্লেখ করেছে যে, গত এক দশকে ভারতের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযান এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সাফল্য পরিসংখ্যানগতভাবে প্রমাণিত।

    পরিবারতন্ত্র বনাম যোগ্যতা

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রক (Grok) রাহুল গান্ধীকে ‘পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির’ (Dynastic Politics) উত্তরাধিকারী হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি মোদিকে একজন ‘স্বনির্ভর’ এবং ‘ডেটা-নির্ভর’ নেতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

    গ্রক-এর জনপ্রিয়তা ও জনমত

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের নিরিখেও তথ্যের ভিত্তিতে মোদিকে অনেক বেশি রেটিং দিয়েছে এই এআই (AI)।

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি এই প্রতিবেদনটিকে তাদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির নিরপেক্ষ ডেটাও মোদিকে শ্রেষ্ঠ বলছে, সেখানে বিরোধীদের পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরণের এআই (AI) মডেলের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, অ্যালগরিদম বা ডেটা অনেক সময় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে।

    প্রযুক্তির যুগে রাজনীতির লড়াই আর কেবল জনসভায় সীমাবদ্ধ নেই, তা এখন এআই (AI)-এর ল্যাবেও পৌঁছে গেছে। এলন মাস্কের গ্রক (Grok) যেভাবে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে, তা আগামী নির্বাচনে এবং রাজনৈতিক বিতর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। রাজ্যসভায় ডেপুটি লিডারের পদ থেকে অপসারণকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ বাঁধে রাঘবের। তার (PM Modi) পরেই শুক্রবার তিনি ঘোষণা করেন, পদ্মশিবিরে যাচ্ছেন তিনি।

    চাড্ডার বক্তব্য (Raghav Chadha)

    দিল্লিতে সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “আপের রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সাংবিধানিক বিধান প্রয়োগ করে বিজেপির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতের সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে নিজেদের বিজেপির সঙ্গে একীভূত করছি।” সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলও আপ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁরাও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

    মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে আপ

    নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “যে দলটিকে আমি রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলাম, সেটি তার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে দলে আমি আমার যৌবনের ১৫ বছর দিয়েছি, তা তার নীতি, মূল্যবোধ এবং মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এখন এই দল দেশবাসীর স্বার্থে কাজ না করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করছে… গত কয়েক বছর ধরে আমি অনুভব করছিলাম যে আমি ভুল দলে সঠিক মানুষ (PM Modi)। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি যে আমি আপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে জনতার কাছাকাছি যাচ্ছি (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী, একটি দলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশ অন্য দলে যোগ দিতে পারেন। আমরা আজ এই বিষয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও দিয়েছি।” প্রবীণ এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের আসল কারণ বলছি কেন আমি দলীয় কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমি তাদের অপরাধের অংশ হতে চাইনি। আমি তাদের বন্ধুত্বের যোগ্য ছিলাম না, কারণ আমি তাদের অপরাধে অংশ নিইনি। আমাদের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া এবং গত ১৫-১৬ বছরের জনসেবামূলক কাজ ত্যাগ করা, অথবা আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতীয় সংবিধানের বিধান মেনে বিজেপিতে যোগ দেব (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন (Raghav Chadha), “রাজ্যসভায় আপের মোট ১০ জন সাংসদ রয়েছেন, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা স্বাক্ষর করেছেন এবং আজ সকালে আমরা সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ও নথি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এখানে উপস্থিত তিনজন ছাড়াও হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহনি এবং স্বাতী মালিওয়াল আমাদের সঙ্গে আছেন।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে রাঘব ইনস্টাগ্রামে ‘ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড’ শিরোনামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করার তাঁর ক্লিপগুলোর সংকলন দেখানো হয়েছে। এটি তাঁর দলের সঙ্গে চলা বিরোধের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। পোস্টে তিনি বলেন, “যাঁরা আমার সংসদীয় কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি—আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (PM Modi)।”

    গত ২ এপ্রিল রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় চাড্ডাকে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে জোরালোভাবে কথা বলা থেকে বিরত থাকছেন এবং তার বদলে ‘সফ্ট পিআরে’ যুক্ত হচ্ছেন। চাড্ডা এই অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সংসদে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরতেই যাই, অশান্তি সৃষ্টি করতে নয়।” প্রসঙ্গত, উচ্চকক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে অপসারণের পর থেকে চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট শেয়ার করেছেন (Raghav Chadha)। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই পদাবনতি তিনি চুপচাপ মেনে নেবেন না ((PM Modi))।

     

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কখনওই কোনও ধরনের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য পরিকল্পনা কখনওই সফল হবে না। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের হামলার নিহত পর্যটকদের স্মরণ করে বুধবার সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত বছর এই দিনে পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় হারিয়ে যাওয়া নিরীহ প্রাণগুলিকে স্মরণ করছি। তাঁদের কখনওই ভোলা যাবে না। এই যন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির কথা ভাবছি, কী ভীষণ ক্ষতির সঙ্গে যুঝছেন তাঁরা।’’ বুধবার বৈসরণ উপত্যকার একাংশ-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের পর থেকে সেগুলি বন্ধ ছিল।

    শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ

    নয় নয় করে এক বছর পার পহেলগাঁও হামলার। ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধেছিল, আড়াআড়ি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলও। এতদিন পরও সেই দিনটি স্মরণ করে শিউড়ে ওঠেন সকলে। সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে মোদি লিখেছেন, ‘‘একটি জাতি হিসেবে, আমরা শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কোনও রকমের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না। জঙ্গিদের চক্রান্ত সফল হবে না কখনও।’’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনরায় স্পষ্ট করেন।

    ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হল

    অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সবুজ বিস্তীর্ণ তৃণভূমি বৈসরনে শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে পৌঁছোনো যায়। যাকে ভালবেসে ভ্রমণপিপাসুরা ‘মিনি সুই‌ৎজারল্যান্ড’ বলে থাকেন। গত বছর ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে উপত্যকার প্রায় ৫০টির বেশি পর্যটনস্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালের মার্চে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে টিউলিপ বাগান-সহ ১২টি পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার আরও ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র উন্মুক্ত করা হল ভ্রমণার্থীদের জন্য। পহেলগাঁও থেকে বৈসরণ উপত্যকাগামী হাঁটাপথে বুধবার কিছু পর্যটক গিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষার জন্য গোটা এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় আধাসেনা। চিহ্নিত এলাকার বাইরে পর্যটকদের যাওয়ার উপর ছিল কড়া বিধিনিষেধ।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতীয় সেনার

    পহেলগাঁও হামলা এবং পরবর্তী সিঁদুর অভিযানকে স্মরণ করে মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় সেনা। সেনার পোস্টে প্রতিবেশী দেশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়— কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তার পরিণতি হয় ভয়ানক। পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে পাকিস্তানের নাম না করেই সেনার তরফে দেওয়া হয় কঠোর বার্তা। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে একটি কার্ড পোস্ট করেছে ভারতীয় সেনা। সেখানে লেখা হয়েছে— “কিছু সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়।” তার ঠিক নিচেই লেখা, “ভারত কখনও ভুলবে না।” এইসঙ্গে পোস্টের ক্য়াপশানে লেখা হয়েছে— “যখন মানবতার সীমা লঙ্ঘন করা হয়, তার পরিণতি হয় ভয়ানক। তাই কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। বিচার অবশ্যই পাওয়া যায়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক

    পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের স্মরণে লিডার নদীর তীরে কালো মার্বেল দিয়ে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেই স্মৃতিসৌধে হামলায় নিহতদের নাম খোদাই করা রয়েছে। বুধবার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য সভার আয়োজন করা হয়। পর্যটকরাও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে। হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সর্বত্র। লিডার নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্মৃতিস্তম্ভ আজ দেশের কাছে এক বেদনাদায়ক স্মৃতি এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক।

    ভারতীয় সেনার হামলায় বিপর্যস্ত জঙ্গিরা

    ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা হামলা চালায়। ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২৫ জন পর্যটক। একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী টাট্টুঘোড়াওলা। এই হামলার জবাবে সিঁদুর অভিযানে চালায় ভারতীয় সেনা। পাক ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পরেই ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হয়। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

    অপারেশন মহাদেব

    হামলার পর ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন মহাদেব’। দাচিগাম ও মহাদেব রিজ সংলগ্ন দুর্গম পার্বত্য এলাকায় টানা ৯৩ দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা খতিয়ে দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত হামলার মূল তিন জঙ্গিকে খতম করতে সক্ষম হয় সেনা। ভারতীয় সেনা জানায়, “ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও হামলার জবাব নিশ্চিত। ন্যায়বিচার হবেই।” পহেলগাঁও হামলার পর ‘অপারেশন মহাদেব’ ও ‘অপারেশন সিঁদুর’—দুটি পদক্ষেপই দেখিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের কৌশল স্পষ্ট, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, নিখুঁত আঘাত এবং কোনওরকম আপস নয়। ভারত সরকার ও সেনার বার্তা স্পষ্ট,“ভারত ঐক্যবদ্ধ, মানবতার সীমা লঙ্ঘিত হলে জবাব হবে নির্ণায়ক।”

LinkedIn
Share