Tag: PM Modi

PM Modi

  • Kashi Vishwanath Dham: দু’ বছরে রেকর্ড ভিড় কাশীতে, বিশ্বনাথ ধাম দর্শন করেছেন ১২কোটি ৯৩ লাখ ভক্ত

    Kashi Vishwanath Dham: দু’ বছরে রেকর্ড ভিড় কাশীতে, বিশ্বনাথ ধাম দর্শন করেছেন ১২কোটি ৯৩ লাখ ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দু’বছরে রেকর্ড পরিমাণে ভক্তরা দর্শন করেছেন কাশীর বিশ্বনাথ ধাম। ১২ কোটি ৯২ লাখ ভক্ত কাশী বিশ্বনাথ ধামে (Kashi Vishwanath Dham) উপস্থিত হয়েছেন গত দু’ বছরে, এমনটাই বলছে তথ্য। ২০২১ সালেই এই মন্দির সংস্কার করে মোদি সরকার। কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকেই এই রেকর্ড পরিমাণে ভক্তদের ভিড় সেখানে লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    শ্রাবণ মাসে সব থেকে বেশি ভিড়

    শ্রাবণ মাস সাধারণভাবে শিবের মাস নামেই পরিচিত, এই সময়ে গত দু’ বছরে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হয়েছে বিশ্বনাথ ধামে (Kashi Vishwanath Dham)। জানা গিয়েছে, কেবলমাত্র শ্রাবণ মাসেই বিশ্বনাথ ধাম দর্শন করেছেন ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ, আসলে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানা সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য সেখানে বসানো হয়েছে জার্মান হ্যাঙার। এর মাধ্যমে ভক্তদের লাইনে দাঁড়ানো আরও অনেক বেশি সহজ হয়ে গিয়েছে। বর্ষার সময় বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া, প্রখর সূর্যের তেজ থেকে রক্ষা পাওয়া, এ সমস্ত কিছু এড়িয়ে এখন লাইনে দাঁড়াতে পারছেন ভক্তরা। এছাড়াও লাইনের শেডে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাদুর, খাওয়ার জল এবং দিব্যাঙ্গদের জন্য হুইল চেয়ার। লাইনে দাঁড়ানো কোনও ব্যক্তি যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁদের জন্য চিকিৎসার সরঞ্জামও রাখা হয়েছে সেখানে।

    কী বলছেন মন্দিরের আধিকারিক?

    আগে এই মন্দির ছিল ৩,০০০ বর্গফুটের কিন্তু ২০২১ সালে এটাকে বাড়িয়ে ৫ লাখ বর্গফুটে করা হয়। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ হাজার ভক্তরা মন্দির চত্বরে দাঁড়াতে পারেন। চলতি বছরে বিশ্বনাথ ধামে হাজির হয়েছেন পাঁচ কোটি ৩০ হাজার মহাদেব ভক্ত। কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Vishwanath Dham) মন্দিরের প্রধান আধিকারিক সুনীল কুমার বর্মার মতে, ‘‘২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উদ্বোধন হয়। সেই থেকে চলতি বছরের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মন্দির দর্শন করেছেন ১২ কোটি ৯২ লাখ ২৪ হাজার পুণ্যার্থী। ডিসেম্বরের শেষে এই সংখ্যা ১৩ কোটি ছাপিয়ে যাবে বলে আমাদের অনুমান।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘নির্বাচনে জিততে হলে জনগণের হৃদয় জেতা খুব জরুরি’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘‘নির্বাচনে জিততে হলে জনগণের হৃদয় জেতা খুব জরুরি’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কীভাবে জিততে হয়, তা তাঁর থেকে বেশি কেই বা জানেন! ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসেও অপ্রতিরোধ্য মোদি (PM Modi)। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালেও মসনদ পাকা করে ফেলেছেন তিনি ইতিমধ্যেই। দীর্ঘ ২২ বছরের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, একের পর এক নির্বাচন সামলাতে হয়েছে তাঁকে। ২২ বছর ধরেই জিতেছেন। কীভাবে জিততে হয় নির্বাচন? শনিবার এ নিয়েই প্রথম মুখ খুললেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং জানালেন, কীভাবে জিততে হয় নির্বাচন। তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচনে জিততে হলে জনগণের হৃদয় জেতা খুব জরুরি। নির্বাচনে জেতার জন্য মানুষের মধ্যে যাওয়া খুব জরুরি এবং কখনই মানুষের জ্ঞানকে হেয় করে দেখতে নেই। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছনোও সম্ভব নয়।’’

    সম্প্রতি ৩ রাজ্যেই বিপুল ভোটে জিতেছে বিজেপি

    শনিবারই ‘বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা’র এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি যে মানুষ গ্রহণ করেনি, তাও এদিন নিজের ভাষণে জানান মোদি (PM Modi)। ২০২৩ সালে ৩ রাজ্যের নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে এবং সেখানে বিপুল ভোটে জিতেছে বিজেপি। এরপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে চালু হয়েছে নতুন ক্যাপশন ‘মোদির গ্যারান্টি’। এদিন এনিয়েও মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি বলেন, ‘‘জনগণ এটা বিশ্বাস করেছে যে মোদির গ্যারান্টি মানে হল সমস্ত গ্যারান্টিকে পূরণ করা।’’

    আমার কাছে প্রত্যেক গরিব ভিআইপি

    প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘আমরা দেশের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করেছি। কেন্দ্রীয় সরকার এবং দেশের জনগণের মধ্যে হৃদয়ের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আমাদের সরকার ‘মা-বাপ’ নয়। কিন্তু বাবা-মায়েদের সেবা করে। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সেবায় নিযুক্ত।’’ এর পরই তিনি বলেছেন, ‘‘মোদি (PM Modi) গরিবের খেয়াল রাখে। যার কেউ নেই তাঁর জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা থাকে। আমার কাছে প্রত্যেক গরিব ভিআইপি। প্রত্যেক মা, বোন, মেয়ে ভিআইপি। প্রত্যেক যুব ভিআইপি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Violence: মোষ তাড়ানোর মতো বিজেপি কর্মীদের লাঠিপেটা করার হুমকি, বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    TMC Violence: মোষ তাড়ানোর মতো বিজেপি কর্মীদের লাঠিপেটা করার হুমকি, বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের সন্ত্রাস চলছেই। কখনও বোমা-বারুদের দিয়ে কখনও বা ভাষা সন্ত্রাসের মাধ্যমে (TMC Violence)। এবার বিজেপি কর্মীদের মোষ তাড়ানোর মতো লাঠিপেটা করার নিদান দিতে শোনা গেল মালদা তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীর গলায়। শুক্রবার বিকালে মালদা শহরে তৃণমূলের তরফে একটি বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কালো পোশাক পরে তাতে যোগ দেন তৃণমূল কর্মীরা। সেখানেই বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, “রেডি আছি আমরা। যেভাবে কোনও ধানের জমিতে মোষ ঢুকে গেলে, সেই মোষকে লাঠি (TMC Violence) দিয়ে তাড়াতে হয়, সেভাবে লাঠিপেটা করে এখান থেকে বিশ্বাসঘাতক বঙ্গ বিজেপিকে তাড়াব আমরা।”

    আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীকেও!

    তবে এখানেই শেষ নয় সাংবিধানিকভাবে দেশের প্রধান, প্রধানমন্ত্রীকেও অত্যন্ত কুরুচিকর (TMC Violence) ভাষায় এদিন আক্রমণ করেন মালদা তৃণমূলের জেলা সভাপতি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিগত লোকসভা ভোট থেকেই মালদা জেলার পায়ের তলায় জমি হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই তাদের নেতারা বাজার গরম করা কথা বলে এবং কুরুচিকর মন্তব্য করে কর্মীদের উজ্জীবিত করতে চাইছেন। তবে এটাই নতুন বা প্রথম নয়, এর আগেও আব্দুর রহিম বক্সী তাঁর হুমকির কারণে বারবার থেকেছেন বিতর্কের কেন্দ্রে। একাধিকবার তাঁর গলায় হুঁশিয়ারি এবং হুমকি শোনা গিয়েছে বিরোধীদের উদ্দেশে। সম্প্রতি মালদা দক্ষিণের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উদ্দেশ্যে তিনি জিভ টেনে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    গণতন্ত্র নেই রাজ্যে

    এধরনের ভাষা সন্ত্রাসই (TMC Violence) বলে দিচ্ছে রাজ্যের গণতন্ত্রের প্রকৃত চেহারা, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তৃণমূলের জেলা সভাপতির এহেন হুমকির পরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির মালদা জেলা সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “রাজনীতির ময়দান হোক বা অন্যক্ষেত্রে, সব জায়গাতেই তৃণমূলের অপসংস্কৃতি মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। কে কাকে তাড়াবে, সেটা সামনের ভোটেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। কুকথা বলা ও দুর্নীতি সবেতেই শিরোপা পেয়েছে তৃণমূল, এটা মানুষের কাছে ক্রমশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মোদি-শাহ সম্পর্কে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য! ৬০ তৃণমূল বিধায়কের নামে এফআইআর রাজ্য বিজেপির

    BJP: মোদি-শাহ সম্পর্কে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য! ৬০ তৃণমূল বিধায়কের নামে এফআইআর রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের বিরুদ্ধে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য! এই অভিযোগেই ৬০ তৃণমূল বিধায়কের নামে এফআইআর দায়ের করল বিজেপি। এর আগে বিজেপির (BJP) বিধায়কদের বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগ এনেছিল তৃণমূল, লালবাজারের তলব করা হয়েছিল বিজেপি বিধায়কদের। যদিও হাইকোর্ট এই মর্মে নির্দেশ দেয় যে এই মামলায় বিজেপি বিধায়কদের কোনওভাবেই গ্রেফতার করা যাবে না। তৃণমূলের করা মামালায় অতিসক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে পুলিশকে। এবার বিজেপির মামলায় পুলিশের ভূমিকা কী থাকে, সেটাই দেখার।

    হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়ের মামলা

    জানা গিয়েছে, হেয়ার স্ট্রিট থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজ্য বিজেপির দুই বিধায়ক। তাঁরা হলেন, তুফানগঞ্জের বিজেপি (BJP) বিধায়ক মালতি রাভা রায় এবং দেবগ্রাম ফুলবাড়ী কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই এফআইআর-এ নাম রয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বাবুল সুপ্রিয়, শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায় সমেত প্রত্যেক প্রথম সারির নেতার।

    বিজেপির অভিযোগ

    বিজেপির (BJP) ওই অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩০ নভেম্বর বিকাল তিনটে নাগাদ বিধানসভায় অম্বেডকর মূর্তির পাদদেশে মোদি ও শাহের নামে কুরুচিকর স্লোগান দেন তৃণমূলের বিধায়করা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে করা এই এফআইআর নিয়ে ট্যুইটও করতে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে।

    বিজেপির (BJP) দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এরকম কুরুচিপূর্ণ স্লোগান গুরুতর অপরাধ। দুই শীর্ষস্থানীয় পদমর্যাদার ব্যক্তিকে অপমানই নয়, দেশের অসংখ্য মানুষের ভাবাবেগেও আঘাত দিয়েছে এই স্লোগান। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly election 2023: ৩ রাজ্যে বিজেপির জয়, বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলির শিরোনামে মোদি

    Assembly election 2023: ৩ রাজ্যে বিজেপির জয়, বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলির শিরোনামে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে গতকালই (Assembly election 2023) বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। মোদি ঝড়ে সম্পূর্ণভাবে ধূলিসাৎ হয়েছে কংগ্রেস। উত্তর ভারতের অধিকাংশ রাজ্যই এখন বিজেপির দখলে। মোদির এই সাফল্যের প্রতিবেদন দেখা গেল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও। আন্তর্জাতিক মিডিয়া তিন রাজ্যে বিজেপির জয়কে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জনগণের মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবেই দেখতে চাইছে। ইতিমধ্যে বিদেশি মিডিয়াগুলি প্রচারও শুরু করে দিয়েছে, ২০২৪ সালে তৃতীয়বারের জন্য, অপ্রতিরোধ্যভাবে (Assembly election 2023) প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি।

    কী লিখল ‘নিউইয়র্ক টাইমস’?

    বহুল প্রচারিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড় এবং রাজস্থানের এই বিপুল জয়ের কারণে লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদিকে এগিয়ে রেখেছে। তাদের প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে, ‘‘প্রধান বিরোধী দল ক্রমশই দুর্ভাগ্যজনক জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে। তিন রাজ্যে মোদির জয় হয়েছে। আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজেপিকে বড় অ্যাডভান্টেজ দিতে চলেছে এই জয়।’’ আগামী মাসেই উদ্বোধন হতে চলেছেন রামমন্দিরের। সে কথা উল্লেখ করে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’ লিখেছে, ‘‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪-এর জানুয়ারিতে রামমন্দিরের উদ্বোধন করবেন। রামমন্দিরের উদ্বোধনও বিজেপিকে লোকসভা ভোটে ভালো মাইলেজ দেবে।’’ পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসাও শোনা গিয়েছে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এর ওই প্রতিবেদনে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘ভারতের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং সমাজের উন্নয়নের কাজে বিভিন্ন প্রকল্পকে সামনে এনেছেন মোদি।’’

    কী লিখল ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপর একটি উল্লেখযোগ্য সংবাদপত্র  ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটে বিজেপির জয়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়েছে। এবং সেখানেও একই ভাবে বলা হয়েছে যে নরেন্দ্র মোদির তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে, এই জয় অনুঘটকের কাজ করবে। ‘আল জাজিরা’ সংবাদমাধ্যমের মতে, ‘‘ভারতের বিজেপি চারটির মধ্যে তিনটি রাজ্য দখল (Assembly election 2023) করেছে, যা আগামী বছরে দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপিকে জিততে সাহায্য করবে।’’ বিজেপির এই জয়কে ঐতিহাসিকও আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘আল জাজিরা’তে।

    ‘রয়টার্স’-এর রিপোর্ট

    অন্যদিকে বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘‘তিন রাজ্যের জয়ে (Assembly election 2023) নরেন্দ্র মোদি অনেকটাই এগিয়ে গেলেন। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে।’’ নিউজ এজেন্সি ‘রয়টার্স’ জানিয়েছে, ক্ষমতায় আসার দশ বছর পরেও নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি এবং এই তিন রাজ্যের জয়ে বোঝা যাচ্ছে যে আগামী দিনে তাঁর হাতেই ক্ষমতা থাকতে চলেছে। ‘ফাইনান্সিয়াল টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী কংগ্রেস পার্টি ক্রমশই দুর্বল হচ্ছে এবং ভারতের রাজনীতিতে ২০১৪ সালের পর থেকে নরেন্দ্র মোদির আধিপত্য দেখা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana: তেলঙ্গানায় বিজেপির ভোট বেড়ে দ্বিগুণ, ১৪ শতাংশ ভোট সমেত মিলল ৮ আসন

    Telangana: তেলঙ্গানায় বিজেপির ভোট বেড়ে দ্বিগুণ, ১৪ শতাংশ ভোট সমেত মিলল ৮ আসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই চার রাজ্যের বিধানসভার ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ১১৯ আসন বিশিষ্ট তেলেঙ্গানাতে (Telangana) বিজেপি প্রার্থীর কাছে গোহারা হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর। ধরাশয়ী হয়েছেন কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি রেভানাথ রেড্ডি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, এই নির্বাচন তেলঙ্গানাতে (Telangana) বিজেপির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার কারণ ২০১৮ সালের নির্বাচনের সাপেক্ষে প্রায় দ্বিগুণ ভোট বৃদ্ধি হয়েছে বিজেপির।

    তেলঙ্গানায় বাড়ছে বিজেপি

    দেখা যাচ্ছে ২০১৮ সালে যেখানে সারা তেলঙ্গানা জুড়ে গেরুয়া শিবির ভোট পেয়েছিল ৭%, সেখানে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে সেই ভোট দাঁড়িয়েছে ১৩.৮৮ শতাংশে। ২০১৮ সালে তেলঙ্গানাতে গেরুয়া শিবির একটি মাত্র আসনে জিততে সমর্থ হয়। ২০২৩ সালের ভোটে বিজেপির সেই আসন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮। অন্যদিকে সেখানকার জনপ্রিয় নেতা টি রাজা সিং একমাত্র প্রার্থী হিসাবে ২০১৮ সালের বিধানসভা ভোটে (Telangana) জয়লাভ করেছিলেন। চলতি বছরের বিধানসভা ভোটে তিনি আবার জিতেছেন। সবথেকে জোর চর্চা চলছে তেলঙ্গানার (Telangana) কামারেড্ডি আসনকে নিয়ে। এখানেই কেভিআর-এর কাছে পরাস্ত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর এবং রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি রেভানাথ রেড্ডি।

    মোদির ট্যুইট

    বিজেপি যে বাড়ছে একথা উঠে আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ট্যুইট বার্তাতেও। তিন রাজ্যে জয়ের পরেই শুভেচ্ছা জানান মোদি। তেলঙ্গানাকে নিয়ে আলাদা ট্যুইটও করেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) লেখেন, ‘‘জনতা জনার্দনের সামনে মাথানত করি। ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানের ফলাফল এটা দেখায় যে সাধারণ মানুষ সুশাসন এবং উন্নয়ন চান, যা বিজেপির মূল মন্ত্র। এই রাজ্যের বাসিন্দাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। তাঁদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করতে চাই। দলের কার্যকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই। তাঁদের প্রত্যেকেই উদাহরণ স্থাপন করেছেন। তাঁরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং বিজেপির উন্নয়নের যে পরিকল্পনা তা মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘এ তো সবে ঝড়, লোকসভা নির্বাচনে মোদি সুনামি দেখবে দেশ’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘এ তো সবে ঝড়, লোকসভা নির্বাচনে মোদি সুনামি দেখবে দেশ’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ধুলিস্যাৎ কংগ্রেস। কংগ্রেসের দখলে থাকা রাজস্থান ও ছত্তিসগড়ও এদিন ছিনিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। মধ্যপ্রদেশেও বেড়েছে গতবারের থেকে ব্যবধান। জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা গেরুয়া ব্রিগেড। বাদ যায়নি পশ্চিমবঙ্গও। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন বিজেপির বিপুল জয়ের পরে বলেন, ‘‘এ তো সবে ঝড়। লোকসভা নির্বাচনে মোদি সুনামি দেখবে দেশ। তার প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গেও।’’

    আগামীকাল বিধানসভায় লাড্ডু বিলি

    আগামী লোকসভা নির্বাচন থেকেই পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের পথ প্রশস্থ হবে, এদিন একথা জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেন আগামীকাল বিধানসভায় লাড্ডুবিলি করা হবে। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে তিন রাজ্যের এই বিপুল জয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীদের রাস্তায় নেমে উল্লাস করতে দেখা যায়। এমন ছবি ধরা পড়েছে হাওড়ায়। হাওড়ার শিবপুর এলাকায় উচ্ছ্বাস করতে থাকা বিজেপি কর্মীদের দাবি, ‘‘এরাজ্যে পালাবদল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।’’

    ছত্তিসগড়ে শুভেন্দুর প্রচার করা আসনে বড় জয় বিজেপির

    কংগ্রেসের দখলে থাকা ছত্তিসগড় রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দু’ দফায়। ৭ এবং ১৭ নভেম্বর। এই নির্বাচনে সেখানকার বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে প্রচার করতে যান পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা। এদিন ফলাফল বের হওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) প্রচার করা সে রাজ্যের মতুয়া অধ্যুষিত আনতাবার বিধানসভায় বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিজেপি প্রার্থী বিক্রম উসেন্ডি।

    বড় জয় বিজেপির, প্রশ্নের মুখে ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যত

    লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা খেল কংগ্রেস। ট্রেন্ড অনুযায়ী ছত্তিসগড়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশে বিপুল জয়ের পথে বিজেপি। ৩ রাজ্যেই গেরুয়া আবির নিয়ে বিজোয়ৎসব পালন করতে শুরু করেছেন বিজেপি কর্মীরা। বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভা ভোট। তার আগে অ্যাসিড টেস্ট ছিল এই নির্বাচন। ৩ রাজ্যে বিজেপি ভালো ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। এরফলে ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যতও প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়ল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel: প্রত্যেক শ্রমিক পাবেন ১ লাখ টাকা, ঘোষণা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর

    Uttarakhand Tunnel: প্রত্যেক শ্রমিক পাবেন ১ লাখ টাকা, ঘোষণা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি মঙ্গলবার উদ্ধারকাজের পর ঘোষণা করেন যে ৪১ জন শ্রমিককেই ১ লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দেবে তাঁর সরকার (Uttarakhand Tunnel)। এর পাশাপাশি যে অস্থায়ী মন্দির সুড়ঙ্গের বাইরে স্থাপন করা হয়েছিল, যেখানে বসে পুজো করতে দেখা গিয়েছিল অস্ট্রেলীয় সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্সকে, সেই মন্দিরটি পাকাপাকিভাবে এবার তৈরি করার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, টানা ১৭ দিন সুড়ঙ্গে আটকে থাকার পর মঙ্গলবারই উদ্ধার করা হয় ৪১ জন শ্রমিককে।

    মুখ্যমন্ত্রীর ট্যুইট বার্তা

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand Tunnel) মুখ্যমন্ত্রী এর জন্য উদ্ধারকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘‘আমি সেই সমস্ত ব্যক্তিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যাঁরা এই উদ্ধার কাজে সামিল হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিও নিরবিচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ রেখেছিলেন আমাদের সঙ্গে। তিনি আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, সমস্ত শ্রমিকদের নিরাপদভাবে উদ্ধার করার। মোদিজির এই সমর্থন ছাড়া এ কাজ হয়তো সম্ভব ছিল না। বর্তমানে তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যে শ্রমিকদের ভালো করে যেন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তাদের যেন সমস্ত রকমের সুবিধার বন্দোবস্ত করে সরকার, সেই নির্দেশও দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী।

    অস্থায়ী মন্দির পুনর্গঠন

    মঙ্গলবার সুড়ঙ্গের (Uttarakhand Tunnel) বাইরে একটি অস্থায়ী মন্দিরে পুজো করতে দেখা গিয়েছিল আর্নল্ড ডিক্সকে। সেখানে বসে শ্রমিকদের জন্য মঙ্গল কামনা করেন অস্ট্রেলিয়ার এই সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ। ওই অস্থায়ী মন্দিরে এর আগে প্রার্থনা করতে দেখা গিয়েছে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামিকেও। ক্রমশই আটকে পড়া শ্রমিকদের পরিবার, উদ্ধারকারী দল এবং প্রশাসনের কাছে ওই মন্দির আস্থা ও ভরসার প্রতীক হয়ে ওঠে। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে ওই মন্দিরকে সরিয়ে ফেলতে চায়নি উত্তরাখণ্ড প্রশাসন (Uttarakhand Tunnel)। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে ওই মন্দিরকে পুনর্গঠন করা হবে। প্রসঙ্গত গত সপ্তাহের শুক্রবার ভেঙে পড়ে অগার মেশিন। এর পরে বিকল যন্ত্রাংশ বের করা হয় সোমবার সকালে। তারপরেই ম্যানুয়াল ড্রিলিং অর্থাৎ হাতে করে শাবল, গাঁইতি নিয়ে গর্ত শুরু করতে শুরু করেন উদ্ধারকারীরা। এতেই মেলে সাফল্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UNLF: মণিপুরে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইউএনএলএফ-এর আত্মসমর্পণ, কেন্দ্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্থাপন

    UNLF: মণিপুরে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইউএনএলএফ-এর আত্মসমর্পণ, কেন্দ্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্থাপন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসার আগুনে জ্বলে উঠেছিল মণিপুর। রক্তপাত, হানাহানি, লুট, হত্যা এগুলো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে উঠেছিল। গত মে মাস থেকে অশান্ত হতে থাকা মণিপুর এখনও বেশ খানিকটা থমথমে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে কুখ্যাত উগ্রপন্থী সংগঠন ‘ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট’ (UNLF) এর সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এই ঘটনাকে একটি মাইলস্টোন বলেও আখ্যা দিয়েছেন শাহ।

    কী বললেন অমিত শাহ?

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) শাহ লেখেন, ‘‘একটি মাইলফলক তৈরি হল। উত্তর-পূর্বে স্থায়ী ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মোদি সরকার যে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত হল। United National Liberationn Front আজ দিল্লিতে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ইউএনএলএফ মণিপুরের সবচেয়ে প্রাচীন সশস্ত্র সংগঠন। হিংসা ছেড়ে মূলস্রোতে ফিরতে রাজি হয়েছে তারা। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ওদের স্বাগত জানাই, শান্তি এবং প্রগতির জন্য শুভেচ্ছা রইল’’

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘ইউএনএলএফ-এর সঙ্গে ভারত সরকার এবং মণিপুর সরকার যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তাতে ছয় দশকের সশস্ত্র আন্দোলনে সমাপ্তির সূচনা ঘটল। সকলের উন্নয়নে বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উত্তর-পূর্বের যুবসমাজের জন্য সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী তিনি। তাঁর এই লক্ষ্য অর্জনের পথে এটি একটি মাইলফলক।’’

    কী বলছে UNLF?

    শাহের ট্যুইটের পর ইউএনএলএফ-এর চেয়ারম্যান লামজিংবা খানদোংবাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘ভারত সরকারের সঙ্গে আজ যুদ্ধবিরতির চুক্তি স্বাক্ষর করলাম আমরা।’’ প্রসঙ্গত, ১৯৬৪ সালে ইউএনএলএফ প্রতিষ্ঠা করেন এ সমরেন্দ্র সিং। গত ১৩ নভেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আটটি মেইতেই গোষ্ঠীর জঙ্গি সংগঠনের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করেন। এই সংগঠনগুলির মধ্যে ছিল ইউএনএলএফ-ও। এই ঘটনায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহকে। তিনি বলেন, ‘‘মোদিজীর নেতৃত্বে ইউএনএলএফ শান্তির পথ বাছল। আমি আশাবাদী এই রাজ্যে থাকা অন্যান্য জঙ্গি যারা অস্ত্র হাতে ধরেছে, তারাও খুব শীঘ্রই শান্তির পথ ধরে নেবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: উদ্ধারকাজ সফল হতেই শ্রমিকদের কুর্নিশ জানিয়ে ট্যুইট রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Uttarkashi Tunnel: উদ্ধারকাজ সফল হতেই শ্রমিকদের কুর্নিশ জানিয়ে ট্যুইট রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১৭ দিনের পর যুদ্ধ জয়। শ্রমিকরা বেরিয়ে আসতেই আবেগে ভেসেছে গোটা দেশ। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel) সফল হতেই এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) ৪১ জন শ্রমিককে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুকে। নিজের ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সাহস প্রত্যেকের কাছে অনুপ্রেরণা। অন্যদিকে, শ্রমিকদের সাহস ও ধৈর্যকে কুর্নিশ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘অবশেষে সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel) থেকে বেরোতে পেরেছেন সকলে। প্রত্যেকের সুস্থতা কামনা করি। এতদিন পর তাঁরা সবাই পরিবারের কাছে ফিরতে পারবেন। এই পরিবারগুলিও যে সাহস এবং ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। আর যাঁরা তাঁদের উদ্ধার করলেন, তাঁদের এই সাহসকে কুর্নিশ (Uttarkashi Tunnel)। আপনাদের সাহসিকতার জন্যই সব শ্রমিকরা শীঘ্রই বাড়ি ফিরবেন। আজকের এই দিন মানবতা আর পরিশ্রমের মেলবন্ধনের সাক্ষী হল।’’

    রাষ্ট্রপতির ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘গত ১৭ দিন ধরে উদ্ধারকারী দলকে নানা ঝুঁকি, নানা প্রতিকূলতার (Uttarkashi Tunnel) মধ্যে দিয়ে এগোতে হয়েছে। কিন্তু এঁরা কেউ হাল ছাড়েননি। শ্রমিকদের উদ্ধার করার জন্য শেষ অবধি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন সবাই। আজ আমি দারুণ খুশি। সকলকে অভিনন্দন। এই জয় আমায় আবেগপ্রবণ করে তুলেছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share