Tag: PM Modi

PM Modi

  • Sushil Modi: ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির  

    Sushil Modi: ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সঙ্গ ছেড়ে জেডিইউ (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডিকে (RJD) নিয়ে গড়েছেন মহাজোট। নীতিশের নেতৃত্বে শপথও নিয়েছে নয়া মন্ত্রিসভা। তার পরেই নীতীশকে তোপ বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদির (Sushil Kumar Modi)। সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, নীতীশের লক্ষ্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    অষ্টমবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নীতীশ। তার পরেই তাঁকে নিশানা করেন সুশীল মোদি। তিনি বলেন, নীতীশকুমার দীর্ঘদিন ধরে মনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন লালন করছিলেন। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেও সেরকম কোনও সুযোগ মেলেনি তাঁর। কারণ বিজেপিতে উঁচু দরের অনেক নেতা রয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ সহ অন্যরা রয়েছেন। আঠারো বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ সামলানোর পরে তিনি চাইছিলেন একটি ঝাঁপ দিতে। তিনি বলেন, নীতীশ কুমারের লক্ষ্য, লালন সিংয়ের লোভ এবং লালু যাদবের ক্ষমতায় ফিরতে বেপরোয়া হওয়া এই তিন কারণের জেরে বিহারের এই পট পরিবর্তন।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, নীতীশকে উপরাষ্ট্রপতি পদে বসানোর একটা ভাবনা জেডিইউয়ের তরফে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বের কানে। তবে বিজেপি সেটা গ্রহণ করেনি। কিছু বিষয় ছিল। তার পরেও তাঁর লাগাম পরানো যায়নি তাঁর লক্ষ্যে। সুশীল মোদি বলেন, নীতীশের জনপ্রিয়তা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। ২০১০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ১১৫টি আসন। ২০১৫তে কমে তা দাঁড়ায় ৭১এ। আর ২০২০ সালের নির্বাচনে তাঁর দল পায় মাত্রই ৪৩টি আসন। যেটা বেড়ে এখন ৪৫ হয়েছে। তিনি বলেন, নীতীশ যে ক্রমেই তেজস্বী যাদব শিবিরের দিকে ঝুঁকছেন, তা আমরা জানতাম। কিন্তু আমরা ভাবতে পারিনি তিনি তাঁর পুরানো শত্রু লালুর দলের সঙ্গে হাত মেলাবেন। ১৯৯৪ সালে নিজে দল গড়বেন বলে লালুকে প্রত্যাখান করেছিলেন নীতীশ। সেই থেকে ’১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিজেপির সঙ্গেই ছিলেন। প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটা জিনিস পরিষ্কার। বিহার বিধানসভার পরবর্তী নির্বাচনে আমরা নরেন্দ্র মোদির নামেই ভোট চাইব। তিনি বলেন, বিহার বিধানসভার পরবর্তী নির্বাচনে কী হবে তা বলতে পারব না। তবে ’২৪ সালে মানুষ মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন। সুশীল মোদি বলেন, বিহারে বিজেপির বুথ স্তর পর্যন্ত শক্তপোক্ত নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং আমরা সব শ্রেণিকে নিয়ে কাজ করছি। বিহারে নরেন্দ্র মোদি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির প্রতীক। তাই বলতেই পারি, মণ্ডলও (মণ্ডল কমিশন) আমাদের সঙ্গে রয়েছে, রয়েছে কমন্ডলুও (হিন্দু ভোট ব্যাংক)।

    আরও পড়ুন : বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

  • Partition Horrors Remembrance Day:  বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে নেহরুকে নিশানা বিজেপির

    Partition Horrors Remembrance Day:  বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে নেহরুকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভাজন বিভীষিকা স্মরণ দিবসে (Partition Horrors Remembrance Day) কংগ্রেসকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের। এদিন বিজেপির (BJP) তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। তাতে আক্রমণ শানানো হয়েছে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে (Jawaharlal Nehru)।

    সাত মিনিটের একটি ভিডিও তৈরি করে প্রচার করছে পদ্ম শিবির। আর্কাইভের ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা ওই ভিডিওয় পাকিস্তান (Pakistan) গঠনের জন্য মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বাধীন মুসলিম লিগের কাছে নেহরু নতি স্বীকার করেছিলেন বলে অভিযোগ বিজেপির। দেশভাগের সময়কার বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা ওই ভিডিও ট্যুইট করে বিজেপির পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, যাদের ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সভ্যতা, মূল্যবোধ, তীর্থস্থান সম্পর্কে কোনও জ্ঞানই ছিল না, তারা মাত্র তিন সপ্তাহে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এক সঙ্গে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে দেশভাগের রেখা টেনেছিল। এই বিভাজনকারী শক্তির সঙ্গে লড়াই করার দায়িত্ব যাদের ছিল, সেই সময় কোথায় ছিলেন তাঁরা? বাংলা এবং পাঞ্জাব ভাগের প্রসঙ্গও রয়েছে বিজেপির তৈরি করা এই ভিডিওয়।

    আরও পড়ুন :বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    গত বছরই দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবস পালন করার কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপির দাবি, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের জেরে ভারতীয়দের যে সমস্যা, দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়েছিল, তা মনে করাতেই এই উদ্যোগ। দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবসে নেহরুকেই নিশানা বিজেপির। এদিন সকালে এনিয়ে ট্যুইটও করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  

    পাল্ট জবাব দিয়েছে কংগ্রেসও। কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ ট্যুইট বার্তায় বলেন, এই দিনটি স্মরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মূল উদ্দেশ্য হল বর্তমান রাজনৈতিক লড়াইয়ের রসদ সংগ্রহ করা। লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুহারা হয়েছিলেন, প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাঁদের সেই ত্যাগের কথা ভুললে চলবে না। তাঁর প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী কি আজকে জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কেও স্মরণ করবেন, যিনি শরৎচন্দ্র বসুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলেন? তাঁর কটাক্ষ, আধুনিক কালের সাভারকার এবং জিন্নারা ফের বিভক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, গান্ধী, নেহরু, প্যাটেল সহ যাঁরা দেশকে এক করার চেষ্টা করেছিলেন, তাঁদের উত্তরাধিকারকে কংগ্রেস এগিয়ে নিয়ে যাবে। পরাজিত হবে বিদ্বেষের রাজনীতি।

    আরও পড়ুন : ফের উদ্ধার মোটা অঙ্কের টাকা, পুলিশ হেফাজতে ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক

     

  • VHP on Rohingya: রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    VHP on Rohingya: রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রোহিঙ্গাদের (Rohingya) ভারত (India) থেকে বের করে দেওয়া উচিত। অন্তত এমনই মন্তব্য করলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার (Alok Kumar)। রোহিঙ্গাদের দিল্লিতে পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। তার প্রেক্ষিতেই একথা বলেছেন অলোক কুমার। সরকারি সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনও (Surendra Jain)।

    মায়ানমার ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। দিল্লিতেও ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফ্ল্যাট দিচ্ছে কেন্দ্র। তাঁদের প্রহরায় মোতায়েন থাকবে দিল্লি পুলিশও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় হাউজিং অ্যান্ড আরবান অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী।

    ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ভারত বরাবরই এ দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য তৈরি করা ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের সাধারণ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং দিল্লি পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য থাকবে। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লেখেন, যাঁরা ভারতের শরণার্থী নীতিকে সিএএ-র সঙ্গে জুড়ে বিরোধিতা করে নিজেদের কেরিয়ার তৈরি করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ।

    আরও পড়ুন : পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির

    সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। অলোক কুমার বলেন, রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করার চেয়ে তাদের ভারতের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাই করা উচিত। তিনি বলেন, পাকিস্তান থেকে এদেশে আসা হিন্দু শরণার্থীরা মঞ্জু কা তিলা এলাকায় অতিকষ্টে দিন গুজরান করছেন। তাঁদের টপকে যেভাবে রোহিঙ্গাদের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রোহিঙ্গাদের ফ্ল্যাট এবং পুলিশ প্রহরা সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনও।

    আরও পড়ুন : ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

  • SC on Freebies: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Freebies: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির (Freebies) তুলনায় ভোটাররা (Voters) মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করতেই বেশি পছন্দ করেন। একশো দিনের কাজ প্রকল্প সহ বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজের মাধ্যমেই ভোটাররা রোজগার করতে পছন্দ করেন। বুধবার একথাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    ক্ষমতায় আসতে প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির (Election Freebies) বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Modi)। বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশের শীর্ষ আদালতও। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সম্প্রতি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া এক বিষয় নয়। বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন ওই মামলায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত ওই বেঞ্চ জানায়, নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, এমন উদাহরণও রয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি মনে করি না ভোটাররা নিখরচায় নানা পরিষেবা পেতে চান। সুযোগ পেলে তাঁরা সম্মানজনকভাবে রোজগার করতেই চাইবেন। যেমন একশো দিনের কাজ। এই প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকায় সম্পদও সৃষ্টি হবে। তাই আমি বিশ্বাস করি না যে নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোনও ফল দেয়। এর পরেই তিনি বলেন, নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছেন অনেক রাজনৈতিক দল, এমন উদাহরণও রয়েছে।

    আরও পড়ুন : ভোটারদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    আদালত জানায়, তাদের প্রাথমিক বিবেচ্য বিষয় হল, জনগণের টাকা ঠিকঠাক খরচ হচ্ছে কিনা। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে যা খরচ করা হয়, তা আদতে জনগণেরই টাকা। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দিনের শেষে নিখরচায় কোনও আহার জুটবে না। এদিন আরও একবার প্রধান বিচারপতি মনে করিয়ে দেন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সঙ্গে নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

  • Rakesh Jhunjhunwala: ৬০০ টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করানো জামাও কুঁচকে গিয়েছে…আক্ষেপ ভারতের বিগ বুল রাকেশের

    Rakesh Jhunjhunwala: ৬০০ টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করানো জামাও কুঁচকে গিয়েছে…আক্ষেপ ভারতের বিগ বুল রাকেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছশো টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করিয়েছেন জামা। তাও কুঁচকে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে ভারতের (India) ওয়ারেন বাফেট (Warren Buffett) রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার (Rakesh Jhunjhunwala) যে ছবি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে, তা নিয়েই এক সময় প্রশ্ন করা হয়েছিল ভারতীয় শেয়ার মার্কেটের (Share Market) এই বিগ বুলকে (Big Bull)। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ছশো টাকা দিয়ে জামা ইস্ত্রি করালেও জামার এই হাল।

    সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছে রাকেশ। ১৯৮৫ সালে মাত্র ৫ হাজার টাকা নিয়ে শেয়ার মার্কেটে এসেছিলেন। তার পর ক্রমেই পরিণত হয়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুলে’। কিছু দিন আগেই আকাশে ডানা মেলে তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় আকাশা এয়ারলাইন্সের বিমান। শেয়ার বাজারের লভ্যাংশ রাকেশ বিনিয়োগ করেছিলেন একাধিক শিল্প ও বাণিজ্যে। ফোবর্স ম্যাগাজিনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে রাকেশের সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অ্যাপটেক লিমিটেড ও হাঙ্গামা ডিজিটাল মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন রাকেশ। ছিলেন একাধিক সংস্থার ডিরেক্টরও।

    আরও পড়ুন : প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    এহেন রাকেশ যাপন করতেন অতি সাধারণ জীবন। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তিনি। তখনই তাঁর কুঁচকানো জমার ছবি ভাইরাল হয়। তাঁকে প্রশ্ন করতেই জানা যায়, অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন রাকেশ। রাকেশ জানিয়েছিলেন, অফিসে কোনও খদ্দের কিংবা ক্লায়েন্ট না থাকলে  তিনি শর্টস পরেও অফিস যেতেন। নিতান্তই সাদামাটা জীবন যাপন করতেন তাঁর স্ত্রী রেখা ঝুনঝুনওয়ালাও। তিনিও যে প্রচুর সম্পত্তির মালিক, তা নিয়ে ভাবতেন না রেখা। রাকেশ বলেন, আগে যে হুইস্কি আমরা খেতাম, এখনও তাই খাই। আগের মতোই একই গাড়ি চালাই। একই খাবার খাই। ভারতের ‘ওয়ারেন বাফেট’ বলেন, আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। আমি যদি তাজ মনসিং হোটেলেও থাকি, তাহলেও জিজ্ঞেস করি সস্তার ব্রেকফাস্টটা কী আছে?

    রাকেশের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা অদম্য। জীবনীশক্তিতে ভরপুর। রসিক, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। অর্থনৈতিক বিশ্বে তিনি তাঁর বিপুল অবদান রেখে গেলেন। ভারতের অগ্রগতি নিয়ে তিনি সব সময় ভাবতেন। তাঁর প্রয়াণ দুঃখের। রাকেশের শোকস্তব্ধ পরিবারকে সমবেদনাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?

     

  • Agriculture Loan: কৃষকদের স্বস্তি, কৃষি ঋণে দেড় শতাংশ হারে অর্থ সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Agriculture Loan: কৃষকদের স্বস্তি, কৃষি ঋণে দেড় শতাংশ হারে অর্থ সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণের (Agri Loan) ক্ষেত্রে বার্ষিক ১.৫ শতাংশ সুদে অর্থ সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet)। বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সভাপতিত্বে আয়োজিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ব্যাপারে সবুজ সংকেত মেলে। সরকারি ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, ক্ষুদ্র ঋণদানকারী সংস্থা সহ বিভিন্ন ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে ১.৫ শতাংশ সুদের হারে অর্থ প্রদান করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। ২০২২-২৩ থেকে ২৩-২৪ অর্থবর্ষে কৃষকদের স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণদানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

    কৃষকদের এই অর্থ সাহায্য দিতে গিয়ে সরকারি কোষাগারের খরচ হবে অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) জানান, কৃষি ঋণে এই অর্থ সাহায্যের ফলে বাজেটে অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা খরচ হবে। এই টাকা খরচ হবে ২০২২-২৩ থেকে ২৩-২৪ অর্থবর্ষে। কৃষি ক্ষেত্রে ঋণের জোগান ঠিক রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন : দেশবাসীর সুবিধাই আগে! জানুন রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে কী মত বিদেশমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, সুদে অর্থ সাহায্য বৃদ্ধির জেরে কৃষি খাতে ঋণ সরবরাহের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। সেইসঙ্গে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিরও আর্থিক দৃঢ়তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হবে। আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক ও সমবায় ব্যাংকের ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত কৃষি ঋণ নিশ্চিত করাই রয়েছে সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূলে। কেবল কৃষি ক্ষেত্রই নয়, এই স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণ দেওয়া হবে প্রাণীপালন, ডেয়ারি, পোলট্রি এবং মৎস্যচাষের ক্ষেত্রেও। ক্ষমতায় এসে কৃষকদের জন্য কিষান ক্রেডিট কার্ড চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিষান ক্রেডিট কার্ড স্কিমে কৃষকরা যে কোনও সময় ঋণের মাধ্যমে কৃষি পণ্য এবং পরিষেবা কিনতে পারেন। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি আত্মনির্ভর ভারত প্রচারে ৩.১৩ কোটিরও বেশি কৃষককে নয়া কিষান ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঢের বেশি। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২.৫ কোটি।

    আরও পড়ুন : অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপোশ করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

  • 75th Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে এবার লালকেল্লায় কোন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা? জানুন  

    75th Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে এবার লালকেল্লায় কোন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা? জানুন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর (75th Independence) পূর্তি  উৎসব। পালিত হবে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। এই উপলক্ষে সেজে উঠেছে দিল্লির লালকেল্লা (Red Fort)। স্বাধীনতা দিবসেব ঢের আগেই আক্ষরিক অর্থেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে লালকেল্লা। স্বাধীনতা দিবসে এই লালকেল্লা থেকেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জানা গিয়েছে, এবারের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের সংখ্যা হাজার সাতেক। তাঁদের নিরাপত্তার গড়ে তোলা হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। বসানো হয়েছে হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা। মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী,  অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত বিশেষ বাহিনীও। অনুষ্ঠান স্থলের প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্টে বসানো হয়েছে ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম। স্বাধীনতা দিবসে অন্তত ১০ হাজার সশস্ত্র পুলিশ কর্মী ঘিরে থাকবে লালকেল্লা চত্বর। জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়া পর্যন্ত লালকেল্লার আশপাশের ৫ কিলোমিটার এলাকাকে ঘোষণা করা হয়েছে নো কাইট ফ্লাইং জোন। ৪০০ কাইট ক্যাচার ও ফ্লায়ারও মোতায়েন করা হয়েছে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার তরফে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমও ইনস্টল করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতা-৭৫ এর সংকল্প হোক আত্মনির্ভর ভারত

    জানা গিয়েছে, প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্টে থাকবেন একজন করে আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিক। দিল্লির স্পেশাল পুলিশ কমিশনার দীপেন্দ্র পাঠক জানান, ইতিমধ্যেই দিল্লি জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। লাঞ্চ বক্স, জলের বোতল, রিমোট চালিত গাড়ির চাবি নিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে প্রবেশ করা যাবে না। তিনি জানান, অনুষ্ঠান শেষ না পর্যন্ত কেউ ঘুড়ি, বেলুন কিংবা চিনে লণ্ঠন ওড়ালে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশের ওই আধিকারিক জানান, বিভিন্ন জায়গায় কাইট ক্যাচার বসানো হয়েছে। এই কাইট ক্যাচারগুলি কোনও ঘুড়ি, বেলুন কিংবা চিনা লণ্ঠন অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছানোর আগেই ধরে ফেলবে। জানা গিয়েছে, লালকেল্লার অনুষ্ঠান যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সেজন্য বসানো হচ্ছে রাডারও। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে পুলিশি পেট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। এলাকার হোটেল, গেস্টহাউস, পার্কিংলট এবং রেস্তঁরাগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করা চলছে। এলাকার ভাড়াটে এবং বাইরে থেকে আসা লোকজন সম্পর্কেও নেওয়া হচ্ছে পুঙ্খানুপুঙ্খ খোঁজখবর।

    আরও পড়ুন : মমতার স্বাধীনতা প্রোফাইলে নেহরু বাদ, এলেন সর্দার প্যাটেল, অরবিন্দ

     

  • National Flag: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    National Flag: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পূর্তি। পালিত হবে ছিয়াত্তরতম স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতার (Independence Day) পঁচাত্তর বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে নানা অনুষ্ঠানের। তারই একটি হল আজাদি কা অমৃত মহোৎসব (Azadi Ka Amrit Mahotsav)। এই অনুষ্ঠান পালন করতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি মন কী বাত অনুষ্ঠানে এনিয়ে ঘোষণাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পালন করতে বলেন হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচিও। এই কর্মসূচি রূপায়ণ করতে জাতীয় পতাকা (National Flag) উত্তোলনে নিয়ে আসা হয়েছে বেশ কিছু বদল।

    অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেই সংশোধন করা হয়েছে ভারতীয় পতাকা বিধি ২০২২। ফ্ল্যাগ কোড অফ ইন্ডিয়া ২০২২ এর দ্বিতীয় ভাগের ২.২ অনুচ্ছেদের ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী জাতীয় পতাকা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের বাড়িতে যে কোনও সময়ই তোলা যেতে পারে। রাতের বেলায়ও। তবে এই পতাকার আকার বড় হতে হবে। ছেঁড়া পতাকা কখনওই উত্তোলন করা যাবে না। আগে নিয়ম ছিল, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্তই কেবল জাতীয় পতাকা তোলা যাবে। পলিয়েস্টারের তৈরি কিংবা মেশিনে তৈরি পতাকা উত্তোলনের অনুমতি ছিল না। এখন হাতে বা মেশিনে তৈরি সব ধরনের পতাকাই তোলা যাবে।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতা দিবসের উৎসবে ভিড় এড়িয়ে চলুন, সতর্ক করল কেন্দ্র

    জেনে নিন জাতীয় পতাকা তোলার সময় কী করবেন, আর কী করবেন না। হাতে কাটা, বোনা, মেশিনে তৈরি করা তুলো, সিল্ক বা খাদির পতাকা উত্তোলন করা যাবে। কোনও অবস্থায়ই জাতীয় পতাকা মাটিতে রাখা যাবে না। পতাকায় কোনও অক্ষর লেখা যাবে না। জাতীয় পতাকার রংয়ের পোশাক কখনওই পরা উচিত নয়। বাণিজ্যিকভাবে এই পতাকা ব্যবহার করা যাবে না। বিকৃত পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। জাতীয় পতাকার সঙ্গে অন্য কোনও পতাকা থাকলে, জাতীয় পতাকার স্থান হবে সবার ওপরে। যে দণ্ডে জাতীয় পতাকা থাকবে, সেখানে অন্য কোনও পতাকা রাখা যাবে না। পতাকার গেরুয়া রং সব সময় ওপরে থাকবে। ছেঁড়া কিংবা বিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। কোনও ব্যক্তির মৃতদেহের সঙ্গে কফিনে কিংবা চিতায় জাতীয় পতাকা দেওয়া যাবে না। পতাকার সঠিক অনুপাত হল ৩.২। জাতীয় পতাকার যেন অর্ধেক উত্তোলন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পতাকার শীর্ষে কোনও কিছুই রাখা যাবে না। এমনকী ফুলের মালাও।

    আরও পড়ুন : খুনের ভার পড়েছিল নূপুর শর্মাকে! উত্তর প্রদেশ পুলিশের জালে জঙ্গি

     

  • RSS: সব ভাষাই জাতীয় ভাষা, সব মানুষই আমার, ঘোষণা মোহন ভাগবতের

    RSS: সব ভাষাই জাতীয় ভাষা, সব মানুষই আমার, ঘোষণা মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ভাষাই জাতীয় ভাষা। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষও আমারই। রবিবার স্বাধীনতা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে এই কথা স্মরণ করিয়ে দেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, এই জগৎ বৈপরীত্যে ভরপুর। এর মধ্যে বিভিন্ন মতামত, আদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গিকে একসঙ্গে সামলানোর (Managing Dualities) ক্ষমতা একমাত্র রয়েছে ভারতের। বৈচিত্র্যকে কীভাবে সঠিকভাবে পরিচালন করা যায়, কীভাবে তার মধ্যেও একতাকে অটূট রাখা যায়, সেই কৌশল শেখার জন্য ভারতের দিকেই তাকিয়ে তামাম বিশ্ব। কারণ সেখানেই বিরাজ করছে বৈচিত্রের সহাবস্থান।

    আরএসএ প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, এমন অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে, যেগুলি আমাদের কখনওই বলা হয়নি। ঠিকঠাক ভাবে শেখানোও হয়নি। তিনি বলেন, আমরা ভুলে গিয়েছি আমাদের নিজস্ব প্রজ্ঞা এবং জ্ঞান। দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে বৈদেশিক শক্তির আক্রমণের কথা বলা হয়েছে ইতিহাসে। এই শক্তি মূলত এসেছিল উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল থেকে। আরএসএস প্রধান বলেন, আমরা অযথা সম্প্রদায় এবং এই জাতীয় বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিই। এগুলি মানুষে মানুষে এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে।

    আরও পড়ুন : ভারত এগোচ্ছে, প্রগতির ছবিও স্পষ্ট, জানালেন মোহন ভাগবত

    ভাগবত বলেন, মানুষে মানুষে ভাষা, পোশাক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকে ছোট ছোট পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু তাঁদের একটা বড় মন থাকতে হবে, যাতে এই পার্থক্যগুলি আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। এর পরেই সংঘ প্রধান মনে করিয়ে দেন, এই দেশের সব ভাষাই জাতীয় ভাষা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষই আমার। আমাদের এমন ভালবাসাই প্রয়োজন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শনিবার ভাগবত নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতরে তেরঙা উত্তোলন করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছিলেন। তারই অঙ্গ হিসেবে এদিন তোলা হয় তেরঙা।

    প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত আরএসএসের সদর দফতরে উড়ত কেবলই গেরুয়া পতাকা। সম্ভবত এবারই প্রথম উড়ল তেরঙা। এর ঠিক একদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ার ডিপিতেও গেরুয়ার বদলে তেরঙার ছবি দিয়েছিল আরএসএস। বদলেছিল সংঘ প্রধানের ডিপির ছবিও। এদিন আরএসএসের সদর দফতরে যান নাগপুর জেলা কালেক্টর আর বিমলা (R Vimla)। ভাগবতকে তিনি উপহার দেন একটি জাতীয় পতাকা।

    আরও পড়ুন : দেশের জন্য অনেক বলিদান দিয়েছে আরএসএস, হায়দরাবাদে মোহন ভাগবত

  • Congress: সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    Congress: সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহের শুরুতেই কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Poll)। অথচ ওই পদে প্রার্থী হতে রাজি নন কংগ্রেস (Congress) নেতা তথা গান্ধী পরিবারের সদস্য রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। নিতান্তই রাহুল ওই পদে না বসলে দীর্ঘ দিন পর এবারই প্রথম গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ বসতে চলেছেন ওই পদে।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। বিপুল শক্তি নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি (BJP)। ফের প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর দলের জাতীয় সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল। তার পর থেকে পদটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি আর সভাপতির পদে বসতে চান না। বয়সজনিত কারণ ও মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি চান এবার ওই পদে বসুন অন্য কেউ।

    সূত্রের খবর, দলের একটা বড় অংশ ওই পদে রাহুলকেই চাইছিলেন। তবে ওই পদে বসতে চান না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। অবশ্য কংগ্রেসেরই একটা অংশ রাহুলকে ওই পদে ফেরাতে মরিয়া। উনিশের ভোটের পর রাহুল ইস্তফাপত্র জমা দিলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। তবে রাহুলও সাফ জানিয়ে দেন তিনি ওই পদে থাকছেন না। তিনি এও জানিয়েছিলেন, পার্টি প্রেসিডেন্ট পদে গান্ধী পরিবারেরই কাউকে বসতে হবে, এমন কথা নেই। তার পর থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া।

    আরও পড়ুন : দায়িত্ব পেয়েই ইস্তফা গুলাম নবি আজাদের, ‘ক্ষোভের আঁচে’ বিপাকে কংগ্রেস

    রাহুল না বলে দেওয়ায় ওই পদে কাকে বসানো যায়, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্দরেই। তার পরেই জল্পনা দানা বাঁধছে কয়েকটি নাম নিয়ে। এঁরা হলেন, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, দলের সাধারণ সম্পাদক মুকুল ওয়াসনিক, লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। দলের একটি সূত্রের খবর, ওই পদে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে বসানোর চেষ্টা করছে কংগ্রেসের একটি অংশ। তবে প্রিয়ঙ্কাও রাজি না হলে সীতারাম কেশরির পর এই প্রথম গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ বসবেন ওই পদে। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন কেশরি।

    আরও পড়ুন : মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

LinkedIn
Share