Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi Hosts Dinner: জয়ের শংসাপত্র দ্রৌপদীকে, কোবিন্দের ফেয়ারওয়েল পার্টিতে চাঁদের হাট

    PM Modi Hosts Dinner: জয়ের শংসাপত্র দ্রৌপদীকে, কোবিন্দের ফেয়ারওয়েল পার্টিতে চাঁদের হাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি (President) পদে জয়ের শংসাপত্র পেলেন এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। এদিন নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় জয়ের শংসাপত্র। এদিকে, বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে হাজির ছিলেন শাসক ও বিরোধী দলের সব সাংসদরা।

    ২০ জনের নামের তালিকা থেকে এনডিএর তরফে বেছে নেওয়া হয়েছিল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। তিনি জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা। দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। বিজেপি বিরোধী ১৭টি দলের সম্মিলিত প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা। বিপুল ভোট তাঁকে পরাস্ত করে জয়মাল্য গলায় পরেন দ্রৌপদী। বৃহস্পতিবারই দ্রৌপদীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজেপি সহ এনডিএর সমস্ত দলের সমর্থন তো তিনি পেয়েইছেন, পেয়েছেন বিরোধীদের অনেকের সমর্থনও। তার জেরেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন এনডিএ প্রার্থী। তবে বৃহস্পতিবার দ্রৌপদীকে জয়ী ঘোষণা করা হলেও, তাঁর হাতে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় শনিবার। সোমবার  দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    এদিকে, রবিবার ২৪ জুলাই কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের। তাঁকে সংবর্ধনা দিতে প্রথা মাফিক নৈশভোজের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির হোটেল অশোকায় শুক্রবার হয় ওই অনুষ্ঠান।  এদিন বিকেল থেকে একে একে আসতে শুরু করেন সাংসদরা। উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সাংসদরা। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও হাজির ছিলেন এই ফেয়ারওয়েল পার্টিতে। উপস্থিত ছিলেন দেশের ভাবী রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্বয়ংও। পদ্ম পুরস্কার পাওয়া অনেকের পাশাপাশি জনজাতির অনেক নেতাও যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই নৈশভোজে। উপরাষ্ট্রপতি এম বেঙ্কাইয়া নাইডু, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং মন্ত্রিসভার সব সদস্যকেই দেখা গিয়েছে এই পার্টিতে। কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীও যোগ দিয়েছিলেন ফেয়ারওয়েল পার্টিতে।

    আরও পড়ুন : মমতা আদিবাসী বিরোধী? পোস্টার সাঁটিয়ে প্রমাণ বঙ্গ বিজেপি-র

    ২০১৭ সালে দেশের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন রামনাথ কোবিন্দ। তিনি ছিলেন দেশের দ্বিতীয় দলিত রাষ্ট্রপতি। রাইসিনা হিলসে এবার আসতে চলেছেন জনজতি সম্প্রদায়ের এক মহিলা। তিনি দ্রৌপদী মুর্মু।

     

  • BJP: মমতা আদিবাসী বিরোধী? পোস্টার সাঁটিয়ে প্রমাণ বঙ্গ বিজেপি-র

    BJP: মমতা আদিবাসী বিরোধী? পোস্টার সাঁটিয়ে প্রমাণ বঙ্গ বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Election) উপলক্ষে শহর কলকাতা ছয়লাপ বিজেপির (BJP) পোস্টারে। সেখানেই তুলে ধরা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বরূপ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আখ্যা দেওয়া হয়েছে উপজাতি সম্প্রদায় বিরোধী (Anti Tribal) হিসেবে। পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দেখা যাচ্ছে এনডিএ (NDA) প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) সঙ্গে। তারই নীচে একটি ছবি দেওয়া হয়েছে, যাতে দেখা যাচ্ছে জনজাতির দুই মহিলা গ্লাভস পরে নাচছেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। এখানেই আপত্তি বঙ্গ বিজেপির।

    রাত পোহালেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এনডিএ-র তরফে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মু। বিজেপি-বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা। যশবন্ত তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রসিডেন্ট। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং উদ্যোগী হয়ে তাঁকে টিকিট পাইয়ে দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী এই দুই প্রার্থীর ফারাক বিস্তর। দ্রৌপদী জনজাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। যশবন্ত উচ্চবর্ণের। সেই দ্রৌপদীকে তৃণমূল সমর্থন করছে না বলেই এখনও পর্যন্ত খবর। একেই হাতিয়ার করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীকে সমর্থন করে বিজেপিকে বার্তা উদ্ধব ঠাকরের?

    শহর ছেয়ে যাওয়া পোস্টারে রয়েছে দুটি ছবি। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী। আর তারই নীচে জনজাতি দুই মহিলার সঙ্গে নাচের তালে পা মেলাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনজাতির প্রতিনিধি ওই দুই মহিলার হাতে গ্লাভস। ছবিটি আলিপুরদুয়ার জেলার একটি অনুষ্ঠানের খণ্ডচিত্র। কিছুদিন আগেই ছবিটি ভাইরাল হয়েছিল। দেখা যাচ্ছিল, গণবিবাহের অনুষ্ঠানে আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে নাচছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু নাচার সময় তিনি যাদের হাত ধরলেন, তাদের হাতে গ্লাভস পরা। এই ছবি দেখিয়েই বঙ্গ বিজেপির দাবি , নাচের তালে পা মেলানোর দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে নিছকই ছবি তোলার উদ্দেশ্যে। চমক জাগানোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্য। খতিয়ে দেখলেই তাঁর স্বরূপ বেরিয়ে আসে। আর এই ছবি দেখিয়েই বঙ্গ বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী আসলে উপজাতি সম্প্রদায় বিরোধী।   

    আরও পড়ুন : পাখির চোখ ২৪ , দুর্বল বুথে শক্তি বাড়াতে নতুন কৌশল বিজেপি-র

    তবে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীর হয়ে তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের কাছে ভোট চেয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। যদিও দ্রৌপদীকে সমর্থনের ব্যাপারে ইতিমধ্যেই ভাঙন ধরেছে বিজেপি-বিরোধী শিবিরে। কংগ্রেসের জোটসঙ্গী শিবসেনা, সমাজবাদী পার্টির জোটসঙ্গী এসবিএসপি এবং আরজেডির জোটসঙ্গী ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীকেই সমর্থন করবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের কাকা শিবপাল সিং যাদবও সমর্থন করছেন দ্রৌপদীকেই।

    সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ভোটকে ঘিরে টানটান উত্তেজনা শাসক, বিরোধী দুই শিবিরেই। জয়ের পাল্লা ভারী দ্রৌপদীর দিকেই। হার নিশ্চিত বুঝে তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, আগে জানলে তিনি দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করতেন। তবে দেশে এই প্রথম কোনও আদিবাসী মহিলা যখন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হয়েছেন, তখন তাঁকে সমর্থন নিয়ে দূরত্ব বজায় রেখে, মুখ্যমন্ত্রী এটাই বুঝিয়ে দিলেন যে কোনটা তাঁর মুখ, কোনটা মুখোশ। আর একের পর এক এমন ঘটনা তুলে ধরেই রাজ্য বিজেপি স্পষ্ট করে দিল আদিবাসী সম্পর্কে মমতার স্বরূপ।  

     

  • All Party Meeting: সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, কী বললেন প্রহ্লাদ যোশী?

    All Party Meeting: সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, কী বললেন প্রহ্লাদ যোশী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon session)। তার আগে রবিবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meeting) বসল সরকার। রবিবার সকাল ১১টায় সংসদের অ্যানেক্স ভবনে বসে বৈঠক। সরকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। শনিবার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) ডাকা বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। তবে এদিন তৃণমূলের তরফে সর্বদল বৈঠকে হাজির ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের তরফে হাজির ছিলেন জয়রাম রমেশ, মল্লিকার্জুন খাড়গে।

    প্রথা মাফিক সংসদে প্রতিটি অধিবেশন শুরুর একদিন আগে সর্বদল বৈঠক ডাকে সরকার। রীতি মেনে ওই বৈঠকে হাজির হয় সব দলই। সংসদের কাজকর্ম স্বাভাবিক এবং সচল রাখতে বৈঠকে বিরোধীদের সহযোগিতা চায় সরকার। এদিনের বৈঠকে গরহাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। এ নিয়ে ট্যুইট বার্তায় কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ। তিনি লেখেন, সংসদে চলছে সর্বদল বৈঠক। অথচ প্রধানমন্ত্রীই সেই বৈঠকে নেই। এটা কী অসংসদীয় আচরণ নয়?

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    কংগ্রেসের এই প্রশ্ন-বাণের উত্তর দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগেও সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিতেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, মনমোহন সিংজি কতবার সর্বদলীয় বৈঠকে অংশ নিয়েছেন?  যোশী জানান, চলতি অধিবেশনে ৩২টি বিল আনবে সরকার। যার মধ্যে ১৪টি বিলই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। তবে আলোচনা ছাড়া যে সরকার পক্ষ বিল পাশ করাবে না এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশন চলবে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। এই অধিবেশন পর্ব চলাকালীনই হবে রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

     

  • Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন,  সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন, সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি চলছে দেশজুড়ে। ভোটের লোভে নানান প্রস্তাব দিচ্ছেন রাজনৈতিক নেতারা। বিনামূল্যে পরিষেবার ঢালাও প্রতিশ্রুতির দিচ্ছেন রাজনীতিবিদরা। এই সংস্কৃতি মারাত্মক। দেশের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকারক। ভোটের মুখে মিষ্টি মিষ্টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং পরে তার থেকে সরে আসার সংস্কৃতি সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে (Bundelkhand Expressway) উদ্বোধনের গিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জালাউনে ২৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন মোদি। যা নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। মোদি বলেন, “ যাঁরা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেন, তাঁরা কখনওই দেশবাসীর জন্য নতুন এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন বিমানবন্দর, নতুন প্রতিরক্ষা করিডর নির্মাণ করেন না। যৌথভাবে এই ক্ষতিকর সংস্কৃতিকে হারাতে হবে আমাদের। ভারতীয় রাজনীতি থেকে এই সংস্কৃতিকে নির্মূল করুন।” মোদি বিশেষভাবে সতর্ক করেন দেশের তরুণদের। তরুণ প্রজন্মের প্রতি মোদির বার্তা, সরকার যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, কোনও পরিকল্পনা করে, তবে তা অবশ্যই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে। যা কিছু দেশের জন্য ক্ষতি করে, উন্নয়নের পথ রুখে দেয়, তা থেকে সরে আসতে হবে আমাদের।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ! বায়োপিক- বিতর্কে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন

    উত্তরপ্রদেশে বিজেপির (BJP) ডাবল-ইঞ্জিন সরকার শর্টকাট না নেওয়ার পরিবর্তে রাজ্যের ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য কাজ করছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটা সময় সাধারণ মানুষ মনে করতেন, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করবে শুধু বড় শহরগুলো। এখন সেই ধারণা আমূল বদলে গিয়েছে। বিজেপি তার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে সকলের সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করার অধিকার রয়েছে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়ে দিল্লি এবং চিত্রকূটের দূরত্ব তিন থেকে চার ঘণ্টা কমিয়ে দেবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এই রাস্তা শুধু যে ভ্রমণের গতি বাড়াবে তাই নয়, বরং পুরো বুন্দেলখণ্ডে শিল্পের অগ্রগতি ঘটাতেও সাহায্য করবে, অভিমত মোদির। প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়েকে পর্যটন সার্কিটের স্নায়ুকেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • Covid Vaccine: কোভিড টিকাকরণে ২০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর    

    Covid Vaccine: কোভিড টিকাকরণে ২০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড টিকাকরণে (Covid-19 Vaccine) রেকর্ড গড়ল ভারত (India)। মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে ২০০ কোটি ডোজ টিকাকরণের মাইল ফলক (Milestone) ছুঁল দেশ। রবিবার এই মাইলস্টোন ছুঁয়েছে দেশ। তাই এদিনই চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সহ দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    টিকাকরণ মাইলফলক ছোঁয়ায় এদিন ট্যুইট বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ভারত আবার ইতিহাস গড়ল। ২০০ কোটি ডোজ টিকাকরণ সম্পূর্ণ করায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। যারা দেশের টিকাকরণকে অতুলনীয় গতিতে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের অভিনন্দন। কোভিডের বিরুদ্ধে বিশ্বের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে আছড়ে পড়ে করোনা ঢেউ।

    [tw]


    [/tw]

    প্রাণঘাতী ভাইরাসের শিকার হন বহু মানুষ। করোনা রুখতে ওই বছরেরই মার্চ মাস থেকে দেশে জারি হয় লকডাউন। ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হয় টিকাকরণ। প্রথমে টিকা দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকর্মী সহ প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের। পয়লা মার্চ থেকে শুরু হয় ষাটোর্ধ্বদের টিকাকরণ। ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে, শুরু হয় তাঁদের টিকাকরণও।

    আরও পড়ুন : প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ! বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    করোনার দাপট বাড়তেই পয়লা এপ্রিল থেকে ৪৫ ঊর্ধ্ব সকলকে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হয়। পয়লা মে থেকে আঠারো-ঊর্ধ্ব সকলের টিকাকরণ শুরু হয়। ২০২২ সাল থেকে ১৮ বছরের নীচে থাকা লোকজনকেও টিকা দিতে শুরু করে মোদি সরকার। পরে আঠারো-ঊর্ধ্ব বয়সী সবাইকেই নিখরচায় বুস্টার ডোজের অনুমতি দেয় কেন্দ্র। প্রথম বুস্টার ডোজ নিতে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। কিন্তু করোনার চতুর্থ ঢেউ চোখ রাঙাতেই ভিড় বাড়তে থাকে টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, টিকাকরণ শুরুর ন’ মাসের মধ্যেই একশো কোটির গন্ডি পার করেছিল ভারত। পরের ন’ মাসে সম্পূর্ণ হল আরও একশো কোটি ডোজ।

    আরও পড়ুন : ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

     

  • 2024 Lok Sabha Elections: পাখির চোখ ২৪ , দুর্বল বুথে শক্তি বাড়াতে নতুন কৌশল বিজেপি-র

    2024 Lok Sabha Elections: পাখির চোখ ২৪ , দুর্বল বুথে শক্তি বাড়াতে নতুন কৌশল বিজেপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মিশন ’২৪। আগামী লোকসভা নির্বাচনে (2024 Lok Sabha Election) ফের বিপুল ভোটে জিতে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফিরতে আশাবাদী বিজেপি (BJP)। জয়ের পথ যাতে মসৃণ হয়, সেই জন্য কেবল ‘পান্না প্রমুখ’-দের (Panna Pramukhs) ওপর নির্ভর করতে চাইছে না পদ্ম শিবির। বরং মহারণ জিততে দলীয় নেতৃত্ব স্থির করেছেন, হেরে যাওয়া লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে ৩০ জন করে উৎসর্গীকৃত ক্যাডারকে কাজে লাগাতে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে যেসব বুথে বিজেপি কম ভোট পেয়েছে, এঁরা মূলত সেই বুথগুলিকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করবেন।

    লোকসভা নির্বাচনের আর বছর দেড়েকও দেরি নেই। ওই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এখন থেকেই কোমর কষে নামছেন পদ্ম নেতৃত্ব। দুর্বল বুথগুলিকে সবল করার নির্দেশ এসেছে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) কাছ থেকে। তার পরেই দুর্বল বুথের তালিকা তৈরি করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উচ্চ নেতৃত্বের কাছে।

    আরও পড়ুন : অরুণাচল প্রদেশে ১০২ আসনে জয়ী বিজেপি, কী বললেন আইনমন্ত্রী?

    বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রে যে ৩০ জন সদস্যকে নিয়োগ করা হবে, সেই ‘কার্যকর্তা প্রভাস’-রা যাবেন দুর্বল বুথগুলিতে। বোঝার চেষ্টা করবেন সমস্যার কারণ। কথা বলবেন ভোটারদের সঙ্গেও। বুথ থেকে প্রাপ্ত তথ্য তাঁরা দেবেন শীর্ষ নেতৃত্বকে। সেই মতো ব্যবস্থা নেবেন দলের ভোট ম্যানেজাররা। কারা পাবেন এই দায়িত্ব? গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দলের প্রত্যেক সাংসদকে নিজ এলাকা থেকে তিরিশ জন নিবেদিত কর্মীর নাম দিতে বলা হয়েছে এমাসের মধ্যে। সেই কর্মীদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করবে দল। করা হবে সমাধানও। 

    আরও পড়ুন : রাজ্যে ৩ থেকে ৭৭ হয়েছে বিজেপি। বাংলায় আগামী দিনে বাজিমাত করবে পদ্ম-ই। বললেন মিঠুন

    সাংসদদের ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে দুর্বল বুথ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। বিজেপির নিজস্ব ‘সরল’ অ্যাপের মাধ্যমে ওই তথ্য পাঠাতে হবে। সূত্রের খবর, কেবল মাত্র দলীয় সাংসদরাই এই অ্যাপ অ্যাক্সেস করতে পারেন। সেটা তাঁরা করতে পারেন তাঁদের নথিভুক্ত মোবাইল ফোন দিয়েই। এখানে তথ্য জমা দেওয়ার কাজও করতে পারবেন তাঁরা। উনিশের ভোটে যেসব লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছিলেন, সেগুলির সমস্যা অনুসন্ধান করতে রাজ্যসভার সাংসদদেরও কাজে লাগানো হবে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর।

  • Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রচারে  রাজ্যে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের (Shinzo Abe) হত্যার প্রেক্ষিতে চলা রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ৯ জুলাই কলকাতা সফর স্থগিত করেছিলেন এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। তার পরেও প্রচারে বাদ পড়ছে না পশ্চিমবঙ্গ। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা আসছেন তিনি। তার আগেই অবশ্য পৌঁছে যাবেন শিলিগুড়ি। সেখানে উপস্থিত হবেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীসহ সমস্ত বিধায়কেরা। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করে দ্রৌপদী সন্ধ্যায় কলকাতা পৌঁছবেন। পরের দিন বিজেপির বিধায়ক-সাংসদদের সঙ্গে দেখা করে চলে যাবেন বিজয়ওয়াড়া।

    রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জানান, ঝটিকা সফরে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছবেন আমাদের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী। তিনি সোমবার উত্তরাখণ্ড দিয়ে প্রচার শুরু করবেন। দুপুরে সিকিমের জন প্রতিনিধিদের কাছে ভোট চাওয়ার জন্য আসবেন শিলিগুড়ি। সেখান থেকে কলকাতা। দমদম বিমানবন্দরে রাজ্যের বিভিন্ন আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীকে অভ্যর্থনা জানাবেন। তাঁর সফরসঙ্গী হবেন, দুই হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্রসিংহ শেখাওয়াত এবং সর্বানন্দ সোনওয়াল। থাকবেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র।

    আরও পড়ুন: মোদি-আবে রসায়নই কি চিন্তা বাড়িয়েছিল চিনের? ইন্দো-জাপান মধুর সম্পর্কের স্থপতি শিনজো

    বিজেপি সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার সকালে দ্রৌপদীদেবী স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি গিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যেতে পারেন। এরপর ফিরে এসে ইএম বাইপাসের ধারে একটি হোটেলে বিজেপির বিধায়ক-সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকের পরেই তিনি চলে যাবেন বিজয়ওয়াড়ায়। তাঁর সফরকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা বিধানসভার স্পিকার কারও সঙ্গেই তাঁর দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানা গিয়েছে। গত ৯ জুলাইয়ের সফরেও তেমন কোনও সম্ভাবনা ছিল না।

    ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক-সাংসদ যাতে দ্রৌপদী দেবীকে ভোট দেন তার অনুরোধ জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যৌথভাবে চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠি পাওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হঠাৎই তাঁর অবস্থান বদল করে জানান, আগে জানলে তিনি দ্রৌপদী দেবীকে সমর্থন করতেন। অনেকেই মনে করছেন, আদিবাসী ভোট হারানোর ভয়ে মুখ্যমন্ত্রী এমন অবস্থান নিয়েছেন। বিজেপির অবশ্য দাবি, রাষ্ট্রপতি পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম পছন্দের প্রার্থী ছিলেন ফারুক আবদুল্লা। উল্টোদিকে নরেন্দ্র মোদীজি (Narendra Modi) বেছে নিয়েছেন জনজাতি মহিলা দ্রৌপদী মুর্মুকে। যা কিনা মোদীর মাস্টার স্ট্রোক হিসাবেই দেখছেন অনেকে।   

    আরও পড়ুন: আগামী ৯ জুলাই রাজ্যে প্রচারে আসতে পারেন এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু, প্রস্তুতি তুঙ্গে

  • Chess Olympiad: চেজ ওলিম্পিয়াডের পোস্টারে প্রধামমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির ছবি,  কী বলল মাদ্রাজ হাইকোর্ট?

    Chess Olympiad: চেজ ওলিম্পিয়াডের পোস্টারে প্রধামমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির ছবি, কী বলল মাদ্রাজ হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেন্নাইতে হতে চলেছে ৪৪তম চেজ ওলিম্পিয়াড(Chess Olympiad)। সেই উপলক্ষে টাঙানো হয়েছে বিলবোর্ড (Bill Board)। তাতে ছবি নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। এর পরেই কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মী গিয়ে বিলবোর্ডে সাঁটিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এর ঠিক পরের দিনই মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court) তামিলনাড়ু সরকারকে সাফ জানিয়ে দেয়, ওলিম্পিয়াডের বিলবোর্ড, পোস্টারে রাখতে হবে রাষ্ট্রপতি (President) এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি।
    কিছুদিন পরেই তামিলনাড়ুতে হতে চলেছে ৪৪তম চেজ ওলিম্পিয়াড। আন্তর্জাতিক এই দাবা প্রতিযোগিতা উপলক্ষে শহর ছয়লাপ মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছবি সম্বলিত পোস্টারে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হওয়া সত্ত্বেও তাতে রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী ছবি ছিল না। আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যখন দেশ ব্যস্ত তখন রাষ্ট্রপতির ছবি মেলেনি। তাই পোস্টারে ছবি দেওয়া হয়নি রাষ্ট্রপতির। আর পোস্টারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া হয়নি কারণ, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে তাঁর ছবি ছাপার অনুমতি এসেছিল দেরিতে।

    আরও পড়ুন : শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    রাজ্য সরকারের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি মুনিশ্বর নাথ ভাণ্ডারি ও বিচারপতি এ আনন্থির ডিভিশন বেঞ্চ। তাঁরা জানান, দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে জাতির গুরুত্বটাই সবার ওপরে হওয়া উচিত। যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের ছবি থাকে। কারণ তাঁরাই দেশের প্রতিনিধি। এটা শুধুই দেশের উন্নতির চিত্র প্রদর্শন নয়, এটা অল্প সময়ে ওই দেশের আয়োজনের ক্ষমতাও প্রমাণ করে। রাজ্য সরকার সহ প্রত্যেক সরকারের এ ব্যাপারে কাজ করা উচিত। যখন দেশ এমন এক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে, তখন সেটা যাতে নিখুঁতভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেটা যাতে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, তার ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা প্রশাসনকে আদালত এও জানিয়ে দিয়েছে, যেসব বিজ্ঞাপনে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মাননীয় রাষ্ট্রপতি এবং প্রধামন্ত্রীর ছবি রয়েছে, তা যেন বিকৃত করা না হয়। যদি  এমন খবর আসে, তাহলে অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন : রনিল বিক্রমাসিংহেকে ‘চিঠি’ দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

     

     

  • Modi on Digital India: ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি  

    Modi on Digital India: ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল ইন্ডিয়ার (Digital India) পক্ষে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। গুজরাটের (Gujrat) গান্ধীনগরে ডিজিটাল ইন্ডিয়া সপ্তাহ পালনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানেই মোদি বলেন, ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত। তাঁর মতে, ডিজিটাল ইন্ডিয়া সরকারি স্বচ্ছতাকে একটি ভিন্ন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। দেশবাসীর জীবনে পরিবর্তনের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রশংসাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    গান্ধীনগরে ডিজিটাল ইন্ডিয়া সপ্তাহ ২০২২ (digital india week 2022) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন মোদি। বলেন, পরিবর্তনশীল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নয়া প্রযুক্তি গ্রহণ না করলে পিছিয়ে পড়বে দেশ। মোদি বলেন, আজ থেকে আট দশ বছর আগে আমাদের সব কিছুর জন্য লাইনে দাঁড়াতে হত। বিল জমা দেওয়া থেকে শুরু করে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র সব কিছুর জন্যই লাইন দিতে হত। আমরা অনেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। কিন্তু এখন তা অতীত। অনলাইনে সব কিছু পাওয়া যায়। ডিজিটাল ইন্ডিয়া দুর্নীতি থেকে দরিদ্রদের রক্ষা করেছে। এটি সমস্ত ক্ষেত্রে মধ্যসত্ত্বভোগীদের নির্মূল করেছে।

    আরও পড়ুন : শুধু হিন্দু নয়! সব সম্প্রদায়ের নিপীড়িত মানুষের কাছে যান, বললেন মোদি

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভাষানি ও ডিজিটাল ইন্ডিয়া জেনেসিস প্রোগ্রামেরও সূচনা করেন। বলেন, এই প্রকল্পগুলির মূল উদ্দেশ্যেই হল প্রযুক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানো। সেই সঙ্গে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা। মোদি বলেন, নয়া প্রযুক্তির যেসব ব্যবসা চালু হচ্ছে সেগুলি দেশবাসীর জীবনযাত্রার মান আরও শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া প্রকল্প ভারতের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

    আরও পড়ুন : “আর চলছে-চলবে নয়, করতে হবে-তে বিশ্বাস রাখে ভারত”, মিউনিখে মোদি

    করোনা অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই করতেও ডিজিটাল ইন্ডিয়া যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মোদি। বলেন, ভারতই একমাত্র দেশ যারা প্রযুক্তির মাধ্যমে টিকাদান কর্মসূচি পালন করছে। বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ডিজিটাল ইন্ডিয়া গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান তিনি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে গোটা ভারতেই ডিজিটাল ইন্ডিয়া সফল হয়েছে। সকলেই মোবাইল ব্যবহার করে সরকারি সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছে। এখন প্রযুক্তির সুফল ভোগ করছে গোটা দেশই।

     

  • Modi in Pavagadh temple: হাজার বছর পুরনো পওয়াগড় কালীমন্দিরে পুজো মোদির, জানেন এখানকার ইতিহাস?

    Modi in Pavagadh temple: হাজার বছর পুরনো পওয়াগড় কালীমন্দিরে পুজো মোদির, জানেন এখানকার ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চমহল জেলার প্রসিদ্ধ পওয়াগড় কালী মন্দিরের (Pavagadh temple) ধর্ম-ধ্বজা ওড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।  আড়াইশোটি সিঁড়ি ভেঙে পাহাড়ের উপর অবস্থিত ওই মন্দিরে শনিবার বিশেষ পুজোয় অংশ নেন তিনি।  অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। 

    এদিন পওয়াগড় কালী মন্দিরে মোদির প্রার্থনাকে ঐতিহাসিক অ্যাখ্যা দিচ্ছেন অনেকে।  মন্দিরটি এই অঞ্চলের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির মধ্যে একটি। প্রতিদিন এখানে প্রচুর দর্শনার্থী ভিড় করেন। কিন্তু গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন কখনও এই মহাকালী মন্দিরে আসেননি মোদি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, জরাজীর্ণ মাতৃ মন্দির দেখতে রাজি ছিলেন না তিনি। আবার কারওর মতে, মন্দিরের ওপর দরগা থাকায় তিনি এতদিন দর্শন করেননি। এখন তাই সংস্কার ও দরগা সরে যাওয়ার পর এই মন্দিরে গেলেন মোদি। পূজো দিলেন এবং ওড়ালেন মন্দিরের ধ্বজা। 

    গুজরাট সরকার সূত্রে খবর, পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে এই মন্দিরটি জরাজীর্ণ ছিল। এটিকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। সরকারের তরফে পুরো মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হলেও মূল গর্ভগৃহটি অক্ষত রাখা হয়েছে। গর্ভগৃহ পরিবর্তন না করে প্রথমে পাহাড়ের চূড়া প্রশস্ত করে একটি বড় মন্দির গঠনের জন্য ভিত তৈরি করা হয়। তারপর নির্মিত হয় মন্দিরের প্রথম ও দ্বিতীয় তল। 

    আরও পড়ুন: ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    কথিত আছে, পওয়াগড়ে পাহাড়ের চূড়ায় এই কালী মন্দিরটি একাদশ শতাব্দীতে তৈরি হয়েছিল। পঞ্চদশ শতাব্দীতে সুলতান মাহমুদ বেগদার চাম্পানের আক্রমণের সময় মন্দিরের চূড়াটি ভেঙে ফেলা হয়। সেখানে নির্মাণ করা হয় পীর সাদানশাহের মাজার। মন্দিরের উপরের অংশ এতদিন দরগা কর্তৃপক্ষের দখলে ছিল। কয়েক দফা আলোচনার পর দরগা কমিটির কর্মকর্তারা মন্দিরের উপরের অংশ খালি করে দেন। তাঁদেরকে অন্যত্র জায়গা দেওয়া হয়। এরপরই পতাকা উত্তোলনের জন্য নতুন স্তম্ভ স্থাপন করা হয়, বলে সরকারি সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই ইউনেস্কো (UNESCO) মন্দিরটিকে সারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির মধ্যে একটি বলে বর্ণণা করেছে।

    মন্দিরের শীর্ষে ধ্বজা উড়িয়ে মোদি বলেন, “এই মুহূর্ত আমার হৃদয়কে বিশেষ আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে। এই শেখর পতাকাটি আমাদের বিশ্বাস এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। এটা প্রমাণ করে শতাব্দী বদলায়,সময় বদলায় কিন্তু বিশ্বাসের শিখর চিরন্তন।”

LinkedIn
Share