Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর পার্শ্ব বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা ডিসানায়াকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় (AI Summit)। এই সময় দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রেসিডেন্ট দিসানায়কের দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন।

    ভারত-শ্রীলঙ্কা পার্শ্ব বৈঠক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া অগ্রগতিও দুই নেতা পর্যালোচনা করেন, যার মধ্যে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির শ্রীলঙ্কা সফর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁরা ভৌত, ডিজিটাল এবং জ্বালানি সংযোগ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ দ্রুততর করার বিষয়ে অভিন্ন সংকল্পের ওপর জোর দেন। উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা স্বীকার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময়ও করেন। সাইক্লোন ‘দিতওয়া’র পর ভারতের দ্রুত ও নিঃশর্ত সাহায্যের জন্য প্রেসিডেন্ট দিসানায়ক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথম প্রতিক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’র অধীনে জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে। ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্য প্যাকেজের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রকল্পে যে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে, তাও উল্লেখ করেন দুই নেতা রাষ্ট্রনেতা (PM Modi)।

    সভ্যতাগত বন্ধন

    শ্রীলঙ্কায় পবিত্র দেবনিমোরি ধাতুর সফল প্রদর্শনীকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতা বলেন, “দুই দেশের সভ্যতাগত বন্ধন ভারত-শ্রীলঙ্কা অংশীদারিত্বকে অনন্য শক্তি দেয়।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডিসানায়াকা শ্রীলঙ্কার মজবুত উন্নয়নের প্রয়োজন মেটাতে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা জোরদার করতে যৌথভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

    ভারত-মরিশাস বৈঠক

    এদিনই পার্শ্ব বৈঠকে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীন চন্দ্র রামগুলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের দ্বিতীয় ভারত সফর। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সাম্প্রতিক টেলিফোনালাপের পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতা ‘এনহ্যান্সড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’র অধীনে অগ্রগতির পর্যালোচনা করেন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল সহযোগিতা-সহ বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করেন। উদীয়মান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব স্বীকার করে তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনভিত্তিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

    মরিশাসের উন্নয়নে অগ্রাধিকার

    দুই রাষ্ট্রনেতাই মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সমর্থন করে ভারতের প্রদত্ত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন, মরিশাস ভারতের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি আদর্শ উদাহরণ, যা পারস্পরিক আস্থা ও অগ্রগতির যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)। দুই প্রধানমন্ত্রী ভারতের ‘ভিশন মহাসাগর’ এবং ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অধীনে ভারত–মরিশাস অংশীদারিত্বের স্থায়ী গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা জোর দেন যে এই অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং গ্লোবাল সাউথের অভিন্ন অগ্রাধিকারের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে (AI Summit)। নেতারা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি জোরদারে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়েও একমত হন (PM Modi)।

     

  • India-Bangladesh Visa: সম্পর্ক মেরামতের বার্তা! ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া ফের শুরু ঢাকার, তারিকের প্রথম বিদেশ সফর কি দিল্লি?

    India-Bangladesh Visa: সম্পর্ক মেরামতের বার্তা! ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া ফের শুরু ঢাকার, তারিকের প্রথম বিদেশ সফর কি দিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, বাংলাদেশে ভারতের নাগরিকদের জন্য পুনরায় সব ধরনের ভিসা (India-Bangladesh Visa) পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া সাময়িক ভাবে বন্ধ রেখেছিল বাংলাদেশ। ফের তা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েনের আবহে বড় পদক্ষেপ ঢাকার নতুন সরকারের। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের পর বদলে গিয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। বিদায় নিয়েছেন মহম্মদ ইউনূস, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান। কূটনৈতিক মহলে জল্পনা প্রধানমন্ত্রী তারেকের প্রথম বিদেশ সফর শুরুও হতে পারে ভারত দিয়ে।

    দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত

    ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পুনরায় সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। প্রায় দুই মাস ধরে এই পরিষেবা স্থগিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও ভারত-বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ভিসা পরিষেবা স্থগিত ছিল। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেকের (Tarique Rahman) নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সব ক্যাটাগরিতে ভিসা পুনরায় চালু

    বাংলাদেশ শুক্রবার থেকে পর্যটন, চিকিৎসা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানসহ সব ধরনের ভিসা ইস্যু পুনরায় শুরু হয়েছে। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। ভিসা ও দূতাবাস সংক্রান্ত (কনস্যুলার) অন্যান্য সুযোগসুবিধা ভারতীয়দের জন্য ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। বিএনপি নেতারা ভারতকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছেন। এর আগে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির জেরে গত ডিসেম্বরে কনস্যুলার ও ভিসা পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছিল। ভারতবিরোধী ছাত্রনেতা শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়, যেখানে ভারতবিরোধী স্লোগান ওঠে এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটে। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছায়। তবে ঢাকায় নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, ব্যবসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ভিসা আগেই চালু ছিল, কিন্তু এখন চিকিৎসা, পর্যটন-সহ সমস্ত বিভাগেই ভিসা পরিষেবা পুনরায় স্বাভাবিক করা হয়েছে।

    ভারতের ইতিবাচক ইঙ্গিত

    এদিকে, নয়াদিল্লিও ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে উভয় দেশ ভিসা প্রক্রিয়ায় একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। যার ফলে ভারতে যাওয়ার জন্য কেবল মেডিক্যাল ভিসা ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছিল এতদিন। এবার গোটা ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হতে চলছে বলেই জানিয়েছেন সিলেটের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি ত্যাগ করে ভারতে চলে আসার পর থেকেই সে দেশে সংখ্যালঘুদের অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ। সংখ্যালঘু নির্যাতনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে বার বার। একাধিক বার তা নিয়ে উদ্বেগ জানায় ভারত সরকারও। এই পরিস্থিততে গত ডিসেম্বরে সংখ্যালঘু পীড়নের প্রতিবাদে দুই দেশের মধ্যে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করা হয়। পদ্মা-পাড়ে সরকার পরিবর্তনের ফলে দু’মাসের মধ্যে তা বদল করা হল।

    সম্পর্ক রক্ষায় বিশ্বাসী ভারত

    ভারত (India-Bangladesh Visa) সরকারের তরফে আগেই আভাস দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে। সেইমতো নাগরিক স্তরের যোগাযোগের দুয়ার খুলে দেওয়া হচ্ছে।‌ এদিকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত সুসম্পর্ক গড়ার কাজ চালিয়ে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক মহলের খবর, চলতি বছরে গঙ্গার জল চুক্তির পুনর্নবীকরণকে‌ ভিন্নমাত্রা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যদিও অফিসার পর্যায়ে এখনও চুক্তি পুনর্নবীকরণের বেশ কিছু ইস্যুর ফয়সালা হয়নি।

    স্বাস্থ্য-শিক্ষা-কৃষি-জলবায়ু থেকে ক্রীড়া

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পরেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্কের উন্নতি চায় বাংলাদেশ। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজ়ুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা চালিয়ে নিয়ে যেতে চায় না বাংলাদেশ। মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ক্ষমতায় আসার পরই তারেক জানিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার হবে দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং খাদ্য নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। এর পাশাপাশি অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের নীতি প্রণয়ন করবে সরকার। ভারত এবং অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক স্থাপন করা বাংলাদেশের বিদেশনীতিতে অগ্রাধিকার পাবে।

    ভারতে আসছেন তারেক

    ইউনূস শাসনের দীর্ঘ ১৭ মাসের অস্থিরতা শেষে বাংলাদেশের বুকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্থায়ী সরকার। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শপথের দিনেই সপরিবারে ভারতে আসার জন্য খালেদা পুত্রকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘দূত’ ওম বিড়লা। শুধু তাই নয়, তারেকের সঙ্গে একান্ত বৈঠকও করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। ফলে অতীত ভুলে নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ফের কাছাকাছি! মনে করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথের দিনেই বাংলাদেশে গম রফতানির দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত। যা ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এরপরই ভিসা নিয়ে সিদ্ধান্ত। কূটনৈতিক মহলের অনুমান, ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে খুব শীঘ্রই গঙ্গা-পাড়ে আসতে পারেন তারেক। অতীতে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীরা প্রথম বিদেশ সফরে ভারত সফরের রীতি অনুসরণ করেছেন। যদিও গত বছর মহম্মদ ইউনূস প্রথম সফরে চিন যাওয়ায় সেই প্রথা ভেঙেছিল, যা নয়াদিল্লিতে অসন্তোষের কারণ হয়েছিল।

  • AI Impact Summit: এআই সামিটে জামা খুলে প্রতিবাদ কংগ্রেসের! বিশ্বের দরবারে দেশকে ছোট করার চেষ্টা, বলল বিজেপি

    AI Impact Summit: এআই সামিটে জামা খুলে প্রতিবাদ কংগ্রেসের! বিশ্বের দরবারে দেশকে ছোট করার চেষ্টা, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলনে (AI Impact Summit) অদ্ভুত আচরণ চার কংগ্রেস যুব নেতার। নিরাপত্তাবাহিনীর নজর এড়িয়ে মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে মোদি ও সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা গেল যুব কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের। শুক্রবার এই ঘটনায় ৪-৫ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। জানা যাচ্ছে, কংগ্রেসের ১০ জন সদস্য এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। গোটা ঘটনায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি।

    কীভাবে বিক্ষোভ কংগ্রেসের

    দিল্লি পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কিউআর-কোড যুক্ত পাশ ব্যবহার করে এই সম্মেলনে (Delhi AI Summit) প্রবেশ করেছিল অভিযুক্তরা। এরপর সকলের অলক্ষে মঞ্চের সামনে গিয়ে নিজেদের জামা খুলে প্রতিবাদ দেখাতে থাকে ১০ প্রতিবাদী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করা হয় পুলিশের তরফে। ঘটনায় ৪ থেকে ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। অভিযুক্তরা নিজেদের যুব কংগ্রেসের সদস্য বলে জানিয়েছেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আইওয়াইসি-র জাতীয় সম্পাদক কৃষ্ণ হরি, বিহার প্রদেশ সম্পাদক কুন্দন যাদব, উত্তরপ্রদেশের সহ-সভাপতি অজয় কুমার এবং জাতীয় সমন্বয়ক নরসিংহ যাদব। দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত সিপি দেবেশ কুমার মহলা জানান, বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

    সামিটের কার্যক্রম ব্যাহত

    এই ঘটনায় কয়েক মিনিটের জন্য সামিটের (AI Impact Summit) কার্যক্রম ব্যাহত হয়। উপস্থিত দেশ-বিদেশের প্রতিনিধিরা ও শীর্ষ কর্পোরেট কর্তারাও হতচকিত হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কিছু দর্শকের বচসা এবং হাতাহাতিও হয়। যুব কংগ্রেসের দাবি, সম্প্রতি ঘোষিত ভারত-আমেরিকা শুল্ক চুক্তির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়। তাঁদের অভিযোগ, ওই চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী এবং স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। আইওয়াইসি-র জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব বলেন, “আমাদের দেশে গণতন্ত্র আছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে যে কোনও জায়গায় প্রতিবাদ করতে পারি।”

    দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্য

    বিজেপি এই ঘটনার তীব্র ভাষায় নিন্দা করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই বিক্ষোভ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ভারতের ক্রমবর্ধমান এআই অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়েই কংগ্রেস এই ধরনের কর্মকাণ্ডে নেমেছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ভারত গর্বের সঙ্গে আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলনের (AI Impact Summit) আয়োজন করেছে দেশে। সেখানে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও ভারতের কৃতিত্ব প্রদর্শিত হচ্ছে। এহেন একটি পদক্ষেপকে সম্মান জানানোর পরিবর্তে কংগ্রেস সেখানে সমস্যা তৈরি করতে উঠেপড়ে লেগেছে।’ পাশাপাশি রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি আরও লেখেন, ‘রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস কর্মীরা জামা খুলে প্রতিবাদের নামে এই অনুষ্ঠানে ব্যাঘাত ঘটাতে নেমে পড়েছেন। এই ঘটনা আসলে বিশ্বমঞ্চে ভারতকে দুর্নাম করার অপচেষ্টা।’ মালব্যের আরও অভিযোগ, ‘প্রযুক্তিক্ষেত্রে শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে ভারত। সেখানে কংগ্রেসের এই আচরণ তাঁদের জন্য আনন্দের যারা ভারতের পতন দেখতে মুখিয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিবাদ অবশ্যই গণতান্ত্রিক অধিকার, কিন্তু তার অর্থ বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করা নয়। ভারত ভালো কিছু প্রত্যাশা করে।’

  • PM Modi: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতের ‘মানব’, কীভাবে? বোঝালেন মোদি

    PM Modi: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতের ‘মানব’, কীভাবে? বোঝালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ‘মানব’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আজ, বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এই কাঠামোকে বৈশ্বিক এআই শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়ন নিয়ে ভারতের অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে ঠাঁই দেন (Manav Vision)। দায়িত্বশীল এআই গঠনে ভারতের অবদানের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই কাঠামো নিশ্চিত করবে যে প্রযুক্তির বিকাশ হবে শক্তিশালী নৈতিক সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবেশাধিকার এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।”

    মানব (PM Modi)

    উদ্যোগটির পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আজ আমি উপস্থাপন করছি এমএএনএভি (মানব)— এআইয়ের জন্য মানব দৃষ্টিভঙ্গি।” সংক্ষিপ্ত রূপটির ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী চারটি স্তম্ভ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এম ফর মরাল অ্যান্ড এথিক্যাল সিস্টেমস”, “এ ফর অ্যাকাউন্টেবল গভর্নেন্স”, “এন ফর ন্যাশনাল সভারেনিটি”, “এ ফর অ্যাক্সিসেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ সিস্টেমস” এবং “ভি ফর ভ্যালিড অ্যান্ড লেজিটিমেট ফ্রেমওয়ার্ক।” এই সামিটের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী একে একটি ঐতিহাসিক বৈশ্বিক অনুষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রযুক্তি পরিমণ্ডলে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপরও জোর দেন তিনি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আপনাদের স্বাগত। এই সম্মেলন মানবজাতির এক-ষষ্ঠাংশের প্রতিনিধিত্বকারী ভারতের প্রতিফলন (Manav Vision)।”

    বৃহৎ প্রযুক্তি দক্ষতার ভান্ডার

    দেশের বিপুল জনসংখ্যা ও ডিজিটাল অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভারতে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম যুব জনসংখ্যা এবং অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি দক্ষতার ভান্ডার, যা এআই উদ্ভাবনের জন্য দেশটিকে স্বাভাবিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।” এই সম্মেলনে ১০০-রও বেশি দেশের নেতা ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি গ্লোবাল সাউথের জন্য গর্বের বিষয় এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদীয়মান অর্থনীতিগুলির ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)।” তিনি তরুণ উদ্ভাবকদের ভূমিকারও উল্লেখ করেন। বলেন, “বিশ্বের যুবসমাজ দ্রুত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এআই গ্রহণ করছে এবং এর দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিচ্ছে।” কৃষি, নিরাপত্তা, জনসেবা ও বহুভাষিক যোগাযোগে এআইয়ের প্রয়োগকে তিনি এর বিস্তৃত প্রভাবের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন (Manav Vision)।

    প্রযুক্তিগত বিপ্লব

    এআই-কে মানব ইতিহাসের এক রূপান্তরমূলক মুহূর্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করে মোদি একে অতীতের সেই সব প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সঙ্গে তুলনা করেন, যেগুলি সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “মানব ইতিহাসে কিছু সন্ধিক্ষণ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা পুনর্নির্ধারণ করে। এই ধরনের উদ্ভাবনের পূর্ণ প্রভাব অনেক সময় পরে বোঝা যায়।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমরা যে প্রভাব দেখছি, তা কেবল শুরু। এবার গতি আরও দ্রুত এবং ব্যাপ্তি নজিরবিহীন (PM Modi)।” তিনি বলেন, “এআই যেমন যন্ত্রকে আরও বুদ্ধিমান করছে, তেমনি মানব-ক্ষমতাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে মূল প্রশ্ন হল, মানবজাতি এই প্রযুক্তিকে কীভাবে ব্যবহার করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসল প্রশ্ন এটি নয় যে ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী করতে পারবে। প্রশ্ন হল, আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কী করতে চাই (Manav Vision)।”

    এআই-ও এক রূপান্তরমূলক শক্তি

    রূপান্তরমূলক প্রযুক্তি সুযোগের পাশাপাশি ঝুঁকিও বয়ে আনে এআই। এ কথার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক শক্তির উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, “আমরা পারমাণবিক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক দিকও দেখেছি, আবার মানবকল্যাণে তার অবদানও দেখেছি। এআই-ও এক রূপান্তরমূলক শক্তি।” তিনি বলেন, “প্রযুক্তিকে যন্ত্রকেন্দ্রিক নয়, মানবকেন্দ্রিক রাখতে হবে (PM Modi)।” ভারতের এআই দর্শনের ভিত্তি কল্যাণ ও অন্তর্ভুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, এ কথার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মানুষ যেন কেবল একটি ডেটা পয়েন্ট বা কাঁচামালে পরিণত না হয়।” এআইয়ের গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে একে ক্ষমতায়নের হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “জিপিএস আমাদের পথ দেখায়, কিন্তু দিক আমরা নিজেরাই বেছে নিই।” সব শেষে তিনি বলেন, “ভারতের ‘মানব’ ভিশন একবিংশ শতাব্দীতে এআইয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ (Manav Vision) ভিত্তি হয়ে উঠবে।” এভাবে দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নেতৃত্ব দেওয়ায় ভারতের (PM Modi) আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিতও দেন প্রধানমন্ত্রী।

  • PM Modi: মেনুতে ভারতের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী, আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন মোদির

    PM Modi: মেনুতে ভারতের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী, আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Summit)। এখানে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের বিশিষ্ট রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক ও উদ্ভাবকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নয়াদিল্লিতে আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করেন। ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি ২০২৩ সালে হয়েছিল প্রথমবারের মতো। সেবার এই সম্মেলন হয়েছিল ব্রিটেনে। তার পরে এই সম্মেলন হয় ২০২৫ সালে, ফ্রান্সে। তার পর এই হচ্ছে ভারতে। এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম বড় আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন।

    নৈশভোজের আয়োজন

    এই হেভিওয়েট অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য নৈশভোজের মেনু তৈরি করেছেন আইটিসি গ্রুপের শেফরা। ভারত মণ্ডপমের সব সরকারি অনুষ্ঠানের ক্যাটারিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এদেরই। নৈশভোজে ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী তুলে ধরা হয়েছে। মেনুতে এবারের সম্মেলনকে বর্ণনা করা হয়েছে,“শীতের শিশিরের মৃদু অবসান ও শান্ত উপভোগের ঋতু; ফসল, আশা ও সম্প্রীতির প্রাচুর্য নিয়ে আগমনের সময়।” বহু-পদ বিশিষ্ট নৈশভোজ শুরু হয় ‘বর্ণিলা’ নামের একটি (PM Modi) স্টার্টার দিয়ে। এতে ছিল বেবি পালং শাকের ক্রিস্প, দইয়ের স্ফিয়ার, তেঁতুল-খেজুর চাটনি, পুরনো দিল্লির মশলা দিয়ে ধনেপাতা রেলিশ এবং জোয়ার ক্রিস্প (AI Summit)। মূল খাবারের মধ্যে ছিল “সস্য”, যা উত্তরাখণ্ডের পাহাড়কে উৎসর্গ করা। এতে ছিল জিআই-ট্যাগযুক্ত মুন্সিয়ারি রাজমা গিলাওয়াত, পাহাড়ি ভাত ও ঝাঙ্গোরা (বার্নইয়ার্ড মিলেট) পুলাও, কুমায়ুনি আলু ও সবজির গুটকে এবং টমেটো-আনারি সস।

    খাবারের বাহার

    এরপর পরিবেশন করা হয় বিভিন্ন ভারতীয় রুটি, তাফতান (তরমুজের বীজ ছড়ানো খামিরযুক্ত রুটি) এবং কাশ্মিরি গিরদা (প্রতিদিন সকালে তাজা বেক করা জনপ্রিয় কাশ্মিরি রুটি)। ডেজার্ট পরিবেশন করা হয় “নিস্বর্গ – নেচার্স ক্রিয়েশন” নামে, যাতে ছিল রসমালাই ট্রেস লেচেস উইন্টারবেরি প্রিজার্ভ-সহ। এটি ছিল মিষ্টি দুধে ভেজানো নরম ও ক্রিমি ছানার কেক স্পঞ্জ, যার সঙ্গে ছিল উইন্টারবেরি কমপোট এবং পার্ল মিলেট স্ট্রুসেল (AI Summit)। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত পানীয়ের মধ্যে ছিল কাশ্মিরি কাহওয়া, ফিল্টার কফি ও দার্জিলিং চা। পাশাপাশি ছিল ইন্ডিয়ান রোজ এবং মিশ্রি গুলকন্দ চকলেট লিফ (PM Modi)।

     

  • Amit Shah: ধর্মের টানে বাংলায় এলেন অমিত শাহ, যোগ দিলেন ইসকনের অনুষ্ঠানে

    Amit Shah: ধর্মের টানে বাংলায় এলেন অমিত শাহ, যোগ দিলেন ইসকনের অনুষ্ঠানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে নয়, স্রেফ ধর্মের টানে বাংলায় এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার মায়াপুর (Mayapur) ইসকনে শ্রীমৎ ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের ১৫২তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন ইসকনে ‘হরে কৃষ্ণ’ নাম নিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই জানিয়ে দিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি এখানে আসেননি, এসেছেন চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্ত হিসেবে। তিনি এও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর মাধ্যমে ভক্তদের উদ্দেশে হরে কৃষ্ণ বার্তা পাঠিয়েছেন।

    শাহি বচন (Amit Shah)

    ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গৌড়ীয় মঠের প্রতিষ্ঠাতা। বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আজ সকালে আমার সঙ্গে দেশের সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা হয়েছে। আমি ওঁকে বললাম যে, আজ মায়াপুরে ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে যাচ্ছি।” শাহ বলেন, “উনি মন থেকে এবং ভক্তিভরে আপনাদের সবাইকে হরে কৃষ্ণ বলেছেন।” তিনি বলেন, “একটু আগেই আমায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সম্বোধন করা হল। আমি এখানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আসিনি। চৈতন্য মহাপ্রভুর অনন্য ভক্ত হিসেবে আজ আমি এখানে এসেছি।” শাহ বলেন, “ভালো-খারাপ সকলের মধ্যেই থাকে। শ্রীকৃষ্ণের শরণ নিলে সব কিছু শান্ত হয়। কৃষ্ণের নাম নেয় না, বিশ্বে এমন কেউ নেই। ভক্তি আন্দোলনকে সর্বত্র ছড়িয়েছেন শ্রীকৃষ্ণ।” তিনি জানান, ভক্তি আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র মায়াপুর সারা বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়।

    আধুনিকতা ধর্মের শত্রু নয়

    শাহ বলেন, “আধুনিকতা ধর্মের শত্রু নয়। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি অচল, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা অটুট, তখনই সব বাধা পেরিয়ে যাওয়া যায়।” তিনি বলেন, “ভক্তিসিদ্ধান্ত প্রভুপাদজি, ভক্তিবেদান্ত প্রভুপাদজিকে মন থেকে প্রণাম করে আমার কথা শুরু করতে চাই। কারণ মহাপ্রভু যে ভক্তি আন্দোলনের শুরু (Amit Shah) করেছিলেন, সেটা এই দুই মহাপুরুষই শুধু এগিয়ে নিয়ে যাননি, বরং আধুনিক করে যুবসমাজের মধ্যে এবং বিশ্বজুড়ে সকলের কল্যাণের রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ করেছেন।” শাহ বলেন, “ভালো-মন্দ মানুষের মধ্যেই থাকে। কিন্তু যখন কেউ নিজের অস্বিস্ত ভুলে শ্রীকৃষ্ণময় হয়ে যান, তখন সব ভালোই হয় (Mayapur)। ভক্তিভরে কৃষ্ণনাম স্মরণেই চেতনা জাগ্রত হয়। দূর হয় মনের অন্ধকার (Amit Shah)।”

     

  • PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল এআইয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যতের কল্পনা করা, যেখানে প্রযুক্তি মানবতার অগ্রগতি সাধন করবে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (PMO) তরফে জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় সম্মেলনস্থল ভারত মণ্ডপমে মোদি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি উপস্থিত একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদি (PM Modi)

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি ভাষণ দেবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা। এরপর অন্য নেতাদের সঙ্গে তিনি ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো ২০২৬ পরিদর্শন করবেন, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ‘লিডার্স প্লেনারি’ অধিবেশনে অংশ নেবেন মোদি। এতে রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী এবং বহুপাক্ষিক সংস্থার প্রবীণ প্রতিনিধিরা এআই সংক্রান্ত জাতীয় ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার—যেমন শাসনব্যবস্থা, পরিকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে তিনি সিইও রাউন্ডটেবিলে অংশ নেবেন। এতে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষ এক্সিকিউটিভরা সরকারি নেতৃত্বের সঙ্গে বিনিয়োগ, গবেষণা সহযোগিতা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং এআই ব্যবস্থার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ (সবার কল্যাণ, সবার সুখ)। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হল এআই ক্ষেত্রে ভারতকে (PM Modi) অগ্রণী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা, যেখানে এআই মানবকল্যাণে কাজ করবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখবে। সম্মেলনটি তিনটি স্তম্ভ – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) এবং অগ্রগতি (Progress) -এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাতটি কর্মদলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই দলগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরার মতো সুনির্দিষ্ট ফল উপস্থাপন করবে।

    সাতটি মূল থিম

    সাতটি মূল থিম হল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে এআই, এআই সম্পদের গণতন্ত্রীকরণ, সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তি, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য এআই, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান, স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা। এই সম্মেলনে ৫০০-রও বেশি বৈশ্বিক এআই নেতা অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকবেন প্রায় ১০০ জন সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক, এবং ৪০০ জন সিটিও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। এছাড়াও ১০০-রও বেশি সরকারি প্রতিনিধি, যার মধ্যে (AI Impact Summit 2026) ২০-রও বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং প্রায় ৬০ জন মন্ত্রী অংশ নেবেন (PM Modi)।

     

  • AI Summit 2026: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কীভাবে কাজ করে এই ডিভাইস?

    AI Summit 2026: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কীভাবে কাজ করে এই ডিভাইস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। এআই ডিভাইস পরে ওই সামিটে উপস্থিত হওয়ায় বিশেষভাবে নজর কাড়েন তিনি। ‘সর্বম কাজে’ (Sarvam Kaze) নামে পরিচিত এই যন্ত্রটি দেশীয় স্টার্টআপ সর্বম এআই (Sarvam AI)–এর তৈরি একটি স্বদেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পণ্য। ডিভাইসটি সামিটে তাৎক্ষণিকভাবে  আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে এবং দায়িত্বশীল এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নীতিনির্ধারক, স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি জগতের বিশ্বনেতাদের একত্র করেছে। সর্বম কাজে সম্পূর্ণরূপে ভারতে নকশা ও নির্মিত একটি এআই ওয়্যারেবল হিসেবে বাজারজাত করা হবে, যা প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতার দিকেই ইঙ্গিত করে।

    সর্বম কাজে এআই-চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস (AI Summit 2026)

    সর্বম কাজে হল চশমার মতো একটি এআই-চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস, যা তাৎক্ষণিকভাবে শোনে, বোঝে এবং সাড়া দেয়। ব্যবহারকারী কী দেখছেন, সেটিও এটি ধারণ ও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। প্রচলিত স্মার্টফোন বা কম্পিউটার-নির্ভর এআই ব্যবস্থার তুলনায় এই ডিভাইস এআইকে সরাসরি বাস্তব জগতে নিয়ে আসে—যেখানে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে এআই ব্যবহার করা যায় এবং ফল দেখা যায় স্ক্রিনে। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে সংস্থাটি এতে একটি চ্যাট ফাংশন যুক্ত করবে। ডেভেলপাররাও এই প্ল্যাটফর্মে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবেন, যা বিভিন্ন শিল্পখাতে নির্দিষ্ট ব্যবহারিক ক্ষেত্র তৈরি করবে। মে মাসে পণ্যটি বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারত মণ্ডপমে প্রদর্শনী পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সর্বম কাজে ডিভাইস পরা অবস্থায় দেখা যায়। সর্বম এআইয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রত্যুষ কুমারের শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ব্যবহার করে ডিভাইসটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা পরীক্ষা করছেন। এই উপস্থিতি স্টার্টআপ ও তাদের প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন ভারত নিজস্ব এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে।

    সর্বম এআই

    সর্বম এআই নির্বাচিত সংস্থাগুলির মধ্যে একটি, যা ভারতীয়দের প্রয়োজন মেটাতে স্বদেশি ভিত্তিমূলক এআই মডেল তৈরি করছে। সংস্থাটি ভারতীয় ভাষাভিত্তিক বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) ও স্পিচ মডেল তৈরি করছে। এই মডেলগুলি ভয়েস ইন্টারফেস, নথি প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা এবং নাগরিক পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় ব্যবহৃত হবে। সম্প্রতি স্টার্টআপটি ‘সর্বম অক্ষর’ চালু করেছে নথি ডিজিটাইজেশনের জন্য, ‘সর্বম স্টুডিও’ চালু করেছে বহুভাষিক কনটেন্ট তৈরির জন্য এবং ‘সারাস ভি৩’ নামে একটি স্পিচ রেকগনিশন মডেল উন্মোচন করেছে, যা ভারতীয় ভাষায় নির্ভুলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’

    ভারত সরকারের বৃহত্তর ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’-এর অংশ হিসেবে সর্বম কাজে চালু করা হয় মার্চ, ২০২৬-এ, ১০,৩৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে। এই মিশনের আওতায় ৩৮,০০০-এরও বেশি জিপিইউ স্টার্টআপ ও গবেষকদের সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ১২টি গোষ্ঠীকে স্বদেশি বৃহৎ ভাষা মডেল নির্মাণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ১৬ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ এমন উদ্ভাবন প্রদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। দ্রুতগতিতে এআই রোডম্যাপ তৈরির পথে এগোতে গিয়ে ভারত ইতিমধ্যেই সর্বম কাজের মতো বিশ্বমানের স্বদেশি এআই প্রযুক্তি তৈরি করেছে।

     

  • AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকলের ভালোর জন্য, সকলের সুখের জন্য এআই। এমনই মনে করে আধুনিক ভারত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Impact Summit India)-র প্রভাব নিয়ে পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরুতে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সকাল সাড়ে ৯টায় এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন শুরু হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তিনি ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’-এর বার্তা দিয়েছেন। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন গুগ্‌লের সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান-সহ কমবেশি ৪০টি সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। যোগ দেবেন ২০টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই সম্মেলনে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলন চলাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান এবং উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এই সম্মেলন চলবে ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি।

    সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়

    সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এআই নিয়ে আলোচনায় গোটা বিশ্ব সমবেত হয়েছে। আজ থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর আয়োজন করছে। আমি রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পকর্তা, উদ্যোগপতি, নীতিনির্ধারক, গবেষকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। অর্থাৎ, সকলের ভাল। সকলের সুখ। এটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষকেন্দ্রিক উন্নতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরে।” এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসেরও এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ মানুষ নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই কৃষক এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষ।

    পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয়

    এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক এআই শীর্ষ সম্মেলন। পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলন নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্পক্ষেত্র এবং জনসম্পৃক্ততা— এই চারটি প্রধান স্তম্ভকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেবেন। আলোচনার মূল বিষয় হবে— গভর্ন্যান্স, ইনোভেশন এবং সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্টে এআইয়ের ভূমিকা। সম্মেলনের ভিত্তি রাখা হয়েছে তিনটি ‘সূত্র’-এর উপর—পিপল, প্ল্যানেট এবং প্রোগ্রেস। এই তিন নীতিই এআই নিয়ে ভারতের সহযোগিতা ও দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা নির্ধারণ করে।

    কারা কারা যোগ দেবেন সামিটে

    ৭০ হাজার বর্গমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো’-তে ৩০টি দেশের ৩০০-র বেশি প্রদর্শক অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১০টি থিম্যাটিক প্যাভিলিয়নে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্প থেকে বড় পরিসরে বাস্তব প্রয়োগে এআইয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলন ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উন্নয়নমুখী এআই ব্যবহারে ভারতের যে জোর, তা এই মঞ্চে আরও স্পষ্ট হবে। লক্ষ্য হল, বৈশ্বিক আলোচনাকে বাস্তব ও মানুষকেন্দ্রিক ফলাফলে রূপ দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    • ১. ভুটান – শেরিং তোবগে, প্রধানমন্ত্রী
    • ২. বলিভিয়া – এডমন্ড লারা মনতানো, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ৩. ব্রাজিল – লুইজ় ইনাসিও লুলা দা সিলভা, প্রেসিডেন্ট
    • ৪. ক্রোয়েশিয়া – আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, প্রধানমন্ত্রী
    • ৫. এস্তোনিয়া – আলার কারিস, প্রেসিডেন্ট
    • ৬. ফিনল্যান্ড – পেট্টেরি অরপো, প্রধানমন্ত্রী
    • ৭. ফ্রান্স – ইমানুয়েল মাক্রঁ, প্রেসিডেন্ট
    • ৮. গ্রিস – কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস, প্রধানমন্ত্রী
    • ৯. গায়ানা – ড. ভররাত জগদেও, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১০. কাজাখস্তান – ওলঝাস বেকতেনভ, প্রধানমন্ত্রী
    • ১১. লিচেনস্টাইন – হেরেডিটারি প্রিন্স অ্যালোয়িস, হেরেডিটারি প্রিন্স অব দ্য প্রিন্সিপ্যালিটি অব লিশটেনস্টাইন
    • ১২. মরিশাস – ড. নাভিনচন্দ্র রামগুলাম, প্রধানমন্ত্রী
    • ১৩. সার্বিয়া – আলেকজ়ান্দার ভুচিচ, প্রেসিডেন্ট
    • ১৪. স্লোভাকিয়া – পিটার পেলেগ্রিনি, প্রেসিডেন্ট
    • ১৫. স্পেন – পেদ্রো সানচেজ় পেরেজ়-কাস্তেহন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৬. শ্রীলঙ্কা – অনুরা কুমারা দিসানায়াকা, প্রেসিডেন্ট
    • ১৭. সেশেলস – সেবাস্তিয়ান পিল্লে, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১৮. সুইৎজ়ারল্যান্ড – গি পারমেলিন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৯. নেদারল্যান্ডস – ডিক স্কুফ, প্রধানমন্ত্রী
    • ২০. সংযুক্ত আরব আমিরশাহি – শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ক্রাউন প্রিন্স অব আবুধাবি

    এ ছাড়া ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও আলোচনায় যোগ দেবেন।

    আর কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সহ রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    মহাসচিবের সঙ্গে থাকবেন—

    • ভলকার টুর্ক — জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার
    • অমনদীপ সিং গিল — আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিজিটাল ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ দূত
    • ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর
    • গিলবার্ট এফ. হাউংবো — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-র ডিরেক্টর-জেনারেল
    • ডরিন বগদান-মার্টিন — আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংঘ (ITU)-র সেক্রেটারি-জেনারেল
    • কমল কিশোর— দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি

    এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ইউএনডিপি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, এফএও, ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন,ইউএন ইন্টাররিজিওনাল ক্রাইম অ্যান্ড জাস্টিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তাদের তালিকা এরকম—

    • জেনসেন হুয়াং — প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনভিডিয়া
    • জুলি সুইট — চেয়ার ও সিইও, অ্যাকসেঞ্চার
    • স্যাম অল্টম্যান — সিইও, ওপেনএআই
    • সুন্দর পিচাই — সিইও, গুগল ও আলফাবেট
    • শান্তনু নারায়েন — চেয়ার ও সিইও, অ্যাডোবে
    • শ্রীধর ভেম্বু — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সায়েন্টিস্ট, জোহো
    • ইয়ান লেকুন — প্রধান এআই বিজ্ঞানী, মেটা
    • বিল গেটস — চেয়ার, গেটস ফাউন্ডেশন ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা, মাইক্রোসফট
    • ব্র্যাড স্মিথ — প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ার, মাইক্রোসফট
    • ক্রিস্টিয়ানো আমন — প্রেসিডেন্ট ও সিইও, কোয়ালকম
    • দারিও আমোদেই — সিইও, অ্যানথ্রোপিক
    • ডেমিস হাসাবিস — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, গুগল ডিপমাইন্ড
    • আর্থি সুব্রহ্মণ্যম — সিওও ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, টিসিএস
    • আলেকজান্ডার ওয়াং — চিফ এআই অফিসার, মেটা
    • অপর্ণা বাওয়া — সিওও, জুম
  • PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    কে কত আসন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।

    মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

    ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”

    অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

LinkedIn
Share