Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: কার্বি আংলং নির্বাচনে জয় ‘ঐতিহাসিক’, দলের প্রশংসায় মোদি

    PM Modi: কার্বি আংলং নির্বাচনে জয় ‘ঐতিহাসিক’, দলের প্রশংসায় মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার জয়জয়কার বিজেপি (Bjp)। আসামের (Assam) কার্বি আংলং অটোনোমাস কাউন্সিলের (Kaac) ২৬টি আসনেই জয়ী হল বিজেপি। এই নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেসও। তবে করুণ দশা গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। একটি আসনেও জয়লাভ করতে পারেনি সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) দল। বিপুল জয়ে খুশি খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দলীয় কর্মীদের প্রশংসার সুর তাঁর গলায়। তাঁর কথায়, কার্বি আলংয়ের ফল ‘ঐতিহাসিক’।

    চলতি মাসের ৮ তারিখে ভোট হয় আসামের কার্বি আংলং অটোনোমাস কাউন্সিলের। আসন ২৬টি। সবকটিতেই প্রার্থী দিয়েছিল বিজেপি এবং কংগ্রেস। ফল বেরলে দেখা যায়, ওই ভোটে ছক্কা হাঁকিয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল। মুখ থুবড়ে পড়েছে কংগ্রেস। একটি আসনেও জয় পায়নি তারা।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ও দলের আসাম ইনচার্জ বৈজয়ন্ত জয় পাণ্ডা জানান, বিজেপি ২৬টি আসনেই জয়ী হয়েছে। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ২৬টি আসনেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে এটা আমাদের বড় জয়। ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল সভাপতি প্রমোদ বোরো জানান, কার্বি আংলংয়ের বাসিন্দারা ফের বিজেপির ওপর আস্থা রাখলেন।

    একাধিক ট্যুইটে আসামের বিজেপি নেতাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। ট্যুইট করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। ট্যুইটে তিনি লেখেন, কার্বি আংলং অটোনোমাস কাউন্সিলের ভোটে ফের বিজেপিকে ঐতিহাসিকভাবে জয়ী করার জন্য আমি জনতার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পুরসভা নির্বাচন ও জিএমসি ভোটে জয়ী হওয়ার পরে এই ভোটে বিপুল জয় বাস্তবিকই নরেন্দ্র মোদির সবকা সাথ, সবকা বিকাশের ওপর আস্থা রাখারই প্রতিফলন।    

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র    

    আসামে বিজেপির এই জয়ে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ট্যুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, কার্বি আংলংয়ের ফল ঐতিহাসিক। বিজেপির ওপর ধারাবাহিকভাবে আস্থা রাখায় জনগণকে ধন্যবাদ। আসামের উন্নতিতে আমরা কাজ করব বলেও আশ্বস্ত করছি। বিজেপির কার্যকর্তাদের চেষ্টা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের কুর্নিস জানাই।

     

     

  • Modi in Japan: মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান   

    Modi in Japan: মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতমাতা কি জয় স্লোগানে মুখরিত হল সূর্যোদয়ের দেশ। জাপানের মাটিতে পা রাখতেই নরেন্দ্র মোদিকে (Modi) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন সেদেশে বসবাসকারী ভারতীয়রা। প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেতেই উঠল ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান’।

    সোমবার কোয়াড বৈঠকে (Quad meeting) যোগ দিতে দু’দিনের জাপান (Japan) সফরে গিয়েছেন মোদি। সেখানেই তাঁকে ঘিরে জাপানি এবং ভারতীয়দের উন্মাদনায় আপ্লুত স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও। টোকিও (Tokyo) বিমানবন্দরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী বহু ভারতীয়ও। মাত্র ৪০ ঘণ্টার এই সফরে ২৩টি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি মোদির তৃতীয়বার জাপান সফর। তাঁর এই সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden), জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ছাড়াও যোগ দেবেন কোয়াডের বৈঠকে। প্রায় ৩৬টি জাপানি কোম্পানির সিইও-র সঙ্গেও বৈঠক করার কথা তাঁর। প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলাপচারিতার কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    আরও পড়ুন : বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    সোমবার হোটেল নিউ ওটানিতে প্রবাসী ভারতীয়দের তরফে মোদিকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ‘হর হর মোদি’, ‘মোদি মোদি’, ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগানে মুখরিত হোটেল চত্বর। বিভিন্ন ভাষায় ‘স্বাগত’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতেও দেখা গিয়েছে ছোট ছোট শিশুদের।

    [tw]


    [/tw]

    জনতার উষ্ণ অভ্যর্থনায় যারপরনাই আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত এক জাপানি শিশুর সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁকে একটি অটোগ্রাফও দেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী সেই শিশুকে বলেন, বাঃ, তুমি হিন্দি কোথা থেকে শিখলে? খুব ভাল জানো তো! প্রবাসীরাও প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে খুশি। তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে জাপানে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আমাদের গর্বিত করেছেন।

    আরও পড়ুন : মোদির নিশানায় পরিবারতন্ত্র, অযথা বিতর্ক তৈরি বিরোধীদের কাজ

    অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আমেরিকা ও ভারতকে নিয়ে গঠিত হয়েছে কোয়াড (QUAD)। এই সামিটে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি আলাদা করে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন জো বাইডেন, ফুমিও কিশিদা এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের (US President) সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেন (Ukraine) প্রসঙ্গ উঠতে পারে বলেও ধারণা কূটনৈতিক মহলের। এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকে বিতর্কিত দক্ষিণ চিন সাগরে (South China Sea) সামরিক মহড়া শুরু করেছে চিন (China)। মহড়া চলবে সোমবার পর্যন্ত। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় (India-US bilateral talks) সেই বিষয়টিও উঠতে পারে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের।

    [tw]


    [/tw]

     

     

  • PM Modi: বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    PM Modi: বিদেশে গেলে কেন নৈশ সফর পছন্দ করেন মোদি? কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে গেলে অধিকাংশ সময়ই রাত্রিকালীন সফরই পছন্দ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উদ্দেশ্য, সময় এবং অর্থ বাঁচানো। প্রথমত, রাতে সফর করলে দিনের বেলায় আরও বেশি করে কাজ করা যায়। দ্বিতীয়ত, এতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাশ্রয় হয় অর্থেরও, যা আদতে দেশেরই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর সফরের যাবতীয় খরচ জোগায় কেন্দ্রীয় সরকার।

    প্রতিদিন প্রায় কুড়ি ঘণ্টা করে কাজ করেন মোদি। ভোটের সময় তাঁর কাজের সময়সীমা আরও বেড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও সফর করতেন নৈশকালে অত্যন্ত পরিশ্রমী মোদি। যা বজায় রয়েছে এখনও।

    আরও পড়ুন : “এখনই বিশ্রাম নয়, আমার স্বপ্ন অনেক বড়…”, প্রবীণ সাংসদের কৌতুহল মেটালেন মোদি

    গত পনের দিন ধরে বিভিন্ন দেশ সফর (foreign tour) করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি মাসের শুরুতেই তিনি সফর করেছেন জার্মানি, ডেনমার্ক এবং ফ্রান্স (Modi 3-nation visit)। পরে বুদ্ধজয়ন্তীতে (Buddha Jayanti), একদিনের জন্য গিয়েছিলেন নেপাল (Nepal)। আগামী সপ্তাহে তাঁর যাওয়ার কথা জাপানে। তাঁর এই সফরসূচি একটু খুঁটিয়ে লক্ষ্য করলেই দেখা যায়, সময় এবং দেশের সম্পদ বাঁচাতে নৈশভ্রমণ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির আসন্ন জাপান (Modi in Japan) সফরের কথাই ধরা যাক। ২২ মে রাতে রওনা দেবেন তিনি। ২৩ মে ভোরে পৌঁছবেন টোকিওয়। সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা তাঁর। পরে দেখা করবেন প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে। পরের দিন যোগ দেবেন কোয়াড বৈঠকে। ওই রাতেই ফিরবেন ভারতে। জার্মানি ও ডেনমার্ক দু’দেশ মিলিয়ে মাত্র এক রাত কাটিয়েছেন। জাপান সফরের সূচিও তাই। সব মিলিয়ে এই পাঁচ দেশ সফরে মোদি রাত কাটিয়েছেন মাত্র তিনটি। বাঁচিয়েছেন দুদিন। যা ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রীকে করতে দেখা যায়নি বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    আরও পড়ুন : “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    মোদির ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, নয়ের দশকের গোড়ায় মোদি হোটেল খরচ বাঁচাতে দিনের বেলায় যাতায়াত করতেন। কোনও কারণে রাত হয়ে গেলে রাত্রিযাপন করতেন বিমানবন্দরে। তখন তিনি একজন সাধারণ মানুষ। আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে কাজ এবং দায়িত্ব বেড়েছে তাঁর। তাই রাতে সফর করেন। এতে দিনের বেলায় বেশি কাজ করা যায়। সরকারি খরচে হোটেলেও থাকতে হয় না। তাই সময় এবং দেশের সম্পদ বাঁচে।

     

LinkedIn
Share