Tag: PM Modi

PM Modi

  • Anthony Albanese: ভারত সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন রংয়ের উৎসবে?

    Anthony Albanese: ভারত সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন রংয়ের উৎসবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই তিনদিনের ভারত (India) সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার (Australia) প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)। ভারত-অস্ট্রেলিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য চুক্তি করতেই মূলত নয়াদিল্লি আসছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন আলবানেজ। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেই এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানেই ভারতে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি একা নন, অ্যান্টনি আলবানেজের সঙ্গে ভারতে আসছেন সেনেটর ডন ফ্যারেল, বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রী এবং মিনিস্টার ফর রিসোর্স অ্যান্ড নর্দান অস্ট্রেলিয় ম্যাডেলাইন কিং। তাঁদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া প্রশাসনের কয়েকজন প্রবীণ আধিকারিক ও পদস্থ বাণিজ্য প্রতিনিধিও আসবেন।

    অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)…

    ২০২২ সালের মে মাসে স্কট মরিসনকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মসনদে বসেছেন অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)। ভারতের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক যথেষ্টই মধুর। সেই কারণেই গত শনিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ক্যানবেরায় গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে। জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পরেই ট্যুইট-বার্তায় এ মাসে নয়াদিল্লি সফরে আসার কথা জানান আলবানেজ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই আলবানেজের প্রথম ভারত সফর। ৮ মার্চ আমেদাবাদে এসে পৌঁছবেন তিনি। এই দিনেই পড়েছে হোলি। রংয়ের উৎসবেও অংশ নিতে পারেন আলবানেজ। পরের দিন দিল্লি আসার আগে তিনি ঘুরে দেখবেন মুম্বই।

    আরও পড়ুুন: নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা কোয়াড গোষ্ঠীর, কেন জানেন?

    চলতি সফরে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী (Anthony Albanese) সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন তাঁরা। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি এবং আলবানেজ বার্ষিক সম্মেলনেও যোগ দেবেন। ভারত অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ নিয়েও আলোচনা হবে। আলোচনা হবে আঞ্চলিক ও বিশ্বজনীন নানা বিষয়েও। আমেদাবাদে হবে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বসে ওই ম্যাচ দেখবেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ও পর্যটন ভিত্তিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ভারতীয় হিন্দুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও কথা হবে দুই দেশের মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Mamata Banerjee: লোকসভা ভোটে একলা চলার সিদ্ধান্ত মমতার, কারণ কি জানেন?  

    Mamata Banerjee: লোকসভা ভোটে একলা চলার সিদ্ধান্ত মমতার, কারণ কি জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) বিজয়রথ থামাতে একাধিকবার উদ্যোগী হয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বার কয়েক দিল্লি গিয়ে বিরোধীদের এক ছাতার তলায় আনার চেষ্টাও করেছিলেন মা মাটি মানুষের নেত্রী। বৃহস্পতিবার উত্তর পূর্বের তিন রাজ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে এবং মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের রাশ হাতছাড়া হওয়ার পর সেই মমতাই ঘোষণা করলেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে একাই লড়বে তৃণমূল। এদিন নবান্নে বসে তৃণমূল সুপ্রিমো সাফ জানিয়ে দেন, তৃণমূল আর মানুষের জোট হবে। আমরা ওদের (বাম ও কংগ্রেস) কারও সঙ্গে যাব না। একা লড়ব মানুষের সমর্থন নিয়ে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন…

    তৃণমূল নেত্রী বলেন, সিপিএম-কংগ্রেস এক সঙ্গে রয়েছে। বিজেপির ভোটও ওদের কাছে গিয়েছে। তিনি বলেন, এমন অনৈতিক জোট হলে কংগ্রেস, সিপিএম কী করে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বে? ওরা যদি বিজেপির সাহায্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে চায়, তা হলে ওরা কীভাবে নিজেদের বিজেপি বিরোধী বলতে পারে! তিনি বলেন, এটা আমাদের কাছে একটা শিক্ষা। কংগ্রেস এবং সিপিএমের কথা শোনা উচিত নয়।

    অথচ যাঁর এমন বিলম্বিত বোধদয় হয়েছে, সেই তিনিই কি না মোদি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছিলেন তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) হয়েই! একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মসনদে বসেই নতুন করে বিজেপি বিরোধী শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনতে উদ্যোগী হন তৃণমূল নেত্রী। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন মমতা। কিন্তু কংগ্রেস যখন নেতৃত্বদানের কথা বলে, তখনই পিছু হটেন তৃণমূল নেত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তিনি চেয়েছিলেন তৃণমূলের নেতৃত্বেই দানা বাঁধুক বিজেপি বিরোধী জোট। তাহলে অন্তত প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিটা পাকা হয়ে যাবে! এর পর থেকেই কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সময় যত গড়িয়েছে, ততই দু পক্ষের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে বেড়েছে বই কমেনি।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল নেতা কুন্তলকে ১৬ কোটি টাকা তুলে দিয়েছিলেন এজেন্টরা!

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর যে মমতা বিরোধী ঐক্যে শান দিচ্ছিলেন, সেই তিনিই কেন এখন একলা লড়ার কথা বলছেন? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এর কারণ হল তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ। একের পর এক কেলেঙ্কারির কাদা লেগেছে তৃণমূলের গায়ে। জড়িয়ে পড়েছেন তৃণমূল নেত্রীর (Mamata Banerjee) ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতা। কান টানলে মাথা আসার মতো তৃণমূলের আরও অনেকেই জড়িয়ে পড়বেন বলে খবর। যদি তাই হয়, তাহলে তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়ে মুখ পোড়াতে আর কেই বা চাইবে? বস্তুত, আকণ্ঠ দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায় ঘর না বাহির সামলাই দশা তৃণমূল নেত্রীর। সেটাও তাঁর একলা চলার সিদ্ধান্তের সহায়ক হয়েছে বলেও অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
  • PM Modi: ‘‘ওরা বলছে মর যা মোদি, দেশ বলছে মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ‘‘ওরা বলছে মর যা মোদি, দেশ বলছে মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বের লোকেরা বুঝতে পেরেছেন যে তাঁদের উপেক্ষা করা হয় না। বিজেপি শাসনে তাঁদের সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমি খুশি যে আমরা তাঁদের হৃদয়ে জায়গা পেয়েছি। ত্রিপুরা (Tripura), নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে বিজেপির (BJP) জয়ের পর একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তর পূর্বের তিন রাজ্যজয়ের পর যে বিজেপির আত্মবিশ্বাস একলপ্তে অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে, এদিন তা প্রকাশ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কথায়ও। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু কট্টর লোক বলছেন, মর যা মোদি (মরে যা মোদি)। আর দেশ বলছে, মৎ যা মোদি (চলে যাস না মোদি)।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    বৃহস্পতিবার ৩৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ধরে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমন একটা সময়ে কিছু লোক মোদির কবর খোঁড়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যেখানেই সুযোগ রয়েছে, সেখানেই পদ্মফুল ফুটেই চলেছে। মোদি বলেন, উত্তর পূর্ব ভারত দিল্লির থেকে দূরে নেই। হৃদয়েরও দূরে নেই। ভোটে জেতার থেকেও হৃদয় জিতেছি, এটা বড় পাওয়া। তিনি বলেন, এটা বিজেপি কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। আজকের রায় ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভরসা জুগিয়েছে।

    পদ্ম শিবিরের এহেন সাফল্যের নেপথ্যে কী রয়েছে, এদিন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, শিবের যেমন ত্রিনয়ন রয়েছে, তেমনি আমাদের কাছে রয়েছে ত্রিবেণী, তিন শক্তি। প্রথম শক্তি হল, বিজেপি সরকারের কাজ, দ্বিতীয় শক্তি হল বিজেপি সরকারের কর্মসংস্কৃতি এবং তৃতীয় শক্তি হল বিজেপি কর্মীদের সেবাদান। তিনি বলেন, তাঁদের সেবা, শ্রম, সমর্পণ অতুলনীয়। এই তিন শক্তি মিলেই বিজেপি এগিয়ে চলেছে। এদিন কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার কোনও কাজ করেনি। গরিবদের কথা ভাবেনি। শুধু ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছে। যার জন্য দেশ ভুগেছে। ছোট রাজ্যকে ঘৃণার চোখে দেখার কারণেই কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    বাম-কংগ্রেসের জোটকেও এদিন কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেন, কিছু দল পর্দার পিছনে জোট করছে। সেটা জনতা দেখছে। তিনি বলেন, এক রাজ্যে কুস্তি, অন্য রাজ্যে দোস্তি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, সংখ্যালঘুদের কয়েক বছর ধরে বিজেপি সম্পর্কে ভয় দেখানো হচ্ছিল। কিন্তু নাগরিকরা আসল ঘটনা ধরে ফেলেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও তিন রাজ্যে বিজেপির জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এই দিনটিকে তিনি ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন। বাংলায় তাঁর ট্যুইট, উন্নয়নমুখী রাজনীতির পক্ষে ভোট দিয়েছেন সকলে। এই জয় উন্নয়নের জয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • PM Modi: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘ভবিষ্যতের শহরের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়া জরুরি’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের উন্নয়নে ভারত (India) সার্কুলার অর্থনীতিকে প্রধান ভিত্তি করছে। বুধবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, যদি এই পন্থা আগে অবলম্বন করা হত, তাহলে দেশের বিভিন্ন শহরে পাহাড় প্রমাণ জঞ্জাল জমত না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শহরের আবর্জনার ৭৫ শতাংশই প্রসেস করা হচ্ছে। ২০১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪-১৫ শতাংশ। তিনি বলেন, সুপরিকল্পিত শহরগুলি দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যদি দেশের ৭৫টি শহরেও সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা হত, তাহলে বিশ্বের দরবারে ভারতের ভাবমূর্তি অন্যরকম হত। তিনি বলেন, ভারতে দ্রুত নগরায়ন হচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরিকাঠামো গড়ে তোলা খুবই জরুরি।

    মোদি (PM Modi) বলেন…

    এদিন বাজেট-উত্তর ওয়েবমিনারে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। আলোচনার বিষয় ছিল ‘আরবান ডেভেলপমেন্ট উইথ ফোকাস অন প্ল্যানিং’। তিনি জানান, আবর্জনা প্রসেস করা হলে অনেক সুযোগেরই দ্বার খুলে যায়। কারখানাগুলো এগুলোকে কাজে লাগাতে পারে। দেশবাসীর কাছে তাঁর আবেদন, এই জাতীয় স্টার্টআপগুলিকে সমর্থন করুন। বলুন, বড় কাজ করছেন। তিনি বলেন, কোনও কোনও শহরে ব্যবহৃত জলও কারখানার কাজে লাগানো হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরবান প্ল্যানিং আমাদের শহরগুলির ভাগ্য নির্ধারন করে। এবং এই সমস্ত সুপরিকল্পিত শহর ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করে। তিনি বলেন, আমাদের নয়া শহরগুলি অবশ্যই জঞ্জালমুক্ত হবে। নিশ্চিত জল মিলবে। জলবায়ু সহনশীল হবে।

    আরও পড়ুুন: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    শহুরে পরিকাঠামোর ওপর বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। দোতলা, তিনতলা শহর গড়ার পরিকল্পনা করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ভারতের ভবিষ্যতের শহরগুলির পরিকল্পনা হওয়া উচিত অন্যভাবে। সেগুলি যেমন গঠনশৈলির দিক থেকে অনন্য হবে, তেমনি হবে জিরো লিক্যুইড ডিসচার্জ মডেল, নেট পজিটিভিটি অফ এনার্জি, এফিসিয়েন্সি অফ ল্যান্ড ইউজ, ট্রানজিট করিডরস। জনগণের সেবায় নিয়োজিত হবে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স। শহরে খেলার মাঠ এবং সাইকেল চলাচলের জন্য আলাদা রাস্তা গড়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে গ্রামের উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি জোর দিয়েছেন শহরের উন্নয়নের দিকেও। যার জেরে আধুনিক বিশ্বে ভারতের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     

     

     

  • Ukraine Russia War: ভারতের বাধায় পরমাণু হামলা করেননি পুতিন, মানল আমেরিকা

    Ukraine Russia War: ভারতের বাধায় পরমাণু হামলা করেননি পুতিন, মানল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং চিন বাধা না দিলে হয়ত এতদিনে ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia War) শেষ করার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করতেন। এই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বর্ষপূর্তি হয়েছে ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের। এখনও যুদ্ধের বিরাম নেই। এমতাবস্থায় ইউক্রেনে ফের পরমাণু অস্ত্র হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন জো বাইডেন সরকারের বিদেশ সচিব। জি ২০- সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী সপ্তাহে ভারতে আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব। তার আগে তাঁর বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, বিশ্বে শান্তি ফেরাতে ভারতের গুরুত্ব কতটা।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia War)…

    ব্লিঙ্কেন বলেন, রাশিয়ার মতো দেশের ওপর চিনের মতো দেশের প্রভাব সামান্যই। কিন্তু ভারতের মতো দেশ তাঁকে (পুতিনকে) শান্তি ফেরাতে অনুরোধ করেছে। সে বার্তা সে দেশের রাষ্ট্র প্রধানের কানে পৌঁছেও দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমার মনে হয় এর কিছু প্রভাব পড়েছে।

    মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, দশকের পর দশক ধরে ভারত রাশিয়ার (Ukraine Russia War) ওপর নির্ভর করত। রাশিয়া ভারতকে সামরিক অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করত। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে ভারত আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার চেষ্টা করছে। রাশিয়া ছাড়াও তারা আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তপোক্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, এদের মধ্যে ফ্রান্সও রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের এই আবহে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ার কারণ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বক্তব্য। চলতি সপ্তাহেই তিনি বলেছিলেন, রোসাতম ও তাঁর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে আমাদের দেশ প্রয়োজনে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করবে।

    গত বছর কাজাখাস্তানের সমরখণ্দে মুখোমুখি হয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই মোদি পুতিনকে পইপই করে বুঝিয়েছিলেন, এটা যুদ্ধের (Ukraine Russia War) যুগ নয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তার পরেও হয়ত রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধে ইতি পড়েনি, তবে মোদির ওই বার্তায় যে বিশ্বশান্তির বার্তা স্পষ্ট, তা মেনে নিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। জো বাইডেন প্রশাসনও আগে একবার স্বীকার করেছে একথা। ফের একবার ভারতের ‘প্রভাব’ মনে করিয়ে দিলেন বাইডেন প্রশাসনেরই বিদেশমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     

     

  • PM Kisan Samman Nidhi Yojana: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    PM Kisan Samman Nidhi Yojana: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলির আগেই কৃষকদের উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) সুবিধাভোগী কৃষকদের জন্য রয়েছে সুখবর। সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারি পিএম কিষাণের টাকা সুবিধাভোগী কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হল। এর ফলে উপকৃত হবেন দেশের ১০ কোটিরও বেশি কৃষক। এদিন কর্নাটকের বেলাগাভি থেকে সরাসরি কৃষকদের কিষাণ যোজনার ১৩তম কিস্তির টাকা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিস্তিতে প্রায় ৮ কোটির বেশি কৃষকরা মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা পেলেন। প্রায় বহুদিন ধরেই দেশের কৃষকরা এর জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। আজ অবশেষে তাঁদের প্রতীক্ষার অবসান হল।

    কর্নাটকে একটি অনুষ্ঠান থেকে কিষাণ যোজনার টাকা দেওয়ার সূচনা

    আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েকটি উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধনে কর্নাটক যান। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পার জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী হাই-টেক রেল স্টেশনের উদ্বোধন করেন। এর পরেই তিনি সেখান থেকেই কিষাণ সম্মান নিধির টাকা দেওয়ার সূচনা করেন। এর আগে মে ও অক্টোবর মাসে ১১ ও ১২তম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল। আর এবার ১৩ তম কিস্তির টাকা দেওয়া হল (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)।

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনায় কত টাকা পেলেন কৃষকরা?

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই পিএম কিষান যোজনা সামনে এনেছিল মোদি সরকার। মূলত প্রান্তিক ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া কৃষকদের সহায়তায় এই উদ্যোগ নিয়েছিল কেন্দ্র। এই যোজনার আওতায় বাৎসরিক ভাবে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়া হয় কৃষকদের। তবে একবারে এই টাকা না দিয়ে কিস্তিতে কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে মোট ৩ বারে দেওয়া হয় ৬০০০ টাকা। ফলে এবারেও এই প্রকল্পের অধীনে থাকা উপভোক্তা কৃষকদের মাথাপিছু ২ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ বছরে ১১.৩০ কোটিরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ২৪ হাজার কোটির বেশি টাকা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

    টাকা এসেছে কিনা কীভাবে চেক করবেন?

    http://pmkisan.gov.in -এ গিয়ে কৃষকেরা টাকার পরিমাণ জানতে পারেন (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)। যদি কোনও কৃষক মনে করেন, তিনি যোগ্য সুবিধাভোগী হওয়া সত্ত্বেও অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি, তাঁরা ১৫৫২৬১ বা ১৮০০১১৫৫২৬ হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাতে পারেন। এছাড়াও এখানে কৃষকদের সব সমস্যার সমাধান করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Naatu Naatu: ‘নাটু নাটু’ গানের তালে দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের কর্মীরা, ভিডিও শেয়ার প্রধানমন্ত্রীর

    Naatu Naatu: ‘নাটু নাটু’ গানের তালে দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের কর্মীরা, ভিডিও শেয়ার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নাটু নাটু’-র ক্রেজ আসক্ত করেছে গোটা বিশ্বকে। তা আরও একবার বোঝা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শেয়ার করা ভিডিও দেখে। দক্ষিণের পরিচালক এসএস রাজামৌলি পরিচালিত ছবি ‘আরআরআর’-এর ‘নাটু নাটু’ গানের তালে নেচেছে পুরো দেশবাসী। আর এবারে ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের কর্মীদেরও এই গানের তালের সঙ্গে পা মেলাতে দেখা গেল। আর এই ভিডিও শেয়ার করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ইতিহাস সৃষ্টির পথে ‘আরআরআর’

    ‘নাটু নাটু’র জন্য ইতিমধ্যেই গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জিতেছে ‘আরআরআর’, আপাতত অস্কারের জন্য দিন গুণছে গোটা দেশ। এই ছবির হাত ধরে দীর্ঘ ১৪ বছর পর ফের ভারতের সামনে অস্কার জয়ের হাতছানি। তার আগে ফের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে রাজামৌলির টিমের ঝুলিতে। ফের একবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে রাজামৌলি-রামচরণদের হাতে। হলিউড ক্রিটিকস অ্যাসোশিয়েশনের বিচারে সেরা গানের পুরস্কারও জিতেছে ‘আরআরআর’। হলিউড ক্রিটিকস অ্যাসোশিয়েশনের মঞ্চে সেরা ‘অরিজিন্যাল সং’ বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছে ‘নাটু নাটু’। ফলে ‘নাটু নাটু’ গানের জনপ্রিয়তা সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়েই চলেছে। শ্রোতাদের মধ্যে এই গানের উন্মাদনা আকাশ ছোঁয়া।

    ‘নাটু নাটু’ গানে নাচ কোরিয়ার দূতাবাসের কর্মীদের

    ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস তাদের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে এই ভিডিওটি শেয়ার করেছে। এতে কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত চ্যাং জায়ে বকের সঙ্গে দূতাবাসে কর্মরত কর্মীদের ‘আরআরআর’-এর ‘নাটু নাটু’ গানে নাচতে দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, “আপনি কি নাটু জানেন? আমরা দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের ‘নাটু নাটু’ নাচের কভার শেয়ার করতে পেরে আনন্দিত। দূতাবাসের কর্মীদের সঙ্গে কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত চ্যাং জায়ে-বকের নাটু নাটু দেখুন!!”

    কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    এবার এই ভিডিও ট্যুইটারে রিট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দূতাবাসের কর্মীদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন তিনি। এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। ভিডিওটি প্রায় দু’ঘন্টা আগে শেয়ার করা হয়েছিল। শেয়ার করার পর থেকে, এটি ৭ লক্ষেরও বেশি ভিউ পেয়েছে এবং এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে৷ আবার এতে ২০ হাজারেরও বেশি লাইক এসেছে।

  • German Chancellor: ইউরোপে ভারতের সব চেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার জার্মানি, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বললেন মোদি

    German Chancellor: ইউরোপে ভারতের সব চেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার জার্মানি, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপে ভারতের (India) সব চেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হল জার্মানি। শনিবার এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিনই দু দিনের ভারত সফরে এসেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর (German Chancellor) ওলাফ শোলজ। তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। তার পরেই বলেন, ইউরোপে ভারতের সব চেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হল জার্মানি। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে শোলজকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী সহ বিজেপির বেশ কয়েকজন প্রথম সারির নেতার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। সূত্রের খবর, এদিন মোদি-শোলজ বৈঠকে ক্লিন এনার্জি, বাণিজ্য ও নয়া প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে হয় যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। তখনই জার্মানি প্রসঙ্গে একথা বলেন মোদি।

    ভারত-জার্মানি…

    ভারতের সঙ্গে জার্মানির সম্পর্ক ভাল বলেও জানান শোলজ। সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ভাল সম্পর্ক রয়েছে। আশা করি, এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আশা করি, আমরা আমাদের দেশের উন্নয়ন এবং বিশ্বের শান্তির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক সমস্ত বিষয় নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করব।

    এদিন বৈঠক শেষে দুই রাষ্ট্র প্রধান দিল্লিতে হায়দরাবাদ হাউসে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেই সম্মেলনে মোদি বলেন, দুই দেশের মধ্যে গভীর বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে ভারত ও জার্মানির সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আমাদের বাণিজ্য বিনিময়ের ইতিহাস রয়েছে। এর পরেই মোদি বলেন, জার্মানি ইউরোপে আমাদের সব চেয়ে বড় বাণিজ্যের অংশীদার। ইউরোপে আমাদের বাণিজ্যের সর্ববৃহৎ অংশীদার হওয়া ছাড়াও ভারতে বিনিয়োগের অন্যতম একটি উৎস হল জার্মানি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একে অপরের স্বার্থের অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ভারত ও জার্মানির মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: জেলের মধ্যেই কুন্তল-তাপসকে শাসানি পার্থর! আরও বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

    তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছরে দু দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। আজ মেক ইন ইন্ডিয়া ও আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের ফলে সমস্ত ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ এসেছে। আমরা এই সুযোগগুলিতে জার্মানির আগ্রহ দেখে উৎসাহিত হয়েছি। শোলজ (German Chancellor) বলেন, আমাদের প্রয়োজন মেধা ও দক্ষ কর্মীর। ভারতে তথ্য প্রযুক্তি ও সফ্টওয়্যারের বিকাশ হচ্ছে। অনেক দক্ষ সংস্থা ভারতে রয়েছে। ভারতে এত প্রতিভা রয়েছে। আমরা তা থেকে উপকৃত হতে চাই। আমরা জার্মানিতে সেই প্রতিভা নিয়োগ করতে চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Amit Shah: ‘দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়েই ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি’, জানিয়ে দিলেন শাহ

    Amit Shah: ‘দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়েই ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি’, জানিয়ে দিলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি (BJP)। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়েই ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতি হচ্ছে। স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, অর্থনীতি, পরিকাঠামো, রফতানি, ব্যাঙ্কিং, মহাকাশ এবং প্রতিরক্ষা সব ক্ষেত্রেই হচ্ছে অগ্রগতি। শুক্রবার মধ্যপ্রদেশের সাতনায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    শাহ উবাচ…

    এদিন সাতনায় একটি মেডিক্যাল কলেজ উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন শাহ। সেখানেই তিনি আশা প্রকাশ করে, দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপিকে জয় এনে দেওয়ার আবেদনও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বিজেপি যে ফের ক্ষমতায় ফিরবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহলও। এ ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী শাহও। এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি সরকারে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের বিশদ বিবরণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। নরেন্দ্র মোদির সরকার বঞ্চিতদের কল্যাণের জন্য নানা রকম চিন্তাভাবনা করছে জানিয়ে শাহ বলেন, মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তাঁর সরকার দলিত, দরিদ্র, অনগ্রসর জাতি এবং উপজাতিদের সরকার হবে। একটি সরকারের সবার আগে কী নিয়ে ভাবা উচিত, সে বিষয়ে একটি সম্যক ধারণা প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্বকে দিয়েছেন। গত ন বছরে দরিদ্রদের জন্য করা সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করেছেন মোদি।

    আরও পড়ুুন: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটাই বিজেপির পরিচয়। বিজেপির নীতি হল দরিদ্রকে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের ক্ষমতা দেওয়া। এদিনের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে কংগ্রেসকেও নিশানা করেন শাহ। তিনি (Amit Shah) বলেন, মোদি সরকার ১০ কোটি শৌচাগার তৈরি করেছে এবং এই প্রকল্পের সব চেয়ে বেশি সুবিধাভোগীরা উপজাতীয় সম্প্রদায় ও দলিত। কিন্তু কংগ্রেসের শাসনকালে শৌচাগার তৈরি করা তো দূর অস্ত, দলিতদের জীবনের উন্নতির কথা চিন্তা পর্যন্ত করা হয়নি। শাহ বলেন, কংগ্রেসের আমলে কখনওই একজন আদিবাসীকে ভারতের রাষ্ট্রপতি করা হয়নি। কিন্তু দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে বসিয়ে ভারতের উপজাতিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

     

  • Online Payment: এবার দেশের বাইরেও ইউপিআই! শুরু ভারত-সিঙ্গাপুর ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবা

    Online Payment: এবার দেশের বাইরেও ইউপিআই! শুরু ভারত-সিঙ্গাপুর ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রচনা হল নয়া ইতিহাস! দেশের বাইরে পৌঁছে গেল ইউপিআই (UPI)। সিঙ্গাপুরে (Singapore) এক সঙ্গে অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে কাজ করবে ইউপিআই এবং পে নাও। মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং এই ডিজিটাল পেমেন্টের (Online Payment) চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এদিন সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এর সূচনা করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে এদিন থেকেই সিঙ্গাপুরের বাসিন্দারা ভারতের ইউপিআই ব্যবহার করে ভারতে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন। যার ফলে কম খরচে, তাৎক্ষণিক এবং সব সময় তহবিল স্থানান্তর সক্ষম করতে দুই দেশের মধ্যে রিয়েল-টাইম পেমেন্ট সিস্টেম লিঙ্কেজ থাকবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ও মনিটারি অথরিটি অফ সিঙ্গাপুরের ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর রবি মেনন এই সুবিধা চালু করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন…

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ভারত ও সিঙ্গাপুরের জনগণকে এই চুক্তির জন্য অভিনন্দন জানাই। এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। এর মাধ্যমে সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী ভারতীয়রা সহজে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ভারতে অর্থ পাঠাতে সক্ষম হবেন। ভারতে ডিজিটাল পেমেন্টের (Online Payment) ক্ষেত্রে এটি একটি ঐতিহাসিক সময়। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকরা তাঁদের মোবাইলে দেশের মানুষের কাছে অর্থ পাঠাতে ও গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন। এতে শিক্ষার্থী, প্রফেশনাল ও সাধারণ নাগরিকরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। সিঙ্গাপুরের তরফে সাইমন ওং বলেন, ভারতের প্রথম ক্রস বর্ডার রিয়েল টাইম পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে এই উদ্যোগটি উভয় দেশের মধ্যে গভীর আস্থা প্রমাণ করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমরা ভারতের ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রার অংশ হতে উন্মুখ।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি সচিব অখিলেশ কুমার শর্মা বলেন, ১০টি দেশের প্রবাসীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই ইউপিআই পরিষেবা। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, হংকং, আমেরিকা, ব্রিটেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সিঙ্গাপুরের প্রবাসী ভারতীয়রা এই পরিষেবা পাবেন। সিঙ্গাপুরের পে নাও সিস্টেমের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে ইউপিআই। শীঘ্রই এক সঙ্গে কাজ করবে এই পেমেন্ট (Online Payment) পরিষেবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share