Tag: PM Modi

PM Modi

  • Cheetah In India: ভারতে চিতার বংশবৃদ্ধিতে ভূমিকা নেবে ‘আশা’, বাকিদের নাম কী রাখা হল জানেন?

    Cheetah In India: ভারতে চিতার বংশবৃদ্ধিতে ভূমিকা নেবে ‘আশা’, বাকিদের নাম কী রাখা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭৪ বছর পর ফের ভারতের মাটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে চিতা (Cheetah Returned to India)। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশ থেকে বিলুপ্ত হয় এই প্রাণী। ফলে এবারে নামিবিয়া থেকে ভারতে আনা হয়েছে আটটি চিতা। আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে আনা আটটি চিতাকেই শনিবার মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park in Madhya Pradesh) ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  এবার এই চিতাগুলোরই নাম দিলেন তিনি। আটটি চিতার মধ্যে পাঁচটি নারী। এদের বয়স প্রায় ২ থেকে ৫ বছরের মধ্যে। এদিকে তিনটি পুরুষের বয়স সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ বছরের মধ্যে।

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে চিতাটির নামকরণ করেছেন, তার নাম দিয়েছেন আশা। এই নামের পেছনে এক কারণও রয়েছে। আশা করা হয়েছে যে, এই ৪ বছর বয়সী চিতা কুনো ন্যাশনাল পার্কে চিতার জনসংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করবে, তাই এর নাম আশা (Asha)।

    আরও পড়ুন: চিতা নিয়ে কটাক্ষ অখিলেশের, এসপি নেতার ‘অজ্ঞতা’ নিয়ে বিদ্রুপ বিজেপির

    আরও জানা গিয়েছে, ২.৫ বছর বয়সী চিতার নাম রাখা হয়েছে বিলসি (Bilsi)। বিলসির নামিবিয়ার এরিন্দি প্রাইভেট গেম রিজার্ভে ২০২০ সালের এপ্রিলে জন্ম হয়। এই আটটি চিতার মধ্যে সবচেয়ে বড় চিতার নাম রাখা হয়েছে সাশা (Sasha)। এর বয়স ৫ বছর। আরও একটি চিতার নাম রাখা হয়েছে সাভানা (Savannah)। আরেকটি মহিলা চিতার নাম রাখা হয়েছে সিয়ায়া (Siyaya)। বাকি তিনটি পুরুষ চিতার নাম রাখা হয়েছে ফ্রেডি (Freddie), এলটন (Elton) ও ওবান (Oban)।

    ভারতে এসে মাত্র দুদিন কেটেছে চিতাগুলোর, তাতেই এরা ভারতের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। এটিই বিশ্বের প্রথম ঘটনা যেখানে, বৃহত্তম কার্নিভোর প্রাণী এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে স্থানাস্তর করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নামিবিয়া থেকে আগামী পাঁচ বছর ধরে ধাপে ধাপে আরও ৫০টি চিতা আনা হবে ভারতে। কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতাগুলিকে রাখার জন্য বিশেষ বন্দোবস্তও করা হয়েছে। ভারত সরকারের ‘প্রজেক্ট চিতা’ প্রকল্পের অধীনে দেশে নতুন চিতা আনা হয়েছে। ভারতে চিতাদের বাসস্থান ফের গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিশেষ পদক্ষেপ।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Akhilesh Yadav: চিতা নিয়ে কটাক্ষ অখিলেশের, এসপি নেতার ‘অজ্ঞতা’ নিয়ে বিদ্রুপ বিজেপির

    Akhilesh Yadav: চিতা নিয়ে কটাক্ষ অখিলেশের, এসপি নেতার ‘অজ্ঞতা’ নিয়ে বিদ্রুপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুনো ন্যাশনাল পার্কে (Kuno National Park) চিতা (Cheetah) ছেড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাকে কটাক্ষ করে ট্যুইট করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির (SP) নেতা অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। এবার তারই পাল্টা দেওয়া হল বিজেপির (BJP) তরফে। গেরুয়া শিবিরের এক নেতার বিদ্রুপ, অখিলেশকে পড়াতে গিয়ে যে পয়সা খরচ হয়েছে, তা পুরো বরবাদ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : ৭০ দশক পর চিতা ফিরল দেশে, ছাড়া হল কুনো জাতীয় উদ্যানে

    ভারতে চিতার অস্তিত্ব লুপ্ত হয়েছে সাত দশক আগে। সম্প্রতি দেশে চিতা ফিরিয়ে আনতে নামিবিয়া থেকে সব মিলিয়ে আটটি চিতা নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি পুরুষ, তিনটি স্ত্রী। ১৭ অগাস্ট, শনিবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে সেগুলিকে ছাড়া হয় মধ্য প্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে। এদিনই ওই চিতাগুলির একটি ভিডিও শেয়ার করে সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব ট্যুইট বার্তায় লেখেন, প্রত্যেকে অপেক্ষা করছিল গর্জন শুনবে বলে। কিন্তু দেখা গেল, এরা বাক্সের মধ্যে বিড়ালের মতো মিউমিউ করছে। এর পরেই অখিলেশের অজ্ঞতাকে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা তথা বিজেপির দিল্লি মুখপাত্র অজয় শেরওয়াত। তিনি জানান, চিতা গর্জন করে না। পাল্টা ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, আপনি অষ্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেছেন…সব পয়সা বরবাদ হয়ে গিয়েছে।

    অখিলেশকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটিজেনরাও। কেউ কেউ তাঁকে শোধরাতে গিয়ে বলছেন, চিতা বাঘ, সিংহ কিংবা চিতাবাঘের মতো গর্জন করে না। কারণ তাদের প্রত্যেকের ভয়েস বক্সের গঠন আলাদা। কোনও কোনও ট্যুইটার ব্যবহারকারী আবার বলছেন, এটা অখিলেশের ভুল নয়। কারণ তিনি জানেন না ১৯৫২ সালেই দেশে চিতা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। এদিকে, কুনো পার্কে চিতা ছাড়ার ঘটনায় লেগেছে রাজনীতির রং। কংগ্রেসের দাবি, চিতা ছাড়ার এই প্রজেক্ট মহমোহন সিংয়ের সরকারের আমলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Cheetah in India: রাতের বিমানে ভারতে, কুনো জাতীয় উদ্যানে ৮টি চিতা পৌঁছবে বায়ুসেনার ‘চিনুক’ কপ্টারে

    Cheetah in India: রাতের বিমানে ভারতে, কুনো জাতীয় উদ্যানে ৮টি চিতা পৌঁছবে বায়ুসেনার ‘চিনুক’ কপ্টারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ভারতে এসে পৌঁছবে ৮টি চিতা (Cheetah)। একটি বাণিজ্যিক বিমানে করে চিতাগুলিকে ভারতে (India) নিয়ে আসা হচ্ছে আফ্রিকা (Africa) মহাদেশের দেশ নামিবিয়া থেকে। সেখান থেকে চিতাগুলিকে নিয়ে আসা হবে রাজস্থানের জয়পুরে। পরে সেখান থেকে বাঘ প্রজাতির ওই প্রাণীগুলিকে নিয়ে আসা হবে মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে (Kuno National Park)। এজন্য প্রস্তুত ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) হেভিলিফট হেলিকপ্টার চিনুক (Chinook)।

    ১৭ অগাস্ট নামিবিয়া থেকে কুনো ন্যাশনাল পার্কে নিয়ে আসা হচ্ছে ৮টি চিতা। এগুলির মধ্যে পাঁচটি পুরুষ, তিনটি স্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) চিতা পুনরুদ্ধার প্রোগ্রামের সূচনা করবেন। ঘটনাচক্রে এই দিনটি আবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনও (PM Modi birthday)। এদিনই চিতাগুলিকে ছেড়ে দেওয়া হবে ওই পার্কে। সেই চিতা আনতেই নামিবিয়া গিয়েছে বাঘ মুখ আঁকা বিশেষ বিমান। বিমানে চিতাগুলি নিয়ে আসা হবে জয়পুরে। সেখান থেকে সোজা পার্কে।

    সরকারি সূত্রে খবর, বিমানে করে চিতাগুলিকে প্রথমে জয়পুরে নিয়ে আসা হবে। সেখান থেকে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের চিনুক হেলিকপ্টারে করে বাঘ প্রজাতির ওই প্রাণীগুলিকে নিয়ে আসা হবে কুনো ন্যাশনাল পার্কে। সরকারি সূত্রে এও জানা গিয়েছে, নামিবিয়া থেকে চিতাগুলিকে কুনো জাতীয় উদ্যানের কাছাকাছি কোনও বিমানবন্দরে নামানোর চেষ্টা চলছে। তা সম্ভব না হলে সেগুলিকে নামানো হবে জয়পুরে। সেখান থেকে অতিথিরা পৌঁছে যাবে কুনো জাতীয় উদ্যানের গভীর অরণ্যে।

    আরও পড়ুন : বাঘ আঁকা জাম্বো বিমানে করে ভারতে আনা হচ্ছে চিতা

    জানা গিয়েছে, ৭০ বছর পরে ভারতে ফের দেখা যাবে চিতা। ১৯৫২ সালে ভারতে চিতাকে বিলুপ্ত প্রাণী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তার পর এই প্রথম নিয়ে আসা হচ্ছে চিতা। চিতা বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্পোরেশন লিমিটেডও। বাঘ প্রজাতির এই প্রাণীগুলিকে বাঁচাতে আগামী পাঁচ বছর ধরে তারা খরচ করবে ৫০.২২ কোটি টাকা। এজন্য চলতি বছরের ২ অগাস্ট ন্যাশনাল টাইগার কনজার্ভেশন অথরিটির সঙ্গে মউ স্বাক্ষরও করেছেন ইন্ডিয়ান ওয়েল কর্তৃপক্ষ। চিতা আসার খবরে উৎসাহিত কুনো ন্যাশনাল পার্কের কর্মীরা। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে নবাগত অতিথিদের বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cheetah: দেশের জঙ্গলে ছাড়া হয়েছে চিতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মজাদার মিম

    Cheetah: দেশের জঙ্গলে ছাড়া হয়েছে চিতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মজাদার মিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত দশক পরে ভারতে ফিরেছে চিতা। আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে আনা হয়েছে আটটি চিতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) সেগুলিকে খাঁচা মুক্ত করেছেন তাঁর ৭২তম জন্মদিনে। এই ৮টি চিতার মধ্যে রয়েছে ৫টি স্ত্রী ও ৩টি পুরুষ। মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) ছাড়া হয়েছে বিদেশি এই অতিথিদের। ছত্তিশগড়ের রাজা মহারাজ রামানুজ প্রতাপ সিং দেও ১৯৪৭ সালে শেষ তিনটি চিতাকে মেরে ফেলার পরেই ভারতে লুপ্ত হয়ে যায় চিতার বংশ। তারপর থেকে ভারত সরকার চিতা ফেরানোর উদ্যোগ নিলেও, নানা কারণে এতদিন তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে সম্প্রতি হল ভারতবাসীর সেই ইচ্ছেপূরণ। 

    আরও পড়ুন: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    দীর্ঘ সাত দশক পর চিতাকে দেশে ফেরানোয় খুশি তামাম ভারত। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ব্যক্ত করেছেন তাঁদের প্রতিক্রিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ার এক ইউজার লিখেছেন, চিতার বায়োপিক তৈরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন অক্ষয় কুমার। অক্ষয় কুমারের চিতা প্রিন্টের শার্ট পরিহিত ছবি শেয়ার করা হয়েছে মিমটিতে।

    ভারতে চিতা ফিরিয়ে আনা নিয়ে অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি মিম শেয়ার করেছে পিআইবি ইন্ডিয়াও। “কভি খুশি কভি গম” সিনেমাটির একটি আইকনিক দৃশ্য শেয়ার করেছে তারা। যেখানে অভিনেত্রী জয়া বচ্চনকে পুজোর প্লেট হাতে অপেক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে।

    মধ্যপ্রদেশ সরকারের জনসম্পর্ক বিভাগ (Public Relations Department) ধনুষের ছবি ‘আটরঙ্গি রে’-এর একটি ছোট ক্লিপ শেয়ার করেছে। ভিডিওতে ধনুষকে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যাচ্ছে। এই মিম দেখে হাসি থামাতে পারবেন না দর্শক।

    নামিবিয়ার এই চিতাদের নিয়ে বাহুবলী সিনেমার মিমও ভাইরাল হচ্ছে। মিমটিতে অভিনেতা প্রভাসের মুখ বদলে বসানো হয়েছে চিতার মুখচ্ছবি। সিনেমাটির একটি বিখ্যাত ডায়লগ ব্যবহার করা হয়েছে মিমটিতে। 

     ভারতে এত বছর পরে চিতা ফিরে আসায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সেলিব্রিটিরাও। বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut) প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি লিখেছেন, আগে  কবুতর ছেড়ে দেওয়া হত, আজ চিতা ছাড়া হচ্ছে।’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Teesta Setalvad: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    Teesta Setalvad: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট (Gujrat) সরকারের ভাবমূর্তিতে কালি লাগাতে চেয়েছিলেন তিস্তা শেতলবাদ (Teesta Setalvad)। গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ছকও কষেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে গোধরা পরবর্তী হিংসায় মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম, সংক্ষেপে সিটের (SIT) চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সম্প্রতি তিস্তা শেতলবাদ, পুলিশের প্রাক্তন ডিজি আরবি শ্রীকুমার এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। আহমেদাবাদ মেট্রো কোর্টে ওই চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। সিটের জমা দেওয়া চার্জশিটে বলা হয়েছে, গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিংসার ঘটনার জেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ছক কষেছিলেন অভিযুক্তরা। আরও মারাত্মক অভিযোগ হল, সরকারের অংশ হওয়া সত্ত্বেও আরবি শ্রীকুমার ও সঞ্জীব ভাট তিস্তার জন্য জাল নথিপত্র বানিয়েছিলেন। পরে সেগুলিকে সরকারি নথির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়।

    কেন তাঁরা এরকম করেছিলেন? চার্জশিটে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন তাঁর ভাবমূর্তিতে কালি লাগাতে। এজন্য একদল আইনজীবীকে ভাড়া করা হয়েছিল যাঁরা জাল নথিপত্র ও হলফনামা তৈরি করেন। সিটের দাবি, গোধরা পরবর্তী ওই হিংসার শিকার বলে যাঁদের বলা হচ্ছে, তাঁদের প্রভাবিত করা হয়েছে। জোর করে স্বাক্ষর করানো হয়েছে মনগড়া বিবৃতিতে। যেহেতু ওই বিবৃতির পুরোটাই ইংরেজিতে, তাই হিংসার শিকার বলে যাঁদের বলা হচ্ছে, তাঁরা বুঝতে পারেননি কোথায় স্বাক্ষর করছেন তাঁরা। তাঁকে যদি সমর্থন না করেন, তাহলে বিপদ হবে বলেও হিংসার সাক্ষীদের হুমকি দিয়েছিলেন তিস্তা শেতলবাদ।

    আরও পড়ুন : আহমেদ প্যাটেলের নির্দেশেই মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন তিস্তা! দাবি সিটের

    সিটের আরও দাবি, তিস্তার সঙ্গে আরও যে আইপিএস অফিসাররা জড়িত তাঁরাও তিস্তাকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। একবার আরবি শ্রীকুমার এক সাক্ষীকে হুমকিও দিয়েছিলেন। শ্রীকুমার এক সাক্ষীকে বলেছেন, আপনি যদি তিস্তাকে সমর্থন না করেন, মুসলমানেরা আপনার বিরুদ্ধে চলে যাবে এবং আপনি সন্ত্রাসবাদীদের টার্গেট হয়ে যাবেন। আমরা যদি আমাদের মধ্যে লড়াই করি, শত্রুরা লাভবান হবে। একইভাবে উপকৃত হবেন মোদিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা (Urban Naxals)। এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন তাঁরা। শুক্রবার গুজরাটের (Gujrat) নর্মদা জেলার একতা নগরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই তিনি নিশানা করেন শহুরে নকশালদের।

    গুজরাটের সর্দার সরোবর বাঁধ তৈরিতে প্রথম পদক্ষেপ করেছিলেন জওহরলাল নেহরু, ১৯৬১ সালে। এদিন সে  প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, নর্মদা নদীর ওপর এই সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘ সময় আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষ। যার জেরে বাঁধ তৈরিতে নষ্ট হয়েছে বেশ কয়েকটা দশক। এই শহুরে নকশাল ও উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষের বাধার জেরে বাঁধ উঁচু করতে ঋণ দিতেও অস্বীকার করেছিল বিশ্বব্যাংক। মোদি বলেন, এই ষড়যন্ত্র বুঝতে কিছু সময় লেগেছিল। তবে শেষমেশ জয়ী হয়েছেন গুজরাটের বাসিন্দারা। বলা হয়েছিল, এই বাঁধ পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর। আজ সেই একই বাঁধ পরিবেশ রক্ষা করছে। এই শহুরে নকশালদের থেকে সতর্ক থাকতে বলেন মোদি।

    আরও পড়ুন : ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    তিনি বলেন, শহুরে নকশালদের মতো গোষ্ঠীর থেকে প্রত্যেকের সতর্ক থাকতে হবে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যের ছ হাজারেরও বেশি পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র এবং সাড়ে ছ হাজারের বেশি জঙ্গল সংক্রান্ত ছাড়পত্র পড়ে রয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, এই প্রস্তাবগুলিকে তাড়াতাড়ি ছাড়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি ঠিকঠাক থাকে। ব্যাকলগ থাকলে কোটি কোটি টাকা মূল্যের প্রোজেক্ট আটকে যাবে। মোদি বলেন, এটা অর্থনীতি এবং পরিবেশের পক্ষে একটা উইন-উইন পরিস্থিতি। অযথা পরিবেশের দোহাই দিয়ে কোনও প্রকল্প আটকে রাখা ঠিক নয়। জীবনকে সহজ করতে যা করণীয়, তা করা হবে। তিনি বলেন, যত তাড়াতাড়ি পরিবেশের ছাড়পত্র মিলবে, তত তাড়াতাড়ি হবে উন্নয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে মোদি-শরিফ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, জানুন কে কি বললেন

    SCO Summit: এসসিও সম্মেলনে মোদি-শরিফ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, জানুন কে কি বললেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঞ্চলিক শক্তিগুলির যোগাযোগ আরও মজবুত হবে যদি এক দেশ থেকে অন্য দেশে পূর্ণ পরিবহণের অধিকার (Transit Trade Access) থাকে। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের, সংক্ষেপে এসসিও (SCO) সম্মেলনে যোগ দিয়ে একথা বললেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাকিস্তান (Pakistan) ভারতকে স্থলপথে পরিবহণ করতে বাধা দিচ্ছে। তার জেরে ভারত স্থলপথে আফগানিস্তান ও সেন্ট্রাল এশিয়ায় ব্যবসা করতে পারছে না বলেও অভিযোগ করেন মোদি।

    এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে মোদি ইউরেশিয়ান অঞ্চলে বিভিন্ন দেশগুলির মধ্যে আরও সহযোগিতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বে যে জ্বালানি এবং খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে এদিন তাও জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময় ভারতে হবে এসসিও সম্মেলন। তার আগেই উৎপাদনের ওপর ভারত যে জোর দিচ্ছে, তারও উল্লেখ করেন মোদি। ভারত যে একটা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব এবং দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ, এদিন বিশ্বনেতাদের সেটাও জানিয়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এর পরেই মোদি বলেন, সদস্য দেশগুলির মধ্যে বিশ্বাস গড়ে তুলতে এবং প্রাণবন্ত, বৈচিত্রপূর্ণ সাপ্লাই চেন সচল রাখতে এসসিওর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, এজন্য পারস্পরিক সংযোগ রক্ষা জরুরি। সেজন্য আমাদের প্রত্যেককে দিতে হবে পরিবহণের পূর্ণ অধিকার।

    আরও পড়ুন : ‘‘এটা যুদ্ধের সময় নয়, বন্ধু…’’, পুতিনকে যখন এই কথা বললেন মোদি

    এদিন সম্মেলনের বাইরে মোদির সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের কোনও বাক্য বিনিময় হয়নি। যদিও মোদি দাঁড়িয়েছিলেন শি জিনপিংয়ের ঠিক পাশেই।এসসিও সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রথমেই ভারতেক ধন্যবাদ জানান চিনা প্রেসিডেন্ট। আগামী বছর যেহেতু ভারত হবে আয়োজক দেশ, তাই ভারতের প্রতি চিনের পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতিও দেন শি জিনপিং। এদিন বক্তৃতা দিয়ে গিয়ে জিনপিং এবং শরিফ দুজনেই সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে সুর চড়ান। সন্ত্রাসবাদ দমনে যে যৌথভাবে লড়াই করতে হবে, তাও জানিয়ে দেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানই। ভাষণে শরিফ মোদির পরিবহণের পূর্ণ অধিকার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যদি আঞ্চলিক শক্তিগুলির সংযোগ থাকে, তাহলে পরিবহণের পূর্ণ অধিকার চলে আসবে আপনা থেকেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Modi Putin Meet: শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    Modi Putin Meet: শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-পুতিন, কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সংক্ষেপে এসসিও সম্মেলনে (SCO Summit 2022) যোগ দিতে সমরখন্দে (Samarkhand) গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। আগামিকাল, শুক্রবার উজবেকিস্তানে (Uzbekistan) আলাদা করে বৈঠক করতে চলেছেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russian President Vladimir Putin)। ক্রেমলিন সূত্রেই এ খবর জানানো হয়েছে। পরস্পর বন্ধু  এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বাণিজ্য এবং ভারতীয় বাজারে রাশিয়ান সারের সম্পৃক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। একটি বিবৃতি জারি করে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ভারতীয় বাজারে রাশিয়ান সারের সম্পৃক্তি ও খাদ্য সরবরাহ নিয়ে আলোচনা হবে দু দেশের মধ্যে।

    স্ট্র্যাটেজিক স্টেবিলিটি, এশিয়া-প্যাশিফিক অঞ্চলের পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রসংঘ (United Nations) ও জি-২০তে (G-20) দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে। রাশিয়ান নিউজ এজেন্সি তাস জানিয়েছে, মোদির সঙ্গে পুতিনের বৈঠকে আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিস্থিতি, রাষ্ট্রসংঘ, জি-২০ এবং এসসিও-য় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে। প্রেসিডেন্টের সহযোগী ইউরি উষাকভ বলেন, দুই দেশের এই সব বিষয়ে আলোচনা হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ডিসেম্বরে ভারত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করবে। ২০২৩ সালে ভারত নেতৃত্ব দেবে এসসিও-র। ওই বছরই ভারতের সভাপতিত্বে হবে জি-২০ বৈঠকও।

    আরও পড়ুন : বৈঠক হবে শেহবাজ, শি-র সঙ্গে? এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে আজই সমরখন্দে প্রধানমন্ত্রী

    ক্রেমলিনের তরফে এসব বলা হলেও, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্তও মোদি-পুতিন বৈঠকের (Modi-Putin Meet) ব্যাপারে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে দুই দেশের এই বৈঠকটি যে গুরুত্বপূর্ণ তা মানছে আন্তর্জাতিক মহলও। কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine Russia War) আবহে রাশিয়া (Russia) থেকে অপরিশোধিত তেল কিনছে ভারত (India)। আমেরিকা সহ পশ্চিমের বিভিন্ন দেশের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়েই রাশিয়া থেকে ওই তেল কিনছে নয়াদিল্লি। ভারত যে জ্বালানির জন্য চড়া দর দিতে অপারগ, সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দেশ, যেখানে মাথা পিছু আয় দু’হাজার মার্কিন ডলার। তাই আমরা চড়া দরে জ্বালানির মূল্য চোকাতে পারব না। তিনি বলেন, এটা আমার বাধ্যবাধকতা এবং নৈতিক কর্তব্য যে যেখানে কমে পাব, সেখান থেকেই জ্বালানি কিনব। তিনি বলেন, ভারতের এই অবস্থানের কথা জানে আমেরিকাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amit Shah: প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিবস উপলক্ষে গুচ্ছ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি, জানুন কী কী

    Amit Shah: প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিবস উপলক্ষে গুচ্ছ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি, জানুন কী কী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ক্রস-কান্ট্রি স্লাম রান (Cross Country Slum Run) কর্মসূচির সূচনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার মেজর ধ্যানচাঁদ ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ওই কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। সেবা কার্যক্রমের অঙ্গ হিসেবেই সূচনা হয় এই কর্মসূচির। জানা গিয়েছে, এই দৌড়ে অংশ নেবেন বিভিন্ন বস্তির ১০ হাজারেরও বেশি তরুণ ও শিশু। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭২ তম জন্মদিবস উপলক্ষে বিজেপিও হাতে নিয়েছে দু সপ্তাহ ব্যাপী নানা কর্মসূচি।

    ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ দিন ব্যাপী সেবা ও সমর্পণ প্রচার কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হবে রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির। আরও কিছু কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে দলের তরফে। দেশকে যক্ষ্মা মুক্ত করার কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে পদ্ম শিবির। দেশজুড়ে এই কর্মসূচি পালিত হবে আগামী এক বছর ধরে। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে দলের প্রত্যেকেই একজন করে যক্ষ্মা রোগীর দায়িত্ব নেবেন। তাঁর সেবা করবেন এক বছর ধরে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অরুণ সিং বলেন, এবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনটিকে উৎসর্গ করা হচ্ছে দরিদ্রদের কল্যাণে। তিনি জানান, যক্ষ্মা রোগীদের যে এক বছর ধরে সেবা করার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, তা প্রধানমন্ত্রীর ২০২৫ সালের মধ্যে যক্ষ্মামুক্ত ভারত গড়ার স্বপ্ন সফল করতে। অরুণ জানান, তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে পালন করা হবে কর্মসূচি। প্রথমেই রয়েছে সেবা। এর মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, প্রতিষেধক দান কেন্দ্র ইত্যাদি। তিনি বলেন, মানুষ যাতে বুস্টার ডোজ পান এবং শিবিরে এসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারেন, তাই এই সব বুথে উপস্থিত থাকবেন আমাদের কর্মীরা। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জানান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করার পাশাপাশি দল আয়োজন করবে পরিচ্ছন্নতা অভিযানেরও।

    আরও পড়ুন : ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিবস উপলক্ষে তাঁর শৈশব থেকে জাতীয় নেতা হওয়া পর্যন্ত জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের ছবির একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। বিজেপির সদর দফতরে এদিন একটি রক্তদান শিবিরের সূচনাও এদিন করেন নাড্ডা। প্রসঙ্গত, শনিবারই ছিল প্রধানমন্ত্রীর ৭২ তম জন্মদিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cheetah in India: প্রথমে রাখা হবে কোয়ারান্টাইনে! আফ্রিকা থেকে বিশেষ বিমানে আসছে আটটি চিতা

    Cheetah in India: প্রথমে রাখা হবে কোয়ারান্টাইনে! আফ্রিকা থেকে বিশেষ বিমানে আসছে আটটি চিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০ বছর পর ফের ভারতের মাটিতে দেখতে পারবেন চিতা (Cheetah)। কারণ খুব শীঘ্রই কিছু চিতা আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে ভারতে আনা হচ্ছে। ফলে ভারতে চিতা আনার প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে। শুধু তাই নয়, ১৭ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) তাঁর জন্মদিন পালন করবেন মধ্যপ্রদেশের কুনো পালপুর জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) আফ্রিকা থেকে আনা চিতা ছেড়ে।

    জানা গিয়েছে, সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে ভারতের মধ্যপ্রদেশের কুনো পালপুর জাতীয় উদ্যানে চিতাকে স্থানান্তরিত করা হবে। বহুদিন ধরেই দেশে চিতাকে আনা হবে বলে চেষ্টা করা হচ্ছিল। এবার খুব শীঘ্রই চিতা স্থানান্তরের কাজ সফল হতে চলেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহোক থেকে একটি বিশেষ বিমানে মোট ৮টি চিতা আনা হবে, এর মধ্যে পাঁচটি মহিলা চিতা ও তিনটি পুরুষ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে জয়পুর বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এরপর চিতাগুলিকে হেলিকপ্টারে করে কুনো পালপুর অভয়ারণ্যে নিয়ে যাওয়া হবে, যার জন্য ৪০-৪২ মিনিট সময় লাগবে। এই চিতাগুলোর বয়স ৪-৬ বছর।

    সাত সমুদ্র পেরিয়ে যারা দেশের মাটিতে আসতে চলেছে, তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আফ্রিকার জঙ্গল থেকে এখানে নিয়ে আসার পর তাদের পরীক্ষা করা করার জন্যে এক বিশেষ ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নতুন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে রাখার জন্য বেশ কয়েকদিন আলাদা করে রাখা হবে ও শারীরিক পরীক্ষার পর সংরক্ষিত অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীই তাঁর জন্মদিনের দিন চিতাগুলিকে একটি বিশেষ ঘরে ছেড়ে দেবেন, যেখানে তাদের ৩০ দিনের জন্য নিভৃতবাসে রাখা হবে। আটটি চিতার জন্য প্রায় ৬ বর্গমিটারের একটি পৃথক স্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার মধ্যে আবার রয়েছে ৯টি পৃথক এলাকা। ফলে নতুন অতিথিদের স্বাগত করার জন্যে কুনো জাতীয় উদ্যান রীতিমতো সেজে উঠেছে।

    আরও পড়ুন: চিতা বাঁচাতে কুনো ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় হাজার কুকুরকে অ্যান্টি র‌্যাবিস প্রতিষেধক

    আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর চিতাগুলি মুক্ত প্রকৃতিতে ছাড়ার কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন, তাই এই কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। এছাড়াও রবিবার কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব কুনো পালপুর অভয়ারণ্য পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তিনি তখন জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা অথবা নামিবিয়া থেকে আগামী পাঁচ বছর ধরে ধাপে ধাপে ৫০টি চিতা ভারতে আনা হবে। ভারতে যাতে আবার চিতার বংশবৃদ্ধি করানো যায়, তার জন্যেই ভারত সরকারের এই পদক্ষেপ।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,  ১৯৫২ সালে ভারত থেকে চিতা বিলুপ্তপ্রাণী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ভারতের শেষ চিতা ১৯৪৭ সালে ছত্তিশগড়ের কোরিয়ার সাল জঙ্গলে মারা গিয়েছিল। ফলে সরকারের এই চিতা স্থানান্তরের প্রকল্পের জন্য দেশের মাটিতে ফের দেখা পাওয়া যাবে বিশ্বের দ্রুততম প্রাণীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
LinkedIn
Share