Tag: PM Modi

PM Modi

  • RSS: শতবর্ষে পা আরএসএসের, জেনে নিন এই সংগঠনের ইতিহাস

    RSS: শতবর্ষে পা আরএসএসের, জেনে নিন এই সংগঠনের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতবর্ষ উদযাপন করছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (সংক্ষেপে আরএসএস)। ১৯২৫ সালের বিজয়া দশমীর দিন এই সংগঠনের (RSS) প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন ড. কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার। প্রধান লক্ষ্য ছিল, হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং হিন্দু সংস্কৃতি প্রচার করা (Mohan Bhagwat)। হেডগেওয়ার প্রাণিত হয়েছিলেন ভিডি সাভারকরের দ্বারা। সংগঠনের প্রথম কেন্দ্র খোলা হয়েছিল নাগপুরে। তখন থেকে মহারাষ্ট্রের এই শহর সংগঠনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। দেশের প্রতিটি রাজ্যে রয়েছে আরএসএসের কার্যালয়, ঐতিহ্যগতভাবে এগুলি “শাখা” নামে পরিচিত।

    নবজাগ্রত হিন্দু জাতির মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের পতন ঘটানো (RSS)

    সংগঠনের বহু সদস্যের মধ্যে কংগ্রেসের বেশ কিছু নেতাও ছিলেন, যাঁরা মহাত্মা গান্ধীর হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের আদর্শে হতাশ হয়েছিলেন। প্রথম দিকে আরএসএস ব্রিটিশ সরকারের বিরাগভাজন হতে চায়নি। তাই স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছিল। যদিও হেডগেওয়ারের উদ্দেশ্য ছিল শেষ পর্যন্ত একটি নবজাগ্রত হিন্দু জাতির মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের পতন ঘটানো। পরবর্তীকালে আরএসএস যুবকদের নিয়োগ করে, তাঁদের যুদ্ধবিদ্যা শেখানো হত। ব্রিটিশ পুলিশের মতোই উর্দিও পরতেন তাঁরা। পরে ধীরে ধীরে আরএসএস নিতে শুরু করে এক আধাসামরিক সংগঠনের রূপ। গত একশো বছরে আরএসএসের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে একাধিক ঝড়, সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে চারবার – ১৯৪৭, ১৯৪৮, ১৯৭৫ এবং ১৯৯২ সালে।

    জনসংঘ থেকে বর্তমানে বিজেপি

    ১৯৫১ সালে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি তৎকালীন আরএসএস (RSS) সরসংঘচালক ‘শ্রী গুরুজি’র সহায়তায় জনসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জনসংঘ ৩.০৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল, নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনজন সাংসদ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুখার্জি স্বয়ংও। এরপর জনসংঘ জাতীয় দলের মর্যাদা পায়। পরে বহু উত্থান পতনের পর ১৯৮০ সালের ৬ এপ্রিল গঠিত হয় ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। এর প্রধান নেতারা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী ও তাঁর ডেপুটি এলকে আডবাণী, প্রাক্তন মন্ত্রী মুরলী মনোহর যোশী ছিলেন আরএসএসের সদস্য। আজও বিজেপির প্রধান নেতা, মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। এই তালিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রমুখ। মঙ্গলবার আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে তিন দিনব্যাপী বক্তৃতা সিরিজের মাধ্যমে শতবর্ষ উদযাপনের সূচনা করেছেন। শতবর্ষ উপলক্ষে সংগঠনটি সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এই বক্তৃতা সিরিজের মূল উদ্দেশ্য হল সমাজের সামনে সংগঠনের (RSS) একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপন করা (Mohan Bhagwat)।

  • PM Modi: মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধের আবহে চলতি সপ্তাহেই জাপান ও চিন সফরে নরেন্দ্র মোদি, কী কী কর্মসূচি?

    PM Modi: মার্কিন শুল্ক-যুদ্ধের আবহে চলতি সপ্তাহেই জাপান ও চিন সফরে নরেন্দ্র মোদি, কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই জাপান ও চিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি মঙ্গলবার জানিয়েছন, ২৮ অগাস্ট সন্ধ্যায় জাপানের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ৷ এই সফরে তাঁর সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার দেখা হবে ৷ জাপান সফর শেষে চিনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী ৷ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেরে প্রায় ২০ জন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দেখা হবে প্রধানমন্ত্রীর ৷ চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর তিয়ানজিনে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (Shanghai Cooperation Organization) শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির অষ্টম জাপান সফর

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এর আগে সাতবার জাপানে গিয়েছেন মোদি৷ এটি তাঁর অষ্টম সফর৷ তবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বদলের পর এই প্রথমবার সূর্যোদয়ের দেশে যাবেন মোদি৷ দীর্ঘদিন দেশের বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলে আসার পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ইশিবা৷ তাঁর অনুরোধে ১৫তম ভারত-জাপান দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতেই এবার জাপান সফরে যাচ্ছেন মোদি ৷ ২৯ ও ৩০ অগাস্ট হবে এই বার্ষিক সম্মেলন৷ বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ইশিবার সাথে এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রথম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। প্রায় ৭ বছরের মধ্যে এটিই তার প্রথম জাপান সফর। তিনি শেষবার ২০১৮ সালে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন।” তারপর থেকে, তিনি জাপান সফর করেছেন, তবে তা বহুপাক্ষিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের জন্য। এই সফরটি সম্পূর্ণরূপে ভারত ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয়সূচির প্রতি নিবেদিত। ভারত-জাপান বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ।”

    জাপানের সঙ্গে আলোচনা

    ভারত ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার ব্যাপারে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে৷ প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা, ব্যবসা, অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দুটি দেশ একে অপরকে কীভাবে সাহায্য করতে পারে তা নিয়ে কথা বলবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী৷ এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এমন কয়েকটি বিষয় নিয়েও কথা বলবেন দুই নেতা৷

    চিনের পথে মোদি

    সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে চিনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ প্রধানমন্ত্রীর চিন সফর সমস্ত দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ৷ বাড়তি শুল্ক চাপিয়ে ভারতের উপর চাপ বাড়িয়েছে আমেরিকা৷ এই পরিস্থিতিতেই চিনে যাবেন মোদি ৷ সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-র শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে চিনের শহর তিয়ানজেন শহরে যাচ্ছেন মোদি৷ কমপক্ষে ২০টি দেশের প্রধানরা এই সম্মেলনের অংশ নেবেন৷ এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বেশ কয়েকটি দেশের প্রশাসনিক প্রধানরা এই বৈঠকের অংশ হবেন ৷

    মোদির চিন সফরের গুরুত্ব

    আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক যুদ্ধের আবহে তো বটেই গালোয়ান সীমান্তে হওয়া ভারত ও চিন সংঘাতের পর এই প্রথম সে দেশের মাটিতে পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি৷ তাছাড়া ঠিক যেদিন মোদির চিন সফরের কথা সরকাররে তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হল ঠিক সেদিনই বেজিংকে ‘হুমকি’ দিয়েছেন ট্রাম্প৷ তিনি চাইলে চিনকে ধ্বংস করে ফেলতে পারেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প৷ এই ঘো৷ষণা আবশ্যিকভাবে মোদি-সফরের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর চিনের তিয়ানজিনে এসসিও এর রাষ্ট্রপ্রধানদের ২৫তম বৈঠকে যোগদান করবেন মোদি। তিয়ানজিনে ৩১ অগাস্ট সন্ধ্যায় একটি স্বাগত ভোজের আয়োজন করা হয়েছে এবং ১ সেপ্টেম্বর প্রধান শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও, সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (SCO) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    পুতিন-মোদি-জিনপিং এক মঞ্চে!

    ভারত ২০১৭ সাল থেকে এসসিও-এর সদস্য দেশ হিসেবে অংশগ্রহণ করছে এবং ২০২২-২৩ সালে এসসিও রাষ্ট্রপ্রধান কাউন্সিলের সভাপতিত্বও পালন করেছে। এই সফর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কর্তৃক আয়োজিত হচ্ছে এসসিও শীর্ষ সম্মেলন। এই শীর্ষ সম্মেলনের সময়, সমস্ত এসসিও দেশ একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে পারে। এর পাশাপাশি, সমস্ত সদস্য দেশ এসসিও উন্নয়ন কৌশল অনুমোদন করবে এবং নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার পদক্ষেপগুলি নিয়েও আলোচনা করবে। এই ঘোষণাপত্রে আমেরিকার শুল্ক নীতির উপযুক্ত জবাব দেওয়া হতে পারে। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও।

  • PM Modi: ১০০-র বেশি দেশে যাবে ভারতে তৈরি গাড়ি, “‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হল ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড”, বললেন মোদি

    PM Modi: ১০০-র বেশি দেশে যাবে ভারতে তৈরি গাড়ি, “‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হল ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হল ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ডে’র সূচনা।” মঙ্গলবার গুজরাটে মারুতি সুজুকির বৈদ্যুতিক গাড়ি (Electric Vehicle) ই-ভিটারার উৎপাদনের শুভারম্ভ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা মারুতি সুজুকি। তাদের প্রথম ব্যাটারি-চালিত এসইউভি ই-ভিটারার উৎপাদন শুরু করেছে। গুজরাটের হানসালপুর প্ল্যান্ট থেকে গাড়িটির প্রথম ইউনিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারতের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গাড়িটির।

    ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া যাত্রায় নয়া অধ্যায় (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং ভারতের জাপানি রাষ্ট্রদূত কেইচি ওনো। এই অনুষ্ঠানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণেশ উৎসবের এই আবহে আজ ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া যাত্রায় একটি নয়া অধ্যায় যুক্ত হচ্ছে। ভারত এখন মেক ইন ইন্ডিয়া ছাড়িয়ে মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ থেকে ভারতে তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ি রফতানি করা হবে ১০০টি দেশে। এর সঙ্গে সঙ্গে হাইব্রিড ব্যাটারি ইলেক্ট্রোলাইট উৎপাদনও আজ থেকে শুরু হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আমরা এখানেই থামব না এবং ভারত সেমি-কন্ডাক্টর সেক্টরে এগিয়ে যাচ্ছে। একে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি আগামী সপ্তাহে জাপান সফরে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। মারুতি দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা এখন বুলেট ট্রেনে পৌঁছেছে। ২০ বছর আগে গুজরাট-জাপান সম্পর্ক এখান থেকেই শুরু হয়েছিল।”

    ভারত-জাপান বন্ধুত্বে নয়া মাত্রা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণেশ উৎসবের আবহে ভারত-জাপান বন্ধুত্ব এক নয়া মাত্রা পেয়েছে। ভারতের গণতন্ত্রের শক্তি আছে। ভারতের জনসংখ্যার সুবিধা আছে। আমাদের দক্ষ কর্মী রয়েছে। আজ সুজুকি জাপান ভারতে উৎপাদন করছে। এখানে তৈরি গাড়ি ফেরত পাঠানো হচ্ছে জাপানে। এটি কেবল ভারত ও জাপানের সম্পর্কের শক্তির প্রতীক নয়, বরং ভারতের প্রতি বিশ্বব্যাপী আস্থার প্রতিফলন।” তিনি বলেন, “এক অর্থে, মারুতি সুজুকির মতো (Electric Vehicle) কোম্পানিগুলি মেক ইন ইন্ডিয়ার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠেছে। এখন বিশ্বের কয়েক ডজন দেশে যে ইভিগুলি চলবে, সেগুলির গায়ে লেখা থাকবে – মেড ইন ইন্ডিয়া। আজ, সমগ্র বিশ্ব ভারতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। এমন সময়ে কোনও রাজ্যেরই পিছিয়ে থাকা উচিত নয়। এই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত প্রতিটি রাজ্যেরই। যার ফলে ভারতে আসা বিনিয়োগকারীরা এতটাই বিভ্রান্ত হয়ে ভাবতে শুরু করেন যে – আমি কি এই রাজ্যে যাব নাকি ওই রাজ্যে (PM Modi)।”

    এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজকের দিনটি ভারতের আত্মনির্ভরতার অভিযাত্রা এবং সবুজ পরিবহণের কেন্দ্র হওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ দিন। হানসালপুরের অনুষ্ঠানে ই-ভিটারা উদ্বোধন করা হবে। এই ব্যাটারি ইলেকট্রিক ভেহিকল সম্পূর্ণভাবে ভারতে নির্মিত এবং এটি একশোরও বেশি দেশে রফতানি করা হবে। আমাদের ব্যাটারি ইকোসিস্টেমকে (Electric Vehicle) আরও শক্তিশালী করতে, গুজরাটের একটি কারখানায় হাইব্রিড ব্যাটারি ইলেকট্রোড উৎপাদনও শুরু হবে (PM Modi)।”

  • PM Modi: প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিবৃদ্ধি ভারতের, ফিজির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

    PM Modi: প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিবৃদ্ধি ভারতের, ফিজির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে এবং শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হল ভারত ও ফিজি (India Fiji)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও ফিজির প্রধানমন্ত্রী সিটিভেনি রবুকার মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কৃষি থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। রবিবার তিন দিনের সফরে ভারতে পৌঁছন রাবুকা। সেখানে তিনি মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন নিরাপত্তা সহযোগিতা, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের পরিস্থিতি, বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক এবং অন্যান্য আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে।

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ফিজির অর্থনীতি ও সেনাবাহিনী তুলনামূলকভাবে বড়। চিনের প্রভাবের মোকাবিলা করতেই ফিজির সঙ্গে সম্পর্ক পোক্ত করতে চাইছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। রাবুকার সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে ফিজির সামুদ্রিক নিরাপত্তা উন্নত করতে প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামে সহযোগিতা দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “আমরা সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষায় আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।” রাবুকা বলেন, “উভয় দেশই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে চায়। ভারত–ফিজির সম্পর্ক থেকে ফিজি কেবলই উপকৃত হতে পারে।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ফিজিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সহযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে দেখে। আমাদের দুই দেশই মুক্ত, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধশালী ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পক্ষে জোরালো সওয়াল করে।” তিনি বলেন, “রাবুকার ‘শান্তির সাগর’ ধারণা অত্যন্ত ইতিবাচক এবং ভবিষ্যতমুখী একটি দৃষ্টিভঙ্গি।”

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে পদক্ষেপ

    দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, এ বছর ফিজি সফরে একটি ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানো, সুভায় ভারতের মিশনে প্রতিরক্ষা অ্যাটাশের পদ সৃষ্টি করা এবং ফিজির সেনাবাহিনীকে দু’টি সমুদ্র অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেওয়া। ফিজি-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে অন্যান্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির সঙ্গেও সমন্বয় সাধন করবেন। এছাড়াও ভারত ফিজিতে একটি সাইবার সুরক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে সাহায্য করবে। বিদেশ মন্ত্রকের (দক্ষিণ বিভাগ) সচিব নীনা মালহোত্রা জানান, দু’টি দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে (PM Modi)। এ বিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই মাসে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা মূলত ফিজির সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর কেন্দ্রীভূত, যা সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে করা হচ্ছে। কিছু সরঞ্জামের অনুরোধ এসেছে, আমরা সেগুলি বিবেচনা করছি।” যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রবুকা ফিজির একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল সুরক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং ভারতের কাছ থেকে নিরাপত্তা চাহিদা পূরণের জন্য সাহায্যের আশ্বাসকে স্বাগত জানান। তিনি ভারতের একটি যুদ্ধজাহাজের পরিকল্পিত বন্দর সফরকেও স্বাগত জানান, যা দুই দেশের মধ্যে সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে (India Fiji)।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদার করা

    জানা গিয়েছে, দুই দেশের প্রধানই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে সম্মত হন এবং এপ্রিল মাসে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলাকে কঠোর ভাষায় নিন্দে করেন। ওই হামলায় বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল। যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাঁরা সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা একমত যে সন্ত্রাসবাদ পুরো মানবজাতির পক্ষে একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী রবুকা এবং ফিজি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি (PM Modi)।”

    ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ সহযোগিতা ফোরাম

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে ভারত ২০১৪ সালে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ সহযোগিতা ফোরাম (FIPIC) চালু করে। এই দ্বীপরাষ্ট্রগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বাস করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের একটা বড় অংশ। ফিজিতে অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য ভারতের একাধিক উন্নয়নমূলক (India Fiji) উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে সাসটেনেবল কোস্টাল ও মহাসাগর গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আইটি কেন্দ্রও। সে দেশে গড়ে তোলা হবে ১০০ বেডের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালও (PM Modi)।

  • PM Modi: ‘চাপ বাড়লেও আত্মসমর্পণ করব না’, ট্রাম্পের শুল্কবাণ নিয়ে হুঙ্কার মোদির

    PM Modi: ‘চাপ বাড়লেও আত্মসমর্পণ করব না’, ট্রাম্পের শুল্কবাণ নিয়ে হুঙ্কার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার, ২৭ অগাস্ট থেকে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক লাগু করতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তার আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়ে দিলেন, শুল্ক নিয়ে আমেরিকার কাছে মাথা নত করবে না ভারত। আমেরিকার অর্থনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারত সরকার ঠিক রাস্তা খুঁজে বের করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কবাণ নিয়ে আমেদাবাদের জনসভা থেকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার নিজের রাজ্য গুজরাটে গিয়ে তাঁর ঘোষণা, ‘‘আমাদের উপর চাপ বাড়তে পারে, কিন্তু আমরা তা সহ্য করব। যে কোনও চাপের মোকাবিলা করার জন্য আমাদের শক্তি বৃদ্ধি করে যাব। আমরা আত্মনির্ভর ভারতের সংকল্প নিয়ে ছিলাম। সেই সংকল্পের পথে আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি। দেশ শক্তিশালী হয়েছে।’’

    বিশ্বে  যে যার স্বার্থ দেখে

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার মাত্র দুই দিন আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোমবার আমেদাবাদের জনসভায় জানান, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক ও পশুপালকদের স্বার্থ রক্ষায় তাঁর সরকার সর্বদা অটল থাকবে। তিনি বলেন, “আজকের দুনিয়ায় সবাই অর্থনৈতিক স্বার্থের উপর ভিত্তি করে রাজনীতি করছে। এই আমেদাবাদের মাটি থেকে আমি আমার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের, দোকানদার ভাই-বোনদের, কৃষক ভাই-বোনদের, পশুপালক ভাই-বোনদের বলতে চাই—আপনাদের স্বার্থই মোদির কাছে সবার আগে। আমি বারবার আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, কোনও চাপ আসুক না কেন, আপনাদের ক্ষতি হতে দেব না। আজ ‘আত্মনির্ভর ভারত অভিযান’ গুজরাট থেকেই নতুন শক্তি পাচ্ছে, আর এর পেছনে রয়েছে দুই দশকের কঠোর পরিশ্রম।”

    কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    বাড়তি মার্কিন শুল্কের জেরে ভারতীয় অর্থনীতিতে সম্ভাব্য আঘাতের জন্যেও নাম না করে কংগ্রেসকে দুষেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মন্তব্য, ‘‘৬০-৬৫ বছর ধরে ভারত শাসনকারী দল ‘আমদানি কেলেঙ্কারি’ করার কারণেই আজ আমাদের দেশ অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।’’ সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ট্রাম্প সরকার ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপলে প্রায় ৪০০০ কোটি ডলারের রফতানি ধাক্কা খাবে। তবে অভ্যন্তরীণ বাজারে কেনাকাটা বাড়ালে সেই ধাক্কা সামাল দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি নতুন লগ্নি টানার রাস্তা খুললেও শুল্ক-অভিঘাত কিছুটা সামলানো যেতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। আমেদাবাদের সভায় সেই লক্ষ্যেই জনতার কাছে মোদির আবেদন, ‘‘আমাদের সকলেরই কেবল ‘ভারতে তৈরি পণ্য কেনার মন্ত্র’ অনুসরণ করা উচিত। ব্যবসায়ীদের উচিত তাঁদের প্রতিষ্ঠানের বাইরে একটি বড় বোর্ড ঝোলানো। যাতে লেখা থাকে যে তাঁরা কেবল স্বদেশী পণ্য বিক্রি করেন।’’

    উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক

    আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি না হওয়ায় প্রথম দফায় ২৫ শতাংশ, পরে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্পের দাবি, ভারতের তেল কেনার জন্যই রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অর্থ পাচ্ছে। যদিও ভারত আমেরিকার এই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে। ভারতের যুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চিন রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস এবং অপরিশোধিত তেল কিনছে। আমেরিকাও রুশ পণ্য কেনায় পিছিয়ে নেই। এই অবস্থায় ভারতের উপর শুল্ক চাপানো অন্যায়। স্পষ্টভাবে নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে যেখানে কম দামে তেল পাওয়া যাবে সেখান থেকেই তেল কিনবে ভারত। প্রসঙ্গত, ভারতের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এই শুল্কনীতি আগামী বুধবার, ২৭ অগাস্ট থেকেই কার্যকর হতে চলেছে। তার আগে আজ, ২৬ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতরে হাই প্রোফাইল একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পরিস্থিতি কীভাবে সামলানো হবে, সরকারের পরবর্তী নীতি ও পদক্ষেপ নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা।

  • Kiren Rijiju: “বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী,” তোপ কিরেন রিজিজুর

    Kiren Rijiju: “বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন রাহুল গান্ধী,” তোপ কিরেন রিজিজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী ( Rahul Gandhi) একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন।” শনিবার কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিরুদ্ধে “ভারত-বিরোধী” হিসেবে পরিচিত জর্জ সোরোসের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে কাজ করার অভিযোগও করেন। তিনি অবশ্য এও জানিয়ে দেন, এসব ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশ নিরাপদেই রয়েছে।

    রিজিজুর অভিযোগ (Kiren Rijiju)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধী একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন। জর্জ সোরোস বলেছেন যে ভারত সরকারকে অস্থির করতে এক ট্রিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে। কানাডা, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠনে বসে থাকা ভারত-বিরোধী খালিস্তানপন্থী শক্তিগুলি দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস তাদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে দেশকে দুর্বল করছে। এটি খুবই উদ্বেগজনক। তবে মোদীজির নেতৃত্বে কেউই দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তোপ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Kiren Rijiju) অভিযোগ, কংগ্রেস যখনই নির্বাচনে জিততে ব্যর্থ হয়, তখনই তারা ভারত-বিরোধী গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে মিলে যায়। তিনি বলেন, “যখন কংগ্রেস ভোটে জিততে পারে না, তখন তারা এবং ভারতবিরোধী শক্তি মিলে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আক্রমণ করতে শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ এই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর আস্থা হারায়। তারা বারবার বলে এসেছে যে বিচারব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন বিক্রি হয়ে গিয়েছে, তাদের দুর্বল করার জন্য।” রিজিজু বলেন, “এই ধরনের কাজকর্মের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা। যখন তারা জাতিকে দুর্বল করার জন্য এবং সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্র করে, তখন তার ফলশ্রুতিতে আন্দোলন শুরু হয়। তারা বামপন্থী মানসিকতা নিয়ে কাজ করছে।” তিনি (Kiren Rijiju) বলেন, “রাহুল গান্ধী যখন কিছু বলেন, তখন তাঁর দলের সব সাংসদ খুব অস্বস্তি বোধ করেন। তাঁরা ভয় পান, উনি (Rahul Gandhi) হয়তো উল্টোপাল্টা কোনও কথা বলে বসবেন, আর তার ফল ভুগতে হবে পুরো দলকে।”

  • PM Modi: বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা সারাতে পারে ভারতই, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা সারাতে পারে ভারতই, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইটি ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। ২২ অগাস্ট তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তির কথা এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই দেশ শুধুমাত্র পৃথিবীর দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির (Indian Economy) দিকে এগিয়ে চলেছে তা নয়, একই সঙ্গে সারা বিশ্বজুড়ে যেভাবে অর্থনীতির মন্দা দেখা দিয়েছে, সেখান থেকেও সেই পরিস্থিতিকে টেনে তুলে আনতে পারে ভারতের অর্থনীতি।

    নতুনভাবে লেখা হয়েছে ট্যাক্স আইন (PM Modi)

    তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও জানান যে, তাঁর সরকার ভারতের ইনকাম ট্যাক্স আইনকে নতুনভাবে লিখেছে এবং বিগত ৬০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার হয়েছে। এই ইনকাম ট্যাক্স আইনকে (PM Modi) দেশের জনগণের জন্য অতি সরল করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই আইন বুঝতে আর কারও অসুবিধা হচ্ছে না।
    তিনি আরও বলেন যে, যেভাবে সংস্কার চলছে তা আগামী দিনেও চলতে থাকবে। সম্প্রতি তিনি বড় ঘোষণা করেছেন জিএসটি সংস্কারের কথা এবং তা দীপাবলিতেই নয়া উপহার হিসেবে দেশবাসীকে (Indian Economy) দেবেন বলে জানিয়েছেন।

    জিসটি নিয়ে কী বললেন?

    তিনি বলেন যে, নতুন জিএসটিতে অনেক জটিল বিষয় সরল করা হয়েছে। এই নতুন জিএসটির ফলে অনেক জিনিসের দাম কমবে। এর ফলে উৎপাদন শিল্প আরও বাড়বে এবং জনগণের মধ্যে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে। তাঁরা অনেক ভালোভাবেই ব্যবসা করতে পারবেন। নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে, ২০১৭-র পর থেকে মুদ্রাস্ফীতি এখন সবচেয়ে কম চলছে এবং ইন্টারেস্ট রেটও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইপিএফও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ২৪ লাখ নয়া ফর্মাল চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা গিয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগকারীরা এসআইপির মাধ্যমে বিনিয়োগ করছেন

    তিনি বলেন যে, প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগকারীরা এসআইপির মাধ্যমে বিনিয়োগ করছেন। প্রথমত স্বাধীনতা দিবসে তিনি যে কথা বলেছিলেন, নয়া দিল্লিতে ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামেও তিনি একই কথা বলেন এবং জানান যে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ খুবই জনপ্রিয় হচ্ছে এবং ভারতেই তৈরি হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর চিপ। একইসঙ্গে ৬জি প্রযুক্তির অগ্রগতির নিয়েও তিনি বলেন। নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের কথা বলেন এবং এর ভিত্তি হবে ‘আত্মনির্ভর ভারত’—তাও তিনি জানান।

    ভারতের ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ আরও বাড়ছে

    ভারতের ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ আরও বাড়ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই মঞ্চ থেকে তিনি প্রাইভেট কোম্পানিগুলিকে আহ্বান জানান কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বায়োটেকনোলজি, ক্লিন এনার্জি, ব্যাটারি স্টোরেজ—এই সমস্ত বিষয়গুলিতে এগিয়ে আসার জন্য। বক্তব্যের একেবারে শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান যে, ভারত সম্পূর্ণ প্রস্তুত বিশ্বের উন্নয়নের সামনের সারিতে থাকার জন্য।

  • PM Modi: “যারা নকল কাগজপত্র নিয়ে এখানে আছে, তাদের দেশ থেকে যেতেই হবে,” সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “যারা নকল কাগজপত্র নিয়ে এখানে আছে, তাদের দেশ থেকে যেতেই হবে,” সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের যেতেই হবে। যারা নকল কাগজপত্র নিয়ে এখানে আছে, তাদের এখান থেকে যেতেই হবে।” শুক্রবার দমদম সেন্ট্রাল জেল মাঠে ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’ সভায় বলতে উঠে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এখান থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে হবে কি (TMC) না? কে তাড়াবে? বিজেপি তাড়াবে। তাই বিজেপিকে জেতান। বিজেপিকে ভোট দিন। অনুপ্রবেশকারীরা বাংলা ছেড়ে পালাবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের কাছে সম্পদ কম। যুব সমাজকে উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে, নাগরিকদের সুবিধা দিতে হবে। অনুপ্রবেশকারীরা রোজগার কেড়ে নিচ্ছে। নাগরিকদের অধিকারে ভাগ বসাচ্ছে। মা-বোনেদের সম্মানে হাত দিচ্ছে।” এর পরেই তাঁর তোপ, “তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। ভোটব্যাংকের জন্য প্রশ্রয় দিচ্ছে। জমি কেলেঙ্কারি হচ্ছে। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, আদিবাসীদের জমি দখল করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আমি লালকেল্লার প্রাচীর থেকেও বলেছি, অনুপ্রবেশকারীদের যেতেই হবে। যারা নকল কাগজপত্র নিয়ে এখানে আছে, তাদের এখান থেকে যেতেই হবে। এই ভাবে তৃণমূল সরকারকেও এখান থেকে বিদায় নিতে হবে।”

    বিজেপি যা ভাবে, তা করে দেখায় (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি যা ভাবে, তা করে দেখায়। তার তাজা প্রমাণ অপারেশন সিঁদুর। বাংলা ভাষা, সংস্কৃতির উন্নয়নে বিজেপি নিয়োজিত।” তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার সগর্বে বাংলা ভাষা আর বাংলা সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরাই বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছি।” তিনি বলেন, “বাংলাকে এমন একটা জায়গায় পৌঁছে দিতে চাই, যেখানে বাংলার একজন যুবককেও কাজের জন্য বাইরে যেতে না হয়। দেশের সব চেয়ে বড় চিন্তা অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে।” তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ সময়ের আগে চিন্তা করেন। অথচ তার পরেও অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের যুবকদের চাকরি ছিনিয়ে নিচ্ছে। পরিকাঠামো উন্নয়নেও বাধা দিচ্ছে। এই জন্যই ভারত সরকার এত বড় অভিযান শুরু করেছে। কিন্তু ইন্ডি জোট তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে। অনুপ্রবেশকে সমর্থন করছে।” তিনি বলেন, “বাংলায় অনুপ্রবেশ ঘোর সামাজিক সংকট তৈরি করছে। এটা থামাতেই হবে। এজন্য আমি লালকেল্লা থেকে ডেমোগ্রাফিক মিশনের কথা ঘোষণা করেছি (TMC)।”

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে দুর্নীতি বিরোধী বিলের প্রসঙ্গও

    এদিনের সভায় প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে শোনা গেল দুর্নীতি বিরোধী বিলের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “এবার লোকসভায় বিজেপি এক বড় দুর্নীতি-বিরোধী বিল নিয়ে এসেছে। বাংলাকেও সেই বিলের কথা বলব। আমাদের দেশে একজন সরকারি কর্মী, সে তিনি সাফাইকর্মীই হোন বা গাড়ির চালক, তাঁকে জেলে ঢোকানো হলে ৫০ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি না পেলে নিয়ম অনুযায়ী সাসপেন্ড হয়ে যান। কিন্তু মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী যদি জেলে যান, তাহলে তাঁদের জন্য কোনও আইন নেই!” পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দেখেছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে এমন একজন জেলে গিয়েছেন, যাঁর বাড়ি থেকে নোটের পাহাড় মিলেছে। তাও তিনি চেয়ার ছাড়তে রাজি ছিলেন না। তৃণমূলের আরও এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে রেশন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ছিল (PM Modi)। তিনিও চেয়ার ছাড়তে রাজি ছিলেন না। এমন লোক যাঁরা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, তাঁদের সরকারি পদে থাকার অধিকার আছে কি (TMC)?”

  • PM Modi: “যতদিন বাংলায় তৃণমূলের সরকার থাকবে, ততদিন উন্নয়ন থমকে থাকবে,” দমদমে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “যতদিন বাংলায় তৃণমূলের সরকার থাকবে, ততদিন উন্নয়ন থমকে থাকবে,” দমদমে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যতদিন বাংলায় তৃণমূলের সরকার থাকবে, ততদিন বাংলায় উন্নয়ন থমকে থাকবে। তৃণমূল গেলে তবেই আসল পরিবর্তন আসবে। টিএমসি যাবে, তবেই আসল পরিবর্তন আসবে।” শুক্রবার দমদম সেন্ট্রাল জেল মাঠে (Kolkata) ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’ সভায় বলতে উঠে এই ভাষায়ই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আক্রমণ শানালেন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে। এদিন বাংলায়ই ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “সবাই আমার প্রণাম নেবেন। ছোটরা ভালবাসা।” এরপরই তিনি দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দির ও কালীঘাট মন্দির-সহ একাধিক মন্দিরের কথা উল্লেখ করে ‘প্রণাম’ জানান। তিনি বলেন, “আমি এমন একটা সময়ে কলকাতায় এলাম, যখন দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। কুমোরটুলিতে প্রতিমা গড়া চলছে। এর সঙ্গে যখন উন্নয়ন জুড়ে যায়, তখন খুশি দ্বিগুণ হয়ে যায়।”

    প্রধানমন্ত্রীর বাণ (PM Modi)

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী একের পর এক বাণ নিক্ষেপ করতে থাকেন রাজ্য সরকারকে। তিনি বলেন, “প্রথমে কংগ্রেস, তারপর বামেদের শাসন দেখেছে বাংলা। ১৫ বছর আগে আপনারা মা-মাটি-মানুষে বিশ্বাস করে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে আগের চেয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হল। ‘ক্রাইম’ এবং ‘কোরাপশন’ টিএমসি সরকারের পরিচিতি।” তিনি বলেন, “বাংলার জন্য যে টাকা আমরা সরাসরি রাজ্য সরকারকে পাঠাই, তার বেশিরভাগই লুট হয়ে যায়। আপনাদের জন্য খরচ হয় না। টিএমসি ক্যাডারের জন্য খরচ হয়। এই জন্য জনকল্যাণে পিছিয়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ। আগে ত্রিপুরা, অসমের এই হাল ছিল। যবে থেকে বিজেপি সরকার এসেছে, তবে থেকে ওই দুই রাজ্যেই পাচ্ছে গরিব কল্যাণ যোজনার লাভ।”

    “বাঁচতে চাই, তাই বিজেপি চাই”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলার গৌরবোজ্জ্বল অতীত আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই এক সঙ্গে বলতে হবে তৃণমূলকে সরাও। বাংলাকে বাঁচাও।” তিনি বলেন, “পরিবর্তন চাই। এমন পরিবর্তন, যা মেয়েদের সুরক্ষা দেবে, যা দোকান আর ঘর জ্বালানো বন্ধ করবে, গরিবের অধিকার গরিবকে পাইয়ে দেবে, কৃষকের উন্নতি হবে।” এদিনের সভায় ছাব্বিশের ভোটের স্লোগানও বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “বাঁচতে চাই, তাই বিজেপি চাই!”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় বিজেপির সরকার বানান। আমরা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের বাংলা বানিয়ে দেব। বিকশিত বাংলা, মোদির গ্যারান্টি।” তিনি বলেন, “বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপির কাছে রোডম্যাপ আছে। কিন্তু তৃণমূলের নেই। তৃণমূল উন্নয়নের শত্রু। তার সাক্ষী এই দমদমের মানুষও।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্মার্ট সিটি মিশনে এখানকার অনেক উন্নতি হতে পারত। কিন্তু তৃণমূলের সরকার সেই প্রকল্প যুক্ত হল না। তৃণমূলের কাজ হল, যে কোনও উপায়ে পশ্চিমবঙ্গে (Kolkata) কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণ আটকানো।” প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আবেদন, “আপনারা এখানেও একবার বিজেপিকে সুযোগ দিয়ে দেখুন।”

  • PM Modi in Kolkata: ‘‘বাংলার উন্নয়নে গতি দেওয়ার সুযোগ পেলাম’’, বৃষ্টিস্নাত বিকেলে তিন মেট্রো পথের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Kolkata: ‘‘বাংলার উন্নয়নে গতি দেওয়ার সুযোগ পেলাম’’, বৃষ্টিস্নাত বিকেলে তিন মেট্রো পথের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতাবাসী পেল নতুন তিন মেট্রো লাইন (Metro Railway Projects)। এই নতুন পরিষেবা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন রুটের উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল কলকাতার পরিবহণ মানচিত্রও। শুক্রবার বৃষ্টিস্নাত বিকেলে এই তিন সম্প্রসারিত মেট্রো লাইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নোয়াপাড়া থেকে জয়হিন্দ পর্যন্ত নবনির্মিত ইয়লো লাইন, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে বেলিয়াঘাটা পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইন এবং গ্রিন লাইন- ১ ও ২ অর্থাৎ শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত আন্তঃসংযুক্ত মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন করলেন তিনি। শুক্রবার সন্ধে থেকেই সাধারণ মানুষ চড়তে পারবেন নয়া লাইনের মেট্রোয়।

    রাস্তার দু’ধারে উপচে পড়া ভিড়

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবুজ পতাকা নেড়ে উদ্বোধন করেন সম্প্রসারিত মেট্রোর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য, শান্তনু ঠাকুর এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। নয়া মেট্রো পথের উদ্বোধনের পরেই যশোর রোড মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠের দিকে রওনা দেয় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। রাস্তার দু’ধারে উপচে পড়ে সাধারণ মানুষের ভিড়। ‘মোদি মোদি’ স্লোগান দিতে থাকেন সাধারণ মানুষ। গাড়ির মধ্যে থেকে প্রধানমন্ত্রীকেও হাত নাড়তে দেখা যায়।

    ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস

    দমদম সেন্ট্রাল জেল ময়দানে পৌঁছে প্রথমে সরকারি একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন তিনি। সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এদিন ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি নানা প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করে মোদি বলেন, “আজ অনেকের সঙ্গে কথা হয়েছে। খুব আনন্দ হয়েছে। এই মেট্রো যাত্রা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভারত আজ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে। সেখানে দমদম, কলকাতার বড় ভূমিকা থাকবে।” হাওড়া থেকে শিয়ালদা মেট্রোর নতুন রুট চালু হওয়ায় যাত্রীদের অনেক সময় বাঁচবে বলে প্রধানমন্ত্রী এদিন মন্তব্য করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক এখন ভারতে। কলকাতার গণপরিবহণের খরচ আরও কমল। যাতায়াতের আরও সুবিধা হল। শিয়ালদা, হাওড়ার মতো ব্যস্ত রেলস্টেশনের সঙ্গে মেট্রো জুড়ে গেল। তার ফলে ঘণ্টার সফর এখন কয়েক মিনিটে হয়ে যাবে। একইভাবে বিমানবন্দর থেকে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া সহজ হল। আজ আরও একবার বাংলার উন্নয়নে গতি দেওয়ার সুযোগ পেলাম। সকলেই খুশি যে কলকাতার গণপরিবহণ আধুনিক হচ্ছে। কলকাতাবাসী, বাংলাবাসীকে অনেক শুভেচ্ছা। কলকাতা মেট্রো আগে ২৮ কিলোমিটার বিস্তৃত ছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী ৩৯ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করেছেন। আরও ২২ কিলোমিটার সম্প্রসারণ হবে।”

    কোনা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ৫২০০ কোটিরও বেশি টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। জনসভা শুরুর আগে সেন্ট্রাল জেল ময়দানে প্রশাসনিক সভার মঞ্চ থেকে তিনি শিলান্যাস করেন ছয় লেনের এলিভেটেড কোনা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের। ৭.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করতে ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

    মেট্রোয় জুড়ল শহর

    শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির পথে আরও একধাপ। মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই এক মেট্রোয় হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রীরা। মেট্রো সূত্রে খবর, হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ যেতে যাত্রীদের সময় লাগবে ৩২ মিনিট। আর হাওড়া থেকে ৩০ মিনিট মতো। বাসে যেতে ঘণ্টা দেড়েক লাগত তাই এবার পাতালপথে লাগবে আধ ঘণ্টা। হাওড়া থেকে সেক্টর ফাইভে ভাড়া ২৫ টাকা হওয়ার সম্ভাবনা। এদিকে শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড মেট্রোর সঙ্গে জুড়ে যাওয়ায় প্রথমবারের মতো পুরো যাত্রাপথে ছুটবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো। নোয়াপাড়ার সঙ্গে যুক্ত হল দমদম বিমানবন্দর (জয় হিন্দ)। শিয়ালদহের সঙ্গে যুক্ত হল এসপ্ল্যানেড। রুবির (হেমন্ত মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে জুড়ল বেলেঘাটা (মেট্রোপলিস)। মোট ১৪ কিলোমিটারের পথ। নোয়াপাড়া থেকে দমদম বিমানবন্দর (জয় হিন্দ স্টেশন) প্রায় ৬.২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে দুটি ট্রেন চলবে এবং প্রতিটির মধ্যে ১৫ মিনিটের ব্যবধান থাকবে। হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ (ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু) এই রুট চালু হওয়ায় মাত্র ১২ মিনিটে শিয়ালদহ থেকে হাওড়া পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে। রুবি থেকে বেলেঘাটা মেট্রো প্রায় ৪.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই অংশটি চালু হওয়ায় শহরের পূর্ব অংশের যাত্রীদের খুব সুবিধা হবে।

LinkedIn
Share