Tag: PM Modi

PM Modi

  • PM Modi: গত ১০ বছরে জিডিপি বেড়ে দ্বিগুণ! মোদি জমানায় বিরাট সাফল্য ভারতীয় অর্থনীতির

    PM Modi: গত ১০ বছরে জিডিপি বেড়ে দ্বিগুণ! মোদি জমানায় বিরাট সাফল্য ভারতীয় অর্থনীতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ বছরের মোদি (PM Modi) রাজত্বে ভারতের জিডিপি বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশম স্থানে থাকা ভারত চলে এসেছে পঞ্চম স্থানে। অর্থনীতিবিদদের মতে, অচিরেই ভারত চলে আসবে ওই তালিকার তিন নম্বরে।

    নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্শিতে বসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তারপর থেকে অর্থনীতির পারা উঠতে থাকে চড়চড়িয়ে। এই সময়কালে ভারত বিশ্বের সব চেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের (আইএমএফ)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার চমকপ্রদ, শতাংশের বিচারে ১০৫। আইএমএফের মতে, ভারতের বর্তমান জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) ৪.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৫ সালে এই পরিমাণ ছিল ২.১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন নরেন্দ্র মোদির প্রথম প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদ এক বছরও হয়নি। তারপর থেকে জিডিপির হিসেবে ভারত তার অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি করে ফেলেছে (PM Modi)।

    অর্থনীতির স্থান দখলের প্রাক্কালে রয়েছে ভারত

    তথ্য বলছে, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির স্থান দখলের প্রাক্কালে রয়েছে ভারত। বর্তমানে জাপানের জিডিপি ৪.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের মধ্যে ভারত এই সীমা অতিক্রম করতে পারে বলে অনুমান। বর্তমান গড় প্রবৃদ্ধির হার বজায় থাকলে ২০২৭ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের মধ্যে ভারত জার্মানিকেও (বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি) পিছনে ফেলে দেবে। জার্মানির বর্তমান জিডিপি ৪.৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    পীযুষ গোয়েলের বক্তব্য

    বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল ভারতের ১০ বছরের অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতাকে অসাধারণ আখ্যা দিয়ে এই সময়ে দেশের জিডিপি দ্বিগুণ হওয়ার প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, গত ১০ বছরে ১০৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখে ভারত। পেছেনে ফেলে দিয়েছে চিন (৭৬ শতাংশ), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৬৬ শতাংশ), জার্মানি (৪৪ শতাংশ), ফ্রান্স (৩৮ শতাংশ) এবং যুক্তরাজ্য (২৮ শতাংশ)-এর মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলিকে। ভারতের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় এটি জি-৭, জি-২০ ও ব্রিকসের সব সদস্য দেশকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী পরিবর্তন বাস্তব! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি গত দশকে ভারতকে তাঁর জিডিপি দ্বিগুণ করার নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা দেশকে শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করবে (PM Modi)।”

    ভারত শীর্ষে

    প্রবৃদ্ধির গতির দিক থেকে ভারত শীর্ষে থাকলেও, অর্থনীতির আকারের দিক থেকে শীর্ষ দুটি স্থান দখল করে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৩০.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং চিন (১৯.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। জার্মানি ৪.৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে তৃতীয়, জাপান ৪.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে চতুর্থ এবং ভারত ৪.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।বর্তমান প্রবৃদ্ধির হারে ভারতকে শীর্ষ দুটি স্থানে উঠতে গেলে দু’দশকেরও বেশি সময় লাগবে। যদিও এটি উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ৩৬.২২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিনের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ২.৫২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তুলনামূলকভাবে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতের সামগ্রিক ঋণের পরিমাণ ৭১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (PM Modi)।

    ৬০ বছর সময় লেগে গিয়েছিল!

    প্রসঙ্গত, ভারতের জিডিপি প্রথম ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ৬০ বছর সময় লেগে গিয়েছিল। ২০০৭ সালে ওই হার হয়। ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে ৭ বছর সময় লেগেছে। ২০১৪ সালের ছবি। আর কোভিড-১৯ অতিমারি সত্ত্বেও, ভারত ২০২১ সালে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে পৌঁছে গিয়েছে। ৩ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে সময় লেগেছে মাত্র ৪ বছর। এই গতিতে যদি অগ্রগতি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে ভারত প্রতি দেড় বছরে তার জিডিপিতে এক ট্রিলিয়ন ডলার যোগ করার জন্য প্রস্তুত, এবং সম্ভবত ২০৩২ সালের শেষ নাগাদ ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে (PM Modi)।

    প্রবৃদ্ধির পিছনের প্রধান কারণ

    দেশের এই প্রবৃদ্ধির পিছনে প্রধান যেসব কারণ লুকিয়ে রয়েছে, সেগুলি হল উচ্চতর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর এবং অন্যান্য প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল কৃষিখাত পরিচালিত হয়েছিল, যা অনিয়মিত জলবায়ু সত্ত্বেও, গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। ভারতের কর্পোরেট সেক্টরের পারফর্মেন্সও অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তার জেরে প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে। মোদি সরকার মেক ইন ইন্ডিয়া, পিএলআই, এমএসএমই ঋণ ইত্যাদি নীতির মাধ্যমে ব্যবসার জন্য একটি অত্যন্ত সুবিধাজনক পরিকাঠামো তৈরি ও তাকে বাস্তবায়িত করেছে (PM Modi)।

  • PM Modi: আমন্ত্রণ স্বয়ং যুবরাজের,  ফের একবার সৌদি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: আমন্ত্রণ স্বয়ং যুবরাজের,  ফের একবার সৌদি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার সৌদি আরবে (Saudi Arabia) যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সৌদির প্রধানমন্ত্রী তথা সে দেশের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সলমনের আমন্ত্রণে দু’দিনের সফরে সেখানে যাচ্ছেন তিনি। গত ১০ বছরে এই নিয়ে তৃতীয়বার সৌদিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর ২০১৬ সালে মোদি প্রথম গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। তারপর গিয়েছিলেন উনিশে। ফের যাচ্ছেন এবার। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন সৌদির যুবরাজ। ওই সময়ই ভারত ও সৌদি আরবের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ কাউন্সিলের প্রথম বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকের প্রায় দেড় বছর পরে প্রধানমন্ত্রী মোদির সৌদিযাত্রা এই সফরের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    হজযাত্রা সংক্রান্ত জটিলতা কেটেছে (PM Modi)

    দিন কয়েক আগেই মক্কায় ভারতীয়দের হজযাত্রা সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা কেটেছে। হজযাত্রীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সম্প্রতি বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে সৌদি প্রশাসন। যদিও গত সপ্তাহেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আরও ১০ হাজার ভারতীয় হজযাত্রায় যেতে পারবেন। গত মঙ্গলবার কেন্দ্রের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে, তারা বিষয়টি নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে কথা বলেছে। এর পরেই হজ পোর্টাল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার। এই আবহেই ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিল সৌদির যুবরাজের আমন্ত্রণে ২২-২৩ এপ্রিল সৌদি সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন ক্রাউন প্রিন্স স্বয়ং

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জেড্ডা শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানাবেন ক্রাউন প্রিন্স স্বয়ং। এই সফরে মোদি ও সালমান যৌথভাবে দ্বিতীয় কৌশলগত অংশীদারিত্ব পরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন, সৌদি আরব ভারতের এক কৌশলগত অংশীদারিত্ব। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। প্রসঙ্গত, ভারত ও সৌদির মধ্যে রাজনীতি, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রবাসী ভারতীয়দের মাধ্যমে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। মোদি ও সালমানের ব্যক্তিগত সম্পর্কও এই বন্ধনকে আরও গভীর করেছে (PM Modi)।

    ভারতে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মুকুন্দ নারাভানে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সৌদি সফরে গিয়েছিলেন। সেবার দ্বিপাক্ষিক নৌ-মহড়া আল মোহেদ আল হিন্দি অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি নৌবাহিনীর প্রধান ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রথমবার ভারতে আসেন। গত বছর প্রথমবার ভারত-সৌদি যৌথ (Saudi Arabia) স্থলবাহিনীর মহড়া এক্স-সাদা তানসিক-১ অনুষ্ঠিত হয় রাজস্থানে (PM Modi)।

  • PM Modi: শুল্কযুদ্ধের আবহেই ফোনে কথা মোদি-মাস্কের, কী আলোচনা হল দু’জনের?

    PM Modi: শুল্কযুদ্ধের আবহেই ফোনে কথা মোদি-মাস্কের, কী আলোচনা হল দু’জনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুল্কযুদ্ধের আবহেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে দীর্ঘ সময় ফোনে কথা হল টেসলা ও স্পেসএক্সের কর্তা ইলন মাস্কের (Elon Musk)। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন ক্ষেত্রে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু’জনের মধ্যে। মাস্কের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি নিজেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি বছরের শুরুতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ওয়াশিংটনে মাস্কের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল মোদির। এবার হল টেলিফোনিক কনভার্সেশন।

    কী বললেন মোদি? (PM Modi)

    মাস্কের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি জানিয়ে মোদি লেখেন, “বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ওয়াশিংটন ডিসিতে আমাদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছিল, সেই বিষয়গুলিও উঠে এসেছে। আমরা প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছি। এই সব ক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে আমাদের অংশীদারিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    টেলিফোনে কথাবার্তা

    মাস্কের সংস্থা ভারতে বৈদ্যুতিন গাড়ি শিল্পে নিয়োগ শুরু করেছে। যদিও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ভারতে প্রবেশ করেনি। অতীতে বৈদ্যুতিন গাড়ি শিল্প নিয়ে ভারত সরকার ও মাস্কের মধ্যে চাপানউতোর ছিল। মাস্কের প্রধান উদ্বেগের বিষয় ছিল, ভারতে বৈদ্যুতিন গাড়িতে উচ্চ আমদানি শুল্ক! তবে গত বছরের মার্চে বৈদ্যুতিন গাড়িতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তার পরেই ওয়াশিংটনে হয় মোদি-মাস্ক মুখোমুখি বৈঠক (PM Modi)। এবার হল টেলিফোনে কথাবার্তা।

    মার্কিন রাজনীতিতে মাস্কের প্রভাব কারও অজানা নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকারেও তাঁর গুরুত্ব অপরিসীম। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর মাস্ককে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন ট্রাম্প। ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির মাথায় বসানো হয় তাঁকে। মার্কিন প্রশাসনের সমস্ত খরচের হিসেব রাখে এই দফতর।

    প্রসঙ্গত, ওয়াশিংটনের ব্লেয়ার হাউসে মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল ইলন মাস্কের। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সঙ্গিনী শিভন জিলিস ও মাস্কের তিন শিশু সন্তান। মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্স মহাকাশযানের একটি অংশও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন মাস্ক। প্রধানমন্ত্রীও মাস্কের (Elon Musk) তিন সন্তানের জন্য বই নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বইও (PM Modi)।

  • UNESCO: ইউনেস্কোর রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ হল গীতা ও নাট্যশাস্ত্র, ‘গর্বের মুহূর্ত’ বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    UNESCO: ইউনেস্কোর রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ হল গীতা ও নাট্যশাস্ত্র, ‘গর্বের মুহূর্ত’ বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনেস্কোর (UNESCO) মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে (Memory of World Register) লিপিবদ্ধ করা হল হিন্দুদের অন্যতম ধর্মগ্রন্থ শ্রীমদ্ভগবত গীতা এবং ভরত মুনি রচিত নাট্যশাস্ত্র। এই ঘটনাকে গর্বের মুহূর্ত বলে আখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, গতকালই ইউনেস্কোর মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ হয় ৭৪টি নতুন বিষয়। ইউনেস্কো জানিয়েছে, নতুন খোদাই করা সংগ্রহগুলির মধ্যে ১৪টি বৈজ্ঞানিক তথ্যচিত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই প্রাচীন বিষয়গুলির মধ্যে ছিল ভারতের এই দুই প্রাচীন শাস্ত্র। এর ফলে ইউনেস্কোর মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে মোট লিপিবদ্ধ সংগ্রহের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭০।

    এক্স মাধ্যমের পোস্টে কী লিখলেন নরেন্দ্র মোদি?

    নিজের সমাজ মাধ্যমের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘‘সারা বিশ্বের ভারতীয়দের পক্ষে এটা একটা খুব গর্বের মুহূর্ত। গীতা এবং নাট্যশাস্ত্র ইউনেস্কোর (UNESCO) মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান পেয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের প্রাচীন ভারতের জ্ঞান এবং সমৃদ্ধশালী সংস্কৃতিকে বহন করছে গীতা এবং নাট্যশাস্ত্র। এই দুটোই ভারতীয় সভ্যতাকে লালন-পালন করে আসছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। এখনও পর্যন্ত এই দুই গ্রন্থ বিশ্বকে প্রেরণা জুগিয়ে চলেছে।’’ ইউনেস্কোর ডিরেক্টর জেনারেল অড্রে আজোলে ৭৪টি নতুন বিষয় ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান পাওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

    কী জানালেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি এবং পর্যটনমন্ত্রী গজেন্দর সিং শেখাওয়াত

    গীতা এবং নাট্যশাস্ত্রের এমন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির (UNESCO) বিষয়ে মতামত জানিয়েছেন দেশের সংস্কৃতি এবং পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত। নিজের এক্স মাধ্যমের পোস্টে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি আমাদের দেশবাসীর জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন গীতা এবং নাট্যশাস্ত্র ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড রেকর্ড রেজিস্টারের স্থান পাওয়াতে এদেশের মোট ১৪টি প্রাচীন লিপি স্থান পেল সেখানে। তিনি বলেন, ‘‘এটি ভারতের সভ্যতা এবং ঐতিহ্যের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। যে শ্রীমদ্ভাগবত গীতা এবং ভারত মুনির লেখা নাট্যশাস্ত্র বর্তমানে ইউনেস্কোর মেমোরিয়াল অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান পেয়েছে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সম্মান জানাল প্রাচীন ভারতের শাশ্বত-সনাতন সংস্কৃতিকে। প্রাচীন ভারতের এই দুই গ্রন্থ আক্ষরিক অর্থে একটি জ্ঞান এবং জীবন দর্শনের ভাণ্ডার। এই দুই গ্রন্থের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বিশ্বের কাছে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি। আমাদের অনুভূতি, আমাদের ভাবনা, আমাদের জীবন শৈলী- এই সমস্ত কিছুই প্রতিফলিত হয়েছে এই দুই গ্রন্থে। এর ফলে আমাদের দেশ থেকে ১৪টি ধরনের লিপি বর্তমানে আন্তর্জাতিক রেজিস্টারে স্থান পেয়েছে।’’

    ১৯৯২ সালে শুরু হয় ইউনেস্কোর (UNESCO) মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারের পথ চলা

    আন্তর্জাতিক প্রাচীন ঐতিহ্যশালী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংরক্ষণের কথা রাষ্ট্রসংঘের বেশ কয়েকটি অধিবেশনে আলোচিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সুইৎজারল্যান্ডে জেনেভা কনভেনশন উল্লেখযোগ্য। এক্ষেত্রে বলা দরকার ইউনেস্কোর মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে তৈরি হয়েছিল ১৯৯২ সালে। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে বহু অসামান্য মূল্যবান প্রামাণ্য নথি এবং ঐতিহ্য এখানে তালিকাভুক্ত হয়ে রয়েছে। ইউনেস্কোতে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রয়েছেন বিশাল শর্মা। তিনি এই ঘটনাকে দেশবাসীর জন্য একটা অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয়দের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত এবং ভারতীয় চিন্তা ভাবনার প্রতিফল ঘটায় ভগবত গীতা। এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী। অন্যদিকে, ভারত মুনির নাট্যশাস্ত্রের পান্ডুলিপি হল অন্যতম মৌলিক পাঠ।’’

    ভারতের আর কী কী তালিকাভুক্ত হয়েছে এই গ্রন্থে?

    অন্যান্য ভারতীয় লিপির মধ্যে ইউনেস্কোর মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান পেয়েছে পুনের ভান্ডারকর ওরিয়েন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের আর্কাইভ থেকে সংগ্রহ করা ঋগ্বেদের ৩০টি পাণ্ডুলিপি, ২০০৫ সালে পন্ডিচেরি থেকে শৈব পাণ্ডুলিপিকে ইউনেস্কোর মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে স্থান দেওয়া হয়। ঠিক ৮ বছর আগে ২০১৭ সালে ইউনেস্কোতে স্থান পায় গিলগিট পাণ্ডুলিপি এবং ২০২৩ সালে মৈত্রেয়বরকরণ তালিকাভুক্ত হয় ইউনেস্কোতে।

    গীতা এবং ভরত মুনি রচিত নাট্যশাস্ত্র

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৮টি অধ্যায়ে ৭০০টি শ্লোক রয়েছে গীতায়। গীতা হল মহাভারতের অংশ। প্রাচীন এই গ্রন্থের ভীষ্মপর্বে (অধ্যায় ২৩-৪০) পাওয়া যায় গীতা। গীতায় মূল বিষয় হল জ্ঞান যোগ, কর্ম যোগ, ভক্তি যোগ। অন্যদিকে, ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্র ভান্ডারকর ওরিয়েন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে সংরক্ষিত ছিল। গবেষকরা জানাচ্ছেন, খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীর কাছাকাছিতে সংকলিত হয় এই শাস্ত্রটি। এটি গন্ধর্ববেদ নামে পরিচিত। ৩৬,০০০ শ্লোক নিয়ে তৈরি এই শাস্ত্রে নাট্য (নাটক), রসবোধ, ভাব (আবেগ) এবং সঙ্গীত রয়েছে।

  • Waqf Amendment Act: ওয়াকফ আইনকে পূর্ণ সমর্থন, মুসলিম প্রতিনিধি দল ধন্যবাদ জানালেন মোদিকে

    Waqf Amendment Act: ওয়াকফ আইনকে পূর্ণ সমর্থন, মুসলিম প্রতিনিধি দল ধন্যবাদ জানালেন মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধনী ওয়াকফ আইনের (Waqf Amendment Act) প্রতিবাদে জ্বলছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, ভাঙড়। বেছে বেছে টার্গেট করা হয়েছে হিন্দুদের বাড়িঘর-দোকানদানি। ভাঙচুর করার পাশাপাশি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে আগুন। এই আইন নিয়ে ১০০টিরও বেশি পিটিশন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এহেন আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মুসলমানদের একটা বড় অংশ। সংশোধনী ওয়াকফ আইনের জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসাও করলেন। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন লোককল্যাণ মার্গে যান। সেখানেই তাঁরা সংশোধিত ওয়াকফ আইনের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর অকুণ্ঠ প্রশংসা (Waqf Amendment Act)

    এই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তাঁদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই ওয়াকফ সংশোধনী। তাঁরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাসের দর্শনেও পূর্ণ আস্থা রয়েছে তাঁদের। পরে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে দারুণ বৈঠক হল। কথোপকথনের সময় আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছি।” বৈঠকের সময় প্রতিনিধি দলের এক সদস্য প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তাঁরা ১৯২৩ সাল থেকে ওয়াকফ বিধি থেকে ছাড়ের দাবি জানিয়ে আসছেন। নয়া আইনের মাধ্যমে ‘সংখ্যালঘুদের মধ্যে সংখ্যালঘু’ যাঁরা, তাঁদের যত্ন নিতে উদ্যোগী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন প্রতিনিধি দলের ওই সদস্য।

    কেনা সম্পত্তিকে ওয়াকফ বলে দাবি!

    প্রতিনিধি দলের আর এক সদস্য জানান, ২০১৫ সালে তাঁদের সম্প্রদায় মুম্বইয়ের ভিন্ডি বাজারে একটি প্রকল্পের জন্য একটি দামি সম্পত্তি কিনেছিল। ২০১৯ সালে নাসিকের এক ব্যক্তি সেটিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করেছিল। এই আবহে সংশোধিত ওয়াকফ আইনে তাঁরা খুব খুশি বলেই জানান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা (Waqf Amendment Act)। দাউদি বোহরা মুসলমান সম্প্রদায়েরই অংশ। ভারতের পশ্চিম অংশেই মূলত এঁদের বাস। গোটা বিশ্বের ৪০টি দেশে ছড়িয়ে রয়েছেন এই সম্প্রদায়ের মুসলমান। এঁরা মেনে চলেন আল-দাই-আল-মুতলাক নামে এক ধর্মগুরুর আদর্শ। ওয়াকফ সংক্রান্ত আইনে বদল আনার কথা বারবার বলেছিলেন তাঁরা। শেষমেশ মোদি সরকার তা কার্যকর করায় খুশি তাঁরা। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে এসেছিলেন (PM Modi) তাঁরা।

    ওয়াকফ পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনাই লক্ষ্য

    ওয়াকফের অধীনে ভারতে মোট সম্পত্তি রয়েছে ৮.৭ লাখ। এর নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে ওয়াকফ বোর্ড। এই পরিমাণ সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য ১.২ লাখ কোটি টাকা। দেশে সব চেয়ে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। মোট ওয়াকফ সম্পত্তির ২৭ শতাংশই রয়েছে এই রাজ্যে। এই তালিকায় উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যে ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে ৮০ হাজার ৫৪৮টি। বাংলায় ওয়াকফ সম্পত্তির ওপরে রয়েছে ১৫৮টি স্কুল, ৪টি মডেল ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসা, ১৯টি মুসলিম হস্টেল, ৯টি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র। বীরভূমে ওয়াকফের জমির ওপরে রয়েছে একটি শপিং কমপ্লেক্সও। তবে এত সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও ভারতে ওয়াকফে বার্ষিক আয় মাত্রই ১৬৩ কোটি টাকা (Waqf Amendment Act)। অভিযোগ, ওয়াকফ সম্পত্তি পরিচালনায় গাফিলতি রয়েছে। ওয়াকফ পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতেই সংশোধিত ওয়াকফ আইন আনা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রের (PM Modi)।

    সৈয়দনা সাহেবের ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

    এদিনের বৈঠকে সংশোধিত ওয়াকফ আইন গঠনে দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। খসড়া প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য দাউদি বোহরা আধ্যাত্মিক নেতা সৈয়দনা মুফাদ্দাল সাইফুদ্দিনেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “হয়ত আপনাদের মধ্যে খুব কম লোকই জানেন যে, যখন আমার মাথায় সংশোধিত ওয়াকফ আইন নিয়ে কাজ করার ধারণা আসে, তখন আমি সর্বপ্রথম যাঁর সঙ্গে পরামর্শ করেছিলাম, তিনি হলেন সৈয়দনা সাহেব।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সৈয়দনা সাহেব তাঁর পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন এমনকি আইনের আইনি পর্যালোচনা ও খসড়া তৈরিতে সাহায্য করার জন্য বোহরা সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও পাঠিয়েছেন। তিনি পরে আপনাকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন। এরপর আমি তিন বছর ধরে তাঁকে বিরক্ত করেছিলাম, তাঁকে তাঁর নিজস্ব উপায়ে এটি দেখতে, আমাকে আইনি পরামর্শ দিতে, আমাকে একটি খসড়া দিতে বলেছিলাম। পরামর্শের সময় তিনি আমাকে কতটা সাহায্য করেছিলেন, তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। তিনি আপনার সম্প্রদায় থেকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের নিয়ে এসেছিলেন, এমনকি কমা এবং দাঁড়ি (PM Modi) পর্যন্ত – প্রতিটি পদক্ষেপে আমি ওঁর সাহায্য পেয়েছি (Waqf Amendment Act)।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উনিশের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ১,৭০০ এরও বেশি অভিযোগ এসেছিল। এর মধ্যে বেশিরভাগই ছিল ন্যায়বিচার চাওয়া নারী ও কন্যার। তখনই আমি এই আইনের বাস্তবতাটা বুঝতে পেরেছিলাম (Waqf Amendment Act)।”

  • JD Vance: ‘শুল্কযুদ্ধে’র আবহে ভারতে আসছেন সস্ত্রীক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে হবে কথা?

    JD Vance: ‘শুল্কযুদ্ধে’র আবহে ভারতে আসছেন সস্ত্রীক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে হবে কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স (JD Vance) ও তাঁর ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রী ঊষা ভান্স। আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকেই ভারতে আসতে পারেন তাঁরা। ভান্সের এই ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ভান্স কবে ভারতে আসছেন, তা জানা যায়নি। ইটালি সফরেও যাবেন তাঁরা। ইটালি সফর শেষে তাঁরা ভারতে আসতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

    ‘শুল্কযুদ্ধে’র আবহে ভারত সফরে ভান্স (JD Vance)

    ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৩ ফেব্রুয়ারি একটি যৌথ বিবৃতিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছিল। অনুমান, ভান্সের ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সেগুলি আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। প্রসঙ্গত, ভান্স এমন একটা সময়ে ভারতে আসছেন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি ঘিরে গোটা বিশ্বে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। ট্রাম্প যেসব দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেই তালিকায় রয়েছে ভারতও। তবে চিন ছাড়া আপাতত ৯০ দিন বাকি দেশগুলির ওপর শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা

    আসন্ন ভারত সফরে তিন সন্তান ইউয়ান, বিবেক ও মিরাবেলকেও সঙ্গে আনতে পারেন ভান্স। ভারত সফরে এসে নয়াদিল্লির পাশাপাশি জয়পুর ও আগরায়ও যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের। পিটিআই সূত্রে খবর, আগামী ২১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন ভান্স (JD Vance)। বৈঠকে ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুদেশের বাণিজ্য ও পারস্পরিক শুল্কের হার নিয়েও আলোচনা হতে পারে। আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক দফায় আলোচনা হয়েছে ভারতের। আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যেই ভারত থেকে ঘুরে গিয়েছে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও সেরে এসেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর। সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা হয়েছে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর। দু’দেশই চাইছে বাণিজ্যচুক্তি দ্রুত বাস্তবায়িত হোক। তবে জয়শঙ্কর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকার সঙ্গে নয়া বাণিজ্যচুক্তির ক্ষেত্রে ইন্ডিয়া ফার্স্ট এবং বিকশিত ভারতের নীতি নিয়ে এগোবে নয়াদিল্লি।

    উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে একটি বাণিজ্যচুক্তি হয়েছে, যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছবে বলে অনুমান (JD Vance)।

  • India’s First Laser Weapon: এক লহমায় ধ্বংস এক ঝাঁক ড্রোন! পাকিস্তান-চিনের ঘুম উড়িয়ে দেশীয় লেজার অস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের

    India’s First Laser Weapon: এক লহমায় ধ্বংস এক ঝাঁক ড্রোন! পাকিস্তান-চিনের ঘুম উড়িয়ে দেশীয় লেজার অস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের অস্ত্রের দুনিয়ায় পা রাখল ভারত। লেজার অস্ত্রের (India’s First Laser Weapon) সফল পরীক্ষা চালিয়েছে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এর এই অস্ত্র মনে করাচ্ছে জর্জ লুকাসের তৈরি বিখ্যাত সিরিজ স্টার ওয়ারস-এর (Star Wars) যোদ্ধাদের। যেখানে যোদ্ধাদের অত্যাধুনিক তলোয়ার থেকে প্রতি নিয়ত বেরোচ্ছে আলোক রশ্মি। যা মাঝখান থেকে চিরে দিতে পারে একটা আস্ত বিমানকেও। এবার প্রায় একই রকম শক্তি নিজের হাতে তুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা। শত্রু রাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান থেকে গুপ্তচর ড্রোন, যে কোনও কিছু নিমিষে ধ্বংস করে দিতে পারে ডিআরডিও-র তৈরি এই লেজার অস্ত্র।

    ৩০ কিলোওয়াট লেজার অস্ত্রের ট্রায়াল রান সফল

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, রবিবার অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে এক দল গবেষক এই সদ্য নির্মিত ৩০ কিলোওয়াটের লেজার অস্ত্রের ট্রায়াল রান করায়। যাতে সফল হয়েছে তারা। জানা গিয়েছে, এই অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরির মাধ্যমেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে জুড়ে গেল ভারতের নাম। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই নতুন মার্ক-২(এ)  ডিইডব্লু সিস্টেমটি দূর পর্যন্ত যে কোনও শত্রু ড্রোনের আক্রমণকে প্রতিহত করতে পারে। সেই ড্রোন এক ঝটকায় উড়িয়েও দিতে পারে। তারা আরও জানিয়েছে, এই অস্ত্র থেকে নির্গত লেজার বা আলোকরশ্মি ৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা যে কোনও ড্রোন বা হেলিকপ্টারকে আকাশপথেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। যা স্থল ও নৌসেনা উভয়েই নিজেদের সুবিধার্থে ব্যবহার করতে পারবেন।

    সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি লেজার অস্ত্র

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলের ন্যাশনাল ওপেন এয়ার রেঞ্জে লেজার (India’s First Laser Weapon) হাতিয়ারের পরীক্ষা করা হয়। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ‘ডিরেক্ট এনার্জি ওয়েপন সিস্টেম’ বা ডিইডব্লিউ। বর্তমান বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কাছে আছে এই হাতিয়ার। এটি তৈরির মূল কৃতিত্ব ডিআরডিওর ‘সেন্টার ফর হাই এনার্জি সিস্টেমস অ্যান্ড সায়েন্সেস’-এর (সিএইচইএসএস)। লেজার হাতিয়ারের গবেষণায় হারদরাবাদের একাধিক ল্যাবরেটরি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য পেয়েছে ডিআরডিও। পরে নকশা অনুযায়ী অস্ত্রটিকে তৈরি করে একটি দেশীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা। ট্রাক আকৃতির গাড়ির উপর ‘মার্ক-টু(এ) লেজার’কে বসানো হয়েছে। যুদ্ধের সময়ে একে একাধিক রণাঙ্গনে মোতায়েন করতে পারবে ফৌজ।

    ‘ড্রোন ঘাতক’ লেজার অস্ত্র

    প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা সূত্রে খবর, শত্রুর নজরদারি সেন্সর, অ্যান্টেনা বা রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে পারবে ‘মার্ক-টু(এ)’। চোখের পলক ফেলার আগে নিখুঁত নিশানায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা চালাতে পারবে এই সমরাস্ত্র। লেজার হাতিয়ারটি ৩০ কিলোওয়াট শক্তি সম্পন্ন। তবে এর পাল্লার বিষয়টি গোপন রেখেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা। ডিআরডিওর তরফে অত্যাধুনিক অস্ত্রটিকে ‘ড্রোন ঘাতক’-এর তকমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থাটির কর্তা-ব্যক্তিদের দাবি, ‘মার্ক-টু(এ)’র সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এর নামমাত্র খরচ। এক-দু’লিটার পেট্রলের দামে কয়েক সেকেন্ডের জন্য লেজার রশ্মি ছুড়তে পারবে এই হাতিয়ার।

    ৩০-কিলোওয়াট লেজার অস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

    ● এই লেজার অস্ত্র ড্রোন, হেলিকপ্টার ও ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আকাশপথের হুমকি ৫ কিলোমিটার দূর থেকেই ধ্বংস করতে পারে।

    ● শত্রুর যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট সিগন্যাল জ্যাম করতে সক্ষম।

    ● স্থল ও সমুদ্র – দুই জায়গায়ই এটি ব্যবহারযোগ্য।

    ● ৩৬০ ডিগ্রি সেন্সর দ্বারা সজ্জিত, যা টার্গেটিং-এ নির্ভুলতা নিশ্চিত করে।

    ● সহজেই বিমান, রেল, সড়ক বা জলপথে মোতায়েন করা যায়।

    ● বিভিন্ন সামরিক প্রয়োজনে এর ডিজাইনকে মানিয়ে নেওয়া যায়।

    বদলে যাবে আকাশ প্রতিরক্ষার সংজ্ঞা

    প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’র (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) সংজ্ঞা বদলে দেবে ডিআরডিওর তৈরি অত্যাধুনিক এই অস্ত্র (India’s First Laser Weapon)। এর দু’রকম ব্যবহারের কথা বলেছেন সাবেক সেনাকর্তারা। দীর্ঘ দিন ধরেই ড্রোনের সাহায্যে জম্মু-কাশ্মীর এবং পঞ্জাবে হাতিয়ার ও মাদক চোরাচালান চালিয়ে আসছে পাকিস্তান। বাহিনীতে ‘মার্ক-টু(এ)’ চলে এলে সেই সূচক অনেকাংশেই নেমে আসবে, তা বলাই বাহুল্য। এ ছাড়া যুদ্ধ বা সীমান্ত সংঘর্ষের সময়ে শত্রুর ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা ড্রোনকে পুড়িয়ে শেষ করতে পারবে নতুন লেজার হাতিয়ার। তবে ভারতীয় সেনা কবে থেকে এটি ব্যবহার করবে, তা স্পষ্ট করেনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    ডিআরডিও-র পরের লক্ষ্য ‘সূর্য’

    ডিআরডিও-র পরের লক্ষ্য এরই আরও উন্নত সংস্করণ ‘সূর্য’, ৩০০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন। যার সীমা ২০ কিমি। এটি এখন গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ‘সূর্য’কে সামনে আনার চেষ্টায় রয়েছে ডিআরডিও। নতুন লেজার (India’s First Laser Weapon) হাতিয়ারটির সঙ্গে ‘সূর্য’-র কোনও মিল রয়েছে কি না, সেটা জানা যায়নি। তবে ‘সূর্য’র মাধ্যমে লেজার, মাইক্রোওয়েভ বা পার্টিকল বিমের (কণা রশ্মি) মতো কেন্দ্রীভূত শক্তিকে শত্রুর উপর সরাসরি প্রয়োগ করা যাবে বলে জানা গিয়েছিল। ‘সূর্য’ নিয়ে গবেষণার কাজে নিয়োজিত রয়েছে ডিআরডিওর লেজার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টার। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থাটির দাবি, ২০২৭ সালের মধ্যে হাতিয়ারটির প্রোটোটাইপ তৈরি করার কাজ পুরোপুরি শেষ করতে পারবে তারা। তবে এর জন্য একাধিক বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

  • Rose Valley Ponzi Scam: রোজ ভ্যালি পনজি কেলেঙ্কারির ক্ষতিগ্রস্তদের ফেরত দিতে ৫১৫.৩১ কোটি টাকা হস্তান্তর করল অর্থ মন্ত্রক

    Rose Valley Ponzi Scam: রোজ ভ্যালি পনজি কেলেঙ্কারির ক্ষতিগ্রস্তদের ফেরত দিতে ৫১৫.৩১ কোটি টাকা হস্তান্তর করল অর্থ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজ ভ্যালি পনজি (Rose Valley Ponzi Scam) কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিতে ₹৫১৫.৩১ কোটি টাকার ডিমান্ড ড্রাফট অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির (ADC) হাতে তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী শ্রী পঙ্কজ চৌধুরী। ডিমান্ড ড্রাফটটি গ্রহণ করেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি ডি.কে. শেঠ। এই উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) ডিরেক্টর শ্রী রাহুল নবীন ও অন্যান্য সিনিয়র আধিকারিকরা। এই অর্থে প্রায় ৭.৫ লক্ষ প্রতারিত বিনিয়োগকারী উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩১ লক্ষ ব্যক্তি ‘www.rosevalleyadc.com’ পোর্টালের মাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন।

    বিনিয়োগেকারীদের অর্থ ফেরত

    চিটফান্ড কাণ্ডে টাকা জমা রেখে জালিয়াতির শিকার হওয়া বিনিয়োগেকারীদের ইতিমধ্যেই ধীরে ধীরে অর্থ ফেরত দিচ্ছে ইডি। ‘রোজ ভ্যালি’ চিটফান্ড (Rose Valley Ponzi Scam) মামলায় এখনও পর্যন্ত ২১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৪৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ৩১ হাজার ৩১৯ জন টাকা পেয়েছেন। মোট পাঁচ দফায় এই টাকা দেওয়া হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছে ইডি। চিটফান্ড কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অসম এবং ত্রিপুরা থেকে ইডি এখনও পর্যন্ত ১ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে স্রেফ বাংলা থেকেই বা‌জেয়াপ্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্যোগ

    এবারের ৫১৫.৩১ কোটি টাকার সম্পদ ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ইডি বিভিন্ন তদন্তের মাধ্যমে ২,৯৮৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে সংযুক্ত করেছিল। এই অ্যাকাউন্টগুলি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত করে প্রায় ৭০০টিরও বেশি ফিক্সড ডিপোজিটে রূপান্তর করা হয়। সেই টাকাই বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি দরিদ্রদের থেকে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত দেবেন। অর্থ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার ভবিষ্যতেও এই ধরনের জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করবে এবং সাধারণ মানুষের টাকা তাঁদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

     

     

     

     

  • Shubho Nabo Barsho: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Shubho Nabo Barsho: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে মেতেছে গোটা বাংলা। বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে আজ হালখাতার জন্য লক্ষ্মী ও সিদ্ধিদাতা গণেশ পুজোও চলছে। রাজ্যজুড়ে চলছে প্রভাত ফেরীর অনুষ্ঠান। এই আবহে বঙ্গবাসীকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নিজের এক্স মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘‘পয়লা বৈশাখের (Shubho Nabo Barsho) শুভেচ্ছা। আশা করি এ বছর আপনাদের সব আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হবে। আমি সকলের সাফল্য, সুখ সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করছি। শুভ নববর্ষ।’’

    পয়লা বৈশাখ কীভাবে পালিত হয়?

    এই দিনে বাঙালি সমাজের মানুষ সব কাজ থেকে অবসর নিয়ে নতুন ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে। এর পাশাপাশি মন্দিরে অনেক সাজসজ্জার পাশাপাশি নিয়ম-কানুন মেনে পুজো করেন তারা। এই দিনে গরুর পুজো করারও বিধান আছে। গরুকে তিলক, ভোগ এবং পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেওয়া হয়। অন্যদিকে এদিন ব্যবসার হিসাব দেখেন ব্যবসায়ীরা (Shubho Nabo Barsho)। বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হওয়া এই উৎসবে খড় পোড়ানোরও ঐতিহ্য দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায়। মনে করা হয়, খড় জ্বালিয়ে গত বছর যে কষ্ট পেয়েছিলেন তা থেকে মুক্তি মেলে।

    ঐতিহ্যবাহী খাবারও তৈরি করার রীতিও দেখা যায় (Shubho Nabo Barsho)

    বাঙালিরা আজ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেন। একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে। চলে নানা অনুষ্ঠান। এর পাশাপাশি এদিন ঐতিহ্যবাহী খাবারও তৈরি করার রীতিও দেখা যায়। এই দিনে অনেক বাঙালি বাড়িতে পান্তা ভাত তৈরি করে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ এবং ভাজা ইলিশ মাছ সহযোগে খাওয়া-দাওয়া চলে। এছাড়াও এই দিনে অনেক ধরনের মিষ্টিও তৈরি করা হয়। বাংলা জুড়ে বর্ষবরণের (Shubho Nabo Barsho) উৎসব উপলক্ষ্যে দিকে দিকে সাজো সাজো রব। নতুন বছরে প্রিয়জন, গুরুজনদের নতুন বছরের প্রণাম ও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারেও।

  • PM Modi: ‘‘জালিয়ানওয়ালাবাগ জাতির ইতিহাসে কালো অধ্যায়’’, শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘‘জালিয়ানওয়ালাবাগ জাতির ইতিহাসে কালো অধ্যায়’’, শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার ১৩ এপ্রিল। জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ১০৬তম বার্ষিকী। শহিদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনাকে কালো অধ্যায় বলে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) পাশাপাশি শহিদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুও।

    জাতির ইতিহাসে জালিয়ানওয়ালাবাগ একটি কালো অধ্যায়

    এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, ‘‘আমাদের জাতির ইতিহাসে এই ঘটনা একটি কালো অধ্যায়। জালিয়ানওয়ালাবাগের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আগামী প্রজন্ম সর্বদা শহিদদের স্মরণ করবে।’’ জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলেও উল্লেখ করেন মোদি (PM Modi)। তিনি লেখেন, ‘‘জাতির ইতিহাসে জালিয়ানওয়ালাবাগ একটি অন্ধকার অধ্যায় ছিল। এই ঘটনায় শহিদদের আত্মত্যাগ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে ওঠে।’’

    এদেশ শহিদদের প্রতি সদা কৃতজ্ঞ ও ঋণী থাকবে বললেন রাষ্ট্রপতি

    জালিয়ানওয়ালাবাগে জীবন উৎসর্গকারী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেছেন, ‘‘তাঁদের (শহিদদের) আত্মত্যাগ আমাদের দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে আরও তীব্র করে তুলেছিল। এদেশে তাঁদের প্রতি সদা কৃতজ্ঞ ও ঋণী থাকবে।’’ রাষ্ট্রপতির মতে, ‘‘জালিয়ানওয়ালাবাগে (Jallianwala Bagh Massacre) ভারত মাতার জন্য যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই সকল স্বাধীনতা সংগ্রামীকে আমি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাকে (PM Modi) আরও শক্তিশালী করে তুলেছিল।’’ রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘‘আমি নিশ্চিত যে সেই অমর শহিদদের কাছ থেকে প্রেরণা নিয়ে, সমস্ত দেশবাসী তাঁদের তন-মন-ধন দিয়ে ভারতের অগ্রগতিতে অবদান রাখবে।’’

    ১৩ এপ্রিল ১৯১৯ সালে অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড

    প্রসঙ্গত, ১৩ এপ্রিল ১৯১৯ সালে অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগে বৈশাখী মেলায় জড়ো হয়েছিলেন শত শত সাধারণ নাগরিক। যাদের মধ্যে ছিল শিশুও। ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল রেজিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র মানুষদের এই সমাবেশে গুলি চালায় ব্রিটিশ বাহিনী। রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে দমন করতে এইভাবেই বর্বরোচিত হামলা করে ব্রিটিশ পুলিশ। সরকারি হিসেবে এই ঘটনায় ৩৭৯ জন নিহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়। বেসরকারি মতে, মৃতের সংখ্যা হাজার পার করেছিল।

LinkedIn
Share