Tag: PM Ujjwala Yojana

PM Ujjwala Yojana

  • PM Ujjwala Yojana: নারী দিবসে মোদি সরকারের উপহার, উজ্জ্বলা প্রকল্পে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি আরও ১ বছর

    PM Ujjwala Yojana: নারী দিবসে মোদি সরকারের উপহার, উজ্জ্বলা প্রকল্পে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি আরও ১ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (PM Ujjwala Yojana) আওতায় ভর্তুকি পাওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরেও এই ভর্তুকির সুবিধা পাবেন উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় থাকা মহিলারা।  বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয়ে সোশ্যাল সাইটে জানান, নারীদিবসে নারীশক্তিকে উপহার। 

    নারীশক্তিকে উপহার

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে (PM Ujjwala Yojana) প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় যাঁরা ৩০০ টাকা ভর্তুকি পাচ্ছিলেন, তাঁরা আগামী বছর পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন। প্রসঙ্গত, ২৯ অগাস্ট উজ্জ্বলা প্রকল্পে ২০০ টাকা ভর্তুকি বাড়িয়েছিল কেন্দ্র। ৪ অক্টোবর উজ্জ্বলার সিলিন্ডার পিছু আরও ১০০ টাকা করে ভর্তুকি বাড়িয়েছিল কেন্দ্র। এবার  সেই দামই আগামী এক বছর জারি রাখল কেন্দ্র। নতুন সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই ভর্তুকি পাওয়া যাবে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কোষাগার থেকে ১২,০০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কারা, কতদিন পাবে এই সুবিধা

    এই সংযোগ পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত দেয় সরকার। যেমন আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে (শুধুমাত্র মহিলা), সেইসঙ্গে একই পরিবারে অন্য কোনও এলপিজি সংযোগ থাকলে সেই পরিবার এই কানেকশন পাবে না। উজ্জ্বলা প্রকল্পের অধীনে সরকার দরিদ্র পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে এলপিজি সংযোগ দিয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: ফের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল মোদি সরকার, রাজ্যের সঙ্গে ফারাক বেড়ে ৪০ শতাংশ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৬ সালের ১ মে উজ্জ্বলা যোজনা (PM Ujjwala Yojana) চালু করেছিলেন। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে এই প্রকল্পের অধীনে এখনও পর্যন্ত ৯.৬ কোটিরও বেশি এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবা কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের পরেই ট্যুইট করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনও। তিনি জানান, পিএম উজ্জ্বলা যোজনার সঙ্গে যুক্ত থাকা ১০ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী ১৪.২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারে ৩০০ টাকা করে ভর্তুকি পাবেন।        

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Ujjwala Yojana: পিএম উজ্জ্বলা যোজনার ৩৭% উপভোক্তাই সংখ্যালঘু, বলছে পরিসংখ্যান 

    PM Ujjwala Yojana: পিএম উজ্জ্বলা যোজনার ৩৭% উপভোক্তাই সংখ্যালঘু, বলছে পরিসংখ্যান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী (Modi) পদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প উপহার দিয়েছেন দেশবাসীকে। তার মধ্যে রয়েছে, পিএম আবাস যোজনা, পিএম মুদ্রা যোজনা, পিএম কিষান, পিএম উজ্জ্বলা যোজনার মত একাধিক জনপ্রিয় প্রকল্প। কিন্তু এত কিছুর পরেও বিজেপিকে হিন্দুর সরকার এবং নরেন্দ্র মোদিকে হিন্দুর প্রধানমন্ত্রী বলতে ছাড়েনি বিরোধী দলগুলি। প্রধানমন্ত্রী যতবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে দেশটি ধর্ম নিরপেক্ষ এবং তিনি গোটা দেশের প্রধানমন্ত্রী, ততই যেন হিন্দুত্ববাদীর তকমা মোদির গায়ে সাঁটতে আরও রে রে করে ছুটে এসেছেন বিরোধীরা। 

    আরও পড়ুন: ফের চিনের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, ১২ হাজারের কম দামের চিনা স্মার্টফোন নিষিদ্ধ হচ্ছে ভারতে

    কিন্তু লোকসভায় সরকারের পেশ করা এক পরিসংখ্যানে উঠে এল এক সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেই পরিসংখ্যানে দেখা গেল পিএম উজ্জ্বলা যোজনার (PM Ujjwala Yojana) উপভোক্তাদের ৩৭% – ই সংখ্যালঘু(Minority)। সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রকে প্রাক্তন মন্ত্রী মুক্তার আকবর নকভি পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, “প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ২.৩১ কোটি বাড়ি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩১% বাড়ি ২৫টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় দেওয়া হয়েছে। কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের উপভোক্তাদের মধ্যেও ৩৩% -ই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এছাড়াও, পিএম উজ্জ্বলা যোজনার উপভোক্তাদেরও ৩৭% সংখ্যালিওঘু।”

    আরও পড়ুন: দিল্লি গিয়ে সেটিং কি হল, দিদিকে কী বললেন মোদি?

    সংখ্যালগু কমিশন অ্যাক্ট, ১৯৯২ – এর অধীনে ভারতের মোট পাঁচ সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তকমা দিয়েছে ভারত সরকার। মুসলিন, খ্রিষ্টান, শিখ, বুদ্ধিস্ট এবং পার্সি। এই সম্প্রদায়গুলির জন্যে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পও রয়েছে সরকারের। ভারতের অন্যান্য  নাগরিকদের থেকে কিছু বাড়তি সুবিধাও পেয়ে থাকেন এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিকরা। 

    এই দেশে সংখ্যালঘুরা কত শান্তিতে এবং সুরক্ষিত রয়েছেন লোকসভায় সে প্রসঙ্গও তোলেন নকভি। তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং কল্যাণ বরাবরই ভারত সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ‘শিখ অউর কামাও’ এবং ‘উস্তাদ’ – এর মতো প্রকল্প শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের জন্যেই এলেছে ভারত সরকার। 

    এছাড়া দেশে ২০১৪ সালের পর থেকে কীভাবে শিক্ষা, রোজগারের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অগ্রগতি হয়েছে সেকথাও উল্লেখ করেন তিনি। ভারতে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মান আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে সে দাবিও করেন মন্ত্রী। 

LinkedIn
Share