Tag: PMAY-G

PMAY-G

  • PMAY: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    PMAY: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিএম আবাস যোজনার আওতায় (PMAY) তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi Cabinet) বৈঠকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awaas Yojana) আওতায় নির্মিত এই বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ এবং এলপিজি কানেকশন দেওয়া হবে। সব বাড়িতে বসানো হবে জলের কলও। অর্থাৎ বাড়িগুলোতে জল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের কোনও অভাব থাকবে না। গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকা মিলেই এই নতুন তিন কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। 

    কোথায় কত বাড়ি, কত টাকা বরাদ্দ (PMAY)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ৩ কোটি বাড়ির মধ্যে ২ কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) এর অধীনে এবং এক কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-আরবানের (PMAY-U) অধীনে নির্মিত হবে। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, এটি “এনডিএ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।” তিনি জানান, আবাস যোজনা প্রকল্পে (Pradhan Mantri Awaas Yojana) গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলের জন্য পৃথক পৃথক অর্থ প্রদান করবে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY-2.0) শহরাঞ্চলে আরও ১ কোটি বাড়ি তৈরি হবে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের সাহায্যার্থে এই প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বাড়ির জন্য ২.৩০ লক্ষ টাকা ভরতুকি দেবে কেন্দ্র। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে বাড়ি তৈরির জন্য কেন্দ্রের ভরতুকির মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ৫ বছর পর্যন্ত। ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষ পর্যন্ত তা মিলবে। এর জন্য ৩ লক্ষ ৬ হাজার ১৩৭ কোটি বরাদ্দ করা হচ্ছে। যার মধ্যে অধিকাংশ টাকা দেবে কেন্দ্র, বাকিটা রাজ্যের প্রদেয়।

    আরও পড়ুন: ফাঁকা স্ট্যাম্প পেপারে সই! পরিবারকে পণবন্দি করে হিন্দুদের লুট বাংলাদেশে

    কারা সুবিধা পাবেন

    বিবৃতি অনুসারে, ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত অবশিষ্ট ৩৫ লক্ষ অসম্পূর্ণ বাড়িগুলির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, “২০২৪-২০২৯ এই পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণের (PMAY-G) অধীনে আরও দুই কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। এর ফলে প্রায় ১০ কোটি লোক উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।” দেশের সমস্ত মানুষ পাবেন পাকা ছাদ। এই লক্ষ্য নিয়ে পিএম আবাস যোজনা (PMAY) নিয়ে আসা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যাঁদের বাড়ি নেই তাঁরা এই যোজনার মাধ্যমে লাভ তুলতে পারবেন। একই সঙ্গে বিপিএল তালিকাভুক্তরা এই যোজনার লাভ পাবেন। এই নির্মাণের জন্য সমতল এলাকায় ১.২০ লক্ষ টাকা এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের রাজ্যগুলি এবং হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলিতে ১.৩০ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে (Modi Cabinet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PMAY-G: আবাস যোজনার বরাদ্দ পেতে রাজ্যকে মানতে হচ্ছে কোন কোন শর্ত?

    PMAY-G: আবাস যোজনার বরাদ্দ পেতে রাজ্যকে মানতে হচ্ছে কোন কোন শর্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা প্রকল্পের (PMAY-G) আওতায় রাজ্যের আটকে থাকা ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ মঞ্জুর করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যের নামে চালানো, প্রকল্পের লোগো পরিবর্তন করে দেওয়া সহ একাধিক বেনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল মমতা সরকারের বিরুদ্ধে। যে কারণে, রাজ্যের বকেয়া অর্থ প্রায় আট মাস আটকে রেখে দিয়েছিল কেন্দ্র। 

    এরপর, PMAY-G প্রকল্পে আটকে থাকা টাকা মুক্ত করতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়। দিল্লি গিয়ে বকেয়া অর্থের জন্য তদ্বির করে তৃণমূল প্রতিনিধিদল। গত জুন মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল সাংসদরা। সম্প্রতি, গিরিরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীও। রাজ্য সরকারের তরফে মন্ত্রী বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। 

    রাজ্য কী জানিয়েছে?

    রাজ্যের তরফে লিখিত আকারে জানানো হয় এই মর্মে যে, কেন্দ্রের সব নির্দেশিকা সঠিক ও যথাযথভাবে মেনে চলা হবে। কেন্দ্রকে জানিয়ে দেওয়া হয় সব শর্ত মেনেই কাজ করছে রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিবের মুচলেকা পেয়েই আবাস যোজনার বরাদ্দে অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। দিল্লির স্পষ্ট বক্তব্য, কেন্দ্রীয় টাকায় তৈরি বাড়ি বাংলার আবাস যোজনা নাম দিয়ে চালানো যাবে না। কারণ মূল প্রকল্প, যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যে যৌথভাবে টাকা দেয় তার নাম প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PMAY-G)। ওই যোজনায় কেন্দ্র ৬০ শতাংশ ও রাজ্য সরকার ৪০ শতাংশ টাকা দেয়। শর্ত মেনে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নাম দিয়েই প্রকল্প হবে। লিখিত আকারে জানানো হয় সেই কথা। এরপর মুচলেকা পেয়েই তবে রাজ্যের বকেয়া মেটাতে রাজি হয় কেন্দ্র। মঞ্জুর করা হয় ৮,২০০ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ৮২০০ কোটি টাকা পেল রাজ্য

    কেন্দ্র কী জানিয়েছে?

    জানা গিয়েছে, এই (PMAY-G) প্রকল্পের আওতায় মোট ১১ লক্ষেরও বেশি বাড়ির জন্য এই টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। তবে, অর্থ অনুমোদনের সঙ্গে একগুচ্ছ শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যেমন কেন্দ্রের শর্ত, সময় মেনে বাড়ির কাজ করতে হবে, নইলে হবে জরিমানা। কেন্দ্রের সুস্পষ্ট বার্তা, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না-পারলে বাড়ি-পিছু জরিমানা করা হবে। জরিমানার টাকা কেটে নেওয়া হবে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের প্রশাসনিক তহবিল থেকে। এছাড়া, আগামী তিন মাসের মধ্যেই ১১ লক্ষ ৩৭ হাজার বাড়ি তৈরির কাজ যে শেষ করে ফেলতে হবে। কেন্দ্রের স্পষ্ট কথা, অন্যথা হলে জরিমানা ধার্য করার পাশাপাশি ফের আটকে দেওয়া হবে টাকা। সব শর্তে রাজি হয়েছে রাজ্য। 

    কী কী শর্ত রাখা হয়েছে?

    শর্ত ১: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) রূপায়নের যে কাঠামো রয়েছে, তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে রাজ্যকে।

    শর্ত ২: সময়মতো বাড়ি অনুমোদন ও কিস্তির টাকা বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যকে। সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীর হাতে রাজ্য যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যোজনা প্রকল্পের বাড়ির অনুমোদন ও সহায়তা মূল্যের প্রথম কিস্তির অর্থ বণ্টন না করতে পারে, তাহলে সেক্ষেত্রে মন্ত্রক পুনরায় লক্ষ্যমাত্রা প্রত্যাহার করার বিবেচনা করতে পারে। 

    শর্ত ৩: সময় মেনে কোষাগার থেকে প্রকল্পের অ্যাকাউন্টে রাজ্যকে তার নির্দিষ্ট ভাগের টাকা জমা করতে হবে। 

    শর্ত ৪: প্রকল্পের আওতায় তৈরি হওয়া বাড়িগুলোতে যোজনার নাম ও লোগো সঠিকভাবে নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে লাগাতে হবে। এর কোনও প্রকার অন্যথা চলবে না। এটা ভিন্ন অন্য কোনও প্রকার লোগো বা ব্র্যান্ডিং লাগানোর অনুমতি নেই। 

    শর্ত ৫: যোজনায় তৈরি হওয়া বাড়িগুলোতে নিয়মিত সোশ্যাল অডিট প্রক্রিয়া চালাতে হবে। 

    শর্ত ৬: কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী বিভিন্ন আধিকারিকরা এরিয়া অফিসার্স মোবাইল অ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে নজর রাখবেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PMAY-G: বাংলা আবাস যোজনা নাম মুছলে তবেই মিলবে টাকা, রাজ্যকে জানিয়ে দিল কেন্দ্র

    PMAY-G: বাংলা আবাস যোজনা নাম মুছলে তবেই মিলবে টাকা, রাজ্যকে জানিয়ে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY-G) নাম বদলে রাজ্য সরকার নাম দিয়েছে বাংলা আবাস যোজনা। কিন্তু এই নাম ফের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা না করলে কেন্দ্রীয় সরকার কোনও টাকা দেবে না। যতক্ষণ না দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে এই প্রকল্পের নাম ফের বদল হচ্ছে ততক্ষণ রাজ্যে আবাস-প্লাস প্রকল্পে একটি ঘরও আসবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রেই এখবর জানা গিয়েছে।

    সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল আবাস যোজনার বাড়ির বরাদ্দ কেন রাজ্যে আসছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের (Giriraj Singh) দ্বারস্থ হয়েছিল। মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগে বাংলা আবাস যোজনা (Bangla Awaas Yojana) নামটি বাতিল করলে ফের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা করা হোক, তার পরেই টাকা দেওয়ার প্রশ্ন আসবে। 

    ২০১৭ সালের ২১ অগাস্ট এবং ২০২২ সালের ১২ মে রাজ্য সরকারকে দুটি চিঠি পাঠিয়ে একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে জানিয়ে দেন। রাজ্য পঞ্চায়েত দফতর অবশ্য কেন্দ্রের চিঠির কোনও জবাব দেয়নি। বাংলা আবাস যোজনার নাম বদল করা হবে, সে কথাও জানায়নি। তার জেরে রাজ্যের প্রায় ১০-১২ লক্ষ গরিব মানুষ বাড়ি পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারীর কথায়,“পশ্চিমবঙ্গ তো দেশের বাইরে নয়। যদি সারা দেশে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা চলতে পারে, তা হলে পশ্চিমবঙ্গে তার নাম কেন বদল হবে। আসলে রাজ্য সরকারের ম্যাচিং গ্রান্ট দেওয়ার টাকা নেই, সেই কারণে গরিব মানুষের পাকা বাড়ি তৈরি্র যে স্বপ্ন নরেন্দ্র মোদিজি (Modi) দেখিয়েছেন এ রাজ্যে তা পূরণ করতে দিচ্ছেন না মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়।” রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের এক কর্তা জানান, বাংলা আবাস যোজনা নাম বদলাতে রাজি নয় নবান্ন। সেই কারণেই জটিলতা অব্যাহত রয়েছে।

    এইভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নামবদল করেছে মমতা প্রশাসন

     

    কেন পাকা বাড়ির টাকা পাচ্ছে না রাজ্য?

    গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রের দাবি, গত ১২ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রকে চিঠি লিখে জানান, ২০১৬-১৭ সাল থেকে রাজ্য সরকার ৩২ লক্ষ বাড়ি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় তৈরি করেছে। দেশে এই প্রকল্পে প্রথম হয়েছে রাজ্য। তারপরেও কেন টাকা আটকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রক জানাচ্ছে, ২০১১ সালের আর্থ সামাজিক জাতি সমীক্ষার পর বাংলায় ৩৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬০৮টি পাকা বাড়ি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৪ লক্ষ ৮৮ হাজার। এই প্রকল্পে রাজ্যের তহবিলে ১৩৩৮ কোটি টাকা পড়ে রয়েছে। গত ২৪ মার্চেও আবাস যোজনার জন্য ৬৮৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার সব কাজ শেষ করতে এই টাকা যথেষ্ঠ। 

    কেন রাজ্য সরকার ম্যাচিং গ্রান্টসহ উপভোক্তাদের টাকা পাঠাচ্ছে না সেই প্রশ্নও তুলেছে কেন্দ্রীয় কর্তারা। তবে ২০২১-২২ সাল থেকে আবাস-প্লাস (Awaas+) নামে নতুন প্রকল্প শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমেও আরও অন্তত ১০-১২ লক্ষ পরিবার পাকা বাড়ি হবে। কিন্তু ন্যাশনাল লেভেল মনিটররা রাজ্যে এসে এই প্রকল্পে ভুরি ভুরি অভিযোগ পেয়েছেন। কাটমানি খাওয়া, পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবার তাদের বাড়ি দেওয়া, রাজনৈতিক রং দেখে বাড়ি দেওয়া এবং পর্বত প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে দেখা যায় নাম বদলে দেওয়ার ঘটনাও।

    আরও পড়ুন: কেন ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের টাকা আটকেছে কেন্দ্র? রইল ৮ কারণ

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন সচিব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ২২ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল দুটি ডিও লেটার লিখে প্রকল্পের অনিয়মের ব্যাপারে ১ মে-র মধ্যে জবাব চেয়েছিলেন। তার কোনও জবাব দেয়নি রাজ্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক (Ministry of Finance) কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল হলে তার টাকা না দেওয়ার কথাও রাজ্যগুলিকে জানিয়ে রেখেছে। তার পরেও নবান্ন (Nabanna) কোনও পদক্ষেপ করেনি। ফলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকও (Ministry of Urban Development) জানিয়ে দিয়েছে বাংলা আবাস যোজনা বদলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা করলে তবেই মিলবে গ্রামে পাকা বাড়ির তৈরির বরাদ্দ।

LinkedIn
Share