Tag: PMLA Case Updates

  • I-PAC ED Probe: গ্রেফতার এক কর্তা, তলব আরও একজনকে— ইডির নজরে আইপ্যাক, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

    I-PAC ED Probe: গ্রেফতার এক কর্তা, তলব আরও একজনকে— ইডির নজরে আইপ্যাক, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ঠিক আগে বিরাট চাপে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)। এক শীর্ষ কর্তাকে গ্রেফতারের পর সংস্থার আরও এক শীর্ষ কর্তা ঋষি রাজ সিং-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। হাওয়ালা লেনদেন ঘিরে অর্থ পাচারের অভিযোগে আজ, সোমবার ২০ এপ্রিল, দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। সেখানে ‘অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন’ (PMLA)-এর আওতায় তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ইডি হেফাজতে সংস্থার অন্যতম কর্তা ভিনেশ চান্ডেল

    ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক একাধিক রাজনৈতিক দলের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে আসছে। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস (পশ্চিমবঙ্গ) এবং ডিএমকে (তামিলনাড়ু)-সহ বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে যুক্ত এই সংস্থা। আইপ্যাকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন ঋষি রাজ সিং, ভিনেশ চান্ডেল এবং প্রতীক জৈন। এর মধ্যে ভিনেশ চান্ডেলকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে, প্রতীক জৈনের ভাই ও স্ত্রীকেও ডাকা হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্থা থেকে পাওয়া অর্থের হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগে এই তদন্ত চলছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২ এপ্রিল বেঙ্গালুরুতে ঋষি রাজ সিং-এর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে ১৩ এপ্রিল দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় ভিনেশ চান্ডেলকে, যিনি বর্তমানে ইডি হেফাজতে রয়েছেন।

    মামলার সূত্রপাত দিল্লি পুলিশের একটি এফআইআর থেকে

    এই মামলার সূত্রপাত দিল্লি পুলিশের একটি এফআইআর থেকে। সেখানে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, হিসাবপত্রে কারচুপি এবং সংস্থার পরিচালকদের মাধ্যমে ‘হিসাব-বহির্ভূত’ তহবিল লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইডির দাবি, সংস্থাটি হিসাবভুক্ত ও অঘোষিত তহবিল গ্রহণ, জামানত ছাড়াই ঋণ নেওয়া, ভুয়ো বিল ও ইনভয়েস তৈরি, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ এবং হাওয়ালা চ্যানেলে নগদ লেনদেনের মতো একাধিক অনিয়মে জড়িত। তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রায় ৫০ কোটি টাকার অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে আইপ্যাক। এই মামলার সঙ্গে কয়লা দুর্নীতি তদন্তেরও সম্ভাব্য যোগসূত্র রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    কলকাতায় প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আই-প্যাকের দফতরে তল্লাশি ইডির

    এর আগে, ৮ জানুয়ারি কয়লা দুর্নীতি মামলায় প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং কলকাতায় আই-প্যাকের দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু নথি সরিয়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁর দাবি ছিল, ইডি আসলে নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করছে। এই ঘটনার জেরে ইডি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে এবং সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এদিকে, রবিবার পশ্চিমবঙ্গে আইপ্যাক-এর কাজ ২০ দিনের জন্য বন্ধের খবর ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়। তবে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তৃণমূল।

LinkedIn
Share