Tag: POCSO

POCSO

  • Beawar Sexual Exploitation Case: আজমেরের পুনরাবৃত্তি! হিন্দু কিশোরীদের ধর্ষণ, ধর্মান্তরণের চাপ জিহাদি গ্যাংয়ের

    Beawar Sexual Exploitation Case: আজমেরের পুনরাবৃত্তি! হিন্দু কিশোরীদের ধর্ষণ, ধর্মান্তরণের চাপ জিহাদি গ্যাংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের ছাত্রীদের ব্ল্যাকমেল করে দিনের পর দিন গণধর্ষণ। মুখ বন্ধ করতে অশালীন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল। ৩০ বছর আগের এই ঘটনায় নড়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। ১০০ জনেরও বেশি কিশোরীকে এ ভাবে হেনস্থা করা হয়েছিল। ঘটনাস্থল রাজস্থানের আজমের। এবার তারই প্রতিফলন ঘটল বেওয়ারে (Beawar Sexual Exploitation Case)। মুসলিম গ্রুমিং গ্যাং কর্তৃক যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে নাবালিকা হিন্দু মেয়েরা। পরিকল্পিতভাবে সাজগোজ, ব্ল্যাকমেল, ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল তাদের।

    কী হয়েছিল, মামলা দায়ের

    ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে, বেওয়ার (Beawar Sexual Exploitation Case) পুলিশ অল্প শিক্ষিত মুসলিম যুবক রেহান মহম্মদ (২০), সোহেল মনসুরি (১৯), লুকমান (২০), আরমান পাঠান (১৯), সাহিল কুরেশি (১৯) এবং দুই নাবালককে গ্রেফতার করে, যারা হিন্দু মেয়েদের ফাঁদে ফেলে, ধর্ষণ করে এবং বলপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করছিল। এই ধর্ষক জিহাদিরা হিন্দু মেয়েদের নামাজ, রোজা এবং কলমা (ইসলামিক বিশ্বাসের ঘোষণা) পাঠ করাচ্ছিল। তাছাড়া, তারা মেয়েদের বোরখা পরতে, নামাজ পড়তে, রোজা (রোজা) পালন করতে এবং ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য ব্রেনওয়াশ করতে চাপ দেয়। অভিযুক্ত ধর্ষণ জিহাদিদের বিরুদ্ধে পকসো আইন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে মামলা করা হয়েছে।

    ব্রাহ্মণ হলে ২০ লক্ষ টাকা, দলিত ১০ লক্ষ

    এক নির্যাতিতার সাক্ষ্য অনুসারে, এই ধর্ষক জিহাদিরা বেওয়ারের বিজয়নগরের একটি স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া হিন্দু মেয়েদের অনুসরণ করত। মোবাইল ফোনে মেয়েদের সংস্পর্শে আসার পর তারা মেয়েদের যৌন নির্যাতন করত, অপরাধের স্পষ্ট ছবি এবং ভিডিও তুলত এবং তারপর তাদের আরও নির্যাতনের জন্য এটি ব্যবহার করত। অভিযুক্তরা নির্যাতিতাদের ছোট ছোট মোবাইল ফোন দিত। অভিযুক্ত সোহেল মনসুরি এক নির্যাতিতাকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একটি ছোট মোবাইল ফোন দিয়েছিল। সে তাকে ক্রমাগত হুমকি দিত। নির্যাতিতাকে জোর করা হত। যেন, সে তার বন্ধুদের সোহেলের বন্ধু, রিয়ান, জাভেদ এবং আরমানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। সোহেল হিন্দু মেয়েটিকে বোরখা পরতে বাধ্য করত এবং রমজান ও রোজা সম্পর্কে শিক্ষা দিত। জানা গিয়েছে, সে তাকে রোজা রাখার জন্য ব্রেনওয়াশ করত। সে ব্লেড দিয়ে তার হাতও কেটে দিয়েছিল। হিন্দু মেয়েটির উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত সোহেল। তাকে কলমা পড়তে চাপ দিত। ভুক্তভোগীরা বলেছিল যে পুরুষরা বুলেট মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য গাড়ি সহ নতুন গাড়িতে আসত এবং তাদের নিয়ে যেত। ভুক্তভোগীদের একজন বলেছিল, “তারা একবার আমাকে বলেছিল যে একজন ব্রাহ্মণ মেয়ে বিক্রি করলে ২০ লক্ষ টাকা পাবে, আর তুমি (একজন দলিত) পাবে ১০ লক্ষ টাকা।” মেয়েরা তাদের জবানবন্দিতে বলেছিল যে তাদের ক্রমাগত অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছিল এবং অন্য মেয়েদের আনতে বাধ্য করা হয়েছিল।

    তদন্তে পুলিশ

    একজন মেয়ের কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যাওয়ার পরে মামলাটি উন্মোচিত হয়। পরিবার যখন একজন মুসলিম পুরুষকে ফোন করে, তখন সে গালিগালাজ এবং হুমকি দেয়। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় ছুটে যায় এবং বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করে, যার পরে মামলাটি স্তরে স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানতে পারে যে কেবল একজন নয়, একাধিক মেয়েই এই ঘটনার শিকার হয়েছে। বেশ কয়েকজন মুসলিম ছেলে এই ঘটনায় জড়িত ছিল। তারা মেয়েদের কাছ থেকে টাকাও আদায় করত এবং তাদের বাড়ি থেকে নগদ টাকা চুরি করতে বাধ্য করত। পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার গুন্ডাদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে স্কুলের মেয়েরা। প্রথমে স্কুলের মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা হত। অভিযুক্তেরা তার পর প্রলোভন দিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করত। গণধর্ষণ করা হত। ধর্ষণের সময়কার ছবিও তোলা হত। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছিল, ছবি দেখিয়ে ওই ছাত্রীদেরকে ব্ল্যাকমেল করা হত। ব্ল্যাকমেল করে নির্যাতিতা ছাত্রীকে বলা হত সে যেন তার বান্ধবীদেরও নিয়ে আসে। এ ভাবেই একাধিক ছাত্রীর উপর অত্যাচার করা হয়েছিল।

    মসজিদে যাওয়ার জন্য চাপ

    বেওয়ারের এক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন যে ‘মুসলিম গ্যাং’ তাকে স্থানীয় মসজিদে যাওয়ার জন্য চাপ দিত। এই মামলায় ২৩ ফেব্রুয়ারি পুলিশ বিজয়নগরের প্রাক্তন কাউন্সিলর হাকিম কুরেশিকে গ্রেফতার করে। এই গ্যাংয়ে বেশ কয়েকটি মুসলিম গোষ্ঠীর জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। তাকে একই দিনে কোটদার পকসো আদালতের বিচারকের বাসভবনে হাজির করা হয় এবং ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো হয়। পরে, তাকে ১১ মার্চ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। কুরেশি অন্যান্য অভিযুক্ত এবং ধর্ষণ জিহাদিদের সহায়তা করার অভিযোগে অভিযুক্ত।

    কতজন গ্রেফতার

    এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজন প্রাক্তন কাউন্সিলর সহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনজন নাবালিকাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করার সময়, বেওয়ারে উত্তেজনা বিরাজ করছে কারণ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। ২৪ ফেব্রুয়ারি আজমের, বেওয়ার এবং ভিলওয়ারা জেলায় এই অপরাধের প্রতিবাদে মানুষ বন্ধের ডাক দেয়। মানুষ এই অপরাধে জড়িত সকল দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে আন্দোলন করছে। শনিবার (১ মার্চ) বেওয়ার ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেল মামলার প্রতিবাদে আজমিরে সম্পূর্ণ বন্ধ পালিত হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলিও। জেলা কালেক্টরের অফিসে “আক্রোশ” সমাবেশ করে তারা। এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়। প্রতিবাদী হিন্দু অধিকার কর্মীরা কালেক্টরের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। হিন্দু অধিকার সংগঠনগুলি ছাড়াও, প্রায় ১২৪টি বাজার সমিতিও আজমের জুড়ে “বন‍্‍ধ”-কে সমর্থন জানিয়েছে এবং ব্যবসায়ীদের তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    দ্রুত বিচারের দাবি

    গ্রুমিং গ্যাং মামলা প্রসঙ্গে আজমিরের ডেপুটি মেয়র নীরজ জৈন বলেন, “আমরা চাই মামলাটি সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হোক। এটি কেবল ব্ল্যাকমেল বা ধর্ষণের ঘটনা নয় – হিন্দু নাবালিকা মেয়েদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এটি লাভ জিহাদের একটি স্পষ্ট ঘটনা। ন্যায়বিচার বিলম্বিত করা উচিত নয়, যেমনটি আজমের ব্ল্যাকমেল মামলায় দেখা গিয়েছে, যেখানে ৩৩ বছর পর দোষীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সময়মতো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য এই মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি করা উচিত।”

  • Tiljala Murder: ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুন, তিলজলাকাণ্ডে অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত

    Tiljala Murder: ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে খুন, তিলজলাকাণ্ডে অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala Murder) সাত বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করে খুন করার ঘটনায়, দেড় বছর আগে উত্তাল হয়েছিল বাংলা। নৃশংস এই ঘটনাকে বিরলের মধ্যে বিরলতম আখ্যা দিয়ে অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদালত। মামলার শুনানি চলাকালীন মোট ৪৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত (Alipore court)। বৃহস্পতিবার আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালতে ওই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ তিলজলায় এই ঘটনা ঘটেছিল। ওই দিন সকালেই শিশুটি একতলায় ময়লা ফেলতে নেমেছিল। তার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে ওই আবাসনের তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্যাস সিলিন্ডারের পাশে বস্তায় শিশুটির দেহ রাখা ছিল।

    কী বলল আদালত (Tiljala Murder)?

    তদন্তে উঠে আসে, নিজের যৌন লালসার জন্য জোর করে অভিযুক্ত ঘরে ঢোকায় শিশুটিকে। দেওয়ালে মাথা ঠুকে, দু’ ধরনের হাতুড়ি ব্যবহার করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। অভিযুক্তের উদ্দেশে বিচারক বলেন, ‘‘আপনি নিষ্ঠুরতম কাজ করেছেন, নিজের বিকৃত লালসা মিটিয়েছেন। আপনি একজন ডেলিভারি বয়। আপনারা গায়ে অনেক শক্তি। আপনি এক অসহায় বাচ্চার সঙ্গে যা করেছেন, তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা নেই। আপনি অমানবিক, নিষ্ঠুর কাজ করেছেন, এই ধরনের অপরাধ খুব একটা দেখা যায় না। আপনারা উদ্দেশ্য ছিল, অপরাধ করে পালিয়ে যাওয়া। আপনাকে সংশোধনাগারে পাঠিয়ে সংশোধন করা যাবে না। এই অপরাধ (Tiljala Murder) বিরল নয়, বিরলতম, সাংঘাতিক ও নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড।’’

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী

    সরকারি আইনজীবী মাধবী ঘোষ মাইতি বলেন, ‘‘বড়দের কারও সঙ্গে নির্যাতনের (Tiljala Murder) ঘটনা ঘটলে অনেকে তাঁর পোশাক বা চরিত্রের দিকে আঙুল তোলেন। এটা তো সাত বছরের একটা ফুটফুটে মেয়ে! তার খেলা করার বয়স। তাকে এমন নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। মুখ চেপে ওকে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটির বাঁচার অদম্য ইচ্ছা ছিল। সে আসামির হাতে কামড়ে দিয়েছিল। পালানোর জন্য ছটফট করেছিল। কিন্তু অত বড় মানুষের সঙ্গে সে পেরে ওঠেনি। তাই এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Supreme Court: শিশুদের যৌনতার ভিডিও দেখলে বা রাখলেও সাজা পকসো আইনে, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: শিশুদের যৌনতার ভিডিও দেখলে বা রাখলেও সাজা পকসো আইনে, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুদের নিয়ে তৈরি পর্নোগ্রাফি দেখা কিংবা তা ডাউনলোড করাও এবার থেকে পকসো (POCSO) আইনে অপরাধ বলে বিবেচ্য হবে। সোমবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় খারিজ করে এমনই বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।  সুপ্রিম কোর্টের তরফে পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘‘বর্তমান সময়ে পর্নোগ্রাফি দেখার মতো ভয়ঙ্কর সমস্যা নিয়ে লড়ছে শিশুরা। সমাজকে এতটা পরিণত হতে হবে যে শাস্তির বদলে শিক্ষা দেওয়া যায়।’’ এর আগে মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাদের এক রায়ে জানিয়েছিল, শিশুদের নিয়ে নীলছবি দেখা কিংবা তার ক্লিপ ডাউনলোড করা শাস্তিযোগ্য নয়। এদিন মাদ্রাজ হাইকোর্টের সেই নির্দেশকেই খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

    চেন্নাইয়ের এক ২৮ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বাতিল করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট

    সোমবার সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ বলে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের এই রায় দিতে গিয়ে গুরুতর ত্রুটি করে ফেলেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি মাদ্রাজ হাইকোর্ট চেন্নাইয়ের এক ২৮ বছরের যুবকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বাতিল করে দিয়েছিল। ওই যুবকের বিরুদ্ধে শিশু-পর্ন দেখা এবং ভিডিও ডাউনলোড (POCSO) করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাদের রায়ে জানিয়েছিল, ব্যক্তিগতভাবে এ ধরনের বিষয়ের ছবি দেখা পকসো আইনের এক্তিয়ারে পড়ে না।

    ‘চাইল্ড পর্ন’ শব্দটিও সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    এদিন এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট ওই যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা ফৌজদারি মামলা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। শীর্ষ আদালত (Supreme Court) এও জানিয়েছে, শিশুদের নিয়ে যৌন ছবি তৈরি করা, দেখা এবং ডাউনলোড করা ছাড়াও তা প্রকাশ করা এবং শেয়ার করা সবই অপরাধ। এদিনের নির্দেশে শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে ‘চাইল্ড পর্ন’ শব্দটিও সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে এবং এর বদলে ‘শিশু যৌন নির্যাতন এবং শোষণমূলক বিষয়’- শব্দ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আইন সংশোধন করতে বলেছে। এর পাশাপাশি দেশের সব আদালতকে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছে যে, এখন থেকে যেন ‘শিশু পর্নোগ্রাফি’  শব্দটি কোনও মামলায় ব্যবহার না করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি পৃথক মামলা, পৃথক হাইকোর্ট! সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ককে (Consensual Sex) ধর্ষণ বলতে রাজি নয় দিল্লি ও কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘পকসো আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের যৌনশোষন থেকে রক্ষা করা। আইনটি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রেম বা শারীরিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করে না।’ একটি পকসো মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, জেলে অপরাধীদের সঙ্গে রাখা একজন যুবকের ভাল হবে না, আরও খারাপের দিকে চলে যাবে সে। এই বলে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী ২০ বছর বয়সি এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনায় গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তখন পরিবারের সদস্যরা ওই যুবকের বিরুদ্ধে কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ তোলে। সেই ঘটনায় ২০২১ সালে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলে রয়েছে ওই যুবক। জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ওই যুবক। মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চে। আদালতের মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই মেয়েটির সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  বিচারপতি বিকাশ মহাজনের পর্যবেক্ষণ, ‘যখন তাদের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তখন যুবতীর বয়স ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ বছর। একটা প্রেমের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বয়স যথেষ্ট। এছাড়া অভিযুক্তের সঙ্গে সহমতেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শারীরিক সম্পর্কের পথে তারা এগিয়েছিল নিজেদের ইচ্ছায়।’

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অন্যদিকে ৬ বছর ধরে সম্মতিক্রমেই শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মহিলাকে বিয়ে করেননি এক ব্যক্তি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্য়মে তাদের মধ্য়ে পরিচয় হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে তাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। সেই ২০১৯ সাল থেকে তাদের মধ্য়ে সম্পর্ক। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়েছে, ৬ বছর ধরে যাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাকে কখনওই ধর্ষণ বলে বলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে ৫ বছর ধরে সম্মতিক্রমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হলে সেটা কোনওভাবেই তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। এরপর কর্নাটক হাইকোর্ট ধর্ষণের অভিযোগকে খারিজ করে দিয়েছে।  বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা হয়েছিল। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে যে যৌনক্রিয়া সেটাকে ধর্ষণ বলে উল্লেখ করা যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: পকসো মামলায় নির্যাতিতার ছবি প্রকাশ, আইসি-আইওকে সাসপেন্ডের নির্দেশ হাইকোর্টের  

    Calcutta High Court: পকসো মামলায় নির্যাতিতার ছবি প্রকাশ, আইসি-আইওকে সাসপেন্ডের নির্দেশ হাইকোর্টের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পকসো (POCSO) আইনের মামলার কেস ডায়েরিতে নির্যাতিতার ছবি দিয়ে নাম লিখে দেওয়ার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার ওই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করে অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছে বিধাননগর কমিশনারেটের অন্তর্গত বাগুইআটি থানা।

    সাসপেন্ডের নির্দেশ

    এই মামলায় থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারকে (IO) সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য বিধাননগরের কমিশনারকে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে চার সপ্তাহ পরে। সেদিন বিধাননগর কমিশনারেটকে আদালতে জানাতে হবে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিন আদালতের ভর্ৎসনার মুখেও পড়ে পুলিশ। বেঞ্চের (Calcutta High Court) প্রশ্ন, “যিনি নাবালিকাকে পাচারকারীদের হাত থেকে বাঁচালেন, তাঁকেই অভিযুক্ত করে গ্রেফতার করার কারণ কী? তার মানে কি ওই যুবক পাচার চক্র ভাঙতে চাইছিলেন না? পাচার চক্র যাতে চলতে পারে, পুলিশ কি সেই রাস্তা করে দিচ্ছে? কেন পুলিশ নাবালিকার গোপন জবানবন্দি দেখল না? না কি দেখেও দেখল না! সেখানে স্পষ্ট লেখা, ওই যুবক তাকে উদ্ধারে সাহায্য করেছেন।”

    বিচারপতির প্রশ্ন 

    কেস ডায়েরিতে কীভাবে পাচার হওয়া নাবালিকার ছবি সহ পরিচয় প্রকাশ করা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। এর পরেই বাগুইআটি থানার ইন্সপেক্টর ইনচার্জ শান্তনু সরকার ও তদন্তকারী অফিসার বিশ্বজিৎ দাসকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, ৩ মার্চ বন্ধুর বাড়ি যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় ওই নাবালিকা। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নাবালিকার মা। পরে তিলজলা এলাকা থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: মালদার ২ মহিলাকে নির্যাতন! রিপোর্ট তলব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    পুলিশকে সাহায্য করে ওই নাবালিকার প্রেমিক অনল সর্দার। পরে তাঁকেই অভিযুক্ত ঠাউরে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই মামলায় আদালতের (Calcutta High Court) ভর্ৎসনার মুখে পড়ে পুলিশ। অনিলকে জামিনও দিয়েছে আদালত। এদিন থানার আইসি এবং তদন্তকারী অফিসারকেও তলব করেছিল হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Dumka Murder: আদালতের নির্দেশে দুমকায় মৃত অঙ্কিতার নমুনা গেল ফরেনসিকে

    Dumka Murder: আদালতের নির্দেশে দুমকায় মৃত অঙ্কিতার নমুনা গেল ফরেনসিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুমকায় (Dumka) উত্যক্তকারী (Stalker) যুবকের হাতে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে নাবালিকা ছাত্রী অঙ্কিতা সিংয়ের (Ankita Singh)। এবার ওই ঘটনায় রাঁচির (Ranchi) ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে (Forensic Science Laboratory)  পাঠানোর জন্য মৃতের পুড়ে যাওয়া পোশাকের টুকরো (Burnt Clothes) কিংবা অন্য কোনও নমুনা পাঠানোর নির্দেশ দিল স্পেশাল পকসো (POCSO) আদালত। বুধবার বিশেষ এই আদালত অভিযুক্ত দুই যুবককে ৭২ ঘণ্টার জন্য পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের জন্য ধৃতদের জেরা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। ঝাড়খণ্ড পুলিশ ইতিমধ্যেই এই মামলায় পকসো ধারা যুক্ত করেছে।

    প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় দুমকার অঙ্কিতা সিং নামে এক নাবালিকাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে শাহরুখ হুসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বছর তেইশের শাহরুখ গভীর রাতে জানালা দিয়ে পেট্রোল ছুড়ে দেয় ওই কিশোরীর গায়ে। পরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ২৮ অগাস্ট মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর। ওই ঘটনায় পুলিশ শাহরুখের পাশাপাশি গ্রেফতার করে নইম খান ওরফে ছোট্টু নামেও একজনকে। জানা গিয়েছে, পুলিশ প্রথমে ওই কিশোরীর বয়স ১৯ বলে রেকর্ড করে। পরে অবশ্য ভ্রম সংশোধন করে করা হয় ১৫। ঝাড়খণ্ড শিশু কল্যাণ কমিটি এফআইআরে অতিরিক্ত ধারা যোগ করে মামলা দায়ের করতে বলেছিল। তারা এও জানিয়েছিল, অঙ্কিতার মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট অনুযায়ী সে নাবালিকা, যদিও পুলিশের দাবি অঙ্কিতা নাবালিকা নয়, প্রাপ্তবয়স্ক। ঘটনার জেরে সরব হয়েছে হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন। দোষীদের শাস্তির দাবিতে সরবও হয় তারা।

    আরও পড়ুন : ‘‘ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো, নইলে…!’’ হুমকি দিয়েছিল উত্যক্তকারী, দাবি নিহত কিশোরীর বাবার

    অঙ্কিতাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছে বিশ্বহিন্দু পরিষদও। পরিষদের তরফে অভিযুক্তের ফাঁসির সাজার দাবিও জানানো হয়েছে। ঘটনাটিকে লাভ জিহাদ আখ্যা দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Delhi HC on Muslim Minor Girl Marriage: বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত মুসলিম নাবালিকা করতে পারে বিয়ে! জানুন কী বলল দিল্লি হাইকোর্ট

    Delhi HC on Muslim Minor Girl Marriage: বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত মুসলিম নাবালিকা করতে পারে বিয়ে! জানুন কী বলল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম আইন (Sharia Law) অনুযায়ী বয়ঃসন্ধি প্রাপ্ত নাবালিকার বাবা-মায়ের সম্মতি ছাড়াই স্বামীর সঙ্গে বসবাস করার অধিকার রয়েছে। এমনকি যদি ওই নাবালিকার বয়স ১৮ বছরের কম হয়, তাও একই নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। এমনই অভিমত, দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Highcourt)। পরিবারের কাছ থেকে সুরক্ষা চেয়ে সম্প্রতি এক কিশোরী আদালতে আবেদন দাখিল করে। ওই পিটিশনে সে জানায়, মুসলিম আইন অনুসারে সে বিয়ে করেছিল। সেই বিয়েতে বাবা-মায়ের সম্মতি ছিল না। তাদের বাবা-মা এখন তাদের একসঙ্গে থাকতে দিতে চাইছেন না। ওই দম্পতি আদালতের কাছে আবেদন করেছে, তাদের যেন কেউ আলাদা না করে। 

    বিষয়টি বিবেচনা করে বিচারপতি জসমিত সিংয়ের বেঞ্চ কিশোরীর আবেদন স্বীকার করে নেয়। ওই দম্পতি ২০২২ এর মার্চ মাসে মুসলিম রীতি অনুযায়ী বিয়ে করেছিল। তারা আদালতে আবেদন করেছিল, কেউ যাতে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ না ঘটায়। মেয়েটির অভিযোগ অনুযায়ী, তার বাবা-মা তাদের বিয়ের বিরোধিতা করেন। এমনকি তার স্বামীর বিরুদ্ধে আইপিসির ৩৬৩ ধারার অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তার স্বামীর ওপর ধর্ষণের দোষ এবং পকসো ধারা যুক্ত করা হয়। 

    আরও পড়ুন: নিয়ম-রীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিহারের মন্দিরে অহিন্দু মন্ত্রী! ক্ষুব্ধ বিজেপি, কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ

    ওই কিশোরীর অভিযোগ, তার বাবা-মা তাকে নিয়মিত মারধর করতেন। যার কারণে সে নিজের ইচ্ছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিল। মেয়েটির বয়স এখন ১৫ বছর। সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানায়, যদি আবেদনকারী নিজের ইচ্ছেতে বিয়ে করে এবং খুশি হয় তাহলে রাষ্ট্র তার ব্যক্তিগত জায়গায় প্রবেশ করে দম্পতিকে আলাদা করার কেউ নয়। আদালতে রায় অনুযায়ী, মেয়েটির পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে তার স্বামীর সঙ্গে বসবাস করার। বাবা-মায়ের অভিযোগের যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে আদালত জানিয়ে দেয় যে, যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের রক্ষা করার জন্য পকসো আইন প্রয়োগ করা হয়। এই আইনের উদ্দেশ্য হল, শিশুদের শোষণের বিরুদ্ধে সুরক্ষিত করা। কিন্তু এক্ষেত্রে তা কার্যকর হয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share