Tag: Police Action

  • Amit Shah: সংসদ চলতে দিন, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে ২৪ ঘণ্টা আলোচনার প্রস্তাব শাহের

    Amit Shah: সংসদ চলতে দিন, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে ২৪ ঘণ্টা আলোচনার প্রস্তাব শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভ এবং আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে সংসদে চলতে থাকা সরকার ও বিরোধীদের সংঘাতের মধ্যেই আলোচনার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা প্রস্তাব করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন, সংসদের কাজ স্বাভাবিক হতে দেওয়া হোক এবং ছাত্র বিক্ষোভ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হোক। সেই আলোচনায় সাংসদদের বক্তব্য শোনার পর তিনি নিজেই বিস্তারিত জবাব দেবেন (Student Protests)। বিরোধী দলগুলি বেশ কিছু দিন ধরেই দাবি করে আসছে, দিল্লিতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরাসরি সংসদে বিবৃতি দিতে হবে। বিশেষ করে পুলিশের বলপ্রয়োগের অনুমতি কে দিয়েছিল এবং অভিযানের সময় গুলি ছোড়ার অভিযোগের সত্যতা কী—এই প্রশ্নগুলির জবাব চাইছেন বিরোধীরা। এই দাবিতে বারবার সংসদের অধিবেশন অচল হয়েছে। এদিকে, সরকারের বক্তব্য, এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংসদের নির্ধারিত নিয়ম মেনেই আলোচনা করতে হবে। সরাসরি আলাদা বিবৃতি দেওয়ার পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি সংসদের সামনে তোলা উচিত বলে মত কেন্দ্রের।

    ২৪ ঘণ্টা ধরে আলোচনার প্রস্তাব (Amit Shah)

    এই পরিস্থিতিতেই শাহ বুধবার সংসদে আলোচনার জন্য কার্যত এক দিনের সময় দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তাঁর বক্তব্য, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত আলোচনা চালানো যেতে পারে। পুরো আলোচনা পর্বে তিনি নিজে উপস্থিত থাকবেন এবং সাংসদদের বক্তব্য শোনার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টেয় বিস্তারিত জবাব দেবেন। শাহ বলেন, “আলোচনা শুরু করা যাক। আমি সভায় থাকব এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টেয় বিস্তারিত জবাব দেব।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, আলোচনার আগে পৃথক কোনও বিবৃতি দেওয়ার দাবি তিনি মানতে রাজি নন। তাঁর যুক্তি, সংসদের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেই নিয়ম মেনেই আলোচনা হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “সংসদে আলোচনার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমি শুধু একটি বিবৃতি দিতে পারি না। আগে আলোচনা হোক, তারপর আমি বিস্তারিত জবাব দেব।” শাহের বক্তব্য, বিরোধী সাংসদরা যে প্রশ্নগুলি তুলতে চান, তার প্রত্যেকটির উত্তর দিতে তিনি প্রস্তুত। তবে তার আগে সংসদের কাজ স্বাভাবিকভাবে চলতে দিতে হবে। তাঁর মতে, সংসদ অচল রেখে কোনও সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় (Amit Shah)।

    পলাতক’ তকমা নিয়েও জবাব

    সংসদে না আসা এবং বিরোধীদের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে শাহের বিরুদ্ধে। বিরোধী সদস্যদের একাংশ তাঁকে ‘পলাতক’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। সেই অভিযোগেরও জবাব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, তিনি নিয়মিত সংসদে আসছেন এবং নিজের দফতরে উপস্থিত থাকছেন। কিন্তু বিরোধীরা সংসদের কাজ চলতে না দেওয়ায় তিনি সভাকক্ষে যেতে পারছেন না (Student Protests)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি প্রতিদিনই আমার কক্ষে থাকি। আমি সভার ভিতরে যাই না। কারণ বিরোধীরা সংসদ চলতে দিচ্ছে না।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন বিরোধীরা ছাত্রদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে তাঁর কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা দাবি আরও জোরদার করেছেন। বিরোধীদের প্রশ্ন, আন্দোলনরত ছাত্রদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বলপ্রয়োগের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন? সেই নির্দেশের ভিত্তি কী ছিল? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যবহৃত পদ্ধতি কতটা আইনসঙ্গত ছিল?

    সরকারের লুকোনোর কিছু নেই’, দাবি শাহের

    নিজের প্রস্তাব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাহ জানান, সরকার দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করতেও প্রস্তুত। সাংসদরা যে সব বিষয় তুলবেন, সেগুলির জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টে পর্যন্ত আমরা সব ধরনের আলোচনার জন্য প্রস্তুত। আমি নিজে সভায় বসব, প্রত্যেকের কথা শুনব এবং সব প্রশ্নের উত্তর দেব। সরকারের লুকোনোর কিছু নেই। আপনারা কেন আলোচনা চাননি, সেটাও আমি আলোচনা করব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট সরকার সব বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।” তিনি এও বলেন, “শুধু সংসদ চলতে দিন। আজ বিভিন্ন মাধ্যমে আমি বিরোধীদের বলতে চাই, দুপুর ২টোর মধ্যে সভাধ্যক্ষকে একটি চিঠি দিন। আমরা দুপুর ৩টে থেকে আলোচনা শুরু করব এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টের মধ্যে আমি সব প্রশ্নের উত্তর দেব। সংসদে আলোচনার জন্য নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারিত রয়েছে। এখন কেউ যদি আমাকে শুধু একটি বিবৃতি দিতে বলে, এত গুরুতর বিষয়ে তা কীভাবে সম্ভব?” শাহের এই প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে এটা স্পষ্ট যে, সরকার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতে প্রস্তুত। যদিও বিরোধীরা সেই প্রস্তাব কীভাবে গ্রহণ করবেন, তা স্পষ্ট নয়।

    দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরেই মূল বিরোধ

    সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০ জুলাই দিল্লিতে ছাত্রদের বিক্ষোভ এবং তার পর পুলিশের পদক্ষেপ। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, আন্দোলনরত ছাত্রদের দমন করতে পুলিশ অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে (Amit Shah)। বিরোধী দলগুলির নেতৃত্বে থাকা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ একাধিক নেতা দাবি করেছেন, ছাত্রদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অনুমোদন কে দিয়েছিল, তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদে স্পষ্ট করতে হবে। বিশেষ করে অভিযানের সময় গুলি ছোড়ার অভিযোগ নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (Student Protests)। বিরোধীদের অভিযোগ, ছাত্রদের প্রতিবাদ দমনে পুলিশ যে পদ্ধতি নিয়েছে, তা নিয়ে সরকারের কাছ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য, সংসদে এই প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ চলবে।

    সংসদের বাইরে বিরোধীদের বিক্ষোভ

    বুধবার সংসদের বাইরে বিরোধী নেতারাও বিক্ষোভ দেখান। সেখানে শাহের জবাব চেয়ে স্লোগান দেওয়া হয়। “অমিত শাহ জবাব দাও”—এই স্লোগানে সরব হন বিরোধী দলের নেতা ও সাংসদরা। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি ছিল, ছাত্রদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরাসরি জবাব দিতে হবে। শুধু দিল্লি নয়, অন্যান্য রাজ্যেও ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। ছাত্র বিক্ষোভের বিষয়টি আরও বড় রাজনৈতিক সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাঁস, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং তার পর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সংসদেও।

    সরকার-বিরোধী সংঘাত মেটাবে কি আলোচনা?

    একদিকে বিরোধীরা চাইছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি বক্তব্য দিয়ে পুলিশের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিন। অন্যদিকে শাহের বক্তব্য, সংসদের নিয়ম মেনে আলোচনা হলেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব। ফলে মূল বিরোধ এখন আর আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে নয়, বরং আলোচনাটি কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা নিয়ে (Amit Shah)। শাহের ২৪ ঘণ্টার আলোচনার প্রস্তাব তাই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বিরোধীরা সংসদের কাজ চালু করতে দিলে তিনি দীর্ঘ আলোচনা শুনতে এবং প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের সংসদ অচল না করে নিয়ম মেনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন (Student Protests)।

  • Parliament Address: সংসদে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় রাজি শাহ, বাধা দেওয়া চলবে না, দেওয়া হল শর্ত

    Parliament Address: সংসদে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় রাজি শাহ, বাধা দেওয়া চলবে না, দেওয়া হল শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ জুলাই দিল্লিতে “সংসদ চলো” মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রী ও অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে সংসদে বক্তব্য (Parliament Address) রাখতে রাজি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তবে তাঁর বক্তব্য এবং পরবর্তী আলোচনা চলাকালীন বিরোধীরা কোনওরকম বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না—সরকারের পক্ষ থেকে এমনই শর্ত দেওয়া হয়েছে।

    সরকারের তরফে শর্ত (Parliament Address)

    সোমবার কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “সরকারের দেওয়া প্রস্তাব একেবারেই স্পষ্ট। আমি জানিয়েছি, ছাত্র আন্দোলন এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যকলাপ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত আলোচনা করতে সরকার প্রস্তুত।” সংসদের কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে চলে, তার ওপর জোর দিয়ে রিজিজু বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি বক্তব্য দেওয়ার সময় কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, “বিরোধীদের কাছে আমার একটাই কথা, তা অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলেছি। আলোচনা এবং জবাব দেওয়ার সময় তাঁরা যেন কোনওধরনের বাধা সৃষ্টি না করেন, যাতে সংসদের কাজ ব্যাহত হয় বা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য রাখতে না পারেন। আলোচনা শুরু হলে আমাদের বিষয়টি খুঁটিনাটি পর্যন্ত আলোচনা করতে হবে।”

    সংসদের কাজে বাধায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের শশীও!

    কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করার পরেই রিজিজুর এই মন্তব্য সামনে এল (Parliament Address)। ঘটনার তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে করার দাবি জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিবাদ করছিলেন যেসব ছাত্রছাত্রী তাঁদের বিরুদ্ধে ছররা বন্দুক, পেরেক বসানো লাঠি এবং কাঁদানে গ্যাসের গোলা ব্যবহার করা হয়েছে। মহিলা ছাত্রছাত্রীদের পুলিশকর্মীরা মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, কয়েকজন নাবালকের হাড়ও ভেঙে গিয়েছে (Amit Shah)। ঘটনার পর থেকেই সংসদের অধিবেশন চলাকালীন বিরোধীরা বারবার প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখিয়ে কার্যকর্ম ব্যাহত করছেন। রবিবার কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, সংসদের কাজ চলতে দেওয়া উচিত। বিরোধী সাংসদদের সংসদের ভিতরে বিক্ষোভ না দেখিয়ে রাস্তায় প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান তিনি (Parliament Address)।

     

  • WB Pollution Control Board: মাইক নয়, কম ক্ষমতার সাউন্ড বক্স! ধর্মীয় স্থানে মাইকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কড়া রাজ্য, জেলায় জেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা

    WB Pollution Control Board: মাইক নয়, কম ক্ষমতার সাউন্ড বক্স! ধর্মীয় স্থানে মাইকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কড়া রাজ্য, জেলায় জেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শব্দদূষণ (Noise Pollution) রুখতে এবার কড়া অবস্থান নিল পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত বিজেপি সরকার (WB Govt)। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এবার মাঠে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শব্দদূষণ (Noise Pollution) সংক্রান্ত বিধি (Loudspeaker Rules) কঠোরভাবে কার্যকর করতে শুরু হয়েছে অভিযান। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মসজিদ কর্তৃপক্ষকে ছাদের লাউডস্পিকার সরিয়ে কম ক্ষমতার সাউন্ড বক্স ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগের পর ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় মসজিদ থেকে উচ্চ ক্ষমতার মাইক খুলে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এতে ধর্মীয় কার্যক্রমে কোনও বাধা তৈরি হবে না, একই সঙ্গে শব্দদূষণও (Noise Pollution) নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

    কী নির্দেশ দিয়েছে সরকার?

    রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের (WB Pollution Control Board) নির্ধারিত শব্দসীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সেই নিয়ম অনুযায়ী- আবাসিক এলাকায় দিনের বেলা সর্বোচ্চ ৫৫ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দ করা যাবে। রাতের বেলা শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন জেলার পুলিশ প্রশাসন মসজিদ কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। সেখানে ছাদের উচ্চ ক্ষমতার লাউডস্পিকারের পরিবর্তে কম মাত্রার সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারের জবাব

    সরকারের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সংগঠন এবং বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে। ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF) এবং কয়েকটি সংখ্যালঘু সংগঠনের অভিযোগ, শুধুমাত্র মসজিদগুলিকেই লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রশাসনের দাবি, এই নির্দেশ কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য নয়। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (WB Pollution Control Board)  নিয়ম অনুযায়ী মন্দির, মসজিদ-সহ সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেই একই আইন মেনে চলতে হবে।

    কী বললেন মন্ত্রীরা?

    পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজ্যের প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে শব্দবিধি মেনে চলতেই হবে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় (Tapash Roy)-ও সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সরকারের নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আইন সবার জন্য সমান এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনও ভেদাভেদ করা হবে না।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আগেই জানিয়েছেন, “ধর্মীয় প্রার্থনা নিজ নিজ উপাসনালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। রাস্তা দখল করে বা সাধারণ মানুষের অসুবিধা তৈরি করে কোনও ধর্মীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”

    শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য

    এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “মসজিদে নামাজ পড়ুন, মন্দিরে মন্ত্রপাঠ করুন। মাইক বাজানোর দরকারটাই বা কী?  ধর্ম করুন বাড়িতে। কোনও আপত্তি নেই।” শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এই অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্বিশেষে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। রাজ্য সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোনও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করা নয়, বরং আদালতের নির্দেশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বিধি মেনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা। প্রশাসনের বক্তব্য, আইন সবার জন্য সমান- মন্দির, মসজিদ, গির্জা বা অন্য যে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রত্যেককেই একই নিয়ম মেনে চলতে হবে। সরকারের আশা, এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের শব্দদূষণজনিত ভোগান্তি কমবে, তেমনই পরিবেশ রক্ষায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

  • Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ নিয়ে যখন রাজনৈতিক বিতর্ক, তদন্ত এবং আদালতের নজরদারি চলছে, ঠিক সেই সময় জওয়ানদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (CRPF)-র ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh)। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের জন্য কোনও জওয়ানকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে সেই সিদ্ধান্তের দায়ভার তিনি নিজেই নেবেন।

    ‘আপনারা কাজ করুন, দায়িত্ব আমার’

    ২৭ জুলাই সিআরপিএফ (CRPF)-এর ইনভেস্টিচার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh) বলেন, ‘‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে কর্তব্য পালনের অংশ হয়, তাহলে তার দায়িত্ব আমি নেব। নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করুন। নিজের কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কোনও রকম দ্বিধা বা ভয় রাখবেন না। যেখানে জবাবদিহির প্রয়োজন হবে, সিআরপিএফ-এর ডিজি (Gyanendra Pratap Singh) হিসেবে সেই দায়িত্ব আমি নেব।’’

    জওয়ানদের ধৈর্যের প্রশংসা 

    সিআরপিএফ (CRPF) সদর দফতর থেকে বিভিন্ন ইউনিটে পাঠানো এক বার্তায় সাম্প্রতিক কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনকারী জওয়ানদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসাও করেন তিনি। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থে এবং দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাহিনী সদস্যদের পূর্ণ সমর্থন করবে। তবে একই সঙ্গে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে- কোনও জওয়ান যদি দায়িত্বজ্ঞানহীন, অযৌক্তিক বা নিয়মবহির্ভূত কাজ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সিআরপিএফ-এর নিয়ম এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী কড়া বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বলপ্রয়োগের অভিযোগে শুরু হয়েছে তদন্ত

    দিল্লির ঘটনার পর র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে সিআরপিএফ। তদন্তে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং ঘটনাস্থলে থাকা জওয়ান, কোম্পানি কমান্ডার ও শীর্ষ আধিকারিকদের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পেলেট গান ও শক ব্যাটন ব্যবহারের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। যদি তদন্তে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে, তাহলে আনুষ্ঠানিক কোর্ট অফ ইনকোয়ারি গঠন করা হবে বলে সূত্রের খবর।

    পেলেট ব্যবহারের অভিযোগে বাড়ছে বিতর্ক

    ২০ জুলাইয়ের সরকারি মোতায়েন সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে, দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তর এলাকায় র‌্যাফ সদস্যরা দুটি প্লাস্টিক পেলেট রাউন্ড-সহ একাধিক নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন। যদিও দিল্লি পুলিশের দাবি, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কোনও পেলেট ছোড়া হয়নি। তা সত্ত্বেও আহতদের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক থামেনি।

    সংসদ থেকে সুপ্রিম কোর্ট- সর্বত্র উঠছে প্রশ্ন

    এই ইস্যু ইতিমধ্যেই সংসদ এবং সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, পুলিশি পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকপক্ষ অবশ্য সেই অভিযোগ খারিজ করে প্রমাণ দাবি করেছে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে ধাতব পেলেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং আহতদের ক্ষতিপূরণের আবেদন জানানো হয়েছে।

    আন্দোলন শেষ, কিন্তু বিতর্ক নয়

    শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রায় এক মাস ধরে চলা নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সমাপ্তি হয়েছে। তবে আন্দোলন মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ কতটা আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় ছিল, তা নিয়েই এখন তদন্ত, রাজনৈতিক তরজা এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সিআরপিএফ প্রধানের (Gyanendra Pratap Singh) বার্তাকে বাহিনীর মনোবল বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Suvendu Adhikari Warning: মুখ্যমন্ত্রীর ‘এনাফ ইজ এনাফ’ বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! হুমায়ুনের সভা নিয়ে বড় পদক্ষেপ পুলিশের

    Suvendu Adhikari Warning: মুখ্যমন্ত্রীর ‘এনাফ ইজ এনাফ’ বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! হুমায়ুনের সভা নিয়ে বড় পদক্ষেপ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার এক দিনের মধ্যেই হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত জনসভার তিন আয়োজককে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে দুই পৃথক অভিযানে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার পুলিশ গোলাম মোস্তাফা, মহম্মদ আমিনুল (আমিনুক) হক এবং আনিসুর রহমানকে আটক করে।

    রেজিনগর, শক্তিপুর থানায় অভিযোগ…

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রেজিনগর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন গোলাম মোস্তাফা ও মহম্মদ আমিনুল হক। গোলাম আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র কাশীপুর-২ অঞ্চলের সভাপতি। অন্যদিকে, শক্তিপুর থানার মামলায় ধরা পড়েছেন আনিসুর রহমান, যিনি এজেইউপির বেলডাঙা-২ ব্লকের আহ্বায়ক। সম্প্রতি রেজিনগর ও শক্তিপুরে আয়োজিত দুটি জনসভায় এজেইউপির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, তাঁর ভাষণে উস্কানিমূলক মন্তব্য ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রেজিনগর ও শক্তিপুর থানায় পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়।

    সোমবারই বিধানসভায় হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    এই ইস্যু সোমবার বিধানসভাতেও ওঠে। অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন এবং স্পষ্ট জানান, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যাঁরা ওই সভার আয়োজন করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই আগে পদক্ষেপ করা হবে, তারপর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘এনাফ ইজ এনাফ। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে।’’ পাশাপাশি হুমায়ুন কবীরকে ভবিষ্যতে সংযত ভাষা ব্যবহারেরও পরামর্শ দেন তিনি।

    ‘স্যাঁটা’ শব্দটি নিয়েও আলোচনা শুরু

    বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী রেজিনগরের সভায় হুমায়ুনের বক্তব্যের একটি অংশও পড়ে শোনান। তাঁর অভিযোগ, ওই ভাষণে রাজনৈতিক বিরোধীদের উদ্দেশে হুমকি ও সংঘাতমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল, যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এমন বক্তব্য দেওয়ার অধিকার কাউকেই দেওয়া হয়নি এবং রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কোনও রকম আপস করবে না। এদিকে, বিতর্কিত মন্তব্যে ব্যবহৃত ‘স্যাঁটা’ শব্দটি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ভাষাতত্ত্ববিদদের মতে, শব্দটির অর্থ অঞ্চলভেদে ভিন্ন। কোথাও এটি শিরদাঁড়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কোথাও আবার অবমাননাকর বা ঘৃণাসূচক অর্থে প্রচলিত। ফলে বক্তব্যের ব্যাখ্যা নিয়েও নানা মত উঠে এসেছে।

    কী প্রতিক্রিয়া হুমায়ুনের?

    অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে কোনও মন্তব্য করেননি। হুমায়ুন জানান, এই বক্তব্যের জন্য যদি তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়, তাতেও তিনি বিচলিত নন। তাঁর দাবি, মানুষের স্বার্থে লড়াই করেই তিনি নতুন রাজনৈতিক দল গড়েছেন এবং নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, দুই থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

LinkedIn
Share