Tag: police officer

police officer

  • Abhijit Ganguly: অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম পুলিশ আধিকারিকের! ভাইরাল ভিডিও

    Abhijit Ganguly: অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম পুলিশ আধিকারিকের! ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট, আর ভোটের আগেই আবার বিতর্কের দানা বাঁধল তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে। এই বিজেপি প্রার্থীকে (Abhijit Ganguly) পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে ভোটের মুখে শোরগোল ফেলে দিলেন তমলুকের এক পুলিশ আধিকারিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হওয়া মাত্রই তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। সম্প্রতি প্রাক্তন সাংসদ শিশির অধিকারীকে প্রণাম করে পুর প্রধানের পদ খুইয়েছেন তৃণমূল নেতা সুবল মান্না। শাসক দল এবার এই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবেন না তো? এই বিতর্ক এখন তুঙ্গে।

    পুলিশ আধিকারিকের বক্তব্য (Abhijit Ganguly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি তমলুকে প্রচারে যান এই লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তিতে মাল্যদান করে রাস্তায় ঘুরে আসন্ন লোকসভা ভোটের প্রচার সারেন তিনি। এরপর সেখান থেকে জেলখানা মোড়ের কাছেও প্রচারে যান। সেখানেই তমলুক (tamluk) পুলিশ টেলিকম থানার আধিকারিক অব্দদেশ কুমার সিং-এর বাড়ি। এই প্রণাম প্রসঙ্গে এই পুলিশ আধিকারিক বলেন, “ওই দিন আমার অফিস ছিল না। শৌচালয় ব্যবহার করতে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আমার বাড়িতে আসেন। এরপর তিনি আমার মাকে প্রণাম করেন। তারপর বাড়ির সকলেই অভিজিৎবাবুকে (Abhijit Ganguly) আমরা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করি। তবে এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।”

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে পাল্টা বিজেপি এই ঘটনাকে সনাতনী কৃষ্টি-সংস্কৃতি বলেই দাবি করেছে। তবে এই গোটা ঘটনায় বিজেপির (BJP) তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী তথা বিধায়িকা তাপসী মণ্ডল বলেন, “ওই সময় ওই অফিসার অন ডিউটিতে ছিলেন না। তাই ব্যক্তিগত ভাবে গুরুজন অভিজিৎবাবুকে (Abhijit Ganguly) তিনি সম্মান দেখিয়ে প্রণাম করতেই পারেন। তাতে বিতর্ক কিংবা অন্যায় কিছু দেখছি না।”

    আরও পড়ুনঃ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম পুলিশ আধিকারিকের! ভাইরাল ভিডিও

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তবে গোটা ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানিয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, “পুলিশ এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। পুলিশ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আসা মাত্রই বিজেপি প্রার্থীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছেন। এর থেকে বেশি বলার কী আছে!” তবে বিজেপি প্রার্থীকে (Abhijit Ganguly) প্রণাম করায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: রক্ষকই ভক্ষক! ধর্ষণের অভিযোগ খোদ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই, গ্রেফতার এএসআই

    Jalpaiguri: রক্ষকই ভক্ষক! ধর্ষণের অভিযোগ খোদ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই, গ্রেফতার এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তের নামে ধর্ষণের অভিযোগ খোদ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই। ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মায়নাগুড়ি থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, ৫ বছর আগে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানায় কর্তব্যরত ছিলেন ওই অফিসার। একটি চুরির মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে এলাকার এক মহিলা বাসিন্দার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন তিনি। 

    উল্লেখ্য রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। রক্ষকই যেন ভক্ষক, এমন অভিযোগ আগেও উঠেছে। জলপাইগুড়িতে অভয়ারণ্যে ঘুরতে গিয়ে রাতের বেলায় পর্যটকদের অহেতুক হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। তাছাড়া বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি বার বার তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সন্দেশখালি ইস্যুতে পুলিশের অসহযোগিতা এবং অভিযোগ না নেওয়ার ঘটনায় এলাকার মানুষের সোচ্চার হওয়ার কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চুরির মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে থানার এএসআই এলাকার এক গৃহবধূর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন। সেই সঙ্গে ওই বধূকে তদন্তের নামে মানসিক অত্যাচার এবং ধর্ষণ করা হয়। দিনের পর দিন মানসিক ভাবে অত্যাচার করেন এই পুলিশ আধিকারিক। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকের নাম এএসআই রাজনারায়ণ রায়। এরপর তাঁকে বিশেষ মামলার ধারায় গ্রেফতার করেছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ। তাঁকে রবিবার আদালতে তোলা হয়। এই পুলিশ আধিকারিক আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু বিচারক তাঁর আবেদন খারিজ করে ১৪ দিনের জন্য জেলা হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    গৃহবধূর লিখিত অভিযোগ

    ঘটনায় গৃহবধূ লিখিত অভিযোগ করে জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছর আগে একটি চুরির তদন্ত করতে গিয়ে আমার সঙ্গে জোর করে সম্পর্ক স্থাপন করেন ওই পুলিশ অফিসার। এরপর থেকে তদন্তের নামে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে আমার উপর নির্যাতন শুরু করেন। আমাকে জোর করে ধর্ষণ করেছেন ওই পুলিশ অফিসার। আমি একাধিকবার পুলিশকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছি, কিন্তু লাভ হয়নি। আমি এবার লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁকে গত কাল রবিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমি ওর কঠিন শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: তৃণমূলের মঞ্চে খড়দা থানার আইসি, কাউন্সিলারদের তোলাবাজি না করার হুঁশিয়ারি, বিতর্ক

    Khardah: তৃণমূলের মঞ্চে খড়দা থানার আইসি, কাউন্সিলারদের তোলাবাজি না করার হুঁশিয়ারি, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে কেক খাইয়েছিলেন থানার আইসি সন্দীপ গঙ্গোপাধ্যায়। এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর বিতর্ক চলছে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই খড়দায় (Khardah) তৃণমূলের দলীয় মঞ্চে পুলিশের পোশাক পরে হাজির খোদ খড়দা থানার আইসি রাজকুমার সরকার। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    তৃণমূলের মঞ্চে উঠে কী করলেন খড়দা থানার আইসি? (Khardah)

    খেলা দিবস উপলক্ষ্যে খড়দা থানার কাছে টিটাগড় পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভায় টিটাগড় পুরসভার তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলারের সঙ্গে বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চেই খড়দা (Khardah) থানার আইসি রাজকুমার সরকার পোশাক পরে হাজির হন। মঞ্চের মধ্যেই দলের অন্যান্য নেতাদের মতো খড়দা থানার আইসি পোশাক পরে বসেছিলেন। অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে তাঁকেও ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে, তিনি তৃণমূল নেতাদের সামনে মঞ্চে বক্তব্য রাখেন। তোলাবাজির বিরুদ্ধে তিনি সরব হন।

    তৃণমূল কাউন্সিলারদের কী হুঁশিয়ারি দিলেন আইসি?

    খেলা হবে দিবসের মঞ্চ থেকে বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে পাশে বসিয়ে তৃণমূলের কাউন্সিলারদের হুঁশিয়ারি দিলেন খড়দহ (Khardah) থানার আইসি রাজকুমার সরকার। তিনি বলেন, তোমরা দলের কাউন্সিলার। যেমন কাজ করবে বিধায়কের ইমেজ ওরকমই হবে। সেই সন্মানটা তোমরা রাখবে। আমি তো আছি। বার বার বলছি সামাজিক কাজ করুন। সামনে পুজো আসছে। আমরা সরকারের মুখ। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মানুষের জন্য কাজ করার। পাড়ায় গিয়ে কাজ কর। অসামাজিক কাজ করবে না। তোলাবাজি করবে না। এটা যেন কোনওভাবেই না হয়। আপনাদের নিরাপত্তা যদি আমি না দিতে পারি ওই জায়গাটায় আমার থাকার কোনও যোগ্যতা নেই। সোজাসুজি বিধায়ককে জানাবেন। এই লোকটা কাজ করে না, একে রাখবেন না।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, তৃণমূল দলটা এখন পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করছে। বিরোধীদের শায়েস্তা করছে পুলিশ। আর দলের কাউন্সিলারদের তোলাবাজি না করার বার্তা দিচ্ছে পুলিশ। শাসক দলের নেতাদের সুরে খড়দা (Khardah) থানার আইসি কথা বলছে।  ফলে, বোঝাই যাচ্ছে, দলটার কী অবস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP:  ঝাড়গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীকে সপাটে চড় থানার ওসির, ভাইরাল ভিডিও

    BJP: ঝাড়গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীকে সপাটে চড় থানার ওসির, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি (BJP) প্রার্থীকে মারধর করছে সাঁকরাইল থানার ওসি। কয়েক মিনিটের এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর হইচই  পড়েছে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ঘটনাটি ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের তুঙ্গাধুঁয়া গ্রামের। আহত বিজেপি (BJP) প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে তাঁকে দেখতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যান বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তুফান মাহাত। রবিবার শুভঙ্করের এলাকায় বোমাবাজির অভিযোগ করেছিল তৃণমূল। সেই ঘটনার তদন্তে গিয়েছিলেন সাঁকরাইল থানার ওসি খন্দকার সাইফুদ্দিন আহমেদ। তারপরই ওই পুলিশ অফিসার বিজেপি প্রার্থীকে চড়় মাড়েন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, ওই গ্রামে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের ১১ নং আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাত। বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুলিশের সঙ্গে প্রথমে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ওই বিজেপি প্রার্থী। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা চড় মারেন বলে অভিযোগ।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) প্রার্থীর পরিবারের লোকজন?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ‘মনোনয়ন পর্ব থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিয়েছিল পুলিশ। এলাকায় গণ্ডগোল হচ্ছে শুনে সেখানে গিয়েছিল। একটি বিষয় নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা হতেই চড় মেরেছে পুলিশ অফিসার।’

    কী বললেন অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার ও পুলিশ সুপার?

    সাঁকরাইল থানার ওসি খন্দকার সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ওই গ্রামে গণ্ডগোলের খবর পেয়ে সেখানে যাই। তারপর আমাকে গালিগালাজ করা হয় এবং অশ্লীল ভাষায় কটূক্তি করে উত্যক্ত করা হয়। সকলের সামনেই এই ধরনের মন্তব্য করায় পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছিল। ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনহা বলেন, ‘এক মিনিটের একটি ভিডিও দেখেছি। কী পরিস্থিতিতে এহেন ঘটনা ঘটল, তা বিভাগীয় তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) ঝাড়গ্রাম জেলার সহ-সভাপতি দেবাশিস কুণ্ডু বলেন, ‘ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের ১১ নং আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতকে সাঁকরাইল থানার ওসি মারধর করেছে। আমাদের প্রার্থী নিজে ক্যান্সার আক্রান্ত। এই মুহূর্তে গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে লিখিতভাবে অভিযোগ জানাব।’

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের ঝাড়গ্রাম জেলা সহ সভাপতি প্রসূন সড়ঙ্গী বলেন, “ওই এলাকায় তৃণমূল শক্তিশালী। প্রশাসন নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে। কী কারণে কী ঘটনা ঘটেছে, তা প্রশাসন বলতে পারবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: তৃণমূল জেলা সভাপতির হুঁশিয়ারি শেয়ার করতে বলে বিতর্কে পুলিশ আধিকারিক

    Panchayat Vote: তৃণমূল জেলা সভাপতির হুঁশিয়ারি শেয়ার করতে বলে বিতর্কে পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নদিয়ার শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল জেলা সভাপতির রাজনৈতিক বক্তব্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শেয়ার করে প্রচার করতে বলছেন শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুব্রত মালাকার। এই পোস্ট ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ওই পুলিশ আধিকারিককে অপসারিত না করা হলে এসপি অফিস ঘেরাও এবং বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির সাংসদ। একজন পুলিশ আধিকারিক কীভাবে তৃণমূল জেলা সভাপতির বক্তব্য প্রচার করতে পারেন, তা নিয়েই বিরোধীরা তুলেছেন প্রশ্ন। উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Vote) দিন ঘোষণা হতেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীদের উপর আক্রমণের অভিযোগ উঠে আসছে। মনোনয়ন জমা থেকে শুরু করে বিজেপি এবং সিপিআইএম প্রার্থীদের জোরপূর্বক নমিনেশন বাতিল করানোর অভিযোগ উঠছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। বিজেপি এবং সিপিএম উভয়েই অভিযোগ করছে, শাসকদল প্রশাসনকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছে। শাসকদলের তাঁবেদারি করছে পুলিশ। এই ঘটনা যেন বিরোধীদের তোলা অভিযোগকেই মান্যতা দিল।

    হোয়াটসঅ্যাপে কোন বার্তা শেয়ার করলেন আইসি? 

    জানা গিয়েছে, গতকাল রাতে শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুব্রত মালাকার একটি গ্রুপে নদীয়া জেলা দক্ষিণ তৃণমূলের সভাপতি দেবাশিষ গাঙ্গুলির একটি বক্তব্য শেয়ার করেছেন। নিচে লিখে দিয়েছেন এই বক্তব্যটি প্রচার করার জন্য। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল সভাপতি তাঁর দলের নির্দল প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। অর্থাৎ পুরো বক্তব্যটি রাজনৈতিক। শেয়ার করা সেই বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক শোরগোল।

    কী বলছেন বিজেপি সাংসদ?

    এ বিষয়ে রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই আমাদের কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এর পিছনে সম্পূর্ণ মদত দিচ্ছে প্রশাসন। এর আগেও দেখা গেছে, তৃণমূলের যুব কমিটির তালিকায় একজন পুলিশ রয়েছে। আর গতকালকের ঘটনা থেকে স্পষ্ট পুলিশ সরাসরি শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। আমরা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অনুরোধ করব ৭২ ঘন্টার মধ্যে এই পুলিশ আধিকারিককে অপসারিত করতে হবে। যদি না হয়, তাহলে গোটা দক্ষিণ জেলা স্তব্ধ করে দেব এবং বৃহত্তর আন্দোলনের নামব।’’ অন্যদিকে গোটা ঘটনার নিন্দা করে সিপিআইএম নেতা সঞ্জিত ঘোষ বলেন, ‘‘প্রশাসনের দায়িত্ব যাঁরা প্রার্থী হয়ে লড়াই করছেন তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু যদি সেটা না করে শাসকদলের অঙ্গুলিহেলনে উল্টো কাজ করে, তাহলে আগামী দিনে আমরা অবশ্যই বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Police Officer: সরিয়ে দেওয়া হল ইসলামপুরের পুলিশ সুপারকে! হাওড়ার দুটি থানার আইসি-কে বদল, কেন?

    Police Officer: সরিয়ে দেওয়া হল ইসলামপুরের পুলিশ সুপারকে! হাওড়ার দুটি থানার আইসি-কে বদল, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বার বার উত্তপ্ত হয়ে উঠছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর মহকুমা। আইন শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের কালঘাম ছুটছে। তারই জেরে কি ইসলামপুর জেলার পুলিশ সুপার (Police Officer) বিশপ সরকারকে বদল করে বিধাননগর কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার যশপ্রীত সিং- কে আনা হয়েছে, নাকি এর পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক কোনও কারণ? তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে। পাশাপাশি রামনবমীর মিছিল এবং হামলার ঘটনা নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছিল রাজ্য–রাজনীতি। আর তা নিয়ে হাওড়ার একাধিক এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছিল। তার পরই এবার হাওড়া ও শিবপুর থানার আইসি-কে সরিয়ে দেওয়া হল। সোমবার রাতে হাওড়ার এই দুই থানা এলাকাতেই পুলিশে রদবদল করল রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, হাওড়া থানার আইসি (Police Officer) দীপঙ্কর দাসকে পাঠানো হয়েছে ঝাড়গ্রামের কোর্ট ইনসপেক্টর করে। আর চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের আইবি থেকে সন্দীপ পাখিরাকে এনে হাওড়া থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রাম থেকে শিবপুর থানার দায়িত্বে আনা হয়েছে অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। শিবপুরের দায়িত্বে ছিলেন অনুপ কুমার রায়। তাঁকে রাজ্য পুলিশের আইবিতে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

    আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্যই কী ইসলামপুরের এসপি (Police Officer) বদল?

    সোমবার বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে জখম হন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে ইসলামপুর থানার আগডিমটি খুন্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের বানিয়াভিটা গ্রামে। ঘটনাস্থল থেকে ১২ টি তাজা বোমা ও বোমা বানানোর সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। গত ৩০শে মার্চ দলের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দুইজনের। ঘটনাটি ঘটে চোপড়া থানার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েতের দীঘাবানা এলাকায়। ১০ ই মার্চ চোপড়ায় গুলিবিদ্ধ হন চোপড়া ব্লকের ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের যুগ্ম অঞ্চল সভাপতি। ৮ই মার্চ বাড়িতে ঢুকে দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমার আঘাতে সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ইসলামপুরের দক্ষিন মাটিকুন্ডা গ্রামে। মৃতের নাম সাকিব আখতার। অভিযোগ ওঠে ইসলামপুর ব্লকের মাটিকুন্ডা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে। ঘটনায় প্রধান সহ ১২ জন গ্রেফতার হয়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী প্রকাশ্যে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এমনকী তাঁর দল বদল নিয়ে জেলা জুড়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে কথাও বলেছিলেন। আর তারপরই পুলিশ সুপার (Police Officer) বদল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    হাওড়া–শিবপুরে আইসি (Police Officer) বদলের কারণ কী?‌

    এই দুই জায়গায় রামনবমীর মিছিলে যে অশান্তি হয়েছিল তার জন্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘‌যখন প্রচুর লোক ঢুকে গিয়েছে, তখন পুলিশ গুলি চালালে যে কারও মাথায় লাগতে পারত। ফলে কিল খেয়ে কিল হজম করতে হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আমরা আটকাতে পেরেছি। এখানে হল না। এই জায়গায় অবশ্যই পুলিশের ব্যর্থতা আছে, স্বীকার করছি। যা পদক্ষেপ করার করব।’‌ এবার পদক্ষেপ করা হল হাওড়া–শিবপুরের ক্ষেত্রে। তবে রিষড়ার ক্ষেত্রে পৃথক সার্কেল তৈরি করা হয়েছে। রিষড়া থানাকে কেন্দ্র করে ওই সার্কেলের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রবীর দত্তকে। আগে তিনি রিষড়া থানার ওসি ছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share