Tag: Police transfer

Police transfer

  • Egra: এগরায় বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে সরিয়ে দেওয়া হল থানার আইসি-কে

    Egra: এগরায় বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে সরিয়ে দেওয়া হল থানার আইসি-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে যে কোনও ঘটনায় হইচই পড়ে গেলে যা হয়, এগরায় (Egra) বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডেও সেটাই হল। সরিয়ে দেওয়া হল এগরা থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তীকে। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হচ্ছেন হুগলি জেলার গ্রামীণ সাইবার ক্রাইম থানার আইসি স্বপন গোস্বামী। শুক্রবার রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই বদলির নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এগরার আইসি মৌসম চক্রবর্তীকে পাঠানো হয়েছে হুগলির গ্রামীণ সাইবার ক্রাইম থানায়। যদিও মঙ্গলবার ঘটনা ঘটলেও এখানে এটুকু ব্যবস্থা নিতেই প্রশাসনের সময় লেগে গেল তিন দিন।

    আইসির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু

    খাদিকুলে বিস্ফোরণ কাণ্ডে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন এগরা (Egra) থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতার হাতে মারধরের শিকার হয়েছিলেন তিনি। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইসিকে শোকজ করেছিলেন। ‘আগে পুলিশ এখানে দশ হাজার টাকা তুলতো। এখন এই আইসি আসার পরে ৫০ হাজার করে মাসে তোলা হয়েছে।’ এগরার আইসির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিরোধীরা কী অভিযোগ করল?

    বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ, এই বদলি আইওয়াশ ছাড়া কিছুই নয়। কারণ ওই গ্রামে পুলিশের জ্ঞাতসারেই বাজির নামে ওই কারখানায় (Egra) যে বোমা তৈরি হত, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ওই বাজি কারখানার পিছনে ছিল শাসক দল তৃণমূলেরও প্রত্যক্ষ মদত। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কারখানার মালিক রীতিমতো ভয় দেখিয়ে সেখানে গ্রামের মানুষকে কাজ করাতে বাধ্য করতেন। সে এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা বলেও পরিচিত। পুলিশ এবং তৃণমূলের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই যে ওই কারখানা রমরমিয়ে চলত, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। ফলে এত বড় ঘটনায় শুধুমাত্র একজন আইসিকে সরিয়ে কাজের কাজ কিছুই হবে না। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এগরার (Egra) সাহারা অঞ্চলের খাদিকুল গ্রামে একটি বাড়িতে বাজি তৈরি হচ্ছিল। বেশ কয়েকজন ঘরের ভিতরে ছিলেন। আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। বাড়িটির ভিতর থেকে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে বাড়িটি শ্মশানভূমিতে পরিণত হয়। বাড়ির ভিতরে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের কয়েকজন গুরুতর জখম হন। বাকিদের মৃত্যু হয়। তবে, কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা স্পষ্ট করে সেইসময় এলাকাবাসী বলতে পারেননি। পরে ৯টি দেহ উদ্ধার হয়। অনেক দূর থেকে বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছিল। আশপাশের গ্রামের মানুষও ছুটে এসেছিলেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Police Superintendent: তিনমাসের মধ্যে ফের পুলিশ সুপার বদল বীরভূমে! কাকে আনা হল ওই পদে?

    Police Superintendent: তিনমাসের মধ্যে ফের পুলিশ সুপার বদল বীরভূমে! কাকে আনা হল ওই পদে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনমাসে দুবার। বীরভূমে পুলিশ সুপার (Police Superintendent) বদল যেন জলভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে শীঘ্রই বীরভূমে পা রাখবেন ‘যুবরাজ’ তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূমের বেতাজ বাদশা বলে পরিচিত অনুব্রত মণ্ডল এখন স-কন্যা দিন কাটাচ্ছেন তিহার জেলে। এরকম একটা অবস্থায় ফের বদল করা হল জেলার পুলিশ সুপারকে। এতদিন এই পদে ছিলেন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। এবার সেই পদে আসছেন রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। ভাস্করবাবুকে পাঠানো হল বারাসত পুলিশ জেলার সুপারের দায়িত্ব দিয়ে। সেখানকারই পুলিশ সুপারের দায়িত্বে ছিলেন রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়।

    এখানে অনেকেই বেশিদিন স্থায়ী হননি

    সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। গোটা রাজ্যের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে বরাবরই থাকে অনুব্রতর গড় বলে পরিচিত এই বীরভূম। এখানে সংঘর্ষ, বোমাবাজির মতো ঘটনা লেগেই থাকে। বিভিন্ন ঘটনায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার সরব হন বিরোধীরা। প্রশাসনিক সূত্রেই জানা গিয়েছে, বিগত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৎকালীন পুলিশ সুপার (Police Superintendent) মিরাজ খালিদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন অবশ্য নির্বাচন কমিশনের সুপারিশেই প্রশাসন ওই পদক্ষেপ করেছিল। তাঁর জায়গায় আনা হয়েছিল নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। উল্লেখ্য, বগটুইকাণ্ডের মতো সাড়া জাগানো ঘটনার পরও তাঁকে সরানো হয়নি। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে সরিয়ে ওই পদে আনা হয় ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে। তারপর তিনমাসও কাটলো না। ফের বদল। 

    কেন ঘন ঘন পুলিশ সুপার বদল?

    এই জেলায় ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়া শ্যাম সিংহ দু বছরেরও বেশি সময় পুলিশ সুপার (Police Superintendent) পদে ছিলেন। কিন্তু তিনি যাঁর কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলেন, সেই কুণাল আগরওয়াল ওই পদে ছিলেন ভাস্করবাবুর মতোই, মাত্র চার মাস। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে এই জেলায় চার বছরে সাতবার পুলিশ সুপার বদলের মতো ঘটনাও ঘটেছে। ফলে অনেকেই বলছেন, এর মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাস্করবাবুর ডিআইজি হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। জুলাই মাসেই তাঁর পদোন্নতি হতে পারে, এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই তিনিই নাকি এই পদে থাকতে চাননি। যদিও অন্য সূত্র বলছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বদলি-পর্ব সেরে নিতে চাওয়ার মূল উদ্দেশ্য হল, নতুন সুপারকে এখানকার পরিস্থিতির সঙ্গে ওয়াকিবহাল করে তোলা, যাতে ভোটে কোনও অসুবিধা না হয়। অন্যদিকে, এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার পদের দায়িত্ব সামলেছেন ভাস্করবাবু। তাই নিজের চেনা জায়গাতেই কি তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল? সবকিছুই এখন ধোঁয়াশার মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share