Tag: police

police

  • Atiq Ahmed: আতিক খুনের প্রতিবাদে বাংলায় পুলিশি ঘেরাটোপে মোমবাতি মিছিল! কারা করল?

    Atiq Ahmed: আতিক খুনের প্রতিবাদে বাংলায় পুলিশি ঘেরাটোপে মোমবাতি মিছিল! কারা করল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে আতিক আহমেদকে (Atiq Ahmed) গুলি করে খুন করার ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে মোমবাতি মিছিল করল রাজা ইসলামিক মিশন নামে একটি সংগঠন। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের রামগঞ্জ এলাকায়। ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় রামগঞ্জ বাজারে এই মোমবাতি মিছিল হয়। মিছিলে সংগঠনের বহু সদস্য পা মেলান। আতিক আহমেদ খুন হওয়ার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার ছবি দেখে আমি স্তম্ভিত। পাল্টা টুইট করে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের নৈরাজ্য ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি দেখে আপনি কবে স্তম্ভিত হবেন? স্বাভাবিকভাবে আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) ইস্যুতে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে তর্ক, বিতর্কের মাঝে ১৬ এপ্রিল রাজা ইসলামিক মিশনের ব্যানারে প্রকাশ্যে মোমবাতি মিছিল হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। একজন দাগি দুষ্কৃতীর মৃত্যুর ঘটনায় মোমবাতি মিছিল করা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    কী বললেন মোমবাতি মিছিলের উদ্যোক্তারা?

    মোমবাতি মিছিলে রাজা ইসলামিক মিশনের সঙ্গে একাধিক সংগঠনের সদস্যরা ছিলেন বলে উদ্যোক্তাদের দাবি। মোমবাতি মিছিলের একটি ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, সকলের হাতে মোমবাতি ছিল। আর পিছনে পুলিশের একটি গাড়ি এসকর্ট করে মিছিলটি নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিল শেষে সংগঠনের সদস্যরা উত্তরপ্রদেশ সরকার মুর্দাবাদ বলে স্লোগান দেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও তাঁরা কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি এই রাজ্যের পুলিশের প্রশংসা করেন তাঁরা। রাজা ইসলামিক মিশনের সভাপতি আসজাদ রাজা বলেন, উত্তর প্রদেশে আতিক আহমেদকে (Atiq Ahmed) যে ভাবে খুন করা হয়েছে, তাতে সংবিধানকে খুন করা হয়েছে। কারণ, আতিকের সাজা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। তার উপর পুলিশের সামনে দুষ্কৃতীরা হামলা চালাল? পুলিশের সামনে হামলা হওয়ার পরও পাল্টা হামলা পুলিশ করল না। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন গুন্ডা, মাফিয়াদের বাড়িতে বুলডোজার চালায়। আতিককে (Atiq Ahmed) যারা খুন করল তাদের বাড়িতে বুলডোজার কবে চালানো হবে? এই ঘটনার প্রতিবাদে আমরা এদিন শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছিলাম। পুলিশও আমাদের সঙ্গে ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Arrest: রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় প্রথম গ্রেফতার! কে এই ধৃত ব্যক্তি?

    Arrest: রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় প্রথম গ্রেফতার! কে এই ধৃত ব্যক্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম অভিজিৎ মণ্ডল। তার বাড়ি কাঁকসা থানার বামুনাড়া এলাকায়। সেখানে একটি বহুতল আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকতো সে। সেই ফ্ল্যাট এখন তালাবন্ধ। রাজু ঝা খুনের ঘটনায় এটিই প্রথম গ্রেফতার (Arrest)। রাজু ঝাকে খুন করার পিছনে ধৃতের ঠিক কী ভূমিকা ছিল, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজু ঝা খুন হওয়ার পর বর্ধমান জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১২ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছিল। এতদিন ধরে তল্লাশির পর অবশেষে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার (Arrest) করতে সমর্থ হল। ধৃত ওই যুবক শিল্পাঞ্চলের দাপুটে এক ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক ছিলেন। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ স্পষ্ট করে কিছু বলেনি।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পয়লা এপ্রিল, শনিবার রাত ৮ টা নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে ফিল্মি কায়দায় এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে রাজু ঝা-কে খুন করে দুষ্কৃতীরা। জানা যায়, কয়লামাফিয়া রাজু ঝা দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলের বেতাজ বাদশা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে গরুপাচারকাণ্ডের অন্যতম মাথা আব্দুল লতিফও ছিলেন। এই লতিফের দুধসাদা গাড়িতে করেই রাজু ঝা কলকাতায় যাচ্ছিলেন। গাড়ির পিছনের সিটে বসেছিলেন লতিফ আর ব্রতীন মুখোপাধ্যায়। গাড়ি চালাচ্ছিলেন নুরুল হোসেন নামে একজন। শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে তাঁদের গাড়ি দাঁড়িয়েছিল। শুটআউটের আগেই গাড়ির চালক নুরুল নেমে গিয়েছিলেন। হামলার সময় রহস্যজনকভাবে লতিফও গাড়ি থেকে নেমে গিয়েছিলেন। নীল রংয়ের একটি গাড়ি থেকে রাজু ঝা-কে গুলি করা হয়। পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন বলেন, খুন হওয়ার ১৮ দিনের মাথায় একজনকে গ্রেফতার (Arrest) করা হল। ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলের আদি বাড়ি বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটি এলাকায়। সে পানাগড় এলাকায় থাকত, চাকরি করত প্রাইভেট কোম্পানিতে। মঙ্গলবার রাতে তাকে দুর্গাপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। বিচারক ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: ‘কেবল সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে সমস্যা মিটবে না’, মন্তব্য বিচারপতি মান্থার  

    Calcutta High Court: ‘কেবল সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে সমস্যা মিটবে না’, মন্তব্য বিচারপতি মান্থার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আসল সমস্যা পুলিশে (Police) নিয়োগ না করা। শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) নিয়োগ করে সমস্যা মিটবে না। সরশুনা থানার বিরুদ্ধে ওঠা একটি মামলার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এমন মন্তব্য করেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তিনি বলেন, রাজ্যের আসল সমস্যা পুলিশে নিয়োগ না করা। ফলে এক্ষেত্রে চুক্তিভিক্তিক কর্মীদের ওপরে ভরসা করতে হচ্ছে। পুলিশের কাজ সিভিক ভলান্টিয়াররা করছে। কনস্টেবল, এসআই এবং এএসআই নিয়োগ করা না হলে উপায়ও নেই।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বলেন…

    বিচারপতি মান্থা বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায়ও দুজন সিভিক ভলান্টিয়ার ওই রাতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, পুলিশের ঘাটতি মেটাচ্ছে সিভিক ভলান্টিয়ার। তাই পুলিশে নিয়োগ না করলে এভাবে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়ে নিচুতলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার চেষ্টা হলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। বিচারপতির (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ, যতদিন না সরকার পুলিশে নিয়োগের ব্যাপারে উদ্যোগী হবে, ততদিন এই এক বছরের চুক্তি ভিত্তিক লোকদের দিয়েই নিচুতলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা হবে।

    প্রসঙ্গত, ২১ মার্চের শুনানিতে এই মামলায়ই রাজ্যের আইজিকে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন মান্থা। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের কোন কোন কাজে ব্যবহার করা হয়, সে ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। আদালতে এদিন এই বিষয়টিই স্পষ্ট করা হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘আরএসএস সদস্যরা অপরাধী নন’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের, দিল মিছিলের অনুমতিও

    কয়েক দিন আগে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে সরশুনা থানার বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, দু জন সিভিক ভলান্টিয়ার ওই যুবককে তুলে নিয়ে যায়। সঙ্গে ছিল পুলিশও। তার পর থেকে আর ওই যুবকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় যুবকের পরিবার। এর পরেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের দায়িত্ব বেঁধে দিয়ে রাজ্য পুলিশকে নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কী ভূমিকা রয়েছে, কোন কোন কাজে তাঁদের ব্যবহার করা হয়, সে প্রসঙ্গেও রাজ্য পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছিল উচ্চ আদালত।

    উল্লেখ্য, গত বছরই আমতার ছাত্র নেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুতে তোলপাড় হয় রাজ্য। আনিসের পরিবারের অভিযোগ, রাতে পুলিশের পোশাকে বাড়িতে ঢুকেছিল কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়াররাও ছিলেন। তাঁকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের তরফে আনিসকাণ্ডে পুলিশি গাফিলতির কথা আদালতে স্বীকার করে নিয়েছিলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NJP: আসন নিয়ে বচসা! এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরার মধ্যেই চলল গুলি, মৃত্যু প্রাক্তন সেনাকর্মীর

    NJP: আসন নিয়ে বচসা! এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরার মধ্যেই চলল গুলি, মৃত্যু প্রাক্তন সেনাকর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে এনজেপি (NJP) স্টেশন ঢোকার আগেই কামাখ্যা-আনন্দবিহার এক্সপ্রেসের এক যাত্রীর ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির কোমর থেকে পা পর্যন্ত গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে যায়। সহযাত্রীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে তাঁরা তাকিয়ে দেখেন, ওই ব্যক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েছেন। এনজেপি (NJP) স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে রেল পুলিশ ও আরপিএফ তদন্তে নামে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    আটক যাত্রীদের জেরা করে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে, ওই ব্যক্তি প্রাক্তন সেনা কর্মী রাজস্থানের বাসিন্দা। গুয়াহাটি থেকে তিনি সোমবার ট্রেনে চেপেছিলেন। জেনারেল কামরায় বসার জায়গা নিয়ে তার সঙ্গে সহযাত্রীদের বচসা বাধে। নিজেকে সেনাকর্মী পরিচয় দিয়ে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি কোমর থেকে সে তার রিভলবার বের করে দেখায় এবং শূন্যে একটি গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। তাতেই আতঙ্কিত হয়ে সহযাত্রীরা তাঁর ওপর  ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রাক্তন সেনাকর্মী তখন তার  রিভলবারটি ধরে রাখতে গিয়ে কোনওভাবে তিন রাউন্ড গুলি ছিটকে তাঁর শরীরে ঢোকে। এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে। এদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এনজেপি (NJP) স্টেশন লাগোয়া সেনা ক্যাম্পের থেকে জওয়ানদের একটি দল স্টেশনে (NJP) এসে খোঁজখবর নিতে শুরু করে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ রেল পুলিশের তরফে সেনা বিভাগের প্রতিনিধিদের ডাকা হয় মৃতদেহ দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যাপারে। তবে, সেনা বিভাগের পক্ষ থেকে কেউ কোনও মন্তব্য করেনি।

    কী বললেন রেল পুলিশের আধিকারিক?

    রেল পুলিশ সুপার এস সালভা মুরুগান বলেন, কী করে ওই প্রাক্তন সেনা কর্মীর কোমর থেকে শরীরের নিচের দিকে তিন রাউন্ড গুলি চললো তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, খুন না নিছক দুর্ঘটনা এ নিয়ে এখনও পরিষ্কার করে বলার মতো তথ্য আমাদের হাতে আসেনি। সব সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে সাতজন সহযাত্রী আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    সহযাত্রীরা কী বললেন?

    কামরার মধ্যে যাত্রীদের ভিড়ে থিক থিক করছে। অধিকাংশ যাত্রী ঘুমোচ্ছিলেন। আচমকাই কামরার মধ্যে গুলির আওয়াজ শুনে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সহযাত্রীরা বলেন, হঠাৎ গুলির শব্দে তাদের সকলের ঘুম ভাঙে। কেউ ভয়ে কামরার মধ্যেই ছোটাছুটি শুরু করেন, কেউবা চুপ করে নিজের জায়গাতে বসেছিলেন। কে গুলি চালিয়েছে এ নিয়ে তাঁরা জানেন না এমনটাই দাবি করেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, আনন্দবিহার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অনেকক্ষণ এনজেপি (NJP) স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। যে কোচে এই ঘটনা ঘটেছে সেই কোচটি কেটে আলাদা করে এনজেপি স্টেশনে রেখে দেওয়া হয়েছে তদন্তের জন্য। তারপর রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে এনজেপি (NJP) স্টেশন থেকে আনন্দবিহার এক্সপ্রেসকে রওনা করানো হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    Tribal People: অবরোধের জেরে ৮৪টি ট্রেন বাতিল, যাত্রী ভোগান্তি অব্যাহত, আন্দোলন জোরদার করার পথে আদিবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকাল থেকে রেল অবরোধের ডাক দিয়েছিল কুড়মি সমাজ। পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করা হয়। বৃহস্পতিবারও কুস্তাউর রেল স্টেশন সংগঠনের সদস্যরা (Tribal People) ঘিরে রাখেন। একইসঙ্গে ঝাড়গ্রামেও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেল অবরোধ করা হয়। ফলে, এদিন সাধারণ মানুষ চরম নাকাল হন। হাজার হাজার যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ফলে, বুধবারের মতো এদিনও দক্ষিণ পূর্ব রেলে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। অনেক ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রেলে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, হাওড়া-পুনে, হাওড়া-জগদ্দলপুর, হাওড়া-আহমেদাবাদ, লোকমান্য তিলক-শালিমার, ভুবনেশ্বর-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসসহ ৮৪টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ট্রেনকে ঘুরপথে চালানো হয়েছে। ৭টি ট্রেনের যাত্রাপথ আদ্রা পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ঘুর পথে ট্রেন চললেও যাত্রী দুর্ভোগ রয়েছে। অনেকেই না জেনে ভিন রাজ্যে কাজে যাবেন বলে বেরিয়ে ট্রেন বাতিলের কথা জানতে পেরে ফিরে আসছেন।

    জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কুড়মি নেতাদের (Tribal People) বৈঠক, কী হল?

    ঝাড়গ্রামের খেমাশুলিতে সড়ক এবং রেল অবরোধে জনজীবন বিপর্যস্ত। বুধবার দিনভর নজরদারি করার পর বৃহস্পতিবার প্রশাসনের কর্তারা বিড়ম্বনায় পড়েন। খেমাশুলির কাছে কলাইকুণ্ডা পুলিশ ফাঁড়িতে বৈঠক হয়। বৈঠকে জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি, জেলা পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার যান এবং কুড়মি সংগঠনের রাজ্য নেতা (Tribal People) রাজেশ মাহাত, সংগঠনের জেলা সভাপতি কমলেশ মাহাতরা ছিলেন। সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য বার বার আবেদন করা হয়। কিন্তু, সংগঠনের নেতারা জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত রাজ্য পরিমার্জিত সিআরআই রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে পাঠাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত অবরোধ চলবে। অন্যদিকে, পুরুলিয়ার আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত এদিন ঝাড়গ্রামে সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করতে যান। সেখানে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে কী বললেন কুড়মি সমাজের নেতা?

    আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি জাতিকে তফশিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা-সহ রাজ্য সরকারের সিআরআই (কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট) রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানোর দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন করা হয়েছে। বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুড়মি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা অজিত প্রসাদ মাহাত বলেন, আমাদের আন্দোলনকে রাজ্য সরকার কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমরা এবার নতুন করে কোটশিলা স্টেশনে অবরোধ করব। আর সড়ক পথে লালপুর-হুড়া এবং শিমুলিয়ায় রাস্তা অবরোধ করব। আমরা এই আন্দোলন আরও জোরদার করব। প্রয়োজনে জঙ্গলমহল স্তব্ধ করে দেব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra: ছন্দে ফিরছে রিষড়া, পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটেশন দিলেন লকেট

    Rishra: ছন্দে ফিরছে রিষড়া, পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটেশন দিলেন লকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বুধবার থেকে কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে রিষড়া (Rishra)। রিষড়ার ৪ নম্বর রেলগেটের কাছে হাতেগোনা দু-একটি মুদিখানা, সব্জির দোকান খুলেছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্ক কাটিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে কেনাকাটাও করেছেন। তবে, রাস্তায় এদিন কোনও জটলা করতে দেয়নি পুলিশ। গোটা রিষড়া (Rishra) জুড়ে প্রায় ৭০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছে। এদিন এলাকায় দিনভর পুলিশি টহল রয়েছে। রিষড়া, শ্রীরামপুর দুজায়গায় এদিনও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। চন্দননগর ও হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে পাঠানো হয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশ। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। রিষড়ার (Rishra) ৪ নম্বর রেল গেট এলাকায় অশান্তির জেরে সোমবার রাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মঙ্গলবারও আতঙ্কে বিস্তীর্ণ এলাকা একেবারে থমথমে ছিল। এমনকী ব্যান্ডেল-হাওড়া লাইনে মঙ্গলবার লোকাল ট্রেনও খাঁ খাঁ করেছিল। তবে, বুধবার ট্রেনে যাত্রীদের ভিড় ছিল।

    পুলিশ কমিশনারেটে ডেপুটেশন দিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়?

    মঙ্গলবার বালি থেকে ট্রেন রুটে রিষড়ায় (Rishra) গিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। ট্রেন থেকে নামার পর ব্যাপক পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তিনি। পূর্ব ঘোষণা মতো রিষড়াকাণ্ড ইস্যুতে  বুধবার হুগলির চুঁচুড়ার ঘড়ি মোড়ে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত হন। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ সেখানে হাজির হন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি পুলিশ কমিশনারেট অফিসের দিকে যান। বিজেপি-র ডেপুটেশন কর্মসূচির জন্য আগে থেকেই পুলিশ কমিশনারেটের অফিসের সামনে গার্ডরেল দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সেখানে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। ফলে, বিজেপি কর্মীরা কমিশনারেটের অফিসের সামনে আসতেই পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। পরে, লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পুলিশ কমিশনারের অফিসে যান। তবে, পুলিশ কমিশনার না থাকায় ডিসি (সদর) মিসেস নিধিরানির কাছে তাঁরা ডেপুটেশন জমা দেন। ডেপুটেশন দিয়ে বেরিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, খেলনা পিস্তল নিয়ে একজনকে রিষড়া থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আর যারা ট্রেনে পাথর ছুঁড়ল, এলাকায় হামলা চালাল পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিল না। সাগরদিঘিতে ভরাডুবি হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পরিকল্পিতভাবে এসব করছে। যারজন্য হনুমান জয়ন্তীতে গন্ডগোল হবে তা তিনি আগাম বলে দিচ্ছেন। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে রিষড়া (Rishra) নিয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য বলেছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: রাজু খুনে দুই সাক্ষীকে ‘অরক্ষিত’ অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হল কেন? প্রশ্ন বিজেপির

    BJP: রাজু খুনে দুই সাক্ষীকে ‘অরক্ষিত’ অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হল কেন? প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা (Coal) ব্যবসায়ী রাজু ঝা (Raju Jha)-র খুনের মামলায় প্রধান দুই সাক্ষী ব্রতীন মুখোপাধ্যায় ও আব্দুল লতিফের গাড়িচালক নুর হোসেনকে অরক্ষিত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, এই মামলার মূল দুই সাক্ষীকে কোনও নিরাপত্তা দেয়নি পুলিশ। জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ন’টা নাগাদ পুলিশ সুপারের অফিস থেকে বেরিয়ে যান ব্রতীন ও নুর। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের প্রশ্ন, ব্রতীন ও নুরকে কীভাবে ছেড়ে দিল পুলিশ? জেরা শেষে কেন তাঁদের হেফাজতে নিল না পুলিশ?

    দুই সাক্ষীর বয়ান…

    তিনি বলেন, দুই সাক্ষী আলাদা আলাদা বয়ান দিয়েছেন। এই অবস্থায় তাঁদের অরক্ষিত অবস্থায় ছাড়া হল কেন? পুলিশ কী করে জানল ওঁদের ওপর আক্রমণ হবে না? মৃত্যুঞ্জয় (BJP) বলেন, বাহাত্তর ঘণ্টা হতে চলল। এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি দলদাস পুলিশ। রাজ্য সরকারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে জেলা পুলিশ। নাহলে খুন করে গাড়ি ফেলে খুনিরা পালিয়ে গেল কীভাবে? তাঁর প্রশ্ন, ধামাচাপা দিতেই কি সিট গঠন? প্রসঙ্গত, সোমবারই পুলিশ সুপারের দফতরে ব্রতীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিটের সদস্যরা। নুরকেও সেখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। নুরের দাবি, গাড়িতে ছিলেন আব্দুল লতিফ। এফআইআরেও তিনি একই দাবি করেছেন। যদিও লতিফকে তিনি চেনেন না বলেই দাবি করেছেন ব্রতীন।

    আরও পড়ুুন: সাভারকার ইস্যুতে রাহুলকে নিশানা গডকড়ির, একহাত নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশও

    এদিকে, রাজু খুনে আততায়ীদের ব্যবহৃত নীল রংয়ের গাড়িটি দিল্লি থেকে চুরি করা হয়েছিল। গাড়িটির ফরেন্সিক পরীক্ষা করে একথা জানান বিশেষজ্ঞরা। গাড়িটির ইঞ্জিন ও চ্যাসি নম্বর জানতে গিয়ে তদন্তকারীরা দেখেন, সেগুলি উঘা দিয়ে ঘসে তুলে দেওয়া হয়েছে। পরে রাসায়নিক ব্যবহার করে ইঞ্জিন ও চ্যাসি নম্বর উদ্ধার করা হয়। তখনই জানা যায়, গাড়িটি গুরুগ্রাম থেকে চুরি গিয়েছিল জানুয়ারি মাসে। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে জাল নম্বর প্লেট ব্যবহার করেছিল আততায়ীরা। তদন্তকারীরা জেনেছেন, রাজু যেদিন খুন হন, সেদিন ভোরে গাড়িটি যায় ঝাড়খণ্ডে। পরে সুপারি কিলারদের নিয়ে যায় শক্তিগড়ে। ঝাড়খণ্ডের টোল প্লাজার সিসিটিভির সেই ফুটেজ এসেছে পুলিশের হাতে। ওই গাড়িতে উদ্ধার হয়েছে ২টি সেভেন এমএম পিস্তল, ১২ রাউন্ড গুলি ও বেশ কয়েকটি নম্বর প্লেট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra Violence: অশান্তির জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন? রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    Rishra Violence: অশান্তির জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন? রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে দুপুর ১২ টার মধ্যে রাজ্যের মতামত চাইল হাইকোর্ট। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এসে জানাবেন আদালতে। নির্দেশ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। 

    রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব

    এর আগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম শিবপুর-ডালখোলায় অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেন। বিচারপতি জানতে চেয়েছেন, এই ধরনের মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেন? গত বছর এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়েছিল কিনা! আদালতের মন্তব্য, “চিকিৎসার থেকে প্রতিষেধক ভালো। গতবার গণেশ চতুর্থীর শোভাযাত্রা নিয়ে আমি শুনানি করেছি। গত ৮-৯ বছর ধরে কোনো ঘটনা ঘটেনি। সামনে হনুমান জয়ন্তী আসছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। রাজ্য পুলিশ না পারলে প্যারা মিলিটারির সাহায্য নিন।”

    শান্তি ফেরাবার জন্য কিছু করুন

    ডায়মন্ড হারবারের একজন বিচারকের পরিবার শ্রীরামপুরে থাকে। তিনি নিজে থানা এবং পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের কাছ থেকে সাহায্য চেয়ে পাননি। তিনি হাইকোর্টের কাছে নিরাপত্তা চাইছেন, বলে জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “মানুষের মনে আস্থা ফেরাবার জন্য রুটমার্চ প্রয়োজন। শান্তি ফেরাবার জন্য কিছু করা দরকার। প্রাকৃতিক দূর্যোগ হলেও কেন্দ্রীয় টিম আসে। সেরকম কিছু দরকার হলে প্রয়োজনীয় সাহায্য নিন। এই ধরনের মিছিল কোন যানবাহন নিয়ে করতে দেওয়া ঠিক নয়। নির্দিষ্ট রুট ঠিক করে মিছিলের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। মুম্বইতে গণেশ চতুর্থীর সময় ব্যারিকেড করে মিছিল নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: ‘‘যা কখনও বলিনি, তা আমার মুখে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে’’! বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    আদালতের নির্দেশ, যে সব এলাকায় অশান্তি হয়েছে, সেখানকার সব সিসিটিভি-ভিডিও ফুটেজ আগামী ৫ তারিখের মধ্যে জমা করতে হবে রাজ্যকে। শিবপুরের রেশ কাটার আগেই রিষড়ায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এই বিষয়েরও কারণ জানতে চায় হাইকোর্ট। কেন্দ্রীয় সরকারি আইনজীবীর মতে, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে যেকোনও সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যেতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রিষড়াকাণ্ডে পুলিশি বাধার মুখে সুকান্ত-লকেট, ধর্নায় বসতে দেওয়া হল না বিজেপি কর্মীদের

    Sukanta Majumdar: রিষড়াকাণ্ডে পুলিশি বাধার মুখে সুকান্ত-লকেট, ধর্নায় বসতে দেওয়া হল না বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সোমবার রিষড়াকাণ্ডে জখম বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষকে হাসপাতালে দেখে ফেরার পথে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) কোন্নগর বিশালাক্ষীতলায় আটকায় পুলিশ। রিষড়া যেতে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। সেখানেই তিনি প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবস্থানে বসেন। পরে, মঙ্গলবার শ্রীরামপুর বটতলায় ধর্নায় বসবেন বলে তিনি ঘোষণা করেছিলেন। এদিন সেখানে মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারটের এক আধিকারিক বলেন, এই ধর্নার কোনও অনুমতি নেই। সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই কারণেই এখানে এখন কোনও কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মোহন আদক বলেন, তাঁরা ইমেল করে অনুমতি নিয়েছেন। মানুষের কোনও অসুবিধা না করে ধর্না দিতে চান। তবে, ধর্না মঞ্চ খুলে নেওয়ার পরেই থানায় যান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) শ্রীরামপুর যাওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু, ডানকুনির জগন্নাথপুর মোড়ে দিল্লি রোডে বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। পরে, বিজেপি কর্মীরা পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখান।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?  Sukanta Majumdar

    এদিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বাংলা থেকে অশান্ত মুক্ত করার জন্য মায়ের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছি। দক্ষিণেশ্বর থেকে বেরিয়ে শ্রীরামপুর যাওয়ার পথে ডানকুনিতে তাঁকে পুলিশ বাধা দেয়। সেখানে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, রিষড়ায় আমাদের কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। সেই পরিবারের পাশে থাকার জন্যই আমরা সেখানে যেতাম। কিন্তু, আমাদের ডানকুনি এলাকায় আটকে দেওয়া হয়। এই এলাকায় ১৪৪ ধারা নেই। অথচ সেখানে আমাকে বাধা দেওয়া হল। রিষড়ায় শান্তি ফেরাতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। ডিজি, পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি।

    ট্রেনে করে কেন রিষড়ায় গেলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়?

    শ্রীরামপুর ও রিষড়া এলাকায় মঙ্গলবারও ১৪৪ ধারা জারি ছিল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সহ সাংসদদের এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ বাধা এড়াতে এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বালি স্টেশন থেকে ট্রেনে করে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সোজা রিষড়া স্টেশনে যান। ট্রেন থেকে নামতেই পুলিশ কর্মীরা তাঁকে আটকে দেন। এনিয়ে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে তাঁর ব্যাপক বচসা হয়। পরে, বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের না আটকে রামনবমীর মিছিলের দিন রিষড়ায় পুলিশ যদি হামলাকারীদের আটকাতে পারত, তাহলে হিন্দুরা নিরাপদে থাকত। আসলে এই সরকার আগুন নিয়ে খেলছে। এই আগুনে ওদেরও হাত পুড়বে।

    মঙ্গলবার রিষড়া এবং শ্রীরামপুরের সার্বিক অবস্থা কেমন ছিল?

    রিষড়া, শ্রীরামপুর এলাকা জুড়ে সোমবার রাত থেকে পুলিশি টহলদারি শুরু হয়েছে। দুজায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। চন্দননগর ও হুগলি গ্রামীণ পুলিশের পাশাপাশি পরিস্থিতি সামাল দিতে পাঠানো হয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশ। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। দোকানপাটও প্রায় বন্ধ। রিষড়ায় ৪ নম্বর রেল গেট এলাকায় অশান্তির জেরে সোমবার রাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মঙ্গলবারও সকাল থেকে আতঙ্কে ও আশঙ্কায় বিস্তীর্ণ এলাকা একেবারে থমথমে। এতটাই যে ব্যান্ডেল-হাওড়া লাইনে মঙ্গলবার লোকাল ট্রেনও খাঁ খাঁ করেছে। সোমবার রাতে রিষড়া ৪ নম্বর রেলগেটে গন্ডগোলের ঘটনায় ৩৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rishra: বোমাবাজি, ইটবৃষ্টি, স্তব্ধ ট্রেন চলাচল! সোমবার রাতে ফের অগ্নিগর্ভ রিষড়া, থমথমে মঙ্গলবার সকালেও

    Rishra: বোমাবাজি, ইটবৃষ্টি, স্তব্ধ ট্রেন চলাচল! সোমবার রাতে ফের অগ্নিগর্ভ রিষড়া, থমথমে মঙ্গলবার সকালেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির পর মঙ্গলবার সকালে থমথমে রিষড়া। সকাল থেকে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখার ট্রেনগুলি কার্যত খালি ছিল সকালে। ট্রেন চলাচল যাতে স্বাভাবিক থাকে তার জন্য লাইনের ধারে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল আরপিএফ বাহিনী। এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা। যদিও, মানুষের মধ্যে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।

    দু’দিন আগেই রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল রিষড়ায় (Rishra)। সোমবার রাত নামতেই ফের অশান্তি ছড়াল রিষড়া স্টেশনের আশপাশের এলাকায়। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। আর তার জেরেই সোমবার রাত থেকে হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখায় প্রায় তিন ঘণ্টা আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ঘটনার সময় আপ ব্যান্ডেল লোকাল রিষড়া (Rishra) স্টেশনে এসে দাঁড়িয়েছিল। ৪ নম্বর রেল গেটের কাছে অশান্তির জেরে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ট্রেনের ভিতরে তখন অফিস ফেরত নিত্যযাত্রীতে ঠাসা।

    বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে রেল লাইন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। যার জেরে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে ট্রেনের অধিকাংশ দরজা, জানলা বন্ধ করে দেন। ট্রেনের ভিতরেই তিন ঘণ্টা চরম আতঙ্কের মধ্যে তাঁরা কাটান। যাত্রীদের বক্তব্য, স্টেশনে প্রথম দিকে হাতে গোনা কয়েকজন পুলিশ কর্মী ছিলেন। ফলে, চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। আর বাইরে ব্যাপক বোমবাজি, চিৎকার, আগুন দেখে কেউ ট্রেন থেকে নামার সাহস পাইনি।

    রিষড়ায় (Rishra) কেন ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়

    এমনিতেই দুদিন আগে রামনবমীর শোভাযাত্রায় গন্ডগোলের জেরে উত্তেজনা রয়েছে রিষড়া (Rishra) এলাকায়। সম্ভবত সেই ঘটনার জের আছড়ে পড়ে সোমবার রাতে। রিষড়া (Rishra) স্টেশনের আশেপাশে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়। জানা গিয়েছে, স্টেশনের আশপাশে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। নতুন করে গন্ডগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। এলাকায় তখন বিশাল জমায়েত ছিল। পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইট, পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে।

    পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয় যে তা সামাল দিয়ে এডিজি (সাউথ বেঙ্গল) সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, ডিআইজি (বর্ধমান রেঞ্জ) শ্যাম সিং, চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগির নেতৃত্বে প্রচুর পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। একইসঙ্গে আরপিএফের পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ এবং আরপিএফ এক যোগে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।

    জানা গিয়েছে, হামলাকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। রেল লাইন লাগোয়া একটি গুমটির দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে একাধিক কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে হয়। পরে, পুলিশের উপস্থিতিতে রাত ১টা ৮ মিনিট নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পূর্ব রেলের এক আধিকারিক বলেন, বিক্ষোভকারীরা রিষড়ার (Rishra) ৪ নম্বর রেল গেট বন্ধ করতে দিচ্ছিল না। ফলে, ট্রেন চালানো সম্ভব ছিল না। আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রেল বর্হিভূত কোনও অশান্তির জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share