Tag: police

police

  • Asansol: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    Asansol: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর আসানসোল (Asansol) শিল্পাঞ্চলে ডাকাতি, ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে শহরবাসীর। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিশেষ করে রবিবার দুপুরে একেবারে ভরা বাজারের মধ্যে সোনার দোকানে ভয়ঙ্কর ডাকাতির ঘটনায় চরম আতঙ্কে রয়েছেন শহরবাসী। রানাঘাট, পুরুলিয়ার পর রানিগঞ্জ। এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড।

    রানিগঞ্জে সেনকো গোল্ডে ডাকাতি! (Asansol)

    রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ প্রায় ৯ জনের একটি দুষ্কৃতী দল হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মুখে কাপড় বেঁধে হঠাৎ ঢুকে পড়ে রানিগঞ্জের (Asansol) নেতাজি সুভাষ বোস রোডের ওপর সেনকো গোল্ডের শোরুমে। বন্দুক দেখিয়ে দোকানের কর্মীদের এক জায়গায় বসিয়ে রেখে লুটপাট চালাতে শুরু করে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই রানিগঞ্জ থানা, শ্রীপুর ফাঁড়ির পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। ডাকাতদের ধরতে পুলিশ কর্মীরা হানা দিতেই প্রায় ২০-২৫ রাউন্ড দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। একজন দুষ্কৃতী গুলিবিদ্ধ হয়। তার সঙ্গীরা তাকে তুলে নিয়ে পালিয়ে গেছে বলেই জানা যাচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও সেখানে জড়ো হন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    গুলি চালিয়ে ভয় দেখিয়ে গাড়ি ছিনতাই!

    আসানসোলের (Asansol) মহিশিলা চক্রবর্তী মোড়ে গুলি চালিয়ে চার চাকা গাড়ি ছিনতাই করে পালাল দুষ্কৃতীরা। রবিবার দুপুরে  এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় নয়না নন্দ দত্ত ও প্রবাল স্যান্যাল নামে দুজন জখম হন। হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আহত নয়না নন্দ দত্ত বলেন, চারচাকা গাড়িতে করে পরিবার নিয়ে দুর্গাপুর থেকে আমরা অনুষ্ঠান বাড়িতে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। আচমকা চারজন দুষ্কৃতী আমাদের গাড়ি থামিয়ে তাদেরকে হাসপাতালে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। পরিবারের লোকজন রয়েছে বলে আমি আপত্তি জানালে আমাকে লক্ষ্য করে ওরা গুলি চালায়। এরপরেই ওই চার দুষ্কৃতী আমাদের গাড়ি থেকে বের করে গাড়িটি নিয়ে চম্পট দেয়। প্রবাল স্যান্যাল নামে আরও এক ব্যক্তি বলেন, গুলির আওয়াজ শুনে গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে আমার হাত ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    গুলি কাণ্ডে বাজেয়াপ্ত গাড়ি, গ্রেফতার ১

    রানিগঞ্জে (Asansol) সোনার দোকানে ডাকাতি ও আসানসোল মহিশিলা এলাকায় গুলি চালনার ঘটনা একই দলের সংঘটিত। এমনই অনুমান পুলিশের। ঘটনায় ছিনতাই করা গাড়ি সহ একজনকে গিরিডি থেকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় একথা জানান ডিসি (সেন্ট্রাল) ধ্রুব  দাস। তিনি বলেন, “রানিগঞ্জে সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনার পরে ওই দলটি আসানসোল থেকে একটি গাড়ি ছিনতাই করে পালায়। ঘটনায় পুলিশের একটি টিম পিছু করতে করতে গিরিডি পুলিশের সাহায্য নিয়ে একজনকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naxalites Killed: সংঘর্ষে খতম ৬ মাওবাদী, গভীর জঙ্গলে লুকোল সঙ্গীরা…

    Naxalites Killed: সংঘর্ষে খতম ৬ মাওবাদী, গভীর জঙ্গলে লুকোল সঙ্গীরা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার নকশাল দমনে (Naxalites Killed) বড়সড় সাফল্য পেল কেন্দ্র। নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে ৬ মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলার ঘটনা। সংঘর্ষে যে ছয় মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের সম্মিলিত মাথার দাম ছিল ৩৮ লাখ টাকা।

    নিকেশ ৬ (Naxalites Killed)

    পুলিশ সূত্রে খবর, নারায়ণপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীরা আত্মগোপন করে রয়েছে বলে সূত্র মারফত খবর পায় পুলিশ। এর পরেই যৌথ অভিযানে নামে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহনী। যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে গোবেল ও থুলথুলি গ্রামের কাছে আত্মগোপন করে থাকা মাওবাদীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। প্রতিরোধ গড়ে তোলে যৌথ অভিযানে শামিল হওয়া পুলিশকর্মী ও জওয়ানরা। খতম হয় ৬ মাওবাদী। এদের মধ্যে তিনজন মহিলাও রয়েছে।

    মাও দমনে শাহি বচন

    মাওবাদী দমনে (Naxalites Killed) কেন্দ্র যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, বারংবার তা মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের দিন দুই আগেই তিনি বলেছিলেন, “মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বিজেপি সরকার নকশালবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবিরাম প্রচার শুরু করেছে। ২০১৪ সাল থেকে আমরা ক্যাম্প তৈরি করতে শুরু করেছি।”

    এর আগে মে মাসে এই নারায়ণপুর ও বিজাপুর জেলার সীমানায় অভিযান চালিয়েছিল যৌথবাহিনী। সেবারও নিকেশ হয়েছিল ৭ মাওবাদী। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছিল সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র। ৩০ এপ্রিল নারায়ণপুর ও কাঙ্কের জেলার সীমানায় তল্লাশি অভিযানে খতম হয়েছিল ১০ মাওবাদী। এর মধ্যেও ছিল তিন মহিলা। এই মাসেই কাঙ্কেরে সংঘর্ষে খতম হন ২৯ জন মাওবাদী। তার পর মাও দমনে এদিন ফের মিলল সাফল্য।

    আর পড়ুন: শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি সারা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে কারা?

    শনিবার পুলিশের বস্তার রেঞ্জের আইজি বলেন, “৬ জুন রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে অপারেশন চালাচ্ছিলেন। নারায়ণপুর, কেন্দাগাঁও, দান্তেওয়াড়া এবং বস্তার জেলায় মাওবাদীর ঘাঁটি গেড়েছে বলে খবর মেলে। শুক্রবার বিকেল তিনটে নাগাদ নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানরাও। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষ চলার পর মাওবাদীরা পাহাড়ে ঘেরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায় (Naxalites Killed)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arambagh: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Arambagh: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ (Arambagh) লোকসভায় জয়ের পরই তান্ডব শুরু করেছে তৃণমূল। বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এমনকী গন্ডগোল থামাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। শুক্রবার রাতে এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল গোঘাটের কুমারগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েতের ভুরকুন্ডা এলাকা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) গোঘাটে রাজনৈতিক অশান্তির মাঝে পড়ে রক্ত ঝরল এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে, কুমারগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েতের ভুরকুন্ডা এলাকার বেশ কিছু জায়গায় বিজেপির পতাকা লাগানো রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, ভোটের পরও কেন এলাকায় বিজেপির পতাকা লাগানো রয়েছে তা নিয়ে তৃণমূল কর্মীরা প্রশ্ন তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝামেলার সূত্রপাত। সেই গন্ডগোল থেকেই রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় গোটা এলাকা। অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা এসে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করেন। এরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। গোঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের লক্ষ্য করেও এলোপাথাড়ি ইট ছোড়া হয়। রক্তাক্ত হন এএসআই পদমর্যাদার এক আধিকারিক। আহত ওই আধিকারিকের নাম বরুণকুমার বাগ। তাঁর মাথায় চোট লাগে। উর্দিতেও রক্তের ছিটে লাগে। ৫ জন বিজেপি কর্মী, ২ মহিলা ও পুলিশ আধিকারিককে কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনায় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে।

    আরও পড়ুন: “ভারতীয় মিডিয়াতে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন”, রামোজি রাওয়ের প্রয়াণে শোকবার্তা মোদির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ভোটের আগে থেকেই বারবার আরামবাগ (Arambagh) সহ গোঘাটে রাজনৈতিক অশান্তির অভিযোগ এসেছে। ভোট মিটলেও সেই ছবি বদলায়নি। বিজেপির এক নেতা বলেন, এই লোকসভায় তৃণমূল জিতলেও গোঘাট বিধানসভা এলাকায় বিজেপি ভাল ফল করেছে। এটাতেই ক্ষুব্ধ তৃণমূল। ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকে বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, বিজেপি এলাকায় অশান্তি করছে। এই ঘটনায় তৃণমূল জড়িত নয়। অকারণে তৃণমূলের নাম জড়াচ্ছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! হাড় হিম করা ঘটনা মালদায়

    Malda: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! হাড় হিম করা ঘটনা মালদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! রবিবার রাতে এই হাড় হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন জাতীয় সড়কে। স্বাভাবিকভাবেই এ দৃশ্য দেখে শিউরে ওঠেন রোগীর আত্মীয়েরা। ঘটনাটি নজরে আসতেই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে খুলিটি। ইতিমধ্যেই ময়না-তদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে সেটি।  

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Dog carrying human skull) 

    মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজে এরআগে একাধিক বার সদ্যোজাতের দেহাংশ কুকুরকে খুবলে খেতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ বার মেডিক্যাল কলেজে প্রবেশের সদর দরজা লাগোয়া জাতীয় সড়কের নর্দমার উপরে কুকুরকে একটি খুলি খুবলে খেতে দেখা যায়। ঘটনাটি নজরে আসতেই রোগীর আত্মীয়দের একাংশ কুকুরটিকে তাড়া করে সরিয়ে দেন। রোগীর আত্মীয়দের দাবি, খুলিটি সদ্যোজাতের হতে পারে। তবে মেডিক্যাল কলেজ লাগোয়া এলাকায় কী ভাবে খুলিটি এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  

    আরও পড়ুন: পুরুলিয়া গণনা কেন্দ্রে ঘোরফেরা করছে আই প্যাকের টিম! বিস্ফোরক জ্যোতির্ময়

    তদন্তে নামল পুলিশ 

    অন্যদিকে খুলিটি আদেও সদ্যোজাতের কি না, তা ময়না-তদন্তে স্পষ্ট হবে দাবি পুলিশের। এছাড়াও পুলিশ জানিয়েছে, খুলির অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। স্পষ্ট করে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। মালদহের (Malda) পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব বলেছেন, “ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” পাশাপাশি খুলি উদ্ধারের সঙ্গে মেডিক্যালের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মেডিক্যাল, সংলগ্ন এলাকায় একাধিক নার্সিংহোম রয়েছে। জাতীয় সড়কের পাশে রেল লাইনও রয়েছে। সেখানে প্রায়ই সদ্যোজাতের দেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। কুকুরে খুলি (Dog carrying human skull) সেখান থেকেও নিয়ে আসতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। এ ঘটনায় মালদহ (Malda) মেডিক্যাল কলেজের সুপার তথা সহ-অধ্যক্ষ প্রসেনজিৎ বর বলেন, “মেডিক্যাল চত্বরে খুলি উদ্ধারের ঘটনা ঘটেনি। মেডিক্যালের বাইরে হয়েছে। তবু ব্যাপারটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে ধুন্ধুমার! পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মহিলারা

    Sandeshkhali: ফের সন্দেশখালিতে ধুন্ধুমার! পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ধুন্ধুমার বাধে। আগারহাটি মণ্ডলপাড়ায় বিজেপি নেতার খোঁজে তল্লাশির নামে পুলিশ চরম হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতা অমর ভুঁইয়ার বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    সোমবার রাতে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিজেপি নেতার বাড়িতে পুলিশ ঢুকতে গেলে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ ঘরে ঢুকতে গেলে পরিবারের লোকজন আপ্রাণ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে, ধস্তাধস্তি, তুমুল চিৎকার শুরু হয়। অনুমতি ছাড়া পুলিশের অভিযান নিয়ে বিরোধিতা করেন বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যরা। অমর ভুঁইয়ার পরিবারের মহিলা সদস্যদের টেনে হিঁচড়ে বের করেন মহিলা পুলিশ কর্মীরা। বিজেপি নেতার ঘরের মধ্যে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। পুলিশের দাবি, ভোটের আগে এবং ভোটের সময় যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্যে হাত ছিল এই অমর ভুঁইয়ার। রবিবারও কার্যত এক ছবি দেখা গিয়েছিল সন্দেশখালিতে।

    আরও পড়ুন: গণনার আগে বারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি-তৃণমূল ধস্তাধস্তি, ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ

    বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য?

    পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে মহিলারা রাস্তায় বেরিয়ে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, এক জনের বাড়িতে পুলিশ কখনও এভাবে ঢোকে? এ কীরকম পুলিশ? এসবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘চামচা’। আমাদের প্রশ্ন, ‘অমর ভুঁইয়া কিছু করেননি। তাও তাঁর নাম আসছে কেন?’ বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের কাছে তল্লাশি অভিযানের সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চান। পুলিশ সেসব কথার কোনও গুরুত্ব না দিয়ে মহিলাদের গায়ে হাত তোলে অভিযোগ। এরপরই মহিলারা জোটবদ্ধ হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠি হাতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রসঙ্গত, রবিবারও সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আগারহাটি মণ্ডলপাড়ায় রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে গ্রামে ঢুকে ধরপাকড়ের অভিযোগ ছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় তুমুল বিক্ষোভ করেন গ্রামের মহিলারা। সোমবার রাতেও সেই একই বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়ল সন্দেশখালিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burglar Enters House: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম

    Burglar Enters House: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একি আজব কাণ্ড বলুন দেখি! চুরি করতে এসে স্বয়ং চোরই (Burglar Enters House) কিনা ঘুমিয়ে পড়ল? আসলে চুরি করতে এসে এসির ঠান্ডা হাওয়া পেতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল চোর। আর সেই ঘুম ভাঙল পুলিশের ডাকে। মজার এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) রাজধানী লখনউতে (Lucknow)। আর এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই হেসে লুটোপুটি খেতে শুরু করে নেটিজেনরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি লখনউ-এর (Lucknow) ইন্দিরানগর থানা এলাকার সেক্টর-২০ এর। সুনীল পান্ডে নামের ওই এলাকার এক ব্যক্তির ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে পড়ে চোর। পেশায় ডাক্তার সুনীলবাবু ওইদিন  কাজের সূত্রে ছিলেন বারাণসীতে। আর সেই সুযোগেই ফাঁকা বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে (Burglar Enters House) ঢুকে পড়ে চোর। বাড়ির মেন গেট খুলে ড্রয়িং রুমে পৌঁছতেই সেখানে এসি রয়েছে দেখে সেটা চালিয়ে দেয় সে। ঘর ঠান্ডা হতে শুরু করতেই চোখ ক্রমশ পড়ে আসতে থাকে চোরের। আর এরপর চুরি করা বাদ দিয়ে এক সময় সে মেঝেতে শুয়ে পড়ে। কিছুক্ষনের মধ্যেই গভীর ঘুমে চলে যায় চোর। 
    এদিকে, প্রতিবেশীরা গেট খোলা দেখে বাড়ির মালিক ডাক্তারবাবুকে ফোন করে খবর দেন। এরপর সুনীল বাবু বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ (police) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় চোর ঘরের এসি চালিয়ে আরামে ঘুমাচ্ছে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।   

    আরও পড়ুন: ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বাংলার ৫৫ গণনাকেন্দ্রেই! ভোটগণনা ঘিরে তৎপর কমিশন

    পুলিশ আধিকারিকের মন্তব্য (Burglar Enters House) 

    এ প্রসঙ্গে ঘটনার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিক বলেন, “চোর চুরির উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকেছিল (Burglar Enters House) কিন্তু সে এসির ঠান্ডা হাওয়ায় ঘুমিয়ে পড়েছিল এবং এতটাই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায় যে সে আর উঠতে পারেননি। প্রতিবেশীরা খবর দিলে তাকে আটক (Arrest) করা হয়।”

      
    যদিও চুরি করতে এসে চোরের ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও অন্ধ্র প্রদেশের গোদাবরী জেলায় এক গৃহস্থের বাড়িতে চুরি করতে এসে এসি-র মায়ায় পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল চোর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ দিন ধরে বিষ জল পান করানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার আন্দোলনে নামে বিজেপি। সেই আন্দোলন আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর তা নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এলাকায়।

    বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি (Siliguri)

    পুরসভার জল কেলেঙ্কারিতে বৃহস্পতিবার থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) পানীয় জলের হাহাকার। এর প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল পুরসভার গেটের সামনে হাজির হয়। ঘটনাস্থলে থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। অভিযোগ, পুলিশ বলপূর্বক এই মিছিল আটকাতে গেলে বিজেপির কাউন্সিলর, নেতা, কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কেন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি?

    গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব ঘোষণা করেন, দুই সপ্তাহ ধরে শিলিগুড়ি শহরে পুরসভা থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। সেই জল যেন আর কেউ পান না করেন। মেয়রের মুখ থেকে একথা শোনার পর শহরবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে দেখা দেয় পানীয় জলের হাহাকার। পুরসভার এই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ এবং  মানুষকে বিপদে ফেলে দেওয়ায় প্রতিবাদ জানাতে এদিন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি।

    মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি

    পরিস্থিতি সামাল দিতে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, মেয়র গৌতম দেবকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তৃণমূলের মেয়র মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। জল মানে জীবন। তিনি মানুষকে দূষিত জল পান করিয়েছেন। এটা ভয়ঙ্কর অপরাধ। এখন পাউচে, পুরসভার ট্যাঙ্কে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও আমাদের সন্দেহ রয়েছে। কেননা নোংরা জলের ট্যাঙ্কে জল দেওয়া হচ্ছে। নোংরা ফেলার গাড়ি করে জলের পাউচ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেয়রকে এই অধিকার কে দিয়েছে? আমাদের প্রশ্ন, মহানন্দার জল ব্যবহার করার আগেই কেন নমুনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়নি। তিনি দূষিত জল মানুষকে খাওয়ানোর পর নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠান। এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গৌতম দেবের আর মেয়রের চেয়ারে বসার অধিকার নেই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন সত্যের মুখোমুখি হতে তিনি ভয় পাচ্ছেন। মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: ভোট আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভোটের মধ্যেই প্রতিবাদ ধর্নায় বসলেন তমলুক বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। গতকাল শনিবার ছিল রাজ্যে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। এই পর্বে ছিল তমলুক, কাঁথি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর কেন্দ্র। একাধিক কেন্দ্রে পুলিশ সরাসরি তৃণমূলের হয়ে ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ করে ধর্নায় বসলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি স্পষ্ট ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পুলিশ তৃণমূলকে জয়ী করতে জুলুমবাজি করেছে।” সেই সঙ্গে একাধিক জায়গায় তাঁকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। উল্লেখ্য এই বিচারপতির রায়ে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন। একই ভাবে রেশন দুর্নীতি, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একাধিক বিষয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ছিলেন তিনি।

    কী বললেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)?

    ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালায়। এরপর সেখানে প্রতিবাদ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ধর্নায় বসেন। তিনি ধর্নায় বসে বলেন, “ময়নার পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা গৌতম গুরু নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। তাঁকে অপহরণ করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার রাত থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি তাঁর স্ত্রীর কাছে অভিযোগ পেয়ে বাড়িতে যাই। এখন গৌতমের বাড়িতে বসেই ধর্না বিক্ষোভ করব।”

    আরও পড়ুনঃ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আছড়ে পড়বে ‘রেমাল’! গোসাবা-হিঙ্গলগঞ্জ-দিঘায় প্রস্তুত বিপর্যয় বাহিনী

    মূল অভিযোগ কী?

    ময়নার এই অঞ্চলটি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়েছে। পুলিশ, অশোক দিন্দার সেক্রেটারির বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) অর্ডার দেখতে চান। পুলিশ সেরকম কোনও তথ্য দিতে পারেনি। ফলে তাঁর দাবি, এই ঘটনা পুলিশের অত্যাচার, ক্ষমতার অপব্যবাহার এবং জুলুমের সমতুল্য। এরপর পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ধর্নায় বসেন এই বিজেপি প্রার্থী। ভোটের মধ্যে এই ধর্না রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ইতি মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    Suvendu Adhikari: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের অতিসক্রিয়তার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই পুলিশ তাঁদের ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে বলে অভিযোগ এই দুই পদ্ম-নেতার।

    শাহকে ফোন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। পুলিশি হানার কথা ফোনে শুভেন্দু জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। শুভেন্দু বলেন, “বিবরণ দিয়েছি গোটা ঘটনার।” আদালতে মামলা দায়ের করার পরে তাঁর হুঁশিয়ারি, “এর শেষ দেখে ছাড়ব।” মঙ্গলবার বিকেলে শুভেন্দুর কোলাঘাটের বাড়িতে যায় পুলিশ। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চাইলেও, পুলিশ তা দেখাতে পারেনি বলে দাবি শুভেন্দুর।

    সার্চ ওয়ারেন্ট কোথায়, পুলিশকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    বলেন, “সার্চ ওয়ারেন্ট থাকলে, হাইকোর্টের অনুমোদন থাকলে আমি অভিযানের অনুমতি পুলিশকে দিতাম।” তিনি বলেন, “আমি আইন মেনে চলি। আইনি পথেই এর মোকাবিলা করব। রাতের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে সিসিটিভির ফুটেজ পাঠাব। যে পুলিশকর্মীরা গিয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।” তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “বাড়ির লোকের উপস্থিতি ছাড়া কীভাবে অভিযান হতে পারে? যদি দু’টো ভাঙা বন্দুক বা জাল নোট বা মাদক রেখে যায়, তার দায়িত্ব কে নেবে?”

    আর পড়ুন: “ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই”, বললেন পিকে

    কেবল শুভেন্দু নন, মঙ্গলবার মাঝরাতে পশ্চিম মেদিনীপুরেও কয়েকজন বিজেপি নেতার বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। ঘাটালের বিজেপি প্রার্থীর আপ্ত সহায়ক তমোঘ্ন দে-সহ দুই বিজেপি নেতার বাড়িতে হানা দেয় ঘাটাল ও খড়্গপুর লোকাল থানার পুলিশ। বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সৌমেন মিশ্র ও মেদিনীপুরে বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষের বাড়িতেও গভীর রাতে হানা দেয় পুলিশ। কী কারণে এই অভিযান, সে ব্যাপারে রা কাড়েনি পুলিশ। হিরণ বলেন, “আমার আপ্তসহায়কের মা অসুস্থ। রাতে তিনি যদি দরজা খুলে দিতেন, টাকা, পিস্তল, হেরোইন রেখে আসতে পারত ওরা। আমার পার্টির কারও নামে কেস দিত। আমাকে ফাঁসাত। এটাই তো এদের মোটিভ। মানুষ দেখছে (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার”, পুলিশি হানা নিয়ে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার”, পুলিশি হানা নিয়ে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে আচমকাই পুলিশি অভিযান। মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘিরে ফের রাজ্য-রাজনীতির উত্তেজনার পারদ চড়ল। ভোট আবহের মধ্যে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে রাজ্য জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, আমাকে না জানিয়ে আচমকাই আইপ্যাকের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কোলাঘাট থানার পুলিশ আমার ওই ভাড়াবাড়ি ও অফিসে চড়াও হয়। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কোলাঘাট থানার সামনে ধর্নায় বসেন বিরোধী দলনেতা।

    মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের তৃণমূল সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘কেন আমার কোলাঘাটের ভাড়াবাড়ি ও অফিসে পুলিশ হানা দিল, তা পরিষ্কার নয়।’ তাঁর অভিযোগ, ‘ভাইপোর নির্দেশে আমার বৃদ্ধ বাবা-মাকেও হেনস্থা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারের অত্যাচারের শিকার আমি।’ পুলিশ জানিয়েছে, এক দুষ্কৃতীর সন্ধানেই তল্লাশি চালানো হয়। যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ শুভেন্দু। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। আইনি পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন। শুভেন্দু জানান, ‘পুলিশ ও আইপ্যাক আমার বেডরুমে ঢুকে গেছে, ফোন করে বলল আমাকে। আমি অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু কেউ ছিল না। ওসির সঙ্গে কথা হয়। প্রথমে ফোন ধরতে চাননি।’ আশঙ্কা প্রকাশ করে শুভেন্দুর প্রশ্ন, ‘আমার অনুপস্থিতে যদি বাড়িতে ভাঙা দু’টো বন্দুক ফেলে আসে, নগদ টাকা বা হেরোইন রেখে আসে, তার দায়িত্ব কে নেবে?’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে হাইকোর্টের রক্ষাকবচ রয়েছে। পুলিশ আমার বিরুদ্ধে কোনও দমনমূলক পদক্ষেপ করতে পারবে না। তাহলে এই অভিযান কেন? এর বিরুদ্ধে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব।’

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    শাসকদলের ষড়যন্ত্র!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘পুলিশের কাছে যদি সার্চ ওয়ারেন্ট থেকে থাকে, তাহলে তো আমার উপস্থিতিতেই তল্লাশি চালাতে পারত। কিন্তু সেটা করা হয়নি। এসব আসলে আমার বিরুদ্ধে শাসকদলের ষড়যন্ত্র।’ মঙ্গলবার বিকেলে শুভেন্দুর কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে যায় পুলিশ। অভিযোগ, প্রায় ৮০জন পুলিশকর্মী ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে তল্লাশি করেন। পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপির স্থানীয় নেতা- কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতেও জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। খবর পেয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে সোজা কোলাঘাট থানায় পৌঁছন শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share