Tag: Political observers

  • Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোতে পারে ব্রিটেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। মন্ত্রিসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পর স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, যার ফলে তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল হয়েছে।

    স্টারমারকে পদত্যাগ করতে বলা হয় (Britain)

    স্টারমারকে প্রথম পদত্যাগ করতে বলেন স্কটিশ লেবার নেতা আনাস সারওয়ার। ম্যান্ডারসন বিতর্ককে কেন্দ্র করে তিনি এই মন্তব্য করেন। একসময় স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত সারওয়ার বলেন, “দেশের স্বার্থে স্টারমারের সরে দাঁড়ানোই সবচেয়ে ভালো হবে।” তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একের পর এক গুরুতর ভুল করেছে এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে নেতৃত্ব পরিবর্তন জরুরি। সারওয়ার জানান, যেখানে তিনি ভুল দেখবেন, সেখানেই তিনি মুখ খুলবেন। জানা গিয়েছে, প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন। এরপরই ১০ ডাউনিং স্ট্রিটকে কার্যত ‘সংকটকালীন অবস্থায়’ রাখা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির মন্ত্রীদের প্রকাশ্যে স্টারমারের পক্ষে অবস্থান নিতে বলা হয়, অন্যথায় তাঁদের মন্ত্রিসভার পদ হারানোর ঝুঁকির কথা জানানো হয়। এসব ঘটনা এমন এক সময় ঘটছে, যখন চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের পর তার রাজনৈতিক অভিঘাত এখনও ওয়েস্টমিনস্টারে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি

    শুরুর দিকে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে সমর্থন করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবে সরকারের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এবং আর্থিক বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায়, ভিন্নমতাবলম্বী মন্ত্রীরা শেষ পর্যন্ত ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন বলে জানা গিয়েছে। এর পরপরই সব মন্ত্রিসভার সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানান। পরে সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি যেসব রাজনৈতিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন, তার প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই আপাত ঐক্যের মধ্যেও সরকারের ভেতরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যা স্টারমারের সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের অভিযোগ, স্ট্রিটিং আনাস সারওয়ারের সঙ্গে মিলে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা করছেন। স্ট্রিটিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং স্টারমারের পক্ষে দেওয়া নিজের প্রকাশ্য বক্তব্যের কথা তুলে ধরেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেও, রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের দৌড়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওয়েস স্ট্রিটিং। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পিটার ম্যান্ডারসনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তালাপ প্রকাশ করা ছিল একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, স্টারমারের পরিবর্তে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের আলোচনা শুরু হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় স্ট্রিটিংয়ের নাম উঠে আসে।

     

LinkedIn
Share