Tag: Pollution Control Board

Pollution Control Board

  • WB Pollution Control Board: মাইক নয়, কম ক্ষমতার সাউন্ড বক্স! ধর্মীয় স্থানে মাইকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কড়া রাজ্য, জেলায় জেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা

    WB Pollution Control Board: মাইক নয়, কম ক্ষমতার সাউন্ড বক্স! ধর্মীয় স্থানে মাইকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কড়া রাজ্য, জেলায় জেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শব্দদূষণ (Noise Pollution) রুখতে এবার কড়া অবস্থান নিল পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত বিজেপি সরকার (WB Govt)। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এবার মাঠে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শব্দদূষণ (Noise Pollution) সংক্রান্ত বিধি (Loudspeaker Rules) কঠোরভাবে কার্যকর করতে শুরু হয়েছে অভিযান। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মসজিদ কর্তৃপক্ষকে ছাদের লাউডস্পিকার সরিয়ে কম ক্ষমতার সাউন্ড বক্স ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগের পর ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় মসজিদ থেকে উচ্চ ক্ষমতার মাইক খুলে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, এতে ধর্মীয় কার্যক্রমে কোনও বাধা তৈরি হবে না, একই সঙ্গে শব্দদূষণও (Noise Pollution) নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

    কী নির্দেশ দিয়েছে সরকার?

    রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের (WB Pollution Control Board) নির্ধারিত শব্দসীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সেই নিয়ম অনুযায়ী- আবাসিক এলাকায় দিনের বেলা সর্বোচ্চ ৫৫ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দ করা যাবে। রাতের বেলা শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন জেলার পুলিশ প্রশাসন মসজিদ কমিটিগুলির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। সেখানে ছাদের উচ্চ ক্ষমতার লাউডস্পিকারের পরিবর্তে কম মাত্রার সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারের জবাব

    সরকারের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সংগঠন এবং বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছে। ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF) এবং কয়েকটি সংখ্যালঘু সংগঠনের অভিযোগ, শুধুমাত্র মসজিদগুলিকেই লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রশাসনের দাবি, এই নির্দেশ কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের জন্য নয়। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (WB Pollution Control Board)  নিয়ম অনুযায়ী মন্দির, মসজিদ-সহ সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকেই একই আইন মেনে চলতে হবে।

    কী বললেন মন্ত্রীরা?

    পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজ্যের প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে শব্দবিধি মেনে চলতেই হবে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যদিকে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় (Tapash Roy)-ও সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সরকারের নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আইন সবার জন্য সমান এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনও ভেদাভেদ করা হবে না।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আগেই জানিয়েছেন, “ধর্মীয় প্রার্থনা নিজ নিজ উপাসনালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। রাস্তা দখল করে বা সাধারণ মানুষের অসুবিধা তৈরি করে কোনও ধর্মীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”

    শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য

    এই প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) বলেন, “মসজিদে নামাজ পড়ুন, মন্দিরে মন্ত্রপাঠ করুন। মাইক বাজানোর দরকারটাই বা কী?  ধর্ম করুন বাড়িতে। কোনও আপত্তি নেই।” শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে এই অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্বিশেষে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। রাজ্য সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোনও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করা নয়, বরং আদালতের নির্দেশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বিধি মেনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা। প্রশাসনের বক্তব্য, আইন সবার জন্য সমান- মন্দির, মসজিদ, গির্জা বা অন্য যে কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রত্যেককেই একই নিয়ম মেনে চলতে হবে। সরকারের আশা, এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের শব্দদূষণজনিত ভোগান্তি কমবে, তেমনই পরিবেশ রক্ষায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

  • Plastic Ban: ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিক! নতুন নিয়ম জানেন তো?

    Plastic Ban: ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিক! নতুন নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে’ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিকের (Single Use Plastic) ব্যবহার, কড়া নির্দেশ জারি করল কেন্দ্রের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (Central Pollution Control Board)। এর আগে, চলতি বছরের শুরুতেই প্লাস্টিক প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে সতর্ক করেছিল পর্ষদ। এবার জারি করা হল নিষেধাজ্ঞা।

    নতুন নির্দেশিকার পর এবার প্লাস্টিকের তৈরি ব্যাগের পাশাপাশি, প্লাস্টিকের তৈরি ব্যানার, লজেন্স এবং আইসক্রিমে ব্যবহৃত হওয়া প্লাস্টিকের কাঠি, প্লাস্টিকের কাপ, গ্লাস এবং অন্যান্য বাসন, পাতলা প্লাস্টিকের বোতল, এমনই বিভিন্ন নিত্যদিনের ব্যবহৃত জিনিস নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত হতে চলেছে। যেহেতু এইসব জিনিস তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় অত্যন্ত পাতলা প্লাস্টিক, যার ঘনত্ব ১০০ মাইক্রনের চেয়ে কম ও তা ফের ব্যবহার করা যায় না। প্লাস্টিকগুলি পুনর্ব্যবহার করা যায় না বলেই এই ধরনের প্লাস্টিক দেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: বায়ুদূষণের ফলে ভারতীয়দের আয়ু কমবে ৫ বছর! দাবি গবেষণায়

    কেন্দ্রের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে যে, প্লাস্টিক ব্যাগের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে বিভিন্ন কাপড়ের ব্যাগ। কারণ এটি অনেকবার ব্যবহার করা যায় ও কাপড়ের ব্যাগ ইকো-ফ্রেন্ডলি। এছাড়াও প্লাস্টিকের তৈরি জিনিসের জায়গায় বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

    এবারে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশ জারি তো করেছেই, এর সঙ্গে প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারকারীদের জন্য ফাইন হতে পারে ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। ব্যক্তির জন্য ৫০০ টাকা এবং যে সংস্থা প্লাস্টিক ব্যাগ বানাবে বা সরবরাহ করবে তার জন্য ৫০০০ টাকা ফাইন দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি।

    আরও পড়ুন: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    প্লাস্টিক বর্জ্যের (Plastic wastes) পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকলেও প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার না কমিয়ে, অনেক সংস্থা এই নির্দেশে অসম্মতি জানিয়েছে ও কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছে যাতে বিভিন্ন ড্রিঙ্কস, জুস ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হওয়া প্লাস্টিকের স্ট্র ব্যবহার করতে দেয় সরকার।

    প্লাস্টিকের ব্যবহারের (Plastic Use) ফলে দূষণ বেড়েই চলেছে। কারণ প্লাস্টিক প্রাকৃতিক উপায়ে মাটিতে মেশে না (Bio-nondegradable)। ফলে বাড়তে থাকে পরিবেশ দূষণের (Environmental Pollution) হার। ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে, তাই এই পরিস্থিতিতে দূষণ রোধে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

LinkedIn
Share