Tag: Portal

Portal

  • Annapurna Yojana: অনলাইনেও শুরু হয়ে গেল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম ফিল-আপ, কীভাবে করবেন আবেদন?

    Annapurna Yojana: অনলাইনেও শুরু হয়ে গেল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম ফিল-আপ, কীভাবে করবেন আবেদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অফলাইনে আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম ফিল-আপের কাজ। আজ, ১ জুন থেকে ফর্ম পূরণ করা যাবে অনলাইনেও (Application Guide)। আবেদন করা যাবে ৯০ দিন ধরে। ১২ পাতার ফর্ম। ফর্মে আবেদনকারী ও তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, পরিবারে কারা রয়েছেন, সন্তান-সন্ততির সংখ্যা, তাদের টিকাকরণের স্টেটাস, জমির পরিমাণ ইত্যাদি।

    প্রয়োজনীয় নথি (Annapurna Yojana)

    ফর্ম ফিল-আপ করার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই, অ্যাকাউন্টের তথ্য, বসবাসের প্রমাণপত্র হিসেবে বিদ্যুৎ কিংবা জলের বিল, এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এবার জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে অনলাইনে পূরণ করবেন অন্নপূর্ণ যোজনার ফর্ম। প্রথমে রাজ্য সরকারের পোর্টাল থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। পূরণ করা ফর্ম জমা দিতে হবে অনলাইনেই। আবেদন করতে হবে রাজ্য সরকারের সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে। আবেদনের জন্য  https://socialsecurity.wb.gov.in/ ওয়েসাইটে যেতে হবে। এই ওয়েবসাইটেরই নাম দেওয়া হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টাল। পোর্টালে গেলেই আবেদনকারী তাঁর নিজের ভাষা অনুযায়ী ফর্ম ডাউনলোড করতে পারবেন। পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে মোবাইল নম্বর দিয়ে। ফর্ম ফিল-আপের পর সেটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে পোর্টালেই। ফর্মের সঙ্গে স্ক্যান করে জমা দিতে হবে প্রয়োজনীয় নথিও।

    কোন কোন তথ্য জানাতে হবে

    ২৭ মে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফি মাসে ৩ হাজার টাকা করে পেতে হলে পূরণ করতে হবে এই ফর্ম। একটি পরিবার একটিই ফর্ম পাবে। যদিও সেখানে একাধিক নামের জায়গা রয়েছে। ফর্মের প্রথমেই রয়েছে আবেদনকারীর পরিবারের নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা, লিঙ্গ, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল ফোনের নম্বর লিখতে হবে। উল্লেখ করতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের যাবতীয় তথ্য এবং গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক কী, তা। পরিবারের সদস্যদের কারও ব্যক্তিগত চার চাকার গাড়ি থাকলে ফর্মে উল্লেখ করতে হবে তাও (Annapurna Yojana)। আবেদনকারী এখন রাজ্য সরকারের কোনও সুবিধা পান কিনা এবং পরিবারের কোনও সদস্যের স্বাস্থ্যবিমা, কিষান ক্রেডিট কার্ড, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড এবং শিক্ষার্থী ক্রেডিট কার্ড থাকলে, সে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। পরিবারের সদস্যরা পেশায় কী, তাও উল্লেখ করতে হবে ওই ফর্মে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    এই প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া (Application Guide) বাধ্যতামূলক করায় সচেতনভাবেই গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। যদিও পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সংক্রান্ত কোনও গুজবে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রত্যেকের বাড়িতে ফর্ম পূরণের জন্য লোক যাবেন। তাঁরাই ফর্ম পূরণ করিয়ে দেবেন। বিভ্রান্ত না হওয়ার আবেদনও জানান (Annapurna Yojana) নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

  • Supreme Court: ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি (Waqf Boards) রেজিস্ট্রি করার জন্য নির্ধারিত ছ’মাসের আইনগত সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ১ ডিসেম্বর, সোমবার ওই আবেদন প্রত্যাহার করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। ফলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ডিজিটালাইজেশন বিলম্বিত করার দায় ফের বর্তেছে ওয়াক্‌ফ বোর্ডগুলির ওপরই। এদিন বিচারপতি দিব্যঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অতিরিক্ত সময় চাইলে আবেদনকারীদের সুপ্রিম কোর্ট নয়, ওয়াক্‌ফ ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হতে হবে। অনলাইন রেজিস্ট্রির শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বরই থাকছে।

    আদালতের বক্তব্য (Supreme Court)

    আদালত বলেছে, “যেহেতু আবেদনকারীদের জন্য প্রতিকার পাওয়ার পথ ওয়াক্‌ফ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই রয়েছে, তাই তারা ৬ ডিসেম্বরের মধ্যেই সেখানে আবেদন করতে পারেন।” বেঞ্চ এও জানিয়ে দিয়েছে, ধারা ৩বি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য স্পষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে। প্রযুক্তিগত সমস্যা বা প্রক্রিয়াগত বাধা থাকলে সেগুলি ট্রাইব্যুনালের সামনে উত্থাপন করা যাবে, এবং ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন অনুসারে প্রতিটি মামলায় পৃথকভাবে সমাধান সূত্র দিতে পারে।

    পোর্টালে বহু প্রযুক্তিগত ত্রুটি

    এদিন কপিল সিব্বল-সহ একাধিক প্রবীণ আইনজীবী দাবি করেন, ইউএমইইডি ডিজিটাল পোর্টালে বহু প্রযুক্তিগত ত্রুটি রয়েছে। সেখানে শুনানির সময় বারবার উঠে এসেছে যে ওয়াক্‌ফ বোর্ডগুলির বহু দিনের দুর্বল নথিপত্র ব্যবস্থা এবং ধীরগতির ডিজিটালাইজেশনই প্রকৃত সমস্যা। সিব্বল স্বয়ং স্বীকার করেন, “ডিজিটাইজেশন হতে ১১ বছর লেগে গিয়েছে, গ্রামীণ সম্পত্তিগুলি ডিজিটাইজড নয় এবং মানুষ প্রতিদিন চেষ্টা করছে, অথচ তারা আপলোড করতে পারছে না।” এই সব ব্যর্থতার জন্যই হাজার হাজার মুতাওয়াল্লি এবং উপকারভোগীরা শেষ মুহূর্তে বিপদের মুখে পড়েছেন। কারণ বছরের পর বছর নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও বোর্ডগুলো মৌলিক নথিপত্রও আধুনিকায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে (Supreme Court)।

    প্রবীণ আইনজীবীর বক্তব্য

    প্রবীণ আইনজীবী এমআর শামশাদ বলেন, “ওয়াক্‌ফ বোর্ডগুলো ইতোমধ্যেই নথিভুক্ত সম্পত্তির বিবরণ রাখে। তবুও তাদের পুরনো সিস্টেম এবং ভাঙা-ভাঙা ডকুমেন্টেশন এত বড় পরিসরে পোর্টালে আপলোড করা প্রায় অসম্ভব।” বোর্ডের অক্ষমতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি জানান, রেকর্ড আপডেট করা, সম্পত্তি মানচিত্রায়ন করা, সীমানা যাচাই করা, ইজারা বা লিজ ট্র্যাক করা এবং মুতাওয়াল্লিদের শনাক্ত করা। এর ফলে এখন বিশাল প্রশাসনিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে (Waqf Boards)।

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদনকারীদের যুক্তির প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রেজিস্ট্রি প্রায় এক শতাব্দীর পুরনো বাধ্যবাধকতা, এবং বোর্ডগুলোর রেকর্ড সঠিকভাবে তৈরির জন্য প্রচুর সময় ছিল।”

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই সেপ্টেম্বরে বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রি স্থগিত করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। তারা এও বলেছিল, আগের আইনেও রেজিস্ট্রি ব্যবস্থা ছিল। অতএব, বর্তমান সংকট হঠাৎ কোনও নিয়ন্ত্রক চাপের ফল নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক গাফিলতির প্রতিফলন (Supreme Court)।

    জিও-ট্যাগিং, জিআইএস ম্যাপিং, ডিজিটাল তালিকা এবং জন-স্বচ্ছতার সরঞ্জাম-সহ ইউএমইইডি পোর্টাল বহু দশকের অস্বচ্ছ ও দুর্ব্যবস্থাপিত ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। কিন্তু, বোর্ডগুলোর প্রস্তুতির অভাবে এই বাস্তবায়ন শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়িতে পরিণত হয়েছে।

  • CUET Score 2022: কুয়েট স্কোরের মাধ্যমে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় 

    CUET Score 2022: কুয়েট স্কোরের মাধ্যমে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (Delhi University) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রোগ্রামে কেন্দ্রীয় বিশ্ব বিদ্যালয় প্রবেশিকা পরীক্ষার (CUET 2022) মাধ্যমে ভর্তির জন্য পোর্টাল (Portal) চালু করেছে। সেই পোর্টালে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা একটি ফর্ম পূরণ করে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তার অধিনস্থ কলেজগুলিতে ভর্তি হওয়ার জন্যে আবেদন করতে পারেন। ফর্মের জন্যে শিক্ষার্থীকে দিতে হবে ২৫০ টাকা। প্রতিটি বিভাগে আবেদন করার জন্যে ১০০ টাকা করে দিতে হবে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবার সংরক্ষিত উপজাতির পড়ুয়াদের জন্যে ৩০% আসন সংরক্ষিত রেখেছে। শিক্ষক ফোরাম সংরক্ষিত বিভাগের অধীনে ভর্তির বিবরণ চাওয়া এবং সংরক্ষিত বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের অভিযোগ করার পরে এই সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হয়েছে জেইই অ্যাডভান্সডের ফল, জয়জয়কার বাংলার

    দেশজুড়ে প্রায় ৬.১৪ লক্ষ পড়ুয়া দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হওয়ার আবেদন করেছেন। পোর্টালটির নাম দেওয়া হয়েছে CSAS-2022। তিনটি ধাপে পরিচালিত হবে এই পোর্টাল। প্রথম ধাপে, শিক্ষার্থীদের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে অগ্রাধিকার পূরণ হবে এবং তৃতীয় ধাপে আসন বরাদ্দ-কাম-ভর্তি।   

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক পড়ুয়াদের CSAS-2022 আবেদনপত্রের মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে। CSAS-2022-এ আবেদনের ক্ষেত্রে CUET (UG)-2022-এর আবেদন নম্বর বাধ্যতামূলক। CUET (UG)-2022-এর সময় আবেদনকারীর জমা দেওয়া ব্যক্তিগত বিবরণ, ছবি এবং স্বাক্ষর ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে CSAS-2022-এর আবেদনপত্রে চলে আসবে। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হয়েছে নিট-ইউজি- র ফল, এমবিবিএস ছাড়া আর কোন কোর্সে পড়ার সুযোগ রয়েছে? জেনে নিন

    ইসিএ এবং স্পোর্টস কোটার শিক্ষার্থীদের ট্রায়াল ১০ অক্টোবরের পরে অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং সম্ভবত ১ নভেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে। 

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক যোগেশ সিং, CSAS-2022 পোর্টাল চালু করার সময় জানিয়েছিলেন, যে এই বছর ৬৭টি কলেজ/বিভাগ/কেন্দ্র জুড়ে ৭৯টি ইউজি প্রোগ্রামে ভর্তি করা হবে, যার মধ্যে ২০৬টি কম্বিনেশন রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে বিএ প্রোগ্রাম। এই প্রথম কুয়েট স্কোরের মাধ্যমে ভর্তি নিচ্ছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি।

    ভিসি যোগেশ সিং বলেন, “আমরা এমনভাবে নীতিমালা তৈরি করেছি যাতে জটিলতা কমানো যায়, তবুও আমরা মিড-এন্ট্রির ব্যবস্থাও করেছি যাতে কোনও কারণে বাদ পড়া আবেদনকারীরাও সুযোগ পেতে পারে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UGC on Free Higher Education: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ! নিখরচায় ২৩,০০০ -এরও বেশি কোর্স করাবে ইউজিসি

    UGC on Free Higher Education: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ! নিখরচায় ২৩,০০০ -এরও বেশি কোর্স করাবে ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষা কোর্স করানোর উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। ইউজিসি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার নিরাপত্তা এবং চাইল্ড কেয়ারসহ ২৩,০০০ টিরও বেশি উচ্চ শিক্ষা কোর্স শুক্রবার থেকে ইউজিসির নতুন ওয়েব পোর্টালে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। পোর্টালটির লক্ষ্য দেশের পড়ুয়াদের মধ্যে ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে অনলাইনের মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০-র দ্বিতীয় বার্ষিকীর অংশ হিসেবে শুক্রবার থেকে পোর্টালটি চালু করা হয়েছে। 

    ইউজিসি তাদের ৭.৫ লক্ষেরও বেশি কমন সার্ভিস সেন্টার (CSC) এবং স্পেশাল পারপাস ভেইকেল (SPV) কেন্দ্রের সঙ্গে এই ই-রিসোর্সকে সংযুক্ত করতে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) সাথে চুক্তি করেছে যাতে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই কোর্সগুলির সুবিধা নিতে পারেন পড়ুয়ারা। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতক স্তরে ভর্তির শেষ তারিখ চূড়ান্ত না করার আর্জি ইউজিসির

    বৃহস্পতিবার ইউজিসির চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার এ বিষয়ে বলেন, “সবার উচ্চ শিক্ষাকে নিশ্চিত করতেই এই প্রয়াস। ইংরেজির পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাতেও করানো হবে এই কোর্স। এই পোর্টালটি সেই উদ্যোগেরই অংশ। “

    যে কোর্সগুলি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে সেগুলির মধ্যে রয়েছে ২৩,০০০টি স্নাতকোত্তর কোর্স, ১৩৭টি SWAYAM MOOC কোর্স এবং ২৫টি নন-ইঞ্জিনিয়ারিং SWAYAM কোর্স। ইউজিসি পোর্টাল থেকে এই কোর্সগুলি করলে কোনও ফি দিতে হবে না। তবে CSC/SVP-এর পরিষেবা পাওয়ার জন্য, প্রতিদিন ২০ টাকা বা প্রতি মাসে ৫০০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন এম জগদেশ কুমার।

    আরও পড়ুন: কুয়েট পরীক্ষায় আবেদন ১১ লক্ষ পরীক্ষার্থীর, জানাল ইউজিসি

    এম জগদেশ কুমার আরও বলেন, “মূলত যারা গ্রামীণ এলাকায় থাকে তাঁদের কাছে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেবে এই পোর্টাল। এটি অনেকটাই পিএম কিষাণ, আয়ুষ্মান ভারত, ই-শ্রম, প্যান কার্ড, প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মন্ধন যোজনার মতো সরকারি অন্যান্য প্রকল্পগুলির মতো এটাও সরকারের একটি প্রকল্প। 

     

LinkedIn
Share