Tag: post poll violence

post poll violence

  • Post Poll Violence: ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসে অসুস্থ মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিতের মা

    Post Poll Violence: ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসে অসুস্থ মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিতের মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে মারা গিয়েছেন ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence), আর আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তাঁরই মা। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত্যু হয় কাঁকুরগাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। আর এই মামলায় মঙ্গলবার সাক্ষ্য দিতে আদালতে গিয়েছিলেন অভিজিতের মা মাধবী সরকার। পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে শিয়ালদহ আদালতে এদিন সকালে সাক্ষ্য দিতে পৌঁছান তিনি। কিন্তু রাস্তায় আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন নিহত বিজেপি কর্মীর মা। এর পর পুলিশই তাঁকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফলে আজ আর তাঁর জবানবন্দি নেওয়া হল না।

    কী ঘটেছিল (Post Poll Violence)?

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ উঠে ছিল। ওই বছরের ২ মে ফল ঘোষণার দিন কাঁকুড়গাছির শীতলাতলা লেনের বাসিন্দা অভিজিৎ সরকারের দেহ উদ্ধার করা হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করে অভিজিতের পরিবার। ভাইকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তাঁর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এর পর হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। ২০২১-এর সেপ্টেম্বরে ২০ জনের বিরুদ্ধে খুন, মারধর, হুমকি লুঠপাট সহ একাধিক ধারায় চার্জশিট দেয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই ঘটনায় নাম জড়ায় বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালেরও। পরেশকে ডেকে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জিজ্ঞাসাবাদও করেছিল সিবিআই। কিন্তু, তাঁর নাম সিবিআই চার্জশিটে না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহত বিজেপি কর্মীর দাদা।

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সংবিধান ভুলে গিয়েছে! দিনহাটায় পৌঁছেই বিস্ফোরক সুকান্ত

    সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে অসুস্থ নিহতের মা (Post Poll Violence)

    এদিন সকাল ১১টায় শিয়ালদহ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নিহত অভিজিতের মায়ের জবানবন্দি রেকর্ড হওয়ার কথা ছিল (Post Poll Violence)। সেই মত তাঁকে নারকেলডাঙা থানার পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁদের শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। মাধবী সরকারের সঙ্গে ছিলেন অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারও। পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে তাঁরা যখন আদালতের ভিতরে ঢুকছিলেন, তখনই মাথা ঘুরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মাধবী সরকার। মায়ের মাথা ঘুরে পড়ে যেতে দেখে, সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ধরে ফেলেন বিশ্বজিৎ ও আশপাশের লোকেরা। প্রথমে তাঁকে আদালত চত্বরের ভিতরেই একটি বেঞ্চে নিয়ে গিয়ে বসানো হয়। কিন্তু মাধবী দেবীর শারীরিক অসুস্থতা ক্রমেই বাড়তে থাকায় তড়িঘড়ি পুলিশকর্মীদের সাহায্য নিয়ে বিশ্বজিৎ সরকার তাঁকে সেখান থেকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যান। আপাতত সেখানেই চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই অভিজিতের পরিবারকে মামলা (Post Poll Violence) তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সাক্ষীকে হুমকি দেন দুষ্কৃতীরা। সোমবার সেই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার। তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তা দাবি করে। এরপর হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নারকেলডাঙা থানার পুলিশকে অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বীরভূম থেকে ৫ তৃণমূল কর্মী গ্রেফতার

    CBI: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বীরভূম থেকে ৫ তৃণমূল কর্মী গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার পাঁচ তৃণমূল (TMC) কর্মী। শুক্রবার বীরভূমের (Birbhum) সদাইপুর থানা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এদিনই ধৃতদের তোলা হয় সিউড়ি জেলা আদালতে। বিচারক তাঁদের দু’দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিলেন।

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরেই রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও ব্যাপক হিংসার অভিযোগ ওঠে। সদাইপুরের সাহাপুরে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি মহিলাদের শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। এদিন সেই সাহাপুর গ্রাম থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা গ্রেফতার করেন পাঁচ তৃণমূল কর্মীকে। ধৃতরা হলো শেখ জামির হোসেন, শেখ কারিবুল ওরফে কারু, শেখ আসরফ ওরফে রাহুল, শেখ নুড়াই ও জয়ন্ত ডোম। 

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারকে ঘিরে জেলা জুড়ে রাজনৈতিক শোরগোল উঠেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা জানান, সনাতনীদের উপর অত্যাচার করে তৃণমূল কর্মীরা ভেবেছিল পার পেয়ে যাবে। সঠিক বিচার পাবেন অত্যাচারে ভেঙে পরা বিজেপি কর্মীরা। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, পরিকল্পিতভাবে গ্রামে গ্রামে এজেন্সি দিয়ে ভোটের আগে ভয় দেখানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এলাকার মানুষ সব জানেন।

    আরও পড়ুন: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    বিধানসভা ভোটে ফলাফল বেরনোর পরেই সদাইপুর এলাকায় একটি গ্রামে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে বেছে বেছে অত্যাচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। বাড়ির গরু, ছাগল থেকে সব লুঠপাট এমনকী মেয়েদের উপর নির্বিচারে অত্যাচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। ভাঙচুর চালানো হয় কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে। এলাকার এক বিজেপি বুথ কর্মী জানান, তিনি বিজেপি করার অপরাধে তাঁর বাড়ির মহিলাদের ধর্ষণ করে তৃণমূলের কর্মীরা। তিনি সদাইপুর থানায় ধর্ষণের ও লুঠপাটের অভিযোগ জানান। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে সদাইপুর থানার পুলিশ। কিন্তু, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে আইনের কোনও বিচার হবে না বলে জেলা নেতৃত্বের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়।

    অবশেষে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমেছে সিবিআই (CBI)। সেই সূত্রে অভিযুক্তদের দুর্গাপুরে সিবিআইয়ের শিবিরে তাদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।এরপর বৃহস্পতিবার রাতে সাহাপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে সিবিআই সুত্রে জানা গিয়েছে। সিউড়ি আদালতের বিচারক ধৃতদের আগামী দু’দিন সিবিআই হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Debraj Chakraborty: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    Debraj Chakraborty: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের (CBI) তলব পেয়ে মঙ্গলবার সল্টলেকের সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর ও বিধাননগরের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty)। এদিন সকাল সোয়া ১১টা নাগাদ তিনি সিবিআই দফতরে হাজির হন। তার পরেই শুরু হয় জেরা। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় টানা প্রায় দু ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয় তাঁকে। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে দেবরাজ বলেন, আবার ডাকলে আসব।  

    দেবরাজের (Debraj Chakraborty) অন্য একটি পরিচয়ও রয়েছে। তিনি তৃণমূল বিধায়ক তথা কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সির স্বামী। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূল সভাপতি পদেও রয়েছেন দেবরাজ। ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হন দমদম পার্কের বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ দাস। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার তলব করা হয়েছিল দেবরাজকে। দেবরাজের আগে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় জেরা করা হয়েছিল তৃণমূলের আর এক বিধায়ক পরেশ পালকেও।

    আরও পড়ুন:সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০২১ সালের ২ মে দমদম পার্কের হরিচাঁদ পল্লির বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস খুন হন। তিনি বিজেপি কর্মী ছিলেন বলে দাবি পরিবারের। বাড়ির পাশ থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। প্রসেনজিৎকে খুনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দেবরাজের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই সিবিআই তলব করে দেবরাজকে। করা হয় জেরাও। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে দেবরাজ (Debraj Chakraborty) বলেন, যা যা প্রশ্ন করা হয়েছিল, সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যা যা জানতে চেয়েছেন, সবটা জানিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ডাকলে আবার আসব। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছি। প্রসেনজিতের ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, এটা এক দেড় বছর আগের ঘটনা। কী ঘটেছিল ঠিক মনে নেই। তবে যে কোনও মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। সিবিআই তদন্ত করছে। কী ঘটেছিল, তা তদন্তে উঠে আসবে। যদি পরিবারকে কোনও সহযোগিতা করতে পারি, পাশে থাকব। প্রসঙ্গত, প্রসেনজিৎ খুনের ঘটনায় এফআইআরে নাম ছিল না দেবরাজের (Debraj Chakraborty)। পরে সিবিআই তদন্তে উঠে আসে তাঁর নাম। তার জেরেই করা হয় তলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    Anubrata Mondal: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কেটেছে জেলে। কালীপুজোর আগে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় (Post Poll Violence Case) তাঁকে হেফাজতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন জানাল সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি, আবেদন হাইকোর্টে

    গরু পাচার কাণ্ডে গরাদেই রয়েছেন কেষ্ট।  ৫৭ দিনের মাথায় গরু-পাচার মামলায় চার্জশিটও জমা দেয় সিবিআই অফিসাররা। সেখানে উঠে এসেছে অনুব্রতর একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, জমিজমা ইত্যাদির কথা। আদালতের নির্দেশে একদা বীরভূমে তৃণমূলের বেতাজ বাদশা অনুব্রতের ঠিকানা এখন আসানসোল জেল। এবার আরও চাপে তিনি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে  ইলামবাজারের খুনের তদন্তে নেমে সিবিআই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিক বার তলব করে। কিন্তু  তখন অসুস্থতার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন অনুব্রত। সেই সময় নিজের শারীরিক অবস্থা ভাল নয় বলে হাইকোর্টে আবেদন জানান তিনি। হাইকোর্টের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়, এখনই এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    সিবিআই সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ১০টায় বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও সুধাংশু ধূলিয়ানের বেঞ্চে শুনানি রয়েছে এই মামলার। এই মামলায় বেশ কিছু নতুন তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। তাদের বক্তব্য, অনুব্রতকে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে তার জেরে তিনি আগাম জামিন পেতে পারেন। এই রক্ষাকবচের ফলে তদন্ত থমকে গেছে। তাই শীর্ষ আদালতে যাওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।  ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (এসএলপি) করে সিবিআই। তাঁদের যুক্তি, অনুব্রতের রক্ষাকবচ আগাম জামিনের অনুরূপ। এর ফলে তদন্ত থমকে যেতে পারে। তদন্তে সহযোগিতা না-ও করতে পারেন অনুব্রত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: বাংলায় শাসকের আইন চলে! মমতা-সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: বাংলায় শাসকের আইন চলে! মমতা-সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি হয়েও বাংলার মানুষের দুর্দশার কথা ভুলতে পারছেন না জগদীপ ধনখড়। যখন শাসকের শাসন আইনের শাসনকে ছাপিয়ে যায়, তখন কী পরিস্থিতি হয় তা প্রতিনিয়ত দেখছে বঙ্গবাসী। এমনই দাবি করলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল। বুধবার রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মত ব্যক্ত করেন তিনি। মানবাধিকার কমিশনের অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন,পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক দাঙ্গা ক্রমশ বাড়ছে। মোমিনপুর কাণ্ডের পর বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উপরাষ্ট্রপতির এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

    ২০১৯ সালের জুলাই মাসে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন জগদীপ ধনখড়। তারপর থেকেই রাজ্যের প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ শুরু। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে বারংবার আওয়াজ তুলেছিলেন ধনখড়।  রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতি নিয়েও সরব ছিলেন তৎকালীন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে তাঁর সংঘাত এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছিলেন তিনি  ট্যুইটারে রাজ্যপাল ধনখড়কে ব্লক করে দিয়েছেন। এখনও তাঁর রেশ বর্তমান।

    আরও পড়ুন: কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    এদিন অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি তিনবছর বাংলার রাজ্যপাল ছিলাম। আমি যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলাম তখন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি রিপোর্ট পেশ করেছিল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। রিপোর্টের প্রথম বাক্যটা আমি কোনওদিনও ভুলব না। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, বাংলায় আইনের শাসন চলে না। শাসকের আইন চলে।’ এদিন পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ধনখড়। তিনি বলেন, “মানবধিকার লঙ্ঘন যাঁরা সহ্য করেন, তাঁরাও সমান অপরাধী। যেখানে শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন চলে সেখানেই মানবধিকার রক্ষিত হয়।” তাঁর মতে, “স্বাধীনতার সবচেয়ে ভাল সংজ্ঞা হল, সর্বত্র মানবধিকার রক্ষা এবং সংবিধানের সারমর্ম এবং সমস্ত ধর্মের মূলসত্ত্বাই হল, সবার ঊর্দ্ধে মানবধিকার রক্ষা করা।” তিনি আরও জানান, “রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা, বংশপরিচয়, জাতি বা ধর্মের নিরিখে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে রক্ষা করা যায় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu at BJP Rally: “তৃণমূল জমানায় বাংলায় বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu at BJP Rally: “তৃণমূল জমানায় বাংলায় বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের ২ মে-র পর বাংলায় যে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস (Post poll violence) দেখা গিয়েছিল, তা অন্য কোনও ভোটে হয়নি। এমনটাই জানালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Opposition leader) বললেন, তৃণমূল (TMC) জমানায় বাংলায় (West Bengal) বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। 

    ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের (2021 Assembly elections) পর রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার বর্ষপূর্তিতে পথে নেমেছিল বিজেপি। ভোটের পরে বিজেপি কর্মীদের ওপর যে অত্যাচার চালানো হয়েছিল এবং গণতন্ত্র লুঠ করা হয়েছিল তার প্রতিবাদে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংকল্প মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত মিছিল। মিছিলে সামিল সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী। 

    এরপর রানী রাসমণি অ্যাভিনিউয়ের মঞ্চ থেকে নিজের বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, বাংলায় বর্তমানে বর্বরোচিত অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে। ২০২১ সালের ২ মে-র পরে ভোট পরবর্তী যে সন্ত্রাস দেখা গিয়েছিল তা আর কোনও নির্বাচনের পরে দেখা যায়নি।

    শুভেন্দুর মতে, ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় একাধিক বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হতে হয়েছে। সেই সময় বিজেপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১২ হাজার এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল । তাঁর প্রশ্ন, শিখ দাঙ্গার ১৫ বছর পর অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতার যদি জেল হতে পারে তাহলে ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগে অভিযুক্তদের জেল কেন হবে না?

    আসন্ন অমিত শাহর রাজ্য সফর প্রসঙ্গেও বলেছেন শুভেন্দু। বললেন, বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, বাংলাকে ভয়মুক্ত করবেন। ২১৩ আসনে জিতেও শান্তিতে নেই তৃণমূল কংগ্রেস। পাশে থাকতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ‍বাধ্য করাবে বঙ্গ বিজেপি।

    পাশাপাশি, আগামী ৮ মে নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও ঘোষণা করলেন বিজেপি বিধায়ক। বললেন, ৮ মে নন্দীগ্রামে স্বৈরাচারী শাসকের পরাজয়ের বর্ষপূর্তি পালন করা হবে। ১১ মে দেউচা পাঁচামি (Deucha Pachami) যাব, সঙ্গে থাকবেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)।

     

  • President Kovind: বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারির দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনে বিজেপি প্রতিনিধিদল

    President Kovind: বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারির দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনে বিজেপি প্রতিনিধিদল

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি নিয়ে শুক্রবার রামনাথ কোবিন্দের দ্বারস্থ হল বিজেপি প্রতিনিধিদল। ১০ জনের ওই প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা। সেখানে তাঁরা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভেঙে পড়েছে। ফলত, সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রতিনিধিদলের সদস্য এক আইনজীবী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুরু করে দিল্লি হাইকোর্ট ও জেলা আদালতের আইনজীবীরা — সকলে মিলে আমরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করি। আমাদের আবেদন, পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। তাই সেখানে ৩৫৬ ধারা জারি করা হোক। ওই সদস্য জানান, পশ্চিমবঙ্গে লাগাতার ধর্ষণ, খুন, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং হিংসা হয়ে চলেছে। এটা রুখতে তাঁর (কোবিন্দ) হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তাই এখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা উচিত। ওই সদস্য জানান, ২০ মিনিট বৈঠকে রাষ্ট্রপতি গোটা বিষয়টিকে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। 

    আইনজীবী প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি, এদিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারবর্গের। কিন্তু, কোভিড-নিয়ন্ত্রণ থাকায় তাঁদের সঙ্গে রামনাথ কোবিন্দের দেখা হয়নি। তবে তাঁদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করার কথা। পাশাপাশি, ইন্ডিয়া গেটের কাছে নিহতদের পরিবারবর্গ মোমবাতি মিছিলও করবেন তাঁরা। 

     

LinkedIn
Share