Tag: Postal ballot

Postal ballot

  • Panchayat Election 2023: শান্তিপুরের বুথে গণনায় বৈধ ভোট মাত্র ১! তাতেই বাজিমাত বিজেপির

    Panchayat Election 2023: শান্তিপুরের বুথে গণনায় বৈধ ভোট মাত্র ১! তাতেই বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজব কাণ্ড! গোটা বুথে মোট ভোট পড়ল মাত্র একটি। আর সেই একটি ভোট গণনাতেই (Panchayat Election 2023) জয়লাভ করল বিজেপি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে গোটা বুথে ভোটের সংখ্যা এক হতে পারে। নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। উল্লেখ্য, গত ৮ তারিখে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলেছিল সুস্থভাবে। নিয়ম অনুযায়ী ব্যালট বাক্স সিল করে পাঠানো হয়েছিল স্টোররুমে। ১১ তারিখ ভোট গণনা শুরু হতেই ঘটল বিরল ঘটনা। ব্যালট বক্সে ভোট জমা পড়লেও ছিল না প্রিসাইডিং অফিসারের সই। সেই কারণে ভোটগুলি বাতিল করে দিতে বাধ্য হন বিডিও। যদিও একটি মাত্র বৈধ পোস্টাল ভোট পড়ায় এক ভোটে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী।

    বিশদে ঘটনা (Panchayat Election 2023)

    শান্তিপুর ব্লকের বাগআঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুতুবপুর ৩০ নম্বর বুথ। জানা যায় ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মন তাঁর জা তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে (Panchayat Election 2023) কেউ কাউকে এক ফোঁটাও জায়গা ছাড়েননি। এর পরে গত ৮ই জুলাই ওই ৩০ নম্বর বুথে সকাল থেকেই সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া চলছিল। পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের ব্যালট পেপারে প্রিসাইসাইডিং অফিসারের সই থাকলেও গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যালট পেপারে কোনও সই ছিল না। ভোট গণনা শুরু হতেই তা নজরে পড়ে ভোট কর্মীদের। খবর পৌঁছায় বিডিওর কাছে। আইন মোতাবেক প্রশাসন বাধ্য হয়ে ওই ভোটগুলি বাতিল বলে ঘোষণা করে। ওই এলাকায় একটিমাত্র পোস্টাল ব্যালট ভোট পড়েছিল এবং সেটা ছিল বৈধ ভোট। বিডিও, জয়েন্ট বিডিও এরপর ওই বৈধ পোস্টাল ভোটকে প্রাধান্য দিয়ে বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মনকে জয়ী ঘোষণা করেন। বিজেপির এই জয়ের খবর শুনতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন জা তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মন। সঙ্গে সঙ্গে বিডিওর কাছে একটি অভিযোগ জমা দেন।

    কী বলছেন তৃণমূল এবং বিজেপি প্রার্থী (Panchayat Election 2023)?

    তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মনের অভিযোগ, চক্রান্ত করে প্রিসাইডিং অফিসার ভোটের কাগজে সই করেনি। যেখানে ৭৯০ টি ভোট জমা পড়ল। অথচ সই না থাকার কারণে সব ভোট বাতিল করা হলেও একটি মাত্র পোস্টাল ভোটে বিজেপিকে জয়লাভ করানো হল। আমরা পুনঃনির্বাচনের (Panchayat Election 2023) দাবি করছি। আর এই ঘটনার পিছনে সম্পূর্ণ দায়ী প্রিসাইডিং অফিসার। কারণ সঠিকভাবে ভোট গণনা যদি হত, তৃণমূল এখানে বিপুল ভোটে জয়লাভ করত। অন্যদিকে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি প্রার্থীর স্বামী বিশ্বজিৎ বর্মনের দাবি, সঠিকভাবে ভোট গণনা হলে এখানে বিজেপিই বিপুল ভোটে জয়লাভ করত। কারণ এই ৩০ নম্বর বুথে বিজেপির প্রভাব যথেষ্ট বেশি। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিরল ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Postal ballot: পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি রুখতে সক্রিয় কমিশন! সুপারিশ আইনমন্ত্রকের কাছে

    Postal ballot: পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি রুখতে সক্রিয় কমিশন! সুপারিশ আইনমন্ত্রকের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে স্বচ্ছতা আনতে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন করতে চায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India। এই মর্মে কমিশনের তরফে সরকারের কাছে একটি সুপারিশ পত্রও পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের (Law Ministry) কাছে এ নিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)।

    আরও পড়ুন: আইন সংশোধনের আর্জি! নির্বাচনে কালো টাকার রমরমা রুখতে সুপারিশ কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোটকর্মী, সরকারি কর্মী যাঁরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন তাঁরা অনেক সময় দীর্ঘদিন নিজেদের কাছে ব্যালট পেপারটা রেখে দেন। অনেক সময় ভোটগ্রহণ কেন্দ্রেও নিয়ে যান বলে নানা জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে। তাঁরা ওই ব্যালট পেপার দেখিয়ে অন্যকে ভোট দানে প্রভাবিত করেন, এমনও শোনা গিয়েছে। তাই এই পদ্ধতির পরিবর্তন প্রয়োজন। এর জন্য  ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধনও জরুরি।  জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধন করতে পারে সরকার। তাই এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: প্রাইমারিতে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হয়েছে! চার্জশিটে দাবি ইডির

    কমিশনের তরফে সুপারিশ করা হয়েছে,  জাতীয় নির্বাচনের সময় সারা দেশে কয়েক লক্ষ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সেইসব ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যাঁরা কাজ করেন সেই সরকারি কর্মীরা বা নিরাপত্তাকর্মীরা নিজেরা গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। প্রায় এক কোটি ভোটার নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন। এই ধরনের ভোটারদের মধ্যে রয়েছে পুলিশ কর্মী, পোলিং অফিসার এবং প্রিসাইডিং অফিসাররা যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। তাঁদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা রয়েছে। কমিশনের পক্ষে বলা হয়েছে, তাঁরা যেখানে ভোট গ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ নিতে যান, সেই সেন্টারগুলি থেকেই যেন পোস্টাল ব্যলট ইস্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তা জমা করে দেন। দ্রুত ব্যালট পেপার ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হলে, তাতে কারচুপির পরিমাণ কম হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share