Tag: Postmortem Report

Postmortem Report

  • Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বিহারের জনপ্রিয় শিক্ষক রৌশন আনন্দ (রৌশন স্যার)-এর ভাই প্রিন্স আনন্দের। বর্তমানে নেপালে ছিলেন (Coaching Vandalism Row) তিনি। অনুমান, মৃত্যুর সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন তিনি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় নেপাল পুলিশ। প্রিন্সের সঙ্গে থাকা পাঁচ বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। জানা (Khan Sir) গিয়েছে, মৃত্যুর আগে নেপালে প্রিন্সের সঙ্গে ছিলেন অন্তত ছ’জন বন্ধু। খবর পেয়ে প্রিন্সের পরিবারের সদস্যরা রওনা দিয়েছেন নেপালের উদ্দেশে।

    নেপালে প্রিন্সের মৃত্যুতে রহস্য (Coaching Vandalism Row)

    পাটনার একটি ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন রৌশন স্যার। এই ঘটনায় তাঁর ভাই প্রিন্সের নামও অভিযুক্তদের তালিকায় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রৌশন স্যার এবং জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার (ফয়সাল খান)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলে আসছে। পাটনার জ্ঞান বিন্দু জিএস অ্যাকাডেমি এবং খান গ্লোবাল স্টাডিজের মধ্যে এই বিরোধ একাধিকবার সংঘর্ষ, ভাঙচুর এমনকি গুলিচালনার পর্যায়েও পৌঁছেছে। সম্প্রতি খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হন রৌশন স্যার। এদিকে, খান স্যার আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এর মধ্যেই নেপালে প্রিন্সের মৃত্যু জন্ম দিয়েছে (Coaching Vandalism Row) নয়া বিতর্কের।

    দুই স্যারের বিবাদ

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালেও প্রিন্সের বিরুদ্ধে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি ক্লাসরুমে ঢুকে হিংসাত্মক আচরণ করেছিলেন। খান স্যার আগে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, রৌশন স্যার তাঁর প্রতিষ্ঠানে বোমা নিয়ে হামলা ও কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় জড়িত। আবার, রৌশন স্যারের দাবি, ২০২৩ সালে তাঁর কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন খান স্যার। জানা গিয়েছে, বিহার পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার ফলকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের মধ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানই সফল প্রার্থীদের কৃতিত্ব নিজেদের বলে দাবি করায় পোস্টার ছেঁড়া, সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে (Khan Sir)। প্রসঙ্গত, পাটনার মুসাল্লাহপুর এলাকার কিষান কোল্ড স্টোরেজ ক্যাম্পাসের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিবাদ রয়েছে। এই একই ক্যাম্পাস থেকে দুই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারও চালানো হয় (Coaching Vandalism Row)।

     

  • Student Death: খড়্গপুর আইআইটি-র ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের রহস্যমৃত্যু! মৃতদেহের ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ

    Student Death: খড়্গপুর আইআইটি-র ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের রহস্যমৃত্যু! মৃতদেহের ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়্গপুর আইআইটির ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের রহস্যমৃত্যুর (Student Death) ঘটনায় মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছেন, ওই ছাত্রের দেহ কবর থেকে তুলে ফের ময়নাতদন্ত করতে হবে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। শুধু তাই নয়, ময়নাতদন্তের সময় দুজনকে অবশ্যই হাজির থাকতে হবে। এঁদের মধ্যে একজন হলেন চিকিৎসক অজয় গুপ্ত, যাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই এদিন হাইকোর্ট ওই চাঞ্চল্যকর নির্দেশ দিয়েছে। অন্যজন হলেন সেই চিকিৎসক, যিনি ইতিমধ্যেই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করেছেন এবং যাঁর দেওয়া রিপোর্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ময়নাতদন্তের যাবতীয় ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্য সরকারকেই। বিচারপতি এদিন মন্তব্য করেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ত্রুটি আছে মনে করাতেই তিনি দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিচ্ছেন। এক মাসের মধ্যে ময়নাতদন্তের কাজ সম্পন্ন করে ৩০ শে জুন মামলাটি ফের শুনানির জন্য উঠবে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    যে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে এই রহস্য, তাঁর নাম ফাইজন আহমেদ। অসমের তিনসুকিয়ার বাসিন্দা এই ছাত্রটি থাকতেন খড়্গপুর আইআইটির হস্টেলে। ২০২২ সালের ১৪ই অক্টোবর হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় (Student Death)। বি টেক থার্ড ইয়ারের ছাত্র ফাইজনকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়। পরিবারের সদস্যদের আরও অভিযোগ, ফাইজনের মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করার স্পষ্ট চিহ্ন তাঁরা দেখেছেন। সেই কারণে মাথার ওই অংশে ছিল জমাটবাঁধা রক্ত। অন্যদিকে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছিল, ওই ছাত্রটি আত্মহত্যা করেছে। তার ঘর থেকে বিষ জাতীয় ওষুধও উদ্ধার হয়েছে। এমনকী ওই ছাত্রের হাতের শিরা ছিল কাটা, এমনটাই দাবি করে পুলিশ আত্মহত্যার তত্ত্বকেই জোরালো করে। এরপরই ওই ছাত্রটির পরিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। এরপরই ঘটনার তদন্তের জন্য হাইকোর্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি নিয়োগ করে। সেই কমিটির রিপোর্টই এদিন জমা পড়ে, যেখানে ওই ছাত্রের মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তারপরই মামলা অন্যদিকে মোড় নেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share