Tag: ppp

ppp

  • GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির ছবি স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার তৈরি রিপোর্টে। কেন্দ্রের তরফেও রীতিমতো খতিয়ান তুলে দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছে ভারত। মোদি জমানায় স্ফীতকায় হচ্ছে দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য। অথচ গত কয়েক বছরে জার্মানি, জাপান এবং ব্রিটেনের মতো দেশে কমছে জিডিপির হার। এমতাবস্থায় তরতরিয়ে বাড়ছে ভারতের জিডিপি।

    জিডিপি (GDP)

    জিডিপির (GDP) অর্থ হল গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। কোনও দেশের নাগরিকদের ক্রয় ক্ষমতা কেমন (অর্থনীতির পরিভাষায় (পারচেশিং পাওয়ার প্যারিটি বা সংক্ষেপে পিপিপি), তার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় জিডিপি। দিল্লি ভিত্তিক নন-প্রফিট সোশ্যাল পলিশি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতিতে যখন পিপিপি দেখা যাচ্ছে ৩.৬ গুণ, তখন ব্রিটেনে এটি ২.১ গুণ। আর জার্মানির চেয়ে ২.৫ গুণ বেশি জাপানের। তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারত।

    দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা

    নরেন্দ্র মোদির জমানায় দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা। গত দু’তিন বছরে রকেট গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। দ্রুত হারে বাড়ছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যা দেখে মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বব্যাঙ্ক ও আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার। এই দুই প্রতিষ্ঠানেরই দাবি, আগামী দিনেও বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখবে ভারত। গত অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৪ শতাংশ। যা পূর্বাভাসের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ২০২২ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হারে চিন ছিল সবার ওপরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় জিডিপির অংশিদারিত্ব পিপিপিতে বৈশ্বিক জিডিপির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে। অথচ আমেরিকা, জাপান, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    পিপিপি আমাদের সাহায্য করে দু’টি দেশের অর্থনীতির তুলনা করতে। কোনও একটি বস্তুর দাম ওই দুই দেশে কেমন, তা জানতেও সাহায্য করে। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, একটি উচ্চমাত্রার পিপিপি বোঝায় প্রয়োজনীয় জিনিস ভারতে কতটা সস্তা। এই একই জিনিস কিনতে ঘাম ছুটে যায় জাপান, জার্মানি এবং ব্রিটেনের ক্রেতাদের (GDP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ২ মার্চ পাকিস্তানে সরকার গড়বে জোট, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে?

    Pakistan: ২ মার্চ পাকিস্তানে সরকার গড়বে জোট, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ জোট সরকারই হতে চলেছে পাকিস্তানে (Pakistan)। ২ মার্চের মধ্যে পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির জোট গড়তে চলেছে সরকার। ৯ মার্চের মধ্যে পাকিস্তানে হয়ে যাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনও।

    প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নওয়াজের ভাই শেহবাজ

    পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজের নেতা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তাঁকে সমর্থন করবে পাকিস্তান পিপলস পার্টির ভূতপূর্ব মন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল। দুই দলের প্রধানই রাজি হয়েছেন জোট সরকার গড়তে। ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয় পাকিস্তানে। ফল বেরলে দেখা যায় কোনও দলই সরকার গড়তে প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি। ত্রিশঙ্কু পার্লামেন্টের জেরে সরকার গড়তে হাত মিলিয়েছে দুই রাজনৈতিক দল (Pakistan)। প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নওয়াজের ভাই শেহবাজ শরিফ।

    ইমরান খানের দল পেয়েছে বেশি আসন

    বছর বাহাত্তরের শেহবাজ শরিফ এক সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। পিএমএলএন-এর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী তিনি। দলের তরফে জানানো হয়েছে, তিনবারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ সরকারকে নেতৃত্ব দিতে রাজি হচ্ছেন না। কারণ পার্লামেন্টে পিএমএন-এলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। দুই দলই অল্প কয়েকটি আসনে জয়ী হয়েছে। অথচ জেলবন্দি ইমরান খানের দল পেয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি আসন।

    পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে শপথ নেবে জোট সরকার। তারাই প্রস্তাব দিয়েছে, ৯ মার্চের মধ্যেই সাঙ্গ করা হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পর্ব। পাকিস্তানের বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ডঃ আরিফ আলভির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে সেপ্টেম্বরে। আরিফ পেশায় ছিলেন দন্ত চিকিৎসক। পরে আসেন রাজনীতিতে। ইমরান খানের দলের প্রবীণ সদস্য তিনি। ২০১৮ সালে রাষ্ট্রপতি পদে বসানো হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: মুসলিম ম্যারেজ অ্যাক্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত, ইউসিসি-র দিকে এগোচ্ছে অসম?

    পিএমএল-পিপিপি এবং তাদের সহযোগী দলগুলি চাইছে মার্চের ৮ তারিখের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন-পর্ব মিটিয়ে ফেলতে। এই পর্ব মিটে গেলে হবে সেনেট ইলেকশন। পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচন শেষ হওয়ার তিরিশ দিনের মধ্যে করতে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। পিপিপির প্রবীণ নেতা ফারুক এইচ নায়েক বলেন, “সংবিধানের ৪১ নম্বর ধারা অনুযায়ীই সাধারণ নির্বাচনের তিরিশ দিনের মধ্যেই করতে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। যার অর্থ হল, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্ব শেষ করতে হবে ৯ মার্চের মধ্যে (Pakistan)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Election 2024: পাক রাজনীতিতে সক্রিয় আইএসআই, গাঁটছড়া বাঁধছে পিটিআই-পিপিপি!

    Pakistan Election 2024: পাক রাজনীতিতে সক্রিয় আইএসআই, গাঁটছড়া বাঁধছে পিটিআই-পিপিপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক রাজনীতির ডামাডোলের বাজারে হঠাৎই সক্রিয় হয়ে উঠেছে গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজকে ঠেকাতে (Pakistan Election 2024) ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-এ-ইনসাফ এবং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। এই জোট সরকারে ইমরান ঘনিষ্ঠ মুত্তাহিদ কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান যোগ দিতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

    ম্যাজিক ফিগার

    পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আসন রয়েছে ৩৩৬টি। তার মধ্যে নির্বাচন হয়েছে ২৬৫টি আসনে। বাকি ৭০টি আসন মহিলা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে মহিলাদের জন্য ৬০টি এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ১০টি আসন সংরক্ষিত। এই সংরক্ষিত আসনগুলির ওপর সরকার গঠন নির্ভর করে না (Pakistan Election 2024)। বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৩৩ জনের সমর্থন পেলেই পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক ফিগার সম্ভব হবে।

    নির্বাচন কমিশন

    এই নির্বাচনে পিটিআই সমর্থিত নির্দল প্রার্থীরা ৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন। যেহেতু পিটিআইয়ের স্বীকৃতি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন, তাই নির্দলকেই সমর্থন দিয়েছে ইমরানের দল। নওয়াজের দল পেয়েছে ৭৫টি আসন। আর পিপিপির দখলে গিয়েছে ৫৩টি আসন। এমকিউএমপি জয়ী হয়েছে ১৭টি আসনে। এককভাবে কোনও রাজনৈতিক দল ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে না পারায় প্রয়োজন দেখা দিয়েছে জোট গঠনের। জোট সরকারের পক্ষে সওয়াল করেছেন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরও।

    আরও পড়ুুন: ধর্ষণের প্রমাণ কোথায়? নির্যাতিতাকে প্রশ্ন পুলিশের! বিস্ফোরক সন্দেশখালির মহিলা

    ২০২২ সালে ইমরান প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি হারানোয় পিএমএলএন-পিপিপি জোট সরকারে শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী ও বিলাবল ভুট্টো বিদেশমন্ত্রী হয়েছিলেন। এবার দুই দলই ছিল পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই এই দুই দলের জোট আদৌ হবে কিনা, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। তাই নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে চলছে চায়ের ঠেকে চর্চা। আইএসআই ইমরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করেছে বলেও তৈরি হয়েছে জল্পনা। এই আবহেই ইমরানের দলের নেতা-কর্মীরা শরিফকে সরকার গড়ার সুযোগ দেওয়ার বিরোধিতা করে নেমেছেন আন্দোলনে। ফলে পাক রাজনীতির আকাশে ফের ঘনিয়ে আসছে দুর্যোগের কালো মেঘ।

    জানা গিয়েছে, পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই আদিয়ালা জেলে গিয়ে কথা বলেছেন ইমরানের (Pakistan Election 2024) সঙ্গে। দু’পক্ষে একটি ডিলও হয়েছে। তার পরেই ইমরান প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন ওমর আয়ুব খানের নাম।

    পাক রাজনীতির জল কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Pakistan Peoples Party: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন বিলাওয়াল ভুট্টো?

    Pakistan Peoples Party: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন বিলাওয়াল ভুট্টো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (Pakistan Peoples Party) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। প্রার্থী হচ্ছেন তাঁর বাবা আশিফ আলি জারদারিও। পাকিস্তানের এই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফের লড়বেন প্রেসিডেন্ট পদে। দলের চেয়ারম্যান ফয়জল করিম কুন্ডি জানিয়েছেন বিলাওয়াল ও তাঁর বাবার প্রার্থী হওয়ার খবর। জারদারি যে প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন, সে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সিনিয়র জারদারি জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী পদে বিলাওয়াল নিজে কিংবা খুরশিদ শাহ দলের তরফে হবেন যোগ্য প্রার্থী।

    কী বললেন আশিফ? 

    আশিফ বলেন, “বিলাওয়াল প্রার্থী হতে পারে। আমিও প্রার্থী হতে পারি। খুরশিদ শাহও বলেছেন প্রার্থী হবেন।” ইসলামাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ফয়জল কুন্ডি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পদে লড়বেন বিলাওয়াল। ২০১৮ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তিও হতে পারে। আশিফ আলি জারদারিকে ফের প্রেসিডেন্ট পদে দেখা যেতে পারে। তিনি বলেন, “২০১৮ সালের রিপ্লে দেখতে চাই আমরা। আশিফ আলি জারদারিকে প্রেসিডেন্ট করতে চাই।” প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালেও প্রেসিডেন্ট পদে বসেছিলেন আশিফ আলি জারদারি।

    ‘ড্রয়িং রুম পলিটিক্স’

    তিনি জানান, পিপিপির অবস্থানই হল, ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির পরে নির্বাচন হওয়া উচিত নয়। নওয়াজ শরিফের সমালোচনা করে কুন্ডি বলেন (Pakistan Peoples Party), নওয়াজের দল নির্বাচনে অংশ নিতে দ্বিধা করছে। তিনি একে ‘ড্রয়িং রুম পলিটিক্স’ আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, “নির্বাচন এড়িয়ে কেন তারা দাবি করছে যে তারা দেশের বৃহত্তম দল?” কুন্ডির দাবি, দেশবাসী পিপিপির সঙ্গেই রয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে দল পুরোপুরি প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ললিত ঝা-র, কী বলল লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড?

    নির্বাচনের সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারির প্রসঙ্গে কুন্ডি জানান, এই জাতীয় নিষেধাজ্ঞা দল প্রসারিত করার স্বাধীনতার পরিপন্থী। মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে জনগণের। এদিন নওয়াজকেও নিশানা করেছেন কুন্ডি। বলেন, “এই ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেছে। একটার পর একটা মামলায় তিনি খালাসও হচ্ছেন। তাই জনগণের জানা উচিত ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো ঠিক না ভুল।” তিনি (Pakistan Peoples Party) বলেন, “ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো কারও সম্পত্তি নয়, একটি প্রতিষ্ঠান।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nuclear Threat: ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি পাক মন্ত্রীর, জানুন কারণ

    Nuclear Threat: ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি পাক মন্ত্রীর, জানুন কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি (Nuclear Threat) পাকিস্তানের মন্ত্রীর! দিন কয়েক আগে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে(PM Modi) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (PPP) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। এবার তাঁরই দলের এক নেত্রী শাজিয়া মারি দিলেন পরমাণু যুদ্ধের (Nuclear Threat) হুমকি। বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির মন্তব্যের সমর্থনে আয়োজিত এক সভায় পাকিস্তানের মন্ত্রী শাজিয়া মারি বলেন, ভারতের ভুলে গেলে চলবে না যে পাকিস্তানের কাছেও পরমাণু বোমা আছে। চুপ করে বসে থাকার জন্য আমরা পরমাণু বোমা বানাইনি। প্রয়োজনে আমরা পিছপা হব না। 

    নেপথ্য কাহিনি…

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনায় যোগ দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের এপিসেন্টার বলে অভিহিত করেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, যে দেশ ওসামা বিন লাদেন ও পড়শি দেশের সংসদে হামলাকারীদের আশ্রয় দেয়, অন্যদের উপদেশ দেওয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাই তাদের নেই। এর পরেই বক্তৃতা দিতে উঠে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি নিশানা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তিনি বলেন, ওসামা বিন লাদেন মারা গিয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই বেঁচে আছেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    বিলাওয়ালের এহেন মন্তব্যের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর এই মন্তব্য পাকিস্তানের হীনমন্যতার পরিচায়ক বলে মন্তব্য করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। বিলাওয়ালের মন্তব্যের প্রতিবাদে শুক্রবার দিল্লিতে পাক দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। শনিবার দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন পদ্ম নেতৃত্ব। পাকিস্তান ও বিলাওয়ালের কুশপুতুলও দাহ করে বিজেপি। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিলাবল ভুট্টো জারদারির মন্তব্যের সমর্থনে বলতে গিয়েই পরমাণু যুদ্ধের প্রসঙ্গ টানেন তাঁরই দল পিপিপির নেত্রী শাজিয়া। শাজিয়া কিংবা তাঁর দলের নেতা বিলাওয়ালের ‘অভব্য’ মন্তব্য তাঁদের দেশের মানসিকতারই পরিচায়ক বলে মনে করেন সিংহভাগ ভারতবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share