Tag: Pradhan Mantri Awas Yojana

Pradhan Mantri Awas Yojana

  • Birbhum: কেন্দ্রের টিম পা রাখতেই সাত সকালে বাড়ি বাড়ি ঝোলানো হল আবাস যোজনার বোর্ড!

    Birbhum: কেন্দ্রের টিম পা রাখতেই সাত সকালে বাড়ি বাড়ি ঝোলানো হল আবাস যোজনার বোর্ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত প্রাপকরা পাননি আবাস যোজনার বাড়ি। কারও আবার প্রকল্পের সম্পূর্ণ টাকাই অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি। কোনও কোনও বাড়িতে সকালেই নাকি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বোর্ড বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনই সব অভিযোগ উঠে এলে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ দফতরের আধিকারিকদের সামনে৷ ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা। শুক্রবার বীরভূম জেলার বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের (Birbhum) একাধিক গ্রাম ঘুরে আবাস যোজনায় দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তারই তদন্ত করে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল৷ সঙ্গে ছিলেন রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা৷

    নানা ধরনের অভিযোগ (Birbhum)

    কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ দফতর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আধিকারিকদের পাঠানো হয়েছে। সেই মতো অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এদিন বীরভূম জেলার বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের রূপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লোহাপাড়া, বাহাদুরপুর, মোলডাঙা প্রভৃতি গ্রাম (Birbhum) ঘুরে তদন্ত করেন আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন বিডিও সত্যজিৎ বিশ্বাস। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সামনে গ্রামবাসীরা ক্ষোভ উগরে দেন৷ কারও অভিযোগ, প্রকৃতি প্রাপক হওয়া সত্ত্বেও মেলেনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি, ভাঙাচোরা মাটির বাড়িতেই বাস করছেন বহু মানুষ। কারও অভিযোগ, আবাস যোজনার সম্পূর্ণ টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেই ঢোকেনি৷ অনেকের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতারা তাঁদের কাছের লোকজনকে আবাস যোজনার বাড়ি পাইয়ে দিয়েছেন। এছাড়া, গ্রামবাসীরা জানান, এদিন সকালেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বোর্ড বাড়ি বাড়ি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের সামনে ক্ষোভ উগরে দিলেন গ্রামবাসীরা।

    খতিয়ে দেখলেন আধিকারিকরা (Birbhum)

    এই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব কেন্দ্র সরকার থেকে শুরু করে বিজেপি। পাল্টা তৃণমূল ও রাজ্য সরকারের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ একশো দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবাস যোজনায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার শিকার৷ এই বিতর্কের মাঝেই প্রত্যেকটি বাড়িতে (Birbhum) গিয়ে কথা বলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ দফতরের আধিকারিকরা। সঠিক ভাবে টাকা পেয়েছেন কিনা, দুর্নীতি হয়েছে কিনা ইত্যাদি নানা বিষয় খতিয়ে দেখেন তাঁরা। তবে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে কোনও কথা বলতে চাননি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাসের ঘর পেতেও কাটমানি! কেন্দ্রের রিপোর্টে আর কী উঠে এল জানেন?

    Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাসের ঘর পেতেও কাটমানি! কেন্দ্রের রিপোর্টে আর কী উঠে এল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (Pradhan Mantri Awas Yojana) মূলত গৃহহীন ও দু’টি ঘরের কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী মানুষের জন্য পাকা বাড়ি তৈরি করতে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।  গ্রামসভার প্রাথমিক ভাবে তালিকা তৈরি করার কথা। সেই মতো উপভোক্তাকে টাকা দেওয়া হয়। আর সরকারি প্রকল্পের টাকা পেতে কাটমানি দিতে হয়। অভিযোগ, রাজ্যের একাধিক জেলায় আবাসের বাড়ি পেয়ে ঘুষ দিতে হচ্ছে তৃণমূলের নেতাদের। কেন্দ্রের নিরপেক্ষ সংস্থাকে দেওয়া রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।

    উপভোক্তাদের কী বক্তব্য? (Pradhan Mantri Awas Yojana)

    ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের রগড়া গ্রাম পঞ্চায়েত। ওই গ্রামের এক উপভোক্তার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awas Yojana) তালিকায় নাম পেতে তাঁকে ২ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। ওই মহিলার অভিযোগ, গ্রামে যাঁদের নাম প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায় উঠেছে, তাঁদের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে তৃণমূলের ‘পার্টি ফান্ড’-এ জমা করতে হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত। এক ব্যক্তির সরকারি খাতায়-কলমে বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, বাস্তবে এখনও বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। বাঁকুড়ার জয়পুর, ইন্দাস ব্লকের তিন গ্রাম পঞ্চায়েতের আধ ডজন বাসিন্দার নামে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় তাঁদের চূড়ান্ত কিস্তির টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, তাঁদের কারও বাড়ি তৈরির কাজ শেষ হয়নি। জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাসের ঘর পেতে ১০ হাজার টাকা কাটমানি দিতে বলা হয়েছিল। উপভোক্তাদের বক্তব্য, তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিলেই তারা টাকা পেয়ে যাচ্ছে।

    কেন্দ্রের সমীক্ষা রিপোর্টে কী উঠে এল?

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) প্রকল্পে কোন রাজ্যে কেমন কাজ চলছে, তা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে সমীক্ষা চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। গত বছর তিন দফায় এই সমীক্ষা চালানো হয়। দিল্লির একটি সামাজিক গবেষণা কেন্দ্রকে ‘জাতীয় স্তরের পর্যবেক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। তাতে শুধু ‘কাটমানি’-র তথ্য নয়। কোন ব্যক্তির থেকে কে টাকা আদায় করেছেন, কাদের নামে টাকা বরাদ্দ হলেও বাড়ি তৈরি হয়নি, তাঁদের নামও রয়েছে রিপোর্টে। রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর কেন্দ্রের এই রিপোর্ট নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি। তবে তৃণমূল সূত্রের বক্তব্য, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে আগেই বলা হয়েছে যে কোথাও অনিয়ম হয়ে থাকলে তার জন্য গোটা রাজ্যের মানুষের টাকা বন্ধ করে অসুবিধায় ফেলা কেন্দ্রের উচিত হচ্ছে না। সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে,গত বছরের জানুয়ারিতে দেখা গিয়েছিল, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, হুগলি, মালদা, পূর্ব বর্ধমানে সেই তালিকা সরকারি ভাবে ঝোলানো নেই। গত বছরের মে মাসের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দার্জিলিং, দক্ষিণ দিনাজপুর, হাওড়া, ঝাড়গ্রাম,দেখা গিয়েছে, দার্জিলিং, দক্ষিণ দিনাজপুর, হাওড়া, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, পশ্চিম বর্ধমান, শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদে ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। পুরুলিয়ায় দেখা গিয়েছে, যাঁদের নাম উঠেছে, তাঁরা বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুই জানেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: আতিকের দখল করা জমিতে বহুতল, গরিবদের হাতে ফ্ল্যাটের চাবি দিলেন যোগী

    Yogi Adityanath: আতিকের দখল করা জমিতে বহুতল, গরিবদের হাতে ফ্ল্যাটের চাবি দিলেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন গ্যাংস্টার। পরে হয়ে যান রাজনীতিক। তারও পরে বিধায়ক, সাংসদ। উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) এহেন গ্যাংস্টার কাম রাজনীতিক আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় মামলা ছিল ১০০-রও বেশি। ফুলপুরের সাংসদ এবং প্রয়াগরাজের বিধায়ক থাকার সময় তিনি প্রয়াগরাজের লুকারগঞ্জ এলকায় বেশ কিছু জমি দখল করেছিলেন বলে অভিযোগ।

    আতিকের বেআইনি জমি

    আতিকের সেই জমি ও একাধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল বিজেপির যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। আতিকের দখল করা সেই জমিতেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গড়ে তোলা হয় বহুতল। লটারির মাধ্যমে সেই ফ্ল্যাট বিলিয়ে দেওয়া হল আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ে পরিবারগুলিকে। শুক্রবার সুবিধাভোগীদের হাতে চাবি তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং।

    ফ্ল্যাট পেতে লটারি

    আতিকের দখল করা যে জমিতে বহুতল গড়ে তুলেছে যোগী সরকার, তার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৭৩১ স্কোয়ার মিটার। ২০২১ সালে ওই জমিতে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath)। দুই ব্লকের আবাসনে রয়েছে ৪১ বর্গমিটারের দু কামরার ওই ফ্ল্যাটগুলি। রয়েছে একটি রান্নাঘর এবং একটি টয়লেটও। ফ্ল্যাট পেতে প্রয়াগরাজ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির কাছে আবেদন করেছিল হাজার ছয়েক পরিবার। তার মধ্যে থেকে ফ্ল্যাট পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হন ১ হাজার ৫৯০ জন আবেদনকারী। লটারির মাধ্যমে এঁদের মধ্যে থেকেই বেছে নেওয়া হয় ৭৬টি পরিবারকে।

    আরও পড়ুুন: কেষ্টর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গলের আরও কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেল সিবিআই

    সুবিধাভোগীদের হাতে ফ্ল্যাটের চাবি তুলে দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্যেই ২০১৭ সালের আগে মাফিয়ারা গরিব, ব্যবসায়ীদের এমনকি সরকারি জমিও দখল করে নিত। অসহায়েরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতেন। আর এখন আমরা গরিবদের জন্য বাড়ি বানাচ্ছি। মাফিয়াদের দখল করে নেওয়া জমি আমরা গরিবদের বিলি করছি। এটা একটা বড় কৃতিত্ব।”

    প্রসঙ্গত, জনৈক রাজু পাল ও উমেশ পাল খুনে নাম জড়ায় আতিক ও তাঁর ভাই আশরফের। এপ্রিল মাসে গুজরাটের জেল থেকে উত্তর প্রদেশে নিয়ে আসা (Yogi Adityanath) হয়েছিল দুই ভাইকে। ১৫ এপ্রিল রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল প্রয়াগরাজ হাসপাতালে। পথে তিন বন্দুকবাজের হামলায় নিহত হন আতিক ও তাঁর ভাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PMAY: আবাস দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, ঘুরবে সেই ১০ জেলায়

    PMAY: আবাস দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, ঘুরবে সেই ১০ জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মে মাসের শেষের দিকে হতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Polls)। তার আগে রাজ্যে ফের এল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে রাজ্যে এসেছেন ওই দলের সদস্যরা। এর আগে এক দফা রাজ্যের ১০ জেলায় ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তারা রিপোর্টও জমা দিয়েছে। সেই রিপোর্টে কিছু অসঙ্গতি থাকায় এবার সচিব পর্যায়ের দুই সদস্যের মোট ১০টি দল পাঠানো হয়েছে। বুধবার তাঁরা ঘুরে দেখেন পূর্ব বর্ধমান।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) দুর্নীতির অভিযোগ…

    এদিন সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকার আমাড় এবং কোমলপুর গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়ি পরিদর্শন করেন ওই দলের সদস্যরা। কেন্দ্রীয় দলের কাছে অভিযোগ ছিল, পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও অনেকেই এই যোজনার উপভোক্তা। তারই তদন্ত করছিলেন কেন্দ্রীয় দলের দুই সদস্য। তাঁরা মেমারির বোহার গ্রাম পঞ্চায়েতের সোতলায়ও যান। বৃহস্পতিবার ওই দলের (PMAY) সদস্যরা গিয়েছিলেন মুর্শিদাবাদে। জেলার রানিনগর ১ ব্লকের হেরামপুরের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অন্তর্গত কাঞ্চনপুর, ডিহিপাড়া, দুর্লভপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় যান তাঁরা। ওই দলে ছিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আবাস বিষয়ক দফতরের যুগ্ম সচিব অমিত শুক্লা এবং ওই দফতরের ডিরেক্টর দেবেন্দ্র কুমার।

    আরও পড়ুুন: ‘বিরোধিতা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করুন’, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা নিশীথের

    আগের রিপোর্টে যেসব অসঙ্গতি ধরা পড়েছে, তার ভিত্তিতে মোট ৬টি তালিকা তৈরি করে তা নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও। এর আগেও এ রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। সেবার তারা ঘুরেছিল রাজ্যের ১০টি জেলায়। এবারও তারা যাবে ওই জেলাগুলিতেই। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানান, রাজ্যের ১০ জেলায় দ্বিতীয় দফার এই তদন্ত চলছে। তাঁর অভিযোগ, ইচ্ছে করেই তদন্ত প্রক্রিয়ায় দেরি করা হচ্ছে। প্রথম রিপোর্ট গেল। আবার দল এল। দ্বিতীয় রিপোর্ট যাবে। আবার দল আসবে। এভাবেই চলতে থাকবে। তাঁর আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার (PMAY) যুক্তরাষ্ট্র কাঠামো নিয়ে ছেলেখেলা করছে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার এই তদন্ত প্রক্রিয়া ৪ এপ্রিলের মধ্যে মিটিয়ে ফেলার কথা ছিল কেন্দ্রের। কিন্তু তা হয়নি। বিজেপির দাবি, বাংলাজুড়ে দুর্নীতি। মিড-ডে মিল থেকে আবাস। আর এই কারণেই বারংবার কেন্দ্রীয় দলকে আসতে হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাস যোজনা নিয়ে ঘাটালে পঞ্চায়েত কর্মীদের ধমক কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

    Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাস যোজনা নিয়ে ঘাটালে পঞ্চায়েত কর্মীদের ধমক কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনা নিয়ে এবারে পঞ্চায়েত কর্মীদের ধমক দিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রবিবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঘাটালের মনোহরপুর পরিদর্শনে আসেন। আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজ, কেন্দ্রের প্রকল্পগুলির অবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। ফলে গতকাল তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন ঘাটালে। সেখানে অভিযোগ উঠেছে যে, মানা হচ্ছে না কোনও সঠিক নিয়ম, উপযুক্ত প্রাপকদের দেওয়া হচ্ছে না বাড়ি, এমনকি আবাস যোজনার প্রকল্পের বাড়ি নিয়ে করা হয়েছে বাথরুম ও রান্নাঘর। ফলে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পঞ্চায়েত কর্মীদের।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের ধমক

    আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে চরম গাফিলতি ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের মনোহরপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতাপপুর এলাকায়। সঠিক নিয়ম না মেনে আবাস যোজনায় ঘর বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিদের। সঠিক নিয়ম না মানায়, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের ধমক খেতে হল গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীদেরও। স্থানীয় বিজেপি নেতা দেবাশিষ সামন্ত বলেন, “কেন্দ্রীয় আবাস যোজনায় এই অঞ্চলে অনেকেই বাড়ি পাননি। কোনও জায়গায় শৌচালয়ের ভেতরে ঘর করা হয়েছে। সেটা থাকার যোগ্য নয়। এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।”

    স্থানীয় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ

    রবিবার, ঘাটালে কেন্দ্রীয় দল পৌঁছলে মনসুকা গ্রামে ১০০ দিনের কাজের টাকার দাবিতে একাধিক অভিযোগ এনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বাসিন্দাদের একাংশ। কেন্দ্রীয় দলের আসার খবর পেয়েই একাধিক অভিযোগ নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে এসে হাজির হন গ্রামের মানুষ। ওই এলাকার বাসিন্দা ঝর্না রুইদাস বলেন, “১০০ দিনের কাজের টাকা পাচ্ছি না। অনেকেই যোগ্য আবাস যোজনায় বাড়ি পাচ্ছে না।” আবার বাগদাতেও বিক্ষোভ করেন সেখানকার বাসিন্দারা। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের কাছে ১০০দিনের কাজের টাকার বন্দোবস্ত করে দেওয়ার কথা বলেছেন বাসিন্দারা। বাগদার সিন্দ্রাণী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চরমণ্ডলে রাস্তার দাবিতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে ক্ষোভ উগরে দেন বাসিন্দারা।

  • Suvendu Adhikari: আবাস যোজনার টাকা না ফেরালে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: আবাস যোজনার টাকা না ফেরালে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনার টাকা ফেরত না দিলে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার, হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মিড ডে মিল নিয়ে রাজ্য সরকারের (State Government) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন তিনি। শুভেন্দুর অভিযোগ, মিড ডে মিলের জন্য পাঠানো কেন্দ্রের টাকা নিয়ে রাজ্য সরকার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প (Duare Sarkar Camp) চালাচ্ছে। 

    আবাস যোজনা নিয়ে সরব

    বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্য কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় জেলায় জেলায় বঞ্চিতদের তালিকা তুলে ধরে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানোর পাশাপাশি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে শাসক দল তৃণমূল তথা সরকারকে কার্যত অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। নির্দিষ্ট গাইডলাইন উপেক্ষা করে গরিব মানুষদের বঞ্চিত রেখে তথাকথিত বড় লোকরা আবাস যোজনার বাড়ি পেয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী ঘনিষ্ঠরাই কাটমানির বিনিময়ে ঘর পেয়েছে শুধু নয়, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পঞ্চায়েত এলাকার অনেক তৃণমূল নেতাও বাড়ি নিয়েছে। যাঁরা আবাস যোজনার আসল দাবিদার তাঁদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গরিবের বন্ধু, গরিবের জন্য বাড়ি, শৌচালয় দিয়েছেন। কিন্তু তৃণমূল, নিজের দলের লোক ছাড়া কাউকে আবাসের বাড়ি দেয়নি। যাঁদের পাকা বাড়ি, তাঁদের থেকে কাটমানি খেয়ে আবাসের তালিকায় নাম তুলেছে। প্রকৃত গরিবের সঙ্গে বঞ্চনা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, মামলা করে বঞ্চিতদের সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার লড়াই করবে বিজেপি। শুভেন্দুর কথায়, “কী করে টাকা ফেরত করাতে হয়,আমরা জানি। টাকা না ফেরালে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে।”

    আরও পড়ুন: গঙ্গা আরতি করতে হিন্দুদের কেন অনুমতি নিতে হবে? প্রশ্ন সুকান্ত মজুমদারের

    মিড ডে মিল দুর্নীতি প্রসঙ্গ

    ব্যারাকপুরে সাংগঠনিক জেলার অঞ্চল সম্মেলনে শুভেন্দু মিড ডে মিল নিয়েও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন। এদিন তিনি বলেন, “দু’বছর করোনা পর্বে সাড়ে ৯ কোটি কেজির চাল,স্যানিটাইজার,মাস্ক কেনার ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মিড ডে মিলের অ্যাকাউন্টের টাকা ভারত সরকারের। এই টাকা পড়ে থাকলে সুদ হয়। সেই সুদের টাকাতে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি চালাচ্ছে রাজ্য সরকার”। এই বিষয়ে এদিন শুভেন্দু বলেন, “অপেক্ষা করুন। একের পর এক সব দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে। এ নিয়ে কেন্দ্র থেকে প্রতিনিধি দল আসছে। তারা মিড ডে মিল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে।” শুভেন্দু জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক এই বিষয়ে অডিট টিম পাঠিয়ে অনুসন্ধান করবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাস যোজনার তালিকায় নাম দোতলা বাড়ির মালিকের! ঘুরে দেখল কেন্দ্রীয় দল

    Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাস যোজনার তালিকায় নাম দোতলা বাড়ির মালিকের! ঘুরে দেখল কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোতলা বাড়ির মালিক জরিফ শেখ। মালদহের কালিয়াচকের বাঙ্গিটোলা এলাকায় তাঁর বাড়ি। পেশায় কাঠের মিস্ত্রি জরিফের বাড়িতে শুক্রবার পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় সরকারের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল (Central Investigation Team)। কারণ জরিফের নাম উঠেছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) প্রকল্পের তালিকায়। এদিন সকালে চরিঅনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা পেশায় রেলকর্মী কুলেশ মণ্ডলের বাড়িতেও গিয়েছিলেন ওই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। কারণ তাঁর নামও রয়েছে ওই তালিকায়। কেবল এই দুজন নন, আরও অনেকে বাড়িতেই গেলেন এই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এঁদের মধ্যে যাঁদের ওই তালিকায় নাম থাকার কথা নয়, অথচ রয়েছে, এবং তালিকায় যাঁদের নাম থাকার কথা ছিল, অথচ নেই, তাঁদের বাড়িতেও। কথা বললেন বাড়ির মালিকদের সঙ্গেও। তিন সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডেপুটি সেক্রেটারি পদমর্যাদার আধিকারিক শক্তিকান্ত সিংহ, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিংহ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা।

    দুর্নীতির অভিযোগ…

    বৃহস্পতিবার রাতেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) প্রকল্পে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মালদহে পৌঁছে গিয়েছিলেন তাঁরা। শুক্রবার সকালে মালদহের কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের চরিঅনন্তপুর, কামারপুর গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়িতে যান। কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গে।

    আরও পড়ুুন: আবাস দুর্নীতিতে অভিযোগ জানানো যাবে হেল্পলাইন নম্বরে, বললেন সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আবাস যোজনা প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মালদহের বিভিন্ন ব্লকেও আবাস যোজনা প্রকল্পে স্বজনপোষণ, দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি ব্লকে এর প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। তারই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের গ্রামোন্নয়ন দফতরের ওই প্রতিনিধি দল আসে মালদহে। এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকটি এলাকায়ও আবাস যোজনায় (Pradhan Mantri Awas Yojana) ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে যায় কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের অন্য একটি দল।

    কামারপুর এলাকায় বাড়ি হিমাংশু রায়ের। আবাস যোজনায় আবেদন করেও বাড়ি পাননি তিনি। হিমাংশু বলেন, আমার বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি দল এসেছিল। আমি গরিব মানুষ। আবেদন করেও আবাস যোজনা প্রকল্পের কোনও সুবিধা পাইনি। সে কথা অফিসারদের জানিয়েছি। তিনি বলেন, ওঁরা আমাদের বাড়ির অবস্থা দেখে গিয়েছেন। এতদিন পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছিল না। এবার হয়তো কেন্দ্রের অফিসারদের সমস্যার কথা জানিয়ে সুফল মিলতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাস দুর্নীতিতে অভিযোগ জানানো যাবে হেল্পলাইন নম্বরে, বললেন সুকান্ত

    Pradhan Mantri Awas Yojana: আবাস দুর্নীতিতে অভিযোগ জানানো যাবে হেল্পলাইন নম্বরে, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awas Yojana) দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। গেরুয়া শিবিরও এই দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছে একাধিকবার। ফলে ফের একবার আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি।

    আবাস নিয়ে অভিযোগ জানাতে এবার হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। যখন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি, বিক্ষোভ জারি জেলায় জেলায়। তখন পঞ্চায়েত নির্বাচনে এবার মানুষের কাছে পৌঁছতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। আর এ ব্যাপারে ঘোষণা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    গতকাল বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক ছিল। কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “শাসকদলের দুর্নীতিগুলি তুলে ধরা হবে। আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে হেল্পলাইন নম্বর চালু হবে। হোয়াটসঅ্যাপ বা ফোনের মাধ্যমে যে কেউ অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে আমরা উপযুক্ত জায়গায় পৌঁছানোর চেষ্টা করব। দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় লিফলেট দেওয়া হবে। আমরা পঞ্চায়েতে এলে কী করব, সেটাও ওই লিফলেটে থাকবে। আমরা কাটমানি মুক্ত পঞ্চায়েত চাই। স্বাস্থ্য নিয়ে কী সুবিধা দেওয়া হবে, তাও জানানো হবে।”

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি! প্রকাশিত রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা

    সুকান্ত মজুমদারের সুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, “রাজস্বের টাকা ঘুর পথে নেতাদের পকেটে গিয়েছে তার উদাহরণ আবাস দুর্নীতি। বারবার বলেছি, রেশনের বন্টনে দুর্নীতি হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া রেশন চুরি করে নিয়েছে এটা উদাহরণ। ডিজিটাল রেশন নিয়ে আগে তো বিরোধিতা করেছিল এখন তো চুরি ধরা পড়ছে।” 

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (Pradhan Mantri Awas Yojana) ‘দুর্নীতি’র অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় দল। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ছ’জনের অনুসন্ধানকারী দলের সদস্যরা ইতিমধ্যেই এসে হাজির হয়েছেন রাজ্যে। আর এর পরেই সুকান্ত মজুমদার ঘোষণা করলেন যে, হেল্পলাইন চালু করার পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। কাটমানি ও দুর্নীতি মুক্ত পঞ্চায়েতই যে গেরুয়া শিবিরের একমাত্র লক্ষ্য তাও এদিন স্পষ্ট জানান সুকান্ত মজুমদার। সব মিলিয়ে খুব শীঘ্রই আবাস নিয়ে দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ জানাতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করার পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগও স্থাপন করাও অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।      

  • Awas Yojana: রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    Awas Yojana: রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের দুই প্রতিনিধিদল। প্রাথমিক পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুর এবং মালদায় যাবে তারা। দুই জেলায় গিয়ে নিয়ম মেনে বাড়ি দেওয়া হয়েছে কিনা তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় দল। বুধবার কেন্দ্রের তরফে চিঠি দিয়ে নবান্নকে একথা জানানো হয়েছে। নবান্নে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ৩ জন করে ২টি দল চলতি সপ্তাহেই রাজ্যে পৌঁছবে। দলে থাকবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পদস্থ কর্তারা। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর ও অপর দলটি মালদায় প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখবে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসাবে নির্বাচিতদের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা। তাঁরা প্রকৃতই আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার যোগ্য কি না তাও খতিয়ে দেখবেন। এমনকী এর আগে প্রকল্পের অধীনে নির্মিত বাড়িগুলির অবস্থাও পরীক্ষা করবে এই দল। নির্মান সামগ্রীর মানে কোনও আপস হয়েছে কি না খতিয়ে দেখবে তা-ও। নবান্নর তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইটারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু লিখেছেন, গরিব মানুষদের যাঁরা বঞ্চিত করেছেন, তাঁদের জেলে পাঠানো দরকার।

    নবান্নকে চিঠি কেন্দ্রের

    পর্যবেক্ষক দলের আসার বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং এই চিঠি পাঠিয়েছেন। নবান্নে পাঠানো চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে, দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুরে যাবে এবং দ্বিতীয় দল মালদা জেলায় মূলত আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখবে। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবেন। 

    আরও পড়ুুন: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    তিনজন করে সদস্য প্রতি দলে

    চিঠি থেকে জানা গিয়েছে, প্রতিটি দলে তিন জন করে সদস্য থাকবেন। একটি দলের দায়িত্বে থাকবেন গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার। সিনিরয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী এবং আন্ডার-সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং নিজেও থাকবেন। এই টিম পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন অংশে যাবে। অন্যদিকে,মালদার টিমের নেতৃত্বে থাকবেন মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং। এছাড়াও থাকবেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pradhan Mantri Awas Yojana: ‘বেচাল দেখলেই ইমেল করুন’, কেন লিখলেন শুভেন্দু ?

    Pradhan Mantri Awas Yojana: ‘বেচাল দেখলেই ইমেল করুন’, কেন লিখলেন শুভেন্দু ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শর্ত-নিষেধাজ্ঞাই সার! এখনও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awas Yojana) বদলে বাংলা আবাস যোজনা (Bangla Awas Yojana) নাম ব্যবহার করে চলেছে রাজ্য। সম্প্রতি আবাস প্লাস (প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের পরবর্তী সংযোজন) প্রকল্পের উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া শুরু হবে। কেন্দ্রের নির্দেশ, টাকা পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। কেন্দ্রের এই প্রকল্পের নামই আমূল বদলে দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রকল্পের নাম হয়েছে বাংলা প্লাস প্রকল্প। এরই প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উগরে দিয়েছেন ক্ষোভ।

    আবাস প্লাস প্রকল্প…

    আবাস প্লাস প্রকল্পের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির পোস্টার তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। নীচে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রীও বাদ, বাংলাও বাদ!!! কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ছবি জ্বলজ্বল করছে। তিনি লিখেছেন, পোস্টারটি শাসক দলের নিযুক্ত একটি কর্পোরেট সংস্থার মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) (গ্রামীণ) প্রকল্পের নতুন নামকরণ করা হয়েছে…

    এরপর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা পোস্টে লিখেছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সারা দেশে এই প্রকল্পে মোট ২ কোটি ৯৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। উক্ত প্রকল্পের অধীন রাজ্য সরকারকে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুমোদন করা হয়নি। কারণ এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন অভিযোগ ও অসন্তোষজনক তথ্য জমা পড়ে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রকল্পের নাম বদলে বাংলা আবাস যোজনা করা হয়।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এত এফআইআর দায়ের হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি…

    শুভেন্দু এও উল্লেখ করেছেন, বেশ কয়েকটি নিয়ম বা শর্ত মেনে চলতে হবে রাজ্য সরকারকে। সেই শর্তের একেবারে এক নম্বরেই লেখা হয়েছে… প্রকল্পের আসল নাম প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) (গ্রামীণ) ও লোগো জনগণকে অবগত করানোর জন্য প্রকল্পের তথ্য সহ সাইনবোর্ড প্রদর্শন করতে হবে। কেন্দ্রীয় গাইডলাইন অনুসারে এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মিত প্রতিটি বাড়িতে তা লাগাতে হবে। অন্য কোনও নাম লোগো বা ব্র্যান্ডিং এই সকল বাড়িতে লাগানো যাবে না। একেবারে সরাসরি নিয়মের কথা উল্লেখ করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পোস্টের শেষে তিনি লিখেছেন, কোনও বেচাল দেখলে ইমেল করুন এখানে…

    Min-mopr@gov.in

    officeministerahdf@gmail.com

    এর সঙ্গে নিজের ইমেল আইডি adhikarisuvenduwb1@gmail.com উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    এদিকে, আবাস যোজনার কাজ করতে রাজি নন আইসিডিএস কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৮-র তালিকা যাচাইয়ের কাজ করতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। এরই প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদ জিয়াগঞ্জ ব্লকের বিডিও অফিস ও আইসিডিএস অফিসে ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share