Tag: Pralhad Joshi

Pralhad Joshi

  • Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ২৫ শতাংশ কম দামে মুগ-মুসুর ডাল পাওয়া যাবে। দেশের মধ্যবিত্ত মানুষকে স্বস্তি দিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বড় পদক্ষেপ। বুধবার কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতর এই ডাল বিক্রি (Pulse Price) প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের পুজোর আগে থেকে মাছ, মাংস, সবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবন নাজেহাল হয়ে উঠছে। অগ্নিমূল্যের জেরে নিচুতলার মানুষের পকেটে রীতিমতো টান পড়েছে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত বিশেষ টাস্ক ফোর্সের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই বলে দাবি আমজনতার। এখন কেন্দ্রের উদ্যোগে ডালের দামে ছাড় মেলায় কিছুটা পরিত্রাণ মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা (Pulse Price)

    কেন্দ্রীয় সরকার ভারত ব্রান্ডের নামে ভর্তুকিযুক্ত দামে ছোলা, মুগ এবং মুসুরের ডাল (Pulse Price) বিক্রি করে থাকে। এইবার এই প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত ডালের মূল্যের উপর ভর্তুকির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। কম দামে ভালো ডাল মিলবে বলে এখন ক্রেতারা উচ্ছ্বসিত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, “ডালের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার মোট ৩ লক্ষ টন চানা বা ছোলার ডাল এবং ৬৮ হাজার টন মুগ ডাল রিলিজ করেছে বাফার স্টক থেকে।”

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেনা হচ্ছে ডাল

    ভারত ব্রান্ডের অধীনে গোটা ছোলার ডাল ৫৮ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। ভাঙা ছোলার ডালের (Pulse Price) দাম রয়েছে কেজি প্রতি ৭০ টাকা। এছাড়া মুসুর ডাল ৮৯ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। বিভিন্ন সরকারি কো-অপারেটিভ কেন্দ্রগুলিতে ওই ব্রান্ডের ডাল পাওয়া যাবে। এই ডালের মূল্য হবে খুচরো বা অনলাইনে বিক্রিত মূল্যের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম। ভারত ব্রান্ডের ডাল বিক্রির মাধ্যমে একদিকে যেমন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তেমনি ভাবে উৎসবের মরশুমে বাজারের পর্যাপ্ত জোগানও থাকবে ডালের। কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য, “ডালের উৎপাদন বাড়াতে গত খরিফ মরশুমেই কৃষকদের ভাল গুণমানের বীজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে অরহর, উরদ ও মুগ ডাল কেনা হচ্ছে কৃষকদের কাছ থেকে। কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নই একান্ত লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pralhad Joshi: ক্ষমতায় থাকতে বিনামূল্যে কংগ্রেস কেন রেশন দেয়নি? তোপ প্রহ্লাদ যোশীর

    Pralhad Joshi: ক্ষমতায় থাকতে বিনামূল্যে কংগ্রেস কেন রেশন দেয়নি? তোপ প্রহ্লাদ যোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লকডাউনের সময় থেকেই দেশের প্রায় ৮০ কোটি মানুষের জন্য বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা চালু করেছে মোদি সরকার। লোকসভা নির্বাচনের মাঝেই কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে জানান, ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় এলে প্রত্যেককে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল-গম দেওয়া হবে। এ নিয়েই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘ইউপিএ সরকারের আমলে ১০ বছরে কংগ্রেস মানুষকে বিনা পয়সায় কেন ১০ কেজি আনাজ দিল না?’’

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? 

    সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Pralhad Joshi) বলেন, ‘‘এখন ১০ কেজি চালের কথা বলছেন। অথচ ইউপিএ সরকারের সময় ১০ বছরে কংগ্রেস মানুষকে বিনা পয়সায় কেন ১০ কেজি আনাজ দিলেন না? কংগ্রেস দারিদ্র্য নিয়ে বলছে, অথচ আমি ওদের আইএমএফের রিপোর্ট তুলে ধরেই বলতে চাই এনডিএ সরকার ১৩ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে এনেছে। ইন্ডি গঠবন্ধন মানে ঝুট আর লুট। মিথ্যা আর লুঠ করা।’’

    স্বাতী মালিওয়াল নিগ্রহকাণ্ড

    অন্যদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়িতে দলেরই সাংসদ স্বাতী মালিওয়ালের নিগ্রহকাণ্ডে কেজরিওয়াল সরকারকে এক হাত নেন প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, একজন রাজ্যসভার সাংসদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এমনটা হতে পারে তা তিনি ভাবতেও পারেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pralhad Joshi: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    Pralhad Joshi: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সংসদীয় দলের তরফ থেকে সোনিয়া গান্ধী চিঠি লিখেছিলেন নরেন্দ্র মোদিকে। সেখানে সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেন, বিরোধীদের না জানিয়ে সংসদের অধিবেশন ডেকেছে সরকারপক্ষ এবং ‘ইন্ডিয়া বনাম ভারত’ সহ আরও ন’টি বিষয়ে আলোচনা করার আর্জিও জানিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। বুধবার সকালে সোনিয়া গান্ধীর এই প্রশ্নের জবাব সন্ধ্যাতেই খোলা চিঠির মাধ্যমে দিলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। 

    খোলা চিঠিতে সোনিয়া গান্ধীকে কী বলেছেন প্রহ্লাদ?

    প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi) জানিয়েছেন, আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কোনও আলোচ্যসূচি স্থির করেনি সরকার। পাশাপাশি সংসদের কাজকে রাজনীতিকরণ করছেন সোনিয়া, এমন অভিযোগও তুলেছেন প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। সংসদীয় মন্ত্রীর মতে, অহেতুক বিতর্ক তৈরি করতে চাইছেন কংগ্রেস নেত্রী। সোনিয়া গান্ধীর চিঠিকে দুর্ভাগ্যপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেছেন সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন সোনিয়া গান্ধী, এমন অভিযোগও শোনা যায় সংসদীয় মন্ত্রীর গলায়।

    সোনিয়াকে সংসদীয় নিয়ম মনে করালেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী

    “আপনি জানেন, সাংবিধানের ৮৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিয়মিত সংসদের অধিবেশন হয়। সময়ে সময়ে সংসদের প্রতিটি কক্ষে তাঁর উপযুক্ত সময়ে এবং স্থানে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি। নিয়ম অনুযায়ী, দুটি অধিবেশনের মধ্যে ছয় মাসের বেশি ব্যবধান রাখা যায় না। আমাদের সরকার সর্বদা যে কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আপনি যে সমস্ত বিষয়ের উল্লেখ করেছেন, সদ্য সমাপ্ত বাদল অধিবেশনে অনাস্থা প্রস্তাবের উপর আলোচনার সময় সেগুলি তোলা হয়েছিল। সরকার সেগুলির জবাবও দিয়েছে। অধিবেশনের আলোচ্যসূচি, রীতি মেনে উপযুক্ত সময়ে প্রকাশ করা হবে। আমি (Pralhad Joshi) আবারও জানাতে চাই, সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, আজ পর্যন্ত সংসদীয় অধিবেশন ডাকার সময় আগে থেকে এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যায় যাচ্ছে ৪৫০ কেজির ধামসা, ৪,৬০০ কেজির ধ্বজ দণ্ড

    Ram Mandir: আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যায় যাচ্ছে ৪৫০ কেজির ধামসা, ৪,৬০০ কেজির ধ্বজ দণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিল ৪৫০ কেজি ওজনের একটি ধামসা এবং ৪,৬০০ কেজির ধ্বজ দণ্ড। যাত্রার সূচনা করেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য এই সামগ্রী নিবেদন করা হয়েছে। এই বিরাট ধামসা এবং ধ্বজ দণ্ড স্থাপনা করা হবে রাম মন্দিরে।

    উল্লেখ্য, আগেও নানান সামগ্রী মন্দিরের উদ্দেশে পাঠানোর কথা জানা গিয়েছে। যেমন বিরাট মাপের ঘণ্টা, বিরাট মাপের তালা-চাবি, বিরাট মাপের ধুপকাঠি, এবং বাংলা থেকে বিরাট ফাইবারের রামের মূর্তি পাঠানোর কথা সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। এছাড়াও সীতার বাপের বাড়ি নেপাল থেকে আসবে শ্রীরাম লালার অভিষেকের গয়না, অলঙ্কার, সাজ এবং ভোগের সামগ্রী। রামনগরীতে এখন সাজো সাজো রব। মাত্র হাতে গোনা কয়েকদিন পরেই মন্দিরের উদ্বোধন।

    ৭০০ কেজি ওজনের রথ

    সূত্রের খবর, সেই সঙ্গে এই বিরাট পতাকা এবং দণ্ড বহনকারী রথটির ওজন হবে ৭০০ কেজি। এগুলি অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য এই বিরাট নির্মাণ করেছেন ‘অল ইন্ডিয়া ডাবগার সমাজ’। আগামী ২২ জানুয়ায়রি রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং অভিষেক সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশজুড়ে তাই প্রস্তুতি ব্যাপক তুঙ্গে। বারাণসীর পুরোহিত, লক্ষ্মী কান্ত দীক্ষিত রামলালার অভিষেক অনুষ্ঠানের মূল আচার অনুষ্ঠান করবেন। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অযোধ্যায় অমৃত মহোৎসব পালন করা হবে। একটি ১০০৮ হুন্ডি মহাযজ্ঞেরও আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে হাজার হাজার ভক্তকে প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    হনুমানের দেশ থেকে আসবে মূর্তি

    কর্নাটকের ভাস্কর শিল্পী যোগীরাজ অরুণের খোদাই করা মূর্তিটি নির্বাচিত হয়েছে মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের জন্য। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে মূর্তিটির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী সোমবার তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হনুমানের দেশ থেকে একজন প্রখ্যাত প্রতিমা নির্মাতার মূর্তি রাম মন্দিরে স্থাপনের স্বরূপটি সকলে দেখতে পাবেন। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। আগামী বছর নির্বাচন থাকায় পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এবারও বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। যেহেতু সামনেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন এবং চলতি বছর রয়েছে অন্তত ১০টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, তাই এবারের বাজেটে থাকতে পারে একাধিক চমক। এবার বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। শুক্রবার একথা জানান সংসদ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি, চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ৬৬-রও বেশি দিনের মধ্যে অধিবেশন হবে ২৭ দিন। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার পর মোশন অফ থ্যাঙ্কস, কেন্দ্রীয় বাজেট এবং অন্য আইটেমগুলিও হবে।

    বাজেট অধিবেশন…

    কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন পর্বে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত সংসদ ছুটি থাকবে। সূত্রের খবর, ৩১ জানুয়ারি শুরু হওয়া অধিবেশন চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার পর ছুটি থাকবে। ফের অধিবেশন (Budget Session) শুরু হবে ১৩ মার্চ। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধে সংসদের উভয় কক্ষ মোশন অফ থ্যাঙ্কসের ওপর আলোচনা করবে। পরে আলোচনা হবে বাজেট নিয়ে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর যে মোশন অফ থ্যাঙ্কস হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর বাজেট অধিবেশনে যে আলোচনা হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ করানো হবে বাজেট এবং অর্থ বিল।

    আরও পড়ুুন: বিচারপতি মান্থার এজলাসের ঘটনা নিন্দনীয়! রাজ্যে আসছে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    এদিকে সেন্ট্রাল ভিস্তা ডেভলপমেন্টের অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ। যাঁরা সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ করছেন, তাঁরা জানান বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধ হবে সংসদের নয়া ভবনে। প্রসঙ্গত, গত অধিবেশনে লোকসভায় পেশ হয়েছিল ৯টি বিল। তার মধ্যে এই সভায় পাশ রয়েছিল ৭টি। আর রাজ্যসভায় পাশ হয়েছিল ৯টি বিল। গত অধিবেশনে সংসদের দুটি কক্ষে পাশ হয়েছিল ৯টি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • BJP Attacks TMC: তৃণমূল ‘উদ্ধত’, ডেরেককে তোপ প্রহ্লাদ জোশীর

    BJP Attacks TMC: তৃণমূল ‘উদ্ধত’, ডেরেককে তোপ প্রহ্লাদ জোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ধারিত সময়ের চার দিন আগেই মুলতুবি হয়ে গিয়েছে  সংসদের বাদল অধিবেশন। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলেরাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien)। এবার তাঁকেই কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। তৃণমূলকে (TMC) উদ্ধত (Arrogant) বলেও দাগিয়ে দেন তিনি।

    মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার দাবিতে সরকার এবং বিরোধী পক্ষের মধ্যে বারবার বিতণ্ডার জেরে এবারের বাদল অধিবেশন মুলতুবি হয়েছে একাধিকবার। প্রথম দু সপ্তাহ কোনও বিতর্কই হয়নি। এমতাবস্থায় নির্ধারিত ১২ অগাস্টের চারদিন আগে মুলতুবি করে দেওয়া হয় অধিবেশন। তার পরেই প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েন। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে এই নিয়ে টানা সাতবার সংসদের অধিবেশন সংক্ষিপ্ত করা হল। সংসদকে উপহাস করবেন না। আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই প্রচেষ্টা রুখে সংসদের পবিত্রতা রক্ষা করব। অমিত শাহ এই মহান প্রতিষ্ঠানকে গুজরাট জিমখানায় (Gujarat Gymkhana) পরিণত করার যে চেষ্টা চালাচ্ছেন, তা প্রতিরোধ করব।

    আরও পড়ুন : ট্যুইটে ডেরেকের জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী, কী বললেন তৃণমূল সংসদকে?

    ডেরেকের তিরকে তুলোধোনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। ট্যুইট বার্তায় ডেরেককে নিশানা করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংসদের পবিত্রতা নিয়ে তৃণমূল নেতার শিক্ষাদান বন্ধ হওয়াই উচিত। এর পরেই তৃণমূলকে উদ্ধত আখ্যা দেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশ্ন, কতগুলি দিন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় কাজ হয়?  রাজ্য বিধানসভা মমতা জিমখানায় পরিণত হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, এ মাসের ১২ তারিখ পর্যন্ত চলার কথা ছিল বাদল অধিবেশন। তার আগে সোমবার বিকেলে মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের উভয় কক্ষ লোকসভা ও রাজ্যসভার অধিবেশন। বিজেপি সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহে দুদিন সরকারি ছুটি। একটি মহরম ও অন্যটি রাখিবন্ধনের। রাখিবন্ধনের অনুষ্ঠান পালন করতে সিংহভাগ সাংসদ স্ব স্ব এলাকায় গিয়ে এই উৎসবে অংশ নেবেন। তাই বাদল অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয় নির্ধারিত সময়ের চারদিন আগেই।

     

  • All Party Meeting: সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, কী বললেন প্রহ্লাদ যোশী?

    All Party Meeting: সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, কী বললেন প্রহ্লাদ যোশী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon session)। তার আগে রবিবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meeting) বসল সরকার। রবিবার সকাল ১১টায় সংসদের অ্যানেক্স ভবনে বসে বৈঠক। সরকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। শনিবার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) ডাকা বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। তবে এদিন তৃণমূলের তরফে সর্বদল বৈঠকে হাজির ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের তরফে হাজির ছিলেন জয়রাম রমেশ, মল্লিকার্জুন খাড়গে।

    প্রথা মাফিক সংসদে প্রতিটি অধিবেশন শুরুর একদিন আগে সর্বদল বৈঠক ডাকে সরকার। রীতি মেনে ওই বৈঠকে হাজির হয় সব দলই। সংসদের কাজকর্ম স্বাভাবিক এবং সচল রাখতে বৈঠকে বিরোধীদের সহযোগিতা চায় সরকার। এদিনের বৈঠকে গরহাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। এ নিয়ে ট্যুইট বার্তায় কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ। তিনি লেখেন, সংসদে চলছে সর্বদল বৈঠক। অথচ প্রধানমন্ত্রীই সেই বৈঠকে নেই। এটা কী অসংসদীয় আচরণ নয়?

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    কংগ্রেসের এই প্রশ্ন-বাণের উত্তর দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগেও সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিতেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, মনমোহন সিংজি কতবার সর্বদলীয় বৈঠকে অংশ নিয়েছেন?  যোশী জানান, চলতি অধিবেশনে ৩২টি বিল আনবে সরকার। যার মধ্যে ১৪টি বিলই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। তবে আলোচনা ছাড়া যে সরকার পক্ষ বিল পাশ করাবে না এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশন চলবে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। এই অধিবেশন পর্ব চলাকালীনই হবে রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

     

LinkedIn
Share