Tag: Prashant Kishor

Prashant Kishor

  • Lok Sabha Election 2024: আসন্ন ভোটে বাংলায় আসন সংখ্যায় বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    Lok Sabha Election 2024: আসন্ন ভোটে বাংলায় আসন সংখ্যায় বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ভোট রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে নিয়ে করলেন বড় ভবিষ্যদ্বাণী। ‘পিকে’ (এই নামেই বেশি পরিচিত) জানিয়েছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) পশ্চিমবঙ্গে অভূতপূর্ব সাফল্য পেতে চলেছে বিজেপি। বাংলায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিজেপি উঠে আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা ভোটের পরে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দেবে বলেও মত প্রশান্ত কিশোরের। তাঁর আরও বক্তব্য, তৃণমূলের জন্য কঠিন দিন আসছে। এই ধরনের বিবৃতি দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কর্মীরা যে তাঁকে বিজেপির এজেন্ট বলে তোপ দাগবেন সে কথাও বলতে ভোলেননি, একদা তৃণমূলের এই ‘স্ট্র্যাটেজি মেকার’।

    ‘‘বঙ্গে বিজেপির চমৎকার সাফল্য দেখতে তৈরি থাকুন’’

    হায়দরাবাদে ‘দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেন প্রশান্ত কিশোর। এবং সেখানে তিনি বলেন, ‘‘আমি অনুমান করছি যে বিজেপি সমস্ত দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের থেকে খুব ভালো ফল করবে। আগামী লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বাংলা থেকে বিজেপির চমৎকার সাফল্য দেখতে সবাই তৈরি থাকুন। আমার মনে হয় যে আগামী লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সবথেকে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে উঠে আসবে। এই কথা বলার কারণে অনেকে আমাকে বিজেপির এজেন্ট বলবে। কিন্তু যদি আমি এই আসল সত্য না বলি তাহলে এটা ভুল হবে। কারণ আমি একজন পেশাদার। নিজের পেশার ক্ষেত্রে আমি সৎ।’’

    তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কঠিন সময়

    প্রশান্ত কিশোর এরপরে আরও বলেন, ‘‘আমি কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র নই যে আমাকে পার্টি যেটা বলে দেয় সেটা বলতে হয়। কিন্তু এটা তথ্য আছে আমার কাছে। আমি দেখতে পাচ্ছি যে বিজেপি অনেক বড় কামব্যাক করতে চলেছে বাংলায়। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের জন্য অত্যন্ত নিরাশাজনক খবর হবে সেটা। আমি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কঠিন সময় (Lok Sabha Election 2024) দেখতে পাচ্ছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Prashant Kishor: ‘আমার কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই’, প্রশান্ত কিশোর কেন বললেন একথা?

    Prashant Kishor: ‘আমার কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই’, প্রশান্ত কিশোর কেন বললেন একথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমি কেন ভোটে (Election) লড়ব? এসব নিয়ে আমার কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। বর্তমানে নিজের রাজ্য বিহার চষে বেড়াচ্ছেন আইপ্যাকের প্রতিষ্ঠাতা। যেই তিনি পথে নেমেছেন অমনি সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্রশান্তর পুরানো দল জনতা দল (ইউনাইটেড) (JDU)। ওই দলের নেতারা পিকে-কে ‘ধান্দাবাজ’ বলে তোপ দেগেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধেও পাল্টা তোপ দেগে চলছেন প্রশান্ত কিশোর। এহেন উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে ইলেকশন স্পেশালিস্ট সাফ জানালেন, ভোটে লড়ার মতো বিষয়ে তাঁর কোনও উচ্চাকাঙ্খা নেই।

    কেন পদযাত্রা করছেন পিকে? 

    বিহারে ৩ হাজার ৫০০ কিমি দীর্ঘ পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। প্রচার চালাচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়। যাচাই করছেন জনমত। অদূর ভবিষ্যতে সেই জনমতের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করবেন প্রশান্ত কিশোর। জন সূরয নামে একটি সংগঠন গড়েছেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট। এই সংগঠনকে রাজনৈতিক দলের মর্যাদা দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে আয়োজন করেছেন কনভেনশনের। এরকমই একটি জেলা কনভেনশনে প্রশান্ত কিশোর সাফ জানিয়ে দেন, ভোটে তিনি দাঁড়াবেন না। তবে বিহারে বিকল্প রাজনৈতিক নেতা তৈরির প্রতিজ্ঞা করেছেন আইপ্যাক কর্তা।

    আরও পড়ুন: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    এক সময় নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। পরে নীতীশ কুমারের সঙ্গে মনান্তরের জেরে নীতীশ-সঙ্গ ছাড়েন তিনি। এদিন প্রশান্ত বলেন, যেহেতু আমি নিজের স্বাধীন পথ বেছে নিয়েছি, তাই নীতীশ কুমার ও তাঁর দালালরা আমার ওপর অসন্তুষ্ট। জেডি (ইউ) নেতারা আমাকে তিরস্কার করতে পছন্দ করেন। তাঁদের উচিত নীতীশ কুমারকে জিজ্ঞাসা করা যে আমার রাজনৈতিক বোঝাপড়া না থাকলে আমি দু বছর তাঁর বাসভবনে কী করছিলাম?

    আগেকার নীতীশ কুমারের সঙ্গে যে বর্তমানের নীতীশ কুমারের পার্থক্য রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কুমার (Prashant Kishor)। তিনি বলেন, ১০ বছর আগের তিনি (নীতীশ কুমার) আর আজকের নীতীশ কুমারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলের পরাজয়ের জন্য নৈতিক দায় স্বীকার করে তিনি নিজে তাঁর চেয়ার ছেড়ে দিয়েছিলেন। পিকে বলেন, আর এখন ক্ষমতায় থাকার জন্য যে কোনও ধরনের আপস করতে রাজি তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • PK: ‘নীতীশজি বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা বলছেন’, তোপ পিকের

    PK: ‘নীতীশজি বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা বলছেন’, তোপ পিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনতা দল ইউনাইটেডকে (Jdu) কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব নীতীশ কুমারকে দিয়েছিলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (PK)। বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে তাঁকে পাল্টা একহাত নিলেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি বলেন, নীতীশজি বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা বলছেন।

    বৃহস্পতিবার নীতীশ কুমার প্রশান্ত কিশোরকে (PK) নিশানা করে বলেন, চার পাঁচ বছর আগে তিনি আমাকে কংগ্রেসে মিশে যেতে বলেছিলেন। তিনি বিজেপিতে গিয়েছেন এবং সেই মতো কাজ করছেন।শুক্রবার তারই পাল্টা দিলেন ভোটকুশলী। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, নীতীশজি বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলছেন। রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। তিনি কিছু একটা বলতে চাইছেন, কিন্তু সম্পূর্ণ অন্য একটি কথা বলে শেষ করছেন। প্রশান্ত কিশোর (PK) বলেন, প্রথমে তিনি বললেন আমি বিজেপির অ্যাজেন্ডা মতো কাজ করছি। পরে তিনি দাবি করলেন আমি তাঁর দলকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছি। দুটোই কীভাবে সম্ভব? আমি যদি বিজেপির হয়ে কাজ করি, তাহলে আমি কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার কথা বলব কী করে? শেষের দাবিটি যদি সত্য হয়, তাহলে তাঁর (নীতীশের) প্রথম বক্তব্যটি মিথ্যে।

    নীতীশকে আক্রমণ শানিয়ে এদিন একটি ট্যুইটও করেন প্রশান্ত কিশোর (PK)। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বয়স নীতীশজির ওপর প্রভাব ফেলছে। তিনি এক বলতে চাইছেন, কিন্তু অন্য কথা বলছেন। আমি যদি বিজেপির অ্যাজেন্ডায় কাজ করতাম, তাহলে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার কথা বলব কেন? তিনি বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলছেন। রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। যাঁরা তাঁকে ঘিরে রয়েছেন, তাঁদের তিনি বিশ্বাসই করতে পারেন না। ২০১৮ সালে নীতীশের হাত ধরেই জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর (PK)। প্রখর রাজনীতির জ্ঞানের কারণে দলে যোগ দেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রশান্ত কিশোরকে দলের জাতীয় সহ সভাপতি করেছিলেন নীতীশ। পরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সহ নানা বিষয়ে নীতীশের সঙ্গে মতদ্বৈততার সৃষ্টি হয় পিকের। দলের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করতে থাকেন প্রশান্ত কিশোর (PK)। এর পরেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন : প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়। শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানালেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। সম্প্রতি দিল্লি (Delhi) গিয়ে বিজেপি (BJP) বিরোধী কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এদিন তাঁকেই কটাক্ষ করেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি বলেন, কেবল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলাম আর চারজন নেতার সঙ্গে চা খেলাম, এতে আম জনতার কিছু আসে যায় না। তাই নির্বাচনেও এর কোনও প্রভাব পড়ে না।

    এক সময় নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ছিলেন পিকে (PK)। পরে নীতীশের সঙ্গে মনান্তরের জেরে দল ছাড়েন তিনি। এদিন নীতীশকে নিশানা করে প্রশান্ত কিশোর বলেন, ভোটে লড়ার ক্ষমতা কিংবা বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে শুধু বৈঠক করে কী হবে? বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েছেন নীতীশ। ঘটনাটি, প্রশান্ত কিশোরের মতে, রাজ্যের ঘটনা। অন্য কোনও রাজ্যে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও মহারাষ্ট্রে মহাজোট সরকার ছিল। এখন সেখানে এনডিএ সরকার চলছে। বিহারে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। জেডিইউ দলের প্রাক্তনী প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি যাওয়ার কোনও প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে পড়েনি।

    আরও পড়ুন :আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর বলেন, ২০১৫ সালে মানুষ ভোট দিয়েছিলেন মহাজোটের পক্ষে। কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচনে মানুষ তাদের জেতায়নি। বিহার রাজনীতির এই ধাক্কা এবং দুই ভোটের ফল দেশের সাধারণ নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলেনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে দিল্লি গিয়ে বিজেপি বিরোধী দশ দলের নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তাতে আদৌ কোনও লাভ হবে না বলেই মনে করেন ভোট কুশলী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাইছেন নীতীশ। তাই শুরু করেছেন সলতে পাকানোর কাজ। তবে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন যে অধরাই থেকে যাবে, এদিন সেদিকেই ইঙ্গিত করেন প্রশান্ত কিশোর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরকে (Prashant Kishor) কোনও অফার দেওয়া হয়নি। সাফ জানিয়ে দিলেন জনতা দল ইউনাইটেড (jdu) প্রধান লালন সিং। জেডিইউয়ের ওই নেতা জানান, বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক হলেও, তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।

    এক সময় নীতীশের দল জেডিইউয়ের নেতা ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। পরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করায় ২০২০ সালে জেডিইউ থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে। তার পর থেকে আর নীতীশ-প্রশান্ত মুখোমুখি হননি। সম্প্রতি ফের একবার নীতীশ-প্রশান্ত বৈঠকে বসেন। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় প্রশান্তের পুরানো দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ফিরছেন ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রশান্তকে যে সময় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, সেই সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাচ্ছিলেন নীতীশ কুমার। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের সমালোচনা সহ্য করতে পারেননি জেডিইউ সুপ্রিমো। তার জেরেই বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    মাসদুয়েক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী। তার পর এই প্রথম নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রশান্ত। জনতা দল ইউনাইটেড প্রধান লালন সিং শনিবার জানান, কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি বলেন, ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি মার্কেটিং করে চলেছেন। জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে কোনও অফার করা হয়নি। তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই মতো দেখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভোট জয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রশান্তের একটি সংস্থা রয়েছে। নাম আইপ্যাক। প্রশান্তের এই সংস্থা বিভিন্ন দলের হয়ে কাজ করে। একুশের ভোটে প্রশান্তের সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে কাজ করেছিল তৃণমূলের হয়ে। অনেকেরই ধারণা, তার জেরেই ফের বাংলার ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল সরকার।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share