Tag: Prayagraj

Prayagraj

  • Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের হরিশ্চন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন কখনও? গেলেই হয়তো দেখবেন, আপনার পাশ দিয়ে অতি সাধারণ পোশাক পরে সাইকেল চালিয়ে চলে গেলেন একজন মানুষ (Inspiring Story)। এই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী  তিনি। আপনি ভাবতেই পারবেন না যে আপনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন পদার্থবিদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন, কিংবা সেই সাইকেল চালানো মানুষটি একজন কোটিপতি। ইনি প্রফেসর অশোক সেন (Indian Scientist Ashoke Sen)। একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী যিনি নোবেল পুরস্কারের চেয়েও তিনগুণ বেশি অর্থমূল্যের একটি পুরস্কার পেয়েছেন, তবুও তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল জীবন যাপন করেন।

    কলকাতায় বেড়ে ওঠা অশোকের

    ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অশোক। তাঁর বাবা ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের পরিবারে বিজ্ঞানকে খুব সম্মান করা হত। ছোটবেলায় অশোক কোনও বিস্ময়কর প্রতিভাধর শিশু ছিলেন না, তিনি ছিলেন শুধুই কৌতূহলী। তিনি একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন, বোর্ডের পরীক্ষাও বাংলায় দিয়েছিলেন। কলেজে ওঠার পর তাঁকে পদার্থবিজ্ঞানের উত্তর ইংরেজিতে লেখা অনুশীলন করতে হয়, কারণ পরীক্ষাগুলি সেই ভাষায় হত। এটি সহজ ছিল না। তিনি ধীরে ধীরে শিখে নেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের কথা শোনেন, আইআইটি কানপুর। সেখানে যাওয়া মানে ছিল বাড়ি ছেড়ে অচেনা শহরে চলে যাওয়া, কিন্তু তাতে ছিল বড় সুযোগ। এক বন্ধুকে নিয়ে তিনি সেই ঝুঁকি নেন, ভর্তি হন আইআইটি কানপুরে। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবন (Inspiring Story)।

    দেশের জন্য মন কাঁদে

    আইআইটির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করেন, পরে গবেষণার জন্য গিয়েছিলেন বিশ্বের নামী গবেষণাগারগুলিতে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্মিল্যাব এবং স্ট্যানফোর্ড। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য সুযোগ (Indian Scientist Ashoke Sen)। তিনি চাইলে আমেরিকায় মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি নিয়ে স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু অশোকের মন কাঁদত ভারতের জন্য। তাই বিদেশে থাকার অনেক আকর্ষণীয় প্রস্তাব পাওয়া সত্ত্বেও, তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। আটের দশকের শেষ দিকে তিনি মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে তিনি আসেন প্রয়াগরাজের এই প্রতিষ্ঠানে। বড় শহরের কোলাহল থেকে দূরে তিনি পুরোপুরি গবেষণার কাজে ডুবে যান।

    স্ট্রিং থিওরি

    সেই সময় বিজ্ঞানীরা স্ট্রিং থিওরি নামে একটি জটিল তত্ত্ব নিয়ে লড়াই করছিলেন, যা মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। নয়ের দশকে প্রফেসর সেনের কাজ ছিল যুগান্তকারী। তিনি নতুন ধারণা দেন, যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ‘সেন কনজেকচার’-ও। এই ধারণা স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন রূপকে একসঙ্গে যুক্ত করতে সাহায্য করে (Indian Scientist Ashoke Sen)। তাঁর গবেষণা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে বিজ্ঞানীরা একে “সেকেন্ড সুপারস্ট্রিং রেভেলিউশন” বলে অভিহিত করেন (Inspiring Story)। সহজ কথায়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মকেই নতুনভাবে লিখতে সাহায্য করেছেন অশোক। ২০১২ সালে প্রফেসর সেন একটি ফোন কল পান, যা যে কাউকে বিস্মিত করবে। তাঁকে ‘ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সে’র প্রথম বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের অর্থ? তিন মিলিয়ন ডলার। তুলনা করলে দেখা যায়, এটি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের প্রায় তিন গুণ। প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে অফিসে যাওয়া সেই অধ্যাপকই রাতারাতি হয়ে গেলেন কোটিপতি। সবাই ভাবল তাঁর জীবন বদলে যাবে। তিনি কি দামী গাড়ি কিনবেন? বড় বাড়ি বানাবেন? হয়তো বিলাসবহুল জীবন কাটাবেন?

    অচেনা অশোক

    কিন্তু তাঁরা অশোককে (Indian Scientist Ashoke Sen) চিনতেন না। তিনি পুরস্কারের বড় একটি অংশ দান করে দেন ছাত্রদের সাহায্য এবং ভারতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কল্যাণে। আর পরের দিনই তিনি আবার সাইকেলে চেপে তাঁর ছোট, সাধারণ অফিসে চলে যান। সেখানে তিনি আবার চক হাতে নেন এবং ব্ল্যাকবোর্ডে সমীকরণ লেখা শুরু করেন (Inspiring Story)। তাঁর কাছে আসল আনন্দ ছিল কাজের মধ্যেই, মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে সেই রহস্যের সমাধান করার নিঃশব্দ আনন্দে। লাখ লাখ ডলার ছিল শুধু একটি উপায়, যাতে তরুণ বিজ্ঞানীরা তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন । অশোকের গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে মানুষ সম্পদ আর বাহাদুরি দেখাতেই ব্যস্ত, সত্যিকারের মহত্ত্ব প্রায়ই নীরব রূপে আসে। এটি এমন এক মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যিনি চাইলে অনেক গাড়ির মালিক হতে পারতেন (Inspiring Story) কিন্তু বেছে নেন সাইকেল, যিনি পৃথিবীর যে কোনও বোর্ডরুমে বসতে পারতেন, কিন্তু বেছে নেন ধুলোমাখা একটি ব্ল্যাকবোর্ড (Indian Scientist Ashoke Sen)।

  • Magh Mela 2026: প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রস্তুতি শুরু, কবে কবে অমৃত স্নান জানেন?

    Magh Mela 2026: প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রস্তুতি শুরু, কবে কবে অমৃত স্নান জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ৩-জানুয়ারি থেকে প্রয়াগরাজে (Prayagraj) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী মাঘ মেলা (Magh Mela 2026)। এই মাঘ মেলা ৩ জানুয়ারি (পৌষ পূর্ণিমা) থেকে শুরু হবে আর চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মহাশিবরাত্রি) পর্যন্ত। এক মাসব্যাপী এই ধর্মীয় সমাবেশকে ঘিরে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। মাঘ মেলার মূল আকর্ষণ পবিত্র অমৃত স্নান। গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থল ত্রিবেণী সঙ্গমে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই সময় পুণ্যস্নানে ডুব দেন। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিশ্বাস, এই স্নানের মাধ্যমে পাপমোচন ও আত্মিক শুদ্ধি লাভ হয়।

    শাহী স্নানের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি (Magh Mela 2026)

    প্রয়াগরাজের (Prayagraj) প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মাঘ মেলা ২০২৬-এ মোট ছ’টি প্রধান স্নান তিথি রয়েছে—

    • ৩ জানুয়ারি ২০২৬ (পৌষ পূর্ণিমা): মাঘ মেলার সূচনা ও কল্পবাসের শুরু
    • ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (মকর সংক্রান্তি): দ্বিতীয় অমৃত স্নান
    • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ (মৌনী অমাবস্যা): তৃতীয় অমৃত স্নান
    • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ (বসন্ত পঞ্চমী): চতুর্থ অমৃত স্নান
    • ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মাঘী পূর্ণিমা): কল্পবাসীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্নান
    • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মহাশিবরাত্রি): শেষ অমৃত স্নান ও মেলার সমাপ্তি

    এই দিনগুলিতে বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনা থাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় উত্তর প্রদেশ প্রশাসন।

    কল্পবাসের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব

    মাঘ মেলার (Magh Mela 2026) অন্যতম প্রধান দিক হল কল্পবাস। পৌষ পূর্ণিমা থেকে মাঘী পূর্ণিমা পর্যন্ত একমাস ধরে বহু ভক্ত ত্রিবেণী (Prayagraj) সঙ্গমতটে অস্থায়ী কুটির বা তাঁবুতে বসবাস করেন। এই সময় তাঁরা কঠোর নিয়ম মেনে জীবনযাপন করেন – প্রতিদিন ভোরে পুণ্যস্নান, উপবাস, প্রার্থনা, বেদপাঠ ও ধর্মীয় আলোচনায় অংশ নেন। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, কল্পবাস আত্মসংযম, শুদ্ধাচার এবং আত্মশুদ্ধির পথ হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক কল্পবাসী মকর সংক্রান্তির দিন থেকে এই ব্রত শুরু করেন।

    প্রশাসনের প্রস্তুতি

    মাঘ মেলা (Magh Mela 2026) ২০২৬ ঘিরে উত্তর প্রদেশ প্রশাসনের (Prayagraj) তরফে পরিচ্ছন্নতা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, মাঘ মেলা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং ভারতীয় সংস্কৃতি, শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

  • PM Modi: ‘‘ঐক্যের মহাকুম্ভে শোনা গেল যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি’’, নিজের ব্লগে লিখলেন মোদি

    PM Modi: ‘‘ঐক্যের মহাকুম্ভে শোনা গেল যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি’’, নিজের ব্লগে লিখলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, সম্পন্ন হয়েছে মহাকুম্ভ। শিবরাত্রির অমৃত স্নানের মাধ্যমে সমাপন হয় দেড় মাস ধরে চলা মহাকুম্ভের। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মহাকুম্ভকে নিয়ে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করলেন। নিজের ব্লগ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এই বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টকে ঐক্যের মহাকুম্ভ ও যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি বলে অভিহিত করেন। তিনি (PM Modi) লেখেন, ‘‘ঐক্যের মহাকুম্ভে শোনা গেল যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি!’’

    একভারত-শ্রেষ্ঠ ভারতের প্রতিবিম্ব গড়ে উঠেছে মহাকুম্ভে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মহাকুম্ভ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়াতে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ‘‘এই মহাকুম্ভে দিব্যতা ও ভব্যতার মেলবন্ধন যেমন দেখা গিয়েছে, তেমনি একভারত-শ্রেষ্ঠ ভারতের প্রতিবিম্বও গড়ে উঠেছে।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, ‘‘আমি সেই মুখগুলো কখনও ভুলব না, যেগুলো পূর্ণ সন্তুষ্টি এবং আনন্দে পরিপূর্ণ ছিল। নারী, বৃদ্ধ বা শারীরিকভাবে অক্ষম সবাই তাঁদের সাধ্য অনুযায়ী সঙ্গমে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।’’

    তরুণ প্রজন্ম বড় সংখ্যায় প্রয়াগরাজে উপস্থিত হয়েছেন

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) কেন্দ্র করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিপুল উৎসাহ দেখা গিয়েছে। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘‘আজকের তরুণ প্রজন্ম বড় সংখ্যায় প্রয়াগরাজে উপস্থিত হয়েছেন। এটা খুবই আনন্দজনক। এটি একটি বড় বার্তা দেয় যে, ভারতীয় যুব সমাজ আমাদের মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির উত্তরাধিকার বহন করে, তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব উপলব্ধি করে। তাঁরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’’ উত্তরপ্রদেশ সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সেরেছেন ৬৬ কোটি ভক্ত। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘আমেরিকার জনসংখ্যার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি লোক পবিত্র স্নান করতে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রয়াগরাজের সঙ্গমে। যা এক নয়া অধ্যায় রচনা করতে পেরেছে। এখানেই লেখা থাকবে, ভারতীয়রা তাঁদের শিকড়কে আজও ধরে রয়েছেন।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতে, মহাকুম্ভের (Mahakumbh) ব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে থাকা মানুষদের কাছে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। ৪৫ দিন ধরে ‘একতার মহাযজ্ঞ’ পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানান উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে।

  • Mahakumbh: দেড়মাস পরে সম্পন্ন মহাকুম্ভ, ৬৬ কোটি ভক্তের অংশগ্রহণে গড়ল নয়া ইতিহাস

    Mahakumbh: দেড়মাস পরে সম্পন্ন মহাকুম্ভ, ৬৬ কোটি ভক্তের অংশগ্রহণে গড়ল নয়া ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে প্রয়াগরাজে (Prayagraj) আয়োজিত হয় মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। গতকাল বুধবার মহা শিবরাত্রিতে তা শেষ হল। ১৪৪ বছর পরে অনুষ্ঠিত হওয়া এই মহাকুম্ভ শুধুমাত্র যে আধ্যাত্মিকতার দিক থেকে নয়া শিখর স্পর্শ করেছে এমনটাই নয়। উপরন্ত বিশ্বজুড়ে একাধিক রেকর্ডও স্থাপন করেছে হিন্দু ধর্মের এই পবিত্র উৎসব। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় মহাকুম্ভ। শেষ হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি। চলেছে টানা ৪৫ দিন অর্থাৎ দেড়মাস। ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ সরকার তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে মহাকুম্ভে (Mahakumbh) অংশগ্রহণ করেছেন ৬৬ কোটি ভক্ত। এঁরা প্রত্যেকেই পুণ্যস্নান সেরেছেন। পবিত্র ডুব দিয়েছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতাই মহাকুম্ভকে এতটা সফল করতে পেরেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। কেউ কেউ এমনটাও দাবি করছেন মহাকুম্ভের এত সুন্দর ও অভূতপূর্ব ব্যবস্থাপনা এর আগে কখনও দেখা যায়নি।

    ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছিল মহাকুম্ভ (Mahakumbh)

    প্রসঙ্গত, এবারের মহাকুম্ভ (Mahakumbh) যেন আক্ষরিক অর্থেই ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছিল। পাড়ায় পাড়ায় থেকে বাস-গাড়ি ভাড়া করে সকলেই পুণ্য স্নানের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। ভারতের প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লায় যেন মহাকুম্ভমুখী হয়ে উঠেছিল। এই মহাকুম্ভে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা থেকে কূটনীতিক, বলিউড থেকে ক্রীড়াবিদ- প্রত্যেকেই স্নান করেছেন। সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরালও হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কথায় বারবার উঠে এসেছে যে এ হল একতার মহাকুম্ভ।

    ৬৬ কোটি ভক্তের আগমন, অনেক দেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি

    প্রসঙ্গত, ৬৬ কোটিরও বেশি ভক্ত এই মহাকুম্ভে (Mahakumbh) অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড তৈরি করেছেন। পৃথিবীজুড়ে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও ইভেন্ট নেই যেখানে এত পরিমাণ মানুষ একসঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রসঙ্গত, ৬৬ কোটি মানুষ মানে গোটা ভারতবর্ষের অর্ধেক জনসংখ্যা। আবার এমন অনেক দেশ আছে পৃথিবীতে যেখানকার জনসংখ্যা ৬৬ কোটি মানুষের থেকে অনেক কম। অর্থাৎ ভাবাই যাচ্ছে মহাকুম্ভ কতটা সফল এবং ঠিক কী কী রেকর্ড তৈরি করতে পেরেছে। ২০২৫ সালের মহকুম্ভে ১৩টি আখরা অংশগ্রহণ করেছিল। এই প্রতিটি আখরার সাধু-সন্তরা নিয়ম মেনে অমৃতস্নানে অংশগ্রহণ করেছেন।

    মহাকুম্ভের খুঁটিনাটি (Mahakumbh)

    প্রসঙ্গত, যোগী আদিত্যনাথ সরকার মহাকুম্ভকে সাফল্যমণ্ডিত করতে চেষ্টার কোনও ত্রুটিই করেনি। মহাকুম্ভ নগর তৈরি করা হয়েছিল ৪,০০০ হেক্টর অঞ্চলজুড়ে। এর পাশাপাশি মহাকুম্ভকে ভাগ করা হয়েছিল ২৫টি সেক্টরে। শুধু তাই নয় ১২ কিমি জুড়ে তৈরি করা হয়েছিল শুধু স্নানের ঘাট। ১,৮৫০ হেক্টর জায়গা জুড়ে তৈরি ছিল গাড়ি পার্কিং-এর ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি মহাকুম্ভ নগরীজুড়ে ছিল ৬৭ হাজার স্ট্রিট লাইট। দেড় লাখেরও বেশি টয়লেট গড়ে তোলা হয়েছিল। ২৫ হাজারেরও বেশি অস্থায়ী আবাস তৈরি করা হয়েছিল মানুষজনের থাকার জন্য।

    অমৃত স্নানগুলিতে কত মানুষ অংশগ্রহণ করেন?

    উত্তরপ্রদেশ সরকার ৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল এই ইভেন্টের জন্য। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় মহাকুম্ভে বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৫ হাজার কোটি টাকা। ৪৫ দিনব্যাপী চলা মহাকুম্ভে ছটি অমৃতস্নানের আয়োজন করা হয়। ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পৌষ পূর্ণিমার অমৃত স্নান। ওই দিন অংশগ্রহণ করেন ১ কোটি ৭০ লাখ ভক্ত। মকর সংক্রান্তির অমৃতস্নান (Mahakumbh) অনুষ্ঠিত হয় ১৪ জানুয়ারি। ওই দিন অংশগ্রহণ করেন সাড়ে ৩ কোটি ভক্ত। এর পরের অমৃতস্নান অনুষ্ঠিত হয় মৌনী অমাবস্যায়। ওই দিন অর্থাৎ ২৯ জানুয়ারিতে অংশগ্রহণ করেন ৭ কোটি ৬৪ লাখ ভক্ত। বসন্ত পঞ্চমীর অমৃত স্নান যা অনুষ্ঠিত হয় ৩ ফেব্রুয়ারি। সেদিন অংশগ্রহণ করেন ২ কোটি ৫৭ লাখ ভক্ত। মাঘ পূর্ণিমার অমৃতস্নান যা অনুষ্ঠিত হয় ১২ ফেব্রুয়ারি, ওই দিন অংশগ্রহণ করেন ২ কোটি ৪ লাখ ভক্ত। মহা শিবরাত্রির অমৃতস্নান ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন অংশগ্রহণ করেন ১ কোটি ৫৩ লাখ ভক্ত।

    মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) কেন্দ্র করে বেড়েছে অর্থনীতি

    ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হওয়া মহাকুম্ভের অর্থনৈতিক দিকটিও সামনে এসেছে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) একটি সমীক্ষা চালিয়েছে এবং সেখানে জানানো হয়েছে যে পৃথিবীর বৃহত্তম এই যে ধর্মীয় সমাবেশ অর্থাৎ মহাকুম্ভ এখানেই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করে ও পরিষেবা দিয়ে আনুমানিক তিন লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা হয়েছে।

  • Mahakumbh: মহাকুম্ভের আকাশে বাতাসে ‘জয় শ্রী রাম’, ধ্বনি তুলছেন বাঙালি ভক্তরা

    Mahakumbh: মহাকুম্ভের আকাশে বাতাসে ‘জয় শ্রী রাম’, ধ্বনি তুলছেন বাঙালি ভক্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পরে মহাকুম্ভ (Mahakumbh) অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রয়াগরাজে। ইতিমধ্যেই সেখানে রচিত হয়েছে ইতিহাসও। পৃথিবীর বৃহত্তম ইভেন্টে ৬০ কোটি মানুষ নিজেদের পুণ্যস্নান সেরেছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। সেই প্রয়াগরাজেই এবার বাঙালিরা তুলছেন জয় শ্রী রাম ধ্বনি (Jai Shri Ram)। যা বর্তমান সময়ে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পশ্চিমবঙ্গ (Mahakumbh) থেকে আগত ভক্তরা দলে দলে প্রয়াগে জয় শ্রীরাম ধ্বনি তুলছেন এবং মহা কুম্ভের বিভিন্ন সেক্টর পরিদর্শন করছেন- এই দৃশ্যই ধরা পড়ল। একইসঙ্গে হর হর গঙ্গে, ব্যোম বাম ভোলে ধ্বনিও উঠছে সেখানে।

    মমতার মন্তব্য মানতে পারেনি হিন্দু সমাজের বড় অংশ (Mahakumbh)

    কেউ কেউ বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের তীর্থযাত্রীদের মহাকুম্ভে জয় শ্রী রাম ধ্বনি দেওয়ার পিছনে কাজ করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) মৃত্যুকুম্ভ বলে তোপ দেগেছেন। এতেই পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজের বড় অংশ অসন্তুষ্ট বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তারই প্রতিক্রিয়ায় এবার বাঙালিরা কুম্ভে গিয়ে ধ্বনি তুললেন জয় শ্রী রাম। অর্গানাইজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল রবিবার আসানসোল থেকেই দু হাজারেরও বেশি ভক্ত হাজির হয়েছিলেন ৪০টি বাসে করে পবিত্র প্রয়াগরাজে। কুম্ভ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পাড়ায় পাড়ায় উন্মাদনা নজরে পড়ছে। এমনটা আগে কখনও দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

    সমাজমাধ্যমে কড়া নজর যোগী সরকারের

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সরকার সমাজমাধ্যমে কড়া নজর রেখেছে। যাতে সেখানে মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) নিয়ে কোনও রকমের গুজব ছড়িয়ে না পড়ে। এ নিয়ে ডিজি প্রশান্ত কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে ৫০টা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যারা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে মহাকুম্ভ সম্পর্কে এবং গুজব ছড়াচ্ছে নানা রকম, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চাই।’’ মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজি সেখানকার ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন। সরকারের দুই উচ্চপদস্থ এক আধিকারিক বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ (Mahakumbh) শুরু হয়েছিল ১৩ জানুয়ারি থেকে, তা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছে। প্রতিদিনই এক কোটি ভক্ত পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন সাধু-সন্ন্যাসী। তাঁরা সনাতন ধর্মের বিভিন্ন আখড়া থেকে এসেছেন।’’

  • Mahakumbh: ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ অমৃত স্নান, জোরকদমে প্রস্তুতি যোগী সরকারের, বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল

    Mahakumbh: ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ অমৃত স্নান, জোরকদমে প্রস্তুতি যোগী সরকারের, বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। শেষ হচ্ছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রির দিন। যোগী আদিত্যনাথ নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার মহা শিবরাত্রির স্নানের জন্য ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর (Yogi Adityanath) নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের মুখ্য সচিব মনোজ কুমার সিং এবং পুলিশের ডিজি প্রশান্ত কুমার মহাকুম্ভ (Mahakumbh) নগর পরিদর্শন করেছেন। সেখানকার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। অন্যদিকে, এই শেষ পুণ্যস্নানে যেন ভক্তদের যাতে কোনওরকমের অসুবিধা না হয় সেদিকে তাকিয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতীয় রেলও।

    কী বললেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজি

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উত্তরপ্রদেশের ডিজি প্রশান্ত কুমার বলেন, ‘‘আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবস্থা করছি যাতে তীর্থযাত্রীদের কোনওরকম অসুবিধা না হয়। ট্রাফিক কন্ট্রোল কিভাবে করা হবে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ কিভাবে করা হবে এবং তীর্থযাত্রীরা সহজেই কীভাবে পুণ্যস্নান করতে পারবেন, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া চলছে। আমরা মনে করি, আমাদের এই চেষ্টায় ভক্তদের কোনও রকমের অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে না।’’

    সমাজমাধ্যমে কড়া নজর যোগী সরকারের

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমের দিকেও কড়া নজর রেখেছে। যাতে সেখানে মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) নিয়ে কোনও রকমের গুজব না ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ডিজি প্রশান্ত কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘ইতিমধ্যে ৫০টা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যারা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে মহাকুম্ভ সম্পর্কে এবং গুজব ছড়াচ্ছে নানা রকম, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চাই।’’ মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজি সেখানকার ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন। সরকারের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ (Mahakumbh) যা শুরু হয়েছিল ১৩ জানুয়ারি থেকে, তা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছে। প্রতিদিনই এক কোটি ভক্ত পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন সাধু-সন্ন্যাসী। তাঁরা বিভিন্ন আখড়া থেকে এসেছেন সনাতন ধর্মের।’’

    বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারতীয় রেল

    কুম্ভের শেষ পুন্যস্নান ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা করছে ভারতীয় রেলও। পুণ্যার্থীদের ভিড়ের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করল রেল। বিশেষ করে জংশনগুলিতে নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উত্তর রেলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে। প্রয়াগরাজ, বারাণসী, দীনদয়াল উপাধ্যায়-সহ একাধিক স্টেশনে পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল।

  • Mahakumbh: ভক্তদের ৪০ শতাংশই মহিলা! অনন্য নজির মহাকুম্ভে, বলছে রিপোর্ট

    Mahakumbh: ভক্তদের ৪০ শতাংশই মহিলা! অনন্য নজির মহাকুম্ভে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বৃহত্তম ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। মনে করা হচ্ছে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়ে যাবে ৬০ কোটি। এই আবহে আরও এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। মহাকুম্ভে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এদেশের মহিলারা। যাঁদের প্রত্যেকেরই বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। একটি সমীক্ষা বলছে ,মহাকুম্ভে অংশগ্রহণকারী ভক্তদের মধ্যে ৪০ শতাংশই হলেন মহিলা। সমীক্ষাটি চালিয়েছে গোবিন্দ বল্লভ সোশ্যাল সায়েন্স ইন্সটিটিউট।

    মহিলারা নিজেরাই দল করে স্নান করতে আসছেন (Mahakumbh)

    এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন টিম প্রয়াগের (Women Devotees) স্নানের ঘাটগুলিতে প্রথম দিন থেকেই দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যেক জায়গাতে তাঁরা বোঝার চেষ্টা করেছেন কত সংখ্যক মানুষ এসেছেন। তখনই তাঁরা জানতে পেরেছেন যে যাঁরা এসেছেন তাদের ৪০ শতাংশ হলেন মহিলা এবং এঁদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এটি একটি বড় সামাজিক পরিবর্তন (Mahakumbh) বলে মনে করা হচ্ছে। আরও উল্লেখযোগ্য তথ্য সামনে এসেছে। দেখা যাচ্ছে এমন অনেক মহিলাদের দল কুম্ভে হাজির হয়েছেন। তাঁরা নিজেরাই আত্মনির্ভর হয়ে পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করেছেন। কোনও রকমের পরিবারের পুরষ সদস্য তাঁদের সঙ্গে আসেননি।

    কী জানালেন গবেষক দলের সদস্য

    রিসার্চ যাঁরা করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন অর্চনা সিং। তিনি এনিয়ে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে সারাদেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে শিক্ষার হার বেড়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বেড়েছে মহিলাদের। তাই স্বাভাবিকভাবে এই ধরনের সামাজিক নিয়মগুলিতে (Mahakumbh) পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অতীতে মহিলারা সাধারণত ঘরের যে কোনও আচার অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু তাঁরা এখন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন মহাকুম্ভের মতো বড় এই অনুষ্ঠানগুলিতে।

    মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে বেড়েছে অর্থনীতি

    ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025)। এই মহাকুম্ভে ডুব দিয়েছেন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান থেকে কূটনীতিক। বলিউড থেকে শিল্পপতি। দেশের রাজনৈতিক নেতা থেকে ক্রীড়া জগতের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা। প্রতিদিনই সারা ভারত যেন প্রয়াগরাজের অভিমুখে এগিয়ে চলেছে। এই আবহে মহাকুম্ভের অর্থনৈতিক দিকটি সামনে এসেছে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) একটি সমীক্ষা চালিয়েছে এবং সেখানে জানানো হয়েছে যে পৃথিবীর বৃহত্তম এই যে ধর্মীয় সমাবেশ অর্থাৎ মহাকুম্ভ এখানেই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করে ও পরিষেবা দিয়ে আনুমানিক তিন লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা হতে যাচ্ছে।

  • Ayodhya: ভোর থেকে রাত, লম্বা লাইন অযোধ্যায়, প্রয়াগে অমৃতস্নান সেরে রামলালা দর্শনে ভক্তদের ঢল

    Ayodhya: ভোর থেকে রাত, লম্বা লাইন অযোধ্যায়, প্রয়াগে অমৃতস্নান সেরে রামলালা দর্শনে ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে সম্পন্ন হচ্ছে মহাকুম্ভ। সারা দেশ এখন প্রয়াগরাজমুখী। মনে করা হচ্ছে ৬০ কোটি ভক্ত ছুঁয়ে যাবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই আবহে অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির দর্শনে দেখা যাচ্ছে ভক্তদের ঢল। ভোর থেকে রাত লম্বা লাইন। সারা দেশ থেকেই ভক্তরা হাজির হচ্ছেন রামলালার (Ramlala) দর্শনে। লাইন শুরু হচ্ছে সকাল পাঁচটা থেকে এবং তা চলছে রাত্রি দশটা পর্যন্ত। প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান সেরেই প্রচুর ভক্ত আসছেন রামলালার দর্শনে। প্রতিদিন লাখেরও বেশি ভক্তের পা পড়ছে অযোধ্যার (Ayodhya) মাটিতে। এমনটাই জানিয়েছে সেখানকার প্রশাসন।

    ভক্তদের ভিড়ে উন্নত হয়েছে অর্থনীতিও

    এই আবহে ভক্তদের ভিড়কে (Ayodhya) নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যাতে কোনও রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে রাম মন্দির চত্বরজুড়ে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন ২০১৬-১৭ সালে যেখানে অযোধ্যাতে ভক্ত সংখ্যা ছিল ২.৩৫ লক্ষ সেখানে ২০২৪ সালে অযোধ্যায় ভক্ত সংখ্যা হয়েছে ১৪ থেকে ১৫ কোটি এবং এর ফলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ হয়েছে ব্যাপকভাবে।

    কী বললেন অযোধ্যার (Ayodhya) পুলিশ সুপার?

    চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে অযোধ্যার (Ayodhya) পুলিশ সুপার রাজ করণ নায়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘প্রচুর ভক্ত অযোধ্যায় আসছেন। ২৪ ঘণ্টাই আমাদেরকে ডিউটি করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টও করতে হচ্ছে। প্রত্যেক ভক্ত একই উদ্দেশ্যে আসছেন। তাঁরা রামলালাকে দর্শন করতে চান। এখানে যে গাড়িগুলি ঢুকছে সেজন্য পার্কিংয়েরও বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ট্রাফিকের জন্য অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়ন করা হয়েছে। অযোধ্যার ছটি জায়গাতে আমরা কেন্দ্র তৈরি করেছি। যেখানে নিখোঁজ দর্শনার্থীদের সন্ধানের জন্য সাহায্য করা হবে।’’ অযোধ্যার (Ayodhya) আরেক পুলিশ কর্তা, মধুবন কুমার সিং জানিয়েছেন, প্রতিনিয়তই ভক্ত সংখ্যা বেড়ে চলেছে মহাকুম্ভে। ভক্তরা কুম্ভমেলায় পুণ্যস্নান সেরে রামলালা (Ramlala) দর্শন করতে আসছেন। একই সঙ্গে তাঁরা হনুমানজীর মন্দিরও দর্শন করছেন ।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লাইন চলছে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে’’, পুণ্যস্নান সেরেই তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে’’, পুণ্যস্নান সেরেই তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শুক্রবারই মহাকুম্ভে স্নান করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরে ফের একবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘‘ওটা অমৃতকুম্ভ, মমতা (Mamata Banerjee) যা বলেছেন তার পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে।’’ নিজের সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘১৪৪ বছর পরে মাহেন্দ্রক্ষণে আসা এই পূর্ণ মহাকুম্ভের মাহাত্ম্য সুবিশাল। মহাকুম্ভ শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার এক মহামিলন হল এই মহাকুম্ভ, যা জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক চেতনার দ্বারকে উন্মুক্ত করে দেয়।’’ শুক্রবার পুণ্যস্নান করে শুভেন্দু এক্স মাধ্যমে লেখেন, ‘‘মা গঙ্গাকে ধন্যবাদ জানাব কারণ তাঁর আশীর্বাদেই আমি মহাকুম্ভে আসতে পারলাম। এরপর নিজের জীবদ্দশায় আর কোনও দিন মহাকুম্ভ চোখে দেখতে পারব না। এটা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা।’’

    প্রধানমন্ত্রী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও লেখেন, ‘‘আমি যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজি, উত্তর প্রদেশের যশস্বী মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যোগী আদিত্যনাথ জি ও উত্তর প্রদেশের প্রশাসনকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সুন্দর, সু’ব্যবস্থার জন্য। মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন এই পবিত্র মহাকুম্ভের সাক্ষী থাকতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।’’ সম্প্রতি ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কুম্ভের জল অতিরিক্ত দূষিত। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছিলেন, সেই জল শুধু স্নান নয়, খাওয়ারও যোগ্য। শুভেন্দুকেও সেই জল পান করতে দেখা যায়।

    রাজ্যপালের মন্তব্যও উল্লেখ করেন শুভেন্দু

    রাজ্যপালের মন্তব্যের রেশ টেনে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মন্তব্য, ‘‘রাজ্যপাল নিজে বলেছেন মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটা আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা। আর উনি বলছেন মৃত্যুকম্ভ। তাই আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। সনাতন সমাজ যতদিন থাকবে ততদিন প্রতিবাদ চলবে।’’

    ১০০ কোটির বেশি হিন্দুরা আঘাত পেয়েছেন মমতার মন্তব্যে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মহাকুম্ভকে ‘অমৃতকুম্ভ’ বলে অভিহিত করেন। বলেন, ‘‘এটা অমৃতকুম্ভ। মুখ্যমন্ত্রীর দলের কতজন গিয়েছেন। কিছুজন ছবি ছেড়েছেন, কিছুজন ছাড়েননি। মুখ্যমন্ত্রী জানেন না, তাঁরা পাড়া-প্রতিবেশী সকলে গিয়ে কুম্ভতে স্নান করে এসেছেন।’’ এই প্রেক্ষিতেই শুভেন্দুর দাবি, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে মন্তব্য করেছেন তাতে ১০০ কোটির বেশি হিন্দুরা আঘাত পেয়েছেন। ভারতের ইতিহাস, শাস্ত্র, সংস্কৃতিকে আঘাত করেছেন তিনি।’’

    মমতার মন্তব্য ক্ষমাহীন (Mamata Banerjee)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) কথায়, ‘‘মমতা যে মন্তব্য করেছেন তা ক্ষমাহীন অপরাধ। এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যে নানা আলোচনা হচ্ছে, তাও পাত্তা দেননি শুভেন্দু। বরং তাঁর পাল্টা বক্তব্য, ৬০ কোটি হিন্দু স্নান করেছেন, আরও ৫ কোটি ওখানে রয়েছে। অভূতপূর্ব ব্যবস্থাপনা রয়েছে প্রয়াগরাজে।’’ শুক্রবার কুম্ভে পুণ্যস্নান সেরে সেদিনই কলকাতায় ফিরেছেন শুভেন্দু।

  • Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে হাজির ৫০ লাখেরও বেশি নেপালি ভক্ত, তীর্থযাত্রীদের মুখে যোগীর প্রশংসা

    Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে হাজির ৫০ লাখেরও বেশি নেপালি ভক্ত, তীর্থযাত্রীদের মুখে যোগীর প্রশংসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মতোই মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) নিয়ে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে নেপালেও। প্রসঙ্গত, নেপাল হল মাতা সীতার জন্মভূমি। রিপোর্ট বলছে ৫০ লাখেরও বেশি ভক্ত নেপাল থেকে পুণ্য স্নান সেরেছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে অনুষ্ঠিত হওয়া পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ইভেন্টে। নেপালি ভক্তদের এমন অংশগ্রহণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রসঙ্গত, যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে নেপালে অনুষ্ঠিত হওয়া এই মহাকুম্ভ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে নেপালেও। এমনটাই বলছেন অনেকে।

    নেপালের ভক্তরা হাজির অক্ষত চাল নিয়ে (Mahakumbh 2025)

    নেপাল থেকে ভক্তদের মধ্যে অনেকে (Prayagraj) এসেছেন অক্ষত চাল নিয়ে। সেগুলি নিয়ে তাঁরা হাজির হচ্ছেন বড়ে হনুমানজির সামনে। একই সময়ে তাঁরা এখান থেকে গঙ্গাজল নিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর। এর পাশাপাশি ত্রিবেণী সঙ্গমের পবিত্র মাটি নেপালে নিয়ে যাচ্ছেন ভক্তরা (Mahakumbh 2025)। নেপালি ভক্তদের সঙ্গে বড়ে হনুমান মন্দিরের এবং অক্ষত চালের সম্পর্ক অনেক দিনের বলেই জানা যায়। পুণ্য স্নান করার পরে নেপালি ভক্তরা অযোধ্যার রাম মন্দিরের দর্শনও করেছেন। এর পাশাপাশি বারাণসীতে বাবা বিশ্বনাথ ধামেও তাঁরা যাচ্ছেন বলে খবর।

    কী বলছেন জনৈক নেপালি ভক্ত (Mahakumbh 2025)

    নেপাল থেকে এসেছিলেন এরকমই একজন ভক্ত, তাঁর নাম হচ্ছে রাম শিখদেল। ঘটনাক্রমে তিনি হলেন, নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্যুর এন্ড ট্রাভেল এজেন্ট-এর সভাপতি। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে জনকপুর থেকে আনা পবিত্র অক্ষত চাল বরে হনুমান মন্দিরে উৎসর্গ করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে গঙ্গা মৃত্তিকা এবং গঙ্গা জলের তাৎপর্য ও গুরুত্ব নেপালিদের কাছে অনেক বেশি। একইসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথ এর নেতৃত্বে হওয়া মহাকুম্ভের (Mahakumbh 2025) ব্যাপক প্রশংসাও করেছেন তিনি। এখানে কোনও রকমের বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি বলেও তিনি জানিয়েছেন। নেপালের মাতা জানকি মন্দির নেপাল থেকে তাঁরা নতুন বস্ত্র, অলংকার, ফল, ধুতি, টাওয়েল ইত্যাদি এনেছিলেন। এইগুলি তাঁরা উপহার হিসেবে মহাকুম্ভে নিয়ে এসেছিলেন এবং বিভিন্ন জনের কাছে তা বন্টনও করেছেন।

LinkedIn
Share