Tag: Prayagraj

Prayagraj

  • Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হল। আজ, ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্বোধন করলেন রাজ্যের উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ‘গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’র (Ganga Expressway)। প্রায় ৩৬,২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মিরাটকে পূর্বের প্রয়াগরাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।

    অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব (Ganga Expressway)

    উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে। এটি কেবল একটি রাস্তা নয়,এটি একটি শিল্প করিডর হিসেবেও কাজ করবে। রাস্তার দুপাশে বড় বড় লজিস্টিক পার্ক এবং শিল্পাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য এটি একটি বড় আশীর্বাদ হয়ে আসবে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে চাষিরা তাদের ফসল কম সময়ে এবং কম খরচে বড় বাজারে পৌঁছে দিতে পারবেন। প্রয়াগরাজে তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।”

    এক নজরে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে

    দ্রুত যাত্রা

    আগে মিরাট থেকে প্রয়াগরাজে পৌঁছতে যেখানে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন এই এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) মাধ্যমে সেই দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়।

    ১২টি জেলা সরাসরি যুক্ত

    নয়া এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) মিরাট থেকে শুরু হয়ে হাপুড়, বুলন্দশহর, আমরোহা, সম্ভল, বদায়ু, শাহজাহানপুর, হারদোই, উন্নাও, রায়বেরেলি এবং প্রতাপগড় হয়ে প্রয়াগরাজে গিয়ে শেষ হয়েছে। এর ফলে উপকৃত হবে ৫১৯টিরও বেশি গ্রাম।

    যুদ্ধবিমানের রানওয়ে

    শাহজাহানপুরে একটি ৩.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জরুরি বিমান অবতরণ কেন্দ্র (Air Strip) তৈরি করা হয়েছে। জরুরি অবস্থায় বা যুদ্ধের সময় এখানে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেট অনায়াসেই ওঠানামা করতে পারবে।

    অত্যাধুনিক নিরাপত্তা

    এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) নিরাপত্তার জন্য প্রতি কিলোমিটারে সোলার-চালিত হাই-ডেফিনিশন এআই (AI) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মাল্টি-লেন ফ্রি-ফ্লো টোল সিস্টেমের কারণে যানবাহনকে টোল দেওয়ার জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) উদ্বোধনের ফলে ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের প্রায় ৬০ শতাংশই এখন উত্তরপ্রদেশের দখলে, যা রাজ্যটিকে দেশের অন্যতম আধুনিক পরিকাঠামো সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করেছে। উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন এখন দেশজুড়ে পরিণত হয়েছে বিশেষ মডেলে।

  • Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের হরিশ্চন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন কখনও? গেলেই হয়তো দেখবেন, আপনার পাশ দিয়ে অতি সাধারণ পোশাক পরে সাইকেল চালিয়ে চলে গেলেন একজন মানুষ (Inspiring Story)। এই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী  তিনি। আপনি ভাবতেই পারবেন না যে আপনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন পদার্থবিদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন, কিংবা সেই সাইকেল চালানো মানুষটি একজন কোটিপতি। ইনি প্রফেসর অশোক সেন (Indian Scientist Ashoke Sen)। একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী যিনি নোবেল পুরস্কারের চেয়েও তিনগুণ বেশি অর্থমূল্যের একটি পুরস্কার পেয়েছেন, তবুও তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল জীবন যাপন করেন।

    কলকাতায় বেড়ে ওঠা অশোকের

    ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অশোক। তাঁর বাবা ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের পরিবারে বিজ্ঞানকে খুব সম্মান করা হত। ছোটবেলায় অশোক কোনও বিস্ময়কর প্রতিভাধর শিশু ছিলেন না, তিনি ছিলেন শুধুই কৌতূহলী। তিনি একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন, বোর্ডের পরীক্ষাও বাংলায় দিয়েছিলেন। কলেজে ওঠার পর তাঁকে পদার্থবিজ্ঞানের উত্তর ইংরেজিতে লেখা অনুশীলন করতে হয়, কারণ পরীক্ষাগুলি সেই ভাষায় হত। এটি সহজ ছিল না। তিনি ধীরে ধীরে শিখে নেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের কথা শোনেন, আইআইটি কানপুর। সেখানে যাওয়া মানে ছিল বাড়ি ছেড়ে অচেনা শহরে চলে যাওয়া, কিন্তু তাতে ছিল বড় সুযোগ। এক বন্ধুকে নিয়ে তিনি সেই ঝুঁকি নেন, ভর্তি হন আইআইটি কানপুরে। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবন (Inspiring Story)।

    দেশের জন্য মন কাঁদে

    আইআইটির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করেন, পরে গবেষণার জন্য গিয়েছিলেন বিশ্বের নামী গবেষণাগারগুলিতে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্মিল্যাব এবং স্ট্যানফোর্ড। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য সুযোগ (Indian Scientist Ashoke Sen)। তিনি চাইলে আমেরিকায় মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি নিয়ে স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু অশোকের মন কাঁদত ভারতের জন্য। তাই বিদেশে থাকার অনেক আকর্ষণীয় প্রস্তাব পাওয়া সত্ত্বেও, তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। আটের দশকের শেষ দিকে তিনি মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে তিনি আসেন প্রয়াগরাজের এই প্রতিষ্ঠানে। বড় শহরের কোলাহল থেকে দূরে তিনি পুরোপুরি গবেষণার কাজে ডুবে যান।

    স্ট্রিং থিওরি

    সেই সময় বিজ্ঞানীরা স্ট্রিং থিওরি নামে একটি জটিল তত্ত্ব নিয়ে লড়াই করছিলেন, যা মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। নয়ের দশকে প্রফেসর সেনের কাজ ছিল যুগান্তকারী। তিনি নতুন ধারণা দেন, যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ‘সেন কনজেকচার’-ও। এই ধারণা স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন রূপকে একসঙ্গে যুক্ত করতে সাহায্য করে (Indian Scientist Ashoke Sen)। তাঁর গবেষণা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে বিজ্ঞানীরা একে “সেকেন্ড সুপারস্ট্রিং রেভেলিউশন” বলে অভিহিত করেন (Inspiring Story)। সহজ কথায়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মকেই নতুনভাবে লিখতে সাহায্য করেছেন অশোক। ২০১২ সালে প্রফেসর সেন একটি ফোন কল পান, যা যে কাউকে বিস্মিত করবে। তাঁকে ‘ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সে’র প্রথম বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের অর্থ? তিন মিলিয়ন ডলার। তুলনা করলে দেখা যায়, এটি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের প্রায় তিন গুণ। প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে অফিসে যাওয়া সেই অধ্যাপকই রাতারাতি হয়ে গেলেন কোটিপতি। সবাই ভাবল তাঁর জীবন বদলে যাবে। তিনি কি দামী গাড়ি কিনবেন? বড় বাড়ি বানাবেন? হয়তো বিলাসবহুল জীবন কাটাবেন?

    অচেনা অশোক

    কিন্তু তাঁরা অশোককে (Indian Scientist Ashoke Sen) চিনতেন না। তিনি পুরস্কারের বড় একটি অংশ দান করে দেন ছাত্রদের সাহায্য এবং ভারতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কল্যাণে। আর পরের দিনই তিনি আবার সাইকেলে চেপে তাঁর ছোট, সাধারণ অফিসে চলে যান। সেখানে তিনি আবার চক হাতে নেন এবং ব্ল্যাকবোর্ডে সমীকরণ লেখা শুরু করেন (Inspiring Story)। তাঁর কাছে আসল আনন্দ ছিল কাজের মধ্যেই, মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে সেই রহস্যের সমাধান করার নিঃশব্দ আনন্দে। লাখ লাখ ডলার ছিল শুধু একটি উপায়, যাতে তরুণ বিজ্ঞানীরা তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন । অশোকের গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে মানুষ সম্পদ আর বাহাদুরি দেখাতেই ব্যস্ত, সত্যিকারের মহত্ত্ব প্রায়ই নীরব রূপে আসে। এটি এমন এক মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যিনি চাইলে অনেক গাড়ির মালিক হতে পারতেন (Inspiring Story) কিন্তু বেছে নেন সাইকেল, যিনি পৃথিবীর যে কোনও বোর্ডরুমে বসতে পারতেন, কিন্তু বেছে নেন ধুলোমাখা একটি ব্ল্যাকবোর্ড (Indian Scientist Ashoke Sen)।

  • Magh Mela 2026: প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রস্তুতি শুরু, কবে কবে অমৃত স্নান জানেন?

    Magh Mela 2026: প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রস্তুতি শুরু, কবে কবে অমৃত স্নান জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ৩-জানুয়ারি থেকে প্রয়াগরাজে (Prayagraj) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী মাঘ মেলা (Magh Mela 2026)। এই মাঘ মেলা ৩ জানুয়ারি (পৌষ পূর্ণিমা) থেকে শুরু হবে আর চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মহাশিবরাত্রি) পর্যন্ত। এক মাসব্যাপী এই ধর্মীয় সমাবেশকে ঘিরে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। মাঘ মেলার মূল আকর্ষণ পবিত্র অমৃত স্নান। গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থল ত্রিবেণী সঙ্গমে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই সময় পুণ্যস্নানে ডুব দেন। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিশ্বাস, এই স্নানের মাধ্যমে পাপমোচন ও আত্মিক শুদ্ধি লাভ হয়।

    শাহী স্নানের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি (Magh Mela 2026)

    প্রয়াগরাজের (Prayagraj) প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মাঘ মেলা ২০২৬-এ মোট ছ’টি প্রধান স্নান তিথি রয়েছে—

    • ৩ জানুয়ারি ২০২৬ (পৌষ পূর্ণিমা): মাঘ মেলার সূচনা ও কল্পবাসের শুরু
    • ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (মকর সংক্রান্তি): দ্বিতীয় অমৃত স্নান
    • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ (মৌনী অমাবস্যা): তৃতীয় অমৃত স্নান
    • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ (বসন্ত পঞ্চমী): চতুর্থ অমৃত স্নান
    • ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মাঘী পূর্ণিমা): কল্পবাসীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্নান
    • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মহাশিবরাত্রি): শেষ অমৃত স্নান ও মেলার সমাপ্তি

    এই দিনগুলিতে বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনা থাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় উত্তর প্রদেশ প্রশাসন।

    কল্পবাসের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব

    মাঘ মেলার (Magh Mela 2026) অন্যতম প্রধান দিক হল কল্পবাস। পৌষ পূর্ণিমা থেকে মাঘী পূর্ণিমা পর্যন্ত একমাস ধরে বহু ভক্ত ত্রিবেণী (Prayagraj) সঙ্গমতটে অস্থায়ী কুটির বা তাঁবুতে বসবাস করেন। এই সময় তাঁরা কঠোর নিয়ম মেনে জীবনযাপন করেন – প্রতিদিন ভোরে পুণ্যস্নান, উপবাস, প্রার্থনা, বেদপাঠ ও ধর্মীয় আলোচনায় অংশ নেন। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, কল্পবাস আত্মসংযম, শুদ্ধাচার এবং আত্মশুদ্ধির পথ হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক কল্পবাসী মকর সংক্রান্তির দিন থেকে এই ব্রত শুরু করেন।

    প্রশাসনের প্রস্তুতি

    মাঘ মেলা (Magh Mela 2026) ২০২৬ ঘিরে উত্তর প্রদেশ প্রশাসনের (Prayagraj) তরফে পরিচ্ছন্নতা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, মাঘ মেলা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং ভারতীয় সংস্কৃতি, শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

  • Prayagraj: ২০২৫-এর মহাকুম্ভে ভক্তদের জন্য বিলাসবহুল স্লিপিং পডের ব্যবস্থা করছে যোগী প্রশাসন

    Prayagraj: ২০২৫-এর মহাকুম্ভে ভক্তদের জন্য বিলাসবহুল স্লিপিং পডের ব্যবস্থা করছে যোগী প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা (Maha Kumbh 2025)। প্রতি বারো বছর অন্তর প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী ও নাসিকে পালিত হয় মহাকুম্ভ বা পূর্ণকুম্ভ। এছাড়া প্রতি ছয় বছর অন্তর হরিদ্বার ও প্রয়াগরাজে (Prayagraj) পালিত হয় অর্ধকুম্ভ। কুম্ভ মেলা প্রতি চারবছর অন্তর পালন করা হয়। ২০১৩ সালে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল। আবার ২০২৫ সালে  প্রয়াগরাজ মহা কুম্ভমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। সোমবার, উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে যে প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলা ২০২৫-এ আগত ভক্তদের জন্য আরামদায়ক স্লিপিং পড চালু করা হবে। ভক্তদের এক স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতা প্রদান করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আগত দর্শনার্থীদের জন্য শহরে বিশাল তাঁবুর ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশে প্রথমবার আধুনিক স্লিপিং পড চালু করা হবে।

    কেন স্লিপিং পডের ভাবনা

    মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) সময় প্রয়াগে (Prayagraj) লক্ষ লক্ষ ভক্ত সমাগম হবে। এর জন্য এখন থেকেই শহরের বিভিন্ন হোটেলে ঘর ভাড়া নিয়ে রেখেছেন অগণিত মানুষ। তাই এবার স্লিপিং পডের কথা ভাবছে সরকার। এই কর্মসূচির জন্য রাজ্য পর্যটন বিভাগ ইতিমধ্যেই একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করেছে। সব পরিকল্পনা ঠিকমতো চললে, শীঘ্রই ভক্তরা এই অত্যাধুনিক স্লিপিং পডগুলোতে থাকতে পারবেন। প্রয়াগরাজ জংশন রেলওয়ে স্টেশনে স্লিপিং পড আগেই চালু করা হয়েছে। এর জনপ্রিয়তার পর, কুম্ভ মেলার সময় ভক্ত এবং পর্যটকদের এই সুবিধা দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।

    ভক্তদের কাছে বিপুল সাড়া

    প্রয়াগরাজের (Prayagraj) আঞ্চলিক পর্যটন কর্মকর্তা অপরাজিতা সিং, রবিবার, ২০ অক্টোবর, ঘোষণা করেছেন যে প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি তাঁবু শহর (Maha Kumbh 2025) গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আগে আরাইল এবং ঝুঁসি অঞ্চলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে দুইটি বিলাসবহুল তাঁবু শহর গড়ে উঠছে। পর্যটক এবং ভক্তদের কাছ থেকে এই সুবিধার ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আরাইলের ২০০০ তাঁবুর মধ্যে ১৬০০ ইতিমধ্যেই সংরক্ষিত হয়েছে। ঝুঁসির দ্বিতীয় তাঁবু শহরে ৪০০ স্লিপিং পড থাকবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দরপত্র প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে এবং সমস্ত নিরাপত্তা শর্তাবলী পূরণ হলে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

    স্লিপিং পড কী

    স্লিপিং পড হল এক ধরনের ক্ষুদ্র ক্যাপসুল আকৃতির ঘর যা আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা সজ্জিত। এই সুবিধাগুলির মধ্যে ফোন চার্জিং, ওয়াই-ফাই সুবিধা, লকার রুম এবং বিলাসবহুল শৌচাগারসহ আরও অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রয়াগরাজে স্লিপিং পডের ধারণাটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চালু করা হয়েছিল। বিজেপি নেত্রী রীতা বহুগুনা যোশী বিজেপি সরকারকে প্রশংসা করে বলেন যে ভারতে মাত্র দুটি স্লিপিং পড স্থাপন করা হয়েছে। উভয়ই মুম্বাইয়ে অবস্থিত, এখন তৃতীয়টি প্রয়াগরাজ, উত্তর প্রদেশে নির্মাণ করা হচ্ছে। মহাকুম্ভ শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি ২০২৫-এ মকর সংক্রান্তির দিনে এবং শেষ হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ মহা শিবরাত্রির দিনে। 

    কোথায় কোথায় স্লিপিং পড

    রিপোর্ট অনুযায়ী, দর্শনার্থীরা এই স্লিপিং পড ভাড়া নিতে পারবেন, যা ধর্মীয় সমাবেশের সময় তাদের অবস্থানকে আরও আরামদায়ক করে তুলবে। বিমানবন্দর লবি এবং রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে স্লিপিং পড স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। মহাকুম্ভ ২০২৫ উপলক্ষে গড়ে ওঠা তাঁবু শহরটি প্রায় ৪০০০ হেক্টর জুড়ে বিস্তৃত, যা সঙ্গম, আরাইল এবং ফাফামাউ এর মধ্যে ২৫টি সেক্টরে বিভক্ত। এই ৪৫ দিনের মেলায় প্রায় ৪০ কোটি দর্শনার্থীকে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে এই তাঁবু শহরে সাধারণ থেকে বিলাসবহুল বিভিন্ন ধরনের বাসস্থানের ব্যবস্থা থাকবে। এর আগে, ৬ অক্টোবর সরকার বলেছিল যে, মহাকুম্ভ মেলা ২০২৫-এ অংশ নেওয়া ভক্তদের জন্য সমস্ত সুবিধা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রদান করা হবে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেছেন যে, সরকার এআই পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

    কী কী ভাবনা

    মহাকুম্ভ ২০২৫ (Maha Kumbh 2025) -এর প্রস্তুতি নিয়ে তিনি আরও বলেন যে উৎসবের সময় কোনও ভক্তকে ১ কিলোমিটারের বেশি হাঁটতে হবে না, শুধুমাত্র ৬ দিন, যার মধ্যে মকর সংক্রান্তি, মৌনি অমাবস্যা, মহাশিবরাত্রি, পৌষ পূর্ণিমা এবং মাঘী পূর্ণিমা অন্তর্ভুক্ত। ভক্তদের পরিবহণের সুবিধার্থে, সরকার ৭০০টির বেশি শাটল ইলেকট্রিক বাস সরবরাহ করবে। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) প্রথম শাহি স্নান পালিত হবে ১৩ জানুয়ারি। সেদিন আবার পৌষ পূর্ণিমাও পালিত হবে। ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তির শাহি স্নান পালিত হবে। ২৯ জানুয়ারি পালিত হবে মৌনী অমাবস্যার শাহী স্নান। এছাড়া ৩ ফেব্রুয়ারি পালিত হবে বসন্ত পঞ্চমীর শাহী স্নান ও তারপর ৮ ফেব্রুয়ারি অচলা সপ্তমী, ১২ ফেব্রুয়ারি অচলা সপ্তমী, ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা ও ৮ মার্চ মহাশিবরাত্রির শাহি স্নান পালিত হবে। মোট ২১টি শাহি স্নান পালিত হবে মহাকুম্ভের সময়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: মিলবে একাধিক সুবিধা থেকে পৌরাণিক জ্ঞান, জানুন মহাকুম্ভের ৩০ রত্নদ্বার সম্পর্কে

    Mahakumbh 2025: মিলবে একাধিক সুবিধা থেকে পৌরাণিক জ্ঞান, জানুন মহাকুম্ভের ৩০ রত্নদ্বার সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা। কুম্ভ মেলা প্রতি চার বছর অন্তর পালন করা হলেও প্রতি বারো বছর অন্তর পালিত হয় মহাকুম্ভ বা পূর্ণকুম্ভ (Mahakumbh 2025)। এছাড়া প্রতি ছয় বছর অন্তর হরিদ্বার ও প্রয়াগরাজে পালিত হয় অর্ধকুম্ভ। ২০১৩ সালে শেষবার মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল প্রয়াগরাজে। ১২ বছর পর ফের অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মহাকুম্ভ। প্রসঙ্গত, হিন্দুধর্মে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারেও এই অনুষ্ঠানের আলাদা মর্যাদা রয়েছে। এই মহাকুম্ভের সঙ্গে মিশে রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্র, ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভারতীয় সংস্কৃতি। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুাসের, মেষ রাশির চক্রে বৃহস্পতি, সূর্য ও চন্দ্র মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলা শুরু হচ্ছে ১৩ জানুয়ারি থেকে চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) মেলাকে সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্য-ধর্মীয়-ঐতিহাসিক-পৌরাণিকভাবে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু করেছে যোগী সরকার।

    মহাকুম্ভে থাকবে ৩০টি বড় দ্বার

    এবারের মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) তৈরি করা হবে ৩০টি বড় দ্বার। মেলা প্রাঙ্গণের প্রবেশদ্বারের মুখগুলিতেই তৈরি করা হচ্ছে প্রত্যেকটি গেট। সমুদ্রমন্থনের বিভিন্ন পৌরাণিক ঘটনা লিপিবদ্ধ করা থাকবে এই দ্বারগুলিতে। এই দ্বারগুলি দিয়ে — যাতায়াতের ব্যবস্থা থাকবে। পুণ্যার্থীরা সহজেই প্রবেশ-প্রস্থান করতে পারবেন। আবার, দিক-নির্দেশের চিহ্ন বা দিশা দেখানোর কাজ করতে পারবে এই দ্বারগুলি। একই সঙ্গে, তথ্য আদানপ্রদানেরও ব্যবস্থা থাকবে এই দ্বারগুলিতে। জানা গিয়েছে, প্রতিটি দ্বার পুরাণ বা পৌরাণিক আখ্যানের নিদর্শন বহন করবে। ৩০ দ্বার ৩০ রত্নের থিম নিয়ে নির্মিত হবে। প্রতিটি রত্নদ্বার ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে।

    ৫০ কোটি তীর্থযাত্রী আসতে পারেন বলে অনুমান (Pilgrims)

    যদি কোনও তীর্থযাত্রী কুম্ভ প্রাঙ্গণে হারিয়ে যান তাহলে এই গেটে পৌঁছানো মাত্রই, সেখানে থাকা কর্মীরা তাঁকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন। এ বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের পর্যটন এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী জয়বীর সিং জানিয়েছেন, এই গেটগুলি শুধুমাত্র প্রবেশদ্বার হিসেবেই গড়ে উঠছে না। এগুলি ভারতবর্ষের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ও পৌরাণিক ঘটনাগুলির প্রতিফলনও ঘটাবে। এর ফলে  মহাকুম্ভ মেলায় আসা তীর্থযাত্রীরা নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন। ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক নানা ঘটনার মাধ্যমে প্রত্যেকটি প্রবেশদ্বারই হয়ে উঠবে একটি করে তথ্যভাণ্ডার। এখানেই তীর্থযাত্রীরা নিজেদের খাদ্য পানীয় ও বাসস্থানের বিষয়ে তথ্য পাবেন। শুধু তাই নয়, এগুলির মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের প্রতিদিনকার ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানও করতে পারবেন। কত সংখ্যা হতে পারে ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে? এ নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের পর্যটন মন্ত্রকের বক্তব্য হল, ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে ৫০ কোটি তীর্থযাত্রীর ভিড় হতে পারে।

    ৩০টি গেটে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) মেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন ছোট ছোট পুস্তিকা সরবরাহ করা হবে

    জানা গিয়েছে, ওই ৩০টি গেটে মহাকুম্ভ মেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন ছোট ছোট পুস্তিকা সরবরাহ করা হবে। প্রত্যেক তীর্থযাত্রীকেই তা দেওয়া হবে। এগুলি, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষাতে হবে। এই পুস্তিকাগুলিতে লেখা থাকবে, প্রয়াগরাজের বিভিন্ন আকর্ষণীয় পর্যটনস্থান সম্পর্কে। প্রত্যেক তীর্থযাত্রীকে এ বিষয়ে গাইডবুকও দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয় প্রয়াগরাজের বিভিন্ন গেস্ট হাউসে কীভাবে থাকা যাবে, কীভাবে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে- তাও এই গাইড বুকগুলির মাধ্যমে জানতে পারবেন তীর্থযাত্রীরা। উত্তরপ্রদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, যোগী সরকার তীর্থযাত্রীদের সমস্ত রকমের সুবিধা দিতে প্রস্তুত। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল তীর্থযাত্রীকে সমান সুযোগ সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে যোগী সরকার।

    তীর্থযাত্রীদের যোগী সরকার দেবে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা

    জানা গিয়েছে, প্রতিটি গেট বা প্রবেশদ্বারে কর্মীও মোতায়েন করা হবে এবং তাঁরা প্রতিদিনকার তথ্য সরবরাহ করবেন তীর্থযাত্রীদের। স্থানীয় পর্যটন শিল্পের প্রচারেরও কাজ করবেন তাঁরা। ওই ৩০টি প্রবেশদ্বারকে রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্বে থাকবেন বিশেষ প্রশিক্ষিত কর্মীরা। গেটগুলিতে থাকা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশেষ কর্মীরা মহাকুম্ভ মেলার বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান সম্পর্কে তীর্থযাত্রী তথা ভক্তদেরকে গাইড করবেন। তাঁদেরকে বিশদে বর্ণনা করবেন মহাকুম্ভ মেলায় পুণ্য স্নানের গুরুত্ব ঠিক কতখানি?  ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলাকে সবদিক থেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে যোগী সরকার। যাতে আগত তীর্থযাত্রীদের সমস্ত ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়। তাদের কোনওরকম অসুবিধা না হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন হিন্দু ধর্মের সবথেকে বড় ধর্মীয় উৎসব হল কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)। প্রতি ৪ বছর অন্তর পালিত হলেও ১২ বছর পরপর মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। এই মহাকুম্ভ পালিত হয় প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী এবং নাসিকে। একযুগ পর আয়োজিত এই মহাকুম্ভকে বলা হয় ‘পূর্ণকুম্ভ’। তবে প্রতি ছয় বছর অন্তর অন্তর হরিদ্বার এবং প্রয়াগরাজে অর্ধকুম্ভ মেলা পালিত হয়। ১২ বছর পর ফের বসবে মহা কুম্ভ মেলা। প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলা কর্তৃপক্ষ এবং ১৩টি আখাড়ার দ্রষ্টারা ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলার শাহি স্নানের সময়সূচি জানিয়েছে।

    কবে হবে মহাককুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)?

    ২০১৩ সালে শেষ বারের জন্য মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) আয়োজন করা হয়েছিল উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে, যার বর্তমান নাম প্রয়াগরাজ। গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এই বারও ২০২৫ সালে পূর্ণকুম্ভের আয়োজন করা হবে। মহাকুম্ভ মেলা শুরু হবে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি এবং চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। তিথি অনুযায়ী মেলার শাহি স্নান পালন করা হবে ৮ মার্চ। এই মহাকুম্ভের আয়োজন হতে চলেছে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে।

    শাহি স্নানের তারিখ

    ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) প্রথম শাহি স্নান করার তারিখ হল ১৩ জানুয়ারি। উল্লেখ্য ওই দিন হল পৌষ পূর্ণিমা। মকর সংক্রান্তির শাহি স্নান পালিত হবে ২৯ জানুয়ারি। মৌনী অমাবস্যার স্নান পালিত হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। বসন্ত পঞ্চমীর স্নান পালিত হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমার স্নান হবে। ৮ মার্চ মহাশিব রাত্রির শাহি স্নান করা হবে। মহাকুম্ভের সময়পর্বে মোট ২১টি শাহি স্নান পালিত হবে।

    হিন্দুধর্মে গুরুত্ব কুম্ভমেলা

    হিন্দুধর্ম মতে কুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে এই কুম্ভের বিরাট তাৎপর্য রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে বিশেষ গণনা রয়েছে কুম্ভ মেলার তিথিতে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে মেষ রাশি চক্রের বৃহস্পতি, সূর্য ও মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়।

    গ্রহ, রাশি চক্রে কীভাবে কুম্ভ মেলা হয়?

    গ্রহ, রাশি চক্রের অবস্থান দেখে সূর্য এবং বৃহস্পতির অবস্থান দেখে মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। বৃহস্পতি বৃষ রাশিতে এবং সূর্য মকর রাশিতে থাকলে প্রয়াগে কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025) অনুষ্ঠিত হয়। সূর্য মেষ রাশিতে থাকে এবং বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে থাকলে হরিদ্বারে কুম্ভের আয়োজন হয়। আবার সূর্য এবং বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে থাকলে মহাকুম্ভ নাসিকে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতি যখন সিংহ রাশিতে এবং সূর্য মেষ রাশিতে থাকলে উজ্জয়িনীতে কুম্ভ আয়োজিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: শাখার সংখ্যা নিয়ে যেতে হবে লাখে, কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে পথ খুঁজছেন আরএসএস কর্তারা  

    RSS: শাখার সংখ্যা নিয়ে যেতে হবে লাখে, কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে পথ খুঁজছেন আরএসএস কর্তারা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার শুরু হয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) চারদিন ব্যাপী কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক। উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে (prayagraj) হচ্ছে ওই বৈঠক। সংঘের কাজকর্মের বিস্তার এবং কারেন্ট ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ও সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসেবল। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনও করেছেন তাঁরাই।

    জানা গিয়েছে, ৪৫টি প্রদেশ ও ১১টি জোনের প্রবীণ আধিকারিকরা যোগ দিয়েছেন প্রয়াগরাজের ওই বার্ষিক বৈঠকে। যোগ দিয়েছেন তাঁদের ডেপুটিরাও। সব মিলিয়ে উপস্থিত থাকার কথা ৩৭৭ জন প্রতিনিধির। বৈঠকে স্বাগত ভাষণ দেন হোসেবল। শ্রদ্ধা জানানো হয় প্রয়াত বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের। এঁদের মধ্যে ছিলেন দ্বারকাপীঠের জগৎ গুরু শঙ্করাচার্য স্বামী স্বরূপানন্দ মহারাজ, পাঁচপীঠাধীশ্বর আচার্য ধর্মেন্দ্র, দেশের ভূতপূর্ব প্রধান বিচারপতি আরসি লাহোটি, কমেডিয়ান রাজু শ্রীবাস্তব, শিল্পপতি সাইরাস মিস্ত্রি, আর্কিওলজিস্ট বিবি লাল এবং সমাজবাদী পার্টি প্রধান মুলায়ম সিং যাদব।  

    প্রথম দিনের আলোচনায় আরএসএসের (RSS) শাখা বিস্তারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ২০২৫ সালে আরএসএসের শতবর্ষপূর্তি। তার মধ্যে গোটা দেশে শাখা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে আরএসএসের ৫৫ হাজার শাখা রয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে এই সংখ্যাটা বাড়িয়ে এক লাখে নিয়ে যেতে চাইছেন সংঘের কর্তাব্যক্তিরা।

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসের ১১-১৩ তারিখে গুজরাটের পিরানায় প্রেরণা পীঠে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সংগঠনের বাৎসরিক ওয়ার্কি প্ল্যান তৈরি হয়েছিল। তখনই বলা হয়েছিল, ২০২২ সালে আরএসএসের (RSS) শাখার সংখ্যা বাড়িয়ে করতে হবে ৬০ হাজার ৯২৯। ২০২১ সালে এর সংখ্যা ছিল ৫৫ হাজার ৫৬২টি। এ থেকে এটা স্পষ্ট যে মাত্র এক বছরে আরএসএসের শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৫ হাজার ২৭৭টি। ওই বৈঠকে পরবর্তী ছ মাসে আরএসএসের শাখার সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি বাড়াতে বলা হয়েছিল। সব মিলিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে ৬৫ হাজার করার।২০২৪ এর মধ্যে এক লক্ষ করতে হলে প্রয়োজন এই সময় সীমার মধ্যে আরও ৩৫ হাজার শাখা তৈরি। কীভাবে তা করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছিল ওই বৈঠকে। আরএসএসের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানান, সংঘের বিভিন্ন বৈঠকে দেশজুড়ে শাখার সংখ্যা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Prayagraj Viral Video: গঙ্গা বক্ষেই হুকায় সুখটান, সঙ্গে কাবাব, ভিডিও ভাইরাল হতেই মামলা দায়ের প্রয়াগরাজে 

    Prayagraj Viral Video: গঙ্গা বক্ষেই হুকায় সুখটান, সঙ্গে কাবাব, ভিডিও ভাইরাল হতেই মামলা দায়ের প্রয়াগরাজে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা বক্ষেই চলছে উল্লাস। নৌকায় (Boat) হচ্ছে হুক্কা পার্টি (Hookah party), উনুন জ্বালিয়ে সেঁকা হচ্ছে কাবাব (kebab)। সম্প্রতি এমনই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে (Prayagraj)। ভিডিও ভাইরাল হতেই ৮ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল (case filed) উত্তরপ্রদেশ (Uttarpradesh) পুলিশ।

    আরও পড়ুন: প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের, রূপ দিয়েছিলেন তপতী গুহ-ঠাকুরতা, দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতির নেপথ্যে এঁরাই?

    প্রয়াগরাজে (Prayagraj) গঙ্গা এবং যমুনার সঙ্গমস্থল হিন্দুদের কাছে তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিনই হাজার হাজার পুণ্যার্থীদের সমাগম হয় সেখানে। সেখানেই দেখা যায়, একটি নৌকায় চড়ে রীতিমতো ‘মোচ্ছব’ করছেন ৮ ব্যক্তি। কেউ কেউ ওই পবিত্র নদীর ওপর হুঁকো টানেন, মুরগির মাংসের কাবাবও খেতে দেখা যায় অনেককে। 
     

    ধর্মীয় স্থানে এমন ঘটনায় ধর্ম বিশ্বাসে আঘাতের অভিযোগে ওই ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে ২ জনের নাম ও পরিচয় জানা গিয়েছে। বাকি ৬ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। যেই দুজনের পরিচয় জানা গিয়েছে তাঁদের পরিচয়ও নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকাশ্যে আনেনি পুলিশ। ঠিক কোন জায়গায় ভিডিওটি শ্যুট করা হয়েছিল, সেটা এখনও জানা যায়নি। দারাগঞ্জ এলাকায় গঙ্গার কোনও একটি ঘাটে ভিডিওটি শ্যুট করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: দত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট      
     
    প্রয়াগরাজের পুলিশ প্রধান শৈলেশ পান্ডে এ বিষয়ে বলেন,”ভিডিওতে স্পষ্টই হুঁকো এবং আমিষ খাবার খেতে দেখা যাচ্ছে। আমরা খুব শিগগিরই সকলকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি। তাদের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share