Tag: president droupadi murmu

president droupadi murmu

  • Sonia Gandhi: রাষ্ট্রপতিকে ‘পুওর থিং’ বলে বিতর্কে সোনিয়া, তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    Sonia Gandhi: রাষ্ট্রপতিকে ‘পুওর থিং’ বলে বিতর্কে সোনিয়া, তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) আজ শুক্রবার সংসদের উভয় কক্ষকে সম্বোধন করে ভাষণ দিয়ে বাজেট অধিবেশনের সূচনা করলেন। এরপরে রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘পুওর থিং’ (বেচারি) বললেন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। একইসঙ্গে অবশ্য কংগ্রেস সাংসদ বলেন, ‘‘এই লম্বা ভাষণ দিয়ে তাঁকে ক্লান্ত দেখাচ্ছিল।’’ এদিকে সোনিয়ার এই মন্তব্যের পরই ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী। এই ঘটনায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা উপজাতি সমাজের কাছে সোনিয়া গান্ধীকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এই ইস্যুতে সোনিয়া গান্ধীকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত মহাপাত্রও। সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) এই ইস্যুতে তোপ দেগেছেন দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু এবং ধর্মেন্দ্র প্রধান।

    সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) তোপ সুকান্ত মজুমদারের

    এদিকে বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই ইস্যুতে সোনিয়া গান্ধীকে নিশানা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘এটি একটি অবমাননাকর মন্তব্য ছিল। সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) এবং রাহুল গান্ধীর মতো নেতাদের এই ধরনের মন্তব্য করা উচিত নয়। বিশেষ করে রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে। দ্রৌপদী মুর্মু একজন আদিবাসী পরিবারের মহিলা এবং এখন তিনি আমাদের দেশের পয়লা নম্বর নাগরিক এবং কংগ্রেসের জমিদারি মানসিকতা এটি গ্রহণ করতে পারে না। তাই তাঁরা তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করছেন।’’

    রাষ্ট্রপতির ভাষণে মোদি সরকারের প্রশংসা

    এদিকে আজ শুক্রবারের ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কেন্দ্রীয় সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন বলেন, ‘‘দেশ দ্রুত গতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কেন্দ্রে মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে দেশে তিন গুণ দ্রুত কাজ হচ্ছে।’’ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘‘মধ্যবিত্ত মানুষের উন্নয়নের জন্য সরকারের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। মহিলাদের ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। তাছাড়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি ৬ কোটি প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্য বিমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যুবকদের শিক্ষা এবং তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। কেউ যাতে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, তার জন্যে মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে দেশে। তেরোটি ভারতীয় ভাষায় বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে ভাষা সম্পর্কিত বাধাগুলি দূর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়নে বিশ্বাসী এই সরকার। সরকারের লক্ষ্য ৩ কোটি মহিলাকে ‘লাখপতি দিদি’-তে পরিণত করা।’’

  • Constitution Day: আজ সংবিধান দিবস! সংসদে ভাষণ শেষে সকলকে প্রস্তাবনা পাঠ করালেন রাষ্ট্রপতি

    Constitution Day: আজ সংবিধান দিবস! সংসদে ভাষণ শেষে সকলকে প্রস্তাবনা পাঠ করালেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দেশের সংবিধান দিবস (Constitution Day)। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গৃহীত হয়েছিল ভারতের সংবিধান। সেই উপলক্ষেই মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ ও একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হাজির ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। বক্তব্যের শেষে সকলকে সংবিধান প্রস্তাবনার (President Droupadi Murmu) পাঠ পড়ান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)।

     সংসদের সেন্ট্রাল হলে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি

    এদিন সংসদের সেন্ট্রাল হলে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। ভাষণে তিনি বলেন, ‘‘এই সংবিধান (Constitution Day) অসামান্য মেধা, এবং তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল। স্বাধীনতা সংগ্রামের ফল এই সংবিধান। সেই অতুলনীয় আন্দোলনের আদর্শকেও সংবিধানে বিশেষ গুরুত্ব এবং স্থান দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের প্রস্তাবনাতেও সেই ভাবধারাকে সুস্পষ্ট রূপে সংক্ষিপ্ত ভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ন্যায়, স্বতন্ত্রতা, ক্ষমতা এবং বন্ধুতা এই আদর্শের উপরেই তৈরি হয়েছে আমাদের সংবিধান। সংবিধানের প্রত্যেকটি গুণ একে অপরের পরিপূরক।’’

    গত কয়েক বছরে পিছিয়ে পড়া জাতির উন্নয়নের জন্য বিপুল কাজ করেছে সরকার

    আর্থিক উন্নয়নের জন্য জিএসটি-এর কথাও উঠে আসে রাষ্ট্রপতির ভাষণে। তিনি (Constitution Day) বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পর থেকে দেশের আর্থিক উন্নয়নের স্বার্থে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হল জিএসটি।’’ রাষ্ট্রপতি মুর্মু আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়মকে কার্যকরী করে সাংসদরা আধুনিক চিন্তা ভাবনার পরিচয় দিয়েছেন।’’ ‘গরিব জনজাতি’র উন্নতির জন্য গত কয়েক বছরে অনেক কাজ হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি, তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক বছরে পিছিয়ে পড়া জাতির উন্নয়নের জন্য বিপুল কাজ করেছে সরকার। এখন গরিব মানুষ পাকা বাড়ি পাচ্ছেন। জল, বিদ্যুৎ, সড়কের মতো সাধারণ সুযোগ সুবিধাও উপভোগ করছেন। খাদ্য সুরক্ষা এবং চিকিৎসাও মিলছে। সমগ্র ও সমবেত বিকাশের জন্য এমন অনেক পদক্ষেপ করা হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asian Buddhist Summit: দিল্লিতে এশিয়ান বৌদ্ধ সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু

    Asian Buddhist Summit: দিল্লিতে এশিয়ান বৌদ্ধ সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে মঙ্গলবার শুরু হল প্রথম এশিয়ান বৌদ্ধ ধর্ম সম্মেলন (Asian Buddhist Summit)। কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সহযোগী সংস্থা হিসেবে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল বুদ্ধিস্ট কনফেডারেশন। মঙ্গলবার এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘‘ভারত হল ধর্মের ভূমি। প্রতিটা সময়েই দেখা গিয়েছে, ভারতবর্ষে ধর্মগুরুরা জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা মানবতার কল্যাণে দিশা দেখিয়েছেন। তাঁরা অন্তরের শান্তি এবং বাইরের সম্প্রীতির পথকেও খুঁজে দিয়েছেন।’’ প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই মোদি সরকার পালি ও প্রাকৃত ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। এ নিয়েও রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘এই দুই ভাষাই এখন থেকে আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ সহযোগিতা পাবে, তাদের বিকাশ ও গবেষণার জন্য।’’ প্রসঙ্গত, পালি ও প্রাকৃত ভাষা বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত। বৌদ্ধ ধর্মের (Buddhism) প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলি এই ভাষাতেই রচিত হয়েছিল।’’

    সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতা থেকে কীভাবে বের হয়ে আসতে হয়, তাও শিখিয়েছে বৌদ্ধ ধর্ম

    এছাড়াও, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু উল্লেখ করেন, বৌদ্ধ ধর্ম (Asian Buddhist Summit) কীভাবে মানব কল্যাণে সারা বিশ্ব জুড়ে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান সময়ে গোটা পৃথিবী একটা সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বৌদ্ধ ধর্মের (Buddhism) দর্শনগুলি সারা বিশ্বকে দিশা দেখিয়েছে, সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতা থেকে কীভাবে বের হয়ে আসতে হয়, তাও শিখিয়েছে বৌদ্ধ ধর্ম। বিশ্বজুড়ে শান্তি সম্প্রীতি এবং অহিংসার বার্তা দেয় বৌদ্ধ ধর্ম। একটা কথাই বলা যায়, এই ধর্ম প্রেমের কথা বলে। যা বর্তমান যুগে পৃথিবীতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সমগ্র এশিয়াকে শক্তিশালী করতে বৌদ্ধ ধর্মের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হওয়া খুবই জরুরি বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

    বৌদ্ধ ধর্মের এই সম্মেলন পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয়কে বাড়াবে 

    তিনি আরও বলেন, ‘‘বৌদ্ধ ধর্মের এই সম্মেলন পারস্পরিক সহযোগিতা, সমন্বয়কে বাড়াবে (Asian Buddhist Summit)। সংস্কৃতির আদান-প্রদানও করবে। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করবে। নিজের ভাষণে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘‘যুগ যুগ ধরে বৌদ্ধ ধর্ম প্রবাহিত হয়েছে। দেশ-বিদেশে ছড়িয়েছে এই ধর্ম। তৈরি হয়েছে বড় বড় সঙ্ঘ। ভারত হল তার কেন্দ্রবিন্দু। কারণ এখানেই গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধত্ব প্রাপ্তি করেছিলেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LK Advani: আদবানির বাড়ি গিয়ে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন রাষ্ট্রপতি, হাজির প্রধানমন্ত্রীও

    LK Advani: আদবানির বাড়ি গিয়ে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন রাষ্ট্রপতি, হাজির প্রধানমন্ত্রীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানির (LK Advani) বাড়ি গিয়ে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রবিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আদবানির বাড়িতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট 

    রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফ থেকে এদিনই এ বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানির (LK Advani) ঠিক পাশে বসে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করলেন লালকৃষ্ণ আদবানিকে। বর্ষীয়ান নেতার নিজের বাসভবনে এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং  লালকৃষ্ণ আদবানির পরিবারের সদস্যরা।’’

    পাশাপাশি ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘লালকৃষ্ণ আদবানির গোটা জীবন কেটেছে দেশের সেবায়।  ৭ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি দেশকে সেবা দিয়েছেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেই হোক অথবা উপ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, লালকৃষ্ণ আদবানি (LK Advani) সর্বদাই দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। ভারতের সাংস্কৃতিক পুনরুত্থানে তাঁর আন্দোলনের ফসল হল রাম মন্দিরের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।’’

    সংক্ষিপ্ত জীবন

    লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম হয় ১৯২৭ সালে, বর্তমান পাকিস্তানের করাচিতে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় তাঁর পরিবার ভারতে আসেন। ৯৬ বছর বয়সী এই নেতা বাজপেয়ী সরকারের আমলে ২০০২ সালের জুন মাস থেকে ২০০৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেশের উপ প্রধানমন্ত্রীর (LK Advani) দায়িত্বভার সামলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্বেও ছিলেন ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাস থেকে ২০০৪ সালের মে মাস পর্যন্ত। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০,  ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ এবং ২০০৪ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি বিজেপির সভাপতি ছিলেন। জরুরি অবস্থা সময় এই বিজেপি নেতা ১৯ মাস জেলে বন্দি ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Year Greetings: সুখ-শান্তিতে ভরে উঠুক নতুন বছর, দেশবাসীকে শুভেচ্ছাবার্তা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    New Year Greetings: সুখ-শান্তিতে ভরে উঠুক নতুন বছর, দেশবাসীকে শুভেচ্ছাবার্তা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। দুজনেই তাঁদের শুভেচ্ছাবার্তায় দেশবাসীর জন্য নতুন বছরে সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। এর পাশাপাশি এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশবাসীকে।

    আরও পড়ুুন: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    নিজের ট্যুইটে এদিন প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘সবার ভালো কাটুক ২০২৪ সাল। এই বছরে সবার জীবনে সমৃদ্ধি আসুক এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকুক।’’

    রাষ্ট্রপতির ট্যুইট

    নিজের ট্যুইটে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সকলকে নতুন বছরের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন এবং তিনি লেখেন যে সকলের জীবন সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে (New Year Greetings) ভরে উঠুক।

    উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের ট্যুইট

    উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানিয়ে বলেন, ‘‘নতুন বছরে আমরা সকলে দায়বদ্ধ থাকব সমৃদ্ধশালী ভারত তৈরি করার জন্য।’’

     

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী প্রচার, নিষিদ্ধ করা হল ভূস্বর্গে সক্রিয় তেহরিক-ই-হুরিয়তকে

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনেরও

    Sandeshkhali Case: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানা সময় বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছিলেন বিরোধীরা। এবার সেই একই দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Case) মহিলাদের নির্যাতন ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছেন রেখা।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ

    পরে সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, “সন্দেশখালি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ওই রাজ্য থেকে আগেও হিংসার অনেক ঘটনার খবর উঠে এসেছে। রাজ্য সরকার ওই সব ঘটনার প্রেক্ষিতে কোনও পদক্ষেপই করেনি রাজ্য সরকার। তাই জাতীয় মহিলা কমিশন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ওই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার সুপারিশ করেছে।” বাংলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি যে সচেতন এবং নিয়মিত খবর নিচ্ছেন, এদিন তাও জানান রেখা।

    জাতীয় মহিলা কমিশন

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর ফেব্রুয়ারি মাসে সেখানে গিয়েছিল জাতীয় মহিলা কমিশন। সেই সময় দাবি করা হয়েছিল, সন্দেশখালির যা পরিস্থিতি, তাতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সেই সময় রেখা জানিয়েছিলেন (Sandeshkhali Case), ধর্ষণের অভিযোগ তো আছেই, শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটেছে সেখানে। তাঁর দাবি, বহু ঘটনার তো উল্লেখই নেই। কারণ পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। দু’ সপ্তাহের মধ্যেই সন্দেশখালি নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট দিল জাতীয় মহিলা কমিশন।

    আরও পড়ুুন: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    শেখ শাহজাহান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মহিলাদের বেআইনিভাবে আটকে রাখা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্ট। জাতীয় মহিলা কমিশনের অভিযোগ, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনাগুলির তদন্তের জন্য শর্মার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।

    মহিলা কমিশনের ওই রিপোর্টে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি, হিংসার তদন্তে কেন্দ্রীয় বা বিচার বিভাগীয় সংস্থা নিয়োগ, সন্দেশখালির পুলিশ কর্মীদের বদলির সুপারিশও করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই সন্দেশখালি মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য পুলিশের হাতে ধৃত শেখ শাহজাহানকেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত (Sandeshkhali Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • India To Bharat: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রী! ‘প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত’ লিখলেন মোদি

    India To Bharat: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রী! ‘প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত’ লিখলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কের সূত্রপাত! জি-২০ সম্মেলনের নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্রে প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়ার বদলে প্রেসিডেন্ট অফ ভারত। রাষ্ট্রপতির পর এবার ‘ইন্ডিয়া’ মুছে ‘ভারত’ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। প্রাইম মিনিস্টার অফ ইন্ডিয়ার বদলে তাঁর অভ্যর্থনাপত্রে লেখা প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত। সেই সরকারি নোটিফিকেশন ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র সেই সরকারি অভ্যর্থনাপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। 

    প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত

    আগামী ৯ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জি২০ সমাবেশে অংশ নেওয়া রাষ্ট্রনেতাদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। সেই উপলক্ষে আমন্ত্রণপত্রও যাচ্ছে নিমন্ত্রিতদের কাছে। যে আমন্ত্রণপত্র ঘিরে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতির অন্দরে। কারণ, ভারতের রাষ্ট্রপতি কাউকে কোনও চিঠি লিখলে তাতে চিরাচরিত ভাবে লেখা থাকে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’ কথাটি। কিন্তু জি২০ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর চিঠিতে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’ কথাটি লেখা হয়েছে। তবে, প্রধানমন্ত্রীর তরফে এটি সম্প্রতি লেখা হয়নি। জানা গিয়েছে, গত অগাস্ট মাসে ১৫তম ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে যোগদান করতে প্রধানমন্ত্রী যখন দক্ষিণ আফ্রিকা উড়ে গিয়েছিলেন, সে সময়ই সরকারি নোটিফিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছিল প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত। ইন্ডিয়া’ নামটি নিয়ে একাধিক বার সরাসরি কটাক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাতে গলা মিলিয়েছেন বিজেপির তাবড় নেতারাও।

    আরও পড়ুন: দেশের নাম বদলের জল্পনা, অমিতাভ বচ্চনের ট্যুইটে নয়া গুঞ্জন

    ভারত-নামে সমর্থন

    ভারত’-এর হয়ে ব্যাটন ধরেছেন বিজেপির একাধিক নেতা। জল্পনা চলছে আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সংসদের বিশেষ অধিবেশনে এই নাম বদলের প্রস্তাব পেশ করতে পারে কেন্দ্র। এই মর্মে আনা হতে পারে নয়া বিলও। আর বিল পাশ হলেই রাতারাতি বদলে যেতে পারে দেশের নাম। এই বিষয়ে ট্যুইট করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তাঁর কথায়, “ভারতীয় প্রজাতন্ত্র- আমাদের সভ্যতা দৃঢ় পদক্ষেপে অমৃতকালের দিকে এগোচ্ছে দেখে আনন্দ হচ্ছে, গর্ববোধ করছি।” জি-২০ বৈঠকের আগে দেশের রাজধানী শহরে দেশের সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও নোটিফিকেশনে ‘ভারত অফিসিয়ালস’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Droupadi Murmu: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানে চেপে ‘সর্টি’তে গেলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)। পরনে জলপাই রঙের ‘ফ্লাইট স্যুট’। মাথায় ব্যালিস্টিক হেলমেট। শনিবার এই অচেনা সাজেই দেখা গেল রাষ্ট্রপতিকে। ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে সুখোই ওড়ালেন তিনি। এর আগে এপিজে আবদুল কালাম এবং প্রতিভা পাতিল রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এই কাজ করেছিলেন। 

    ৩০ মিনিট সুখোই সফর

    রাষ্ট্রপতির পদাধিকার বলে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক দ্রৌপদী (President Droupadi Murmu) শনিবার অসমের তেজপুরে ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানেই সুখোই-৩০ এমকেআই-এর দু’আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান ওড়ান তিনি। জলপাই রঙের পোশাক এবং সঙ্গে ব্যালিস্টিক হেলমেট পরে ৩০ মিনিট ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার ওপর সুখোইতে চেপেয় ওড়েন রাষ্ট্রপতি। বিমান থেকে সুদূর হিমালয়ের শৃঙ্গমালাও দর্শন করেন রাষ্ট্রপতি। সহকারী পাইলটের আসনে ছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান চালক। তেজপুর ঘাঁটির পরিদর্শক খাতায় রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘এমন উড়ানের ব্যবস্থা করার জন্য আমি তেজপুরের বিমান ঘাঁটির সমস্ত সেনাদের অভিনন্দন জানাই।’’

    আরও পড়ুন: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    অসাধারণ অভিজ্ঞতা

    সুখোই সফরের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি (President Droupadi Murmu) ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিশালী সুখোই-৩০-এমকেআই যুদ্ধবিমানে ওড়া আমার কাছে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। এটা গর্বের বিষয় যে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষমতা আজ জল, স্থল এবং অন্তরীক্ষে সুদৃঢ় ভাবে প্রসারিত।’’

    জানা গিয়েছে, সুখোই-৩০ এমকেআই-এর দু’আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমানে চেপেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu)। এর আগে ২০০৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল মহারাষ্ট্রের পুণে বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে সুখোই যুদ্ধবিমানে চেপেছিলেন। তাঁরপর দেশের দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে আজ সুখোইতে চাপলেন দ্রৌপদী মুর্মু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PMRBP: আগামীকাল দেশের ১১ জন শিশুকে ‘প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার’ প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    PMRBP: আগামীকাল দেশের ১১ জন শিশুকে ‘প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার’ প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর দেশের ১১ জন শিশুকে তাদের ব্যতিক্রমী প্রতিভা ও কৃতিত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কারে ভূষিত (Pradhan Mantri Rashtriya Bal Puraskar 2023) করা হবে। সূত্রের খবর, ১১ জন শিশুকে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার প্রদান করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আগামীকাল, ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি বিজ্ঞান ভবনে এই রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার (PMRBP) ১১ জন শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদি ২৪ জানুয়ারি পুরস্কার প্রাপরদের সঙ্গে কথাও বলবেন বলে জানা গিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার

    ১৯৯৬ সালে ব্যতিক্রমী কৃতিত্ব অর্জনকারী শিশুদের সম্মানের জন্য পুরস্কারটি চালু করা হয়েছিল। এই পুরস্কার অর্জনকারী শিশুদের পদক ছাড়াও নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৮ সাল থেকে এই পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে ‘বাল শক্তি পুরস্কার’ করা হয়েছে এবং এতে সাহসিকতার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিশু ভারতের নাগরিক ও ভারতে বসবাস করে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক ৫ বছর থেকে ১৮ বছর মধ্যের শিশুদেরই এই পুরস্কার প্রদান করে। এই পুরস্কার শিশুদের উৎসাহীত করবে যা নতুন ভারত তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করবে।

    ৬টি ক্যাটাগরী যেমন-শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতি, সাহসিকতা, ইনোভেশন, সমাজসেবা এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জাতীয় শিশু পুরস্কার বিজয়ীদের পদক ও শংসাপত্র ছাড়াও নগদ ১ লাখ টাকাও পুরস্কার দেওয়া হয়। 

    এবছর শিল্প ও সংস্কৃতি থেকে চারজন, সাহসিকতায় একজন, ইনোভেশনে দুইজন, সমাজসেবায় একজন এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে তিনজন শিশুকে পুরস্কার দেওয়া হবে। ব্যতিক্রমী কৃতিত্ব অর্জনকারী  ৬টি বিভাগে শিশুদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 

    প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রাপ্ত বিজয়ীদের সাক্ষাৎ

    আগামীকাল পুরস্কার বিতরণের পর ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপকদের সঙ্গে কথাও বলবেন নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি শিশুদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে শিশুদের পারফরম্যান্সের জন্য তাদের অভিনন্দন জানাবেন। উল্লেখ্য, গতবছর দেশের ২৯ জন শিশুদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে ১৫ জন ছেলে ও ১৪ জন মেয়ে ছিল।

LinkedIn
Share