Tag: president droupadi murmur

president droupadi murmur

  • Kalyan Banerjees Mimicry: কল্যাণকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএ সাংসদরা!

    Kalyan Banerjees Mimicry: কল্যাণকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএ সাংসদরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অকল্যাণকর’কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএ জোটের রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদরা। মঙ্গলবারই উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের স্বর নকল করেছিলেন কল্যাণ। উপরাষ্ট্রপতির উদ্দেশে কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেছিলেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই এদিন রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএর ১০৯ জন সাংসদ।

    কী বললেন তৃণমূল নেত্রী?

    ঘটনাচক্রে এদিন দিল্লিতেই ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণের মিমিক্রির দায় যে তিনি নেবেন না, তা তাঁর বয়ানেই স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “ওই বিষয়টি (কল্যাণের মিমিক্রি)দেখার জন্য সাংসদরা রয়েছেন। যা বলার, তাঁরাই বলবেন। আমি ও আমার দলের সাংসদরা সবাইকে সম্মান করেন।” মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে বসেছিলেন বিজেপি-বিরোধী কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাংসদরা। সেখানে কল্যাণকে ধনখড়ের স্বর নকল (Kalyan Banerjees Mimicry) করতে দেখা যায়। কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেন। পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কল্যাণের মিমিক্রি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছিলেন উপস্থিত সাংসদরা। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই কল্যাণকে ‘মুর্খো কি সর্দার’ আখ্যা দিয়েছেন নেট নাগরিকরা।

    উপরাষ্ট্রপতির পাশে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী

    ঘটনায় উপরাষ্ট্রপতিকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। যেভাবে অঙ্গভঙ্গি করে একজন সাংসদ উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করেছেন ও বাকি সাংসদরা যেভাবে তাতে প্রশ্রয় দিয়েছেন, তাতে মর্মাহত প্রধানমন্ত্রীও। ঘটনায় (Kalyan Banerjees Mimicry) সমব্যথী প্রধানমন্ত্রী। আমায় উনি বললেন ২০ বছর উনিও এরকম অপমান সহ্য করেছেন। তবে সংসদ চত্বরে এধরনের আচরণ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে সংসদ চত্বরে এই অপমান দুর্ভাগ্যজনক বলেও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।”

    আরও পড়ুন: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    কল্যাণকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। ধনখড়ের অপমান আদতে জাঠ সম্প্রদায়ের অপমান বলে মনে করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমি সম্মানিত জাঠ সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, বাংলার মানুষও পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত একজন সাংসদের অসম্মানজনক ও সম্পূর্ণ লজ্জাজনক আচরণে বিরক্ত। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Kalyan Banerjees Mimicry) একজন কৃষকের পুত্র এবং সম্মানিত জাঠ সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। তিনি সব চেয়ে শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তি, কারণ তিনি পশ্চিমবঙ্গে তাঁর শাসনকালে সাংবিধানিক মূল্যবোধ, নিয়ম ও নিয়মাবলী সমুন্নত রেখেছিলেন। তাই তৃণমূল কংগ্রেস (যা পরিবার ভিত্তিক দল) সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি শুধুমাত্র ভারতের মাননীয় উপরাষ্ট্রপতিকে বিদ্রুপ করেননি। সাংসদ প্রাঙ্গনে যখন অন্য সাংসদরা নির্লজ্জভাবে হাতহাতি দিচ্ছেন এবং উল্লাস করছেন তখন তাঁকে নকল করা কাম্য নয়। আগামী লোকসভা নির্বাচনে বাংলার জনগণ অবশ্যই এই কাজের জন্য সাংসদ ও তাঁর আঞ্চলিক পরিবারভিত্তিক দলকে শিক্ষা দেবে।” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyan Banerjees Mimicry: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    Kalyan Banerjees Mimicry: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সাংসদ। তা সত্ত্বেও তিনি করেছেন ‘অসংসদীয়’ আচরণ। দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের স্বর নকল করেছেন। উপরাষ্ট্রপতির উদ্দেশে কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেছেন। এহেন সাংসদ তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjees Mimicry) সমালোচনায় মুখর বিজেপি। মঙ্গলবারই তৃণমূলের এই সাংসদকে ‘মুর্খো কি সর্দার’ বলে অভিহিত করেছেন নেটিজেনরা।

    কল্যাণের ‘অকল্যাণকর’কাণ্ড

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে বসেছিলেন বিজেপি-বিরোধী কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাংসদরা। সেখানে কল্যাণকে ধনখড়ের স্বর নকল করতে দেখা যায়। কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেন। পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কল্যাণের মিমিক্রি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছিলেন উপস্থিত সাংসদরা। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই ‘মুর্খো কি সর্দার’ তকমা পেয়েছেন কল্যাণ। ঘটনায় উপরাষ্ট্রপতিকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। যেভাবে অঙ্গভঙ্গি করে একজন সাংসদ উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করেছেন ও বাকি সাংসদরা যেভাবে তাতে প্রশ্রয় দিয়েছেন, তাতে মর্মাহত প্রধানমন্ত্রীও। ঘটনায় (Kalyan Banerjees Mimicry) সমব্যথী প্রধানমন্ত্রী। আমায় উনি বললেন বিগত ২০ বছর উনিও এ ধরনের অপমান সহ্য করেছেন। তবে সংসদ চত্বরে এধরনের আচরণ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে সংসদ চত্বরে এই অপমান দুর্ভাগ্যজনক বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।”

    ধনখড়কে প্রধানমন্ত্রী ফোনে বলেন, “মন থেকে আমি মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনও অপমানের কাছে আমি মাথা নোয়াব না। কোনও অপমানই আমার পথ পরিবর্তন করতে পারবে না। এঁরা সংবিধান রক্ষায় আমায় রুখতে পারবে না।”

    কল্যাণকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “সংসদ চত্বরে আমাদের শ্রদ্ধেয় উপরাষ্ট্রপতিকে যেভাবে অপমান করা হয়েছে, তা দেখে আমি হতাশ হয়েছি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অবশ্যই নিজেদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে। তবে তাঁদের অভিব্যক্তি মর্যাদা ও সৌজন্যের নিয়মের মধ্যে হওয়া উচিত। যে সংসদীয় ঐতিহ্যের জন্য (Kalyan Banerjees Mimicry) আমরা গর্বিত ও যা ভারতের জনগণ আশা করে, সেটি বজায় থাকা উচিত।”

    আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারবেন না ট্রাম্প, রায় মার্কিন আদালতের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Budget Session 2024: “৩৭০ ধারা নিয়ে শঙ্কা এখন ইতিহাস”, বাজেট ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি

    Budget Session 2024: “৩৭০ ধারা নিয়ে শঙ্কা এখন ইতিহাস”, বাজেট ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ৩১ জানুয়ারি, বুধবার শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন (Budget Session 2024)। চলবে ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখ পর্যন্ত। এই অধিবেশনেই ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। দ্বিতীয় মেয়াদে এটাই মোদি সরকারের শেষ বাজেট অধিবেশন। প্রথা মেনে এদিন সংসদের উভয় কক্ষেই ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর বক্তৃতায় শোনা গিয়েছে মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা।

    গরিবি হটাও স্লোগান

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজ আমরা যে অর্জনগুলি দেখতে পাচ্ছি, তা গত দশ বছরের অনুশীলনের সম্প্রসারণ। আমরা ছোটবেলা থেকেই গরিবি হটাও স্লোগান শুনে এসেছি। আজ, আমাদের জীবনে প্রথমবারের মতো আমরা দারিদ্র দূরীকরণ দেখছি।” তিনি বলেন, “এশিয়ান গেমসে ভারত ১০০টিরও বেশি পদক জিতেছে। দেশজুড়ে ৫জি পরিষেবা চালু করা হয়েছে। আরটিআই ফাইল করা মানুষের সংখ্যা ৩.২৫ কোটি বেড়ে হয়েছে ৮ কোটিরও বেশি। এই অর্জনগুলি দেশের দশ বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “৩৭০ ধারা নিয়ে শঙ্কা এখন ইতিহাস হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে দেশে রয়েছে এক লাখেরও বেশি স্টার্টআপ। জিএসটি দিচ্ছেন এ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষ।”

    ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা এখন ইতিহাস

    তিনি (Budget Session 2024) বলেন, “বিশ্বে গুরুতর আর্থিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও দ্রুত উন্নতি করছে ভারত। আমার সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিলও এনেছে। এগুলি এমন আইন, যা একটি উন্নত ভারতের অর্জনের জন্য শক্তিশালী উদ্যোগ। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা এখন ইতিহাস।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “গত বছর ছিল ভারতের জন্য ঐতিহাসিক অর্জনে ভরপুর। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত সফলভাবে অবতরণ করেছে। জি২০-র সাফল্য সমগ্র বিশ্বে ভারতের ভূমিকাকে শক্তিশালী করেছে। সরকার লাখ লাখ যুবককে সরকারি চাকরি দিয়েছে। নারী শক্তি আইন লোকসভা, রাজ্যসভায় মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়াবে। বহু বছর ধরে রাম মন্দির নির্মাণের প্রতীক্ষা ছিল। কিন্তু এখন তা সম্পূর্ণ হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সুজিত-ঘনিষ্ঠ নিতাইকে তলব ইডির, সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবরাজের

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্রসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তিন তালাকের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। উজ্জ্বলা প্রকল্পে ২.৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। দরিদ্রদের সস্তায় রেশন দিতে ২০ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। আয়ুষ্মান যোজনায় বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিডনির রোগীদের জন্য  ডায়ালিসিসের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Gallantry Awards: সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির, কারা পাচ্ছেন?

    Gallantry Awards: সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির, কারা পাচ্ছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারে (Gallantry Awards) স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। পুলিশ, দমকল, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স ও কারেকশনাল সার্ভিস মিলিয়ে মোট ১১৩২ জনকে সাহসিকতা এবং অন্যান্য সার্ভিস মেডেল দেওয়া হবে।

    তালিকায় কারা?

    সাহসিকতার জন্য যে ২৭৭ জনকে পুরস্কার দেওয়া হবে, এঁদের মধ্যে ১১৯ জন মোতায়েন ছিলেন মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়, জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলে ছিলেন ১৩৩ জন। অন্যান্য অঞ্চলে ছিলেন ২৫ জন। ২৭৭ জনের মধ্যে বিরল সাহসিকতার (Gallantry Awards) জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবেন দু’জন। বাকি ২৭৫ জন পাচ্ছেন সাহসিকতার পুরস্কার। যাঁরা সাহসিকতার মেডেল পাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিএসএফের দু’জনও। বিএসএফের ১৫তম কঙ্গো কনটিনজেন্টে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পাবেন যাঁরা

    সাহসিকতার ২৭৭টি পুরস্কারের মধ্যে রয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ৭২ জন কর্মীও। মহারাষ্ট্রের ১৮ জন পুলিশ কর্মী, ছত্তিশগড়ের ২৬ জন, ঝাড়খণ্ডের ২৩ জন, ওড়িশার ১৫ জন, দিল্লির ৮ জন, সিআরপিএফের ৬৫ জন, এসএসবির ১৫ জন পুলিশ কর্মীও রয়েছেন এই তালিকায়। বাকি পুরস্কার প্রাপকরা অন্যান্য রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং সিএপিএফের।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ছেড়ে কেন হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন রাহুল, কী কারণ?

    আগে সাহসিকতার (Gallantry Awards) জন্য পুরস্কার দেওয়া হত ১৬টি বিভাগে। সেগুলিকে মিশিয়ে এখন চারটি বিভাগ করা হয়েছে। এগুলি হল, প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, মেডেল ফর গ্যালান্ট্রি, প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস এবং মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস। এই কাঠামোয় এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে পুরস্কৃত করা হবে ১১৩২ জনকে। প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস পুরস্কার দেওয়ার হয় বিশেষ কোনও ডিস্টিংগুইশড রেকর্ড সার্ভিসের জন্য। মেডেল ফর মেরিটোরিয়াস সার্ভিস পুরস্কার দেওয়া হয় মূল্যবান কোনও সার্ভিস যাতে রিসোর্স এবং কর্তব্যের প্রতি ডিভোশন রয়েছে।

    প্রেসিডেন্টস মেডেল ফর ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হবে ১০২টি। পুলিশ সার্ভিসে দেওয়া হবে ৯৪টি পুরস্কার। দমকলে দেওয়া হবে ৪টি। সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড সার্ভিসে দেওয়া হবে ৪টি পুরস্কার। মেরিটোরিয়াস সার্ভিসে ৭৫৩টি পুরস্কারের মধ্যে ৬৬৭টি দেওয়া হবে পুলিশ সার্ভিসে, দমকলে ৩২টি, সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড বিভাগে ২৭টি এবং কারেকশনাল সার্ভিসে ২৭টি পুরস্কার (Gallantry Awards) দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bharatiya Nyaya Sanhita Bill: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    Bharatiya Nyaya Sanhita Bill: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনে পরিণত হয়ে গেল ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) সহ তিনটি বিল। শীতকালীন অধিবেশনেই সংসদে পাশ হয়ে গিয়েছিল বিল তিনটি। পরে পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। সেই বিলেই স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। স্বাভাবিকভাবেই বিলটি পরিণত হল আইনে।

    বিল পেশ শাহের

    ১১ অগাস্ট সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই তিনটি বিল হল— ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ যা প্রতিস্থাপিত করল ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’-কে। ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’, যা দিয়ে প্রতিস্থাপিত ‘ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য আইন’ যা প্রতিস্থাপিত করল ‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট’-কে। লোকসভায় বিল (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) তিনটি পাঠানোর পাশাপাশি সংসদীয় সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটির কাছেও পাঠানো হয়েছিল। আইন বদলের বিষয়ে অবগত করতে চিঠি দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীদেরও।

    অবসান ‘তারিখ পে তারিখযুগের

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ হয় রাজ্যসভায়। সেই সময়ই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এবার অবসান হতে চলেছে ‘তারিখ পে তারিখ’ যুগের। বিচার মিলবে তিন বছরের মধ্যেই। এই বিল তিনটি পেশ করে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। সূত্রের খবর, সোমবার বিলটিগুলিতে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি। তাই বিল তিনটি পরিণত হয়েছে আইনে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দণ্ড সংহিতার এই নয়া আইন সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে আরও কড়া হতে চলেছে। গণপিটুনি, জাতীয় সুরক্ষা লঙ্ঘন সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি হতে চলেছে কঠিনতর।

    আরও পড়ুুন: ‘সম্প্রীতি ও সহানুভূতির চেতনা উদযাপনের দিনই বড়দিন’, বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশের গা থেকে পরাধীনতার গ্লানি মুছে ফেলতে চেষ্টার কম কসুর করছে না মোদি সরকার। বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও বলতে শোনা গিয়েছে এ কথা। ‘ভারতীয় দণ্ড সংহিতা’ (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) বিল তিনটি পাশ হওয়ায় পূরণ হল তাঁর সেই স্বপ্ন। প্রসঙ্গত, ১৮৬০ সালে ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’ চালু করেছিল ব্রিটিশ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • New Year Greetings: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির, কী বললেন নরেন্দ্র মোদি?

    New Year Greetings: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির, কী বললেন নরেন্দ্র মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষের প্রথম দিনে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০২৩ সালের প্রথম দিনটিতে দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতা বজায় রাখার বার্তা দিলেন রাষ্ট্রপতি। এদিন সকালে ট্যুইট-বার্তায় রাষ্ট্রপতি লেখেন, সকলকে শুভ নববর্ষ! সব সহ নাগরিক ও প্রবাসী ভারতীয়দের শুভেচ্ছা। ২০২৩ সাল আমাদের জীবনে নতুন অনুপ্রেরণা, লক্ষ্য ও কৃতিত্ব নিয়ে আসুক। আসুন আমরা ঐক্য, অখণ্ডতা এবং সকলকে নিয়ে উন্নয়নে ফের একবার নিজেদের উৎসর্গ করার সংকল্প করি।

    নরেন্দ্র মোদি…

    দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানিয়ে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, ২০২৩ খুব ভাল কাটুক। আশা, সুখ এবং প্রচুর সাফল্যে পূর্ণ হোক নতুন বছর। সকলে সুস্থ থাকুন।

    নববর্ষের সকালে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানিয়েছেন। এদিন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতিও। তবে নববর্ষের প্রাক্কালেও তিনি দেশবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। তাঁর এই শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি লিখেছিলেন, নববর্ষ উপলক্ষে আমি সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

    শুভেচ্ছা জানাই আমার সকল সহ নাগরিককে এবং প্রবাসী ভারতীয়দের। নতুন বছরের নতুন ভোর আমাদের জীবনে নিয়ে আসুক নয়া এনার্জি, নতুন সুখ, লক্ষ্য, প্রেরণা এবং সাফল্য। এই শুভদিনে আমরা এক থাকি, বজায় থাকুক আমাদের ঐক্য। জাতির হোক ব্যাপক উন্নতি। ২০২৩ সালে আমাদের গৌরবান্বিত জাতি এবং দেশবাসীর সাফল্য এবং সমৃদ্ধি কামনা করি।

    আরও পড়ুন: ‘বাবার মৃত্যুর সময়ও কর্তব্যে অবিচল ছিলেন মোদি’, স্মৃতির সাগরে ডুব ভিএইচপি নেতার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share