Tag: Presidential Elections

Presidential Elections

  • Iran Presidential Elections: গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    Iran Presidential Elections: গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ইরানে হয়ে গেল প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (Iran Presidential Elections)। এদিন স্থানীয় সময় সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছিল ভোট গ্রহণ। চলে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। গত মাসে কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় সে দেশের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির। তার জেরেই হল অকাল নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচন ছিল ত্রিমুখী।

    লড়াইয়ের ময়দানে কারা? (Iran Presidential Elections)

    কট্টরপন্থী রক্ষণশীল দুই প্রার্থী হলেন ইরানের পরমাণু চুক্তির মধ্যস্থতাকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা সইদ জালিলি এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কোয়ালিবাফ। এঁদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে সংস্কারপন্থী প্রার্থী মাসুদ পেজেশকিয়ানের। গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে লড়াইয়ের ময়দানে (Iran Presidential Elections) ছিলেন ছ’জন প্রার্থী। বৃহস্পতিবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান দুই প্রার্থী। এঁরা হলেন আলিরেজা জাকানি এবং আমিরহুসেন গাজিজাদে হাসেমি। এই প্রার্থীদের মধ্যে কঠিন লড়াই দিতে পারেন কোয়ালিবাফ, পার্লামেন্টের বর্তমান স্পিকার। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন রেভলিউশনারি গার্ডের সইদ জলিলিও। খামেইনির অফিসে টানা চার বছর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এঁর ঝুলিতে।

    অকাল নির্বাচন কেন?

    ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল আগামী বছরের জুনে। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধাঁচে প্রতি চার বছর অন্তর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় এশিয়ার এই দেশটিতে। ১৯ মে চপার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ইরানের প্রেসিডেন্ট। শূন্য হয়ে পড়ে প্রেসিডেন্টের পদ। সে দেশের সংবিধান অনুযায়ী, ৫০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করে নিয়োগ করতে হবে নয়া প্রেসিডেন্ট। সেই নিয়ম মানতে গিয়েই আয়োজন করতে হয়েছে অকাল ভোটের।

    আর পড়ুন: কাজাখস্তানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বৈঠকে ভারতের নেতৃত্ব দেবেন জয়শঙ্কর

    ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে যতই মাতামাতি হোক না কেন, সে দেশের সরকারের টিকি বাঁধা থাকে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, এবার নির্বাচনে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ কেউই হতে চলেছেন ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট। তবে আশা ছাড়ছেন না সংস্কারপন্থী প্রার্থী পেজেকশিয়ান। তিনি বলেন, “ইজরায়েল ছাড়া বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।” প্রসঙ্গত, গত কয়েকবারের মতো এবারও ইরানে ভোটদানের হার খুবই কম। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে গণনা। গণনার কাজ শেষ হলে জানা যাবে ইরানের নয়া ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে (Iran Presidential Elections)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AI Powered Campaign: এআই কাজে লাগিয়ে ভারত-আমেরিকার ভোটে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে চিন?

    AI Powered Campaign: এআই কাজে লাগিয়ে ভারত-আমেরিকার ভোটে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে চিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরই রয়েছে বিশ্বের দু’ দুটি গণতন্ত্রের নির্বাচন। একটি উন্নত দেশের তালিকার এক নম্বরে। অন্যটি অচিরেই হয়ে উঠতে চলেছে উন্নত দেশ। এই দুই দেশের বন্ধুত্বও মাথাব্যথার কারণ অনেক দেশেরই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (AI Powered Campaign) কাজে লাগিয়ে এই দুই দেশের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে কমিউনিস্ট শাসিত শি জিনপিংয়ের দেশ চিন।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    লন্ডনের সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগের সাম্প্রতিক রিপোর্টেই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে এই দুই দেশের নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে চিন। এ কাজে তারা ব্যবহার করছে সোশ্যাল মিডিয়াকে। যে সব অ্যাকাউন্ট থেকে এসব করা হচ্ছে, সেগুলি চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে আইএসডির গবেষকদের অভিমত। তাঁদের মতে এগুলি (AI Powered Campaign) স্প্যামোফ্লেজ।

    অনলাইনে ক্যাম্পেন

    আইএসডির রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অনলাইনে ক্যাম্পেন চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। এ বছরেরই শেষের দিকে নির্বাচন রয়েছে মার্কিন মুলুকে। সেক্ষেত্রে চিন তুলে ধরছে আমেরিকার অভ্যন্তরীন বিভিন্ন সমস্যা। সেসবে ইন্ধনও জোগানো হচ্ছে। মাদকের ব্যবহার, গৃহহীনতা, বন্দুকবাজের হামলার মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নেগেটিভ প্রচারও চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাবমূর্তি এবং ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে।

    এপ্রিলের প্রথম দিকেই ভারতে শুরু হয়ে যেতে পারে লোকসভা নির্বাচন। ওই সব অ্যাকাউন্ট থেকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলি নিয়েও উদ্দেশ্যমূলক প্রচার করা হচ্ছে। ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন বিষয়, জি২০ শীর্ষ সম্মেলন, অগ্নিবীর সংক্রান্ত বিক্ষোভ এসবের নঞর্থক দিকগুলি তুলে ধরে চালানো হচ্ছে প্রচার।

    আরও পড়ুুন: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    রাজনৈতিক মহলের মতে, চিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকা। আর এশিয়া মহাদেশে তাদের মাথাব্যথার কারণ ভারত। বাকি প্রতিবেশী দেশগুলিকে হয় ঋণের ফাঁদে ফেলে নয়ত অন্য কোনও কৌশলে হাতে রেখে দিয়েছে চিন। তাই ভারত যদি মাথা তুলে দাঁড়ায়, তাহলে সব চেয়ে বেশি বিপদে পড়বে ড্রাগনের দেশ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই ভারত ও আমেরিকার সাধারণ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে চিন (AI Powered Campaign)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Presidential Elections: “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত?

    Presidential Elections: “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) প্রতি তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা। তবে তাঁর সঙ্গে দ্রৌপদীর লড়াই হবে আদর্শের। এমনই জানিয়ে দিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তথা বিজেপি-বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। বিরোধীদের ভোটের পাশাপাশি বিজেপির কিছু ভোটও পাবেন বলে আশাবাদী এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু! ‘ঘরের মেয়ে’ কে সমর্থন নবীনের

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই নির্বাচনে এনডিএর প্রার্থী প্রাক্তন রাজ্যপাল বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যাতে সর্বসম্মত হয়, সেজন্য চেষ্টার কম কসুর করেননি পদ্ম নেতৃত্ব। বিজেপির তরফে বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রাজনাথ সিংকে। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যর্থ হন তিনি। বিজেপি বিরোধী ১৭টি দল সর্বসম্মতভাবে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যে তিনটি নাম নিয়ে বিরোধীরা প্রথমে এগিয়েছিলেন, সেই এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা ও কংগ্রেসের গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী সাফ জানিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে তাঁরা নেই। এর পরেই বেছে নেওয়া হয় বিজেপি ছেড়ে বেরিয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া যশবন্ত সিনহাকে। তৃণমূলের এই ভাইস প্রেসিডেন্টকেই প্রার্থী করেন বিরোধীরা।

    রাজনৈতিক মহলের হিসেব বলছে, রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীই। এনডিএর পাশাপাশি বিজেডি এবং নীতীশ কুমারের দলের সমর্থন রয়েছে তাঁর সঙ্গে। এতদসত্ত্বেও আশা ছাড়তে রাজি নন যশবন্ত স্বয়ং। সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, যাঁরা বিজেপি রয়েছেন, তাঁদের ভোটও পাব। আমি জানি, বিজেপির লোকও বিজেপির ওপর ক্ষুব্ধ। গোপন ব্যালটে ভোট হবে। তাই বিষয়টি গোপনই থাকবে।

    আরও পড়ুন : কাউন্সিলর থেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী, কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

    বস্তুত, এই হিসেব কষেছে তৃণমূলও। যশবন্ত যেহেতু বিজেপির প্রাক্তনী, তাই তিনি কিছু ভোট ভাঙাতে পারবেন। অন্তত এমনই ভেবেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই পাওয়ার, আবদুল্লা এবং গান্ধী না করে দিতেই যশবন্তের নামে পড়ে শিলমোহর।

    কোন ইস্যুতে ভোট চাইবেন? সংবাদ মাধ্যমের এহেন প্রশ্নের জবাবে যশবন্ত বলেন, ভারতের সংবিধান রক্ষা করাই আমার সব চেয়ে বড় কাজ। যদি রাষ্ট্রপতি ভবনে যাই, তাহলে এই কাজই করব।এই সরকার সংবিধান ও সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে মানছে না। রাষ্ট্রপতি ভবনে যদি রাবার স্ট্যাম্প থাকে, তাহলে এই সরকার তার সুযোগ নেবে এবং রাষ্ট্রপতিকে তাঁর কর্তব্য পালন করতে দেবে না।

    যশবন্তের রাইসিনা হিলসে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয় কিনা, সেটাই দেখার।

          

  • BJP Letter to Mamata: “দ্রৌপদীদেবীর জয় নিশ্চিত, তা সত্ত্বেও…”, মমতাকে চিঠি বঙ্গ বিজেপির 

    BJP Letter to Mamata: “দ্রৌপদীদেবীর জয় নিশ্চিত, তা সত্ত্বেও…”, মমতাকে চিঠি বঙ্গ বিজেপির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র (NDA) বাজি বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi murmu)। জোটবদ্ধ হয়ে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি বিরোধী দলগুলিও। তা সত্ত্বেও রাজ্য বিজেপি  ভোট চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীদের কাছেও। সেই মতো দ্রৌপদীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখল বঙ্গ বিজেপি। চিঠির নীচে সই করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুন : এখনও অন্ধকারে! অবশেষে বিদ্যুৎ এল রাষ্ট্রপতি প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর গ্রামে

    জুলাই মাসের ১৮ তারিখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ওই নির্বাচনে এনডিএ-র প্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদী। নির্বাচন নয়, রাষ্ট্রপতি যাতে সর্বসম্মতভাবে মনোনীত হন সেজন্য বিরোধীদের কাছে আবেদন করেছিলেন রাজনাথ। তার পরেও বিজেপিকে মাত দিতে সম্মিলিতভাবে প্রার্থী দিয়েছে ১৮টি বিরোধী দল। প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া যশবন্ত সিনহা। তার পরেও মুখ্যমন্ত্রী তথা  তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি।

    এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত। বলেন, দ্রৌপদী মুর্মু প্রথম কোনও জনজাতি সম্প্রদায়ের রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন। আমরা চাই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও তাঁকেই নির্বাচিত করুন।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু! ‘ঘরের মেয়ে’ কে সমর্থন নবীনের

    রাজনৈতিক মহলের হিসেব বলছে, সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে দ্রৌপদী অনেক এগিয়ে।এডিএর শরিক নয়, এমন কয়েকটি দলও দ্রৌপদীকেই সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে। তাই দ্রৌপদীর জয় একপ্রকার নিশ্চিত। তা সত্ত্বেও মমতা সহ রাজ্যের সব বিধায়ক ও তৃণমূল (TMC) এবং কংগ্রেসের (Congress) সাংসদদের চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। মমতাকে পাঠানো চিঠিতে বিজেপির তরফে লেখা হয়েছে, দ্রৌপদীদেবীর বিজয় নিশ্চিত। তা সত্ত্বেও ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে আপনার কাছে তাঁর হয়ে ভোট প্রার্থনা করছি। কারণ, বর্তমান সময়ের কষ্ঠিপাথরে শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া সর্বোত্তম পদক্ষেপ বলে আমরা মনে করি।

     

LinkedIn
Share