Tag: presidential polls

presidential polls

  • Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Polls)  দামামা বেজে গিয়েছে। কোমর কষে নেমে পড়েছে শাসক ও বিরোধী দু’পক্ষই। এমতাবস্থায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এনসিপি-র (NCP) শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar) জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনি। একই কথা জানিয়ে দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও (Nitish kumar)।

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি চাইছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হোন সর্বসম্মতভাবে। সেজন্য বিজেপির তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh))। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে তাঁরাই ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন।

    আরও পড়ুন :রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    এদিকে, সলতে পাকাতে শুরু করেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলিও। বিজেপিকে মাত দিতে তারাও চাইছে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন দলের একজনকেই প্রার্থী করতে। সেই কারণেই তৃণমূল নেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল। সেখানেই চূড়ান্ত হতে পারে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের নাম।

    তবে রাষ্ট্রপতি পদে দৌড়ে তিনি যে নেই, তা আগেভাগেই জানিয়ে দিলেন পাওয়ার। বছর একাশির এই প্রবীণ নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আমি নেই। আমি বিরোধীদের প্রার্থী হচ্ছি না। এদিকে, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবারই পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে। রবিবার আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং-ও ফোন করেন এনসিপি প্রধানকে। তাঁদের ততক্ষণাৎ কিছু জানাননি পাওয়ার। জানালেন সোমবার। এমতাবস্থায় পাওয়ারের এই ঘোষণায় যথেষ্ট বিব্রত বিরোধীরা।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    এদিকে পাওয়ারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনিও। অথচ জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল নীতিশের নাম। বিজেপির তরফেও কেন্দ্রের এক মন্ত্রী দেখা করেন নীতিশের সঙ্গে। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি শিবিরের বাজি হতে পারেন নীতীশ। সেই নীতিশই সোমবার স্বয়ং ঘোষণা করলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে রেসের ঘোড়া নন তিনি।

     

  • President Poll: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?  

    President Poll: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়ে গিয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Election) নির্ঘণ্ট। আস্তিন গোটাতে শুরু করেছে শাসক বিজেপি (BJP) এবং বিরোধীরা (Opposition)। কে যাবেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাইসিনা হিলসে (Raisina Hill)?

    ২০১৭ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পদ্ম শিবিরে ঘোরাফেরা করছিল অনেকগুলো নাম। তার পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে প্রার্থী করে চমক দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোবিন্দ তখন ছিলেন বিহারের রাজ্যপাল। পদ্ম শিবির এবারও সেরকম কোনও চমক দিতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে বিজেপি শিবিরে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। সেই তালিকায় রয়েছেন বর্তমান উপ রাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। আছেন তেলেঙ্গানার তামিলিসাই সুন্দররাজন, আসামের জগদীশ মুখী, ছত্তিশগড়ের অনুসুইয়া উইকে এবং কেরলের আরিফ মহম্মদ খান। পাশাপাশি ভেসে উঠছে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুর নামও ।

    আরও পড়ুন : লাদাখে নদীতে পড়ল সেনার গাড়ি, মৃত ৭ জওয়ান, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    সংসদীয় রাজনীতির অন্যতম প্রবীণ মুখ কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। তিনি হতে পারেন দু পক্ষেরই বাজি। গুলাম রাজ্যসভা থেকে যেদিন অবসর নেন, সেদিন চোখে জল দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদির। আজাদের সঙ্গে কেবল বিজেপি নয়, সব রাজনৈতিক দলেরই সম্পর্ক মধুর। তাই কংগ্রেসের পাশাপাশি তাঁকে নিয়ে ভাবছে পদ্ম নেতৃত্ব। গুলামকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ঘোষণা করলে বিরোধীরাও বিরোধিতা করতে পারবেন না। তাই তাঁকে রাইসিনা হিলসে পাঠিয়ে চমক দিতে পারেন মোদি।

    গুলামের পাশাপাশি কংগ্রেস শিবিরে ভাসছে আরও দুটি নাম। একজন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার, অন্যজন মীরা কুমার। পাওয়ার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। সংসদীয় রাজনীতির সব কিছু তাঁর নখদর্পণে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনবার। ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। কংগ্রেস ছেড়ে তিনি তৈরি করেন এনসিপি। শিবসেনা এবং কংগ্রেসের সঙ্গে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় রয়েছে তাঁর দল। তাই তিনিও হতে পারেন বিরোধীদের প্রার্থী। পাওয়ার প্রার্থী হলে তৃণমূল কিংবা অখিলেশেরও কোনও আপত্তি থাকবে না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    বাংলায় ৩৫৬ ধারা জারির দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনে বিজেপি প্রতিনিধিদল

    লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমারকেও প্রার্থী করতে পারে কংগ্রেস। মীরা তফশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন। তাই বিজেপির কোনও দলিত প্রার্থীর পাল্টা বাজি হতে পারেন মীরাই।  বেঙ্কাইয়া নাইডুকেও প্রার্থী করতে পারে বিজেপি। তিনিও দক্ষ রাজনীতিবিদ। অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার বিধায়ক ছিলেন। পরে আসেন রাজ্যসভায়। অটল বিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার সদস্যও ছিলেন তিনি। মন্ত্রী ছিলেন মোদি মন্ত্রিসভার। উপরাষ্ট্রপতির অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তাই তিনিও হতে পারেন বিজেপির বাজি।

    কেরলের রাজ্যপাল আরিফ খানকেও রাইসিনা হিলসে পাঠাতে পারে গেরুয়া শিবির। তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। সর্বোপরি, মোদি-নীতির সমর্থক। প্রধানমন্ত্রীর প্রায় সব সিদ্ধান্তেই গলা মিলিয়েছেন তিনি। তাঁকে প্রার্থী করা হলে ভোঁতা হয়ে যাবে বিরোধীদের সমস্ত হাতিয়ার।

    তবে শেষ হাসি হাসবেন কে? তা বলবে সময়।

     

  • Sri Lanka Presidential Polls: শ্রীলঙ্কায় বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী রনিল বিক্রমসিংহে

    Sri Lanka Presidential Polls: শ্রীলঙ্কায় বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী রনিল বিক্রমসিংহে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) নয়া প্রেসিডেন্ট (New President) রনিল বিক্রমসিংহে (Ranil Wickremesinghe)। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর অ্যাক্টিং প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছিলেন রনিল বিক্রমসিংহে। বুধবার ভোটে প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হলেন তিনিই।

    বছর তিয়াত্তরের রনিল বিক্রমসিংহে ছ’বার দেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) ছিলেন। ২২৫ জন সাংসদের মধ্যে ১৩৪ জনের ভোট পেয়েছেন তিনি। তার পরেই জয়ী ঘোষণা করা হয় তাঁকে। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এসএলপিপির-ই বিদ্রোহী সদস্য ডালাস আলাহাপ্পেরুমা। প্রাক্তন এই সাংবাদিকের পিছনে সমর্থন ছিল শাসক দলের বিক্ষুব্ধদেরও। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮২টি। লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন বামপন্থী নেতা আনুরা কুমার দিসানায়েকও। তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩টি ভোট। ভোট শুরু হওয়ার আগে প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন দেশের প্রধান বিরোধী দল এসজেপি-র নেতা সাজিথ প্রেমদাসা। রনিল আপাতত ২০২৪-এর নভেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে থাকবেন। কারণ এই সময়ই রাষ্ট্রপতি হিসেবে গোতাবায়ার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে মোদিকে পাশে থাকার আবেদন শ্রীলঙ্কার বিরোধী নেতার

    আগে জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হতেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তবে জরুরি ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হয়। ঠিক হয়, জনগণ নন, আপাতত সাংসদরাই ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। সেই মতো কড়া নিরাপত্তায় ব্যালট পেপারে ভোট হয় এদিন। সংসদের ২২৫ জন সাংসদের মধ্যে ভোট দেন ২২৩ জন। ভোটদানে বিরত ছিলেন দুজন। যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বাতিল হয় চারটি ভোট। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২১৯টি। জানা গিয়েছে, ৪৪ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম সাংসদরা ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করলেন। ১৯৮২, ১৯৮৮, ১৯৯৪, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০১০, ২০১৫ এবং ২০১৯ সালে জনগণ ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেছিলেন। এবারই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করলেন সাংসদরা। 

    আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা ছেড়ে মালদ্বীপ পালালেন রাষ্ট্রপতি, দায়িত্বে রনিল বিক্রমসিংহে, জরুরি অবস্থা জারি

    প্রসঙ্গত, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার তলানিতে। যার জেরে বিদেশ থেকে আমদানি করা যাচ্ছে না জ্বালানি। জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যও আকাশ ছোঁয়া। এর পরেই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান জনতা। জনরোষের আঁচ পেয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পালান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষে।

     

  • Yashwant Sinha: মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েই কি বাংলায় প্রচারে নারাজ যশবন্ত সিনহা? 

    Yashwant Sinha: মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েই কি বাংলায় প্রচারে নারাজ যশবন্ত সিনহা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন তৃণমূলের (TMC) সহ সভাপতি। রাষ্ট্রপতি (President) পদে তাঁর নাম প্রস্তাব করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী সেই যশবন্ত সিনহাই (Yashwant Sinha) ভোট চাইতে পশ্চিমবাংলায় নাও আসতে পারেন। যে ঝাড়খণ্ড তাঁর নিজের রাজ্য, সেখানেও তিনি যাবেন না বলেই এখনও পর্যন্ত খবর। বৃহস্পতিবার যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে প্রচার করছেন বিজেপি বিরোধী ১৮টি দলের প্রার্থী যশবন্ত। 

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত কীভাবে হলেন বিরোধী প্রার্থী, জানেন কি আসল কাহিনি?

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর নামে সিলমোহর দেয় এনডিএ। রাষ্ট্রপতি যাতে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন, তাই রাজনাথ সিংকে দায়িত্ব দেওয়া হয় বিরোধীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য। বিজেপি নেতৃত্ব পদ্ম-বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথাও বলেন। তার পরেও চিঁড়ে ভেজেনি। বিরোধীরা পাল্টা সর্বসম্মতভাবে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন যশবন্ত সিনহার নাম। তবে তার আগে একপ্রস্ত নাটক হয়। বিরোধীরা প্রথমে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, পরে ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা এবং তারও পরে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম প্রস্তাব করেন। এই তিনজনের কেউই প্রার্থী হতে চাননি। অতএব, শিকে ছেঁড়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া যশবন্তের কপালে। প্রার্থী হওয়ার আগে অবশ্য তৃণমূল ছাড়তে হয় তাঁকে। এদিকে, বিজেপি দ্রৌপদীকে প্রার্থী করতেই খেলা ঘুরে যায়। দ্রৌপদী আদিবাসী সম্প্রদায়ের। তাই তাঁর বিরোধিতার ফল ভোটবাক্সে পড়তে পারে ভেবে দোটানায় পড়ে যান তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদীই জিতবেন।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর হয়ে সওয়াল মমতার

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজনীতির অঙ্কে বাংলায় জনসমর্থন মিলবে না ভেবেই বাংলায় ভোট প্রচারে নাও আসতে পারেন যশবন্ত। তাঁর খাসতালুক ঝাড়খণ্ডেও যাবেন না বলেই খবর। কারণ ইতিমধ্যেই দ্রৌপদীকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও। জানা গিয়েছে, এদিন উত্তর প্রদেশ সফরে গিয়েছেন যশবন্ত। তার পরের দিনই যাবেন গুজরাটে। সেখান থেকে জম্মু-কাশ্মীরে যাওয়ার কথা তাঁর। ভূস্বর্গবাসীর সমর্থন আদায় করতেই তাঁর উপত্যকায় যাওয়ার কথা।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, যশোবন্ত যা-ই করুন না কেন, রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কারণ এনডিএ ছাড়াও তাঁকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিরোধীদের অনেকেই। তাই রাইসিনা হিলসের দৌড়ে যে যশবন্তের চেয়ে দ্রৌপদী কয়েক যোজন এগিয়ে, তা বলাই বাহুল্য।

     

LinkedIn
Share