Tag: primary

primary

  • Primary TET: হাইকোর্টের গুঁতোয় টনক নড়েছে, তাই কি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা টেটে?

    Primary TET: হাইকোর্টের গুঁতোয় টনক নড়েছে, তাই কি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা টেটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের গুঁতোয় এবার টনক নড়েছে মধ্য শিক্ষা পর্ষদের। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে হাইকোর্টে নানা সময় অপদস্থ হতে হয়েছে রাজ্যকে। তার জেরে এবার প্রাইমারি টেটে (Primary TET) কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে পর্ষদ। এদিন সকাল ৬টা ৫০ মিনিট থেকেই মেট্রো চালাচ্ছে রেল। রয়েছে পর্যাপ্ত বাসের ব্যবস্থাও। পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ যাতে অসদ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন সেজন্য পরীক্ষকদের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য গুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে জেনে নিন পর্ষদের জারি করা সেই ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টজ’ সম্পর্কে।

    ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টজ’

    অ্যাডমিট কার্ড ছাড়া ছাপা কোনও জিনিস নিয়ে ঢোকা যাবে না পরীক্ষা কেন্দ্রে। ঢোকা যাবে না পেন্সিল বক্স, প্লাস্টিকের পাউচ, ক্যালকুলেটর, স্কেল, রাইটিং প্যাড, পেন ড্রাইভ, ইলেকট্রিক্যাল স্ক্যানার, কার্ড বোর্ড, জলের বোতল, মোবাইল, ইয়ার ফোন, ব্লু টুথ, মাইক্রোফোন, পেজার, হেল্থ ব্যান্ড নিয়েও। কোনও ধরনের ঘড়ি, মানি ব্যাগ, সানগ্লাস, হ্যান্ড ব্যাগ এবং সোনার গয়না নিয়েও ঢোকা যাবে না পরীক্ষা (Primary TET) কেন্দ্রে। পরীক্ষা হলে মোবাইল নিয়ে যেতে পারবেন না পরীক্ষকরাও। নির্দিষ্ট ঘরেই ফোন রাখতে হবে সবাইকে। প্রয়োজনে কথা বলতে হলে, সেখানে গিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে লগ বুকে তা নথিভুক্ত করতে হবে।

    প্রত্যেক ঘরেই থাকবে ঘড়ি

    পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য প্রতিটি ঘরেই জলের ব্যবস্থা থাকবে। থাকবে ঘড়িও। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে পরীক্ষা কেন্দ্র ছাড়তে পারবেন না পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষাকেন্দ্রের গেট খুলে দেওয়া হবে সকাল সাড়ে ৯টায়ই। সংশ্লিষ্ট সকলকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে হবে ১১টার মধ্যে। যদিও পরীক্ষা শুরু হবে ১২টা থেকে। পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার মুখে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করা হবে সবাইকে।

    আরও পড়ুুন: “গোহত্যা হলে ভগবান আমাদের ক্ষমা করবেন না”, মন্তব্য গুজরাট হাইকোর্টের

    পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা গোলাপি রংয়ের কপিটি জমা দেবেন। বাড়ি নিয়ে যাবেন ডুপ্লিকেট কপিটি (Primary TET)। এদিনই ব্রিগেডে রয়েছে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান। সেজন্য ভিড় হতে পারে রাস্তাঘাটে। তাই হাতে বেশ খানিকটা সময় নিয়েই বের হওয়াই ভালো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET: রাত পোহালেই প্রাইমারি টেট পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফোন নম্বর

    Primary TET: রাত পোহালেই প্রাইমারি টেট পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফোন নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই প্রাইমারি টেট পরীক্ষা (Primary TET)। পরীক্ষা শুরু হবে রবিবার বেলা ১২টা থেকে। চলবে আড়াইটে পর্যন্ত। পরীক্ষায় বসবেন ৩ লাখ ৯ হাজার ৫৪ জন। পরীক্ষা নেওয়া হবে ৭৭৩টি কেন্দ্রে। নিয়োগ হবে ১১ হাজার ৭৬৫টি আসনে। অ্যাডমিট কার্ড এবং পেন-পেন্সিল ছাড়া আর কিছুই নিয়ে ঢোকা যাবে না পরীক্ষা কেন্দ্রে। প্রশ্ন থাকবে ১৫০টি। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। প্রশ্ন হবে এমসিকিউ ধাঁচে। নেগেটিভ মার্কিং নেই।

    পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে এদিন মেট্রো চলবে সকাল ৬টা বেজে ৫০ মিনিট থেকে। দক্ষিণেশ্বর থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৭টায় (Primary TET)। এদিন সব মিলিয়ে মেট্রো চলবে ২৩৪টি। পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষকদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে পর্ষদ। যে কোনও প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে। হেল্পলাইন নম্বরগুলি হল-

    শিলিগুড়ি – ৯৮০০৫৮৩৩০৭/৭৯০৮৪০৯১০০

    জলপাইগুড়ি – ৮১০১২৪৯৮৬৯

    আলিপুরদুয়ার – ০৩৫৬৪-৪৬৯৭৭৩

    কোচবিহার – ০৩৫৮২-২২২৪৪২

    উত্তর দিনাজপুর -১৮০০-৩৪৫-৩৩৬৭/ ০৩৫২৩-২৪৬১৫৩

    দক্ষিণ দিনাজপুর – ৭০০১৩০১০৭৭

    মালদহ – ০৩৫১২-২২১১২৩

    মুর্শিদাবাদ – ৯৯৩২০৫৪৬০৮

    নদিয়া – ৯২৩২৭৬১৫৬৮

    পুরুলিয়া – ৭৫৪৭৯৯৪৯৪৯

    বাঁকুড়া – ৯৯৩২৯৬৭৭৪৭

    বীরভূম – ৯৯৩৩৪৮৫৪০৫

    পূর্ব বর্ধমান – ৯৪৭৪১৭৩০০/৯৪৭৪১৭৩১৪৪

    পশ্চিম বর্ধমান – ৯৪৩৪৩২৩৮৩৯

    হুগলি – ৭০৩৩৯০৮৪২০

    হাওড়া – ৮৯২৬৩৩০৭৩০/৯৪৩৪৫১০২৭৯

    কলকাতা – ৬২৯১১৫২৪৭৮

    উত্তর ২৪ পরগনা – ৭৯৮০৪৬৫৬৬৪ /৯০৯৩১১৮৯০৬ / ৯৮৭৪১১১৫৬৪

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা – ৯৪৩৩২৬৬৮৮৭/ ৯৪৭৪১৫৯৪৫৬

    পূর্ব মেদিনীপুর – ৯৪৭৫২২৪৯২৭ / ৭৩১৯২৯০২৬৩

    পশ্চিম মেদিনীপুর – ৯৫৪৭৫৭৩৭৩৬

    ঝাড়গ্রাম -০৩২২১-২৯১০১৬/৮১০১৭৪৫৪৩৭

    রবিবার একে রাস্তায় কম থাকে গাড়ি, তার ওপর এদিনই ব্রিগেডে হবে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ। সেকথা মাথায় রেখেই পর্যাপ্ত সংখ্যক বাস যাতে চলাচল করে, তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, রবিবারের এই পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল ১০ ডিসেম্বর। তার আগে ৪ তারিখে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে পরীক্ষার দিন ধার্য করা হয় ২৪ ডিসেম্বর। এই দিনেই রয়েছে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আসর। উদ্যোক্তাদের দাবি, এই তারিখ ঠিক হয়েছিল ছ’ মাসেরও বেশি আগে। তার পরেও পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এই দিনেই পরীক্ষা ফেলায় দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে পরীক্ষার্থীদের (Primary TET)।

    আরও পড়ুুন: “আব কি বার ৫০ শতাংশ ভোট পার”, প্রচারের সুর বাঁধলেন মোদি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Narendra Modi: ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র দিনেই প্রাইমারি টেট! ক্ষোভ জমছে পরীক্ষার্থীদের মধ্যেও

    PM Narendra Modi: ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র দিনেই প্রাইমারি টেট! ক্ষোভ জমছে পরীক্ষার্থীদের মধ্যেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল প্রাইমারি টেট পরীক্ষা হবে ১০ ডিসেম্বর। পরীক্ষা যখন দোরগোড়ায়, তখনই কোনও কারণ ছাড়াই বদলে দেওয়া হল টেট পরীক্ষার দিন! পরীক্ষা হবে ২৪ ডিসেম্বর। ঘটনাচক্রে এদিনই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠে’র আসরে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। বিজেপির অভিযোগ, রাজনীতি করতেই পর্ষদ বেছে বেছে পরীক্ষার দিন ফেলেছে ২৪ ডিসেম্বর। গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে ব্যাঘাত ঘটাতেই এটা করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদেরও একাংশের বক্তব্য, বেছে বেছে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানের দিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার দিন ফেলে আদতে তাঁদেরই হেনস্থা করতে চাইছে রাজ্য সরকার।

    ২৪ ডিসেম্বর গীতাজয়ন্তী

    ২৪ ডিসেম্বর, রবিবার গীতাজয়ন্তী। দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এ রাজ্যে এতদিন দিনটির বিশেষত্বের কথা জানতেন হাতে গোণা কয়েকজন। এবার অবশ্য হইচই পড়ে গিয়েছে এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে। এর প্রথম কারণ, এক লক্ষ মানুষ গীতা পাঠ করবেন সমবেত কণ্ঠে। আর দ্বিতীয়ত, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তাই গীতা পাঠকদের পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠান চাক্ষুষ করতেও ভিড় করবেন প্রচুর মানুষ (PM Narendra Modi)। এঁদের মধ্যে ধর্মপ্রাণ মানুষ যেমন থাকবেন, তেমনি থাকবেন অনুসন্ধিৎসুরাও।

    সমস্যায় পড়তে পারেন পরীক্ষার্থীরা

    প্রধানমন্ত্রী শহরে আসবেন। তাই এদিন যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তার ওপর ব্রিগেডে এদিন ভিড় হবে লক্ষাধিক মানুষের। যেহেতু দিনটি রবিবার, তাই যানবাহন চলে কম। এই জোড়া ফলায় সমস্যায় পড়তে পারেন টেট পরীক্ষার্থীরা। বিশেষত, এদিন যাঁরা পরীক্ষা দিতে আসবেন কলকাতায়। তাছাড়া যাঁরা পরীক্ষা দেবেন, তাঁদের অনেকেই বঞ্চিত হবেন এই মহতী অনুষ্ঠানের সাক্ষী হওয়া থেকে। তাই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে পরীক্ষার্থীদেরও একাংশের মধ্যে। যেহেতু অনেক আগে থেকেই লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করেছেন উদ্যোক্তারা, প্রস্তুতিও শেষের পথে, তাই অনুষ্ঠানের দিন বদল করতে রাজি নন তাঁরা। এদিকে, রাজ্য সরকারও ওই দিনেই পরীক্ষা নিতে বদ্ধপরিকর। স্বাভাবিকভাবেই যার খেসারত দিতে হতে পারে পরীক্ষার্থীদের।

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেস হারতেই বেসুরো মমতা, ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন

    সংগঠনের সহ-সভাপতি রিষড়া প্রেম মন্দিরের সন্ন্যাসী নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারি বলেন, “অনেক আগে থেকে আমাদের কর্মসূচি ঠিক করা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) যে আসবেন, সেটাও চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। তাই আমাদের পক্ষে দিন বদল করা সম্ভব নয়।” বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “এ রাজ্যের শাসক দল ও মুখ্যমন্ত্রী যে সনাতন ধর্ম বিরোধী, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। পরীক্ষা পিছিয়ে দিয়ে সনাতন ধর্মের একটি কর্মসূচির দিনের করাটা, তাঁর সেই মনোভাবেরই পরিচায়ক।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Primary Recruitment Case: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    Primary Recruitment Case: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একক বেঞ্চ তো আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কাউকে তো নেকড়ের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়নি। তাহলে সমস্যা কোথায়?” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি সুব্রত তালুকদার। এদিন প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলার (Primary Recruitment Case) শুনানি শুরু হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই বিচারপতি তালুকদার বলেন, “একক বেঞ্চ তো আবার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কাউকে তো নেকড়ের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়নি। তাহলে সমস্যা কোথায়?”

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ত্রুটির কথা উল্লেখ করে শুক্রবার ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই মামলার শুনানিতেই ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি তালুকদার।

    চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় (Primary Recruitment Case) সওয়াল…

    এদিন আদালতে পর্ষদের তরফে হাজির ছিলেন আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত। তিনি বলেন, “চাকরিহারা ওই প্রাথমিক শিক্ষকদের (Primary Recruitment Case) অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট যে হয়নি তা বিচারপতি কীভাবে বুঝলেন? আমাদের বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে ১০০ জনেরও বেশি পরীক্ষক বা ইন্টারভিউয়ার ছিলেন। বিচারপতি মাত্র কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। কেবল তার ভিত্তিতে তিনি কীভাবে বলে দিলেন, অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট সঠিক পদ্ধতিতে না নিয়েই নম্বর দেওয়া হয়েছে?”

    আদালতের নির্দেশে চাকরি খোয়ানো ব্যক্তিদের তরফে আদালতে সওয়াল করেন তৃণমূল নেতা তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “অপ্রশিক্ষিত হওয়ার জন্যই যদি চাকরি বাতিল হয়, তবে যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁরাও তো অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী। তাছাড়া নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি যখন দেওয়া হয়েছিল, তাতে স্পষ্ট বলা ছিল, অপ্রশিক্ষিত হলেও, চাকরি পাবেন। কিন্তু দু বছরে প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে হবে। তার পরেও কীভাবে অপ্রশিক্ষিত হওয়ার জন্য চাকরি বাতিল হতে পারে”?

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    আদালতে সওয়াল করেন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও। তিনি বলেন, “অনিয়ম (Primary Recruitment Case) যে হয়েছে, কে কত নম্বর পেয়েছেন, তা তো পর্ষদের প্রকাশিত প্যানেলের তথ্য থেকেই জানা যাচ্ছে। ৩২ হাজারের চাকরি যাওয়া নিয়ে এত কথা বলা হচ্ছে। অথচ চাকরির অপেক্ষায় যে হাজার হাজার প্রার্থী বসে রয়েছেন, তাঁদের কী হবে?”

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ৪২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রাথমিক স্কুলে। তাঁদের মধ্যে ৩২ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি বলে অভিযোগ বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ওই ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ওই শিক্ষকরা চার মাস স্কুলে পড়াবেন, বেতন পাবেন পার্শ্বশিক্ষকের মতো। এই সময়ের মধ্যেই পর্ষদকে শেষ করতে হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: ১১ জনকে নিয়োগ করতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ তৃণমূল বিধায়কের, কোন পদে চাকরি জানেন?

    Scam: ১১ জনকে নিয়োগ করতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ তৃণমূল বিধায়কের, কোন পদে চাকরি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতি (Scam) নিয়ে রাজ্যে এখন তোলপাড় চলছে। আদালতের নির্দেশে, দুর্নীতিতে (Scam)  জড়িত থাকার অভিযোগে একের পর এক শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। নতুন করে আরও অনেকের চাকরি যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় ১১ জন ছেলেমেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিয়ে সুপারিশ করেছিলেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এমনিতেই নিয়োগ  দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন জেলে রয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী  থাকার সময় বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজের প্যাডে লিখে তাদের চাকরির জন্য সুপারিশ করেছিলেন।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া চিঠিতে কী রয়েছে? (Scam)

    তৃণমূল বিধায়ক ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন। বিধায়কের প্যাডে চিঠি লেখা হয়েছিল। চিঠিতে  তত্কালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ করা হয়, তাঁর মনোনীত ১১ জন ছেলেমেয়েকে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকার পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। ওই প্যাডে ছেলেমেয়েদের নাম, রোল নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য দেওয়া রয়েছে। চিঠির নীচে বিধায়কের সই এবং স্ট্যাম্প দেওয়া রয়েছে। দুর্নীতিকাণ্ড সামনে আসতেই তৃণমূল বিধায়কের এই চিঠি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। চিঠির বিষয়টি সামনে আসতেই বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিশীথ মালিক কার্যত এড়িয়ে গিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানা নেই। বিস্তারিত জেনে এব্যাপারে বলতে পারব।

    চিঠি নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতা? Scam

    বিজেপির বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে (Scam) যে ভাবে একের পর এক শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি যাচ্ছে তাতে সারা দেশের কাছে এই রাজ্যের শিক্ষার মান একেবারে তলানিতে নামিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক যে ১১ জনের নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে সুপারিশ করেছিলেন, কত টাকার বিনিময়ে তাদের চাকরি হয়েছে তা সকলেই জানতে চায়। মেধাবীদের বাদ দিয়ে এভাবে ঘুর পথে কাটমানির বিনিময়ে চাকরির সুপারিশের আমরা তীব্র নিন্দা করছি। আর এই ঘটনায় তদন্তের দাবি করছি।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: টেটকাণ্ডে আজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জেরার মুখে ৪০ জন ইন্টারভিউয়ার! কেন জানেন?

    SSC Scam: টেটকাণ্ডে আজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জেরার মুখে ৪০ জন ইন্টারভিউয়ার! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam) পরীক্ষায় অ্যাপটিটিউড টেস্টে নিয়ম না মানার অভিযোগ করেছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। সেই কারণে যাঁরা ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন, তাঁদেরই জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। মঙ্গলবার এমনই ৪০ জন ইন্টারভিউয়ারকে তলবও করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্ধদ্বার জেরা করা হবে তাঁদের। এদিন মোট পাঁচটি জেলা থেকে ৪০ জনকে ডাকা হয়েছে।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়…

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এই ইন্টারভিউয়ারদের মুখোমুখি হবেন এজলাসের বাইরে। জানা গিয়েছে, হাইকোর্টের সার্ধশতবার্ষিকী ভবনের কোনও একটি জায়গায় বসবে আদালত। সেখানেই ওই ইন্টারভিউয়ারদের প্রশ্ন করবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্ধদ্বারে হবে সেই প্রশ্নোত্তর পর্ব। সবরকম গোপনীয়তা বজায় রেখেই ওই ৪০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হচ্ছে তাঁরা এবং আইনজীবীরাই কেবল উপস্থিত থাকবেন প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন। এই সময় বাইরের কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না আদালতে।

    প্রাথমিকে (SSC Scam) অ্যাপটিটিউড টেস্টের জন্য নির্দিষ্ট নম্বর থাকে। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, সেখানে ইন্টারভিউ হয়েছে নিয়ম না মেনেই। কোথাও কোথাও বারান্দায় বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার পরীক্ষার্থীদের কোনও প্রশ্নই করা হয়নি। চাকরি প্রার্থীদের কয়েকজন আবার অভিযোগ করেছিলেন কেবল নাম জিজ্ঞাসা করেই ইন্টারভিউ শেষ করা হয়েছে। কাউকে আবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছে কোথায় থাকেন।এসব অভিযোগ পাওয়ার পরেই ইন্টারভিউয়ারদের তলব করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    এদিন যাঁদের তলব করা হয়েছে, তাঁরা ২০১৬ সালের ইন্টারভিউয়ার। পর্ষদের হলফনামা খতিয়ে দেখে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অ্যাপটিটিউড টেস্ট হয়নি। বসানো হয়েছিল গড় নম্বর। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেদিন শুনানিতে বলেছিলেন, অ্যাপটিটিউড টেস্ট নিয়ে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তাতে বোঝা যাচ্ছে ২০১৬ সালের ইন্টারভিউতে ওই টেস্ট নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে যে নথি ও সাক্ষ্য পর্ষদের তরফ থেকে এসেছে, তাতে স্পষ্ট ওই টেস্ট নেওয়া হয়নি। তিন চারটে প্রশ্ন করেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। এদিন যাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন হাওড়া, হুগলি, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদের ইন্টারভিউয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share